Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে। ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে একটি আবেদন রাখলেন। এই সবগুলিরই প্রয়োজন ছিল। তবে প্রশ্নও রয়ে যাচ্ছে, এটাই কি যথেষ্ট?
আমি একটি সংখ্যার উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছি: ভারত সরকারের দেওয়া রিপোর্ট অনুসারে কতজন মানুষের কোভিড-১৯ পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ হল। গত ১ মার্চ, রবিবার সংখ্যাটি ছিল ২। এক সপ্তাহ বাদে গত ৮ মার্চ সংখ্যাটি লাফিয়ে হয়ে গেল ৩২। আরও লম্বা লাফ দিয়ে সেই সংখ্যাটাই ১১১-তে পৌঁছে গেল তার মাত্র এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ। ২০ মার্চ এই লেখা যখন তৈরি করছি তখন সংখ্যাটি ২৩৬। করোনা পরীক্ষার পজিটিভ রেজাল্টের বৃদ্ধি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
দ্বিধা কেন?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তরফে গোড়া থেকে যথেষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, এখনও তা দেওয়া হচ্ছে। তার পুনরাবৃত্তি করেছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং মহামারী বিশেষজ্ঞদের অনেকেও। এই প্রতিটি হুঁশিয়ারির এক ও একমাত্র বক্তব্য ছিল—‘কঠিন, কষ্টদায়ক ও অপ্রিয়’ পদক্ষেপ করতে না-পারলে সংক্রামিত মানুষের সংখ্যার যে বৃদ্ধিটা হবে তা চিন্তার বাইরে।
প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করাটা আমার কর্তব্য এবং আমি তা করেও যাব। এই ভয়ঙ্কর শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য মানুষকে নৈতিক হাতিয়ার নিয়ে নামতে বলেছেন তিনি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি যে, ক্লেমেন্ট এটলির যেমন উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ছিল, করোনা ভাইরাসের তো সেটা নেই। আমি স্থির নিশ্চিত যে আগামী কিছুদিনের ভিতরেই প্রধানমন্ত্রী কঠোরতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবেন।
দেশের সমস্ত নগর ও শহর দুই থেকে চার সপ্তাহের জন্য সাময়িক ‘লকডাউন’ করার পক্ষে আমার সওয়াল রইল। সমান উদ্বেগের অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল অর্থনীতির উপর কোভিড-এর যে বিরূপ প্রভাব পড়বে সেটা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য দেশের হালফিল অতি মন্দার পরিস্থিতিকে কোভিডের প্রভাবের সঙ্গে গুলিয়ে দিতে চাইছেন। তবে, তা সত্যি নয়। আগের উপর্যুপরি সাতটি ত্রৈমাসিকেই তো আর্থিক বৃদ্ধির হার ধাক্কা খেয়েছিল। জানুয়ারি-মার্চের যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতেও শ্রীবৃদ্ধির সামান্যতম লক্ষণ নেই। সাধারণ বুদ্ধি বলে যে জানুয়ারি-মার্চ ২০২০ কোয়ার্টারেও (যদি আরও খারাপ অবস্থা না-হয় তবে) পূর্ববর্তী কোয়ার্টগুলির মতোই খারাপ ফল মিলবে।
উদ্যত সঙ্কট
আজ পরিস্থিতি যা দেখছি তাতে এটাই স্বাভাবিক অনুমান যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য মার খাবে। বড় বড় কারখানাগুলি তাদের শ্রমিকদের কাজের বহর কমিয়ে সপ্তাহে তিন-চার দিনের করে দিয়েছে। ক্যাজুয়াল এবং অস্থায়ী বহু চাকরি ছেঁটে দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় এটা না-হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে কিন্তু হবে। বড় বড় ম্যানুফ্যাকচারারদের তরফে সাপ্লায়ারদের কাছে জিনিসপত্র সরবরাহের যেসব বরাত দেওয়া হয়েছিল সেসবও পরিস্থিতি অনুযায়ী কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ছোট উৎপাদকরা নগদ জোগানের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছেন। কাঁচামালের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ঋণদান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে-অর্থনীতির দ্রুত পতন ঘটছে তার ক্ষেত্রে এগুলি অত্যন্ত স্বাভাবিক পরিণতি। নীতিনির্ধারণে সরকারের ব্যর্থতা এবং অর্থনীতির পতন রোধে সঠিক পদক্ষেপ করতে না-পারার জন্য আমি সরকারকেই দায়ী করেছি। আমার এই সমালোচনা এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না।
তথাপি, করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করার দায়িত্বটা সরকারেরই। সরকারের প্রথম করণীয় হল চাকরি এবং মজুরি/বেতন অক্ষুণ্ণ রাখা বা তার নিশ্চয়তা দেওয়া। সরকারকে দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রের চাকরি নড়বড়ে হয়ে উঠেছে। এরপর ওই চাকরি ও মজুরি/বেতন যাতে বজায় থাকে সেইমতো পদক্ষেপ সরকারকেই করতে হবে। সরকার যে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সেটা সমস্ত নিবন্ধীকৃত নিয়োগকর্তার উপর প্রযোজ্য হওয়া উচিত। অন্যদিকে, নিয়োগকর্তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থাও ভাবতে হবে সরকারকে। আর এই সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব করছাড় (ট্যাক্স ক্রেডিট), বিলম্বিত সুদ গ্রহণ অথবা প্রত্যক্ষ অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে।
