Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লড়াই
তন্ময় মল্লিক

করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে। করোনার তাণ্ডবলীলায় উন্নত দেশগুলির বেসামাল অবস্থা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনাকে সামাল দিতে সম্পদশালী ও চিকিৎসা পরিকাঠামোর শীর্ষে থাকা দেশগুলিরই ল্যাজেগোবরে অবস্থা। তা দেখে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রগুলি প্রবল চাপের মুখে। ভারতের এই সঙ্কট আরও গভীর। কারণ দেশের জনসংখ্যা ১৩০কোটি। এই বিপুল জনসংখ্যাকে করোনার বিষাক্ত ছোবল থেকে রক্ষা করাই আজ সব চেয়ে বড় এবং কঠিনতম চ্যালেঞ্জ। প্রতিষেধকহীন এই মারাত্মক ভাইরাস মোকাবিলার একটাই অস্ত্র, আত্মরক্ষা। সকলকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে সেই আপ্তবাক্যটি, ‘প্রিভেনশন ইস বেটার দ্যান কিওর।’
চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বে এগিয়ে থাকা এবং অত্যন্ত কম জনসংখ্যার দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইতালি, আমেরিকা, জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইংল্যান্ড করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় নাকানিচোবানি খেয়েছে। তার অন্যতম প্রধান কারণ করোনাকে ছোট করে দেখা এবং অবশ্যই তাদের জীবনযাত্রা। হু হু করে বেড়েছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ওই সমস্ত দেশ এই মুহূর্তে করোনা আক্রমণের স্টেজ থ্রি ও ফোর দশায় অবস্থান করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুললে জাপান, আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলিকে এই খেসারত হয়তো দিতে হতো না।
ভারতে এই আক্রমণ কিছুটা পরে শুরু হওয়ায় আমাদের সামনে একটা সুযোগ রয়েছে। প্রতিরোধ গড়ে তোলার সুযোগ। এই মুহূর্তে ভারতে করোনা স্টেজ টু পর্বে রয়েছে। এখনও ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ শুরু হয়নি। এখনও পর্যন্ত যাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই সুনির্দিষ্ট ইতিহাস রয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা হয় বিদেশে আক্রান্ত হয়ে এদেশে এসেছেন অথবা আক্রান্তদের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন। কিন্তু, তৃতীয় স্টেজটাই ভয়ঙ্কর। মানুষ নিজের অজান্তেই এই ভাইরাসের শিকার হবেন এবং অন্যকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেবেন। তাই সতর্ক না হলে দেশজুড়ে নেমে আসবে ভয়াবহ বিপর্যয়।
এমনই এক সঙ্কটের মুখে গোটা দেশকে করোনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে দল, মত, ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে এই সঙ্কট মোকাবিলায় শামিল হতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আগামী ২২ মার্চ, রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রত্যেককে স্বেচ্ছায় ঘরে বন্দি রাখার ডাক দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ডাক আসলে আসন্ন জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলার একটা ‘ট্রায়াল ভার্সান’। মারণ ভাইরাস করোনার বিরুদ্ধে গোটা দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার ডাক। মানুষকে সচেতন করার ডাক। বিপদকে হাল্কা করে না দেখার ডাক।
এ লড়াই এক অন্য ধরনের লড়াই। এতদিন সমস্ত লড়াই আমরা লড়েছি রাস্তায় নেমে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। সলিল চৌধুরীর সুরে সুর মিলিয়ে গেয়েছি, ‘পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে পথচেনা।’ পথে নেমেই আমরা লড়াইয়ের সঙ্গীকে চিনেছি। কিন্তু, এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন লড়াই। বলতে গেলে উলোটপুরাণ। পথকে পরিহার করে নিজেদের গৃহবন্দি করার লড়াই। বিচ্ছিন্ন করে রাখার লড়াই। রাস্তা, সমাজ, ক্লাব, অফিস, কোর্টকাছারি, সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারলেই আসবে কাঙ্খিত জয়। তাই আগামী দু’ তিনটি সপ্তাহ ঩যে কোনও মূল্যে সমস্ত কিছু থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে আটকে রাখতে হবে চার দেওয়ালের মধ্যে।
