Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লড়াই
তন্ময় মল্লিক

করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে। করোনার তাণ্ডবলীলায় উন্নত দেশগুলির বেসামাল অবস্থা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনাকে সামাল দিতে সম্পদশালী ও চিকিৎসা পরিকাঠামোর শীর্ষে থাকা দেশগুলিরই ল্যাজেগোবরে অবস্থা। তা দেখে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রগুলি প্রবল চাপের মুখে। ভারতের এই সঙ্কট আরও গভীর। কারণ দেশের জনসংখ্যা ১৩০কোটি। এই বিপুল জনসংখ্যাকে করোনার বিষাক্ত ছোবল থেকে রক্ষা করাই আজ সব চেয়ে বড় এবং কঠিনতম চ্যালেঞ্জ। প্রতিষেধকহীন এই মারাত্মক ভাইরাস মোকাবিলার একটাই অস্ত্র, আত্মরক্ষা। সকলকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে সেই আপ্তবাক্যটি, ‘প্রিভেনশন ইস বেটার দ্যান কিওর।’
চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বে এগিয়ে থাকা এবং অত্যন্ত কম জনসংখ্যার দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইতালি, আমেরিকা, জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইংল্যান্ড করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় নাকানিচোবানি খেয়েছে। তার অন্যতম প্রধান কারণ করোনাকে ছোট করে দেখা এবং অবশ্যই তাদের জীবনযাত্রা। হু হু করে বেড়েছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ওই সমস্ত দেশ এই মুহূর্তে করোনা আক্রমণের স্টেজ থ্রি ও ফোর দশায় অবস্থান করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুললে জাপান, আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলিকে এই খেসারত হয়তো দিতে হতো না।
ভারতে এই আক্রমণ কিছুটা পরে শুরু হওয়ায় আমাদের সামনে একটা সুযোগ রয়েছে। প্রতিরোধ গড়ে তোলার সুযোগ। এই মুহূর্তে ভারতে করোনা স্টেজ টু পর্বে রয়েছে। এখনও ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ শুরু হয়নি। এখনও পর্যন্ত যাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই সুনির্দিষ্ট ইতিহাস রয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা হয় বিদেশে আক্রান্ত হয়ে এদেশে এসেছেন অথবা আক্রান্তদের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন। কিন্তু, তৃতীয় স্টেজটাই ভয়ঙ্কর। মানুষ নিজের অজান্তেই এই ভাইরাসের শিকার হবেন এবং অন্যকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেবেন। তাই সতর্ক না হলে দেশজুড়ে নেমে আসবে ভয়াবহ বিপর্যয়।
এমনই এক সঙ্কটের মুখে গোটা দেশকে করোনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে দল, মত, ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে এই সঙ্কট মোকাবিলায় শামিল হতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আগামী ২২ মার্চ, রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রত্যেককে স্বেচ্ছায় ঘরে বন্দি রাখার ডাক দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ডাক আসলে আসন্ন জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলার একটা ‘ট্রায়াল ভার্সান’। মারণ ভাইরাস করোনার বিরুদ্ধে গোটা দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার ডাক। মানুষকে সচেতন করার ডাক। বিপদকে হাল্কা করে না দেখার ডাক।
এ লড়াই এক অন্য ধরনের লড়াই। এতদিন সমস্ত লড়াই আমরা লড়েছি রাস্তায় নেমে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। সলিল চৌধুরীর সুরে সুর মিলিয়ে গেয়েছি, ‘পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে পথচেনা।’ পথে নেমেই আমরা লড়াইয়ের সঙ্গীকে চিনেছি। কিন্তু, এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন লড়াই। বলতে গেলে উলোটপুরাণ। পথকে পরিহার করে নিজেদের গৃহবন্দি করার লড়াই। বিচ্ছিন্ন করে রাখার লড়াই। রাস্তা, সমাজ, ক্লাব, অফিস, কোর্টকাছারি, সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারলেই আসবে কাঙ্খিত জয়। তাই আগামী দু’ তিনটি সপ্তাহ ঩যে কোনও মূল্যে সমস্ত কিছু থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে আটকে রাখতে হবে চার দেওয়ালের মধ্যে।
সুনাগরিক হতে গেলে দরকার সচেতনতা। প্রতিটি বাঙালি, প্রতিটি গুজরাতি, প্রতিটি মারাঠি, প্রতিটি পাঞ্জাবি অর্থাৎ সকলের সামনে আজ সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রমাণ দেওয়ার পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে গেলে আমাদের দিতে হবে সচেতনতার প্রমাণ। অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। যত কষ্টই হোক এই ক’টা দিন ঘরের কাজ নিজেদেরই সামলে নিতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো প্রতিটি পর্বে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। কোনও একটি পর্বকে অস্বীকার করা মানেই বিপদ ডেকে আনা। বিপদ নিজের, বিপদ পরিবারের, বিপদ সমাজের এবং সর্বোপরি দেশের। তাই আমাদের সামনে সুনাগরিক হয়ে ওঠার
যে পরীক্ষা এসেছে, তাতে সকলকে সসম্মানে
উত্তীর্ণ হতেই হবে।
