Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। শয়ে শয়ে লোক মরে যাচ্ছে। কাজকর্ম বন্ধ করে লোকজনকে ঘরবন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে! কী মারাত্মক কাণ্ড ভাবুন! তবে, আমেরিকা ছাড়বে না। বদলা একটা নেবেই। ওই কোন জ্যোতিষী বলেছে না বিশ সালে যুদ্ধ বাধবে। বিশ্বযুদ্ধ। পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে। এখন তো মনে হচ্ছে পরিস্থিতি সেদিকেই এগচ্ছে! ঝাঁকড়া চুলে কাঁচি চালাতে চালাতে প্রায় এক নিঃশ্বাসে ক্ষোভ উগরে দিলেন উত্তর কলকাতার সেলুনকর্মী সুভাষদা। চীনের ওপর এখন তাঁর প্রবল রাগ। এ রাজ্যে এখনও করোনার প্রকোপ ঘটেনি তো কী—ব্যবসার তো সাড়ে তেরোটা। যে সেলুনে ভিড় সামলাতে চারজন হিমশিম খাই, সেখানে এখন দিনে ছ-দশটার বেশি লোকের দেখা মিলছে না! কী বুঝলেন? এমন চললে করোনা আসার আগেই আমাদের সংসারের দফারফা হয়ে যাবে। কিন্তু উপায়ও নেই—বলছে একবার ছড়াতে শুরু করলে নাকি বাঁচাই মুশকিল হবে! মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, কাশ্মীর, লাদাখ আরও কোথায় কোথায় এর মধ্যেই যথেষ্ট ছড়িয়েছে। কয়েকজন মরেওছে। কলকাতাতেও ঢুকে পড়েছে। তার ওপর বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী দু’সপ্তাহ নাকি আমাদের জন্য ডেঞ্জার টাইম! কী হবে বলুন তো—এবার ক্ষোভ কেটে দুশ্চিন্তার ছায়া পড়ল প্রবীণ সুভাষচন্দ্রের মুখে।
বলতে কী, শেষপর্যন্ত কী হবে কেউ জানেন না। বুকে হাত দিয়ে কেউ বলতে পারছেন না, এ যাত্রায় করোনার প্রাণঘাতী দৌড় কোথায় গিয়ে থামবে। এই ভাইরাসের থাবায় স্পেনের তরুণ প্রতিভাবান ফুটবল কোচ ফ্রান্সিসকো গার্সিয়ার মতো আরও কত প্রাণ বলি হবে! কত ঘর-পরিবার হারাবে তাদের প্রিয়জন? কেউ জানেন না। কারণ, এখনও পর্যন্ত এই কালান্তক করোনার কোনও জুতসই প্রতিষেধক নেই গোটা পৃথিবীতে। শোনা যাচ্ছে বিজ্ঞানীরা নাকি একটা প্রতিষেধকের সন্ধান পেয়েছেন এবং সেই সন্ধানীদলে আছেন এক ভারতীয়ও। কিন্তু সে প্রতিষেধক এখনও চূড়ান্ত পরীক্ষিত নয়। আমেরিকার সিয়াটেলও মানবদেহের ওপর কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রতিষেধকের পরীক্ষা হয়েছে। ফল নাকি মন্দ নয়। অবশ্য এইসব অ্যান্টিডোট যদি বা পরীক্ষায় শেষ অবধি পাশও করে তবেও তা মহাজনী কারবারের স্রোত বেয়ে জনসাধারণের নাগালে আসতে বছর ঘুরে যাবে বলেই মনে করছেন তথ্যভিজ্ঞজন!
অতএব, আপাতত আমরা বিশ্বমানুষ বর্মহীন, শস্ত্রহীন নিধিরাম হয়েই করোনার আক্রমণের মুখে। প্লেগ, ম্যালেরিয়া, সার্স, ক্যান্সার, ইবোলা, টিবির মতো মারণরোগের মুখে একটা সময় অবধি আমরা যেমন অসহায় ছিলাম, তাদের নিষ্ঠুর আক্রমণে হারিয়েছি অজস্র প্রিয়জন-স্বজন-বান্ধব—আজ করোনার আগ্রাসনের মুখে ঠিক তেমনই অবস্থা আমাদের, তেমনই মর্মান্তিক। অথচ, আজ একুশ শতকীয় বিজ্ঞান আমাদের করায়ত্ত, চাঁদ-মঙ্গলে বসতির চিন্তা এখন আর রূপকথা বলে মনে হয় না, সর্বাধুনিক গবেষণাগার প্রগাঢ়মেধা বিজ্ঞানী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অত্যাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম—সব আমাদের হাতে—অজস্র অঢেল। তবু, কী আশ্চর্য দেখুন এক অদৃশ্য আণুবীক্ষণিক শত্রুর আতঙ্কে আজ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রনেতা থেকে মহাপ্রভাবশালী মহাপণ্ডিত, হাজার হাজার কোটির শাহেনশা বাদশাহ থেকে হতদরিদ্র জীবনসম্বল—সকলে বিকলবিহ্বল বিপন্নতার শিকার! করোনার ভয়াবহতা, প্রাণঘাতী আক্রমণের মোকাবিলায় রাজনীতি, অর্থনীতি দম্ভ-দ্বেষ সব ভুলে এক সারিতে, একমত। সেলুনকর্মী সুভাষদার ভাবনা মতো চীন আমেরিকার যুদ্ধ লাগুক না লাগুক আমরা কিন্তু ইতিমধ্যেই এক অসম যুদ্ধে নেমে পড়েছি, পড়তে বাধ্য হয়েছি। এবং সে যুদ্ধপরিস্থিতি যে আজ রীতিমতো উদ্বেগজনক—তাতেই বা সন্দেহ কী?
