Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে। পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে মানুষকে ঘরবন্দি করতে ‘জনতা কার্ফু’ পালনের ডাক পর্যন্ত দিতে হচ্ছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে। কোনও একটা রোগ নিয়ে স্মরণকালের মধ্যে বিশ্বজোড়া এমন আতঙ্কের কথা মনে করতে পারছেন না ডাক্তারবাবুরাও। যুদ্ধ বাধলে শত্রু পক্ষের বিমানহানা থেকে বাঁচতে ব্ল্যাকআউট, দীর্ঘসময় জুড়ে কার্ফু জারিটাই দস্তুর। শেষবার ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় তা আমরা দেখেছি। কিন্তু, এবারের এই মহা-লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ দুটি দেশ নয়, দুটি সম্প্রদায় নয়, নয় দুই বিবদমান জাতি। উল্টে এক ভয়ানক জৈবযুদ্ধে অবতীর্ণ ভারতসহ বিশ্বের প্রায় দু’শো দেশ। তাই রবিবার দেশের জনগণকে স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি হওয়ার যে আবেদন প্রধানমন্ত্রী করেছেন, তা প্রশংসাযোগ্য। এখনও এদেশে করোনা দ্বিতীয় স্টেজে রয়েছে। অর্থাৎ মূলত বিদেশ থেকে আসা মানুষজনের মধ্যে দিয়েই এটা ছড়াচ্ছে। তবে, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির হার কিন্তু গত কয়েকদিন যাবৎ বাড়ছেই। গত রবিবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল একশোর কিছু বেশি। আর আজ তা ৩০০ ছুঁই ছুঁই! পরিস্থিতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না-যায় তবে বড় বিপদ কিন্তু অপেক্ষা করছে। তাই ভয় না পেয়ে, গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে আপাতত কিছুদিন বাড়িতেই ঘরবন্দি থাকতে হবে। এই কালান্তক ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইতে সভা সমাবেশসহ যে-কোনও ধরনের ভিড় এড়ানোই সবচেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ। রোগ ছড়ানোর চেনটা তাতে ভেঙে যাবে। এ ধরনের ভাইরাস রুখতে এটি ভীষণ জরুরি। তাই‌ প্রত্যেক দেশবাসীর উচিত, প্রধানমন্ত্রীর এই পরামর্শটিকে আন্তরিকভাবে মেনে চলা।
কেন এত ভয়ঙ্কর হয়ে উঠল করোনা? কারণটা খুবই সহজবোধ্য। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও এই গ্রহের এত মানুষ, এত দেশ এভাবে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েননি। কিন্তু গোলাগুলি না ছুটলেও, কামান না দাগা হলেও এবার যুদ্ধের ব্যাপকতা আরও অনেক বিস্তৃত। যুদ্ধটাও নয় নয় করে প্রায় দু’মাস অতিক্রান্ত। চীন ও ইউরোপকে ঘায়েল করে এবং শক্তিশালী আমেরিকাকে পর্যন্ত বেসামাল করে করোনা এবার ১৩০ কোটি মানুষের ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে। দেশ সেই ভয়ঙ্কর যুদ্ধের নির্ণায়ক লড়াইয়ের মুখোমুখি হতেই জাতির উদ্দেশে ভাষণে রবিবার দেশজুড়ে ‘জনতা কার্ফু’ পালনের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৯৭১-এর বাংলাদেশ যুদ্ধের পর শেষ এমন কার্ফু দেখেছিলাম ১৯৯২-তে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঠিক পরে। তবে, সেটা ছিল শুধুই কার্ফু। জনতার ইচ্ছা অনিচ্ছার কোনও দাম ছিল না। এবার প্রধানমন্ত্রী জনতাকে নিজের ইচ্ছায় রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১৪ ঘণ্টা ঘরে থাকতে বলেছেন। খুব প্রয়োজন ছাড়া আগামী কিছুদিন সবাইকে স্বেচ্ছায় ঘরবন্দি থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। বিশেষত ষাটোর্ধ্ব প্রবীণ ব্যক্তিদের। অত্যন্ত বিনীত কণ্ঠে দেশবাসীর কাছ থেকে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি, আশা করেছেন এবারও দেশবাসী তাঁকে নিরাশ করবেন না। আসলে এই যুদ্ধের প্রাথমিক শর্তই হচ্ছে, সঙ্কল্প ও সংযম। কোনওরকম সন্দেহ হলেই নিজেকে সমাজে আলাদা করে ফেলা। যে-কোনও রকম সভা সমাবেশ, জমায়েত এড়িয়ে চলা। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ও মুখে মাস্ক পরা। নিজেকে বাঁচানোর
আর কোনও অস্ত্রই নেই। প্রতিষেধক তো দূর
