Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। ইতিহাসের শুরু থেকেই মানুষ এই অণুজীবদের আক্রমণের শিকার হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছে কোটি কোটি। অথচ কারা এই প্রাণহাণির কারণ তা মানুষের বুঝে উঠতে সময় লেগেছে হাজার হাজার বছর। ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কারেরও বেশ কিছু সময় পর, রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস সম্পর্কে মানুষ জানতে শুরু করে উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে। ইতিহাসে এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অণুজীবসৃষ্ট মহামারীর প্রভাবে সভ্যতা ধ্বংস হয়েছে, পাল্টে গিয়েছে সমাজ-অর্থনীতি। মহামারীর ইতিহাস ও মানুষের মধ্যে তার প্রভাব নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। মানুষের প্রাচীন ফসিল বিশ্লেষণ করে স্মলপক্স, টিউবারকিউলোসিসসহ বিভিন্ন রোগের নিদর্শন পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
এই দুনিয়া বিশ্বায়িত হওয়ার বহু আগেও লাখ লাখ মানুষ মহামারীতে মারা গিয়েছে। আসলে উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে বিশ্বে জনসংখ্যা যেমন বাড়ে, তেমনই বাড়ে রোগ বালাইয়ের প্রকোপ। মানুষ পশুপাখিকে যখন গৃহপালিত করতে শেখে, তখন সেই গৃহপালিত পশু পাখি থেকেও মানুষ সহজে সংক্রমিত হয়েছে। অন্যদিকে, বিশুদ্ধ জলের অভাবে গ্রামকে গ্রাম উজার হয়েছে। নগরসভ্যতা হারিয়ে গিয়েছে মহামারীতে। ওল্ড টেস্টামেন্টে যেমন ঈশ্বরের শাস্তি হিসেবে মহামারীর নিদর্শন আমরা পাই, তেমনই প্রাচীন গ্রিসের ইতিহাসবিদ থুসিসাইডিসের রচনাতেও মহামারীর উল্লেখ পাওয়া যায়। থুসিসাইডিসের রচনা থেকে আমরা জানিতে পারি, পেলোপনেশিয়ান যুদ্ধের সময় টাইফাস মহামারীতে এথেন্সের জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ মারা যায়। যার কারণে স্পার্টার জয়লাভ সম্ভব হয়েছিল। ১৬৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৮০ খ্রিস্টাব্দে রোমে স্মল পক্স মহামারীতে বহু মানুষ মারা যায়, রাজপরিবারের সদস্যরাও এর প্রকোপ থেকে বাঁচেনি। বিখ্যাত রোমান সম্রাট মার্কাস অরেলিয়াসের ভাই লুইসিয়াস ভেরাসের মারা গিয়েছিলেন। ২৫০ খ্রিস্টাব্দে সাইপ্রিয়ানের প্লেগ মহামারী রোমান সাম্রাজ্যকে দুর্বল করে দেয়। এরপর, পঞ্চম শতাব্দীতে একদিকে যুদ্ধ অন্যদিকে এই মহামারী শক্তিশালী পশ্চিম রোমান সাম্রাজ্যকেই শেষ করে দেয়।
১৪ শতকে যখন কোনও বিমান কিংবা প্রমোদতরী কিছুই ছিল না, তখনও ব্ল্যাক ডেথ নামে মহামারী এক যুগের কিছুটা বেশি সময়ের মধ্যেই প্রাচ্য এশিয়া থেকে পাশ্চাত্য ইউরোপ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল। এটি ইউরো-এশিয়া অঞ্চলটির সাড়ে সাত কোটি মানুষকে মেরে ফেলেছিল। যা ইউরো-এশিয়ার মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ। ইংল্যান্ডে প্রতি দশজনে চারজন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ফ্লোরেন্স শহরে এক লাখ নাগরিকের মধ্যে ৫০ হাজার নাগরিক প্রাণ হারায়। সময়টা ১৫২০ সালের মার্চ মাস। গুটিবসন্তের (স্মল পক্স) একজন মাত্র বাহক ফ্রান্সিকো ডি অ্যাগুইয়া মেক্সিকোতে পা রাখেন। সেই সময় মধ্য আমেরিকায় কোনও ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা ছিল না। ছিল না কোনও বাস পরিবহন। তা সত্ত্বেও ডিসেম্বরের মধ্যে গুটি বসন্ত মহামারি আকারে পুরো মধ্য আমেরিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা মধ্য আমেরিকার মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এখানেই শেষ নয়! ১৯১৮ সালে একটি বিশেষ ধরনের ফ্লু ভাইরাস কয়েকমাসের মধ্যেই পৃথিবীর প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় পঞ্চাশ কোটি মানুষকে আক্রান্ত করে, যা তখনকার মানব প্রজাতির এক চতুর্থাংশেরও বেশি। এই ভাইরাসে ভারতের মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশের মৃত্যু হয়। ওই মহামারীতে এক বছরেরও কম সময়ে ১০ কোটি মানুষ প্রাণ হারায়। চার বছর ধরে চলা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যার চেয়েও তা বেশি ছিল। মহামারীর এরকম বহু নিদর্শন পাওয়া যায় ইতিহাসে, যা শুধু মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে এমন নয়, গোটা সমাজ-রাজনীতির সমীকরণকেই বদলে দিয়েছে। মহামারী বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ডেমোগ্রাফিকে বদলে দিয়েছে। বদলে দিয়েছে তার অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে। রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহেও ফেলেছে সুদূরপ্রসারী প্রভাব।
তাহলে কি করোনা ভাইরাসের প্রকোপেও আধুনিক বিশ্ব পাল্টে যাবে?
জার্মানির চ্যান্সেলর মার্কেল গত ১৮ মার্চ দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণে প্রথম করোনা সংক্রমণকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ–পরবর্তী সবচেয়ে বড় সঙ্কট বলেছেন। ২০১৯–এর ডিসেম্বরের পরের পৃথিবী আগের মতো নেই। পরিবর্তনটা হবে অস্বাভাবিকভাবে ভিন্ন এবং মৌলিক। নতুন অনেক কিছুর জন্য প্রস্তুত হতে হবে মানবজাতিকে। কিছু কিছু পরিবর্তন স্থায়ী হয়ে উঠবে। মনে রাখবেন, ১৯৪৫ সালের মে মাসের আগের ও পরের বিশ্ব আলাদা হয়ে গিয়েছিল। করোনা ভাইরাস মহাযুদ্ধের চেয়েও বেশি মাত্রায় চেনাজানা বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারে। সেই অর্থে করোনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ‘রাজনৈতিক ঘটনা’।
