Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে। ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে একটি আবেদন রাখলেন। এই সবগুলিরই প্রয়োজন ছিল। তবে প্রশ্নও রয়ে যাচ্ছে, এটাই কি যথেষ্ট?
আমি একটি সংখ্যার উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছি: ভারত সরকারের দেওয়া রিপোর্ট অনুসারে কতজন মানুষের কোভিড-১৯ পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ হল। গত ১ মার্চ, রবিবার সংখ্যাটি ছিল ২। এক সপ্তাহ বাদে গত ৮ মার্চ সংখ্যাটি লাফিয়ে হয়ে গেল ৩২। আরও লম্বা লাফ দিয়ে সেই সংখ্যাটাই ১১১-তে পৌঁছে গেল তার মাত্র এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ। ২০ মার্চ এই লেখা যখন তৈরি করছি তখন সংখ্যাটি ২৩৬। করোনা পরীক্ষার পজিটিভ রেজাল্টের বৃদ্ধি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
দ্বিধা কেন?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তরফে গোড়া থেকে যথেষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, এখনও তা দেওয়া হচ্ছে। তার পুনরাবৃত্তি করেছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং মহামারী বিশেষজ্ঞদের অনেকেও। এই প্রতিটি হুঁশিয়ারির এক ও একমাত্র বক্তব্য ছিল—‘কঠিন, কষ্টদায়ক ও অপ্রিয়’ পদক্ষেপ করতে না-পারলে সংক্রামিত মানুষের সংখ্যার যে বৃদ্ধিটা হবে তা চিন্তার বাইরে।
প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করাটা আমার কর্তব্য এবং আমি তা করেও যাব। এই ভয়ঙ্কর শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য মানুষকে নৈতিক হাতিয়ার নিয়ে নামতে বলেছেন তিনি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি যে, ক্লেমেন্ট এটলির যেমন উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ছিল, করোনা ভাইরাসের তো সেটা নেই। আমি স্থির নিশ্চিত যে আগামী কিছুদিনের ভিতরেই প্রধানমন্ত্রী কঠোরতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবেন।
দেশের সমস্ত নগর ও শহর দুই থেকে চার সপ্তাহের জন্য সাময়িক ‘লকডাউন’ করার পক্ষে আমার সওয়াল রইল। সমান উদ্বেগের অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল অর্থনীতির উপর কোভিড-এর যে বিরূপ প্রভাব পড়বে সেটা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য দেশের হালফিল অতি মন্দার পরিস্থিতিকে কোভিডের প্রভাবের সঙ্গে গুলিয়ে দিতে চাইছেন। তবে, তা সত্যি নয়। আগের উপর্যুপরি সাতটি ত্রৈমাসিকেই তো আর্থিক বৃদ্ধির হার ধাক্কা খেয়েছিল। জানুয়ারি-মার্চের যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতেও শ্রীবৃদ্ধির সামান্যতম লক্ষণ নেই। সাধারণ বুদ্ধি বলে যে জানুয়ারি-মার্চ ২০২০ কোয়ার্টারেও (যদি আরও খারাপ অবস্থা না-হয় তবে) পূর্ববর্তী কোয়ার্টগুলির মতোই খারাপ ফল মিলবে।
উদ্যত সঙ্কট
আজ পরিস্থিতি যা দেখছি তাতে এটাই স্বাভাবিক অনুমান যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য মার খাবে। বড় বড় কারখানাগুলি তাদের শ্রমিকদের কাজের বহর কমিয়ে সপ্তাহে তিন-চার দিনের করে দিয়েছে। ক্যাজুয়াল এবং অস্থায়ী বহু চাকরি ছেঁটে দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় এটা না-হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে কিন্তু হবে। বড় বড় ম্যানুফ্যাকচারারদের তরফে সাপ্লায়ারদের কাছে জিনিসপত্র সরবরাহের যেসব বরাত দেওয়া হয়েছিল সেসবও পরিস্থিতি অনুযায়ী কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ছোট উৎপাদকরা নগদ জোগানের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছেন। কাঁচামালের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ঋণদান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে-অর্থনীতির দ্রুত পতন ঘটছে তার ক্ষেত্রে এগুলি অত্যন্ত স্বাভাবিক পরিণতি। নীতিনির্ধারণে সরকারের ব্যর্থতা এবং অর্থনীতির পতন রোধে সঠিক পদক্ষেপ করতে না-পারার জন্য আমি সরকারকেই দায়ী করেছি। আমার এই সমালোচনা এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না।
তথাপি, করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করার দায়িত্বটা সরকারেরই। সরকারের প্রথম করণীয় হল চাকরি এবং মজুরি/বেতন অক্ষুণ্ণ রাখা বা তার নিশ্চয়তা দেওয়া। সরকারকে দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রের চাকরি নড়বড়ে হয়ে উঠেছে। এরপর ওই চাকরি ও মজুরি/বেতন যাতে বজায় থাকে সেইমতো পদক্ষেপ সরকারকেই করতে হবে। সরকার যে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সেটা সমস্ত নিবন্ধীকৃত নিয়োগকর্তার উপর প্রযোজ্য হওয়া উচিত। অন্যদিকে, নিয়োগকর্তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থাও ভাবতে হবে সরকারকে। আর এই সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব করছাড় (ট্যাক্স ক্রেডিট), বিলম্বিত সুদ গ্রহণ অথবা প্রত্যক্ষ অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে।