সুনাগরিক হতে গেলে দরকার সচেতনতা। প্রতিটি বাঙালি, প্রতিটি গুজরাতি, প্রতিটি মারাঠি, প্রতিটি পাঞ্জাবি অর্থাৎ সকলের সামনে আজ সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রমাণ দেওয়ার পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে গেলে আমাদের দিতে হবে সচেতনতার প্রমাণ। অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। যত কষ্টই হোক এই ক’টা দিন ঘরের কাজ নিজেদেরই সামলে নিতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো প্রতিটি পর্বে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। কোনও একটি পর্বকে অস্বীকার করা মানেই বিপদ ডেকে আনা। বিপদ নিজের, বিপদ পরিবারের, বিপদ সমাজের এবং সর্বোপরি দেশের। তাই আমাদের সামনে সুনাগরিক হয়ে ওঠার
যে পরীক্ষা এসেছে, তাতে সকলকে সসম্মানে
উত্তীর্ণ হতেই হবে।
কথায় আছে, কারোও সর্বনাশ তো কারোও পৌষ মাস। সঙ্কটের মুহূর্তে আমজনতার উপর যখন সর্বনাশের ছায়া ক্রমশ গাঢ় হচ্ছে তখনই কালোবাজারির পৌষ মাসের শুরু। একথা বারে বারে প্রমাণিত হয়েছে, মানুষ যখন বিপদে পড়ে কালোবাজারির তখন রমরমা হয়। দেশের এমনই এক সঙ্কটময় মুহূর্তে মুনাফাখোরদের পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় ছেদ পড়েনি। বরং দিন দিন সে করোনার ছোবলের চেয়েও আরও বিষাক্ত, আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। এতদিন কালোবাজারি চলছিল করোনা মোকাবিলায় অতি প্রয়োজনীয় মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড ওয়াশ নিয়ে। স্টেজ থ্রিতে পা রাখার সঙ্কটময় মুহূর্তে যখনই গৃহবন্দি করে রাখার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তখনই ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, আলু, ডাল, তেলের দাম। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অধিক মুনাফা
লাভের ট্র্যাডিশন সঙ্কটময় মুহূর্তেও বিদ্যমান। লড়াই এর বিরুদ্ধেও।
প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের কথা প্রচার হতেই সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গেল ‘লক ডাউনে’র বার্তায়। সব কিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। আতঙ্ক তৈরি করে মানুষকে আরও বেশি করে চাপে ফেলার চেষ্টায় সদাসর্বদা মত্ত একটা শ্রেণী। তবেই না নেওয়া যাবে পরিস্থিতির সুযোগ। সোশ্যাল মিডিয়া যেমন অনেক কিছু ফিরিয়ে দেয়, তেমনই কেড়েও নেয়। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু মানুষ তাঁদের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়কে ফিরে পেয়েছেন, বিপদ সম্পর্কে সতর্ক হয়েছেন। আবার করোনার সঙ্গে মুরগির মাংসের হরিহর আত্মার অলীক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। গুজব সর্বদাই মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। আর সঠিক তথ্য মানুষকে সতর্ক করে, রক্ষা করে। তাই সঙ্কটের মুহূর্তে ভুল তথ্য ফরওয়ার্ড করে অযথা সেনসেশন তৈরির চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে। সম্ভব হলে মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে নিজেকে সুনাগরিক প্রমাণের চেষ্টা করতে হবে।
