Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে। ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে একটি আবেদন রাখলেন। এই সবগুলিরই প্রয়োজন ছিল। তবে প্রশ্নও রয়ে যাচ্ছে, এটাই কি যথেষ্ট?
আমি একটি সংখ্যার উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছি: ভারত সরকারের দেওয়া রিপোর্ট অনুসারে কতজন মানুষের কোভিড-১৯ পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ হল। গত ১ মার্চ, রবিবার সংখ্যাটি ছিল ২। এক সপ্তাহ বাদে গত ৮ মার্চ সংখ্যাটি লাফিয়ে হয়ে গেল ৩২। আরও লম্বা লাফ দিয়ে সেই সংখ্যাটাই ১১১-তে পৌঁছে গেল তার মাত্র এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ। ২০ মার্চ এই লেখা যখন তৈরি করছি তখন সংখ্যাটি ২৩৬। করোনা পরীক্ষার পজিটিভ রেজাল্টের বৃদ্ধি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
দ্বিধা কেন?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তরফে গোড়া থেকে যথেষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, এখনও তা দেওয়া হচ্ছে। তার পুনরাবৃত্তি করেছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং মহামারী বিশেষজ্ঞদের অনেকেও। এই প্রতিটি হুঁশিয়ারির এক ও একমাত্র বক্তব্য ছিল—‘কঠিন, কষ্টদায়ক ও অপ্রিয়’ পদক্ষেপ করতে না-পারলে সংক্রামিত মানুষের সংখ্যার যে বৃদ্ধিটা হবে তা চিন্তার বাইরে।
প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করাটা আমার কর্তব্য এবং আমি তা করেও যাব। এই ভয়ঙ্কর শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য মানুষকে নৈতিক হাতিয়ার নিয়ে নামতে বলেছেন তিনি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি যে, ক্লেমেন্ট এটলির যেমন উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ছিল, করোনা ভাইরাসের তো সেটা নেই। আমি স্থির নিশ্চিত যে আগামী কিছুদিনের ভিতরেই প্রধানমন্ত্রী কঠোরতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবেন।
দেশের সমস্ত নগর ও শহর দুই থেকে চার সপ্তাহের জন্য সাময়িক ‘লকডাউন’ করার পক্ষে আমার সওয়াল রইল। সমান উদ্বেগের অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল অর্থনীতির উপর কোভিড-এর যে বিরূপ প্রভাব পড়বে সেটা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য দেশের হালফিল অতি মন্দার পরিস্থিতিকে কোভিডের প্রভাবের সঙ্গে গুলিয়ে দিতে চাইছেন। তবে, তা সত্যি নয়। আগের উপর্যুপরি সাতটি ত্রৈমাসিকেই তো আর্থিক বৃদ্ধির হার ধাক্কা খেয়েছিল। জানুয়ারি-মার্চের যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতেও শ্রীবৃদ্ধির সামান্যতম লক্ষণ নেই। সাধারণ বুদ্ধি বলে যে জানুয়ারি-মার্চ ২০২০ কোয়ার্টারেও (যদি আরও খারাপ অবস্থা না-হয় তবে) পূর্ববর্তী কোয়ার্টগুলির মতোই খারাপ ফল মিলবে।
উদ্যত সঙ্কট
আজ পরিস্থিতি যা দেখছি তাতে এটাই স্বাভাবিক অনুমান যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য মার খাবে। বড় বড় কারখানাগুলি তাদের শ্রমিকদের কাজের বহর কমিয়ে সপ্তাহে তিন-চার দিনের করে দিয়েছে। ক্যাজুয়াল এবং অস্থায়ী বহু চাকরি ছেঁটে দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় এটা না-হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে কিন্তু হবে। বড় বড় ম্যানুফ্যাকচারারদের তরফে সাপ্লায়ারদের কাছে জিনিসপত্র সরবরাহের যেসব বরাত দেওয়া হয়েছিল সেসবও পরিস্থিতি অনুযায়ী কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ছোট উৎপাদকরা নগদ জোগানের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছেন। কাঁচামালের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ঋণদান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে-অর্থনীতির দ্রুত পতন ঘটছে তার ক্ষেত্রে এগুলি অত্যন্ত স্বাভাবিক পরিণতি। নীতিনির্ধারণে সরকারের ব্যর্থতা এবং অর্থনীতির পতন রোধে সঠিক পদক্ষেপ করতে না-পারার জন্য আমি সরকারকেই দায়ী করেছি। আমার এই সমালোচনা এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না।
তথাপি, করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করার দায়িত্বটা সরকারেরই। সরকারের প্রথম করণীয় হল চাকরি এবং মজুরি/বেতন অক্ষুণ্ণ রাখা বা তার নিশ্চয়তা দেওয়া। সরকারকে দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রের চাকরি নড়বড়ে হয়ে উঠেছে। এরপর ওই চাকরি ও মজুরি/বেতন যাতে বজায় থাকে সেইমতো পদক্ষেপ সরকারকেই করতে হবে। সরকার যে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সেটা সমস্ত নিবন্ধীকৃত নিয়োগকর্তার উপর প্রযোজ্য হওয়া উচিত। অন্যদিকে, নিয়োগকর্তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থাও ভাবতে হবে সরকারকে। আর এই সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব করছাড় (ট্যাক্স ক্রেডিট), বিলম্বিত সুদ গ্রহণ অথবা প্রত্যক্ষ অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে।
