Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে। আজ সারা বিশ্বেই মানুষের জীবনে আরও এক ক্রান্তিকাল সমুপস্থিত। এক ভয়াবহ ভাইরাস তাকে আক্রমণ করছে। সেই আক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে ঝড়ের বেগে। মানুষের সুস্থ জীবনে হঠাৎই মৃত্যুর নিকষ কালো হাতছানি। সচেতনতা দিয়ে এর বিরুদ্ধে লড়াই করে আবার সুস্থ হয়ে উঠতে পারে মানবসমাজ। এর থেকে অনেক বড়বড় মহামারীর বিরুদ্ধে আমরা সঙ্ঘবদ্ধভাবে লড়াই করেছি। সেই ইতিহাস আজ আমাদের নতুন করে প্রেরণা জোগাতে পারে।
আজ থেকে ১০২ বছর আগের কথা। সারা বিশ্বে তখন মরণথাবা বসিয়েছে স্প্যানিস ফ্লু। ১৯১৮ সালের এমনই এক বসন্তের দিনে ধরা পড়ল নতুন এক ভাইরাস। নাম তার এইচ ওয়ান এন ওয়ান। প্রায় দেড় বছর সেই রোগ মানবজাতির উপর দুরমুশ করেছিল। সারা বিশ্বে পাঁচ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতেও এই মারণ ভাইরাসের প্রকোপ দেখা গিয়েছিল। গান্ধীজি তখন বছর চারেক হল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরেছেন। তিনি তখন সবরমতী আশ্রমে থাকেন। তিনিও আক্রান্ত হলেন এই রোগে। আজ যেভাবে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশনের মধ্য দিয়ে এই রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা চেষ্টা হচ্ছে, সেদিনও তাই হয়েছিল। স্প্যানিশ ফ্লু’র কোনও ওষুধ ছিল না। এভাবেই সেদিন মানুষ লড়াই করেছিল। সেই লড়াই আজ আমাদের কাছে এক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে। সেদিন আমাদের দেশে এক কোটি সত্তর লক্ষেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেদিন ছিল শিক্ষার অভাব। ছিল পরিকাঠামোর অভাব। পাশাপাশি ব্রিটিশ রাজের অবহেলাতেই মানুষ পথেঘাটে কুকুর বিড়ালের মতো মরেছিল। বলা হয়, সেদিন ব্রিটিশদের ওই অবহেলাই মানুষের মনে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছিল। দেশ জুড়ে ক্রমেই আন্দোলন সংগঠিত হয়ে উঠেছিল। ভয় পেয়ে গিয়েছিল ব্রিটিশ রাজ। তাই ভারতীয়দের ‘উপযুক্ত শিক্ষা’ দিতে ১৯১৯ সালে তারা জালিয়ানওয়াবাগ হত্যাকাণ্ড করে বসল। সে অন্য ইতিহাস।
গান্ধীজি তাঁর অসুস্থতার মধ্যে তরল জাতীয় খাবার খেয়ে এবং ঘরে একা একা থেকে দিন কাটাতেন। ভারতের ভাগ্যবিধাতা সেদিন বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন তাঁকে। সেদিন এই স্প্যানিশ ফ্লুতেই আক্রান্ত হয়েছিলেন সাহিত্যিক প্রেমচন্দও। তিনিও পরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।
শরৎচন্দ্রের ‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের মধ্যেই আমরা পেয়েছি ‘কোয়ারেন্টাইন’ শব্দটি। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৮ সালে। ‘পরদিন বেলা এগার-বারটার মধ্যে জাহাজ রেঙ্গুন পৌঁছিবে; কিন্তু ভোর না হইতেই সমস্ত লোকের মুখচোখে একটা ভয় ও চাঞ্চল্যের চিহ্ন দেখা দিল। চারিদিক হইতে একটা অস্ফুট শব্দ কানে আসতে লাগিল, কেরেন্টিন। খবর লইয়া জানিলাম, কথাটা qarantine; তখন প্লেগের ভয়ে বর্মা গভর্নমেন্ট অত্যন্ত সাবধান। শহর হইতে আট-দশ মাইল দূরে একটা চড়ায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়া খানিকটা স্থান ঘিরিয়া লইয়া অনেকগুলি কুঁড়েঘর তৈয়ারি করিয়াছে। ইহারই মধ্যে সমস্ত ডেকের যাত্রীদের নির্বিচারে নামাইয়া দেওয়া হয়। দশদিন বাস করার পর, তবে ইহারা শহরে প্রবেশ করিতে পায়।’