করোনাকে ঘিরে প্রতিটি মানুষ আজ আতঙ্কিত। তবে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে গড়ে তুলতে হবে প্রতিরোধ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর, সর্দি, কাশি হলেই হাসপাতালে ছোটার কোনও প্রয়োজন নেই। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। হাসপাতালগুলিতে যত ভিড় বাড়বে ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা ততই বেশি। কারণ ভিড়ের মধ্যে সত্যিই কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তা থেকে বাকিদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়ির ম঩ধ্যেই নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখাই শ্রেয়। যাকে চিকিৎসকরা বলছেন, ‘সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন’। দিন পাঁচ
সাত পরেও উপসর্গগুলি বৃদ্ধি পেলে হাসপাতালে যাওয়াই বিবেচকের কাজ হবে।
এই মুহূর্তে হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ মারাত্মক। তাই চিকিৎসার পরিভাষায় যেগুলি ‘কোল্ড কেস’ সেইসব রোগীর এখন হাসপাতাল এড়িয়ে চলাই ভালো। সঙ্কট কাটার পর হাসপাতালে যান। তাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর চাপ যেমন কমবে, তেমনি নিজেও সুরক্ষিত থাকবেন। তা না হলে একটা
রোগ সারাতে গিয়ে পড়তে পারেন করোনার
ছোবলের মুখে।
আমাদের দেশে খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে সমস্ত ধরনের পণ্য পরিবহণের প্রধান মাধ্যম ট্রাক। এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বেশিরভাগ মালপত্র যায় ট্রাকেই। তাই ট্রাকের চালক, খালাসিদের সতর্ক নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষ করে ধাবা ও লাইনের ধারের হোটেলগুলিতে। তাঁদের খাওয়া দাওয়া এবং মেলামেশায় কড়া নজরদারি জরুরি।
যে কোনও সৃষ্টির পিছনে থাকে যন্ত্রণা। একমাত্র কঠিন লড়াই, নিরলস সংগ্রামই পারে সঙ্কটমোচনের রাস্তা দেখাতে। গোটা দেশ, সমগ্র জাতি আজ গভীর সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে। সঙ্কটের গভীর অন্ধকারের আড়ালে রয়েছে রুপোলি আলোর হাতছানি। যে কাজটা উন্নত জাপান, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি করে দেখাতে পারেনি, পারেনি মহাশক্তিধর আমেরিকাও, সেই কাজটাই করে দেখানোর সুযোগ এসেছে ভারতবাসীর সামনে। মাত্র তিনটি সপ্তাহ নিজেদের বিচ্ছিন্ন রেখে তামাম বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে হবে, আমরাই পারি। আমাদের সামনে ফের জগৎসভায় ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের সুযোগ এসেছে। দেশের সুনাগরিক হিসেবে সেই সুযোগ কিছুতেই হাতছাড়া করা চলবে না। সেই লক্ষ্যপূরণের জন্য লড়াই শুরু।
21st  March, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্র সহ পাঁচ রাজ্য থেকে ২০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ফিরল ১৬টি স্পেশাল ট্রেন। এর মধ্যে ন’টি ট্রেনে চেপে ১০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ফিরলেন মহারাষ্ট্র ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে যখন গোটা রাজ্য আতঙ্কিত, তখন ‘মড়ার উপর খাড়ার ঘা’য়ের মতো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে দিয়ে গিয়েছে সুপার সাইক্লোন উম-পুন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ধর্মীয় স্থানে ঢুকতে গেলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক: মমতা 

04:32:48 PM

ধর্মীয় স্থানগুলিতে জমায়েত করা যাবে না: মমতা 

04:31:36 PM

রাজ্যে ১ জুন থেকে খুলবে ধর্মীয় স্থানগুলি, তবে ১০ জনের বেশি একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন না: মমতা 

04:30:40 PM

 ৮ জুন থেকে রাজ্যের সব সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার দপ্তর খুলবে: মমতা

04:29:00 PM

 ধর্মীয় স্থানগুলিতে কোনও অনুষ্ঠান করা যাবে না: মমতা

04:28:12 PM

বাসে দাঁড়িয়ে যাত্রা করবেন না, আসনে বসুন: মমতা 

04:23:59 PM