অস্ত! আর নিজেকে তথা গোটা মানবজাতিকে বাঁচানোর এই লড়াইয়ে যাবতীয় বৈরিতা দূরে সরিয়ে সবাই এখন ঐক্যবদ্ধ।
অথচ গত তিন দশকে অস্ত্রশস্ত্র, যুদ্ধ প্রযুক্তির কম উন্নতি তো হয়নি। পরমাণুযুদ্ধ বাধলে রক্ষা মিলবে কীভাবে সেই হিসেব-নিকেশও হয়েছে বিস্তর। কিন্তু, আকস্মিক এক ভাইরাসের আক্রমণ চীন, আমেরিকা, ইউরোপকেও অসহায় এক পরিস্থিতির মুখোমুখি এনে দাঁড় করিয়েছে। একে ৪৭ নয়, অতি আধুনিক কোনও মেশিনগানও নয়, নয় ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী রাশিয়ার এস ৪০০ সিস্টেম কিংবা আধুনিক এফ ১৬-এর মতো কোনও মারাত্মক বোমারু বিমানও। ফ্রান্সের অবস্থা আবার এতই খারাপ যে বিতর্কিত রাফাল যুদ্ধবিমান তৈরিও বন্ধই হয়ে গিয়েছে। করোনার সঙ্গে লড়াইয়ে সবই আজ অর্থহীন। অস্ত্রশস্ত্র কোনও কাজেই আসছে না। মানবজাতির অস্তিত্বকে অকস্মাৎ চ্যালেঞ্জর মুখে ফেলে দিয়েছে অবতীর্ণ আপাতনিরীহ এক ফ্লু ভাইরাস।
চীন মুলুক থেকে কয়েকমাস আগেই এর উৎপত্তি। ইবোলা, নিপা, সার্স, জিকা, প্লেগ, ক্যান্সার, টিবি পেরিয়ে এখন মানবজাতির সামনে মৃত্যুদূত হয়ে হাজির এই ‘চীনা ভাইরাস’। যদিও এর মারণ ক্ষমতা ৩ থেকে ৫ শতাংশের বেশি নয়। তবে, সংক্রমণ ছড়ানোর বিপজ্জনক প্রবণতা অন্যদের চেয়ে অনেকটাই বেশি। বিশেষ করে ৬০ থেকে ৭০ বছরের প্রবীণদের বিপদ বেশি। করোনা তাই অনায়াসেই প্রাণ নিচ্ছে দুর্বল ফুসফুসের প্রবীণ নাগরিকদের। বছরের শুরুতেই এই যুদ্ধের সূচনা চীন থেকে হলেও এখন তার এপিসেন্টার বিস্তৃত হয়েছে বিস্তীর্ণ ইউরোপে। ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, ব্রিটেনের অবস্থা সঙ্গীন। ইরানেও ক্রমাগত মৃত্যু বাড়ছে। আবার স্বাস্থ্যব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত হলেও ইতালিতে প্রায় মড়ক লেগে গিয়েছে। রোজ কয়েকশো মানুষ মারা যাচ্ছে সেখানে। স্পেনের অবস্থাও ভয়ঙ্কর! ব্রিটেনেও আক্রান্ত হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। সবমিলিয়ে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা দশ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। টনকটা নড়েছে সেই কারণেই। বেশ কিছুদিন ধরেই আশঙ্কা ছিল, আকস্মিক পরমাণু যুদ্ধ বাধলে পৃথিবীটাই অবলীলায় ধ্বংস হয়ে যাবে। কিন্তু, না। এক ভয়ঙ্কর জৈববিষ তথা জীবাণু যে গোকুলে বেড়ে চীনের গবেষণাগার থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে এবং মানবজাতির অস্তিত্বের সামনে এত বড় একটা প্রশ্নচিহ্ন ঝুলিয়ে দেবে, তা দুঃস্বপ্নেও কেউ ভাবেনি।
অথচ, ইঙ্গিত একটা ছিলই। ভবিষ্যৎদ্রষ্টারা নানা হিসেব-নিকেশও করছিলেন। বিগত ১৭২০-তে প্লেগ। ১৮২০-তে কলেরা। ১৯২০-তে স্প্যানিশ ফ্লু। আর তার ঠিক ১০০ বছর পেরিয়ে এই ২০২০-তেই বা বিশ্বব্যাপী এক মহামারী বাকি থাকে কেন? ঠিক তাই হল। বছরের শুরু থেকেই চীনের উহানে শুরু এই মারণ ভাইরাসের তাণ্ডব। গত ২৩ জানুয়ারি কমিউনিস্ট চীন তার বজ্রকঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপে গোটা উহানকে যদি দেশের বাকি অংশ থেকে আলাদ করে না দিত, তাহলে এতদিনে পরিস্থিতি সে-দেশের পক্ষে আরও ভয়ঙ্কর হতো। চীন কিছুটা সামলে নিলেও ইউরোপের অবস্থা কিন্তু ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। ইতালি ও স্পেন দুটি দেশের অবস্থা এক কথায় ভয়ঙ্কর। সেখানে এই রোগটি স্টেজ-৩ ছাড়িয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ শুধু বিদেশিদের কাছ থেকেই তা ছড়াচ্ছে না, গোটা কমিউনিটি বা সম্প্রদায়ই আক্রান্ত হচ্ছে। কিছু বিশেষজ্ঞ আবার বলছেন, এই জৈবযুদ্ধ নাকি আসলে চীন ও আমেরিকার বাণিজ্যিক লড়াইয়ের ফল। ভুললে চলবে না, চীন কিন্তু এখন আর সোশ্যালিস্ট দেশ নয়। আমেরিকার মতোই বেনিয়া। আমেরিকাতেও এই মারণ ভাইরাস ভালোরকমই থাবা বসিয়েছে। শতাধিক মানুষ মারা গিয়েছে সেখানে। আক্রান্তও কয়েক হাজার নরনারী। প্রথমটায় নাকি ট্রাম্প প্রশাসন তেমন আমলই দেয়নি। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হয়। দেরিতে হলেও এখন আক্কেল গুড়ুম হয়ে গিয়েছে বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ক্ষমতাধর দেশটির।