আজ কিন্তু আমরা অনেকেই কোয়ারেন্টাইন মানছি না। একটা জিনিস আমরা দেখতে পাচ্ছি। সেটা হল বিদেশ থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের অনেকেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা অনেক, উচ্চবিত্ত শ্রেণীর, সেলেব্রিটি, আবার প্রভাবশালীও বটে। কিন্তু তাঁদের অনেকেরই নির্বুদ্ধিতা দেখে মনে হয়েছে, যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, এঁরা অত্যন্ত অভাবশালী। অভাবটা বুদ্ধির, সচেতনতার, মানসিকতার। শুধু আত্মম্ভরিতা আর অবিবেচক হওয়ার কারণে এই কয়েকজন কলকাতায় করোনার বীজাণুটা ছড়িয়ে দিলেন। এই ছবিটা শুধু এই রাজ্যের নয়, সারা দেশের। প্রভাবশালী, আর কিছু আহাম্মক সেলেব্রিটি মনে করেন, এসব বুঝি তাঁদের জন্য নয়। ইসস, আমি কিনা বেলেঘাটা আইডিতে যাব! আমার মতো বড় মাপের মানুষ ওইসব গরিবগুর্বোদের চিকিৎসার জন্য তৈরি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করব? এই অহংকারই আজ দেশের অসংখ্য সাধারণ মানুষকে সংকটের মুখে ফেলে দিয়েছে। এদের ধিক্কার জানানোর ভাষাও যেন আমরা হারিয়ে ফেলেছি। একটা জিনিস এঁরা প্রমাণ করে দিয়েছেন। সেটা হল, আমাদের দেশের প্রধান অভিশাপ অশিক্ষা নয়। অভিশাপ হল, এদেশের শিক্ষিত কিছু মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীন নির্বুদ্ধিতা। সারাদেশের উৎকণ্ঠিত মানুষ আজ এই আত্মম্ভরিতার শাস্তি দাবি করছে।
১৯১৮ সালে আমাদের দেশে যে স্প্যানিশ ফ্লু ছড়িয়ে পড়েছিল, সেদিনও তা এসেছিল বিদেশ থেকেই। ১৯১৮ সালে মধ্যরাতে বোম্বাই (বর্তমানে মুম্বই) বন্দরে এসে নোঙর করল একটি জাহাজ। সেই জাহাজ থেকে নামলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফিরে আসা সেনারা। সেই সেনা কর্মীদের মধ্য দিয়েই সেদিন ভারতে ঢুকেছিল স্প্যানিশ ফ্লুয়ের বীজাণু। এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে বেশি দেরি হয়নি। সেদিন হেল্থ ইন্সপেক্টর জে এস টার্নার বলেছিলেন, ‘রাতের অন্ধকারে ভারতে যেন চোরের মতো ঢুকে পড়েছিল এক গুপ্ত ঘাতক।’ তারপর সেই রোগ ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়েছিল দক্ষিণ ভারতের উপকূল বরাবর। ভারতের অন্য অংশেও তা মৃত্যুর এক ভয়াবহ চিহ্ন এঁকে দিয়েছিল। হিন্দি সাহিত্যের বিশিষ্ট লেখক ছিলেন সূর্যকান্ত ত্রিপাঠি। তিনি ‘নিরালা’ নামেই পরিচিত। তিনি হারিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী সহ পরিবারের অনেককেই। তিনি লিখেছিলেন, ‘চোখের পলকে আমার পরিবারের সদস্যরা যেন অদৃশ্য হয়ে গেল।’ তখন এত মৃত্যু হয়েছিল যে সৎকার্য করার উপায় ছিল না। মানুষ নদীতে দেহ ভাসিয়ে দিত। গঙ্গায় ভেসে যেত পচাগলা মানুষের দেহ। এর ফলে সংক্রমণ যে আরও বেড়েছিল, এ বিষয়ে কোনও সন্দেহই নেই। পাশাপাশি দেশের অধিকাংশ ডাক্তারকেই তখন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল ওয়ার ফ্রন্টে। তাই যেটুকু চিকিৎসার সুযোগ ছিল, তাও জোটেনি। তখন দেশের মানুষের শুশ্রুষার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন একদল লড়াকু তরুণ। তাঁরা চাঁদা তুলে পাড়ায় পাড়ায় ক্যাম্প তৈরি করে মানুষকে সচেতন করার প্রয়াস চালাতেন। খাদ্য, জল সরবরাহ করতেন তাঁরা। কেউ মারা গেলে তাঁরাই অন্ত্যেষ্টির দায়িত্ব নিতেন।
সেদিন ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আজকের মতোই জনগণের মধ্যে সচেতনতার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছিল। সংবাদপত্রে লেখা হতো, ‘কেউ বাইরে বেরবেন না। ঘরে থাকুন। অন্যজনের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকুন।’ সেদিন কিন্তু মানুষ দুর্বলতর হয়েও সচেতনতা দিয়ে লড়াই করেছিল। সেদিন আমাদের দেশের মানুষ সেই লড়াইয়ে সরকারকে পাশে পায়নি। আজ কিন্তু সমস্ত দুর্বিপাকের মধ্যে সমস্ত সরকার একজোট হয়ে লড়াই শুরু করে দিয়েছে। আজ এটা দেখে খুবই ভালো লাগছে যে, সমস্ত রাজনৈতিক মতাদর্শগত ভেদাভেদ, লাভ লোকসান, ভোটের অঙ্ক ভুলে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার একসঙ্গে হাত মিলিয়ে মানুষকে রক্ষা করার কাজে নেমেছে। এই মুহূর্তে এই রোগের একমাত্র ওষুধ হল জনবিচ্ছিন্নতা। সংস্পর্শে এলেই ছড়াবে এই রোগ। ছড়ানোর সুযোগ না পেলে ভাইরাস ধীরে ধীরে শক্তিহীন হয়ে পড়বে। প্রকোপ কমবে। এর মধ্যেও বাজারে, হাটে, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে দেখা যাচ্ছে একদল অতি দিগ্‌গজ নানা ধরনের কথা বলে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। এখন সকলের কাছে একটাই অনুরোধ, এইসব অতি দিগ্‌গজদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। ওনারা করোনা ভাইরাসের থেকেও ভয়ংকর। সরকার, প্রশাসন, ডাক্তারদের নির্দেশ মেনে চলুন। প্রত্যেকের নিজস্ব নিরাপত্তা নিজের কাছে এবং নিজের নিরাপত্তাটুকু বজায় রাখলে অন্যদের নিরাপত্তাও রক্ষিত হবে। ‘ভ্রান্তিবিলাস সাজে না দুর্বিপাকে।’ ১৯১৮-র সেই লড়াই কিন্তু আজকের থেকে আরও ভয়ংকর ছিল। সেদিন অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও আমরা লড়াই করে বেঁচে উঠেছিলাম। সে তুলনায় করোনা ভাইরাসের মৃত্যুর হার কিন্তু অনেক কম। যদিও এই রোগ দ্রুত ছড়ায়। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণই নেই। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার তার রাজধর্ম পালন করছে। আজ এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রাজ্যের মানুষকে সাহায্য করছেন, ভরসা জোগাচ্ছেন। তাঁর লড়াই উজ্জীবিত করেছে প্রত্যেককে। গেরুয়া শিবিরের কেউ কেউ এই লড়াইয়ের প্রশংসাও করছেন। পাশাপাশি বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে জনতা কার্ফুর পদক্ষেপ নিয়েছেন, তাও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে যথার্থ সিদ্ধান্ত। এভাবেই আমরা সবাই নিয়মশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি। সরকার এবং প্রশাসনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে এখন আমাদের উচিত মানুষের ধর্ম পালন করা। কোনও কোনও দেশে আইনের মধ্য দিয়ে মানুষকে বাধ্য করা হচ্ছে নিয়ম মেনে চলার। কোথাও কোথাও বলা হয়েছে, ‘হয় বাড়িতে থাকো নাহয় পাঁচ বছর জেলে থাকো।’ হয়তো এখনই আমাদের দেশে এই আইন বলবৎ করার সময় আসেনি। কিন্তু এমন যেন না হয়, যেদিন আমাদের দেশও এরকম একটা আইন এনে মানুষকে নিয়ম মানাতে বাধ্য করবে। এটুক সচেতন আমরা হতেই পারি। এই সচেতনতাই আজ মানুষের প্রকৃত ধর্ম। আজ এই বিপদকালে আমরা সত্যিই উপলব্ধি করতে পারছি, ধর্ম কাকে বলে। এতদিন আমরা দেখেছি রাজনৈতিক ধর্ম কিংবা ভক্তিমার্গগামী ধর্মের এক স্বরূপ। আজ এই বিপন্নতার মধ্যে দাঁড়িয়ে উপলব্ধি করছি বিরাজমান মানুষের ধর্মকে। মানুষকে রক্ষা করতে বন্ধ হয়েছে মন্দির, মসজিদ, গির্জা এবং অন্যান্য ধর্মস্থল। আজ ধর্মগুরুরাও বিজ্ঞানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে লড়াইয়ে নেমেছেন। আজ সকলেই হয়তো উপলব্ধি করতে পারছেন, এই ধর্মই মহত্তর ধর্ম। মানব কল্যাণের ধর্ম।
অ্যালবেয়ার ক্যামু, জ্যাক লন্ডন, মার্কেস প্রমুখ সাহিত্যিকের লেখায় মহামারীর বিরুদ্ধে মানুষের লড়াইয়ের ছবি আঁকা হয়েছে। আমাদের কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত লিখেছেন, ‘মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি/ বাঁচিয়া গিয়েছি বিধির আশীষে অমৃতের টিকা পরি।’ মানুষের কপালে আছে অমৃতের টিকা। তার ‘নাই নাই ভয়, হবে হবে জয়।’ 
23rd  March, 2020
মানবাধিকারের পক্ষে ক্ষতিকারক মানসিকতা
পি চিদম্বরম