এই প্রজন্ম এ রকম সর্বগ্রাসী দুর্যোগ আর দেখেনি। প্রতিদিনই কোভিড-১৯ ক্ষয়ক্ষতির চমক দেখাচ্ছে। এর শেষ কোথায়, আমরা কেউই জানি না। ঝড়ের বেগে ধাবমান মানব সভ্যতা অতর্কিতে থেমে গিয়েছে। শিল্প-বাণিজ্য-বিশ্বায়ন, পরিবেশ দূষণের উদ্দাম গতি, সব কিছু থমকে দাঁড়িয়েছে এক মাসের মধ্যে। করোনা-উত্তর পৃথিবীতে মানুষ কবে আবার ঘর থেকে বেরিয়ে কাজে ফিরবে, তার উত্তর ভবিষ্যতের গর্ভে। প্রাথমিকভাবে মনে হয়নি, চীন এত দ্রুত ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এও মনে হয়নি, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় বিপর্যয় এত ব্যাপক হবে।
তুলনামূলকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা ছিল ওই সব অঞ্চল। অথচ সেখানেই অস্তিত্বের সঙ্কট তীব্র চেহারা নিয়েছে। ইরানে সংক্রমণের ব্যাপকতারও কোনও উত্তর মেলেনি আজও। এটুকুই শুধু বোঝা যাচ্ছে, যেসব দেশ ও সরকার আগেভাগে সমস্যার রূঢ়তা চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ সক্রিয় হয়েছে, তারা ভাইরাসের আগ্রাসন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এনেছে। অন্যত্র ঘটেছে উল্টো। এই বিপর্যয় মোকাবিলায় আমেরিকা, ব্রিটেনসহ বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোর নেতারা ব্যর্থ। নিজেদের সামলাতেই হিমশিম খাচ্ছেন। তাঁদের তরফ থেকে এখনও এমন একটি বাক্যও পাওয়া যায়নি, যা বিশ্ববাসীকে আশ্বস্ত করতে পারে। যা বিশ্বে রাজনৈতিক নেতৃত্বের পালাবদলের ইঙ্গিত। অতীতে মহামারীর ইতিহাসে শুধুমাত্র সঠিক ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়ে বহু রাজত্ব নুয়ে পড়েছিল। তবে সব মহামারির শিক্ষা এক রকম নয়।
ইউরোপ যুগের পর যুগ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধে শরিক হয়েছে আমেরিকার। অথচ, ভাইরাস হানা দেওয়ামাত্র ওয়াশিংটন কোনও ধরনের আলোচনা ছাড়াই ঘনিষ্ঠ মিত্র ইউরোপের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। বাকি বিশ্বের দায় এড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই পরিস্থিতি যেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘স্প্যানিশ-ফ্লু’র কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সেই দুর্যোগে অস্ট্রিয়া আর জার্মানি শক্তি হারিয়ে উত্থান ঘটেছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্সের। তবে মহামারী শুধু রাজনীতিতে নয়, নাটকীয় পরিবর্তন আনে অর্থনীতিতেও। ডলার-পাউন্ড পকেটে নিয়ে পণ্য না পাওয়ার অভিজ্ঞতা আমেরিকা ও ইউরোপের অনেক নাগরিকের জীবনে এই প্রথম। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, সীমান্ত বন্ধ এবং জরুরি অবস্থার মতো ঘটনা।
আপাতত গোটা পৃথিবী জুড়ে বিমান চলাচল প্রায় বন্ধ, পর্যটন স্তব্ধ, হোটেল, খাবার দোকান সবেতেই তালা ঝুলছে। এমন চললে মে মাসের শেষের মধ্যে প্রায় সব বিমান সংস্থা দেউলিয়া হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা। পর্যটন-শিল্পেও একই কালো মেঘ। শিল্পের যে ক্ষেত্রগুলো কাজ তৈরি করে, তার মধ্যে প্রধানই হল ভ্রমণ ও পর্যটন— পৃথিবীব্যাপী আনুমানিক ২০ শতাংশ মানুষের জীবিকার কেন্দ্র। ফলে যে সংখ্যায় মানুষ কাজ হারাতে চলেছে আগামী এক-দুই মাসে, তার হিসেব আন্দাজ করা যায় না। বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেন ভেঙে পড়েছে। বড় ধরনের মন্দার মুখে গোটা বিশ্ব। সব দেশেই ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে সাহায্য পাওয়ার জন্য মরিয়া। কেউ চাইছেন নগদ সহায়তা, কেউ কর ছাড়। পরিস্থিতি অভূতপূর্ব। কিন্তু অধিকাংশ অর্থমন্ত্রী হতবিহ্বল। রাষ্ট্রগুলো সাহায্য চাইছে বিশ্বব্যাঙ্ক, আইএমএফ, এডিবির কাছে।
চীনকে বাদ দিলে ভারতসহ পৃথিবীর সব শেয়ার মার্কেটে অবিরাম রক্তক্ষরণ চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০০৮ সালের আর্থিক ‘মন্দা’র পরিস্থিতি আবার ফিরে এসেছে। মাসখানেকের মধ্যে পরিস্থিতির মোড় না ঘুরলে হয়তো আমরা ১৯৩০ সালের ‘গ্রেট ডিপ্রেশন’ এর সঙ্গে তুলনীয় জায়গায় পৌঁছে যাব। ভাইরাস–ঝড় থামার পরই পুঁজি তার পুনরুত্থানের জন্য অটোমেশনের উপর জোর দেবে। কারখানা ও সাপ্লাই চেন দুটোর অটোমেশন করা গেলে পরের ভাইরাস যুদ্ধগুলোকে এড়ানো সহজ হতে পারে। আর এই অটোমেশন যুগের ব্যাপকতা শ্রমজীবীনির্ভর দেশগুলোর জন্য খারাপ খবর। অসংগঠিত শ্রমিকের হারও কমে আসবে।
প্রতিটি সংকটই কিছু সম্ভাবনার দ্বারও খুলে দেয়। অর্গানিক ফুডের বাজার চাঙা হয়ে উঠবে। বিশেষ করে যেসব খাবার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সেগুলোর দিকে মানুষের আগ্রহ বাড়বে। মাস্ক পরার চেয়েও শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকা যে অধিক জরুরি ছিল, সেটা করোনা ভালোভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছে। ফলে ভোগের ধরন পাল্টাবে। জীবনযাপনের ধরনও। ‘লাইফস্টাইল’ জগতে তাই পরিবর্তন হবে বিস্ময়কর। করোনা ভাইরাস শুধু বিশ্বায়নের ধরনই নয়, হয়তো অনেক সামাজিক মূল্যবোধই আমূল পাল্টে দিতে পারে। গোলার্ধজুড়ে বইতে পারে স্বাস্থ্যসচেতনতার নতুন তরঙ্গ। মানুষ টের পাচ্ছে, একটা মিসাইল বানানোর চেয়ে একজন ডাক্তার তৈরি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। করোনা–আতঙ্ক সেই শিক্ষাই দিচ্ছে!
27th  March, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় এবার রাজ্যের রেশন গ্ৰাহকদের অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে চাল ও গম মিলিয়ে। এবার একই পরিমাণ খাদ্যশস্যর সঙ্গে ...

