Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। শয়ে শয়ে লোক মরে যাচ্ছে। কাজকর্ম বন্ধ করে লোকজনকে ঘরবন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে! কী মারাত্মক কাণ্ড ভাবুন! তবে, আমেরিকা ছাড়বে না। বদলা একটা নেবেই। ওই কোন জ্যোতিষী বলেছে না বিশ সালে যুদ্ধ বাধবে। বিশ্বযুদ্ধ। পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে। এখন তো মনে হচ্ছে পরিস্থিতি সেদিকেই এগচ্ছে! ঝাঁকড়া চুলে কাঁচি চালাতে চালাতে প্রায় এক নিঃশ্বাসে ক্ষোভ উগরে দিলেন উত্তর কলকাতার সেলুনকর্মী সুভাষদা। চীনের ওপর এখন তাঁর প্রবল রাগ। এ রাজ্যে এখনও করোনার প্রকোপ ঘটেনি তো কী—ব্যবসার তো সাড়ে তেরোটা। যে সেলুনে ভিড় সামলাতে চারজন হিমশিম খাই, সেখানে এখন দিনে ছ-দশটার বেশি লোকের দেখা মিলছে না! কী বুঝলেন? এমন চললে করোনা আসার আগেই আমাদের সংসারের দফারফা হয়ে যাবে। কিন্তু উপায়ও নেই—বলছে একবার ছড়াতে শুরু করলে নাকি বাঁচাই মুশকিল হবে! মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, কাশ্মীর, লাদাখ আরও কোথায় কোথায় এর মধ্যেই যথেষ্ট ছড়িয়েছে। কয়েকজন মরেওছে। কলকাতাতেও ঢুকে পড়েছে। তার ওপর বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী দু’সপ্তাহ নাকি আমাদের জন্য ডেঞ্জার টাইম! কী হবে বলুন তো—এবার ক্ষোভ কেটে দুশ্চিন্তার ছায়া পড়ল প্রবীণ সুভাষচন্দ্রের মুখে।
বলতে কী, শেষপর্যন্ত কী হবে কেউ জানেন না। বুকে হাত দিয়ে কেউ বলতে পারছেন না, এ যাত্রায় করোনার প্রাণঘাতী দৌড় কোথায় গিয়ে থামবে। এই ভাইরাসের থাবায় স্পেনের তরুণ প্রতিভাবান ফুটবল কোচ ফ্রান্সিসকো গার্সিয়ার মতো আরও কত প্রাণ বলি হবে! কত ঘর-পরিবার হারাবে তাদের প্রিয়জন? কেউ জানেন না। কারণ, এখনও পর্যন্ত এই কালান্তক করোনার কোনও জুতসই প্রতিষেধক নেই গোটা পৃথিবীতে। শোনা যাচ্ছে বিজ্ঞানীরা নাকি একটা প্রতিষেধকের সন্ধান পেয়েছেন এবং সেই সন্ধানীদলে আছেন এক ভারতীয়ও। কিন্তু সে প্রতিষেধক এখনও চূড়ান্ত পরীক্ষিত নয়। আমেরিকার সিয়াটেলও মানবদেহের ওপর কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রতিষেধকের পরীক্ষা হয়েছে। ফল নাকি মন্দ নয়। অবশ্য এইসব অ্যান্টিডোট যদি বা পরীক্ষায় শেষ অবধি পাশও করে তবেও তা মহাজনী কারবারের স্রোত বেয়ে জনসাধারণের নাগালে আসতে বছর ঘুরে যাবে বলেই মনে করছেন তথ্যভিজ্ঞজন!
অতএব, আপাতত আমরা বিশ্বমানুষ বর্মহীন, শস্ত্রহীন নিধিরাম হয়েই করোনার আক্রমণের মুখে। প্লেগ, ম্যালেরিয়া, সার্স, ক্যান্সার, ইবোলা, টিবির মতো মারণরোগের মুখে একটা সময় অবধি আমরা যেমন অসহায় ছিলাম, তাদের নিষ্ঠুর আক্রমণে হারিয়েছি অজস্র প্রিয়জন-স্বজন-বান্ধব—আজ করোনার আগ্রাসনের মুখে ঠিক তেমনই অবস্থা আমাদের, তেমনই মর্মান্তিক। অথচ, আজ একুশ শতকীয় বিজ্ঞান আমাদের করায়ত্ত, চাঁদ-মঙ্গলে বসতির চিন্তা এখন আর রূপকথা বলে মনে হয় না, সর্বাধুনিক গবেষণাগার প্রগাঢ়মেধা বিজ্ঞানী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম—সব আমাদের হাতে—অজস্র অঢেল। তবু, কী আশ্চর্য দেখুন এক অদৃশ্য আণুবীক্ষণিক শত্রুর আতঙ্কে আজ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রনেতা থেকে মহাপ্রভাবশালী মহাপণ্ডিত, হাজার হাজার কোটির শাহেনশা বাদশাহ থেকে হতদরিদ্র জীবনসম্বল—সকলে বিকলবিহ্বল বিপন্নতার শিকার! করোনার ভয়াবহতা, প্রাণঘাতী আক্রমণের মোকাবিলায় রাজনীতি, অর্থনীতি দম্ভ-দ্বেষ সব ভুলে এক সারিতে, একমত। সেলুনকর্মী সুভাষদার ভাবনা মতো চীন আমেরিকার যুদ্ধ লাগুক না লাগুক আমরা কিন্তু ইতিমধ্যেই এক অসম যুদ্ধে নেমে পড়েছি, পড়তে বাধ্য হয়েছি। এবং সে যুদ্ধপরিস্থিতি যে আজ রীতিমতো উদ্বেগজনক—তাতেই বা সন্দেহ কী?
