Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড কীভাবে হয়... এই রোগের অভিঘাতই বা কতটা... জানা নেই তাও! শুধু ডাঃ কাটারিয়া নন, হাসপাতালের কারওরই বিষয়টা নিয়ে অভিজ্ঞতা ছিল না। তাও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে যাবতীয় ব্যবস্থা করেছিল তাঁর টিম। সন্ধ্যা ছ’টায় এসে পৌঁছেছিলেন সেই ইতালীয়রা। প্রত্যেকের বয়স ৬৫ বছরের বেশি। মাত্র দু’জন ইংরেজি বলতে পারেন। তাও ভাঙা ভাঙা। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার অবশ্য কোনও ভাষা হয় না। যে শব্দটা সবার আগে তাঁরা ভারতীয় চিকিৎসকদের বোঝাতে পেরেছিলেন, সেটি হল ‘ছোঁয়াচ’। কানেক্টিভিটি। সেই থেকে লড়াই চলছে ডাঃ কাটারিয়ার। বাড়িতে ১৬ বছরের ছেলে, আর ১৪ বছরের মেয়ে। দু’জনেরই ঘর সেদিন থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। গত ১৭ দিন একবারের জন্যও সেই দুই ঘরের দরজায় হাত দেননি ডাঃ কাটারিয়া। একসঙ্গে খাওয়াও বন্ধ। জানেন... এক মুহূর্তের ভুল তাঁর দুই সন্তানকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। তাই দরকার সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। দরকার হলে সবচেয়ে প্রিয় মানুষটার সঙ্গেও। করোনা ভাইরাস ঠেকানোর এটাই একমাত্র উপায়। নিমন্ত্রণ করে ঘরে ডেকে না আনলে এই ভাইরাস আসতেও চায় না। প্রধানমন্ত্রী সেটাই বোঝাতে চেয়েছেন ভারতবাসীকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাই বলে এসেছেন... গত বেশ কয়েকদিন ধরে। খুব দরকার না হলে বাড়ি থেকে দয়া করে বেরবেন না। নিছক একটা আবেদন... প্রত্যেক ভারতবাসী যা দিতেই পারেন। এর জন্য আলাদা করে টাকা খরচ হবে না। কিন্তু দেশের মানুষ কি এই আর্জিতে সাড়া দেবেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই একটা ট্রায়াল দিতে চেয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। জনতা কার্ফু। জবাব তিনি পেয়েও গিয়েছেন। পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত।
শুনশান রাস্তাঘাট, ট্রেন নেই, বাস কার্যত বন্ধ, অটোরিকশর দেখা নেই... গত রবিবারের দিনটা বাম জমানার বন্‌঩ধের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। তবে কর্মনাশা নয়, এই ‘কার্ফু’ বেঁচে থাকার তাগিদে। একে অপরের স্বার্থে। ভারত যে এই সংক্রমণের স্টেজ-২তে রয়েছে! এর পরের স্তর হল কমিউনিটি ট্রান্সমিশন। মানে, আমার থেকে আমার বন্ধু, আপনার থেকে আপনার সহকর্মীর মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়া। আমার আপনার বাড়িতে যিনি পরিষেবা দেন, ভাইরাস যেতে পারে তাঁর শরীরেও। যা বালিগঞ্জ, অর্থাৎ পণ্ডিতিয়া রোডের সেই যুবকের বাড়িতে হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ দমদমের সেই প্রৌঢ়ের। ট্রেনযাত্রা যাঁর শরীরে ঢুকিয়ে দিয়েছিল মারণ ভাইরাস।
এখন লকডাউন না হলে বাসে কোনও আক্রান্ত সহযাত্রীর একটি হাঁচিতে এই অবস্থায় আক্রান্ত হতে পারতেন আরও দশ জন। আর লোকাল ট্রেন হলে সংখ্যাটা শতাধিক। আমরা সচেতন না হলে ১৩০ কোটির দেশে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লক্ষে পৌঁছতে কিন্তু মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে। আর তাই লকডাউন আবশ্যক। মাত্র ১৪ ঘণ্টার ‘জনতা কার্ফু’ কখনওই এর প্রতিষেধক নয়। হতে পারে না। সাম্প্রতিক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি তথ্য বলছে, করোনা ভাইরাস বাতাসেও ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। এমনকী, প্লাস্টিক, স্টিল, গ্লাভস... সর্বত্র এ ওঁত পেতে বসে থাকবে। সুযোগের অপেক্ষায়। গুণোত্তর প্রগতির এই চেন ভাঙারই চ্যালেঞ্জ আজ দেশবাসীর কাছে। আপামর দেশবাসীর আজ একটাই প্রার্থনা হওয়া উচিত... ইতালি যে ভুল করেছে, তা আমরা করব না। নিজেদের স্বার্থে। সোমবার থেকে ট্রেন, মেট্রোরেল বন্ধ। দেশজুড়ে ৭৫টি জেলায় শাটডাউন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার শুক্রবার পর্যন্ত লকডাউনের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার বলছে ৩১ মার্চের কথা। এখন প্রশ্ন হল, ৩১ তারিখ কেন? কোন সমীক্ষা বা গবেষণা বলছে, এই ন’দিনে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে? উত্তর জানা নেই। সবটাই আন্দাজে ঢিল ছোঁড়ার মতো। আশার উপর ভর করে মরিয়া চেষ্টা। অর্থবর্ষের অন্তিম লগ্নে এসেও।