গত তিন বৎসরাধিককালে প্রধানমন্ত্রী ভীমা কোরেগাঁও মামলায় বন্দিদের মানবাধিকার নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। এমনকী এনআইএ নামক যে সংস্থার দায়িত্বে তিনি রয়েছেন তার তরফে এই মামলার অভিযোগ গঠনে দীর্ঘ বিলম্বের কারণ নিয়েও তিনি নিশ্চুপ। ... আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত যখন তিনি বলেন, ‘‘এই ধরনের মানসিকতা মানবাধিকারের প্রভূত ক্ষতিসাধন করে।’’ বিশদ

ক্ষুধার দেশে মোদিজিকে
ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা...
হিমাংশু সিংহ

এই অবনমনের ব্যর্থতা শুধু অনাহার আর ক্ষুধার সূচকেই সীমাবদ্ধ নেই। আছে যুদ্ধক্ষেত্রেও। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির সেই দাপট যেন কোথায় স্তিমিত বিগত বেশ কিছুদিন ধরে। নাকি হিসেব তোলা থাকছে আগামী চব্বিশ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে ফের কোনও বিতর্কিত ধামাকার জন্য।
বিশদ

17th  October, 2021
সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া
স্কুল খোলা উচিত নয়
মৃন্ময় চন্দ

ভারতে স্কুল বন্ধ ১৭ মাস। লকডাউন পর্বে বেহাল শিক্ষার হালহকিকত জানতে বিহারের, ঔরাঙ্গাবাদের বিজেপি সাংসদ সুশীল কুমার সিং, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন লিখিত আকারে পেশ করেছেন। যেমন, করোনা অতিমারীর কারণে রাজ্যভিত্তিক স্কুলছুটের সঠিক তথ্য-পরিসংখ্যান সরকারের কাছে আছে কি না? বিশদ

17th  October, 2021
গণেশ জননী নবপত্রিকাবাসিনী দুর্গা
চৈতন্যময় নন্দ

মার্কণ্ডেয় পুরাণের অন্তর্গত সপ্তশতী চণ্ডীতে দেবী দুর্গা শস্যদেবীরূপে যেন জগতে অবতীর্ণা এ বার্তা দৃপ্ত কণ্ঠে বিঘোষিত। সর্বজীবের প্রাণরক্ষার উপযোগী শাক-শস্যের দ্বারা তিনি পৃথিবীকে পালন করেন তাই মহাজননী শারদেশ্বরীর আর এক নাম শাকম্ভরী।  বিশদ