এই উদ্বেগ এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে, পুণ্যভূমি দেবস্থান পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে হয়েছে! বন্ধ হয়েছে বিনোদন কেন্দ্র, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান থেকে ইউরো কাপের মতো আনন্দযজ্ঞ। এমনকী আসন্ন টোকিও ওলিম্পিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্নচিহ্ন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে! সৌজন্যে সেই করোনা! কেবল হাসপাতালে হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডগুলো এখন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত দিনরাত সেবায় মগ্ন থেকে প্রমাণ করে চলেছে—ঈশ্বর বিশ্বাসীর এই পৃথিবীতেও ঈশ্বরের প্রতিনিধি ডাক্তারেরা ছাড়া এখন মানুষ জনতার আর কোনও পরিত্রাতা নেই। কৌশলী যুদ্ধবাজ করোনার সঙ্গে প্রাণ বিপন্ন করে আত্মজন ভুলে আসল লড়াইটা লড়ছেন তাঁরাই। এবং সে লড়াইয়ের ভয়াবহতা কত সেটা চীন, ইতালি, ফ্রান্স, ইরাক, ইরান, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর সমেত গোটা বিশ্বের ভুক্তভোগী মাত্রেই এখন হাড়ে হাড়ে অনুভব করছেন। আমাদের দেশও তার ব্যতিক্রম নয়। এর মধ্যেই মহারাষ্ট্র, কর্ণাটকের মতো বেশ কিছু জায়গায় মারণ ভাইরাসের হামলার খবর মিলেছে। কর্ণাটকের কালবুর্গি জেলায় করোনার প্রথম বলি হয়েছেন এক বৃদ্ধ। তার চেয়েও বড় কথা, আমাদের কলকাতাতেও এসে পড়েছে কালান্তক করোনা-সেনা, তাদের আক্রমণে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আপাতত বন্দি একজনা। আর সেই সংবাদনিহিত বিপদশঙ্কা
রক্তচাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে মহানগরবাসীর। জেলা মফস্‌সল গ্রামগ্রামান্তের মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে দুশ্চিন্তা উদ্বেগ।
উদ্বেগের কারণ, বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আগামী দু’সপ্তাহ ভারতের পক্ষে অতীব বিপজ্জনক। এই সময়ের মধ্যে মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে করোনা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার হামলা পরিসংখ্যান থেকেই এই আশঙ্কা উঠে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, প্রথম দু’সপ্তাহ ধীরে চলো নীতি নিলেও পরবর্তী সপ্তাহগুলিতে বিদ্যুৎবেগে ছড়ায় এই ভাইরাস। একেবারে মহামারীর মতো। সে পরিসংখ্যান সংবাদপত্র এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এখন সকলের জানা, তাই পুনরুল্লেখের প্রয়োজন দেখি না। কিন্তু, যেটা আবিশ্ব মানুষকে ভাবাচ্ছে তা হল—এই সংক্রমণ রোধের উপযুক্ত প্রতিষেধকের অভাব। কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছাড়া আপাতত বিশ্বের মানুষের হাতে করোনা ঠেকাবার আর কোনও অস্ত্রও নেই।