  জোহানেসবার্গ: গোটা ইউরোপকে তছনছ করে এবার আফ্রিকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনা-ঝড়। দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমণ। রোগীর চাপে উপচে পড়ছে হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডগুলি। ফলে আচমকাই হাসপাতালগুলিতে টান পড়েছে অক্সিজেনের। ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচের উন্নতির জন্য ডিভিসির সমস্ত ক্যানেলের হাল পুনরুদ্ধারে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। দুই বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি ও বাঁকুড়া জেলায় এই কাজের জন্য ২৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুক্রবার মির্জা গালিব স্ট্রিটের কৃষি বিপণন দপ্তরে জটিল স্নায়ুজনিত রোগে আক্রান্ত দুটি শিশুর জন্য একান্ত জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা মাঝে মধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনযোগী হয়ে পড়বে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
১৮২৩ সালের এই দিনে ভারতের তৈরি প্রথম জাহাজ ডায়না কলকাতা বন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
১৮৮৯ সালের এই দিনে অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়।
১৯২১: মঙ্গোলিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করল লাল ফৌজ
১৯৩০ সালের এই দিনে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যান এক দিনে ৩০৯ রান করার রেকর্ড করেন, পরে টেস্ট ম্যাচে তা ৩৩৪ রানের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছিল।
১৯৫৬: সাহিত্যিক অমিতাভ ঘোষের জন্ম
১৯৬২: প্রথম ট্রান্সআতলান্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু হল
১৯৬৭: সাহিত্যিক ঝুম্পা লাহিড়ির জন্ম
১৯৭২: বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম খেলা ববি ফিশার ও বরিস স্পাসকির মধ্যে শুরু হল
১৯৭৯: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহাকাশ স্টেশন স্কাইল্যাব পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। সেটিকে ভারত মহাসাগরে ফেলে ধ্বংস করা হয়।
২০০৬: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ২০৯জনের মৃত্যু
২০১২: আবিষ্কার হল প্লুটোর পঞ্চম উপগ্রহ এস/২০১২ পি ১



