Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

লড়াই
তন্ময় মল্লিক

করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে। করোনার তাণ্ডবলীলায় উন্নত দেশগুলির বেসামাল অবস্থা। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। করোনাকে সামাল দিতে সম্পদশালী ও চিকিৎসা পরিকাঠামোর শীর্ষে থাকা দেশগুলিরই ল্যাজেগোবরে অবস্থা। তা দেখে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো রাষ্ট্রগুলি প্রবল চাপের মুখে। ভারতের এই সঙ্কট আরও গভীর। কারণ দেশের জনসংখ্যা ১৩০কোটি। এই বিপুল জনসংখ্যাকে করোনার বিষাক্ত ছোবল থেকে রক্ষা করাই আজ সব চেয়ে বড় এবং কঠিনতম চ্যালেঞ্জ। প্রতিষেধকহীন এই মারাত্মক ভাইরাস মোকাবিলার একটাই অস্ত্র, আত্মরক্ষা। সকলকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে সেই আপ্তবাক্যটি, ‘প্রিভেনশন ইস বেটার দ্যান কিওর।’
চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিশ্বে এগিয়ে থাকা এবং অত্যন্ত কম জনসংখ্যার দেশ হওয়া সত্ত্বেও ইতালি, আমেরিকা, জাপান, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইংল্যান্ড করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় নাকানিচোবানি খেয়েছে। তার অন্যতম প্রধান কারণ করোনাকে ছোট করে দেখা এবং অবশ্যই তাদের জীবনযাত্রা। হু হু করে বেড়েছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। ওই সমস্ত দেশ এই মুহূর্তে করোনা আক্রমণের স্টেজ থ্রি ও ফোর দশায় অবস্থান করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুললে জাপান, আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলিকে এই খেসারত হয়তো দিতে হতো না।
ভারতে এই আক্রমণ কিছুটা পরে শুরু হওয়ায় আমাদের সামনে একটা সুযোগ রয়েছে। প্রতিরোধ গড়ে তোলার সুযোগ। এই মুহূর্তে ভারতে করোনা স্টেজ টু পর্বে রয়েছে। এখনও ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ শুরু হয়নি। এখনও পর্যন্ত যাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় আইসোলেশনে রয়েছেন তাঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই সুনির্দিষ্ট ইতিহাস রয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা হয় বিদেশে আক্রান্ত হয়ে এদেশে এসেছেন অথবা আক্রান্তদের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে এসেছেন। কিন্তু, তৃতীয় স্টেজটাই ভয়ঙ্কর। মানুষ নিজের অজান্তেই এই ভাইরাসের শিকার হবেন এবং অন্যকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেবেন। তাই সতর্ক না হলে দেশজুড়ে নেমে আসবে ভয়াবহ বিপর্যয়।
এমনই এক সঙ্কটের মুখে গোটা দেশকে করোনার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে দল, মত, ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে এই সঙ্কট মোকাবিলায় শামিল হতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আগামী ২২ মার্চ, রবিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রত্যেককে স্বেচ্ছায় ঘরে বন্দি রাখার ডাক দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ডাক আসলে আসন্ন জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলার একটা ‘ট্রায়াল ভার্সান’। মারণ ভাইরাস করোনার বিরুদ্ধে গোটা দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার ডাক। মানুষকে সচেতন করার ডাক। বিপদকে হাল্কা করে না দেখার ডাক।
এ লড়াই এক অন্য ধরনের লড়াই। এতদিন সমস্ত লড়াই আমরা লড়েছি রাস্তায় নেমে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। সলিল চৌধুরীর সুরে সুর মিলিয়ে গেয়েছি, ‘পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে পথচেনা।’ পথে নেমেই আমরা লড়াইয়ের সঙ্গীকে চিনেছি। কিন্তু, এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন লড়াই। বলতে গেলে উলোটপুরাণ। পথকে পরিহার করে নিজেদের গৃহবন্দি করার লড়াই। বিচ্ছিন্ন করে রাখার লড়াই। রাস্তা, সমাজ, ক্লাব, অফিস, কোর্টকাছারি, সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারলেই আসবে কাঙ্খিত জয়। তাই আগামী দু’ তিনটি সপ্তাহ ঩যে কোনও মূল্যে সমস্ত কিছু থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে আটকে রাখতে হবে চার দেওয়ালের মধ্যে।
সুনাগরিক হতে গেলে দরকার সচেতনতা। প্রতিটি বাঙালি, প্রতিটি গুজরাতি, প্রতিটি মারাঠি, প্রতিটি পাঞ্জাবি অর্থাৎ সকলের সামনে আজ সুনাগরিক হিসেবে নিজেদের প্রমাণ দেওয়ার পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে গেলে আমাদের দিতে হবে সচেতনতার প্রমাণ। অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া যাবে না। যত কষ্টই হোক এই ক’টা দিন ঘরের কাজ নিজেদেরই সামলে নিতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো প্রতিটি পর্বে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। কোনও একটি পর্বকে অস্বীকার করা মানেই বিপদ ডেকে আনা। বিপদ নিজের, বিপদ পরিবারের, বিপদ সমাজের এবং সর্বোপরি দেশের। তাই আমাদের সামনে সুনাগরিক হয়ে ওঠার
যে পরীক্ষা এসেছে, তাতে সকলকে সসম্মানে
উত্তীর্ণ হতেই হবে।