এই উদ্বেগ এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে, পুণ্যভূমি দেবস্থান পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে হয়েছে! বন্ধ হয়েছে বিনোদন কেন্দ্র, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান থেকে ইউরো কাপের মতো আনন্দযজ্ঞ। এমনকী আসন্ন টোকিও ওলিম্পিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্নচিহ্ন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে! সৌজন্যে সেই করোনা! কেবল হাসপাতালে হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডগুলো এখন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত দিনরাত সেবায় মগ্ন থেকে প্রমাণ করে চলেছে—ঈশ্বর বিশ্বাসীর এই পৃথিবীতেও ঈশ্বরের প্রতিনিধি ডাক্তারেরা ছাড়া এখন মানুষ জনতার আর কোনও পরিত্রাতা নেই। কৌশলী যুদ্ধবাজ করোনার সঙ্গে প্রাণ বিপন্ন করে আত্মজন ভুলে আসল লড়াইটা লড়ছেন তাঁরাই। এবং সে লড়াইয়ের ভয়াবহতা কত সেটা চীন, ইতালি, ফ্রান্স, ইরাক, ইরান, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর সমেত গোটা বিশ্বের ভুক্তভোগী মাত্রেই এখন হাড়ে হাড়ে অনুভব করছেন। আমাদের দেশও তার ব্যতিক্রম নয়। এর মধ্যেই মহারাষ্ট্র, কর্ণাটকের মতো বেশ কিছু জায়গায় মারণ ভাইরাসের হামলার খবর মিলেছে। কর্ণাটকের কালবুর্গি জেলায় করোনার প্রথম বলি হয়েছেন এক বৃদ্ধ। তার চেয়েও বড় কথা, আমাদের কলকাতাতেও এসে পড়েছে কালান্তক করোনা-সেনা, তাদের আক্রমণে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আপাতত বন্দি একজনা। আর সেই সংবাদনিহিত বিপদশঙ্কা
রক্তচাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে মহানগরবাসীর। জেলা মফস্‌সল গ্রামগ্রামান্তের মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে দুশ্চিন্তা উদ্বেগ।
উদ্বেগের কারণ, বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আগামী দু’সপ্তাহ ভারতের পক্ষে অতীব বিপজ্জনক। এই সময়ের মধ্যে মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে করোনা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার হামলা পরিসংখ্যান থেকেই এই আশঙ্কা উঠে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, প্রথম দু’সপ্তাহ ধীরে চলো নীতি নিলেও পরবর্তী সপ্তাহগুলিতে বিদ্যুৎবেগে ছড়ায় এই ভাইরাস। একেবারে মহামারীর মতো। সে পরিসংখ্যান সংবাদপত্র এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এখন সকলের জানা, তাই পুনরুল্লেখের প্রয়োজন দেখি না। কিন্তু, যেটা আবিশ্ব মানুষকে ভাবাচ্ছে তা হল—এই সংক্রমণ রোধের উপযুক্ত প্রতিষেধকের অভাব। কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ছাড়া আপাতত বিশ্বের মানুষের হাতে করোনা ঠেকাবার আর কোনও অস্ত্রও নেই।