এর পরের ধাপে ভাবতে হবে অসংগঠিত ক্ষেত্রকে নিয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার সংস্থান হয় নির্মাণ শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে। পরিষেবা ক্ষেত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিবহণ, পর্যটন, রক্ষণাবেক্ষণ (মেনটেন্যান্স ও রিপেয়ার), হোম ডেলিভারি প্রভৃতি। কম সুদে ঋণদান, ট্যাক্স ক্রেডিট এবং অতিরিক্ত সরকারি ব্যয়ের (যেমন—কম খরচে আবাসন তৈরির বরাত দেওয়া) মাধ্যমে এই শ্রেণীর পাশে সরকার দাঁড়াতে পারে।
তার পরে ভাবতে হবে কৃষিক্ষেত্রের কথা। সৌভাগ্য এই যে, কৃষকরা চাষআবাদ আগের মতোই করতে পারবেন। তাঁরা যথারীতি বীজ বপণ করবেন, জমি নিড়ানি দেবেন, সেচ করবেন, সার ছড়াবেন ও ফসল কাটার কাজ করবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পিএম-কিষান প্রকল্পের সুবিধা সীমিত সংখ্যক কৃষকদের কাছে পৌঁছায়। যে-সমস্ত কৃষকের জমির মালিকানা (অনুপস্থিত মালিক সমেত) আছে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেই। সরকারের তরফে সুবিধা দেওয়া শুরু করতে হবে ঠিক এখান থেকেই। পিএম-কিষান মারফত প্রদেয় টাকার পরিমাণটা দ্বিগুণ করে ১২ হাজার করা উচিত। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে প্রদেয় অর্থের যতটা এখনও বাকি রয়েছে সেটা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়া উচিত। খাজনার বিনিময়ে অন্যের জমি কারা চাষ করেন (টেন্যান্ট ফার্মার্স) তার হিসাব রাজ্য সরকারগুলির কাছে রয়েছে। পিএম-কিষান স্কিমের আওতায় এনে এই পরিবারগুলিরও প্রত্যেকটিকে বছরে ১২ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া উচিত। জমির মালিকানাযুক্ত এবং অপরের জমিনির্ভর কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরই ভাবতে হবে খেতমজুরদের সুরক্ষার বিষয়টি।
কৃষিক্ষেত্রের বাইরেও রয়েছেন অসংখ্য দিনমজুর। শ্রমজীবী জনগণের ভিতরে এঁদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। এঁদের প্রত্যেকের নাম নথিভুক্ত করার জন্য দেশের প্রতিটি ব্লকে রেজিস্টার মেনটেন করা কর্তব্য। এর ভিত্তিতে সকলকেই মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারে যে ‘ন্যায়’ প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল এই ধারণাটি তার মধ্যে রয়েছে। এই ভাতা তিন থেকে ছ’মাসের জন্য দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ‘বোঝা’ মনে হলেও দেশকে এটা অবশ্য করে স্বেচ্ছায় বহন করতে হবে।
একটি অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা
স্বভাবতই এগুলির জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই অর্থের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে যদি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি নীচের পদক্ষেপ করতে পারে: (১) অপচয়মূলক ব্যয়গুলিকে নির্দয়ভাবে ছেঁটে দিতে হবে এবং (২) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে সমস্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং সেইসমস্ত দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্পের ব্যয়, যেগুলি থেকে কোটি টাকায় নামমাত্র কর্মসংস্থান হয়। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের যেমন ভূমিকা থাকে, অর্থনৈতিক সুস্থিতি ফেরাতেও তাকে সক্রিয় হতে হবে। এই যে পদক্ষেপ করার কথা বলা হল, এর জন্য ঠিক কত অর্থের প্রয়োজন তার এস্টিমেট এখনও পর্যন্ত নেই। বাজেট অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের মোট ব্যয় হবে ৩০,৪২,২৩০ কোটি টাকা। সব রাজ্য সরকার মিলে এই সময়ে খরচ করবে ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকা। খরচের যে বহর দেখা গেল তাতে করে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আগামী ছ’মাসে ৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচের প্রয়োজন হতে পারে। এটি একটি নৈতিক ও অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা। আমরা অবশ্যই এই অর্থের সংস্থান করে নেব এবং তার সদ্ব্যবহারও করব।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী  
23rd  March, 2020
আফগান মেয়েদের কথা
ভাবলই না চীন, রাশিয়া
হারাধন চৌধুরী