এর পরের ধাপে ভাবতে হবে অসংগঠিত ক্ষেত্রকে নিয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার সংস্থান হয় নির্মাণ শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে। পরিষেবা ক্ষেত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিবহণ, পর্যটন, রক্ষণাবেক্ষণ (মেনটেন্যান্স ও রিপেয়ার), হোম ডেলিভারি প্রভৃতি। কম সুদে ঋণদান, ট্যাক্স ক্রেডিট এবং অতিরিক্ত সরকারি ব্যয়ের (যেমন—কম খরচে আবাসন তৈরির বরাত দেওয়া) মাধ্যমে এই শ্রেণীর পাশে সরকার দাঁড়াতে পারে।
তার পরে ভাবতে হবে কৃষিক্ষেত্রের কথা। সৌভাগ্য এই যে, কৃষকরা চাষআবাদ আগের মতোই করতে পারবেন। তাঁরা যথারীতি বীজ বপণ করবেন, জমি নিড়ানি দেবেন, সেচ করবেন, সার ছড়াবেন ও ফসল কাটার কাজ করবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পিএম-কিষান প্রকল্পের সুবিধা সীমিত সংখ্যক কৃষকদের কাছে পৌঁছায়। যে-সমস্ত কৃষকের জমির মালিকানা (অনুপস্থিত মালিক সমেত) আছে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেই। সরকারের তরফে সুবিধা দেওয়া শুরু করতে হবে ঠিক এখান থেকেই। পিএম-কিষান মারফত প্রদেয় টাকার পরিমাণটা দ্বিগুণ করে ১২ হাজার করা উচিত। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে প্রদেয় অর্থের যতটা এখনও বাকি রয়েছে সেটা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়া উচিত। খাজনার বিনিময়ে অন্যের জমি কারা চাষ করেন (টেন্যান্ট ফার্মার্স) তার হিসাব রাজ্য সরকারগুলির কাছে রয়েছে। পিএম-কিষান স্কিমের আওতায় এনে এই পরিবারগুলিরও প্রত্যেকটিকে বছরে ১২ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া উচিত। জমির মালিকানাযুক্ত এবং অপরের জমিনির্ভর কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরই ভাবতে হবে খেতমজুরদের সুরক্ষার বিষয়টি।
কৃষিক্ষেত্রের বাইরেও রয়েছেন অসংখ্য দিনমজুর। শ্রমজীবী জনগণের ভিতরে এঁদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। এঁদের প্রত্যেকের নাম নথিভুক্ত করার জন্য দেশের প্রতিটি ব্লকে রেজিস্টার মেনটেন করা কর্তব্য। এর ভিত্তিতে সকলকেই মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারে যে ‘ন্যায়’ প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল এই ধারণাটি তার মধ্যে রয়েছে। এই ভাতা তিন থেকে ছ’মাসের জন্য দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ‘বোঝা’ মনে হলেও দেশকে এটা অবশ্য করে স্বেচ্ছায় বহন করতে হবে।
একটি অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা
স্বভাবতই এগুলির জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই অর্থের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে যদি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি নীচের পদক্ষেপ করতে পারে: (১) অপচয়মূলক ব্যয়গুলিকে নির্দয়ভাবে ছেঁটে দিতে হবে এবং (২) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে সমস্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং সেইসমস্ত দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্পের ব্যয়, যেগুলি থেকে কোটি টাকায় নামমাত্র কর্মসংস্থান হয়। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের যেমন ভূমিকা থাকে, অর্থনৈতিক সুস্থিতি ফেরাতেও তাকে সক্রিয় হতে হবে। এই যে পদক্ষেপ করার কথা বলা হল, এর জন্য ঠিক কত অর্থের প্রয়োজন তার এস্টিমেট এখনও পর্যন্ত নেই। বাজেট অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের মোট ব্যয় হবে ৩০,৪২,২৩০ কোটি টাকা। সব রাজ্য সরকার মিলে এই সময়ে খরচ করবে ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকা। খরচের যে বহর দেখা গেল তাতে করে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আগামী ছ’মাসে ৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচের প্রয়োজন হতে পারে। এটি একটি নৈতিক ও অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা। আমরা অবশ্যই এই অর্থের সংস্থান করে নেব এবং তার সদ্ব্যবহারও করব।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী  
23rd  March, 2020
মোদি বনাম দিদি ও অন্য লড়াইগুলি
পি চিদম্বরম

