Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে। ১৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে একটি আবেদন রাখলেন। এই সবগুলিরই প্রয়োজন ছিল। তবে প্রশ্নও রয়ে যাচ্ছে, এটাই কি যথেষ্ট?
আমি একটি সংখ্যার উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছি: ভারত সরকারের দেওয়া রিপোর্ট অনুসারে কতজন মানুষের কোভিড-১৯ পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ হল। গত ১ মার্চ, রবিবার সংখ্যাটি ছিল ২। এক সপ্তাহ বাদে গত ৮ মার্চ সংখ্যাটি লাফিয়ে হয়ে গেল ৩২। আরও লম্বা লাফ দিয়ে সেই সংখ্যাটাই ১১১-তে পৌঁছে গেল তার মাত্র এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ। ২০ মার্চ এই লেখা যখন তৈরি করছি তখন সংখ্যাটি ২৩৬। করোনা পরীক্ষার পজিটিভ রেজাল্টের বৃদ্ধি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
দ্বিধা কেন?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) তরফে গোড়া থেকে যথেষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, এখনও তা দেওয়া হচ্ছে। তার পুনরাবৃত্তি করেছেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং মহামারী বিশেষজ্ঞদের অনেকেও। এই প্রতিটি হুঁশিয়ারির এক ও একমাত্র বক্তব্য ছিল—‘কঠিন, কষ্টদায়ক ও অপ্রিয়’ পদক্ষেপ করতে না-পারলে সংক্রামিত মানুষের সংখ্যার যে বৃদ্ধিটা হবে তা চিন্তার বাইরে।
প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করাটা আমার কর্তব্য এবং আমি তা করেও যাব। এই ভয়ঙ্কর শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য মানুষকে নৈতিক হাতিয়ার নিয়ে নামতে বলেছেন তিনি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি যে, ক্লেমেন্ট এটলির যেমন উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ ছিল, করোনা ভাইরাসের তো সেটা নেই। আমি স্থির নিশ্চিত যে আগামী কিছুদিনের ভিতরেই প্রধানমন্ত্রী কঠোরতর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবেন।
দেশের সমস্ত নগর ও শহর দুই থেকে চার সপ্তাহের জন্য সাময়িক ‘লকডাউন’ করার পক্ষে আমার সওয়াল রইল। সমান উদ্বেগের অন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল অর্থনীতির উপর কোভিড-এর যে বিরূপ প্রভাব পড়বে সেটা। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য দেশের হালফিল অতি মন্দার পরিস্থিতিকে কোভিডের প্রভাবের সঙ্গে গুলিয়ে দিতে চাইছেন। তবে, তা সত্যি নয়। আগের উপর্যুপরি সাতটি ত্রৈমাসিকেই তো আর্থিক বৃদ্ধির হার ধাক্কা খেয়েছিল। জানুয়ারি-মার্চের যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতেও শ্রীবৃদ্ধির সামান্যতম লক্ষণ নেই। সাধারণ বুদ্ধি বলে যে জানুয়ারি-মার্চ ২০২০ কোয়ার্টারেও (যদি আরও খারাপ অবস্থা না-হয় তবে) পূর্ববর্তী কোয়ার্টগুলির মতোই খারাপ ফল মিলবে।
উদ্যত সঙ্কট
আজ পরিস্থিতি যা দেখছি তাতে এটাই স্বাভাবিক অনুমান যে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য মার খাবে। বড় বড় কারখানাগুলি তাদের শ্রমিকদের কাজের বহর কমিয়ে সপ্তাহে তিন-চার দিনের করে দিয়েছে। ক্যাজুয়াল এবং অস্থায়ী বহু চাকরি ছেঁটে দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় এটা না-হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে কিন্তু হবে। বড় বড় ম্যানুফ্যাকচারারদের তরফে সাপ্লায়ারদের কাছে জিনিসপত্র সরবরাহের যেসব বরাত দেওয়া হয়েছিল সেসবও পরিস্থিতি অনুযায়ী কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপেক্ষাকৃত ছোট উৎপাদকরা নগদ জোগানের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছেন। কাঁচামালের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ঋণদান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যে-অর্থনীতির দ্রুত পতন ঘটছে তার ক্ষেত্রে এগুলি অত্যন্ত স্বাভাবিক পরিণতি। নীতিনির্ধারণে সরকারের ব্যর্থতা এবং অর্থনীতির পতন রোধে সঠিক পদক্ষেপ করতে না-পারার জন্য আমি সরকারকেই দায়ী করেছি। আমার এই সমালোচনা এখনও প্রাসঙ্গিক রয়েছে। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের জন্য সরকারকে দায়ী করা যায় না।