এর পরের ধাপে ভাবতে হবে অসংগঠিত ক্ষেত্রকে নিয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার সংস্থান হয় নির্মাণ শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে। পরিষেবা ক্ষেত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিবহণ, পর্যটন, রক্ষণাবেক্ষণ (মেনটেন্যান্স ও রিপেয়ার), হোম ডেলিভারি প্রভৃতি। কম সুদে ঋণদান, ট্যাক্স ক্রেডিট এবং অতিরিক্ত সরকারি ব্যয়ের (যেমন—কম খরচে আবাসন তৈরির বরাত দেওয়া) মাধ্যমে এই শ্রেণীর পাশে সরকার দাঁড়াতে পারে।
তার পরে ভাবতে হবে কৃষিক্ষেত্রের কথা। সৌভাগ্য এই যে, কৃষকরা চাষআবাদ আগের মতোই করতে পারবেন। তাঁরা যথারীতি বীজ বপণ করবেন, জমি নিড়ানি দেবেন, সেচ করবেন, সার ছড়াবেন ও ফসল কাটার কাজ করবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পিএম-কিষান প্রকল্পের সুবিধা সীমিত সংখ্যক কৃষকদের কাছে পৌঁছায়। যে-সমস্ত কৃষকের জমির মালিকানা (অনুপস্থিত মালিক সমেত) আছে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেই। সরকারের তরফে সুবিধা দেওয়া শুরু করতে হবে ঠিক এখান থেকেই। পিএম-কিষান মারফত প্রদেয় টাকার পরিমাণটা দ্বিগুণ করে ১২ হাজার করা উচিত। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে প্রদেয় অর্থের যতটা এখনও বাকি রয়েছে সেটা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়া উচিত। খাজনার বিনিময়ে অন্যের জমি কারা চাষ করেন (টেন্যান্ট ফার্মার্স) তার হিসাব রাজ্য সরকারগুলির কাছে রয়েছে। পিএম-কিষান স্কিমের আওতায় এনে এই পরিবারগুলিরও প্রত্যেকটিকে বছরে ১২ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া উচিত। জমির মালিকানাযুক্ত এবং অপরের জমিনির্ভর কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরই ভাবতে হবে খেতমজুরদের সুরক্ষার বিষয়টি।
কৃষিক্ষেত্রের বাইরেও রয়েছেন অসংখ্য দিনমজুর। শ্রমজীবী জনগণের ভিতরে এঁদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। এঁদের প্রত্যেকের নাম নথিভুক্ত করার জন্য দেশের প্রতিটি ব্লকে রেজিস্টার মেনটেন করা কর্তব্য। এর ভিত্তিতে সকলকেই মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারে যে ‘ন্যায়’ প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল এই ধারণাটি তার মধ্যে রয়েছে। এই ভাতা তিন থেকে ছ’মাসের জন্য দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ‘বোঝা’ মনে হলেও দেশকে এটা অবশ্য করে স্বেচ্ছায় বহন করতে হবে।
একটি অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা
স্বভাবতই এগুলির জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই অর্থের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে যদি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি নীচের পদক্ষেপ করতে পারে: (১) অপচয়মূলক ব্যয়গুলিকে নির্দয়ভাবে ছেঁটে দিতে হবে এবং (২) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে সমস্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং সেইসমস্ত দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্পের ব্যয়, যেগুলি থেকে কোটি টাকায় নামমাত্র কর্মসংস্থান হয়। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের যেমন ভূমিকা থাকে, অর্থনৈতিক সুস্থিতি ফেরাতেও তাকে সক্রিয় হতে হবে। এই যে পদক্ষেপ করার কথা বলা হল, এর জন্য ঠিক কত অর্থের প্রয়োজন তার এস্টিমেট এখনও পর্যন্ত নেই। বাজেট অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের মোট ব্যয় হবে ৩০,৪২,২৩০ কোটি টাকা। সব রাজ্য সরকার মিলে এই সময়ে খরচ করবে ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকা। খরচের যে বহর দেখা গেল তাতে করে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আগামী ছ’মাসে ৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচের প্রয়োজন হতে পারে। এটি একটি নৈতিক ও অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা। আমরা অবশ্যই এই অর্থের সংস্থান করে নেব এবং তার সদ্ব্যবহারও করব।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী  
23rd  March, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: রবিবার মাদারিহাট ব্লকে বিরোধী বিভিন্ন দলের নীচুতলার ২০০ জন কর্মী-সমর্থক শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। এদিন ব্লকের শিশুঝুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি, আরএসপি ও সিপিএম এই তিন দলের কর্মী-সমর্থকরা তৃণমূলে যোগ দেন।   ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: শত্রু যখন প্রবল পরাক্রমী, অস্ত্রও দরকার তেমনি আধুনিক। করোনার সঙ্গে যুদ্ধে সরকারি হাসপাতালগুলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে হাইটেক সব ‘অস্ত্র’। ভয়ঙ্কর সংক্রামক করোনা ছড়ায় ড্রপলেটের মাধ্যমে।   ...