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৩২০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৪২০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৭ আষাঢ় ১৪২৭, ১১ জুলাই ২০২০, শনিবার, ষষ্ঠী ২১/১৭ দিবা ১/৩৪। পূর্বভাদ্রপদ ১/১৫ প্রাতঃ ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৫/৩/৬, সূর্যাস্ত ৬/২০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪ গতে ৭/৪৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৫৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/১
মধ্যে পুনঃ ৪/৪১ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৪১ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৩ গতে উদয়াবধি।
২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১১ জুলাই ২০২০, শনিবার, ষষ্ঠী দিবা ১/৫। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র দিবা ৬/৩। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৭/৪৭ মধ্যে ও ১১/২১ গতে ১/৩০ মধ্যে ও ২/৫৫ গতে ৫/৩ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ মধ্যে ১/২৩ গতে ৩/৩ মধ্যে ও ৪/৪৩ গতে ৬/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪৩ মধ্যে ও ৩/৪৩ গতে ৫/৩ মধ্যে।
১৯ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা:ফের রেকর্ড, দেশে একদিনে আক্রান্ত ২৭,১১৪ ও মৃত ৫১৯
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ...বিশদ

10:03:41 AM

 করোনা চিকিৎসায় সোরিয়াসিস ইনজেকশন ব্যবহারে অনুমতি
করোনা মোকাবিলায় প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উপায়ের সন্ধান করে চলেছেন গোটা ...বিশদ

09:31:00 AM

মুম্বইয়ের শপিং সেন্টারে আগুন নেভাতে এবার নামছে রোবট
মুম্বইয়ের শপিং সেন্টারের আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। ...বিশদ

09:20:17 AM

অ্যাপে আসক্তি, সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে নিখোঁজ বধূ 
অনলাইন ভিডিও অ্যাপে আসক্তির জেরে স্বামীর কাছ থেকে সাড়ে তিন ...বিশদ

08:45:00 AM

ফল প্রকাশ নিয়ে রাজ্যের নির্দেশের দিকে তাকিয়ে এনবিইউ 
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ফল প্রকাশ নিয়ে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার দিকে ...বিশদ

08:30:00 AM

ইডেনে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করবে পুলিস 
কলকাতা পুলিসের কর্মীদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ীভাবে ইডেনে তৈরি হবে ...বিশদ

08:28:03 AM