তথাপি, করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করার দায়িত্বটা সরকারেরই। সরকারের প্রথম করণীয় হল চাকরি এবং মজুরি/বেতন অক্ষুণ্ণ রাখা বা তার নিশ্চয়তা দেওয়া। সরকারকে দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে কোন কোন ক্ষেত্রের চাকরি নড়বড়ে হয়ে উঠেছে। এরপর ওই চাকরি ও মজুরি/বেতন যাতে বজায় থাকে সেইমতো পদক্ষেপ সরকারকেই করতে হবে। সরকার যে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সেটা সমস্ত নিবন্ধীকৃত নিয়োগকর্তার উপর প্রযোজ্য হওয়া উচিত। অন্যদিকে, নিয়োগকর্তাদের সুরক্ষার ব্যবস্থাও ভাবতে হবে সরকারকে। আর এই সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব করছাড় (ট্যাক্স ক্রেডিট), বিলম্বিত সুদ গ্রহণ অথবা প্রত্যক্ষ অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে।
এর পরের ধাপে ভাবতে হবে অসংগঠিত ক্ষেত্রকে নিয়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকার সংস্থান হয় নির্মাণ শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্র থেকে। পরিষেবা ক্ষেত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিবহণ, পর্যটন, রক্ষণাবেক্ষণ (মেনটেন্যান্স ও রিপেয়ার), হোম ডেলিভারি প্রভৃতি। কম সুদে ঋণদান, ট্যাক্স ক্রেডিট এবং অতিরিক্ত সরকারি ব্যয়ের (যেমন—কম খরচে আবাসন তৈরির বরাত দেওয়া) মাধ্যমে এই শ্রেণীর পাশে সরকার দাঁড়াতে পারে।
তার পরে ভাবতে হবে কৃষিক্ষেত্রের কথা। সৌভাগ্য এই যে, কৃষকরা চাষআবাদ আগের মতোই করতে পারবেন। তাঁরা যথারীতি বীজ বপণ করবেন, জমি নিড়ানি দেবেন, সেচ করবেন, সার ছড়াবেন ও ফসল কাটার কাজ করবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের পিএম-কিষান প্রকল্পের সুবিধা সীমিত সংখ্যক কৃষকদের কাছে পৌঁছায়। যে-সমস্ত কৃষকের জমির মালিকানা (অনুপস্থিত মালিক সমেত) আছে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেই। সরকারের তরফে সুবিধা দেওয়া শুরু করতে হবে ঠিক এখান থেকেই। পিএম-কিষান মারফত প্রদেয় টাকার পরিমাণটা দ্বিগুণ করে ১২ হাজার করা উচিত। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে প্রদেয় অর্থের যতটা এখনও বাকি রয়েছে সেটা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়া উচিত। খাজনার বিনিময়ে অন্যের জমি কারা চাষ করেন (টেন্যান্ট ফার্মার্স) তার হিসাব রাজ্য সরকারগুলির কাছে রয়েছে। পিএম-কিষান স্কিমের আওতায় এনে এই পরিবারগুলিরও প্রত্যেকটিকে বছরে ১২ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া উচিত। জমির মালিকানাযুক্ত এবং অপরের জমিনির্ভর কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরই ভাবতে হবে খেতমজুরদের সুরক্ষার বিষয়টি।
কৃষিক্ষেত্রের বাইরেও রয়েছেন অসংখ্য দিনমজুর। শ্রমজীবী জনগণের ভিতরে এঁদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। এঁদের প্রত্যেকের নাম নথিভুক্ত করার জন্য দেশের প্রতিটি ব্লকে রেজিস্টার মেনটেন করা কর্তব্য। এর ভিত্তিতে সকলকেই মাসিক ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহারে যে ‘ন্যায়’ প্রকল্পের কথা বলা হয়েছিল এই ধারণাটি তার মধ্যে রয়েছে। এই ভাতা তিন থেকে ছ’মাসের জন্য দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। ‘বোঝা’ মনে হলেও দেশকে এটা অবশ্য করে স্বেচ্ছায় বহন করতে হবে।
একটি অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা
স্বভাবতই এগুলির জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই অর্থের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে যদি কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি নীচের পদক্ষেপ করতে পারে: (১) অপচয়মূলক ব্যয়গুলিকে নির্দয়ভাবে ছেঁটে দিতে হবে এবং (২) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে সমস্ত জাঁকজমকপূর্ণ এবং সেইসমস্ত দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্পের ব্যয়, যেগুলি থেকে কোটি টাকায় নামমাত্র কর্মসংস্থান হয়। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের যেমন ভূমিকা থাকে, অর্থনৈতিক সুস্থিতি ফেরাতেও তাকে সক্রিয় হতে হবে। এই যে পদক্ষেপ করার কথা বলা হল, এর জন্য ঠিক কত অর্থের প্রয়োজন তার এস্টিমেট এখনও পর্যন্ত নেই। বাজেট অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের মোট ব্যয় হবে ৩০,৪২,২৩০ কোটি টাকা। সব রাজ্য সরকার মিলে এই সময়ে খরচ করবে ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকা। খরচের যে বহর দেখা গেল তাতে করে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আগামী ছ’মাসে ৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচের প্রয়োজন হতে পারে। এটি একটি নৈতিক ও অর্থনৈতিক অনুজ্ঞা। আমরা অবশ্যই এই অর্থের সংস্থান করে নেব এবং তার সদ্ব্যবহারও করব।
 লেখক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী  
23rd  March, 2020
আত্মঘাতী খেলা
তন্ময় মল্লিক

