Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে। আজ সারা বিশ্বেই মানুষের জীবনে আরও এক ক্রান্তিকাল সমুপস্থিত। এক ভয়াবহ ভাইরাস তাকে আক্রমণ করছে। সেই আক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে ঝড়ের বেগে। মানুষের সুস্থ জীবনে হঠাৎই মৃত্যুর নিকষ কালো হাতছানি। সচেতনতা দিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়াই করে আবার সুস্থ হয়ে উঠতে পারে মানবসমাজ। এর থেকে অনেক বড়বড় মহামারীর বিরুদ্ধে আমরা সঙ্ঘবদ্ধভাবে লড়াই করেছি। সেই ইতিহাস আজ আমাদের নতুন করে প্রেরণা জোগাতে পারে।
আজ থেকে ১০২ বছর আগের কথা। সারা বিশ্বে তখন মরণথাবা বসিয়েছে স্প্যানিস ফ্লু। ১৯১৮ সালের এমনই এক বসন্তের দিনে ধরা পড়ল নতুন এক ভাইরাস। নাম তার এইচ ওয়ান এন ওয়ান। প্রায় দেড় বছর সেই রোগ মানবজাতির উপর দুরমুশ করেছিল। সারা বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতেও এই মারণ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল। গান্ধীজি তখন বছর চারেক হল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরেছেন। তিনি তখন সবরমতী আশ্রমে থাকেন। তিনিও আক্রান্ত হলেন এই রোগে। আজ যেভাবে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশনের মধ্য দিয়ে এই রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা চেষ্টা হচ্ছে, সেদিনও তাই হয়েছিল। স্প্যানিশ ফ্লু’র কোনও ওষুধ ছিল না। এভাবেই সেদিন মানুষ লড়াই করেছিল। সেই লড়াই আজ আমাদের কাছে এক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। সেদিন আমাদের দেশে এক কোটি সত্তর লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেদিন ছিল শিক্ষার অভাব। ছিল পরিকাঠামোর অভাব। পাশাপাশি ব্রিটিশ রাজের অবহেলাতেই মানুষ পথেঘাটে কুকুর বিড়ালের মতো মরেছিল। বলা হয়, সেদিন ব্রিটিশদের ওই অবহেলাই মানুষের মনে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছিল। দেশ জুড়ে ক্রমেই আন্দোলন সংগঠিত হয়ে উঠেছিল। ভয় পেয়ে গিয়েছিল ব্রিটিশ রাজ। তাই ভারতীয়দের ‘উপযুক্ত শিক্ষা’ দিতে ১৯১৯ সালে তারা জালিয়ানওয়াবাগ হত্যাকাণ্ড করে বসল। সে অন্য ইতিহাস।
গান্ধীজি তাঁর অসুস্থতার মধ্যে তরল জাতীয় খাবার খেয়ে এবং ঘরে একা একা থেকে দিন কাটাতেন। ভারতের ভাগ্যবিধাতা সেদিন বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন তাঁকে। সেদিন এই স্প্যানিশ ফ্লুতেই আক্রান্ত হয়েছিলেন সাহিত্যিক প্রেমচন্দও। তিনিও পরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।
শরৎচন্দ্রের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের মধ্যেই আমরা পেয়েছি ‘কোয়ারেন্টাইন’ শব্দটি। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৮ সালে। ‘পরদিন বেলা এগার-বারটার মধ্যে জাহাজ রেঙ্গুন পৌঁছিবে; কিন্তু ভোর না হইতেই সমস্ত লোকের মুখচোখে একটা ভয় ও চাঞ্চল্যের চিহ্ন দেখা দিল। চারিদিক হইতে একটা অস্ফুট শব্দ কানে আসতে লাগিল, কেরেন্টিন। খবর লইয়া জানিলাম, কথাটা qarantine; তখন প্লেগের ভয়ে বর্মা গভর্নমেন্ট অত্যন্ত সাবধান। শহর হইতে আট-দশ মাইল দূরে একটা চড়ায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়া খানিকটা স্থান ঘিরিয়া লইয়া অনেকগুলি কুঁড়েঘর তৈয়ারি করিয়াছে। ইহারই মধ্যে সমস্ত ডেকের যাত্রীদের নির্বিচারে নামাইয়া দেওয়া হয়। দশদিন বাস করার পর, তবে ইহারা শহরে প্রবেশ করিতে পায়।’
