Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস। বাঁচব কি না এই আতঙ্ক যখন গ্রাস করে, তখন বাকি সব শূন্য হয়ে যায়, এই সাধারণ উপলব্ধিটা আপাতত কিছুটা হলেও তো আশা করা যায় পাওয়া গিয়েছে? এই যে সারা বছর ধরে অন্য রাজ্যে, অন্য এলাকায়, অন্য শহরের দাঙ্গার খবরকে নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে, ফেক নিউজ জেনেও ফরওয়ার্ড করে, হিন্দু বনাম মুসলিম প্ররোচনামূলক আলোচনা, ঝগড়া, তর্ক করেও নিজেদের বেশ দূরে থেকে নিরাপদ হাসিখুশি জীবনযাপন করার অভ্যাসকে অবশেষে সজোরে একটা ধাক্কা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। এই প্রথম আমাদের ভয় লাগতে শুরু করেছে। যদি আমারও হয়! হ্যাঁ। এটাই নিয়ম। যখন বিপদ দোরগোড়ায় এসেছে তখনই ভয় পাই আমরা। যতক্ষণ দূরে থাকে বিপদ ততক্ষণ ভাবি আমার কী যায় আসে? তাই হাসিঠাট্টা, ইয়ার্কি, নির্বোধ রসিকতা চলে। তাই এবার প্রমাণ হল যে বিপদ যখন কাছে আসে, তখনই শুধু ভয় পাওয়াটা দরকার এমন নয়। উপলব্ধি করা উচিত যে, দূরের ভয় কয়েকদিনের মধ্যেই নিজের ঘরেও ঢুকতে পারে। তাই বিপদ আগামীদিনে অনেক দূরে থাকলেও ভয় পাওয়া অভ্যাস করা দরকার। ওটা ভালো অভ্যাস। যতই দিন যাচ্ছে ততই একটা স্বার্থান্বেষী চক্র আমাদের মধ্যে হিন্দু বনাম মুসলিম নামক হেটগেম ইনস্টল করে দিয়ে নিজেরা সবরকম সুযোগসুবিধা পেয়ে চলেছে। আর আমরা নিজেদের মধ্যেই ঝগড়াঝাঁটি, মারামারি করছি এবং দিনরাত ব্যস্ত আছি ওই একটি বিষয়কেই জীবনের প্রধান ইস্যু ধরে নিয়ে। কেন করছি? কারণ, আমাদের পাড়ায় তো দাঙ্গা হচ্ছে না। দাঙ্গা হচ্ছে দিল্লি অথবা মুজফফরনগর কিংবা বিহারের কোনও প্রান্তিক মফস্‌সলে। অথবা বসিরহাট কিংবা ধূলাগড়ের কোনও পাড়ায় এক্সপেরিমেন্ট চলছে মাঝেমধ্যেই। কিন্তু আমাদের জীবনযাপনে কোনও হেরফের হয়নি। তাই গায়ে আঁচও লাগেনি। মনের সুখে বছরভর হিন্দু-মুসলমান তর্কাতর্কি আর ‘ওদের টাইট দেওয়া দরকার’ মন্ত্রেই নিজেদের ব্যস্ত রেখে চলেছি। তার জেরে আমার যে কী সুবিধা হবে তা জানি না। যে নেতানেত্রীরা ব্যক্তিগতভাবে আমাদের চেনেনই না, তাঁর হয়েই লড়াই করে যাই বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে। যে দলের হয়ে চেনা লোকজনের সঙ্গে সারাদিন ধরে ঝগড়াঝাঁটি করছি, তাদের লোকাল দপ্তরে গেলেও নেতার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে হয়তো ঢুকতেই দেবে না আমাদের। কিন্তু তাও অবোধের মতো এসব করে চলেছি। যে লোকটির সঙ্গে ঝগড়া করছি তিনি তাঁর পছন্দের দলকে ভোট দিয়ে সরকার বা রাষ্ট্র থেকে যেসব সুবিধা অসুবিধা ভোগ করছেন, আমি বিপরীত কোনও দলকে ভোট দিয়েও সেই একই সুবিধা অসুবিধা ভোগ করছি। কেউই এক্সট্রা সুযোগ পাচ্ছি না, আবার কেউই বেশি বঞ্চনা ভোগ করছি না। আমি যে বিশেষ দলকে ভোট দিয়ে একটু কম আয়কর দিচ্ছি তাও নয়। সাংঘাতিক মজার ব্যাপার। লক্ষ্য করেছেন যে, এই কয়েকদিন আর ওইসব হিন্দু খারাপ, মুসলিম খারাপ মার্কা আলোচনা একটু হলেও স্তিমিত হয়েছে।
কারণ কী? কারণ হল, এবার সরাসরি জীবনে আঁচ লাগছে করোনা ভাইরাসের। বাজার বন্ধ হলে খাবো কী? ব্যাঙ্ক বন্ধ হয়ে গেলে টাকা তুলব কীভাবে? এই যে জয়েন্ট এন্ট্রান্স থেকে সিবিএসই পরীক্ষা বন্ধ হয়ে গেল এবার আমার ছেলেমেয়েটার কী হবে? কবে হবে পরীক্ষা? কেরিয়ারটা কি পিছিয়ে গেল এভাবে? এটাই হলাম আমরা। যতক্ষণ না নিজেরা আক্রান্ত হচ্ছি পরিস্থিতির চাপে, ততক্ষণ অনুধাবন করতে পারি না যে, সাধারণ সময়ে কতরকম অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে মাথা ঘামাচ্ছি।