ভারতের আর পাঁচটা রাজ্যের মতো এই পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অ্যাডভাইসারি মেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক মাসের জন্য স্কুল-কলেজ-অফিস-আদালত সমেত প্রায় সব কর্মস্থান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন, মানুষজনকে খুব প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বেরতে বা হোটেল-রেস্তোরাঁ ক্লাব জমায়েতে যেতেও বারণ করেছেন। ১৮৯৭ সালের মহামারী আইনও লাগু করেছেন। সেই সঙ্গে বারবার হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার, মুখে-চোখে হাত না দেওয়ার মতো কিছু অবশ্যকর্তব্যের কথাও জানিয়েছেন। নিঃসন্দেহে সময়োচিত যথার্থ সিদ্ধান্ত। তার চেয়েও বড় কথা, দেখে স্বস্তি লাগছে যে, মমতার কট্টর বিরোধীরাও অন্তত এক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে পাশে দাঁড়িয়েছেন। পুরভোট পিছনোর ব্যাপারেও তার অন্যথা হচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা তো ঠিকই বলেছেন, আগে মানুষের প্রাণ তারপর ভোট ইত্যাদি সবকিছু।
কিন্তু কথা হল—মানব বিশ্বকে এতো বড় বিপদের মুখে ঠেলে দিল কোন দুষ্টচক্র? কেউ কেউ বলছেন, টিবি ক্যান্সার কি সার্স ইবোলাতে এর চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যায় মানুষের মৃত্যু ঘটে প্রতি বছর। সেই পরিসংখ্যানকে ঢাল করে করোনা বিপদকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টাও চলছে! কিন্তু, প্রতিষেধক প্রতিপক্ষহীন করোনা যে এই মুহূর্তে পৃথিবীর মানুষের সামনে যমরাজের দোসর হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তা অস্বীকার করবেন কে? বেশ কিছুদিন যাবৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর চর্চা চলছে এই মারণ ভাইরাসের উৎপত্তি ও বিস্তার নিয়ে। তাতে যে সব ‘থিওরি’ ঘুরেফিরে আসছে—তার মধ্যে অন্যতম হল জৈবঅস্ত্র তত্ত্ব। মার্কিন বিশেষজ্ঞের মন্তব্য সামনে রেখে বলা হচ্ছে, জৈবঅস্ত্র হিসেবে চীন উহানের গবেষণাগারে এই করোনা তৈরি করেছিল এবং সেটি কোনওভাবে লিক হয়ে যায় এবং সংক্রমণ ঘটায়। প্রথমে তারা সংক্রমণের ব্যাপারটা চেপে গিয়েছিল। আর পরবর্তীতে তাতেই যত বিপত্তি বিশ্বজুড়ে! চীন সঙ্গত কারণেই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তা নিয়ে দুই মহাদেশে ঠান্ডা লড়াইও জারি হয়ে গেছে।
তবে, মহাশক্তিধরদের এইসব বাদবিসংবাদে আমাদের কী কাম? আমরা ভাবছি, কাল কী হবে? আমাদের সরকার প্রতিরোধমূলক সব ব্যবস্থা নিয়েছেন, গত রবিবার তার জেরে দেখলাম মহানগরীর রাস্তাঘাট, শপিংমল, পার্ক স্ট্রিটের রেস্টুরেন্ট পাড়া বনধের কলকাতার মতো শুনশান, গাড়ি-ঘোড়া মানুষজনে জমজমাট সপ্তাহ শেষের ছুটির দিনের শহরটা যেন কোনও অজানা সন্ত্রাসের আশঙ্কায় দুয়ার এঁটে লুকিয়ে পড়েছে! নিত্যদিনের ট্রেনেও ভিড় নেই, বেশ কিছু মেল এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রীর অভাবে আপাতত বন্ধ! দোকান-বাজারেও সেই হুড়োহুড়ি হইহল্লা যেন অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছে। কেবল সুভাষচন্দ্রদের মতো যাদের দিন আনি দিন খাই—রুটি-রুজির তাগিদ তাঁদের দেখা মিলছে পথে। তাঁদের চোখেমুখে কথায় আচরণে বিশ্বাস-অবিশ্বাসে মেশা সেই কী হয় কী হয় ভাবটাও নজর এড়ায় না। সর্বত্র একটাই শঙ্কা একটাই আলোচনা উড়ে বেড়াচ্ছে—করোনা! সব মিলিয়ে প্রকৃত অর্থেই যুদ্ধপরিস্থিতি। আর সঙ্গত কারণেই তাতে উদ্বেগের মাত্রাও ক্রমবর্ধমান। তবে আমাদের বিশ্বাস, মানুষের প্রবল মেধাশক্তি ও বিজ্ঞানচেতনার সঙ্গে লড়াইতে করোনা-সেনা শেষপর্যন্ত পরাস্ত হবে, হবেই। এবং সেটা নিছকই সময়ের অপেক্ষা। তাই নয় কি?
19th  March, 2020
এবারের ২৩ জানুয়ারির শিক্ষা
হিমাংশু সিংহ 