ভারি সতর্কভাবে পা ফেলতে হচ্ছে সরকারকে। তা সে কেন্দ্র হোক বা রাজ্য। ‘ইয়ার এন্ডিং’ ভারতের অর্থনীতির ক্ষেত্রে এক বিষম বস্তু। ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে এই সময়টা যদি হাজারের গুণিতকে প্রভাব ফেলে, বড় সংস্থায় সেটাই পৌঁছে যায় কয়েক কোটিতে। রিলায়েন্স বা টাটার মতো সংস্থায় কয়েকশো কোটি টাকার লেনদেন হয় অর্থবর্ষের শেষে। এমনই এক মহীরূহ সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। স্পষ্ট বললেন, ‘গোটা দেশে এই মুহূর্তে ৫০টার মতো প্রজেক্টে আমার টিম কাজ করছে। আর পেমেন্ট বাকি সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ। যা আমাকে ১ এপ্রিলের আগে তুলতেই হবে। কিন্তু যাকেই ফোন করছি, সে বলছে এখন হবে না। কেউ বলছে, আমাদের এখন ওয়ার্ক ফ্রম হোম চলছে... কী করে দেব! আর একজন বলছে, সব তো লকডাউন! লোক কোথায়? ব্যবসা কোথায়? এর উত্তর কী দেব আমি? আবার যার পেমেন্ট করার মতো ব্যবস্থা আছে, সে বলছে তুমি কাজ তুলতে পারছ না... টাকা দেব না। আমাকে সেটাও হজম করতে হচ্ছে। তাঁর যুক্তিও তো ফেলে দেওয়ার মতো নয়! যেখানে কাজ চলছিল, লকডাউনের জন্য সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ট্রেন বন্ধ। বাস নেই। যে লোকগুলো পেয়িং গেস্ট বা মেসে থেকে কাজ করছিল, তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। বলছে, নিজের রাজ্যে চলে যাও। সেটাও তারা করতে পারছে না। তাই হেড অফিসের নীচে এসে বসে আছে। এ তো আর একটা মাথাব্যথা! একবার এক মন্ত্রী ট্যুইট করলেন, সব বন্ধ। তারপর আবার জানালেন অত্যবশ্যকীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবায় ছাড় আছে। এসেনশিয়াল না হয় বুঝলাম। কিন্তু কোন পরিষেবা গুরুত্বপূর্ণ, আর কোনটা নয়... সেটা কে ঠিক করবে? তার কোনও ব্যাখ্যা কিন্তু নেই। লকডাউন করতেই হবে। জানি। তবে দেশ বাঁচবে। কিন্তু আমাদের জন্যও তো সরকারকে কিছু ভাবতে হবে? কোম্পানিগুলোর জন্য... আমাদের মতো করদাতাদের জন্য। আমরাও কিন্তু এই দেশেরই নাগরিক। ২ এপ্রিল যদি চাকরি না থাকে, খাব কী? কিছু কি ভাবছে সরকার?’
এর উত্তর সোমবার বিকেল পর্যন্ত মেলেনি। শোনা গিয়েছে, কিছু একটা প্যাকেজ নাকি কেন্দ্র ঘোষণা করতে চলেছে। কিন্তু অর্থবর্ষ? বছরের যাবতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গুটিয়ে ফেলার শেষ তারিখ ৩১ মার্চ। সরকার তো একবারও বলছে না যে, ১৫ এপ্রিল, বা ৫ মে পর্যন্ত সময় দেওয়া হল! কিংবা এই সময়ে কোম্পানিগুলি যে বিপুল আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সমস্যা কেটে গেলে সেদিকে আমরা নজর দেব?
থাক, ব্যবসাপত্র না হয় ছেড়েই দিলাম। দেশজুড়ে যে মানুষগুলো করোনা মোকাবিলায় সরাসরি দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন... সেই ডাক্তার, নার্স, সাফাইকর্মী, পুলিসকর্মী, সেনা, আধাসেনাদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার কি আলাদা করে কিছু ভেবেছেন? পশ্চিমবঙ্গে কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ‘সৈনিক’দের জন্য আলাদা ৫ লক্ষ টাকার বিমা ঘোষণা করেছেন। ভাবনাটাকে এই স্তরে নিয়ে যেতে হবে। শুধু মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে বাণীবর্ষণ করলেই হবে না। যথাযথ পদক্ষেপ আজ সবচেয়ে জরুরি। এই মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনে থেকে দাঁড়িয়ে যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁদের জন্য... আক্রান্তদের জন্য। আর হ্যাঁ, আর যাঁরা বাড়ির বাইরে না বেরিয়ে নিঃশব্দে এই মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন, ভাবতে হবে তাঁদের কথাও। চ্যালেঞ্জ প্রচুর। অস্ত্র একটাই... মানুষ। নাগরিক সচেতনতা।
আজ কিন্তু ‘ঘুসপেটিয়ো’ বাছাইয়ের সময় নয়! 
24th  March, 2020
বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

