Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস। বাঁচব কি না এই আতঙ্ক যখন গ্রাস করে, তখন বাকি সব শূন্য হয়ে যায়, এই সাধারণ উপলব্ধিটা আপাতত কিছুটা হলেও তো আশা করা যায় পাওয়া গিয়েছে? এই যে সারা বছর ধরে অন্য রাজ্যে, অন্য এলাকায়, অন্য শহরের দাঙ্গার খবরকে নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে, ফেক নিউজ জেনেও ফরওয়ার্ড করে, হিন্দু বনাম মুসলিম প্ররোচনামূলক আলোচনা, ঝগড়া, তর্ক করেও নিজেদের বেশ দূরে থেকে নিরাপদ হাসিখুশি জীবনযাপন করার অভ্যাসকে অবশেষে সজোরে একটা ধাক্কা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। এই প্রথম আমাদের ভয় লাগতে শুরু করেছে। যদি আমারও হয়! হ্যাঁ। এটাই নিয়ম। যখন বিপদ দোরগোড়ায় এসেছে তখনই ভয় পাই আমরা। যতক্ষণ দূরে থাকে বিপদ ততক্ষণ ভাবি আমার কী যায় আসে? তাই হাসিঠাট্টা, ইয়ার্কি, নির্বোধ রসিকতা চলে। তাই এবার প্রমাণ হল যে বিপদ যখন কাছে আসে, তখনই শুধু ভয় পাওয়াটা দরকার এমন নয়। উপলব্ধি করা উচিত যে, দূরের ভয় কয়েকদিনের মধ্যেই নিজের ঘরেও ঢুকতে পারে। তাই বিপদ আগামীদিনে অনেক দূরে থাকলেও ভয় পাওয়া অভ্যাস করা দরকার। ওটা ভালো অভ্যাস। যতই দিন যাচ্ছে ততই একটা স্বার্থান্বেষী চক্র আমাদের মধ্যে হিন্দু বনাম মুসলিম নামক হেটগেম ইনস্টল করে দিয়ে নিজেরা সবরকম সুযোগসুবিধা পেয়ে চলেছে। আর আমরা নিজেদের মধ্যেই ঝগড়াঝাঁটি, মারামারি করছি এবং দিনরাত ব্যস্ত আছি ওই একটি বিষয়কেই জীবনের প্রধান ইস্যু ধরে নিয়ে। কেন করছি? কারণ, আমাদের পাড়ায় তো দাঙ্গা হচ্ছে না। দাঙ্গা হচ্ছে দিল্লি অথবা মুজফফরনগর কিংবা বিহারের কোনও প্রান্তিক মফস্‌সলে। অথবা বসিরহাট কিংবা ধূলাগড়ের কোনও পাড়ায় এক্সপেরিমেন্ট চলছে মাঝেমধ্যেই। কিন্তু আমাদের জীবনযাপনে কোনও হেরফের হয়নি। তাই গায়ে আঁচও লাগেনি। মনের সুখে বছরভর হিন্দু-মুসলমান তর্কাতর্কি আর ‘ওদের টাইট দেওয়া দরকার’ মন্ত্রেই নিজেদের ব্যস্ত রেখে চলেছি। তার জেরে আমার যে কী সুবিধা হবে তা জানি না। যে নেতানেত্রীরা ব্যক্তিগতভাবে আমাদের চেনেনই না, তাঁর হয়েই লড়াই করে যাই বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে। যে দলের হয়ে চেনা লোকজনের সঙ্গে সারাদিন ধরে ঝগড়াঝাঁটি করছি, তাদের লোকাল দপ্তরে গেলেও নেতার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে হয়তো ঢুকতেই দেবে না আমাদের। কিন্তু তাও অবোধের মতো এসব করে চলেছি। যে লোকটির সঙ্গে ঝগড়া করছি তিনি তাঁর পছন্দের দলকে ভোট দিয়ে সরকার বা রাষ্ট্র থেকে যেসব সুবিধা অসুবিধা ভোগ করছেন, আমি বিপরীত কোনও দলকে ভোট দিয়েও সেই একই সুবিধা অসুবিধা ভোগ করছি। কেউই এক্সট্রা সুযোগ পাচ্ছি না, আবার কেউই বেশি বঞ্চনা ভোগ করছি না। আমি যে বিশেষ দলকে ভোট দিয়ে একটু কম আয়কর দিচ্ছি তাও নয়। সাংঘাতিক মজার ব্যাপার। লক্ষ্য করেছেন যে, এই কয়েকদিন আর ওইসব হিন্দু খারাপ, মুসলিম খারাপ মার্কা আলোচনা একটু হলেও স্তিমিত হয়েছে।
কারণ কী? কারণ হল, এবার সরাসরি জীবনে আঁচ লাগছে করোনা ভাইরাসের। বাজার বন্ধ হলে খাবো কী? ব্যাঙ্ক বন্ধ হয়ে গেলে টাকা তুলব কীভাবে? এই যে জয়েন্ট এন্ট্রান্স থেকে সিবিএসই পরীক্ষা বন্ধ হয়ে গেল এবার আমার ছেলেমেয়েটার কী হবে? কবে হবে পরীক্ষা? কেরিয়ারটা কি পিছিয়ে গেল এভাবে? এটাই হলাম আমরা। যতক্ষণ না নিজেরা আক্রান্ত হচ্ছি পরিস্থিতির চাপে, ততক্ষণ অনুধাবন করতে পারি না যে, সাধারণ সময়ে কতরকম অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে মাথা ঘামাচ্ছি।