কথায় আছে, কারোও সর্বনাশ তো কারোও পৌষ মাস। সঙ্কটের মুহূর্তে আমজনতার উপর যখন সর্বনাশের ছায়া ক্রমশ গাঢ় হচ্ছে তখনই কালোবাজারির পৌষ মাসের শুরু। একথা বারে বারে প্রমাণিত হয়েছে, মানুষ যখন বিপদে পড়ে কালোবাজারির তখন রমরমা হয়। দেশের এমনই এক সঙ্কটময় মুহূর্তে মুনাফাখোরদের পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষায় ছেদ পড়েনি। বরং দিন দিন সে করোনার ছোবলের চেয়েও আরও বিষাক্ত, আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। এতদিন কালোবাজারি চলছিল করোনা মোকাবিলায় অতি প্রয়োজনীয় মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড ওয়াশ নিয়ে। স্টেজ থ্রিতে পা রাখার সঙ্কটময় মুহূর্তে যখনই গৃহবন্দি করে রাখার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তখনই ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, আলু, ডাল, তেলের দাম। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অধিক মুনাফা
লাভের ট্র্যাডিশন সঙ্কটময় মুহূর্তেও বিদ্যমান। লড়াই এর বিরুদ্ধেও।
প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের কথা প্রচার হতেই সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে গেল ‘লক ডাউনে’র বার্তায়। সব কিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। আতঙ্ক তৈরি করে মানুষকে আরও বেশি করে চাপে ফেলার চেষ্টায় সদাসর্বদা মত্ত একটা শ্রেণী। তবেই না নেওয়া যাবে পরিস্থিতির সুযোগ। সোশ্যাল মিডিয়া যেমন অনেক কিছু ফিরিয়ে দেয়, তেমনই কেড়েও নেয়। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু মানুষ তাঁদের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়কে ফিরে পেয়েছেন, বিপদ সম্পর্কে সতর্ক হয়েছেন। আবার করোনার সঙ্গে মুরগির মাংসের হরিহর আত্মার অলীক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। গুজব সর্বদাই মানুষকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। আর সঠিক তথ্য মানুষকে সতর্ক করে, রক্ষা করে। তাই সঙ্কটের মুহূর্তে ভুল তথ্য ফরওয়ার্ড করে অযথা সেনসেশন তৈরির চেষ্টা থেকে বিরত থাকতে হবে। সম্ভব হলে মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে নিজেকে সুনাগরিক প্রমাণের চেষ্টা করতে হবে।
করোনাকে ঘিরে প্রতিটি মানুষ আজ আতঙ্কিত। তবে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে গড়ে তুলতে হবে প্রতিরোধ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর, সর্দি, কাশি হলেই হাসপাতালে ছোটার কোনও প্রয়োজন নেই। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। হাসপাতালগুলিতে যত ভিড় বাড়বে ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা ততই বেশি। কারণ ভিড়ের মধ্যে সত্যিই কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তা থেকে বাকিদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তাই এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে বাড়ির ম঩ধ্যেই নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখাই শ্রেয়। যাকে চিকিৎসকরা বলছেন, ‘সেল্ফ কোয়ারেন্টাইন’। দিন পাঁচ
সাত পরেও উপসর্গগুলি বৃদ্ধি পেলে হাসপাতালে যাওয়াই বিবেচকের কাজ হবে।
এই মুহূর্তে হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ মারাত্মক। তাই চিকিৎসার পরিভাষায় যেগুলি ‘কোল্ড কেস’ সেইসব রোগীর এখন হাসপাতাল এড়িয়ে চলাই ভালো। সঙ্কট কাটার পর হাসপাতালে যান। তাতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর চাপ যেমন কমবে, তেমনি নিজেও সুরক্ষিত থাকবেন। তা না হলে একটা
রোগ সারাতে গিয়ে পড়তে পারেন করোনার
ছোবলের মুখে।
আমাদের দেশে খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে সমস্ত ধরনের পণ্য পরিবহণের প্রধান মাধ্যম ট্রাক। এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে বেশিরভাগ মালপত্র যায় ট্রাকেই। তাই ট্রাকের চালক, খালাসিদের সতর্ক নজরদারি প্রয়োজন। বিশেষ করে ধাবা ও লাইনের ধারের হোটেলগুলিতে। তাঁদের খাওয়া দাওয়া এবং মেলামেশায় কড়া নজরদারি জরুরি।
যে কোনও সৃষ্টির পিছনে থাকে যন্ত্রণা। একমাত্র কঠিন লড়াই, নিরলস সংগ্রামই পারে সঙ্কটমোচনের রাস্তা দেখাতে। গোটা দেশ, সমগ্র জাতি আজ গভীর সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে। সঙ্কটের গভীর অন্ধকারের আড়ালে রয়েছে রুপোলি আলোর হাতছানি। যে কাজটা উন্নত জাপান, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি করে দেখাতে পারেনি, পারেনি মহাশক্তিধর আমেরিকাও, সেই কাজটাই করে দেখানোর সুযোগ এসেছে ভারতবাসীর সামনে। মাত্র তিনটি সপ্তাহ নিজেদের বিচ্ছিন্ন রেখে তামাম বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে হবে, আমরাই পারি। আমাদের সামনে ফের জগৎসভায় ভারতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের সুযোগ এসেছে। দেশের সুনাগরিক হিসেবে সেই সুযোগ কিছুতেই হাতছাড়া করা চলবে না। সেই লক্ষ্যপূরণের জন্য লড়াই শুরু।
21st  March, 2020
অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জেলা প্রশাসনের আবেদনের দু’মাস পরেও পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজ দেওয়া নিয়ে কোনওরকম সাড়াই পাওয়া গেল না। স্কিলড লেবার বা দক্ষ শ্রমিকদের একটা বড় অংশই ভিনরাজ্যে কাজের খোঁজে ফিরে গেলেন। ...

