Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে। ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে একটি আবেদন রাখলেন। এই সবগুলিরই প্রয়োজন ছিল। তবে প্রশ্নও রয়ে যাচ্ছে, এটাই কি যথেষ্ট?
আমি একটি সংখ্যার উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছি: ভারত সরকারের দেওয়া রিপোর্ট অনুসারে কতজন মানুষের কোভিড-১৯ পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ হল। গত ১ মার্চ, রবিবার সংখ্যাটি ছিল ২। এক সপ্তাহ বাদে গত ৮ মার্চ সংখ্যাটি লাফিয়ে হয়ে গেল ৩২। আরও লম্বা লাফ দিয়ে সেই সংখ্যাটাই ১১১-তে পৌঁছে গেল তার মাত্র এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ। ২০ মার্চ এই লেখা যখন তৈরি করছি তখন সংখ্যাটি ২৩৬। করোনা পরীক্ষার পজিটিভ রেজাল্টের বৃদ্ধি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
দ্বিধা কেন?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তরফে গোড়া থেকে যথেষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, এখনও তা দেওয়া হচ্ছে। তার পুনরাবৃত্তি করেছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং মহামারী বিশেষজ্ঞদের অনেকেও। এই প্রতিটি হুঁশিয়ারির এক ও একমাত্র বক্তব্য ছিল—‘কঠিন, কষ্টদায়ক ও অপ্রিয়’ পদক্ষেপ করতে না-পারলে সংক্রামিত মানুষের সংখ্যার যে বৃদ্ধিটা হবে তা চিন্তার বাইরে।
প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করাটা আমার কর্তব্য এবং আমি তা করেও যাব। এই ভয়ঙ্কর শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য মানুষকে নৈতিক হাতিয়ার নিয়ে নামতে বলেছেন তিনি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি যে, ক্লেমেন্ট এটলির যেমন উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ছিল, করোনা ভাইরাসের তো সেটা নেই। আমি স্থির নিশ্চিত যে আগামী কিছুদিনের ভিতরেই প্রধানমন্ত্রী কঠোরতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবেন।
দেশের সমস্ত নগর ও শহর দুই থেকে চার সপ্তাহের জন্য সাময়িক ‘লকডাউন’ করার পক্ষে আমার সওয়াল রইল। সমান উদ্বেগের অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল অর্থনীতির উপর কোভিড-এর যে বিরূপ প্রভাব পড়বে সেটা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য দেশের হালফিল অতি মন্দার পরিস্থিতিকে কোভিডের প্রভাবের সঙ্গে গুলিয়ে দিতে চাইছেন। তবে, তা সত্যি নয়। আগের উপর্যুপরি সাতটি ত্রৈমাসিকেই তো আর্থিক বৃদ্ধির হার ধাক্কা খেয়েছিল। জানুয়ারি-মার্চের যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতেও শ্রীবৃদ্ধির সামান্যতম লক্ষণ নেই। সাধারণ বুদ্ধি বলে যে জানুয়ারি-মার্চ ২০২০ কোয়ার্টারেও (যদি আরও খারাপ অবস্থা না-হয় তবে) পূর্ববর্তী কোয়ার্টগুলির মতোই খারাপ ফল মিলবে।
উদ্যত সঙ্কট
আজ পরিস্থিতি যা দেখছি তাতে এটাই স্বাভাবিক অনুমান যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য মার খাবে। বড় বড় কারখানাগুলি তাদের শ্রমিকদের কাজের বহর কমিয়ে সপ্তাহে তিন-চার দিনের করে দিয়েছে। ক্যাজুয়াল এবং অস্থায়ী বহু চাকরি ছেঁটে দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় এটা না-হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে কিন্তু হবে। বড় বড় ম্যানুফ্যাকচারারদের তরফে সাপ্লায়ারদের কাছে জিনিসপত্র সরবরাহের যেসব বরাত দেওয়া হয়েছিল সেসবও পরিস্থিতি অনুযায়ী কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ছোট উৎপাদকরা নগদ জোগানের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছেন। কাঁচামালের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ঋণদান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে-অর্থনীতির দ্রুত পতন ঘটছে তার ক্ষেত্রে এগুলি অত্যন্ত স্বাভাবিক পরিণতি। নীতিনির্ধারণে সরকারের ব্যর্থতা এবং অর্থনীতির পতন রোধে সঠিক পদক্ষেপ করতে না-পারার জন্য আমি সরকারকেই দায়ী করেছি। আমার এই সমালোচনা এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না।
তথাপি, করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করার দায়িত্বটা সরকারেরই। সরকারের প্রথম করণীয় হল চাকরি এবং মজুরি/বেতন অক্ষুণ্ণ রাখা বা তার নিশ্চয়তা দেওয়া। সরকারকে দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রের চাকরি নড়বড়ে হয়ে উঠেছে। এরপর ওই চাকরি ও মজুরি/বেতন যাতে বজায় থাকে সেইমতো পদক্ষেপ সরকারকেই করতে হবে। সরকার যে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সেটা সমস্ত নিবন্ধীকৃত নিয়োগকর্তার উপর প্রযোজ্য হওয়া উচিত। অন্যদিকে, নিয়োগকর্তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থাও ভাবতে হবে সরকারকে। আর এই সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব করছাড় (ট্যাক্স ক্রেডিট), বিলম্বিত সুদ গ্রহণ অথবা প্রত্যক্ষ অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে।