ভারতীয় মিডিয়া সবে জাগতে শুরু করেছে। মানুষ তার ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের জন্য প্রতিটা নির্বাচনকে হাতিয়ার করছে। দৃষ্টান্ত, উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট। ২০২১ সাল—আরও একটি নষ্ট বছরের জন্য মনোবল ফেরানোর জন্য যখন চেষ্টা করছি, ঠিক তখনই আশঙ্কায় কেঁপে উঠছি আগামী দু’টি বছরের কথা ভেবে—২০২২, ২০২৩ সালও নষ্ট হবে না তো! বিশদ

বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

09th  May, 2021
স্বৈরাচারী কলুষিত প্রশাসনকে
হুঁশিয়ার করলেন রবীন্দ্রনাথ
জয়ন্ত কুশারী

রবীন্দ্রনাথই অন্যতম মহামানব যিনি ভাবীকালের পৃথিবীকে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে বিবাদ বিদীর্ণ দেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের বৈষম্য, অর্থনৈতিক স্তরবিন্যাসের বৈচিত্র্য, প্রগতির বিভিন্ন মানকে স্বীকার করে নিয়েও সামগ্রিক ক্রমোন্নতির পথ থেকে বিচ্যুত হননি। বিশদ

09th  May, 2021
সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। বিশদ

08th  May, 2021
করোনা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা
মন্ত্রকের উদ্যোগ
রাজনাথ সিং  

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি ভারত মোকাবিলা করছে ঐক্যবদ্ধভাবে। সশস্ত্র বাহিনী দেশকে জয়ী করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে অদম্য মনোভাব। যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতায় তাঁরা পূর্ণ। বিশদ

08th  May, 2021
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

07th  May, 2021
প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
মোদি হাওয়া নেই... ছিলও না 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাঁদরের হাতে লোডেড রিভলভার ধরিয়ে দিলে কী হয়? উত্তরের জন্য কোনও পুরস্কার নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি এই মহান কর্মটি করে, তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। নিশ্চিতভাবে তার মাথার ব্যামো আছে। আমাদের আর্থ-সামাজিক কাঠামোটাও কতকটা তেমন। 
বিশদ

04th  May, 2021
বাংলার আবেগের
অপর নাম আজ মমতা
হিমাংশু সিংহ

নরেন্দ্র মোদির আজকের এই পরাজয় তাই শুধু বাংলাতে পা রাখতে না পারার লজ্জা নয়, এক ৬৫ বছরের মহিলাকে ক্রমাগত ‘দিদি ও দিদি’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ গালাগালি নিক্ষেপ করারও মধুর বদলা।  বাংলা ও বাঙালি আজ মমতাময়। বিশদ

03rd  May, 2021
সঙ্কট থেকে  চরম বিপর্যয়
পি চিদম্বরম

আপনি এই নিবন্ধ যখন পড়ছেন ততক্ষণে ১৮-৪৪ বছর বয়সিদের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার মতো বিরাট কর্মসূচিটা দেশে চালু হয়ে গিয়েছে। কিছু রাজ্য আগ্রহের সঙ্গে এবং কিছু রাজ্য অনিচ্ছা সত্ত্বেও এতে শামিল হয়েছে। অন্যদিকে, ততক্ষণে শেষ হয়ে গিয়েছে ভোটগণনার মতো আর একটা ইভেন্ট এবং ফলাফল বেরিয়ে গিয়েছে। বিশদ

03rd  May, 2021
সঙ্কটকালে করোনাই
হোক প্রধান প্রতিপক্ষ
তন্ময় মল্লিক

করোনা আবহে দ্রুত বদলে যাচ্ছে সব কিছুই। বদলে যাচ্ছে মানুষের চাহিদাও। সোনাদানা, গাড়ি বাড়ির চেয়েও বহু মানুষের কাছে মূল্যবান অক্সিজেন সিলিন্ডার। এই পরিস্থিতিতে বদল দরকার রাজনৈতিক নেতাদেরও। তাঁদের ভাবনার। কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি নয়, সঙ্কটকালে করোনাই হোক প্রধান প্রতিপক্ষ। বিশদ

01st  May, 2021
একনজরে
ভালো যাচ্ছে না ব্রিটেনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক। তারমধ্যেই মাথা চাড়া দিল নতুন বিতর্ক। রানি এলিজাবেথের এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ আনল দু’টি সংবাদ মাধ্যম- সানডে টাইমস ও চ্যানেল ফোর। ...