আজ কিন্তু আমরা অনেকেই কোয়ারেন্টাইন মানছি না। একটা জিনিস আমরা দেখতে পাচ্ছি। সেটা হল বিদেশ থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের অনেকেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা অনেক, উচ্চবিত্ত শ্রেণীর, সেলেব্রিটি, আবার প্রভাবশালীও বটে। কিন্তু তাঁদের অনেকেরই নির্বুদ্ধিতা দেখে মনে হয়েছে, যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, এঁরা অত্যন্ত অভাবশালী। অভাবটা বুদ্ধির, সচেতনতার, মানসিকতার। শুধু আত্মম্ভরিতা আর অবিবেচক হওয়ার কারণে এই কয়েকজন কলকাতায় করোনার বীজাণুটা ছড়িয়ে দিলেন। এই ছবিটা শুধু এই রাজ্যের নয়, সারা দেশের। প্রভাবশালী, আর কিছু আহাম্মক সেলেব্রিটি মনে করেন, এসব বুঝি তাঁদের জন্য নয়। ইসস, আমি কিনা বেলেঘাটা আইডিতে যাব! আমার মতো বড় মাপের মানুষ ওইসব গরিবগুর্বোদের চিকিৎসার জন্য তৈরি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করব? এই অহংকারই আজ দেশের অসংখ্য সাধারণ মানুষকে সংকটের মুখে ফেলে দিয়েছে। এদের ধিক্কার জানানোর ভাষাও যেন আমরা হারিয়ে ফেলেছি। একটা জিনিস এঁরা প্রমাণ করে দিয়েছেন। সেটা হল, আমাদের দেশের প্রধান অভিশাপ অশিক্ষা নয়। অভিশাপ হল, এদেশের শিক্ষিত কিছু মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীন নির্বুদ্ধিতা। সারাদেশের উৎকণ্ঠিত মানুষ আজ এই আত্মম্ভরিতার শাস্তি দাবি করছে।
১৯১৮ সালে আমাদের দেশে যে স্প্যানিশ ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল, সেদিনও তা এসেছিল বিদেশ থেকেই। ১৯১৮ সালে মধ্যরাতে বোম্বাই (বর্তমানে মুম্বই) বন্দরে এসে নোঙর করল একটি জাহাজ। সেই জাহাজ থেকে নামলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সেনারা। সেই সেনা কর্মীদের মধ্য দিয়েই সেদিন ভারতে ঢুকেছিল স্প্যানিশ ফ্লুয়ের বীজাণু। এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে বেশি দেরি হয়নি। সেদিন হেল্থ ইন্সপেক্টর জে এস টার্নার বলেছিলেন, ‘রাতের অন্ধকারে ভারতে যেন চোরের মতো ঢুকে পড়েছিল এক গুপ্ত ঘাতক।’ তারপর সেই রোগ ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণ ভারতের উপকূল বরাবর। ভারতের অন্য অংশেও তা মৃত্যুর এক ভয়াবহ চিহ্ন এঁকে দিয়েছিল। হিন্দি সাহিত্যের বিশিষ্ট লেখক ছিলেন সূর্যকান্ত ত্রিপাঠি। তিনি ‘নিরালা’ নামেই পরিচিত। তিনি হারিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী সহ পরিবারের অনেককেই। তিনি লিখেছিলেন, ‘চোখের পলকে আমার পরিবারের সদস্যরা যেন অদৃশ্য হয়ে গেল।’ তখন এত মৃত্যু হয়েছিল যে সৎকার্য করার উপায় ছিল না। মানুষ নদীতে দেহ ভাসিয়ে দিত। গঙ্গায় ভেসে যেত পচাগলা মানুষের দেহ। এর ফলে সংক্রমণ যে আরও বেড়েছিল, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহই নেই। পাশাপাশি দেশের অধিকাংশ ডাক্তারকেই তখন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল ওয়ার ফ্রন্টে। তাই যেটুকু চিকিৎসার সুযোগ ছিল, তাও জোটেনি। তখন দেশের মানুষের শুশ্রুষার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন একদল লড়াকু তরুণ। তাঁরা চাঁদা তুলে পাড়ায় পাড়ায় ক্যাম্প তৈরি করে মানুষকে সচেতন করার প্রয়াস চালাতেন। খাদ্য, জল সরবরাহ করতেন তাঁরা। কেউ মারা গেলে তাঁরাই অন্ত্যেষ্টির দায়িত্ব নিতেন।
সেদিন ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আজকের মতোই জনগণের মধ্যে সচেতনতার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছিল। সংবাদপত্রে লেখা হতো, ‘কেউ বাইরে বেরবেন না। ঘরে থাকুন। অন্যজনের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকুন।’ সেদিন কিন্তু মানুষ দুর্বলতর হয়েও সচেতনতা দিয়ে লড়াই করেছিল। সেদিন আমাদের দেশের মানুষ সেই লড়াইয়ে সরকারকে পাশে পায়নি। আজ কিন্তু সমস্ত দুর্বিপাকের মধ্যে সমস্ত সরকার একজোট হয়ে লড়াই শুরু করে দিয়েছে। আজ এটা দেখে খুবই ভালো লাগছে যে, সমস্ত রাজনৈতিক মতাদর্শগত ভেদাভেদ, লাভ লোকসান, ভোটের অঙ্ক ভুলে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার একসঙ্গে হাত মিলিয়ে মানুষকে রক্ষা করার কাজে নেমেছে। এই মুহূর্তে এই রোগের একমাত্র ওষুধ হল জনবিচ্ছিন্নতা। সংস্পর্শে এলেই ছড়াবে এই রোগ। ছড়ানোর সুযোগ না পেলে ভাইরাস ধীরে ধীরে শক্তিহীন হয়ে পড়বে। প্রকোপ কমবে। এর মধ্যেও বাজারে, হাটে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে দেখা যাচ্ছে একদল অতি দিগ্‌গজ নানা ধরনের কথা বলে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। এখন সকলের কাছে একটাই অনুরোধ, এইসব অতি দিগ্‌গজদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। ওনারা করোনা ভাইরাসের থেকেও ভয়ংকর। সরকার, প্রশাসন, ডাক্তারদের নির্দেশ মেনে চলুন। প্রত্যেকের নিজস্ব নিরাপত্তা নিজের কাছে এবং নিজের নিরাপত্তাটুকু বজায় রাখলে অন্যদের নিরাপত্তাও রক্ষিত হবে। ‘ভ্রান্তিবিলাস সাজে না দুর্বিপাকে।’ ১৯১৮-র সেই লড়াই কিন্তু আজকের থেকে আরও ভয়ংকর ছিল। সেদিন অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও আমরা লড়াই করে বেঁচে উঠেছিলাম। সে তুলনায় করোনা ভাইরাসের মৃত্যুর হার কিন্তু অনেক কম। যদিও এই রোগ দ্রুত ছড়ায়। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণই নেই। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার তার রাজধর্ম পালন করছে। আজ এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রাজ্যের মানুষকে সাহায্য করছেন, ভরসা জোগাচ্ছেন। তাঁর লড়াই উজ্জীবিত করেছে প্রত্যেককে। গেরুয়া শিবিরের কেউ কেউ এই লড়াইয়ের প্রশংসাও করছেন। পাশাপাশি বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে জনতা কার্ফুর পদক্ষেপ নিয়েছেন, তাও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে যথার্থ সিদ্ধান্ত। এভাবেই আমরা সবাই নিয়মশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি। সরকার এবং প্রশাসনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এখন আমাদের উচিত মানুষের ধর্ম পালন করা। কোনও কোনও দেশে আইনের মধ্য দিয়ে মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে নিয়ম মেনে চলার। কোথাও কোথাও বলা হয়েছে, ‘হয় বাড়িতে থাকো নাহয় পাঁচ বছর জেলে থাকো।’ হয়তো এখনই আমাদের দেশে এই আইন বলবৎ করার সময় আসেনি। কিন্তু এমন যেন না হয়, যেদিন আমাদের দেশও এরকম একটা আইন এনে মানুষকে নিয়ম মানাতে বাধ্য করবে। এটুক সচেতন আমরা হতেই পারি। এই সচেতনতাই আজ মানুষের প্রকৃত ধর্ম। আজ এই বিপদকালে আমরা সত্যিই উপলব্ধি করতে পারছি, ধর্ম কাকে বলে। এতদিন আমরা দেখেছি রাজনৈতিক ধর্ম কিংবা ভক্তিমার্গগামী ধর্মের এক স্বরূপ। আজ এই বিপন্নতার মধ্যে দাঁড়িয়ে উপলব্ধি করছি বিরাজমান মানুষের ধর্মকে। মানুষকে রক্ষা করতে বন্ধ হয়েছে মন্দির, মসজিদ, গির্জা এবং অন্যান্য ধর্মস্থল। আজ ধর্মগুরুরাও বিজ্ঞানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লড়াইয়ে নেমেছেন। আজ সকলেই হয়তো উপলব্ধি করতে পারছেন, এই ধর্মই মহত্তর ধর্ম। মানব কল্যাণের ধর্ম।
অ্যালবেয়ার ক্যামু, জ্যাক লন্ডন, মার্কেস প্রমুখ সাহিত্যিকের লেখায় মহামারীর বিরুদ্ধে মানুষের লড়াইয়ের ছবি আঁকা হয়েছে। আমাদের কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত লিখেছেন, ‘মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি/ বাঁচিয়া গিয়েছি বিধির আশীষে অমৃতের টিকা পরি।’ মানুষের কপালে আছে অমৃতের টিকা। তার ‘নাই নাই ভয়, হবে হবে জয়।’ 
23rd  March, 2020
বিদ্বেষপূর্ণ এবং মিথ্যে ধর্মযুদ্ধ