কথায় আছে, কারোও সর্বনাশ তো কারোও পৌষ মাস। সঙ্কটের মুহূর্তে আমজনতার উপর যখন সর্বনাশের ছায়া ক্রমশ গাঢ় হচ্ছে তখনই কালোবাজারির পৌষ মাসের শুরু। একথা বারে বারে প্রমাণিত হয়েছে, মানুষ যখন বিপদে পড়ে কালোবাজারির তখন রমরমা হয়। দেশের এমনই এক সঙ্কটময় মুহূর্তে মুনাফাখোরদের পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় ছেদ পড়েনি। বরং দিন দিন সে করোনার ছোবলের চেয়েও আরও বিষাক্ত, আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। এতদিন কালোবাজারি চলছিল করোনা মোকাবিলায় অতি প্রয়োজনীয় মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড ওয়াশ নিয়ে। স্টেজ থ্রিতে পা রাখার সঙ্কটময় মুহূর্তে যখনই গৃহবন্দি করে রাখার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তখনই ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, আলু, ডাল, তেলের দাম। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অধিক মুনাফা
লাভের ট্র্যাডিশন সঙ্কটময় মুহূর্তেও বিদ্যমান। লড়াই এর বিরুদ্ধেও।
প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের কথা প্রচার হতেই সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গেল ‘লক ডাউনে’র বার্তায়। সব কিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। আতঙ্ক তৈরি করে মানুষকে আরও বেশি করে চাপে ফেলার চেষ্টায় সদাসর্বদা মত্ত একটা শ্রেণী। তবেই না নেওয়া যাবে পরিস্থিতির সুযোগ। সোশ্যাল মিডিয়া যেমন অনেক কিছু ফিরিয়ে দেয়, তেমনই কেড়েও নেয়। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু মানুষ তাঁদের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়কে ফিরে পেয়েছেন, বিপদ সম্পর্কে সতর্ক হয়েছেন। আবার করোনার সঙ্গে মুরগির মাংসের হরিহর আত্মার অলীক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। গুজব সর্বদাই মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। আর সঠিক তথ্য মানুষকে সতর্ক করে, রক্ষা করে। তাই সঙ্কটের মুহূর্তে ভুল তথ্য ফরওয়ার্ড করে অযথা সেনসেশন তৈরির চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে। সম্ভব হলে মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে নিজেকে সুনাগরিক প্রমাণের চেষ্টা করতে হবে।
করোনাকে ঘিরে প্রতিটি মানুষ আজ আতঙ্কিত। তবে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে গড়ে তুলতে হবে প্রতিরোধ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর, সর্দি, কাশি হলেই হাসপাতালে ছোটার কোনও প্রয়োজন নেই। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। হাসপাতালগুলিতে যত ভিড় বাড়বে ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা ততই বেশি। কারণ ভিড়ের মধ্যে সত্যিই কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তা থেকে বাকিদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়ির ম঩ধ্যেই নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখাই শ্রেয়। যাকে চিকিৎসকরা বলছেন, ‘সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন’। দিন পাঁচ
সাত পরেও উপসর্গগুলি বৃদ্ধি পেলে হাসপাতালে যাওয়াই বিবেচকের কাজ হবে।
এই মুহূর্তে হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ মারাত্মক। তাই চিকিৎসার পরিভাষায় যেগুলি ‘কোল্ড কেস’ সেইসব রোগীর এখন হাসপাতাল এড়িয়ে চলাই ভালো। সঙ্কট কাটার পর হাসপাতালে যান। তাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর চাপ যেমন কমবে, তেমনি নিজেও সুরক্ষিত থাকবেন। তা না হলে একটা
রোগ সারাতে গিয়ে পড়তে পারেন করোনার
ছোবলের মুখে।
আমাদের দেশে খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে সমস্ত ধরনের পণ্য পরিবহণের প্রধান মাধ্যম ট্রাক। এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বেশিরভাগ মালপত্র যায় ট্রাকেই। তাই ট্রাকের চালক, খালাসিদের সতর্ক নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষ করে ধাবা ও লাইনের ধারের হোটেলগুলিতে। তাঁদের খাওয়া দাওয়া এবং মেলামেশায় কড়া নজরদারি জরুরি।
যে কোনও সৃষ্টির পিছনে থাকে যন্ত্রণা। একমাত্র কঠিন লড়াই, নিরলস সংগ্রামই পারে সঙ্কটমোচনের রাস্তা দেখাতে। গোটা দেশ, সমগ্র জাতি আজ গভীর সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে। সঙ্কটের গভীর অন্ধকারের আড়ালে রয়েছে রুপোলি আলোর হাতছানি। যে কাজটা উন্নত জাপান, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি করে দেখাতে পারেনি, পারেনি মহাশক্তিধর আমেরিকাও, সেই কাজটাই করে দেখানোর সুযোগ এসেছে ভারতবাসীর সামনে। মাত্র তিনটি সপ্তাহ নিজেদের বিচ্ছিন্ন রেখে তামাম বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে হবে, আমরাই পারি। আমাদের সামনে ফের জগৎসভায় ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের সুযোগ এসেছে। দেশের সুনাগরিক হিসেবে সেই সুযোগ কিছুতেই হাতছাড়া করা চলবে না। সেই লক্ষ্যপূরণের জন্য লড়াই শুরু।
21st  March, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
মোদির তেল রাজনীতি ও
মমতার মানবিক প্যাকেজ
হিমাংশু সিংহ

