Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লড়াই
তন্ময় মল্লিক

করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে। করোনার তাণ্ডবলীলায় উন্নত দেশগুলির বেসামাল অবস্থা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনাকে সামাল দিতে সম্পদশালী ও চিকিৎসা পরিকাঠামোর শীর্ষে থাকা দেশগুলিরই ল্যাজেগোবরে অবস্থা। তা দেখে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রগুলি প্রবল চাপের মুখে। ভারতের এই সঙ্কট আরও গভীর। কারণ দেশের জনসংখ্যা ১৩০কোটি। এই বিপুল জনসংখ্যাকে করোনার বিষাক্ত ছোবল থেকে রক্ষা করাই আজ সব চেয়ে বড় এবং কঠিনতম চ্যালেঞ্জ। প্রতিষেধকহীন এই মারাত্মক ভাইরাস মোকাবিলার একটাই অস্ত্র, আত্মরক্ষা। সকলকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে সেই আপ্তবাক্যটি, ‘প্রিভেনশন ইস বেটার দ্যান কিওর।’
চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বে এগিয়ে থাকা এবং অত্যন্ত কম জনসংখ্যার দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইতালি, আমেরিকা, জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইংল্যান্ড করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় নাকানিচোবানি খেয়েছে। তার অন্যতম প্রধান কারণ করোনাকে ছোট করে দেখা এবং অবশ্যই তাদের জীবনযাত্রা। হু হু করে বেড়েছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ওই সমস্ত দেশ এই মুহূর্তে করোনা আক্রমণের স্টেজ থ্রি ও ফোর দশায় অবস্থান করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুললে জাপান, আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলিকে এই খেসারত হয়তো দিতে হতো না।
ভারতে এই আক্রমণ কিছুটা পরে শুরু হওয়ায় আমাদের সামনে একটা সুযোগ রয়েছে। প্রতিরোধ গড়ে তোলার সুযোগ। এই মুহূর্তে ভারতে করোনা স্টেজ টু পর্বে রয়েছে। এখনও ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ শুরু হয়নি। এখনও পর্যন্ত যাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই সুনির্দিষ্ট ইতিহাস রয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা হয় বিদেশে আক্রান্ত হয়ে এদেশে এসেছেন অথবা আক্রান্তদের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন। কিন্তু, তৃতীয় স্টেজটাই ভয়ঙ্কর। মানুষ নিজের অজান্তেই এই ভাইরাসের শিকার হবেন এবং অন্যকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেবেন। তাই সতর্ক না হলে দেশজুড়ে নেমে আসবে ভয়াবহ বিপর্যয়।
এমনই এক সঙ্কটের মুখে গোটা দেশকে করোনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে দল, মত, ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে এই সঙ্কট মোকাবিলায় শামিল হতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আগামী ২২ মার্চ, রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রত্যেককে স্বেচ্ছায় ঘরে বন্দি রাখার ডাক দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ডাক আসলে আসন্ন জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলার একটা ‘ট্রায়াল ভার্সান’। মারণ ভাইরাস করোনার বিরুদ্ধে গোটা দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার ডাক। মানুষকে সচেতন করার ডাক। বিপদকে হাল্কা করে না দেখার ডাক।
এ লড়াই এক অন্য ধরনের লড়াই। এতদিন সমস্ত লড়াই আমরা লড়েছি রাস্তায় নেমে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। সলিল চৌধুরীর সুরে সুর মিলিয়ে গেয়েছি, ‘পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে পথচেনা।’ পথে নেমেই আমরা লড়াইয়ের সঙ্গীকে চিনেছি। কিন্তু, এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন লড়াই। বলতে গেলে উলোটপুরাণ। পথকে পরিহার করে নিজেদের গৃহবন্দি করার লড়াই। বিচ্ছিন্ন করে রাখার লড়াই। রাস্তা, সমাজ, ক্লাব, অফিস, কোর্টকাছারি, সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারলেই আসবে কাঙ্খিত জয়। তাই আগামী দু’ তিনটি সপ্তাহ ঩যে কোনও মূল্যে সমস্ত কিছু থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে আটকে রাখতে হবে চার দেওয়ালের মধ্যে।
সুনাগরিক হতে গেলে দরকার সচেতনতা। প্রতিটি বাঙালি, প্রতিটি গুজরাতি, প্রতিটি মারাঠি, প্রতিটি পাঞ্জাবি অর্থাৎ সকলের সামনে আজ সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রমাণ দেওয়ার পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে গেলে আমাদের দিতে হবে সচেতনতার প্রমাণ। অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। যত কষ্টই হোক এই ক’টা দিন ঘরের কাজ নিজেদেরই সামলে নিতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো প্রতিটি পর্বে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। কোনও একটি পর্বকে অস্বীকার করা মানেই বিপদ ডেকে আনা। বিপদ নিজের, বিপদ পরিবারের, বিপদ সমাজের এবং সর্বোপরি দেশের। তাই আমাদের সামনে সুনাগরিক হয়ে ওঠার
যে পরীক্ষা এসেছে, তাতে সকলকে সসম্মানে
উত্তীর্ণ হতেই হবে।