ভারতের আর পাঁচটা রাজ্যের মতো এই পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অ্যাডভাইসারি মেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক মাসের জন্য স্কুল-কলেজ-অফিস-আদালত সমেত প্রায় সব কর্মস্থান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন, মানুষজনকে খুব প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বেরতে বা হোটেল-রেস্তোরাঁ ক্লাব জমায়েতে যেতেও বারণ করেছেন। ১৮৯৭ সালের মহামারী আইনও লাগু করেছেন। সেই সঙ্গে বারবার হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার, মুখে-চোখে হাত না দেওয়ার মতো কিছু অবশ্যকর্তব্যের কথাও জানিয়েছেন। নিঃসন্দেহে সময়োচিত যথার্থ সিদ্ধান্ত। তার চেয়েও বড় কথা, দেখে স্বস্তি লাগছে যে, মমতার কট্টর বিরোধীরাও অন্তত এক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে পাশে দাঁড়িয়েছেন। পুরভোট পিছনোর ব্যাপারেও তার অন্যথা হচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা তো ঠিকই বলেছেন, আগে মানুষের প্রাণ তারপর ভোট ইত্যাদি সবকিছু।
কিন্তু কথা হল—মানব বিশ্বকে এতো বড় বিপদের মুখে ঠেলে দিল কোন দুষ্টচক্র? কেউ কেউ বলছেন, টিবি ক্যান্সার কি সার্স ইবোলাতে এর চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যায় মানুষের মৃত্যু ঘটে প্রতি বছর। সেই পরিসংখ্যানকে ঢাল করে করোনা বিপদকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টাও চলছে! কিন্তু, প্রতিষেধক প্রতিপক্ষহীন করোনা যে এই মুহূর্তে পৃথিবীর মানুষের সামনে যমরাজের দোসর হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তা অস্বীকার করবেন কে? বেশ কিছুদিন যাবৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা চলছে এই মারণ ভাইরাসের উৎপত্তি ও বিস্তার নিয়ে। তাতে যে সব ‘থিওরি’ ঘুরেফিরে আসছে—তার মধ্যে অন্যতম হল জৈবঅস্ত্র তত্ত্ব। মার্কিন বিশেষজ্ঞের মন্তব্য সামনে রেখে বলা হচ্ছে, জৈবঅস্ত্র হিসেবে চীন উহানের গবেষণাগারে এই করোনা তৈরি করেছিল এবং সেটি কোনওভাবে লিক হয়ে যায় এবং সংক্রমণ ঘটায়। প্রথমে তারা সংক্রমণের ব্যাপারটা চেপে গিয়েছিল। আর পরবর্তীতে তাতেই যত বিপত্তি বিশ্বজুড়ে! চীন সঙ্গত কারণেই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তা নিয়ে দুই মহাদেশে ঠান্ডা লড়াইও জারি হয়ে গেছে।
তবে, মহাশক্তিধরদের এইসব বাদবিসংবাদে আমাদের কী কাম? আমরা ভাবছি, কাল কী হবে? আমাদের সরকার প্রতিরোধমূলক সব ব্যবস্থা নিয়েছেন, গত রবিবার তার জেরে দেখলাম মহানগরীর রাস্তাঘাট, শপিংমল, পার্ক স্ট্রিটের রেস্টুরেন্ট পাড়া বনধের কলকাতার মতো শুনশান, গাড়ি-ঘোড়া মানুষজনে জমজমাট সপ্তাহ শেষের ছুটির দিনের শহরটা যেন কোনও অজানা সন্ত্রাসের আশঙ্কায় দুয়ার এঁটে লুকিয়ে পড়েছে! নিত্যদিনের ট্রেনেও ভিড় নেই, বেশ কিছু মেল এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রীর অভাবে আপাতত বন্ধ! দোকান-বাজারেও সেই হুড়োহুড়ি হইহল্লা যেন অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে। কেবল সুভাষচন্দ্রদের মতো যাদের দিন আনি দিন খাই—রুটি-রুজির তাগিদ তাঁদের দেখা মিলছে পথে। তাঁদের চোখেমুখে কথায় আচরণে বিশ্বাস-অবিশ্বাসে মেশা সেই কী হয় কী হয় ভাবটাও নজর এড়ায় না। সর্বত্র একটাই শঙ্কা একটাই আলোচনা উড়ে বেড়াচ্ছে—করোনা! সব মিলিয়ে প্রকৃত অর্থেই যুদ্ধপরিস্থিতি। আর সঙ্গত কারণেই তাতে উদ্বেগের মাত্রাও ক্রমবর্ধমান। তবে আমাদের বিশ্বাস, মানুষের প্রবল মেধাশক্তি ও বিজ্ঞানচেতনার সঙ্গে লড়াইতে করোনা-সেনা শেষপর্যন্ত পরাস্ত হবে, হবেই। এবং সেটা নিছকই সময়ের অপেক্ষা। তাই নয় কি?
19th  March, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চাই
দেশজুড়ে নানা ধরনের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ
হারাধন চৌধুরী