ইতিহাস বলছে, ক্রুসেডস হল কিছু ধর্মযুদ্ধ, যা একাদশ শতকের শেষাশেষি শুরু হয়েছিল। লড়াইগুলো হয়েছিল ১০৯৫ এবং ১২৯১ খ্রিস্টাব্দের ভিতরে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে এসব সংঘটিত হয়েছিল ইউরোপীয় খ্রিস্টানদের দ্বারা। বিশদ

ভবানীপুর থেকেই শুরু হোক নয়া ইতিহাস
হিমাংশু সিংহ

রাজ্য রাজনীতির এই সন্ধিক্ষণে ভবানীপুর থেকেই অশুভ শক্তির বিনাশের শপথ নিতে হবে। বাংলার পবিত্র মাটিতে ভিনদেশি ষড়যন্ত্রকে হারাতে হবে। ৩০ সেপ্টেম্বর ঝড় বৃষ্টি দুর্যোগ যাই হোক ভোট দেওয়া প্রত্যেক ভবানীপুরবাসীর অবশ্য কর্তব্য। বিশদ

26th  September, 2021
‘উপেক্ষিত নায়ক’ হয়েই
থেকে গেলেন দিলীপ
তন্ময় মল্লিক

মুখ বদলে ‘মুখরক্ষা’ মোদি-অমিত শাহ জমানার নয়া কৌশল। গুজরাত থেকে বাংলা, সর্বত্র একই ট্রেন্ড। কেন্দ্রের ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে মানুষকে বোকা বানানোর এই টেকনিক তাঁদেরই আমদানি। দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে দিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে বসানো তারই অঙ্গ। বিশদ

25th  September, 2021
ম্যানগ্রোভকে ঘিরেই
সুন্দরবনবাসীর হাসি-কান্না
শ্যামল মণ্ডল

লক্ষ্য সুন্দরবনের মধ্যে আরও একটি ‘সুন্দর’বন গড়ে তোলা। আর এই উদ্দেশ্য সফল করতে নদীবাঁধের ধার বরাবর বিভিন্ন প্রজাতির ম্যানগ্রোভ গাছের প্রাচীর গড়ে তোলা হচ্ছে। গত তিন বছর ধরে চলছে এই কৃত্রিম ‘ম্যানগ্রোভ বন’ তৈরির কাজ। বিশদ

25th  September, 2021
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চেষ্টায়
অন্যায়ের কী আছে?
সমৃদ্ধ দত্ত

উত্তমকুমার বাংলা সিনেমা জগতে সুপারস্টার হয়ে যাওয়ার পর স্থির করেছিলেন, এবার একবার হিন্দি চলচ্চিত্র সাম্রাজ্যে ভাগ্যান্বেষণের চেষ্টা করলে কেমন হয়? সেই প্রয়াস তিনি করেছিলেন। কিন্তু ভুল গাইডেন্স, সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং কিছু পারিষদবর্গের স্বার্থান্বেষী দিশানির্দেশের সম্মিলিত ফলাফল হিসেবে তাঁর সেই উদ্যোগটি সফল হতে পারেনি।
বিশদ

