Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে। লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাজার, সুপার মার্কেটের র‌্যাকগুলো শূন্য। যে যেমন পারছে চাল, ডাল, কাঁচা বাজার জমা করছে অ্যাপার্টমেন্টে। পুরোপুরি শাট ডাউন হলে খাবারও যে জুটবে না! তাই সাবধানের মার নেই। ব্যক্তি... তার থেকে সমষ্টি। আর তারপর বাজার অর্থনীতিতে ধস। ‘করোনা মহামারীতে’ এটাই এই মুহূর্তে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আতঙ্ক... যা চোরাস্রোতের মতো প্রত্যেকটা দেশের অস্থি-মজ্জায় ছড়িয়ে যাচ্ছে। এই উদ্বেগে অমিতাভও। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কার থেকে অন্য একটি প্রশ্ন অনেক বেশি ভাবাচ্ছে তাঁকে... চাকরিটা থাকবে তো? বলছিলেন, ‘যে কয়েকটা বড় ক্লায়েন্টকে হ্যান্ডল করি, তাদের মধ্যে অন্যতম রয়্যাল ব্যাঙ্ক অব স্কটল্যান্ড। হাইপ্রোফাইল ক্লায়েন্ট। কিন্তু এই করোনা এফেক্ট ওদেরও ধাক্কা দিতে চলেছে। বিষয়টা যেদিকে যাচ্ছে, তাতে মার্কেট মুখ থুবড়ে পড়বেই... সেই ছবিটা দ্রুত চোখের সামনে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। এর পরের উদ্বেগটা আরও গুরুতর... এই ভয়ঙ্কর প্রভাব কাটতে কতদিন লাগবে? কত মাস... কত বছর!’
এই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। রাষ্ট্রসঙ্ঘের একটি রিপোর্ট বলছে, করোনা ভাইরাসের জন্য অর্থনীতির ধাক্কা খাওয়া প্রথম ১৫টি দেশের মধ্যে থাকছে ভারত। ব্যবসায়িক ক্ষতি হতে চলেছে অন্তত ৩৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। গত কয়েক বছরে আমাদের দেশের অর্থনীতি গোঁত্তা খেতে খেতে যেখানে এসে পৌঁছেছে, তাতে এই অঙ্ক পথে বসিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। সবচেয়ে বড় আঘাত আসছে রাসায়নিক বা কেমিক্যাল সেক্টরে। তারপর একে একে টেক্সটাইল, গাড়ি শিল্প, ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতি, ধাতু ও ধাতব জিনিস, চামড়া শিল্প..। প্রভাবের অভিঘাত আমাদের দেশে বসে কিন্তু এখনই সেভাবে বোঝা যাচ্ছে না। অথচ, শুরুটা হয়ে গিয়েছে। আমাদের প্রতিবেশী দেশে। চীনে। উহান থেকে দুনিয়াভর ছড়িয়েছে কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস। তাই ঝড়টাও প্রথম আছড়ে পড়েছে চীনেই। উৎপাদন ক্ষেত্র বিপুল ধাক্কা খেয়েছে তাদের। আর আজকের বিশ্বায়নের যুগে দাঁড়িয়ে এটাই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। কেন? প্রথমত, বিশ্ব অর্থনীতির সিংহভাগ এখন নিয়ন্ত্রণ করে চীন। বহু উন্নয়নশীল দেশ মুখাপেক্ষী হয়ে থাকে বেজিংয়ের। কখনও আর্থিক সাহায্য, কখনও আবার উৎপাদিত পণ্য দিয়ে সেই দেশগুলিকে সমর্থন দেয় চীনা সরকার। সেই সহায়তা ক্ষেত্রটা কার্যত বন্ধ। দ্বিতীয়ত, চীনের উৎপাদিত পণ্যের উপর ভিত্তি করে বাণিজ্য-বিশ্বের একটা বড় অংশ এখন পরিচালিত হয়। অনেক দেশ আছে, যারা শিল্পের কাঁচামাল সবটাই আমদানি করে চীন থেকে। জি জিনপিংয়ের দেশের পুরো ফোকাস এখন করোনায়। আক্রান্ত হাজার হাজার। নজরদারি বা আইসোলেশনে বহু। অফিস, কারখানা বন্ধ। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই উৎপাদন তলানিতে। বার্ষিক গড় উৎপাদনের হার ২ শতাংশ কমে গিয়েছে। ঠিক এই কারণে যে দেশগুলি শিল্পক্ষেত্রে চীনা পণ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের উপরও আঁচটা এসে পড়ছে। সরাসরি। পুরোটাই চেইন সিস্টেম। শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই আমদানি-রপ্তানি খাতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার। আর প্রাথমিক হিসেব বলছে, করোনার প্রভাবে ২০২০ সালে বিশ্ব অর্থনীতির ২০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে। কয়েকটা ক্ষেত্র ধরে নেওয়া যাক।