 প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আগামী দিনে পৃথিবী চিহ্নিত হবে ‘করোনা-পূর্ব’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ হিসেবে। দেশের প্রেক্ষাপটে তিনি যেটা বলেননি তা হল ‘করোনা-মধ্যবর্তী ভারত’। দেশবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতটা রয়ে যাবে, সেটাই চিহ্নিত হবে ওই নামে।
বিশদ

14th  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, ইটাহার: ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রায়গঞ্জ শহরে বাস-বে বানাচ্ছে রায়গঞ্জ পুরসভা। জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জের মোহনবাটি বাজার এলাকায় নেতাজি সুভাষ রোডের পাশে বাজারে ঢোকার মুখে ওই নতুন বাস-বে বা লেন তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভারই মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হয়ে যাচ্ছে। করোনা-পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন হয়নি। তাই অন্যান্য জায়গার মতো পুরসভায় দু’জনের একটি করে কমিটি করে নতুন চেয়ারপার্সন নিয়োগ করা হবে। প্রত্যেক পুরসভাতেই এই মর্মে যুগ্ম সচিবের চিঠি চলে এসেছে। ...

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ২৪ মে (পিটিআই): সুপার সাইক্লোন উম-পুনে ভারত এবং বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর দুঃখপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেইরেস।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২৪ মে: স্যানিটাইজার, মাস্ক এবং গ্লাভসের কালোবাজারি হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়ে রাজ্যগুলিকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিল কেন্দ্র। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে এন -৯৫ মাস্ককে চিহ্নিত করার পরেও বেশ কিছু জায়গায় অত্যধিক দামে তা বিক্রি হচ্ছে বলেই অভিযোগ।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রণয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে। কারও কথায় মর্মাহত হতে হবে। ব্যবসায় শুরু করা যেতে পারে। কর্মে সুনাম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: চণ্ডীগড়ে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৯ জন, মোট আক্রান্ত ২৬৫ 

10:15:31 AM

করোনা: রাজস্থানে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৭২ জন, মোট আক্রান্ত ৭১০০ 

10:12:50 AM

করোনা: সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত কোন কোন দেশ 
বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সংখ্যাটা বর্তমানে ৫৫ লক্ষ ...বিশদ

10:08:13 AM

উঃ দিনাজপুরের ইটাহারে পুকুর থেকে গৃহবধূর দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য 
পুকুর থেকে এক গৃহবধুর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। সোমবার ...বিশদ

09:55:09 AM

২৭ মে থেকে দমদমে অটো 
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ২৭ মে থেকে দমদমে অটো চলাচল ...বিশদ

09:45:00 AM

মাস্ক পরে ঘরেই ঈদের নামাজ পড়ছেন এক যুবক

09:38:00 AM