জেনিভা: করোনার জেরে স্থগিত হল ২০২০ সালের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ। শুক্রবার ফিফার সভাপতি গিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার করে এবছরের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী পূর্বা দামের জীবনাবসান হল। শনিবার সকাল সাড়ে ছ’টা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।   ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: কালচিনির ডিমা চা বাগানের বিচ লাইন থেকে শনিবার সকালে বনকর্মীরা একটি অজগর উদ্ধার করেন। এদিন সকালে বাগানের জমিতে প্রায় আট ফুট লম্বা অজগরটিকে দেখে শ্রমিকরা বনদপ্তরের নিমাতি রেঞ্জে খবর দেয়।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮: চিত্রপরিচালক মহেশ ভাটের জন্ম
২০০৪: চিত্রপরিচালক সলিল দত্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া ০/২৮ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে চতুর্থী ৫২/২৮ রাত্রি ২/২৮। স্বাতীনক্ষত্র ৪৩/২৯ রাত্রি ১০/৫২। সূর্যোদয় ৫/২৮/১৮, সূর্যাস্ত ৫/৩১/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৫৫ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/১ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
৩ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া দিবা ১০/২। চিত্রানক্ষত্র দিবা ৬/১৫ পরে স্বাতীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৪/২৮ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫১ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
মোসলেম: ২ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা পজিটিভ আরও ৩,১৭৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৭৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:18:20 PM

আইপিএল: দিল্লি ৬ ওভারে ২৩/৩ 

08:08:47 PM

আইপিএল: টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত পাঞ্জাবের 

07:13:06 PM

১২, ১৩ ও ১৪ অক্টোবর রাজ্যে ট্রাক ধর্মঘট 

05:37:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?  
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

04:45:13 PM

উত্তরপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত আরও ৫,৮০৯ জন, মৃত ৯৪ 

04:32:47 PM