স্বৈরাচারী কলুষিত প্রশাসনকে
হুঁশিয়ার করলেন রবীন্দ্রনাথ
জয়ন্ত কুশারী

রবীন্দ্রনাথই অন্যতম মহামানব যিনি ভাবীকালের পৃথিবীকে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে বিবাদ বিদীর্ণ দেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের বৈষম্য, অর্থনৈতিক স্তরবিন্যাসের বৈচিত্র্য, প্রগতির বিভিন্ন মানকে স্বীকার করে নিয়েও সামগ্রিক ক্রমোন্নতির পথ থেকে বিচ্যুত হননি। বিশদ

সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। বিশদ

08th  May, 2021
করোনা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা
মন্ত্রকের উদ্যোগ
রাজনাথ সিং  

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি ভারত মোকাবিলা করছে ঐক্যবদ্ধভাবে। সশস্ত্র বাহিনী দেশকে জয়ী করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে অদম্য মনোভাব। যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতায় তাঁরা পূর্ণ। বিশদ

08th  May, 2021
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

07th  May, 2021
প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
মোদি হাওয়া নেই... ছিলও না 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাঁদরের হাতে লোডেড রিভলভার ধরিয়ে দিলে কী হয়? উত্তরের জন্য কোনও পুরস্কার নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি এই মহান কর্মটি করে, তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। নিশ্চিতভাবে তার মাথার ব্যামো আছে। আমাদের আর্থ-সামাজিক কাঠামোটাও কতকটা তেমন। 
বিশদ