এবার করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে। চীন থেকে ইতালি। আমেরিকা থেকে ইরান। তুরস্ক থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত ঠিক ছিল। এমনকী দিল্লি, তেলেঙ্গানা, মুম্বইয়ে তিনজনের মৃত্যু হল যখন, তখনও আমাদের একাংশের হেলদোল ছিল না। বরং ফাজলামি ছিল। ছড়া লেখা হয়েছে। কার্টুন আঁকা চলেছে। মিম তৈরি হয়েছে। সামাজিক সচেতনতাও লক্ষ্য করা যায়নি। বরং মোটামুটি একটা ক্যালাস, ডোন্ট কেয়ার আচরণ পরিলক্ষিত হয়েছে। কিন্তু যেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর কলকাতা থেকেই পাওয়া গেল তৎক্ষণাৎ কমবেশি একটা আতঙ্ক সকলের মধ্যেই গ্রাস করল। সরকার ও বিশেষজ্ঞরা বলল, সামাজিক ট্র্যান্সমিশনে সংক্রমণ হতে পারে। সবরকম সমাবেশ বন্ধ, খেলা বন্ধ, সিনেমা হল বন্ধ, আগামীদিনে মার্কেটও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ভিড় ট্রেন বাসে চলাফেরা করলে সংক্রমণ বাড়তে পারে। মার্কেট থেকে আমরা বাজার করে মজুত করতে শুরু করলাম। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনযাপন ক্রমেই ব্যাহত হয়ে যাচ্ছে। আগামীদিনে আরও কী ভয়ঙ্কর অবস্থা অপেক্ষা করে আছে তাও নিশ্চিত নয়। কমপ্লিট শাটডাউন ও লকডাউন কাকে বলে তা আমরা দেখিনি অদূর অতীতেও। এবার সেই আশঙ্কা এসেছে। তাই আমরা ভয় পাচ্ছি। আতঙ্কিত হচ্ছি। যত দ্রুত সম্ভব এই সঙ্কট কেটে যাক এটাই সকলের কাম্য। গোটা দুনিয়ায় কালান্তক মহামারী এসে উপস্থিত হলে আদৌ কতজন বাঁচবে, কতজন প্রাণ হারাবে তাও অজানা। একবার বিশ্বের আঙিনায় যখন ভাইরাস প্রবেশ করেছে, তখন এত দ্রুত তার করাল ছায়া অন্তর্হিত হবে কি? এই প্রশ্ন গোটা বিশ্বের।
আসুন এটাই আদর্শ সময় ভাবার যে, এই সঙ্কট কেটে যাওয়ার পর নিজেরা আর ম্যানমেড সঙ্কট ডেকে আনব না। ম্যানমেড মহামারী হল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। করোনা ভাইরাসের উপর মানুষের হাত ছিল না। কিন্তু এই সঙ্কটের পরবর্তী সময়ে অযথা আর আগামীদিনে দাঙ্গাকে প্ররোচনা যেন না দিই। অনেক দূরে দিল্লি অথবা রাজস্থান, যেখানেই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সংবাদ আসবে, তৎক্ষণাৎ যেন ভয় পাই আমরা। কারণ আমরা ওই আগুনকে গুজব, জল্পনা, কল্পনা আর রাজনীতির স্বার্থসিদ্ধির বাতাস দিলে একদিন না একদিন আমাদের ঘরের মধ্যে, দোরগোড়ায় আছড়ে পড়বে সেই আগুন। অবিকল এরকমই সঙ্কট নিয়ে আসে দাঙ্গা আর গৃহযুদ্ধ। জীবনের সব স্বাভাবিকতা চলে যায়। এই যে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক আমাদের সকলকে গ্রাস করেছে, ঠিক এই সময়ে সদ্য দাঙ্গাবিধ্বস্ত উত্তর পশ্চিম দিল্লির মহল্লার পর মহল্লায় গেলে দেখা যাচ্ছে অকল্পনীয় দৃশ্য। সামান্য চাল ডাল রাখার পাত্র অবশিষ্ট নেই। বাড়ির একমাত্র রোজগার করা মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাই আয় করার কেউ নেই স্ত্রী আর ছোট ছোট সন্তানদের ঘরে। করোনার মাস্ক কেনা তো দূরে কথা, সামান্য খাবার জোটানোর জন্য বহু মানুষ আজও ত্রাণ শিবির ছাড়ছে না। কারণ খাবার পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু কতদিন পাওয়া যাবে? ঠিক নেই। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে শিবিরগুলি। সুতরাং মনে রাখতে হবে আমাদের বাংলাও অতীতে দাঙ্গা প্রত্যক্ষ করেছে সবথেকে খারাপ আকারে। তাই, বাকি সব চলুক। সাম্প্রদায়িক উসকানি বন্ধ হোক। একবার দাঙ্গা শুরু হলে করোনা ভাইরাসের মতোই আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা গ্রাস করবে। ইতিহাস সাক্ষী আছে। রোদ্দুর রায়কে নিয়ে মনস্তাস্ত্বিক ও সমাজতাত্ত্বিক আলোচনা এখন আর নেই। রাজ্যসভার ভোটে সিপিএম ও কংগ্রেসের জোটের বিশ্লেষণ নেই, প্রতিদিন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কী কী করা উচিত এবং তাঁরা কী কী ভুল করলেন এই পরামর্শ ফেসবুক বা হোয়াটস অ্যাপে দেওয়া নেই এখন। কারণ, এখন সরাসরি জীবনযাপনেই থ্রেট এসেছে। করোনা বিপুল ক্ষতি করে দিয়ে যাচ্ছে আমাদের দেশের। অর্থনীতির, জীবনযাপনের, শিক্ষায়, স্বাস্থ্যে। কিন্তু এই ধাক্কা থেকেই আমাদের ইতিবাচক একটা উপলব্ধি হওয়া দরকার যে, সারা বছর ধরে আমরা যে অযথা নন-সিরিয়াস অন্তহীন বিষয়গুলি নিয়ে মাতামাতি করি, এবার কিছুটা হলেও সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করব।
করোনা নিয়ে যে সচেতনতা দেখানো শুরু করেছি, সেই প্রবণতা আগামীদিনেও বজায় রাখা দরকার। কেন দরকার? কারণ, পাবলিক ডিসকোর্সে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয় না বেশি। এবার থেকে এই আলোচনায় বেশি বেশি প্রবেশ করা দরকার। আমাদের রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করতে হবে যে, কেন আজ থেকে ২০ বছর আগেও মোট জিডিপির মাত্র ১ শতাংশ দেশের হেলথকেয়ারে বরাদ্দ করা হতো এবং আজও সেই ১ শতাংশই বরাদ্দ করা হয়? একটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সূত্রপাত হল সেই দেশের শিশুদের স্বাস্থ্য দিয়ে। গরিব শিশুদের স্বাস্থ্যোন্নয়নের সবথেকে বৃহৎ প্রকল্প আইসিডিএস প্রকল্পের বরাদ্দ বেশি হয় না বাজেটে? কেন আইসিডিএস এবং মিড ডে মিলকে ধীরে ধীরে বেসরকারি হাতে, কর্পোরেট এনজিওর হাতে ক্রমেই দেওয়া হচ্ছে? দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবায় সরকার খুব চিন্তিত এটা বোঝাতে সবথেকে বেশি যে প্রকল্প বারংবার ঘোষণা করা হয় হেলথকেয়ারে, সেটি হল স্বাস্থ্যবিমা। ইউপিএ আমলের আম আদমি স্বাস্থ্য বিমা অথবা মোদি সরকারের আমলে আয়ুষ্মান ভারত বিমা যোজনা। অথবা কৃষকদের ফসল বিমা। ক্রমেই রাষ্ট্রের জনকল্যাণ প্রকল্পগুলির সঙ্গে প্রাইভেট বিমা সংস্থাগুলির সংযুক্তি হচ্ছে কেন? রাষ্ট্র ধীরে ধীরে বিমা উন্নয়ন মডেলে চলে যাচ্ছে কেন? এই একের পর এক বিমা প্রকল্পে ৮২ শতাংশ বিলো পভার্টি লা‌঩ইনের দেশে গরিবদের জন্য হরেকরকম বিমা প্রকল্পে প্রিমিয়ামের টাকা থেকে কাদের লাভ হচ্ছে সবথেকে বেশি? এইসব স্বাস্থ্যবিমা অথবা কৃষিবিমায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া এবং ক্লেইম পাওয়ার গোপন শর্তাবলি কী? করোনার কারণে স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ যখন একবার এসেছে সমাজে, তখন আগামীদিনে এসব নিয়েও একটু আলোচনা করা হোক। ন্যাশনাল নিউট্রিশন মনিটরিং ব্যুরো কয়েক বছর আগে সমীক্ষায় বলেছে, ভারতের ৪ থেকে ৬ বছর বয়সি শিশুদের মধ্যে মাত্র ১৬ শতাংশ প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ পায়, মাত্র ৩৫ শতাংশ শিশু আয়রন পায়, ৩৩ শতাংশ পায় ক্যালসিয়াম। অর্থাৎ বাকি বিপুল অংশের শিশুরা এসব পায় না। আর প্রবল অপুষ্টি তাই বেড়ে চলে দেশে। কেন পাঁচ বছরের কম বয়সি ভারতের ৪৩ শতাংশ শিশুই অপুষ্ট? সাপ্লিমেন্টারি ফুড প্রোগ্রামের টাকা কোথায় যাচ্ছে? 
20th  March, 2020
এবারের ২৩ জানুয়ারির শিক্ষা
হিমাংশু সিংহ 