কথায় আছে, কারোও সর্বনাশ তো কারোও পৌষ মাস। সঙ্কটের মুহূর্তে আমজনতার উপর যখন সর্বনাশের ছায়া ক্রমশ গাঢ় হচ্ছে তখনই কালোবাজারির পৌষ মাসের শুরু। একথা বারে বারে প্রমাণিত হয়েছে, মানুষ যখন বিপদে পড়ে কালোবাজারির তখন রমরমা হয়। দেশের এমনই এক সঙ্কটময় মুহূর্তে মুনাফাখোরদের পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় ছেদ পড়েনি। বরং দিন দিন সে করোনার ছোবলের চেয়েও আরও বিষাক্ত, আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। এতদিন কালোবাজারি চলছিল করোনা মোকাবিলায় অতি প্রয়োজনীয় মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড ওয়াশ নিয়ে। স্টেজ থ্রিতে পা রাখার সঙ্কটময় মুহূর্তে যখনই গৃহবন্দি করে রাখার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তখনই ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, আলু, ডাল, তেলের দাম। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অধিক মুনাফা
লাভের ট্র্যাডিশন সঙ্কটময় মুহূর্তেও বিদ্যমান। লড়াই এর বিরুদ্ধেও।
প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের কথা প্রচার হতেই সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গেল ‘লক ডাউনে’র বার্তায়। সব কিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। আতঙ্ক তৈরি করে মানুষকে আরও বেশি করে চাপে ফেলার চেষ্টায় সদাসর্বদা মত্ত একটা শ্রেণী। তবেই না নেওয়া যাবে পরিস্থিতির সুযোগ। সোশ্যাল মিডিয়া যেমন অনেক কিছু ফিরিয়ে দেয়, তেমনই কেড়েও নেয়। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু মানুষ তাঁদের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়কে ফিরে পেয়েছেন, বিপদ সম্পর্কে সতর্ক হয়েছেন। আবার করোনার সঙ্গে মুরগির মাংসের হরিহর আত্মার অলীক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। গুজব সর্বদাই মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। আর সঠিক তথ্য মানুষকে সতর্ক করে, রক্ষা করে। তাই সঙ্কটের মুহূর্তে ভুল তথ্য ফরওয়ার্ড করে অযথা সেনসেশন তৈরির চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে। সম্ভব হলে মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে নিজেকে সুনাগরিক প্রমাণের চেষ্টা করতে হবে।
করোনাকে ঘিরে প্রতিটি মানুষ আজ আতঙ্কিত। তবে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে গড়ে তুলতে হবে প্রতিরোধ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর, সর্দি, কাশি হলেই হাসপাতালে ছোটার কোনও প্রয়োজন নেই। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। হাসপাতালগুলিতে যত ভিড় বাড়বে ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা ততই বেশি। কারণ ভিড়ের মধ্যে সত্যিই কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তা থেকে বাকিদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়ির ম঩ধ্যেই নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখাই শ্রেয়। যাকে চিকিৎসকরা বলছেন, ‘সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন’। দিন পাঁচ
সাত পরেও উপসর্গগুলি বৃদ্ধি পেলে হাসপাতালে যাওয়াই বিবেচকের কাজ হবে।
এই মুহূর্তে হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ মারাত্মক। তাই চিকিৎসার পরিভাষায় যেগুলি ‘কোল্ড কেস’ সেইসব রোগীর এখন হাসপাতাল এড়িয়ে চলাই ভালো। সঙ্কট কাটার পর হাসপাতালে যান। তাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর চাপ যেমন কমবে, তেমনি নিজেও সুরক্ষিত থাকবেন। তা না হলে একটা
রোগ সারাতে গিয়ে পড়তে পারেন করোনার
ছোবলের মুখে।
আমাদের দেশে খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে সমস্ত ধরনের পণ্য পরিবহণের প্রধান মাধ্যম ট্রাক। এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বেশিরভাগ মালপত্র যায় ট্রাকেই। তাই ট্রাকের চালক, খালাসিদের সতর্ক নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষ করে ধাবা ও লাইনের ধারের হোটেলগুলিতে। তাঁদের খাওয়া দাওয়া এবং মেলামেশায় কড়া নজরদারি জরুরি।
যে কোনও সৃষ্টির পিছনে থাকে যন্ত্রণা। একমাত্র কঠিন লড়াই, নিরলস সংগ্রামই পারে সঙ্কটমোচনের রাস্তা দেখাতে। গোটা দেশ, সমগ্র জাতি আজ গভীর সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে। সঙ্কটের গভীর অন্ধকারের আড়ালে রয়েছে রুপোলি আলোর হাতছানি। যে কাজটা উন্নত জাপান, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি করে দেখাতে পারেনি, পারেনি মহাশক্তিধর আমেরিকাও, সেই কাজটাই করে দেখানোর সুযোগ এসেছে ভারতবাসীর সামনে। মাত্র তিনটি সপ্তাহ নিজেদের বিচ্ছিন্ন রেখে তামাম বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে হবে, আমরাই পারি। আমাদের সামনে ফের জগৎসভায় ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের সুযোগ এসেছে। দেশের সুনাগরিক হিসেবে সেই সুযোগ কিছুতেই হাতছাড়া করা চলবে না। সেই লক্ষ্যপূরণের জন্য লড়াই শুরু।
21st  March, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
বাইডেন জমানা, ইমরানের অস্বস্তি
মৃণালকান্তি দাস