04th  May, 2021
বাংলার আবেগের
অপর নাম আজ মমতা
হিমাংশু সিংহ

নরেন্দ্র মোদির আজকের এই পরাজয় তাই শুধু বাংলাতে পা রাখতে না পারার লজ্জা নয়, এক ৬৫ বছরের মহিলাকে ক্রমাগত ‘দিদি ও দিদি’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ গালাগালি নিক্ষেপ করারও মধুর বদলা।  বাংলা ও বাঙালি আজ মমতাময়। বিশদ

03rd  May, 2021
সঙ্কট থেকে  চরম বিপর্যয়
পি চিদম্বরম

আপনি এই নিবন্ধ যখন পড়ছেন ততক্ষণে ১৮-৪৪ বছর বয়সিদের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার মতো বিরাট কর্মসূচিটা দেশে চালু হয়ে গিয়েছে। কিছু রাজ্য আগ্রহের সঙ্গে এবং কিছু রাজ্য অনিচ্ছা সত্ত্বেও এতে শামিল হয়েছে। অন্যদিকে, ততক্ষণে শেষ হয়ে গিয়েছে ভোটগণনার মতো আর একটা ইভেন্ট এবং ফলাফল বেরিয়ে গিয়েছে। বিশদ

03rd  May, 2021
সঙ্কটকালে করোনাই
হোক প্রধান প্রতিপক্ষ
তন্ময় মল্লিক

করোনা আবহে দ্রুত বদলে যাচ্ছে সব কিছুই। বদলে যাচ্ছে মানুষের চাহিদাও। সোনাদানা, গাড়ি বাড়ির চেয়েও বহু মানুষের কাছে মূল্যবান অক্সিজেন সিলিন্ডার। এই পরিস্থিতিতে বদল দরকার রাজনৈতিক নেতাদেরও। তাঁদের ভাবনার। কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি নয়, সঙ্কটকালে করোনাই হোক প্রধান প্রতিপক্ষ। বিশদ

01st  May, 2021
রাষ্ট্রের কাছে কি
এটাই প্রাপ্য ছিল?
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে আপনাদের সময়কালে একটা দেশভাগ হলে কী করতেন? ভারত স্বাধীন হয়েছে, একটি নতুন রাষ্ট্র নির্মাণ করতে হবে। কীভাবে সামলাতেন? প্রায় ছশোর বেশি দেশীয় রাজ্য আছে। তাদের ভারতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে নরমে অথবা গরমে। পারতেন সেই কুশলতা দেখাতে? বিশদ

30th  April, 2021
একনজরে
ফলন বেশি হওয়ায় হিমঘরে আলুর মজুত প্রচুর হয়েছে। মে মাস পড়তেই হিমঘর থেকে আলু বের হওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু হিমঘরে আলু রেখেছিলেন যে চাষিরা, তাঁরা লাভজনক দাম পাচ্ছেন না বলে দাবি করা হচ্ছে। ...

পুরনো নেতা-কর্মীদের চাইতে দলবদলু নেতাদের বেশি গুরুত্ব দেওয়াতেই ঝাড়গ্রামে চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বিজেপি। এমনটাই মানছেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। ঝাড়গ্রাম জেলার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রেই এবার ধরাশায়ী হয়েছে পদ্ম শিবির। ...

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল গোটা দেশ। অপ্রতিরোধ্য গতিতে বাড়ছে সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্ট জেলবন্দিদের ফের মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিল রাজ্যগুলিকে। বিশেষ করে যারা গত বছর প্যারোলে কিংবা অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছিল, তাদের অবিলম্বে ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। ...