আমাদের দেশের অবস্থা কিন্তু চীন বা ইউরোপের মতো শোচনীয় না-হলেও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কারণ, এখনও পর্যন্ত এদেশে বাইরে থেকে আসা লোকেরাই মূলত আক্রান্ত বা কেরিয়ার হলেও ভারত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কটা সবসময়ই বেশি। তার উপর এখানে ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ মানুষই অত্যন্ত গরিব। তাদের পক্ষে ভিড় এড়িয়ে কয়েক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে দৈনন্দিন কাজকর্ম ও চলাফেরা করা মোটেই সম্ভব নয়। যে-কোনও দিন শিয়ালদহ বা হাওড়া স্টেশন ঘুরলেই দেখা যাবে কাতারে কাতারে মানুষ বাদুড়ঝোলা হয়ে এ-শহর থেকে ও-শহরে যাওয়া-আসা করছে। তাই তাদেরকে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে মারণ করোনার মোকাবিলা করতে বলা একেবারেই অবান্তর প্রস্তাব।
প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কত রকম সরঞ্জাম বেরিয়ে গিয়েছে তার কোনও ইয়ত্তা নেই। অথচ, যেই আমাদের জীবনদীপকে নেভাতে করোনা নামক ভাইরাসটি উদ্যত, সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে কৃত্রিম আকাল। সামান্য মাস্ক আর হাত জীবাণুমুক্ত রাখার স্যানিটাইজার নিয়েও কালোবাজারি ব্যবসা চলছে। অথচ, একমাস আগেও অর্থাৎ ২৪ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতবান মানুষ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ভারত সফরে এসেছিলেন তখনও আমাদের দেশ কিন্তু এত ঐক্যবদ্ধ ছিল না। রাজধানী দিল্লির অভিজাত এলাকাতেই ধর্মের নামে, সম্প্রদায়ের নামে মানুষ একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। রক্তাক্ত হয়েছিল দিল্লির রাজপথ। এমনকী, অফিস ফেরতা ভারতীয় গোয়েন্দা ব্যুরোর তরুণ কর্মী অঙ্কিত শর্মাকেও রেহাই দেয়নি ধর্মোন্মাদ জল্লাদেরা। একের পর এক ছুরির ঘায়ে তাঁকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দিয়ে পথের পাশে নালায় ফেলে দেওয়া হয়েছিল। আর ওই ঘটনার ঠিক একমাস পরে আজকের অবস্থাটা কী রকম? ভেদাভেদের, বিভাজনের, সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে রং বাছাবাছির কোনও সুযোগ নেই কারও কাছে। গত দু’সপ্তাহে এই উপগ্রহের সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রজাতিটির এই উপলব্ধিই হয়েছে যে আমরা সবাই এক। একটা আপাত নিরীহ ভাইরাস ধনী নির্ধন হিন্দু মুসলমান ক্রিশ্চান বৌদ্ধ যাবতীয় আকচা-আকচিকে দূরে সরিয়ে গোটা মানবজাতিকে এক সুতোয় গেঁথে দিয়েছে। যুদ্ধ, বিশেষত বিশ্বযুদ্ধ সবাইকে এক সমতলে এনে দাঁড় করায়। এটাই সবচেয়ে বড় শিক্ষা। করোনা ভাইরাসও এই ২০২০-তে কম্পিউটার ও প্রযুক্তি-ওস্তাদ মানবজাতিকে এক পংক্তিতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এ বড় কম শিক্ষা নয়।
যে ধর্মস্থান নিয়ে আমরা ক্রমাগত আস্ফালন করি, আজ সেগুলি সবই বন্ধ। মক্কা মদিনা শুনশান! ভ্যাটিকানে ভক্ত বাড়ন্ত। বেলুড় দক্ষিণেশ্বর তারাপীঠেও ভক্তের সমাগম প্রায় নেই। অতন্দ্রপ্রহরীর মতো জেগে আছে শুধু হাসপাতালগুলি। ঘুমিয়ে পড়েছে ধর্ম, জেগে আছে শুধু হাসপাতাল আর বিজ্ঞান। মনুষ্যত্বের জয় হোক। ভাইরাসকে হারিয়ে মানবজাতির জয় ঘোষিত হোক। এই প্রত্যয় নিয়েই শুধু একটি কথা বলে যাই, গুজবে কান দেবেন
না, গুজব ছড়াবেন না, এই কঠিন মুহূর্তে আমরা সকলেই যেন দায়িত্বশীল নাগরিকের মতোই আচরণে অভ্যস্ত হয়ে উঠি।
22nd  March, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
নবম শিখ গুরু তেগবাহাদুরের ৪০০তম জন্মবার্ষিকী ধুমধাম সহকারে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি। এগুলির সফল রূপায়ণের জন্য জাতীয় স্তরে ...

দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়ের উপর দিয়ে প্রতিদিন সরকারি, বেসরকারি শয়ে শয়ে বাস যাতায়াত করে। পুরুলিয়া থেকে কলকাতা যাওয়া বা দীঘা থেকে দুর্গাপুর আসা, ওই সড়কে এসবিএসটিসির ...

রবিবার রাতে গাজোলে এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন বন্ধুর। পুজোর ভোগ খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা।  শাহাজাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  জামতলা রাইস মিলের কাছে  ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ...

মানুষের তৈরি করা রাজনৈতিক সীমান্ত কী, জানে না পাখিরা। তাই শীতের শুরুতেই দুই বাংলা থেকে পরিযায়ী পাখিরা ভিড় জমিয়েছে সুন্দরবনের পাখিরালয় জঙ্গলে। হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের শেষ সীমান্ত কালীতলা পঞ্চায়েতের পাখিরালয় গ্রাম। এই সীমান্তে ভারতের শেষ জঙ্গল ঝিঙেখালি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইস্ট বেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারাল মুম্বই সিটি 

09:27:00 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ৩ - ইস্ট বেঙ্গল ০ (৫৭ মিনিট) 

08:55:26 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (হাফ টাইম)

08:29:47 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (২০ মিনিট)

07:59:09 PM

যত এজেন্সি, ফোর্স আছে নিয়ে আসুন, তাও আমাদের সঙ্গে লড়তে পারবেন না: মমতা

04:16:11 PM

আগামী দিনে মানুষ ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেবে: মমতা

04:13:33 PM