পর্যটন ও হোটেল ব্যবসা। উৎপাদন শিল্পের পরই সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে এই ক্ষেত্রটি। এবং সেটা খুব অস্বাভাবিক নয়। গুণোত্তর প্রগতিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। কোথাও কোথাও আরও দ্রুত। এর কারণ পরিষ্কার... একজন যদি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলেই রোগটা ১০ জনে ছড়িয়ে যাওয়া কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। আর সেই রোগী বিষয়টি লুকিয়ে রাখলে তো কথাই নেই! আপনি-আমি জানি না, কোন মানুষটি পরীক্ষা না করিয়ে, রোগ লুকিয়ে বাসে পাশের সিটে বসে আছেন। পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে যা আরও বেশি সম্ভব। রাজস্থান বা কেরলের মতো রাজ্যে বহু বিদেশি পর্যটক আসেন। তাঁরা করোনায় আক্রান্ত হলে স্বেচ্ছায় সেই রোগ ভারতীয়দের দান করে যেতেই পারেন। সেটা হয়েওছে। আর তারপরই কঠোর হয়েছে প্রশাসন। সব দেশেই। এই পদক্ষেপে প্রথমেই বন্ধ হয়েছে ট্যুরিস্ট আসা। বিদেশি মুদ্রায় আয় তো বন্ধই, পাশাপাশি দেশের মধ্যেও বেড়িয়ে আসার আনন্দ আপাতত সিন্দুকে তোলা। আগে যেখানে একটা গড়পড়তা হোটেলের ৭৫ শতাংশের বেশি ঘর পর্যটন মরশুমে ভর্তি থাকত, সেটা এখন ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। রেস্তরাঁগুলির বিক্রিও অন্তত ৩০ শতাংশ কমেছে।
আর পর্যটনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে বিমান ও ট্রেনযাত্রা। সোমবার বিকেলেও দেখা গেল, আজকের হাওড়া-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসের এসি থ্রি টিয়ারের টিকিট রয়েছে ১৭টি। এই পরিসংখ্যান খুব সুলভ নয়! হাওড়া-এনজেপি শতাব্দীর এসি চেয়ারকারের টিকিট রয়েছে ১০৯টি। আর বিমান? আগামী সপ্তাহের দিল্লির টিকিট হাজার পাঁচেক দর চলছে। আর আজ গেলে ৬ হাজারের আশপাশে। আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা অফার দিচ্ছে... টিকিট কেটে রাখুন ডিসকাউন্টে। ছাড় তো মিলবেই। ক্যানসেল করার চার্জও লাগবে না...। কারণ একটাই। যাত্রী পরিবহণ ব্যবসা ধুঁকছে। ৬ মার্চ পর্যন্ত ৫৮৫টি আন্তর্জাতিক উড়ান বাতিল হয়েছে। সাধারণত রোজ যে পরিমাণে ফ্লাইট বুকিং হয়, তা ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমে গিয়েছে। বিমানবন্দর ফাঁকা। আতঙ্ক...।
জামাকাপড়, ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র... প্রভাব সর্বত্র। ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণ জামাকাপড় প্রত্যেক বছর রপ্তানি হয়। করোনার জন্য ইতিমধ্যেই টেক্সটাইল শিল্প হোঁচট খাচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অর্ডার আসা। আরও বেশি আঘাত ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি উৎপাদনে। টিভির প্যানেল হোক বা এসি মেশিনের কমপ্রেশার... চীনেই সবচেয়ে সস্তায় তৈরি হয়। যা আপাতত বন্ধ। মোবাইল ফোনও আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে।