চালু হওয়ার পর থেকে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে মহেশতলার সম্প্রীতি উড়ালপুলে। যান শাসন না থাকায় উড়ালপুলের উপর দিয়ে যথেচ্ছভাবে ট্রাক সহ ছোট ও বড় গাড়ি চলাচল করে। গাড়ির গতির উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকা ও ওভারটেক করার কারণে যখন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সন্তানের বিদ্যাশিক্ষায় নজর দেওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত পরিশ্রমে শরীরে অবনতি। নানাভাবে অর্থ অপচয়। কর্ম পরিবর্তনের সম্ভাবনা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

২৫ শে বৈশাখ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিবস
১৪৫৪ -ইতালীয় ব্যবসায়ী, অভিযাত্রী, নৌ-বিশারদ এবং মানচিত্র নির্মাতা আমেরিগো ভেসপুসির জন্ম
১৮৬৬- স্বাধীনতা সংগ্রামী গোপালকৃষ্ণ গোখলের জন্ম
১৮৭৪ – তৎকালীন বোম্বেতে চালু হয় প্রথম ঘোড়ায় টানা ট্রাম
১৮৭৯ - নারী সচেতনতা প্রসারকল্পে কেশবচন্দ্র সেন আর্য নারী সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন
১৯৬০ - বিশ্বখাদ্য ও ড্রাগ প্রশাসন ঘোষণা করে যে জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য বড়ি ব্যবহার করা যাবে
১৯৬৭ - ভারতের প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হন জাকির হোসেন
১৯৮৪ - অক্সিজেন না নিয়েই এভারেস্ট জয় করেন ফু দোর্
১৯৮৬ - নেপালী শেরপা পর্বতারোহী  তেনজিং নোরগে  যিনি প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয়ী এডমন্ড হিলারির সাথে ছিলেন
১৯৯৪ - নেলসন ম্যান্ডেলা বর্ণবৈষম্যহীন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন
১৯৯৮ – সঙ্গীতশিল্পী তালাত মামুদের মৃত্যু
১৫৪০ – মেবারের রানা প্রতাপের জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৭৯ টাকা ৭৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ১০০.৬৭ টাকা ১০৪.১৯ টাকা
ইউরো ৮৭.২৮ টাকা ৯০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
08th  May, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,২৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  May, 2021

দিন পঞ্জিকা

২৫ বৈশাখ ১৪২৮, রবিবার, ৯ মে ২০২১। ত্রয়োদশী ৩৬/৯ রাত্রি ৭/৩১। রেবতী নক্ষত্র ৩১/৩ অপরাহ্ন ৫/২৯। সূর্যোদয় ৫/৩/১৬, সূর্যাস্ত ৬/২/৪৮। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৫/৫৬ গতে ৯/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/৫৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৫/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫২ গতে ১/৪৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/১৮ মধ্যে। 
২৫ বৈশাখ ১৪২৮, রবিবার, ৯ মে ২০২১। ত্রয়োদশী রাত্রি ৭/৫৩। রেবতী নক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/৯। সূর্যোদয় ৫/৪, সূর্যাস্ত ৬/৪। অমৃতযোগ দিবা ৫/৫৩ গতে ৯/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৩ গতে ৯/১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৫/৫৩ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫০ গতে  ৭/৩৩ মধ্যে ও ১১/৫৫ গতে ২/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/১৯ মধ্যে। 
২৬ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনায় প্রয়াত রাজ্যসভার সাংসদ পদ্মবিভূষন রঘুনাথ মহাপাত্র

08:25:59 PM

কাল তৃতীয় তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীদের শপথ, জেনে নিন কে কে আছেন তালিকায়
তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করে, সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রকাশ করল ...বিশদ

06:38:32 PM

করোনার পরিস্থিতিতে স্থগিত হয়ে গেল মালদ্বীপে আয়োজিত এএফসি কাপ

05:51:40 PM

আগামীকাল  নির্বাচিত হবে বিজেপির বিরোধী দলনেতা
আগামীকাল সোমবার নির্বাচিত হবে বিজেপির বিরোধী দলনেতা। সকাল ১১টায় সব ...বিশদ

04:58:00 PM

মাতৃ দিবসে বিশেষ শ্রদ্ধা গুগল ডুডলের
আজ, ৯ মে পালিত হচ্ছে মাতৃভাষা দিবস। আজকের এই দিনটি ...বিশদ

04:54:00 PM

করোনা আক্রান্ত তসলিমা নাসরিন
এবার করোনাতে আক্রান্ত হলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। নিজেই ট্যুইট করে সেই ...বিশদ

04:25:18 PM