12th  October, 2021
১৮ লক্ষ প্রদীপ এবং কিছু বাস্তব
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উত্তরপ্রদেশে ১৮ লক্ষ দিয়া জ্বালিয়ে এই অবিচারের অন্ধকার দূর হবে কি? কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে, আপনার তরফ থেকে একটাও বিবৃতি জারি হয়নি। এখনও না। কেন? ওই মানুষগুলো কি এতটুকুরও যোগ্য নয়? করুণা তারা চায়নি। টাকাও নয়। তারা চেয়েছিল বিচার। বিশদ

12th  October, 2021
কার আইন, কার আদেশ?
পি চিদম্বরম

শব্দগুলি জোরে এবং স্পষ্ট, উচ্চাঙ্গে, প্রায় নাটকীয়ভাবে বেজে ওঠে, ‘আমরা, ভারতের জনগণ ... নিজেদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।’ এবং স্বাধীনতা, সৌভ্রাতৃত্ব এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সবাইকে সুরক্ষিত করার জন্য আমরা আমাদেরকে এই সংবিধান দিয়েছি।
বিশদ

11th  October, 2021
কৃষকের রক্ত লেগেছে
হাতে তবু পুলিস নির্বিকার...
হিমাংশু সিংহ

সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় কেন্দ্রকে নিশানা করে যোগী সরকারকে জোরালো ভর্ৎসনা না করলে হয়তো গ্রেপ্তারির প্রক্রিয়া শুরু হতো না। সমনের নোটিসও ইস্যু হতো না মন্ত্রিপুত্রের নামে। শুধু একটা এফআইআর করেই দায় সারতে চেয়েছিল উত্তরপ্রদেশ সরকার। যেন মৃতদের পরিবারের জন্য নেহাতই একটা সান্ত্বনা পুরস্কার।​​​
বিশদ

10th  October, 2021
 মমতাকে আটকানোই যেন লক্ষ্য না হয়
 
​​​​​​​

কেউ উপরে উঠতে গেলেই শুরু হয়ে যায় টেনে নামানোর মরিয়া চেষ্টা। কর্মক্ষেত্র থেকে রাজনীতি, সর্বত্র একই ছবি। সেই কারণে মুখে মুখে ছড়ানো ‘বাঙালি কাঁকড়া’র গল্প এত জনপ্রিয়। জাতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বাড়তেই শুরু হয়েছে তাঁকে টেনে নামানোর লড়াই।​​​​​​
বিশদ

09th  October, 2021
সিপিএমের রাজনৈতিক
ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে?
সমৃদ্ধ দত্ত

মানুষ তৃণমূলকে কেন ভোট দিচ্ছে? এসব বিশ্লেষণ না করে, সিপিএমের বিশ্লেষণ করা উচিত ছিল যে, আমাদের কেন দিচ্ছে না? এখন বিশ্লেষণ করে কাজ হবে? না হবে না। দেরি হয়ে গিয়েছে। বাংলায় সিপিএম ক্রমেই পরিণত হয়ে যাবে একটি অতীত পার্টিতে! স্মৃতির রাজনীতি হয়ে! বাঙালির নতুন নস্টালজিয়া-সিপিএম!
বিশদ

08th  October, 2021
এ নরেন সে নরেন নয়!
মৃণালকান্তি দাস

বিশ্বকে মানবতার মূল্য শিখিয়েছিলেন স্বামীজি...
তারিখটি ছিল ৯/১১। শিকাগো ভাষণের বর্ষপূর্তিতে স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করে এমনই মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি বলেছিলেন, মানবতার মূল্য বুঝতে আজও ১৮৯৩ সালের সেই বক্তৃতার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রধানমন্ত্রী বেলুড় মঠের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে থাকা স্বামীজির বাণী সংযুক্ত করেছিলেন নিজের টুইটে।
বিশদ

07th  October, 2021
মোদি সরকারের ভ্যাকসিন ব্যর্থতা
হারাধন চৌধুরী

টিকাকরণের স্বল্পতা এবং ধীরগতির পুরো দায় সরকারের। ভ্যাকসিন ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের মাথা হেঁট হয়ে যাওয়ার দায়ও নিতে হবে মোদি সরকারকে। বিদেশের মাটিতে এই যে উপর্যুপরি মর্যাদাহানি, এটা ভারতের বিরাট কূটনৈতিক ব্যর্থতাও বটে। বিশদ