লড়াইটা আমরা কি ক্রমশই কঠিন করে ফেলছি। লকডাউন ঘোষণার পর সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই লড়াইকে হাল্কা চালে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। আর সেটা এই মুহূর্তে রুখে দিতে না পারলে সর্বনাশ অনিবার্য। ইতালি, আমেরিকা, স্পেনের রিপ্লে দেখতে হবে ভারতেও। প্রথমদিকে লকডাউন মানার যে মানসিক দৃঢ়তা আমরা দেখাতে পেরেছিলাম, দিন দিন তা শিথিল হচ্ছে।
বিশদ

হাঁটার গল্প
সমৃদ্ধ দত্ত 

অনেকবার আবেদন করেও আধার কার্ড পায়নি রতু লাল। রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত না করা হলে রেশনও পাওয়া যায় না। সুতরাং সে রেশন পায় না। তার খুব দুঃখ ছিল, সরকারের কোনও কাগজ তার কাছে নেই বলে। সেই কষ্ট ঘুচল। অবশেষে করোনা ভাইরাসের দৌলতে এই প্রথম সরকারিভাবে একটি স্বীকৃতি পেল রতু লাল। কোনও কাগজ, সার্টিফিকেট নয়। আরও স্পষ্ট, আরও সোজাসুজি।   বিশদ

03rd  April, 2020
তাল কেটে দিল দিল্লি একাই
হারাধন চৌধুরী

একটি মাত্র শব্দ। করোনা। সারা পৃথিবীর শিরোনাম দখল করেছে। খবরের কাগজের প্রথম পাতা। বিনোদনের পাতা। খেলার পাতা। টেলিভিশনের নিউজ চ্যানেল। সব রকম সোশ্যাল মিডিয়া। এমনকী সরকারি, বেসরকারি বিজ্ঞাপনগুলিও আজ করোনাময়! সকাল থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত আমাদের কুশলাদি বিনিময়ের বিস্তৃত সংস্কৃতিতেও করোনা ভাগ বসিয়েছে পুরোমাত্রায়।  বিশদ

02nd  April, 2020
লকডাউনেই থামবে করোনার অশ্বমেধের ঘোড়া
সন্দীপন বিশ্বাস

 এ এক অন্য পৃথিবী। এই পৃথিবী দেখার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু হঠাৎই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো অতি দ্রুত আমরা মুখোমুখি হলাম এই অন্য পৃথিবীর। যেখানে গাছের পাতা ঝরার মতোই ঝরে পড়ছে মানুষের প্রাণ। বিশদ

01st  April, 2020
ঘরে থাকতে অক্ষম যে ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 রণবীর সিং। বয়স ৩৮ বছর। ডেলিভারি এজেন্টের কাজ করতেন দিল্লিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর হাঁটতে শুরু করেছিলেন তিনি। জাতীয় সড়ক ধরে। যেভাবে হোক গ্রামে পৌঁছতে হবে। গ্রাম মানে মধ্যপ্রদেশের কোথাও একটা... দিল্লি থেকে বহুদূর।
বিশদ

31st  March, 2020
ভীরু এবং আধখেঁচড়া
ব্যবস্থা, তবু স্বাগত
পি চিদম্বরম

গত ১৯ মার্চ, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন যে ২২ মার্চ, রবিবার দেশজুড়ে ‘জনতা কার্ফু’ পালন করা হবে। আমি ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জল মাপছেন, জনতা কার্ফুর শেষে তিনি নানা ধরনের লকডাউন ঘোষণা করবেন। কিন্তু রবিবার কোনও ঘোষণা শোনা গেল না। বিশদ

30th  March, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

29th  March, 2020
এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাইস মিলগুলিতে যাতে স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু হয়, তার জন্য রাজ্য সরকার কয়েকদিন আগে প্রায় ১০ হাজার মাস্ক ও স্যানিটাইজার দেওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি ...