চীন-রাশিয়ারই অস্ত্রে বলীয়ান হয়ে তালিবান এই যে মানবাধিকারকে লাগাতার বলাৎকার করে যাচ্ছে, তাতে সিলমোহর দিচ্ছে কোন নীতিতে এই দুই ‘মহান’ রাষ্ট্র? শুধু চীন, রাশিয়ার ‘অর্ধেক আকাশ’ মুক্ত থাকলেই হল, তাই তো! বিশদ

লগ্ন মেনেই টিকা!
মোদির ভারতের ভবিতব্য
শান্তনু দত্তগুপ্ত

আপনার জন্মদিনের প্রোপাগান্ডায় আড়াই কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ আমাদের মনে কিছু প্রশ্নের ঝড় তুলে দেয়। সেখানেও হিসেবে গরমিলের অভিযোগ ওঠে। আমরা ভাবতে বাধ্য হই, আপনি শুধুই নিজের তূণীর সমৃদ্ধ করতে বেশি আগ্রহী। একদিন ২৫ লক্ষ ভ্যাকসিন, আর একদিন আড়াই কোটি ডোজের অঙ্কে সাধারণ মানুষের জীবনের পথ মসৃণ হয় না। তাতে কাঁটার সংখ্যা বাড়তেই থাকে। 
বিশদ

21st  September, 2021
বৈষম্য ও অবিচার
বড্ড চোখে লাগছে
পি চিদম্বরম

রাজ্য সরকারগুলি রাজ্যের করদাতাদের টাকায় কেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করবে? কেন ছেলেমেয়েরা মাতৃভাষার মাধ্যমে পড়বে? কেন রাজ্য বোর্ডের পরীক্ষায় বসবে? রাজ্য শিক্ষা বোর্ড রেখে দেওয়ার আদৌ যুক্তি আছে কি আর? শহুরে ছাত্ররা কি পিএইচসি এবং মফস্‌সলের হাসপাতালগুলিতে রোগীর সেবা করবে? ‘মেরিট’ সম্পর্কে এক সন্দেহজনক তত্ত্ব খাড়া করে নিট মারাত্মক বৈষম্য ও অবিচারের এক নতুন যুগের সূচনা করছে।
বিশদ

20th  September, 2021
মোদির গৌরব, অগৌরব
ও বিপন্ন সাংবাদিকতা
হিমাংশু সিংহ

আমেদাবাদের সাংবাদিক ধবল প্যাটেল গত প্রায় এক বছর দেশছাড়া। তাঁর অপরাধ কী? সওয়া এক বছর আগে তিনি লিখেছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানিকে সরতে হচ্ছে। আজ ১৬ মাস বাদে তাঁর পূর্বাভাস মিলেও গিয়েছে হুবহু। গত ১১ সেপ্টেম্বর নিজেই ইস্তফা দিয়েছেন কিংবা বাধ্য হয়ে সরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী রুপানি। বিশদ

19th  September, 2021
মোদিকে টক্কর দিচ্ছেন মমতা
তন্ময় মল্লিক

ক্ষমতায়, পদমর্যাদায়, দাপটে, প্রভাবে যে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক অনেক এগিয়ে। কিন্তু টাইমের সমীক্ষায় ফারাকটা তেমন কিছু নয়, বরং খুব কাছাকাছি। পৃথিবীর বিখ্যাত ম্যাগাজিন ‘টাইম’ জানিয়ে দিল, এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা ভারতবর্ষের একজনেরই আছে। নাম তাঁর মমতা।
বিশদ

18th  September, 2021
আফগান যুদ্ধ: কার লাভ
কার ক্ষতি? এরপর কী?
সমৃদ্ধ দত্ত

চীন অথবা আমেরিকা?  অলক্ষ্যে চলছে এক মরণপণ প্রতিযোগিতা! কে হবে আগামী সুপার পাওয়ার? এই চীন ও আমেরিকার সুপার পাওয়ার হওয়ার যুদ্ধে কোন দেশটির ভূমিকাই হতে পারে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। ভারত!
বিশদ