সঙ্গে রয়েছে পোলট্রি শিল্প। হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ ছড়াল, মুরগির মাংস খেলে নাকি করোনা ধরতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ার মেসেজ তো আজকাল আবার আগুনের থেকে দ্রুত ছড়ায়। কমল বিক্রি। দাম নামতে নামতে কলকাতার বাজারে গড়ে ১০০ টাকার আশপাশে। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ল খাসির মাংসের দাম। দোলের দিন কোনও কোনও বাজারে ৮০০ টাকা ছুঁয়েছে খাসি। এই প্রবণতা কিন্তু শুধু কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গে নয়! গোটা বিশ্বে।
উৎপাদন নেই, পণ্যের চাহিদা নেই, সরবরাহ নেই... বাজার মুখ থুবড়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। সেটাই হচ্ছে। আর এই মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়ানোর কোনও দিশা নেই। করোনা আক্রান্তদের অন্যতম প্রধান উপসর্গ হল শ্বাসকষ্ট। অভিঘাত বাড়লে যা চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে যায়। সেক্ষেত্রে ভেন্টিলেশন ছাড়া গতি নেই। একটা শহরে সব হাসপাতাল মিলিয়ে কটা ভেন্টিলেটর থাকতে পারে? গুণোত্তর প্রগতিতে আক্রান্ত বাড়লে সেই সংখ্যাটা কিন্তু মরুভূমিতে একফোঁটা জলের মতো হয়ে দাঁড়াবে। এখন পর্যন্ত গোটা বিশ্বে আক্রান্তের মাত্র সাড়ে ৩ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে পরিসংখ্যানটা উল্টে যাবে। তাই এখন আতঙ্কে সবাই।
লন্ডনে ভয় পাচ্ছেন অমিতাভ, প্যারিসে শমীক চক্রবর্তী, বার্লিনে সৌম্য দাশগুপ্ত। ফ্রান্সে সোমবার থেকে স্কুল, কলেজ, ক্রেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও জানানো হয়েছে, খুব দরকার না হলে কর্মীদের অফিসে আসতে বাধ্য করবেন না। ওয়ার্ক ফ্রম হোম করান। তাই শমীক খানিক স্বস্তিতে। তাও আতঙ্কমুক্ত নন...।
শতবর্ষ আগে... ১৯১৮ সালে এমনই এক ফ্লু মহামারী হয়ে দেখা দিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, জাপান, আর্জেন্তিনা... সর্বত্র থাবা দিয়েছিল এই ফ্লু। প্রাণ হারিয়েছিলেন অন্তত ৫ কোটি মানুষ। মৃতদের বেশিরভাগের বয়স ছিল ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। খাবার, জল, ওষুধ... সবেরই আকাল। সেই সময় ছিল না ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ। ভাইরাসের উপস্থিতি বিজ্ঞানীরা জানতেন, কিন্তু তাকে পর্যবেক্ষণ করে ভ্যাকসিন তৈরি করা ছিল অসম্ভব। সেবারও কিন্তু প্রবল ধাক্কা খেয়েছিল অর্থনীতি। তার উপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ... পরবর্তী সময় শুরু হয়েছিল প্রায় শূন্য থেকে। সে যুগ বিশ্বায়নের ছিল না। বাজার অর্থনীতি এতটা উন্মুক্ত হয়নি। উন্নয়নশীল দেশের সংখ্যা বেশি। প্রাকৃতিক সম্পদের অভাবের দিন আসেনি...। ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বিশ্ব। আজ কী হবে? আপাতত বিজ্ঞানী, চিকিৎসকরা করোনাকে ঠেকিয়ে রাখতে বেশি তৎপর। উদ্দেশ্য একটাই, যাতে না ছড়ায়...। তারপর প্রতিষেধক। তাই সচেতনতার থেকে কার্যকরী ওষুধ কিন্তু এই মুহূর্তে অন্য কিছু নেই। কিন্তু আজ কী হবে? শুধু কোয়ারেন্টাইন করে কতদিন ঠেকিয়ে রাখা যাবে এই মহামারী?
প্রতিষেধক কিন্তু এখনও নাগালের অনেক দূর!
17th  March, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চাই
দেশজুড়ে নানা ধরনের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ
হারাধন চৌধুরী

