Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড কীভাবে হয়... এই রোগের অভিঘাতই বা কতটা... জানা নেই তাও! শুধু ডাঃ কাটারিয়া নন, হাসপাতালের কারওরই বিষয়টা নিয়ে অভিজ্ঞতা ছিল না। তাও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে যাবতীয় ব্যবস্থা করেছিল তাঁর টিম। সন্ধ্যা ছ’টায় এসে পৌঁছেছিলেন সেই ইতালীয়রা। প্রত্যেকের বয়স ৬৫ বছরের বেশি। মাত্র দু’জন ইংরেজি বলতে পারেন। তাও ভাঙা ভাঙা। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার অবশ্য কোনও ভাষা হয় না। যে শব্দটা সবার আগে তাঁরা ভারতীয় চিকিৎসকদের বোঝাতে পেরেছিলেন, সেটি হল ‘ছোঁয়াচ’। কানেক্টিভিটি। সেই থেকে লড়াই চলছে ডাঃ কাটারিয়ার। বাড়িতে ১৬ বছরের ছেলে, আর ১৪ বছরের মেয়ে। দু’জনেরই ঘর সেদিন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। গত ১৭ দিন একবারের জন্যও সেই দুই ঘরের দরজায় হাত দেননি ডাঃ কাটারিয়া। একসঙ্গে খাওয়াও বন্ধ। জানেন... এক মুহূর্তের ভুল তাঁর দুই সন্তানকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই দরকার সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। দরকার হলে সবচেয়ে প্রিয় মানুষটার সঙ্গেও। করোনা ভাইরাস ঠেকানোর এটাই একমাত্র উপায়। নিমন্ত্রণ করে ঘরে ডেকে না আনলে এই ভাইরাস আসতেও চায় না। প্রধানমন্ত্রী সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন ভারতবাসীকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাই বলে এসেছেন... গত বেশ কয়েকদিন ধরে। খুব দরকার না হলে বাড়ি থেকে দয়া করে বেরবেন না। নিছক একটা আবেদন... প্রত্যেক ভারতবাসী যা দিতেই পারেন। এর জন্য আলাদা করে টাকা খরচ হবে না। কিন্তু দেশের মানুষ কি এই আর্জিতে সাড়া দেবেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই একটা ট্রায়াল দিতে চেয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। জনতা কার্ফু। জবাব তিনি পেয়েও গিয়েছেন। পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত।
শুনশান রাস্তাঘাট, ট্রেন নেই, বাস কার্যত বন্ধ, অটোরিকশর দেখা নেই... গত রবিবারের দিনটা বাম জমানার বন্‌঩ধের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। তবে কর্মনাশা নয়, এই ‘কার্ফু’ বেঁচে থাকার তাগিদে। একে অপরের স্বার্থে। ভারত যে এই সংক্রমণের স্টেজ-২তে রয়েছে! এর পরের স্তর হল কমিউনিটি ট্রান্সমিশন। মানে, আমার থেকে আমার বন্ধু, আপনার থেকে আপনার সহকর্মীর মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়া। আমার আপনার বাড়িতে যিনি পরিষেবা দেন, ভাইরাস যেতে পারে তাঁর শরীরেও। যা বালিগঞ্জ, অর্থাৎ পণ্ডিতিয়া রোডের সেই যুবকের বাড়িতে হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ দমদমের সেই প্রৌঢ়ের। ট্রেনযাত্রা যাঁর শরীরে ঢুকিয়ে দিয়েছিল মারণ ভাইরাস।
এখন লকডাউন না হলে বাসে কোনও আক্রান্ত সহযাত্রীর একটি হাঁচিতে এই অবস্থায় আক্রান্ত হতে পারতেন আরও দশ জন। আর লোকাল ট্রেন হলে সংখ্যাটা শতাধিক। আমরা সচেতন না হলে ১৩০ কোটির দেশে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লক্ষে পৌঁছতে কিন্তু মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে। আর তাই লকডাউন আবশ্যক। মাত্র ১৪ ঘণ্টার ‘জনতা কার্ফু’ কখনওই এর প্রতিষেধক নয়। হতে পারে না। সাম্প্রতিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি তথ্য বলছে, করোনা ভাইরাস বাতাসেও ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। এমনকী, প্লাস্টিক, স্টিল, গ্লাভস... সর্বত্র এ ওঁত পেতে বসে থাকবে। সুযোগের অপেক্ষায়। গুণোত্তর প্রগতির এই চেন ভাঙারই চ্যালেঞ্জ আজ দেশবাসীর কাছে। আপামর দেশবাসীর আজ একটাই প্রার্থনা হওয়া উচিত... ইতালি যে ভুল করেছে, তা আমরা করব না। নিজেদের স্বার্থে। সোমবার থেকে ট্রেন, মেট্রোরেল বন্ধ। দেশজুড়ে ৭৫টি জেলায় শাটডাউন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার শুক্রবার পর্যন্ত লকডাউনের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার বলছে ৩১ মার্চের কথা। এখন প্রশ্ন হল, ৩১ তারিখ কেন? কোন সমীক্ষা বা গবেষণা বলছে, এই ন’দিনে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে? উত্তর জানা নেই। সবটাই আন্দাজে ঢিল ছোঁড়ার মতো। আশার উপর ভর করে মরিয়া চেষ্টা। অর্থবর্ষের অন্তিম লগ্নে এসেও।