24th  September, 2021
বিমা দুর্নীতির ইতিহাস
ভুলে গিয়েছেন মোদি
মৃণালকান্তি দাস

সরকারি জীবন বিমা সংস্থায় আমজনতা টাকা রাখেন নিরাপদ মনে করে। একের পর এক দুরবস্থা সামাল দিতে তাকেই এগিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত পুঁজিকে ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে কেন? যে রুগ্ন সংস্থাগুলিকে এলআইসি টাকা ধার দিয়েছে, তা শোধ না হলে কী হবে?
বিশদ

23rd  September, 2021
আফগান মেয়েদের কথা
ভাবলই না চীন, রাশিয়া
হারাধন চৌধুরী

চীন-রাশিয়ারই অস্ত্রে বলীয়ান হয়ে তালিবান এই যে মানবাধিকারকে লাগাতার বলাৎকার করে যাচ্ছে, তাতে সিলমোহর দিচ্ছে কোন নীতিতে এই দুই ‘মহান’ রাষ্ট্র? শুধু চীন, রাশিয়ার ‘অর্ধেক আকাশ’ মুক্ত থাকলেই হল, তাই তো! বিশদ

22nd  September, 2021
লগ্ন মেনেই টিকা!
মোদির ভারতের ভবিতব্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

আপনার জন্মদিনের প্রোপাগান্ডায় আড়াই কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ আমাদের মনে কিছু প্রশ্নের ঝড় তুলে দেয়। সেখানেও হিসেবে গরমিলের অভিযোগ ওঠে। আমরা ভাবতে বাধ্য হই, আপনি শুধুই নিজের তূণীর সমৃদ্ধ করতে বেশি আগ্রহী। একদিন ২৫ লক্ষ ভ্যাকসিন, আর একদিন আড়াই কোটি ডোজের অঙ্কে সাধারণ মানুষের জীবনের পথ মসৃণ হয় না। তাতে কাঁটার সংখ্যা বাড়তেই থাকে। 
বিশদ

21st  September, 2021
বৈষম্য ও অবিচার
বড্ড চোখে লাগছে
পি চিদম্বরম

রাজ্য সরকারগুলি রাজ্যের করদাতাদের টাকায় কেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করবে? কেন ছেলেমেয়েরা মাতৃভাষার মাধ্যমে পড়বে? কেন রাজ্য বোর্ডের পরীক্ষায় বসবে? রাজ্য শিক্ষা বোর্ড রেখে দেওয়ার আদৌ যুক্তি আছে কি আর? শহুরে ছাত্ররা কি পিএইচসি এবং মফস্‌সলের হাসপাতালগুলিতে রোগীর সেবা করবে? ‘মেরিট’ সম্পর্কে এক সন্দেহজনক তত্ত্ব খাড়া করে নিট মারাত্মক বৈষম্য ও অবিচারের এক নতুন যুগের সূচনা করছে।
বিশদ

20th  September, 2021
মোদির গৌরব, অগৌরব
ও বিপন্ন সাংবাদিকতা
হিমাংশু সিংহ

আমেদাবাদের সাংবাদিক ধবল প্যাটেল গত প্রায় এক বছর দেশছাড়া। তাঁর অপরাধ কী? সওয়া এক বছর আগে তিনি লিখেছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিকে সরতে হচ্ছে। আজ ১৬ মাস বাদে তাঁর পূর্বাভাস মিলেও গিয়েছে হুবহু। গত ১১ সেপ্টেম্বর নিজেই ইস্তফা দিয়েছেন কিংবা বাধ্য হয়ে সরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী রুপানি। বিশদ

19th  September, 2021
মোদিকে টক্কর দিচ্ছেন মমতা
তন্ময় মল্লিক

ক্ষমতায়, পদমর্যাদায়, দাপটে, প্রভাবে যে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক অনেক এগিয়ে। কিন্তু টাইমের সমীক্ষায় ফারাকটা তেমন কিছু নয়, বরং খুব কাছাকাছি। পৃথিবীর বিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘টাইম’ জানিয়ে দিল, এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা ভারতবর্ষের একজনেরই আছে। নাম তাঁর মমতা।
বিশদ