পরাক্রমতার সঙ্গে অনন্ত দেশপ্রেম আর তার বিশ্বজোড়া ব্যাপ্তি মিশলে তবেই নেতাজির নাগাল পাওয়া যায়। এই সার সত্যটা বুঝতেই পারলেন না অমিত শাহরা। বাংলার মনন ও সংস্কৃতির আসল সুরটাকে ধরতে না পারার সমস্যাটা এখানেই। দেশপ্রেম দিবস কিংবা দেশনায়ক দিবসই নেতাজিকে সম্মান জানানোর পক্ষে যথার্থ। বিশদ

অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

23rd  January, 2021
ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

23rd  January, 2021
সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

23rd  January, 2021
বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
একনজরে
শারীরিক অবস্থার অবনতি হল আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের। তাঁকে দিল্লি এইমসে স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাঁচির হাসপাতালে আট সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড ...

কালনা ফেরিঘাটে গাড়ি পারাপারের ভাড়ার (পারানি) রসিদ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মহকুমা শাসক। এছাড়াও ভাড়ার অতিরিক্ত মাঝিদের বকশিসের বিষয়টি ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত দেখার নির্দেশ দেন। ...

গ্রামের অর্থনীতিকে উন্নত করতে মুক্তিধারা প্রকল্পের মাধ্যমে উলুবেড়িয়া ১ নং ব্লকের হাটগাছা ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের গদাইপুর গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ...

প্রথমে ভাবা হয়েছিল, দ্বিতীয় পর্যায়ের টিকাকরণেই রাজ্যে দেওয়া হবে কোভ্যাকসিন। শনিবার আইসিএমআর শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে রাজ্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় কর্তারা রাজ্যকে জানিয়ে দিলেন দ্রুত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পঠনপাঠনে আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তির যোগ। বিশেষত সরকারি বা আধা সরকারি ক্ষেত্রে যোগ প্রবল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় শিশুকন্যা দিবস
১৮২৬: ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৭: প্রতিষ্ঠিত হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৪৫: পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের জন্ম
১৯৫০ - ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন
১৯৫০: ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হল ‘জনগণমন অধিনায়ক’
১৯৫২ - তৎকালীন বোম্বেতে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শুরু
১৯৬৫ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের মৃত্যু
১৯৬৬: বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গির ভাবার মৃত্যু
১৯৮৭ - উরুগুয়ের ফুটবল লুইস সুয়ারেরে জন্ম
১৯৮৮ - ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিংয়ের মৃত্যু
২০১১ - হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী ভীমসেন জোশীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  January, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  January, 2021

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী ৪১/৩১ রাত্রি ১০/৫৮। রোহিণী নক্ষত্র ৪৪/৭ রাত্রি ১২/১। সূর্যোদয় ৬/২২/১১, সূর্যাস্ত ৫/১৫/২০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ১/৩৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬ গতে ১/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী রাত্রি ৯/৫০। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ১১/২৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ১/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৭ গতে ৭/৮ মধ্যে ও ১২/১৭ গতে ৩/৪২ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৯ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৯ গতে ৩/৮ মধ্যে। 
১০ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: কেরল ব্লাস্টার্স ও গোয়ার ম্যাচটি ১ : ১ গোলে ড্র

23-01-2021 - 09:43:00 PM

আইএসএল: কেরল ১ - গোয়া ১ (৫৭ মিনিট)

23-01-2021 - 08:50:00 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (প্রথমার্ধ)

23-01-2021 - 08:31:03 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (২৫মিনিট)

23-01-2021 - 08:07:55 PM

টিটাগড়ে গুলি করে খুন তৃণমূল কর্মীকে
টিটাগড়ে গুলি করে খুন হলেন এক যুবক। নাম গুমানি খান ...বিশদ

23-01-2021 - 08:02:11 PM

 প্রতিবাদ নুসরতের
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর সরকারি অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক স্লোগান ওঠার ...বিশদ

23-01-2021 - 05:39:00 PM