ভারি সতর্কভাবে পা ফেলতে হচ্ছে সরকারকে। তা সে কেন্দ্র হোক বা রাজ্য। ‘ইয়ার এন্ডিং’ ভারতের অর্থনীতির ক্ষেত্রে এক বিষম বস্তু। ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে এই সময়টা যদি হাজারের গুণিতকে প্রভাব ফেলে, বড় সংস্থায় সেটাই পৌঁছে যায় কয়েক কোটিতে। রিলায়েন্স বা টাটার মতো সংস্থায় কয়েকশো কোটি টাকার লেনদেন হয় অর্থবর্ষের শেষে। এমনই এক মহীরূহ সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। স্পষ্ট বললেন, ‘গোটা দেশে এই মুহূর্তে ৫০টার মতো প্রজেক্টে আমার টিম কাজ করছে। আর পেমেন্ট বাকি সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ। যা আমাকে ১ এপ্রিলের আগে তুলতেই হবে। কিন্তু যাকেই ফোন করছি, সে বলছে এখন হবে না। কেউ বলছে, আমাদের এখন ওয়ার্ক ফ্রম হোম চলছে... কী করে দেব! আর একজন বলছে, সব তো লকডাউন! লোক কোথায়? ব্যবসা কোথায়? এর উত্তর কী দেব আমি? আবার যার পেমেন্ট করার মতো ব্যবস্থা আছে, সে বলছে তুমি কাজ তুলতে পারছ না... টাকা দেব না। আমাকে সেটাও হজম করতে হচ্ছে। তাঁর যুক্তিও তো ফেলে দেওয়ার মতো নয়! যেখানে কাজ চলছিল, লকডাউনের জন্য সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ট্রেন বন্ধ। বাস নেই। যে লোকগুলো পেয়িং গেস্ট বা মেসে থেকে কাজ করছিল, তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। বলছে, নিজের রাজ্যে চলে যাও। সেটাও তারা করতে পারছে না। তাই হেড অফিসের নীচে এসে বসে আছে। এ তো আর একটা মাথাব্যথা! একবার এক মন্ত্রী ট্যুইট করলেন, সব বন্ধ। তারপর আবার জানালেন অত্যবশ্যকীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবায় ছাড় আছে। এসেনশিয়াল না হয় বুঝলাম। কিন্তু কোন পরিষেবা গুরুত্বপূর্ণ, আর কোনটা নয়... সেটা কে ঠিক করবে? তার কোনও ব্যাখ্যা কিন্তু নেই। লকডাউন করতেই হবে। জানি। তবে দেশ বাঁচবে। কিন্তু আমাদের জন্যও তো সরকারকে কিছু ভাবতে হবে? কোম্পানিগুলোর জন্য... আমাদের মতো করদাতাদের জন্য। আমরাও কিন্তু এই দেশেরই নাগরিক। ২ এপ্রিল যদি চাকরি না থাকে, খাব কী? কিছু কি ভাবছে সরকার?’
এর উত্তর সোমবার বিকেল পর্যন্ত মেলেনি। শোনা গিয়েছে, কিছু একটা প্যাকেজ নাকি কেন্দ্র ঘোষণা করতে চলেছে। কিন্তু অর্থবর্ষ? বছরের যাবতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গুটিয়ে ফেলার শেষ তারিখ ৩১ মার্চ। সরকার তো একবারও বলছে না যে, ১৫ এপ্রিল, বা ৫ মে পর্যন্ত সময় দেওয়া হল! কিংবা এই সময়ে কোম্পানিগুলি যে বিপুল আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সমস্যা কেটে গেলে সেদিকে আমরা নজর দেব?
থাক, ব্যবসাপত্র না হয় ছেড়েই দিলাম। দেশজুড়ে যে মানুষগুলো করোনা মোকাবিলায় সরাসরি দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন... সেই ডাক্তার, নার্স, সাফাইকর্মী, পুলিসকর্মী, সেনা, আধাসেনাদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কি আলাদা করে কিছু ভেবেছেন? পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ‘সৈনিক’দের জন্য আলাদা ৫ লক্ষ টাকার বিমা ঘোষণা করেছেন। ভাবনাটাকে এই স্তরে নিয়ে যেতে হবে। শুধু মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে বাণীবর্ষণ করলেই হবে না। যথাযথ পদক্ষেপ আজ সবচেয়ে জরুরি। এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনে থেকে দাঁড়িয়ে যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁদের জন্য... আক্রান্তদের জন্য। আর হ্যাঁ, আর যাঁরা বাড়ির বাইরে না বেরিয়ে নিঃশব্দে এই মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন, ভাবতে হবে তাঁদের কথাও। চ্যালেঞ্জ প্রচুর। অস্ত্র একটাই... মানুষ। নাগরিক সচেতনতা।
আজ কিন্তু ‘ঘুসপেটিয়ো’ বাছাইয়ের সময় নয়! 
24th  March, 2020
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 রেওয়াজি খাসির মাংস কিংবা পদ্মার ইলিশ নয়। করোনা পরিস্থিতিতে এখন সব্জি ভাত খেতে গিয়েই হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ...

 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM