Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে। আজ সারা বিশ্বেই মানুষের জীবনে আরও এক ক্রান্তিকাল সমুপস্থিত। এক ভয়াবহ ভাইরাস তাকে আক্রমণ করছে। সেই আক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে ঝড়ের বেগে। মানুষের সুস্থ জীবনে হঠাৎই মৃত্যুর নিকষ কালো হাতছানি। সচেতনতা দিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়াই করে আবার সুস্থ হয়ে উঠতে পারে মানবসমাজ। এর থেকে অনেক বড়বড় মহামারীর বিরুদ্ধে আমরা সঙ্ঘবদ্ধভাবে লড়াই করেছি। সেই ইতিহাস আজ আমাদের নতুন করে প্রেরণা জোগাতে পারে।
আজ থেকে ১০২ বছর আগের কথা। সারা বিশ্বে তখন মরণথাবা বসিয়েছে স্প্যানিস ফ্লু। ১৯১৮ সালের এমনই এক বসন্তের দিনে ধরা পড়ল নতুন এক ভাইরাস। নাম তার এইচ ওয়ান এন ওয়ান। প্রায় দেড় বছর সেই রোগ মানবজাতির উপর দুরমুশ করেছিল। সারা বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতেও এই মারণ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল। গান্ধীজি তখন বছর চারেক হল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরেছেন। তিনি তখন সবরমতী আশ্রমে থাকেন। তিনিও আক্রান্ত হলেন এই রোগে। আজ যেভাবে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশনের মধ্য দিয়ে এই রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা চেষ্টা হচ্ছে, সেদিনও তাই হয়েছিল। স্প্যানিশ ফ্লু’র কোনও ওষুধ ছিল না। এভাবেই সেদিন মানুষ লড়াই করেছিল। সেই লড়াই আজ আমাদের কাছে এক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। সেদিন আমাদের দেশে এক কোটি সত্তর লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেদিন ছিল শিক্ষার অভাব। ছিল পরিকাঠামোর অভাব। পাশাপাশি ব্রিটিশ রাজের অবহেলাতেই মানুষ পথেঘাটে কুকুর বিড়ালের মতো মরেছিল। বলা হয়, সেদিন ব্রিটিশদের ওই অবহেলাই মানুষের মনে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছিল। দেশ জুড়ে ক্রমেই আন্দোলন সংগঠিত হয়ে উঠেছিল। ভয় পেয়ে গিয়েছিল ব্রিটিশ রাজ। তাই ভারতীয়দের ‘উপযুক্ত শিক্ষা’ দিতে ১৯১৯ সালে তারা জালিয়ানওয়াবাগ হত্যাকাণ্ড করে বসল। সে অন্য ইতিহাস।
গান্ধীজি তাঁর অসুস্থতার মধ্যে তরল জাতীয় খাবার খেয়ে এবং ঘরে একা একা থেকে দিন কাটাতেন। ভারতের ভাগ্যবিধাতা সেদিন বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন তাঁকে। সেদিন এই স্প্যানিশ ফ্লুতেই আক্রান্ত হয়েছিলেন সাহিত্যিক প্রেমচন্দও। তিনিও পরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।
শরৎচন্দ্রের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের মধ্যেই আমরা পেয়েছি ‘কোয়ারেন্টাইন’ শব্দটি। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৮ সালে। ‘পরদিন বেলা এগার-বারটার মধ্যে জাহাজ রেঙ্গুন পৌঁছিবে; কিন্তু ভোর না হইতেই সমস্ত লোকের মুখচোখে একটা ভয় ও চাঞ্চল্যের চিহ্ন দেখা দিল। চারিদিক হইতে একটা অস্ফুট শব্দ কানে আসতে লাগিল, কেরেন্টিন। খবর লইয়া জানিলাম, কথাটা qarantine; তখন প্লেগের ভয়ে বর্মা গভর্নমেন্ট অত্যন্ত সাবধান। শহর হইতে আট-দশ মাইল দূরে একটা চড়ায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়া খানিকটা স্থান ঘিরিয়া লইয়া অনেকগুলি কুঁড়েঘর তৈয়ারি করিয়াছে। ইহারই মধ্যে সমস্ত ডেকের যাত্রীদের নির্বিচারে নামাইয়া দেওয়া হয়। দশদিন বাস করার পর, তবে ইহারা শহরে প্রবেশ করিতে পায়।’
আজ কিন্তু আমরা অনেকেই কোয়ারেন্টাইন মানছি না। একটা জিনিস আমরা দেখতে পাচ্ছি। সেটা হল বিদেশ থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের অনেকেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা অনেক, উচ্চবিত্ত শ্রেণীর, সেলেব্রিটি, আবার প্রভাবশালীও বটে। কিন্তু তাঁদের অনেকেরই নির্বুদ্ধিতা দেখে মনে হয়েছে, যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, এঁরা অত্যন্ত অভাবশালী। অভাবটা বুদ্ধির, সচেতনতার, মানসিকতার। শুধু আত্মম্ভরিতা আর অবিবেচক হওয়ার কারণে এই কয়েকজন কলকাতায় করোনার বীজাণুটা ছড়িয়ে দিলেন। এই ছবিটা শুধু এই রাজ্যের নয়, সারা দেশের। প্রভাবশালী, আর কিছু আহাম্মক সেলেব্রিটি মনে করেন, এসব বুঝি তাঁদের জন্য নয়। ইসস, আমি কিনা বেলেঘাটা আইডিতে যাব! আমার মতো বড় মাপের মানুষ ওইসব গরিবগুর্বোদের চিকিৎসার জন্য তৈরি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করব? এই অহংকারই আজ দেশের অসংখ্য সাধারণ মানুষকে সংকটের মুখে ফেলে দিয়েছে। এদের ধিক্কার জানানোর ভাষাও যেন আমরা হারিয়ে ফেলেছি। একটা জিনিস এঁরা প্রমাণ করে দিয়েছেন। সেটা হল, আমাদের দেশের প্রধান অভিশাপ অশিক্ষা নয়। অভিশাপ হল, এদেশের শিক্ষিত কিছু মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীন নির্বুদ্ধিতা। সারাদেশের উৎকণ্ঠিত মানুষ আজ এই আত্মম্ভরিতার শাস্তি দাবি করছে।
১৯১৮ সালে আমাদের দেশে যে স্প্যানিশ ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল, সেদিনও তা এসেছিল বিদেশ থেকেই। ১৯১৮ সালে মধ্যরাতে বোম্বাই (বর্তমানে মুম্বই) বন্দরে এসে নোঙর করল একটি জাহাজ। সেই জাহাজ থেকে নামলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সেনারা। সেই সেনা কর্মীদের মধ্য দিয়েই সেদিন ভারতে ঢুকেছিল স্প্যানিশ ফ্লুয়ের বীজাণু। এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে বেশি দেরি হয়নি। সেদিন হেল্থ ইন্সপেক্টর জে এস টার্নার বলেছিলেন, ‘রাতের অন্ধকারে ভারতে যেন চোরের মতো ঢুকে পড়েছিল এক গুপ্ত ঘাতক।’ তারপর সেই রোগ ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণ ভারতের উপকূল বরাবর। ভারতের অন্য অংশেও তা মৃত্যুর এক ভয়াবহ চিহ্ন এঁকে দিয়েছিল। হিন্দি সাহিত্যের বিশিষ্ট লেখক ছিলেন সূর্যকান্ত ত্রিপাঠি। তিনি ‘নিরালা’ নামেই পরিচিত। তিনি হারিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী সহ পরিবারের অনেককেই। তিনি লিখেছিলেন, ‘চোখের পলকে আমার পরিবারের সদস্যরা যেন অদৃশ্য হয়ে গেল।’ তখন এত মৃত্যু হয়েছিল যে সৎকার্য করার উপায় ছিল না। মানুষ নদীতে দেহ ভাসিয়ে দিত। গঙ্গায় ভেসে যেত পচাগলা মানুষের দেহ। এর ফলে সংক্রমণ যে আরও বেড়েছিল, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহই নেই। পাশাপাশি দেশের অধিকাংশ ডাক্তারকেই তখন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল ওয়ার ফ্রন্টে। তাই যেটুকু চিকিৎসার সুযোগ ছিল, তাও জোটেনি। তখন দেশের মানুষের শুশ্রুষার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন একদল লড়াকু তরুণ। তাঁরা চাঁদা তুলে পাড়ায় পাড়ায় ক্যাম্প তৈরি করে মানুষকে সচেতন করার প্রয়াস চালাতেন। খাদ্য, জল সরবরাহ করতেন তাঁরা। কেউ মারা গেলে তাঁরাই অন্ত্যেষ্টির দায়িত্ব নিতেন।
সেদিন ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আজকের মতোই জনগণের মধ্যে সচেতনতার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছিল। সংবাদপত্রে লেখা হতো, ‘কেউ বাইরে বেরবেন না। ঘরে থাকুন। অন্যজনের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকুন।’ সেদিন কিন্তু মানুষ দুর্বলতর হয়েও সচেতনতা দিয়ে লড়াই করেছিল। সেদিন আমাদের দেশের মানুষ সেই লড়াইয়ে সরকারকে পাশে পায়নি। আজ কিন্তু সমস্ত দুর্বিপাকের মধ্যে সমস্ত সরকার একজোট হয়ে লড়াই শুরু করে দিয়েছে। আজ এটা দেখে খুবই ভালো লাগছে যে, সমস্ত রাজনৈতিক মতাদর্শগত ভেদাভেদ, লাভ লোকসান, ভোটের অঙ্ক ভুলে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার একসঙ্গে হাত মিলিয়ে মানুষকে রক্ষা করার কাজে নেমেছে। এই মুহূর্তে এই রোগের একমাত্র ওষুধ হল জনবিচ্ছিন্নতা। সংস্পর্শে এলেই ছড়াবে এই রোগ। ছড়ানোর সুযোগ না পেলে ভাইরাস ধীরে ধীরে শক্তিহীন হয়ে পড়বে। প্রকোপ কমবে। এর মধ্যেও বাজারে, হাটে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে দেখা যাচ্ছে একদল অতি দিগ্‌গজ নানা ধরনের কথা বলে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। এখন সকলের কাছে একটাই অনুরোধ, এইসব অতি দিগ্‌গজদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। ওনারা করোনা ভাইরাসের থেকেও ভয়ংকর। সরকার, প্রশাসন, ডাক্তারদের নির্দেশ মেনে চলুন। প্রত্যেকের নিজস্ব নিরাপত্তা নিজের কাছে এবং নিজের নিরাপত্তাটুকু বজায় রাখলে অন্যদের নিরাপত্তাও রক্ষিত হবে। ‘ভ্রান্তিবিলাস সাজে না দুর্বিপাকে।’ ১৯১৮-র সেই লড়াই কিন্তু আজকের থেকে আরও ভয়ংকর ছিল। সেদিন অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও আমরা লড়াই করে বেঁচে উঠেছিলাম। সে তুলনায় করোনা ভাইরাসের মৃত্যুর হার কিন্তু অনেক কম। যদিও এই রোগ দ্রুত ছড়ায়। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণই নেই। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার তার রাজধর্ম পালন করছে। আজ এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রাজ্যের মানুষকে সাহায্য করছেন, ভরসা জোগাচ্ছেন। তাঁর লড়াই উজ্জীবিত করেছে প্রত্যেককে। গেরুয়া শিবিরের কেউ কেউ এই লড়াইয়ের প্রশংসাও করছেন। পাশাপাশি বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে জনতা কার্ফুর পদক্ষেপ নিয়েছেন, তাও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে যথার্থ সিদ্ধান্ত। এভাবেই আমরা সবাই নিয়মশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি। সরকার এবং প্রশাসনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এখন আমাদের উচিত মানুষের ধর্ম পালন করা। কোনও কোনও দেশে আইনের মধ্য দিয়ে মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে নিয়ম মেনে চলার। কোথাও কোথাও বলা হয়েছে, ‘হয় বাড়িতে থাকো নাহয় পাঁচ বছর জেলে থাকো।’ হয়তো এখনই আমাদের দেশে এই আইন বলবৎ করার সময় আসেনি। কিন্তু এমন যেন না হয়, যেদিন আমাদের দেশও এরকম একটা আইন এনে মানুষকে নিয়ম মানাতে বাধ্য করবে। এটুক সচেতন আমরা হতেই পারি। এই সচেতনতাই আজ মানুষের প্রকৃত ধর্ম। আজ এই বিপদকালে আমরা সত্যিই উপলব্ধি করতে পারছি, ধর্ম কাকে বলে। এতদিন আমরা দেখেছি রাজনৈতিক ধর্ম কিংবা ভক্তিমার্গগামী ধর্মের এক স্বরূপ। আজ এই বিপন্নতার মধ্যে দাঁড়িয়ে উপলব্ধি করছি বিরাজমান মানুষের ধর্মকে। মানুষকে রক্ষা করতে বন্ধ হয়েছে মন্দির, মসজিদ, গির্জা এবং অন্যান্য ধর্মস্থল। আজ ধর্মগুরুরাও বিজ্ঞানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লড়াইয়ে নেমেছেন। আজ সকলেই হয়তো উপলব্ধি করতে পারছেন, এই ধর্মই মহত্তর ধর্ম। মানব কল্যাণের ধর্ম।
অ্যালবেয়ার ক্যামু, জ্যাক লন্ডন, মার্কেস প্রমুখ সাহিত্যিকের লেখায় মহামারীর বিরুদ্ধে মানুষের লড়াইয়ের ছবি আঁকা হয়েছে। আমাদের কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত লিখেছেন, ‘মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি/ বাঁচিয়া গিয়েছি বিধির আশীষে অমৃতের টিকা পরি।’ মানুষের কপালে আছে অমৃতের টিকা। তার ‘নাই নাই ভয়, হবে হবে জয়।’ 
23rd  March, 2020
সাধারণের করের টাকায় নজরদারির শ্রাদ্ধ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন... ভারতের যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে ‘মন কি বাত’ আকর্ষণ করছে, তাতে তিনি ভীষণ খুশি। ওলিম্পিকস শুরু হয়েছে। টিভির পর্দায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এখন একটাই সরকারি স্লোগানে ডুবে, ‘চিয়ার ফর ইন্ডিয়া’... হাত মুঠো করে সামনের দিকে ঘুষি ছুড়তে হবে।
বিশদ