পাকিস্তান জন্মের পর তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশটির নাম আমেরিকা। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে স্নায়ুযুদ্ধে পাকিস্তানকে পাশে পেতেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ওয়াশিংটন। ভারতকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানকে কেন কাছে টেনেছিল আমেরিকা? 
বিশদ

20th  November, 2020
একনজরে
মানুষের তৈরি করা রাজনৈতিক সীমান্ত কী, জানে না পাখিরা। তাই শীতের শুরুতেই দুই বাংলা থেকে পরিযায়ী পাখিরা ভিড় জমিয়েছে সুন্দরবনের পাখিরালয় জঙ্গলে। হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের শেষ সীমান্ত কালীতলা পঞ্চায়েতের পাখিরালয় গ্রাম। এই সীমান্তে ভারতের শেষ জঙ্গল ঝিঙেখালি। ...

দুর্গাপুর এক্সপ্রেস ওয়ের উপর দিয়ে প্রতিদিন সরকারি, বেসরকারি শয়ে শয়ে বাস যাতায়াত করে। পুরুলিয়া থেকে কলকাতা যাওয়া বা দীঘা থেকে দুর্গাপুর আসা, ওই সড়কে এসবিএসটিসির ...

ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোয় খেলা হলেও বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে আতলেতিকো মাদ্রিদকে এগিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি মরশুমে জার্মান ক্লাবটি অনবদ্য ছন্দে রয়েছে। ...

রবিবার রাতে গাজোলে এক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তিন বন্ধুর। পুজোর ভোগ খেয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা।  শাহাজাদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  জামতলা রাইস মিলের কাছে  ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সমাগমে আনন্দ বৃদ্ধি। চারুকলা শিল্পে উপার্জনের শুভ সূচনা। উচ্চশিক্ষায় সুযোগ। কর্মক্ষেত্রে অযথা হয়রানি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব এইডস দিবস
১৭৬১: মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর জন্ম
১৯৩২:  ঔপন্যাসিক, কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক অদ্রীশ বর্ধনের জন্ম
১৯৪১: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণে চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো
১৯৫৪: সমাজকর্মী মেধা পাটেকরের জন্ম
১৯৬৩: ভারতের ১৬তম রাজ্য হিসাবে ঘোষিত হল নাগাল্যাণ্ড
১৯৬৫: প্রতিষ্ঠিত হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)
১৯৭৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী সুচেতা কৃপালিনীর মৃত্যু
১৯৮০: ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফের জন্ম
১৯৯৭: বিহারের লক্ষ্মণপুর-বাথে অঞ্চলে ৬৩জন নিম্নবর্গীয়কে খুন করল রণবীর সেনা
১৯৯৯: গায়ক শান্তিদেব ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০০ টাকা ৭৪.৭১ টাকা
পাউন্ড ৯৭.০৯ টাকা ১০০.৪৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৫১ টাকা ৮৯.৬৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  November, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৯,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৯,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ২৭/১ অপঃ ৪/৫২। রোহিণী নক্ষত্র ৬/৩১ দিবা ৮/৩১। সূর্যোদয় ৬/৪/২, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৭/২৮ গতে ১১/৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৮/১৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১২ গতে ১১/৫১ মধ্যে পুনঃ ১/৩৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে পুনঃ ৫/৯ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৪ গতে ৮/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৬ মধ্যে। 
১৫ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ৩/৫৭। রোহিণী নক্ষত্র দিবা ৮/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৫, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৭/৪২ গতে ১১/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩২ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১২/১ মধ্যে ও ১/৪৯ গতে ৩/৩৬ মধ্যে ও ৫/২৪ গতে ৬/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ৭/৩২ মধ্যে। বারবেলা ৭/২৬ গতে ৮/৪৬ মধ্যে ও ১২/৪৭ গতে ২/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৭ মধ্যে। 
১৫ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইস্ট বেঙ্গলকে ৩-০ গোলে হারাল মুম্বই সিটি 

09:27:38 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ৩ - ইস্ট বেঙ্গল ০ (৫৭ মিনিট) 

08:55:26 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (হাফ টাইম)

08:29:47 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ১- ইস্ট বেঙ্গল ০ (২০ মিনিট)

07:59:09 PM

যত এজেন্সি, ফোর্স আছে নিয়ে আসুন, তাও আমাদের সঙ্গে লড়তে পারবেন না: মমতা

04:16:11 PM

আগামী দিনে মানুষ ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেবে: মমতা

04:13:33 PM