17th  September, 2021
মোদি জমানায় শিক্ষার গেরুয়াকরণ
মৃণালকান্তি দাস

বিজ্ঞানভিত্তিক মননের জন্ম তাঁরাই দিতে পারেন যাঁরা সর্বপ্রকার কুসংস্কারাচ্ছন্ন চিন্তা এবং অনৈতিহাসিক ভাবনা-ধারণা থেকে মুক্ত। এই শিক্ষানীতিতে ছাত্রমনকে ‘বিজ্ঞান ও যুক্তি নির্ভর’ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সাংবিধানিক পদমর্যাদাসম্পন্ন নানা ব্যক্তির মুখনিঃসৃত বাণী শুনছি যে, ‘মহাভারতের যুগে ইন্টারনেট’,  ‘বেদের যুগে এরোপ্লেন’ ইত্যাদি। সেই তাঁরাই ছাত্রদের বিজ্ঞানসম্মত মনন বিকাশের দায়িত্ব নেবেন?  বিশদ

16th  September, 2021
ব্যর্থতার নিরিখে আগে
মোদিকে সরানো দরকার
সন্দীপন বিশ্বাস

বারবার দেখো, হাজারবার দেখো, দেখনেকা চিজ হ্যায় ইয়ে বিজেপি সরকার। ব্যর্থতার মডেল বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি সরকার। সেখানকার মাথাগুলোকে গিলোটিনের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়ে যে নাটকের ঘনঘটা, তা সত্যিই দেখার এবং আলোচনার বস্তু। একই সঙ্গে বেজায় কমেডির উপাদানও তার মধ্যে আছে।
বিশদ

15th  September, 2021
সবার উপর সত্য ক্ষমতার দম্ভ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উন্নয়ন, সংস্কার... সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে অনেক কৌশলই মানুষের উপর চাপানো হয়েছে গত সাত বছরে। কিন্তু সবটাই কাঁচকলায় পর্যবসিত হয়েছে। অগত্যা উপায় এবং ব্রহ্মাস্ত্র একটাই—হিন্দুত্ব। কিছু রগরগে প্রচার, কিছু টেনশন আর খানিকটা দেশাত্মবোধ। মারাত্মক সুস্বাদু চাটনি বিশেষ। এই দিয়েই তো এত বছর ভোটারদের আপ্যায়ন চালিয়ে এসেছেন। কিন্তু একটাই অনুরোধ, দয়া করে স্বামীজিকে বারবার এই সমীকরণের মধ্যে টেনে আনবেন না। বিশদ

14th  September, 2021
স্কুলশিক্ষার চরম ক্ষতির প্রতিবিধান জরুরি
পি চিদম্বরম

দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থা এবং যুবসমাজের ভবিষ্যৎ, প্রধানমন্ত্রী চান, বিশ্ব প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে। ... কিন্তু আমাদের সর্বপ্রথম বাচ্চাদের সেইভাবে তৈরি করা উচিত নয় কি যে, তারা পাঠ্যবই পড়বে এবং যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগের অঙ্কগুলো কষতে পারবে?
  বিশদ

13th  September, 2021
ভবানীপুরের খেলা ও বামেদের
ফের ঐতিহাসিক ভুল
হিমাংশু সিংহ

বিধানসভা ভোটে তিনি একপায়ে খেলা দেখিয়েছেন। ভবানীপুরে গোটা বাংলা তাঁর দু’পায়ের খেলা দেখার জন্য তৈরি। ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট এবং ফল ৩ অক্টোবর। দেবীপক্ষ শুরুর ৭২ ঘণ্টা আগে। দেশ চায় ভবানীপুরের জয়ের দ্যুতি ছড়িয়ে একটা শক্তিশালী মোদি বিরোধী জোট আত্মপ্রকাশ করুক।
বিশদ

12th  September, 2021
ব্যুমেরাং হবে বিজেপির
‘প্রেসার পলিটিক্স’
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলছেন, এর আগে দিল্লির কোনও সরকার এত নির্লজ্জভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করেনি। বিজেপির বিরুদ্ধে মাথা তুললেই মেরে ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আর লড়াইয়ে এঁটে উঠতে না পারলে আছে ইডি কিংবা সিবিআই। তৃণমূলের নজর এখন ত্রিপুরায়। আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি।
  বিশদ

11th  September, 2021
একনজরে
আইপিএল অভিষেকেই নজর কেড়েছেন বেঙ্কটেশ আয়ার। মধ্যপ্রদেশের এই ব্যাটসম্যানটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান। সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বিরুদ্ধে ৪১ রানে ...