 ডাক নাম মধু। বেসরকারি বাসের কন্ডাকটর। রোজ চুঁচুড়া থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বাসের পাদানিতে দাঁড়িয়ে লোক নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসাই তাঁর পেশা। গত এপ্রিল-মে মাসে বাস চলেনি বলে মালিকও বেতনের পুরো টাকা দেননি। অনুনয় বিনয়ের পর সামান্য কিছু ঠেকিয়েছেন।
বিশদ

28th  June, 2020
একনজরে
লখনউ ও কানপুর: কানপুর এনকাউন্টারে ৮ পুলিসকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত বিকাশ দুবে এখনও অধরা। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর খোঁজে ২৫টিরও বেশি দল গড়ল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। পাশাপাশি, ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যত দিন গড়াচ্ছে অশোকনগর শহরে ততই দাপট বাড়াচ্ছে করোনা। শুক্রবার রাতে করোনা-আক্রান্ত এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে আরও ৬ জন ...

সংবাদদাতা, কান্দি: শনিবার সকালে ফরাক্কা-হলদিয়া বাদশাহী সড়কের বড়ঞা থানার করালীতলার কাছে একটি কুকুরকে বাঁচাতে গিয়ে বাইক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক ব্যক্তি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা ‘প্রফেশনাল আয়ুর্বেদাচার্য’ বা বিএএমএস পরীক্ষা ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করল কলকাতা হাইকোর্ট।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক কারণে কর্মে বাধা দেখা দেবে। সন্তানরা আপনার কথা মেনে না চলায় মন ভারাক্রান্ত হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৪: অভিনেতা দীপঙ্কর দের জন্ম
১৯৪৬: রাজনীতিক রামবিলাস পাসোয়ানের জন্ম
২০০৫: ক্রিকেটার বালু গুপ্তের মূত্যু
২০০৭: অভিনেতা শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২০/৪২ দিবা ১/১৭। জ্যেষ্ঠা ৪৭/৫০ রাত্রি ১২/৮। সূর্যোদয় ৫/০/৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/২২। অমৃতযোগ দিবা ১২/২৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৪ গতে ২/৫২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩/৩৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২০ গতে ১১/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে। 
১৮ আষাঢ় ১৪২৭, ৩ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী দিবা ১২/৫০। জ্যেষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ১২/২৭। সূযোদয় ৫/০, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/২ গতে ১০/২২ মধ্যে। 
১১ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়াল 
মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দু’লক্ষ ছাড়িয়ে গেল। শনিবার রাতে ...বিশদ

04-07-2020 - 09:57:35 PM

বেলভেড়িয়া রোডে বহুতলে আগুন, অকুস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন 

04-07-2020 - 09:25:00 PM

গুলিবিদ্ধ উত্তর বারাকপুরের কাউন্সিলার 
উত্তর বারাকপুরের তৃণমূল কাউন্সিলারকে গুলি করে খুনের চেষ্টা। গুলিবিদ্ধ কাউন্সিলার ...বিশদ

04-07-2020 - 09:23:35 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৮৩৯ জন, মোট আক্রান্ত ১১,৯৬৬ 

04-07-2020 - 08:58:07 PM

করোনা: একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
রাজ্যে একদিনে রেকর্ড সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪৩ জনের শরীরে ...বিশদ

04-07-2020 - 08:06:31 PM

দিল্লিতে করোনা পজিটিভ আরও ২,৫০৫ জন, মোট আক্রান্ত ৯৭,২০০ 

04-07-2020 - 07:25:52 PM