এর পরের ধাপে ভাবতে হবে অসংগঠিত ক্ষেত্রকে নিয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার সংস্থান হয় নির্মাণ শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে। পরিষেবা ক্ষেত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিবহণ, পর্যটন, রক্ষণাবেক্ষণ (মেনটেন্যান্স ও রিপেয়ার), হোম ডেলিভারি প্রভৃতি। কম সুদে ঋণদান, ট্যাক্স ক্রেডিট এবং অতিরিক্ত সরকারি ব্যয়ের (যেমন—কম খরচে আবাসন তৈরির বরাত দেওয়া) মাধ্যমে এই শ্রেণীর পাশে সরকার দাঁড়াতে পারে।
তার পরে ভাবতে হবে কৃষিক্ষেত্রের কথা। সৌভাগ্য এই যে, কৃষকরা চাষআবাদ আগের মতোই করতে পারবেন। তাঁরা যথারীতি বীজ বপণ করবেন, জমি নিড়ানি দেবেন, সেচ করবেন, সার ছড়াবেন ও ফসল কাটার কাজ করবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পিএম-কিষান প্রকল্পের সুবিধা সীমিত সংখ্যক কৃষকদের কাছে পৌঁছায়। যে-সমস্ত কৃষকের জমির মালিকানা (অনুপস্থিত মালিক সমেত) আছে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেই। সরকারের তরফে সুবিধা দেওয়া শুরু করতে হবে ঠিক এখান থেকেই। পিএম-কিষান মারফত প্রদেয় টাকার পরিমাণটা দ্বিগুণ করে ১২ হাজার করা উচিত। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে প্রদেয় অর্থের যতটা এখনও বাকি রয়েছে সেটা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়া উচিত। খাজনার বিনিময়ে অন্যের জমি কারা চাষ করেন (টেন্যান্ট ফার্মার্স) তার হিসাব রাজ্য সরকারগুলির কাছে রয়েছে। পিএম-কিষান স্কিমের আওতায় এনে এই পরিবারগুলিরও প্রত্যেকটিকে বছরে ১২ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া উচিত। জমির মালিকানাযুক্ত এবং অপরের জমিনির্ভর কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরই ভাবতে হবে খেতমজুরদের সুরক্ষার বিষয়টি।
কৃষিক্ষেত্রের বাইরেও রয়েছেন অসংখ্য দিনমজুর। শ্রমজীবী জনগণের ভিতরে এঁদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। এঁদের প্রত্যেকের নাম নথিভুক্ত করার জন্য দেশের প্রতিটি ব্লকে রেজিস্টার মেনটেন করা কর্তব্য। এর ভিত্তিতে সকলকেই মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারে যে ‘ন্যায়’ প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল এই ধারণাটি তার মধ্যে রয়েছে। এই ভাতা তিন থেকে ছ’মাসের জন্য দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ‘বোঝা’ মনে হলেও দেশকে এটা অবশ্য করে স্বেচ্ছায় বহন করতে হবে।
একটি অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা
স্বভাবতই এগুলির জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই অর্থের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে যদি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি নীচের পদক্ষেপ করতে পারে: (১) অপচয়মূলক ব্যয়গুলিকে নির্দয়ভাবে ছেঁটে দিতে হবে এবং (২) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে সমস্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং সেইসমস্ত দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্পের ব্যয়, যেগুলি থেকে কোটি টাকায় নামমাত্র কর্মসংস্থান হয়। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের যেমন ভূমিকা থাকে, অর্থনৈতিক সুস্থিতি ফেরাতেও তাকে সক্রিয় হতে হবে। এই যে পদক্ষেপ করার কথা বলা হল, এর জন্য ঠিক কত অর্থের প্রয়োজন তার এস্টিমেট এখনও পর্যন্ত নেই। বাজেট অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের মোট ব্যয় হবে ৩০,৪২,২৩০ কোটি টাকা। সব রাজ্য সরকার মিলে এই সময়ে খরচ করবে ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকা। খরচের যে বহর দেখা গেল তাতে করে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আগামী ছ’মাসে ৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচের প্রয়োজন হতে পারে। এটি একটি নৈতিক ও অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা। আমরা অবশ্যই এই অর্থের সংস্থান করে নেব এবং তার সদ্ব্যবহারও করব।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী  
23rd  March, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
বিজেপির হয়েই কি ব্যাট ধরছে কং-সিপিএম?
হারাধন চৌধুরী