18th  September, 2021
আফগান যুদ্ধ: কার লাভ
কার ক্ষতি? এরপর কী?
সমৃদ্ধ দত্ত

চীন অথবা আমেরিকা?  অলক্ষ্যে চলছে এক মরণপণ প্রতিযোগিতা! কে হবে আগামী সুপার পাওয়ার? এই চীন ও আমেরিকার সুপার পাওয়ার হওয়ার যুদ্ধে কোন দেশটির ভূমিকাই হতে পারে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। ভারত!
বিশদ

17th  September, 2021
একনজরে
‘কাকা আভি জিন্দা হ্যায়…।’ ‘কাকা’ নামেই ছত্তিশগড়ে খ্যাত ভূপেশ বাঘেল। মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষনেতাকে এই নামেই ডাকতে অভ্যস্ত দলের কর্মী-সমর্থকরা। ...

ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে মৃত্যু হল তিন জনের। ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার মন্টানায়। শিকাগো থেকে সিয়াটেলের মধ্যে রেল পরিষেবা প্রদানকারী আমট্রাক কর্পোরেশনের ট্রেনটিতে মোট ১৪১ জন যাত্রী ও ১৬ জন ক্রু ছিলেন। ...

লেসলি ক্লিভলিকে গোলরক্ষক কোচ নিযুক্ত করল এসসি ইস্ট বেঙ্গল। তিনি এর আগে চেলসিতে কাজ করেছেন। ক্লিভলির উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্স রয়েছে। ...

ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করতে এসে পুলিসের জালে ধরা পড়ল তিন পাচারকারী। ক্রেতা সেজে রবিবার ভোরে বালুরঘাটের অমৃতখণ্ডের কামারপাড়া থেকে ৮০০০ ইয়াবা সহ তিন জনকে পুলিস ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সন্তানের সাফল্যে গর্ব বোধ। আর্থিক অগ্রগতি হবে। কর্মে বিনিয়োগ বৃদ্ধি। ঘাড়, মাথায় যন্ত্রণা বৃদ্ধিতে বিব্রত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব পর্যটন দিবস
১৯৫৮ - ভারতীয় হিসাবে প্রথম মিহির সেন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন।
১৯০৭ - বিপ্লবী শহিদ ভগৎ সিংয়ের জন্ম
১৮৩৩: বিশ্বপথিক রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু
১৯৩২: ভারতীয় চিত্রপরিচালক যশ চোপড়ার জন্ম
২০০৮: প্রখ্যাত ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী মহেন্দ্র কাপুরের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১০ টাকা ৭৫.৩৫ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৮৭ টাকা ১০৩.৬৪ টাকা
ইউরো ৮৪.৫৬ টাকা ৮৮.৬৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  September, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৬,৮০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪, ৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬০,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
26th  September, 2021

দিন পঞ্জিকা

 ১০ আশ্বিন ১৪২৮, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ষষ্ঠী ২৫/৩৩ দিবা ৩/৪৪। রোহিণী নক্ষত্র ৩০/২৮ সন্ধ্যা ৫/৪২। সূর্যোদয় ৫/৩০/২১, সূর্যাস্ত ৫/২৫/১১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৮/৪০ গতে ১১/৪ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৯ গতে ১১/৪ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/২৭ গতে ৩/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে। 
১০ আশ্বিন ১৪২৮, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ষষ্ঠী দিবা ১/৮। রোহিণী নক্ষত্র অপরাহ্ন ৪/২৭। সূর্যোদয় ৫/৩০, সূর্যাস্ত ৫/২৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/০ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/২৮ গতে ৩/৫৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৫৮ গতে ১১/২৯ মধ্যে।
 ১৯ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৯১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

12:53:58 PM

যদুবাবুর বাজারে তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলল বিজেপি

12:34:00 PM

লোনাওয়ালার প্ল্যাটফর্মে ঢোকার মুখে লাইনচ্যুত ইন্দোর-দাউন্দ এক্সপ্রেসের দুটি বগি, হতাহতের খবর নেই

11:20:47 AM

দেশে কমল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬ হাজার ৪১ জন। ...বিশদ

11:17:27 AM

দত্তপুকুরে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইপিএস, লক্ষাধিক টাকা আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ

11:01:24 AM

ময়দানে উদ্ধার প্রচুর নিষিদ্ধ মাদক, গ্রেপ্তার ২

10:52:00 AM