06th  October, 2021
পিতৃপক্ষ আর দেবীপক্ষের
সমন্বয়েই শরৎ ঋতু
জয়ন্ত কুশারী 

প্রার্থনা সমবেতভাবে হলে তা ব্যর্থ হয় না। বিশ্বকল্যাণ কামনায় দেবী দুর্গার কাছে আমরা সমবেত হই দেবীপক্ষে। বিশদ

06th  October, 2021
একনজরে
রবিবার থেকে দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ের দুয়ারে রেশন কর্মসূচি শুরু হল। এদিন তিন জেলায় মোট ১১৫২ জন এমআর ডিলার ওই কর্মসূচিতে অংশ ...

ম্যাচের সেরা, সর্বাধিক গোলদাতা, প্রতিযোগিতার সেরা ফুটবলার। স্যাফ কাপের এই তিনটি পুরস্কার সুনীল ছেত্রীর ট্রফি ক্যাবিনেটে সংযোজিত হতে চলেছে।​​​​ ...

তরল মাদক পাচারের সময় সীমান্তের বাসিন্দা ও জওয়ানদের তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে গুরুতরভাবে আহত হল ২ বাংলাদেশি পাচারকারী। সীমান্তরক্ষীরা তাদের উদ্ধার করে বসিরহাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে। ...

দশমীর রাতে বাড়ির সামনে নিষিদ্ধ শব্দবাজি ফাটানোর প্রতিবাদ করায় এক মহিলা আইনজীবী ও তাঁর বাবাকে স্থানীয় কয়েকজন যুবক বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ উঠেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সময় মতো চিকিৎসায় ও যত্ন গ্রহণে দেহে রোগারোগ্য। মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি কর্মে বাধার সৃষ্টি করতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭১: কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজের মৃত্যু
১৯১৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের জন্ম
১৯৩১: গ্রামাফোনের আবিষ্কারক টমাস আলভা এডিসনের মৃত্যু
১৯৪০: টলিউড অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা ওমপুরীর জন্ম 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৪৯ টাকা ৭৬.২১ টাকা
পাউন্ড ১০১.০৮ টাকা ১০৪.৬০ টাকা
ইউরো ৮৫.৬৩ টাকা ৮৮.৭৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
12th  October, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,২৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
17th  October, 2021

দিন পঞ্জিকা

 ১ কার্তিক, ১৪২৮, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১।  ত্রয়োদশী ৩১/১৫ সন্ধ্যা ৬/৮। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র ১২/৫৯ দিবা ১০/৫৯। সূর্যোদয় ৫/৩৭/৫৮, সূর্যাস্ত ৫/৫/৫২।  অমৃতযোগ দিবা ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১০/৫৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৭ গতে ১০/৫৭ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে ৩/৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪ গতে ৮/৩০ মধ্যে পুনঃ ২/১৩ গতে ৩/৩৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৭ গতে ১১/২২ মধ্যে। 
৩১ আশ্বিন, ১৪২৮, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১। ত্রয়োদশী রাত্রি ৬/২৫। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র  দিবা ১২/১৮। সূর্যোদয় ৫/৩৯, সূর্যাস্ত ৫/৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/১৭ মধ্যে ও ৮/৪৫ গতে ১০/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ১০/৫৪ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৫ গতে ৮/৩১ মধ্যে ও ২/১৫ গতে ৩/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৪৯ গতে ১১/২৩ মধ্যে। 
১১  রবিয়ল আউয়ল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৪৬০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

03:53:29 PM

আপাতত ছুটি বাতিল
আপাতত কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের ছুটি বাতিল করা হল। জানানো ...বিশদ

03:50:00 PM

আগামী ২ দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, জানাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর

03:43:00 PM

সুন্দরবনের কুঁড়েখালিতে গোখরো সাপ উদ্ধার করল বনদপ্তর

03:42:00 PM

মেমারিতে ঘর থেকে উদ্ধার যুবকের পচাগলা দেহ
বর্ধমানের মেমারির দক্ষিণপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি থেকে যুবকের পচাগলা মৃতদেহ ...বিশদ

01:34:05 PM

কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে কৃষ্ণনগরে চলছে রেল রোকো কর্মসূচি

01:27:39 PM