সরকার পক্ষীরাজের পিঠে সওয়ার
পি চিদম্বরম

একজন মন্ত্রী এই মর্মে শপথ নেন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনও অশুভ শক্তিকে ভয় পাবেন না কিংবা পছন্দের কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
বিশদ

26th  July, 2021
 অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বন্ধ্যাত্বের শাপমুক্তি ঘটছে
ডাঃ গৌতম খাস্তগীর

২৫ জুলাই বিশ্ব নলজাতক দিবস যেন সুপ্রজননবিদ্যার অদৃশ্য জয়ধ্বজা ওড়ানোর দিন। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ত্যাগ, তিতিক্ষা, ধৈর্য, অসহিষ্ণুতা জয়, পরিশ্রমের নির্যাস এই বিশেষ দিন, যার পোশাকি নাম ওয়ার্ল্ড ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ডে। আজকেই তো সেইদিন যখন টাইম মেশিনে চড়ে পিছিয়ে যাওয়া কয়েক দশক।
বিশদ

25th  July, 2021
সংবাদপত্রের উপর আবার আঘাত
হিমাংশু সিংহ

‘গঙ্গা ঝুট নেহি বোলতে’। গঙ্গা কখনও মিথ্যে বলে না। দৈনিক ভাস্করের সম্পাদক ওম গৌড়ের এই প্রতিবেদনটি ঝড় তুলেছিল গোটা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা, গঙ্গায় সারি সারি লাশের ভেসে যাওয়া, অক্সিজেনের সঙ্কট এবং সর্বোপরি একটা বেডের জন্য এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছোটাছুটির জীবন্ত ছবি নিজের কলমে এঁকেছিলেন সম্পাদক ওম গৌড়।
বিশদ

25th  July, 2021
টক্কর নিতে গিয়ে হাসির
খোরাক হচ্ছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

প্রতিযোগিতা থাকা ভালো, কিন্তু রেষারেষি মোটেই কাম্য নয়। প্রতিযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যায়, দেয় প্রতিষ্ঠা। রেষারেষিতেও এগনো যায়। তবে, তার মধ্যে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা।
বিশদ

24th  July, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

23rd  July, 2021
জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
একনজরে
বৃষ্টির জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছে মালদহের গাজোল ব্লকের  রানিগঞ্জ-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের জালসা গ্রামে যাওয়ার কালভার্ট। ওই কালভার্টটির কিছু অংশ আগেই ভেঙে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল। ...