এবার করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে। চীন থেকে ইতালি। আমেরিকা থেকে ইরান। তুরস্ক থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত ঠিক ছিল। এমনকী দিল্লি, তেলেঙ্গানা, মুম্বইয়ে তিনজনের মৃত্যু হল যখন, তখনও আমাদের একাংশের হেলদোল ছিল না। বরং ফাজলামি ছিল। ছড়া লেখা হয়েছে। কার্টুন আঁকা চলেছে। মিম তৈরি হয়েছে। সামাজিক সচেতনতাও লক্ষ্য করা যায়নি। বরং মোটামুটি একটা ক্যালাস, ডোন্ট কেয়ার আচরণ পরিলক্ষিত হয়েছে। কিন্তু যেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর কলকাতা থেকেই পাওয়া গেল তৎক্ষণাৎ কমবেশি একটা আতঙ্ক সকলের মধ্যেই গ্রাস করল। সরকার ও বিশেষজ্ঞরা বলল, সামাজিক ট্র্যান্সমিশনে সংক্রমণ হতে পারে। সবরকম সমাবেশ বন্ধ, খেলা বন্ধ, সিনেমা হল বন্ধ, আগামীদিনে মার্কেটও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভিড় ট্রেন বাসে চলাফেরা করলে সংক্রমণ বাড়তে পারে। মার্কেট থেকে আমরা বাজার করে মজুত করতে শুরু করলাম। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনযাপন ক্রমেই ব্যাহত হয়ে যাচ্ছে। আগামীদিনে আরও কী ভয়ঙ্কর অবস্থা অপেক্ষা করে আছে তাও নিশ্চিত নয়। কমপ্লিট শাটডাউন ও লকডাউন কাকে বলে তা আমরা দেখিনি অদূর অতীতেও। এবার সেই আশঙ্কা এসেছে। তাই আমরা ভয় পাচ্ছি। আতঙ্কিত হচ্ছি। যত দ্রুত সম্ভব এই সঙ্কট কেটে যাক এটাই সকলের কাম্য। গোটা দুনিয়ায় কালান্তক মহামারী এসে উপস্থিত হলে আদৌ কতজন বাঁচবে, কতজন প্রাণ হারাবে তাও অজানা। একবার বিশ্বের আঙিনায় যখন ভাইরাস প্রবেশ করেছে, তখন এত দ্রুত তার করাল ছায়া অন্তর্হিত হবে কি? এই প্রশ্ন গোটা বিশ্বের।
আসুন এটাই আদর্শ সময় ভাবার যে, এই সঙ্কট কেটে যাওয়ার পর নিজেরা আর ম্যানমেড সঙ্কট ডেকে আনব না। ম্যানমেড মহামারী হল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। করোনা ভাইরাসের উপর মানুষের হাত ছিল না। কিন্তু এই সঙ্কটের পরবর্তী সময়ে অযথা আর আগামীদিনে দাঙ্গাকে প্ররোচনা যেন না দিই। অনেক দূরে দিল্লি অথবা রাজস্থান, যেখানেই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সংবাদ আসবে, তৎক্ষণাৎ যেন ভয় পাই আমরা। কারণ আমরা ওই আগুনকে গুজব, জল্পনা, কল্পনা আর রাজনীতির স্বার্থসিদ্ধির বাতাস দিলে একদিন না একদিন আমাদের ঘরের মধ্যে, দোরগোড়ায় আছড়ে পড়বে সেই আগুন। অবিকল এরকমই সঙ্কট নিয়ে আসে দাঙ্গা আর গৃহযুদ্ধ। জীবনের সব স্বাভাবিকতা চলে যায়। এই যে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক আমাদের সকলকে গ্রাস করেছে, ঠিক এই সময়ে সদ্য দাঙ্গাবিধ্বস্ত উত্তর পশ্চিম দিল্লির মহল্লার পর মহল্লায় গেলে দেখা যাচ্ছে অকল্পনীয় দৃশ্য। সামান্য চাল ডাল রাখার পাত্র অবশিষ্ট নেই। বাড়ির একমাত্র রোজগার করা মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাই আয় করার কেউ নেই স্ত্রী আর ছোট ছোট সন্তানদের ঘরে। করোনার মাস্ক কেনা তো দূরে কথা, সামান্য খাবার জোটানোর জন্য বহু মানুষ আজও ত্রাণ শিবির ছাড়ছে না। কারণ খাবার পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু কতদিন পাওয়া যাবে? ঠিক নেই। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিবিরগুলি। সুতরাং মনে রাখতে হবে আমাদের বাংলাও অতীতে দাঙ্গা প্রত্যক্ষ করেছে সবথেকে খারাপ আকারে। তাই, বাকি সব চলুক। সাম্প্রদায়িক উসকানি বন্ধ হোক। একবার দাঙ্গা শুরু হলে করোনা ভাইরাসের মতোই আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা গ্রাস করবে। ইতিহাস সাক্ষী আছে। রোদ্দুর রায়কে নিয়ে মনস্তাস্ত্বিক ও সমাজতাত্ত্বিক আলোচনা এখন আর নেই। রাজ্যসভার ভোটে সিপিএম ও কংগ্রেসের জোটের বিশ্লেষণ নেই, প্রতিদিন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কী কী করা উচিত এবং তাঁরা কী কী ভুল করলেন এই পরামর্শ ফেসবুক বা হোয়াটস অ্যাপে দেওয়া নেই এখন। কারণ, এখন সরাসরি জীবনযাপনেই থ্রেট এসেছে। করোনা বিপুল ক্ষতি করে দিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশের। অর্থনীতির, জীবনযাপনের, শিক্ষায়, স্বাস্থ্যে। কিন্তু এই ধাক্কা থেকেই আমাদের ইতিবাচক একটা উপলব্ধি হওয়া দরকার যে, সারা বছর ধরে আমরা যে অযথা নন-সিরিয়াস অন্তহীন বিষয়গুলি নিয়ে মাতামাতি করি, এবার কিছুটা হলেও সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করব।
করোনা নিয়ে যে সচেতনতা দেখানো শুরু করেছি, সেই প্রবণতা আগামীদিনেও বজায় রাখা দরকার। কেন দরকার? কারণ, পাবলিক ডিসকোর্সে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয় না বেশি। এবার থেকে এই আলোচনায় বেশি বেশি প্রবেশ করা দরকার। আমাদের রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করতে হবে যে, কেন আজ থেকে ২০ বছর আগেও মোট জিডিপির মাত্র ১ শতাংশ দেশের হেলথকেয়ারে বরাদ্দ করা হতো এবং আজও সেই ১ শতাংশই বরাদ্দ করা হয়? একটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সূত্রপাত হল সেই দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য দিয়ে। গরিব শিশুদের স্বাস্থ্যোন্নয়নের সবথেকে বৃহৎ প্রকল্প আইসিডিএস প্রকল্পের বরাদ্দ বেশি হয় না বাজেটে? কেন আইসিডিএস এবং মিড ডে মিলকে ধীরে ধীরে বেসরকারি হাতে, কর্পোরেট এনজিওর হাতে ক্রমেই দেওয়া হচ্ছে? দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবায় সরকার খুব চিন্তিত এটা বোঝাতে সবথেকে বেশি যে প্রকল্প বারংবার ঘোষণা করা হয় হেলথকেয়ারে, সেটি হল স্বাস্থ্যবিমা। ইউপিএ আমলের আম আদমি স্বাস্থ্য বিমা অথবা মোদি সরকারের আমলে আয়ুষ্মান ভারত বিমা যোজনা। অথবা কৃষকদের ফসল বিমা। ক্রমেই রাষ্ট্রের জনকল্যাণ প্রকল্পগুলির সঙ্গে প্রাইভেট বিমা সংস্থাগুলির সংযুক্তি হচ্ছে কেন? রাষ্ট্র ধীরে ধীরে বিমা উন্নয়ন মডেলে চলে যাচ্ছে কেন? এই একের পর এক বিমা প্রকল্পে ৮২ শতাংশ বিলো পভার্টি লা‌঩ইনের দেশে গরিবদের জন্য হরেকরকম বিমা প্রকল্পে প্রিমিয়ামের টাকা থেকে কাদের লাভ হচ্ছে সবথেকে বেশি? এইসব স্বাস্থ্যবিমা অথবা কৃষিবিমায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং ক্লেইম পাওয়ার গোপন শর্তাবলি কী? করোনার কারণে স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ যখন একবার এসেছে সমাজে, তখন আগামীদিনে এসব নিয়েও একটু আলোচনা করা হোক। ন্যাশনাল নিউট্রিশন মনিটরিং ব্যুরো কয়েক বছর আগে সমীক্ষায় বলেছে, ভারতের ৪ থেকে ৬ বছর বয়সি শিশুদের মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ পায়, মাত্র ৩৫ শতাংশ শিশু আয়রন পায়, ৩৩ শতাংশ পায় ক্যালসিয়াম। অর্থাৎ বাকি বিপুল অংশের শিশুরা এসব পায় না। আর প্রবল অপুষ্টি তাই বেড়ে চলে দেশে। কেন পাঁচ বছরের কম বয়সি ভারতের ৪৩ শতাংশ শিশুই অপুষ্ট? সাপ্লিমেন্টারি ফুড প্রোগ্রামের টাকা কোথায় যাচ্ছে? 
20th  March, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চাই
দেশজুড়ে নানা ধরনের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ
হারাধন চৌধুরী

 প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আগামী দিনে পৃথিবী চিহ্নিত হবে ‘করোনা-পূর্ব’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ হিসেবে। দেশের প্রেক্ষাপটে তিনি যেটা বলেননি তা হল ‘করোনা-মধ্যবর্তী ভারত’। দেশবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতটা রয়ে যাবে, সেটাই চিহ্নিত হবে ওই নামে।
বিশদ

14th  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভারই মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হয়ে যাচ্ছে। করোনা-পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন হয়নি। তাই অন্যান্য জায়গার মতো পুরসভায় দু’জনের একটি করে কমিটি করে নতুন চেয়ারপার্সন নিয়োগ করা হবে। প্রত্যেক পুরসভাতেই এই মর্মে যুগ্ম সচিবের চিঠি চলে এসেছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনের দানবীয় তাণ্ডবে বসিরহাট মহকুমায় নদীবাঁধ ভেঙে নোনা জলে প্লাবিত হয়েছে কয়েক হাজার একর চাষযোগ্য জমি। ওইসব জমিতে ফের কবে চাষ শুরু করা যাবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম উবেছে বিভিন্ন ব্লকের ভুক্তভোগী কৃষকদের।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২৪ মে: স্যানিটাইজার, মাস্ক এবং গ্লাভসের কালোবাজারি হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়ে রাজ্যগুলিকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিল কেন্দ্র। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে এন -৯৫ মাস্ককে চিহ্নিত করার পরেও বেশ কিছু জায়গায় অত্যধিক দামে তা বিক্রি হচ্ছে বলেই অভিযোগ।  ...

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ২৪ মে (পিটিআই): সুপার সাইক্লোন উম-পুনে ভারত এবং বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর দুঃখপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেইরেস।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রণয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে। কারও কথায় মর্মাহত হতে হবে। ব্যবসায় শুরু করা যেতে পারে। কর্মে সুনাম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: চণ্ডীগড়ে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৯ জন, মোট আক্রান্ত ২৬৫ 

10:15:31 AM

করোনা: রাজস্থানে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৭২ জন, মোট আক্রান্ত ৭১০০ 

10:12:50 AM

করোনা: সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত কোন কোন দেশ 
বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সংখ্যাটা বর্তমানে ৫৫ লক্ষ ...বিশদ

10:08:13 AM

উঃ দিনাজপুরের ইটাহারে পুকুর থেকে গৃহবধূর দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য 
পুকুর থেকে এক গৃহবধুর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। সোমবার ...বিশদ

09:55:09 AM

২৭ মে থেকে দমদমে অটো 
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ২৭ মে থেকে দমদমে অটো চলাচল ...বিশদ

09:45:00 AM

মাস্ক পরে ঘরেই ঈদের নামাজ পড়ছেন এক যুবক

09:38:00 AM