বছর তিরিশ আগের কিছু কথা মনে পড়ছে। জ্যোতি বসুর মুখ্যমন্ত্রিত্বের তখন থার্ড টার্ম। সিদ্ধার্থ-জমানার সন্ত্রাসের বাস্তব অনেকটাই অতীত ততদিনে। সিপিএমের সন্ত্রাসটাই তখন হাতেগরম। সাতাত্তরে সিপিএম এবং জ্যোতি বসুর নামে যে মোহ জেগেছিল, অনেক সাচ্চা বামপন্থীদেরও ঘুচে গিয়েছে। সাংবাদিকতায় হাতেখড়ির সেই গোড়ার দিনগুলোতে আমাদের ব্যতিব্যস্ত রাখত সিপিএম পার্টি ক্যাডাররা।  
বিশদ

19th  November, 2020
কংগ্রেস কি দিনে দিনে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে
সন্দীপন বিশ্বাস

 কংগ্রেসের বিগত কয়েক বছরের ব্যর্থতা বারবার নিঃশব্দে বলে গিয়েছে নেতৃত্বে গলদ রয়েছে। আজ বুঝি তাই ভিতর থেকে একটা ভূকম্পনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। নতুন করে পার্টিটাকে বাঁধতে না পারলে মোদির সঙ্গে তার টক্কর দেওয়া সম্ভব নয়।
বিশদ

18th  November, 2020
ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরনোর খেলা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

পরীক্ষায় পাশ নরেন্দ্র মোদি। তবে উতরানোটা মোটেই খুব সহজ ছিল না! একদিকে মহামারীর আতঙ্ক, আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ... প্রশ্ন একটাই, বিজেপির বিকল্প কি খোঁজার সময় এসে গিয়েছে? বিহার বলল, না আসেনি। কারণ, বিকল্প কেউ নেই। আপাতত...। তাই নরেন্দ্র মোদি জনপ্রিয়তার ফাঁকা ময়দানে গোল দিয়েই চলেছেন।   বিশদ

17th  November, 2020
করোনাকালে বায়ুদূষণ এক অশনিসঙ্কেত
অনির্বাণ মিত্র

ইতালির দু’টি অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু হয়। ওই দুই অঞ্চলে দূষণ প্রচণ্ড। একই ধরনের রিপোর্ট আসে চীন থেকেও। যুক্তরাষ্ট্রেও যেখানে বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি, সেখানেই তত বেশি করোনা রোগী মারা যাচ্ছেন।  বিশদ

16th  November, 2020
একনজরে
ফের ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর পক্ষে জোর সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন, কয়েক মাস অন্তর ভোট হওয়ার ফলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। দেশের ...

সংসদ ও বিধানসভায় ফি বছর প্রথম অধিবেশনের শুরুতে সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠের নিয়ম চালু করার পক্ষে দাবি উঠল। যে সে নন, স্বয়ং রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান ...