 প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আগামী দিনে পৃথিবী চিহ্নিত হবে ‘করোনা-পূর্ব’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ হিসেবে। দেশের প্রেক্ষাপটে তিনি যেটা বলেননি তা হল ‘করোনা-মধ্যবর্তী ভারত’। দেশবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতটা রয়ে যাবে, সেটাই চিহ্নিত হবে ওই নামে।
বিশদ

14th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনের দানবীয় তাণ্ডবে বসিরহাট মহকুমায় নদীবাঁধ ভেঙে নোনা জলে প্লাবিত হয়েছে কয়েক হাজার একর চাষযোগ্য জমি। ওইসব জমিতে ফের কবে চাষ শুরু করা যাবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম উবেছে বিভিন্ন ব্লকের ভুক্তভোগী কৃষকদের।   ...

নয়াদিল্লি, ২৪ মে (পিটিআই): সরকারের ঘোষণা করা পদক্ষেপের সুবিধা নিয়ে দেশে বিনিয়োগ করুন। এবং ভারতকে ‘আত্মনির্ভর’ করে তুলুন। দেশের শিল্পপতিদের প্রতি এমনই আর্জি জানালেন অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।   ...

নয়াদিল্লি, ২৪ মে: গৃহবন্দি জীবন একঘেয়েমি হয়ে উঠেছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা ওপেনার রোহিত শর্মার কাছে। বাইশ গজে ফেরার জন্য ব্যাকুল তিনি। প্রচণ্ড মিস করছেন ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভারই মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হয়ে যাচ্ছে। করোনা-পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন হয়নি। তাই অন্যান্য জায়গার মতো পুরসভায় দু’জনের একটি করে কমিটি করে নতুন চেয়ারপার্সন নিয়োগ করা হবে। প্রত্যেক পুরসভাতেই এই মর্মে যুগ্ম সচিবের চিঠি চলে এসেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রণয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে। কারও কথায় মর্মাহত হতে হবে। ব্যবসায় শুরু করা যেতে পারে। কর্মে সুনাম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: চণ্ডীগড়ে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৯ জন, মোট আক্রান্ত ২৬৫ 

10:15:31 AM

করোনা: রাজস্থানে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৭২ জন, মোট আক্রান্ত ৭১০০ 

10:12:50 AM

করোনা: সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত কোন কোন দেশ 
বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সংখ্যাটা বর্তমানে ৫৫ লক্ষ ...বিশদ

10:08:13 AM

উঃ দিনাজপুরের ইটাহারে পুকুর থেকে গৃহবধূর দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য 
পুকুর থেকে এক গৃহবধুর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। সোমবার ...বিশদ

09:55:09 AM

২৭ মে থেকে দমদমে অটো 
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ২৭ মে থেকে দমদমে অটো চলাচল ...বিশদ

09:45:00 AM

মাস্ক পরে ঘরেই ঈদের নামাজ পড়ছেন এক যুবক

09:38:00 AM