  শ্রীনগর, ৩ এপ্রিল (পিটিআই): করোনা আতঙ্কে দেশজুড়ে লকডাউনের মধ্যেই নিরাপত্তারক্ষীরা জম্মু-কাশ্মীরের হান্দওয়ারা ও সোপোর থেকে লস্কর-ই-তোইবার চার জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুপওয়ারা জেলার হান্দওয়ারার শালপোরা গ্রাম ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যে আর্থিক সঙ্কট চললেও মাসের ১ তারিখের মধ্যে সকলের বেতন হয়েছে। ৩৫ লক্ষ ১০ হাজার ২০০ জনকে দু’মাসের সামাজিক সুরক্ষা পেনশন দেওয়া ...

বিএনএ, বারাকপুর ও বারাসত: এখনও দরিদ্র মানুষের খাদ্যের জোগান দিচ্ছে পুলিস ও প্রশাসন। পাশাপাশি পথ কুকুরদেরও খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লকডাউনের মধ্যে এই ছবিটা উত্তর ২৪ পরগনার প্রায় সর্বত্রই দেখা গিয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের বিভিন্ন দিক থেকে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। হঠাৎ প্রেমে পড়তে পারেন। কর্মে উন্নতির যোগ রয়েছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১০: শ্রীঅরবিন্দ পণ্ডিচেরি পৌঁছালেন
১৯৩৩: ক্রিকেটার বাপু নাদকার্নির জন্ম
১৯৪৯: অভিনেত্রী পারভিন ববির জন্ম
১৯৭১ – বিশিষ্ট আয়ুর্বেদ শাস্ত্র বিশারদ এবং শিক্ষাবিদ তথা সাধনা ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা যোগেশচন্দ্র ঘোষের মৃত্যু।
১৯৭৫: বিল গেটস এবং পল অ্যালেন প্রতিষ্ঠা করলেন মাইক্রোসফট
১৯৭৯: ফাঁসি হল পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলি ভুট্টোর
২০০৪: অভিনেতা সুখেন দাসের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.২৪ টাকা ৭৬.৯৬ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫১ টাকা ৯৫.৮২ টাকা
ইউরো ৮১.০৩ টাকা ৮৪.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ চৈত্র ১৪২৬, ৪ এপ্রিল ২০২০, শনিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) একাদশী ৪২/৩১ রাত্রি ১০/৩০। অশ্লেষা ২৯/৫ অপঃ ৫/৮। সূ উ ৫/৩০/১২, অ ৫/৪৯/১২, অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৮ গতে ১২/৫৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/৯ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩৭ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে ৩/৫৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/২ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৪৪ মধ্যে পুনঃ ৪/১৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/১৭ মধ্যে পুনঃ ৪/২ গতে উদয়াবধি।
২১ চৈত্র ১৪২৬, ৪ এপ্রিল ২০২০, শনিবার, একাদশী ৩০/৩৮/১৬ সন্ধ্যা ৫/৪৭/৫। অশ্লেষা ১৭/৫৯/৪৯ দিবা ১২/৪৩/৪৩। সূ উ ৫/৩১/৪৭, অ ৫/৪৯/৪২। অমৃতযোগ দিবা ৯/৩৫ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/১০ গতে ১০/২৯ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৩৫ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪/১ মধ্যে ও ৪/১৭/২৭ গতে ৫/৪৯/৪২ মধ্যে।
১০ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
লকডাউন: গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে গ্রেপ্তার ৩৮৭
লকডাউন বিধি অমান্য করায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮৭ জনকে গ্রেপ্তার ...বিশদ

02:31:46 PM

গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ায় নতুন করে আক্রান্ত আরও ৫৮২
গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়ায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৫৮২ ...বিশদ

02:24:02 PM

তামিলনাড়ুতে মৃত্যু আরও এক করোনা রোগীর
তামিলনাড়ুতে মৃত্যু হল আরও এক করোনা রোগীর। ৫১ বছরের মৃত ...বিশদ

02:15:47 PM

সল্টলেকে প্রৌঢ়ার পচাগলা দেহ উদ্ধার 
লকডাউনের মধ্যে সল্টলেকে এক প্রৌঢ়ার পচাগলা দেহ উদ্ধার হল। মৃতার ...বিশদ

02:00:58 PM

মধ্যপ্রদেশে করোনায় মৃত্যু আরও ৩ জনের
মধ্যপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ...বিশদ

01:38:52 PM

করোনা: শিলিগুড়ির মেয়রের ত্রাণ তহবিলে ৫০ হাজার টাকা দান বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের, ক্রিকেটার রিচা ঘোষ দিলেন ২০ হাজার টাকা 

01:23:23 PM