সংবাদদাতা, কানকি: কানকিতে সকাল থেকে রাস্তার ধারে জড়ো হয়ে যান কয়েক হাজার কৃষক। সেইসঙ্গে পাইকার, গাড়িচালক, ভ্যানচালক মিলে ভিড়ে ভিড়াক্কার। এতটাই সেই ভিড়ের চাপ যে, ...

বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে হবে। লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পুরসভাগুলিতে দ্রুতগতিতে চলছে পরিস্রুত পানীয় জলপ্রকল্পের কাজ। কোথাও ট্রিটমেন্ট ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মলাভে কিছু বিলম্ব হবে। প্রেম ভালোবাসায় সাফল্য লাভ ঘটবে। বিবাহযোগ আছে। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৫- গেরাসিম লেবেদেফের উদ্যোগে কলকাতার মঞ্চে প্রথম অভিনীত হল নাটক
১৮৭৮- কবি যতীন্দ্রমোহন বাগচির জন্ম
১৮৮৮ - কবিপুত্র তথা বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম
১৮৯৫ - বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল তাঁর সমস্ত সম্পত্তি উইল করে নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য তহবিল গঠন করেন।
১৯০৭ - বিশিষ্ট ভারতীয় হিন্দি ভাষার কবি ও লেখক হরিবংশ রাই বচ্চনের জন্ম
১৯১৩- চিত্রশিল্পী চিত্রানিভা চৌধুরির জন্ম
১৯১৪ - ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিস নিয়োগ হয়।
১৯৪০- অভিনেতা ও মার্শাল আর্ট শিল্পী ব্রুস লি’র জন্ম
১৯৫২- সুরকার বাপ্পি লাহিড়ির জন্ম
১৯৮৪- অভিনেতা অসিতবরণের মৃত্যু
১৯৮৬- ভারতীয় ক্রিকেটার সুরেশ রায়নার জন্ম
১৯৯২ - এই দিন থেকে ব্রিটেনের রানী আয়কর দিতে শুরু করেন।
২০০৮- ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী ভি পি সিংয়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০২ টাকা ৭৪.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯৭.১৯ টাকা ১০০.৬২ টাকা
ইউরো ৮৬.৫৩ টাকা ৮৯.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৮৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬১, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী ৪/২৫ দিবা ৭/৪৭। অশ্বিনী নক্ষত্র ৪৫/৫৩ রাত্রি ১২/২৩। সূর্যোদয় ৬/১/৮, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/১৬। অমৃতযোগ  ৬/৪২ মধ্যে পুনঃ ৭/২৬ গতে ৯/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪২ গতে ১১/২৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৫ মধ্যে।  
১১ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, দ্বাদশী দিবা ৮/১৬। অশ্বিনী নক্ষত্র রাত্রি ১/২৮। সূর্যোদয় ৬/৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে ও ৭/৩৯ গতে ৯/৪৬ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৫ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৮ মধ্যে ও ১১/৫৯ গতে ৩/৩৪ মধ্যে ও ৪/২৭ গতে ৬/৪ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৪ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে। 
১১ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেন্দুর পদত্যাগ, কী বললেন ভাই দিব্যেন্দু অধিকারি ?
শুভেন্দু অধিকারির মন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিষয়ে টেলিফোনে তাঁর ভাই তথা তৃণমূলের ...বিশদ

01:58:20 PM

মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ  করলেন শুভেন্দু অধিকারি
পরিবহণমন্ত্রী ও সেচমন্ত্রীর পদ থেকে  ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারি। আজ ...বিশদ

01:33:00 PM

১ম ওডিআই: ভারতকে ৩৭৫  রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

01:24:40 PM

কঙ্গনার পাশেই আদালত, খারিজ বিএমসি-র অভিযোগ
আজ, শুক্রবার কঙ্গনার পক্ষেই রায় দিল বম্বে হাইকোর্ট। স্বস্তি পেলেন ...বিশদ

12:52:13 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ২৮১/৩ (৪২ ওভার)

12:39:45 PM

১ম ওডিআই: অস্ট্রেলিয়া ১৬৯/১(৩০ ওভার)
 ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম একদিনের ম্যাচে ফিঞ্চ ও ওয়ার্নারের জুটিতে দুরন্ত ...বিশদ

11:43:55 AM