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই ঘোষণা করেছেন, এবার মানুষের বাড়িতে সরাসরি রেশনের খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। দিল্লি কেজরিওয়াল সরকারও একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সেই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কিছু আপত্তি তোলা হয়েছে। ...

উম-পুনের জেরে সোনারপুরের চিন্তামণি কর অভয়ারণ্যে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। তারপর থেকে অবস্থা অনেকটা স্বাভাবিক হলেও, এই অভয়ারণ্যে পাখিদের আনাগোনা একেবারে কমে গিয়েছে। তাছাড়া এর ভিতরে ...

ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের আবেগ ভুলতে পারছেন না ট্রেন্ট বোল্ট। করোনার কারণে আইপিএল স্থগিত হওয়ার পর রবিবার দেশে পৌঁছে নিউজিল্যান্ডের এই তারকা পেসারটি বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ভালো ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কারও শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫২৬ - পানিপথের যুদ্ধ জয় করে মোগল সম্রাট বাবর আগ্রায় প্রবেশ করেন
১৬১২ - মুঘল সম্রাট শাহজাহানের সাথে মুমতাজের বিয়ে হয়
১৮২৪ - লন্ডনে জাতীয় গ্যালারি জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হয়
১৮৫৭: দেশজুড়ে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৮৬৩ - সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্ম
১৮৮২: ব্রতচারী আন্দোলনের পথিকৃৎ গুরুসদয় দত্তের জন্ম
১৯০৫: সঙ্গীতশিল্পী পঙ্কজ মল্লিকের জন্ম
১৯৬২ - স্বাধীনতা সংগ্রামী অবিনাশচন্দ্র ভট্টাচার্যের মৃত্যু
১৯৮৩ - বিশিষ্ট রসায়ন বিজ্ঞানী জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়র মৃত্যু
১৯৮৫ - রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও লেখক প্রমথনাথ বিশীর মৃত্যু
১৯৯৪ - দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
২০০২: কবি কায়ফি আজমির মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৭৯ টাকা ৭৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ১০০.৬৭ টাকা ১০৪.১৯ টাকা
ইউরো ৮৭.২৮ টাকা ৯০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
08th  May, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,২৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  May, 2021

দিন পঞ্জিকা

২৬ বৈশাখ ১৪২৮, সোমবার, ১০ মে ২০২১। চতুর্দ্দশী ৪২/১৩ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্বিনী নক্ষত্র ৩৮/২৬ রাত্রি ৮/২৫। সূর্যোদয় ৫/২/৪৭, সূর্যাস্ত ৬/৩/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১০/১৬ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৮/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/২৭ গতে ৫/১০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ২/৪৮ গতে ৪/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৩৩ মধ্যে। 
২৬ বৈশাখ ১৪২৮, সোমবার, ১০ মে ২০২১। চতুর্দ্দশী রাত্রি ৯/৩৭। অশ্বিনী নক্ষত্র রাত্রি ৮/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ১০/১৫ গতে ১২/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫১ গতে ৯/১ মধ্যে ও ১১/১২ গতে ২/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/২৮ গতে ৫/১৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/১৮ মধ্যে ও ২/৪৯ গতে ৪/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। 
২৭ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনায় প্রয়াত রাজ্যসভার সাংসদ পদ্মবিভূষন রঘুনাথ মহাপাত্র

09-05-2021 - 08:25:59 PM

কাল তৃতীয় তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীদের শপথ, জেনে নিন কে কে আছেন তালিকায়
তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করে, সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রকাশ করল ...বিশদ

09-05-2021 - 06:38:32 PM

করোনার পরিস্থিতিতে স্থগিত হয়ে গেল মালদ্বীপে আয়োজিত এএফসি কাপ

09-05-2021 - 05:51:40 PM

আগামীকাল  নির্বাচিত হবে বিজেপির বিরোধী দলনেতা
আগামীকাল সোমবার নির্বাচিত হবে বিজেপির বিরোধী দলনেতা। সকাল ১১টায় সব ...বিশদ

09-05-2021 - 04:58:00 PM

মাতৃ দিবসে বিশেষ শ্রদ্ধা গুগল ডুডলের
আজ, ৯ মে পালিত হচ্ছে মাতৃভাষা দিবস। আজকের এই দিনটি ...বিশদ

09-05-2021 - 04:54:00 PM

করোনা আক্রান্ত তসলিমা নাসরিন
এবার করোনাতে আক্রান্ত হলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। নিজেই ট্যুইট করে সেই ...বিশদ

09-05-2021 - 04:25:18 PM