পরাক্রমতার সঙ্গে অনন্ত দেশপ্রেম আর তার বিশ্বজোড়া ব্যাপ্তি মিশলে তবেই নেতাজির নাগাল পাওয়া যায়। এই সার সত্যটা বুঝতেই পারলেন না অমিত শাহরা। বাংলার মনন ও সংস্কৃতির আসল সুরটাকে ধরতে না পারার সমস্যাটা এখানেই। দেশপ্রেম দিবস কিংবা দেশনায়ক দিবসই নেতাজিকে সম্মান জানানোর পক্ষে যথার্থ। বিশদ

অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

23rd  January, 2021
ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

23rd  January, 2021
সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

23rd  January, 2021
বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
একনজরে
শারীরিক অবস্থার অবনতি হল আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের। তাঁকে দিল্লি এইমসে স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাঁচির হাসপাতালে আট সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড ...

কালনা ফেরিঘাটে গাড়ি পারাপারের ভাড়ার (পারানি) রসিদ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মহকুমা শাসক। এছাড়াও ভাড়ার অতিরিক্ত মাঝিদের বকশিসের বিষয়টি ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত দেখার নির্দেশ দেন। ...

প্রথমে ভাবা হয়েছিল, দ্বিতীয় পর্যায়ের টিকাকরণেই রাজ্যে দেওয়া হবে কোভ্যাকসিন। শনিবার আইসিএমআর শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে রাজ্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় কর্তারা রাজ্যকে জানিয়ে দিলেন দ্রুত ...

গ্রামের অর্থনীতিকে উন্নত করতে মুক্তিধারা প্রকল্পের মাধ্যমে উলুবেড়িয়া ১ নং ব্লকের হাটগাছা ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের গদাইপুর গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পঠনপাঠনে আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তির যোগ। বিশেষত সরকারি বা আধা সরকারি ক্ষেত্রে যোগ প্রবল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় শিশুকন্যা দিবস
১৮২৬: ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৭: প্রতিষ্ঠিত হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৪৫: পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের জন্ম
১৯৫০ - ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন
১৯৫০: ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হল ‘জনগণমন অধিনায়ক’
১৯৫২ - তৎকালীন বোম্বেতে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শুরু
১৯৬৫ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের মৃত্যু
১৯৬৬: বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গির ভাবার মৃত্যু
১৯৮৭ - উরুগুয়ের ফুটবল লুইস সুয়ারেরে জন্ম
১৯৮৮ - ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিংয়ের মৃত্যু
২০১১ - হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী ভীমসেন জোশীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  January, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  January, 2021

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী ৪১/৩১ রাত্রি ১০/৫৮। রোহিণী নক্ষত্র ৪৪/৭ রাত্রি ১২/১। সূর্যোদয় ৬/২২/১১, সূর্যাস্ত ৫/১৫/২০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ১/৩৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬ গতে ১/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী রাত্রি ৯/৫০। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ১১/২৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ১/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৭ গতে ৭/৮ মধ্যে ও ১২/১৭ গতে ৩/৪২ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৯ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৯ গতে ৩/৮ মধ্যে। 
১০ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: কেরল ব্লাস্টার্স ও গোয়ার ম্যাচটি ১ : ১ গোলে ড্র

23-01-2021 - 09:43:00 PM

আইএসএল: কেরল ১ - গোয়া ১ (৫৭ মিনিট)

23-01-2021 - 08:50:00 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (প্রথমার্ধ)

23-01-2021 - 08:31:03 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (২৫মিনিট)

23-01-2021 - 08:07:55 PM

টিটাগড়ে গুলি করে খুন তৃণমূল কর্মীকে
টিটাগড়ে গুলি করে খুন হলেন এক যুবক। নাম গুমানি খান ...বিশদ

23-01-2021 - 08:02:11 PM

 প্রতিবাদ নুসরতের
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর সরকারি অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক স্লোগান ওঠার ...বিশদ

23-01-2021 - 05:39:00 PM