পুজোর আগে‌ই রামপুরহাট শহরের বাসিন্দাদের করোনা ভ্যাকসিন দেবে পুরসভা। ইতিমধ্যেই শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দা‌ই ভ্যাকসিন পেয়ে গিয়েছেন বলে পুরসভার দাবি। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, শহরের বহু মানুষ এখনও ভ্যাকসিন পাননি।   ...

দীপাবলির আগেও কি আদৌ মিলবে কর্মচারী প্রভিডেন্ট ফান্ডের (ইপিএফ) সুদ? জমা পড়বে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে। সংশয়ে ইপিএফ গ্রাহকদেরই একটি বড় অংশ। কবে নাগাদ গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে ইপিএফ সুদ জমা পড়বে, তা নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্যই করছে না শ্রমমন্ত্রকের আওতাধীন কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠন (ইপিএফও)। ...

পুজোয় সোনার গয়নার নতুন সম্ভার আনল তানিশ্ক। এবারের পুজো কালেকশনের নাম ‘সাজ’। মঙ্গলবার ওই গয়নার উদ্বোধন করলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন তানিশ্ক-এর রিজিওনাল বিজনেস ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মে শুভ অগ্রগতি। ব্যবসায়ে বিনিয়োগের পরিকল্পনা। পেট ও গলায় সংক্রমণে ভোগান্তি হতে পারে। গৃহের সংস্করণ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব গাড়িমুক্ত দিবস
১৫৩৯: পাঞ্জাবের শহর কর্তারপুরে প্রয়াত গুরু নানক
১৫৯৯: লন্ডনে ফাউন্ডার্স হলে ২৪ জন ব্যবসায়ী ভারতে ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেন। এভাবেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গড়ে উঠে
১৭৯১: ইংরেজ বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের জন্ম
১৮৮৮: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন প্রথম প্রকাশিত
১৯১৫:  নদিয়া পৌরসভার নামকরণ বদল করে করা হয় নবদ্বীপ পৌরসভা
১৯৩৯: প্রথম এভারেস্ট জয়ী মহিলা জুনকো তাবেইয়ের জন্ম
১৯৬২:  নিউজিল্যাণ্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার মার্টিন ক্রোর জন্ম
১৯৬৫: শেষ হল ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। রাষ্ট্রসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দু’দেশ যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করল
১৯৭০: লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৮০: ইরান আক্রমণ করল ইরাক
১৯৯১: মারাঠি ও হিন্দি চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী পদ্মশ্রী দুর্গা খোটের মৃত্যু
১৯৯৫: নাগারকোভিল স্কুলে বোমা ফেলল শ্রীলঙ্কার বায়ুসেনা। মৃত্যু হয় ৩৪টি শিশুর। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই তামিল
২০১১: ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদির মৃত্যু
২০১১: অভিনেতা বিভু ভট্টাচার্যের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৭৯ টাকা ৭৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৯৬ টাকা ১০২.৪০ টাকা
ইউরো ৮৪.৮৪ টাকা ৮৭.৯৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,০৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৪,৬৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৩৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬০,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৮, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। প্রতিপদ ০/৫৯ প্রাতঃ ৫/৫২। রেবতী নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২৮/৫০, সূর্যাস্ত ৫/৩০/১০। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৭/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১০/১৮ গতে ১২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৯ গতে ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৩ গতে ৩/৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৫৫ মধ্যে। রাববেলা ৮/২৯ গতে ৯/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১/০ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৯ মধ্যে।
৫ আশ্বিন ১৪২৮, বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। দ্বিতীয়া অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৪৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩২।  অমৃতযোগ দিবা ৬/২১ মধ্যে ও ৭/৮ গতে ৭/৫৪ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/৩৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১ গতে ৬/৫১ মধ্যে ও ৮/৩০ গতে ৩/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ  দিবা ৬/২১ গতে ৭/৮ মধ্যে ও ১/১৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/০ মধ্যে ও ১১/৩০ গতে ১২/২ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে  ৩/৫৯ মধ্যে।
১৪ শফর।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনায় মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করুক রাজ্য, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র
রাজ্যকে করোনায় মৃত্যু ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলে ...বিশদ

06:54:05 PM

ভোট প্রচারে কী বললেন মমতা
ভবানীপুরে উপনির্বাচনের প্রচার মঞ্চে ফের বিজেপিকে দেশ থেকে তাড়ানোর ডাক ...বিশদ

05:59:13 PM

গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত ৩০ জন

04:33:02 PM

করোনা আক্রান্ত ব্রাজিলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্সেলো কুইরোগা

04:27:37 PM

এখনও জলমগ্ন কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিট

04:11:03 PM

৭৮ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

04:02:20 PM