সংবাদদাতা, গুসকরা: শনিবার রাতে আউশগ্রামের বড়াচৌমাথার কাছে জাতীয় সড়কে ডাকাত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। একটি মারুতি গাড়িও আটক করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম খোকন মাল ও অনিমেষ সমাদ্দার।   ...

জোহানেসবার্গ: দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মান পেলেন কুইন্টন ডি’কক। করোনা ভাইরাসের জেরে এবছর এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- জোসেফ মেইস্টারের উপর জলাতঙ্ক রোগের টিকা সফলভাবে পরীক্ষা করলেন লুই পাস্তুর
১৮৯২- ব্রিটেন পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় হিসাবে নির্বাচিত হলেন দাদাভাই নওরোজি
১৯০১- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৬- আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশের জন্ম
১৯৪৬- মার্কিন অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের জন্ম
১৯৮৫- অভিনেতা রণবীর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৬- রাজনীতিবিদ জগজীবন রামের মৃত্যু
২০০২- রিলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
05th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ১০/৫৩ দিবা ৯/২৩। উত্তরাষাঢ়া ৪৫/২৭ রাত্রি ১১/১২৷ সূর্যোদয় ৫/১/১২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২০৷ অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৪ গতে ১০/২০ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪২ গতে ১২/২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪১ মধ্যে।  
২১ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ দিবা ৯/২২। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ১২/০। সূযোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২২ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে।  
১৪ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে ভারত 
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে ...বিশদ

05-07-2020 - 09:32:25 PM

হালিশহরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 
তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার ...বিশদ

05-07-2020 - 09:28:41 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৯২৫, মোট আক্রান্ত ২৩,৪৭৪ 

05-07-2020 - 09:06:12 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

05-07-2020 - 08:37:27 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৬৫৫৫, মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬ হাজার ৬১৯ 

05-07-2020 - 08:04:07 PM

করোনা: ফের একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
পর পর দু’দিন। নতুন সংক্রমণের নিরিখে ফের রেকর্ড রাজ্যে। গত ...বিশদ

05-07-2020 - 08:02:02 PM