পাশবিক। মহিলাদের উপর অত্যাচার চালিয়ে খুন করাতেই ছিল তার আনন্দ। কুখ্যাতি জুটেছিল ‘ডেটিং গেম কিলার’ নামে। হয়েছিল প্রাণদণ্ড। তবে তার আগেই ক্যালিফোর্নিয়ার জেলে মৃত্যু হল রডনি জেমস আলকালার। ...

মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের সই জাল করে চাকরির সুপারিশ! তা আবার করা হয়েছে তাঁরই বিধায়ক প্যাড ব্যবহার করে। সোমবার এমনই চাঞ্চল্যকর খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ...

করোনা পরিস্থিতিতে দু’বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল। জ্বালানি তেলের দামও প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে চরম সঙ্কটে পড়েছেন পুলকার মালিকরা। বাধ্য হয়ে কেজি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ঝগড়া এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। শরীর-স্বাস্থ্য বিষয়ে অহেতুক চিন্তা করা নিষ্প্রয়োজন। আজ আশাহত হবেন না কোনও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪৪: ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৫৫: অস্ট্রেলিার ক্রিকেটার অ্যালান বর্ডারের জন্ম
১৯৬০: শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৬৯: দক্ষিণ আফ্রিকার জন্টি রোডসের জন্ম
১৯৯২: অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
১৯৯৬: আটলান্টা ওলিম্পিকস চলাকালীন সেন্ট্রাল ওলিম্পিক পার্কে বিস্ফোরণে হত ১ মহিলা, আহত ১১১
২০১৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৭ টাকা ৭৫.৩৯ টাকা
পাউন্ড ১০০.৭১ টাকা ১০৪.২৩ টাকা
ইউরো ৮৬.১৯ টাকা ৮৯.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,২০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ শ্রাবণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১। চতুর্থী ৫৩/১৮ রাত্রি ২/২৯। শতভিষা নক্ষত্র ১২/৪০ দিবা ১০/১৪। সূর্যোদয় ৫/৯/৩৯, সূর্যাস্ত ৬/১৬/৩১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৯ গতে ৫/২৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/২১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩১ গতে ২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৮ গতে ৮/২৬ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৮/৫৯ মধ্যে। 
১০ শ্রাবণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১। চতুর্থী শেষরাত্রি ৪/৩৩। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ১২/৫৯। সূর্যোদয় ৫/৮, সূর্যাস্ত ৬/২০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫০ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৪১ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে ও ৯/৫ গতে ১১/১৯ মধ্যে ও ১/৩৩ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৭ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ৩/২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/২ মধ্যে। 
১৬ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে এবার ধর্মঘটের পথে ট্যাক্সিও
বাস-অ্যাপ ক্যাবের পর এবার ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সরব ট্যাক্সিও। দ্রুত ...বিশদ

01:47:46 PM

বর্ধমান স্কুলের প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষকের হাতে ইনসাস রাইফেল, চাঞ্চল্য 

01:41:46 PM

হরিশ্চন্দ্রপুরে অনাস্থা আনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গোলমাল 
হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের দৌলতনগর পঞ্চায়েতে অনাস্থা আনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই ...বিশদ

01:38:23 PM

খড়্গপুরের হিজলিতে বনদপ্তরের অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ 

01:34:13 PM

ভাটপাড়ায় শ্যুটআউট, যুব তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি
 

ফের ভাটপাড়ায় শ্যুটআউট। যুব তৃণমূল নেতা চন্দন দাসকে লক্ষ্য করে ...বিশদ

11:49:02 AM

বিয়ের মাস কয়েক বাদেই গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু ঘোলায়
প্রেম করেই বিয়ে করেছিলেন। জীবন চলছিল স্বাভাবিক ছন্দেই। হঠাৎ ছন্দপতন। ...বিশদ

11:46:43 AM