Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

একে একে শুখাইছে ফুল, নিবিছে দেউটি
সন্দীপন বিশ্বাস

কয়েকদিন আগে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদ বধ কাব্য’ আবার পড়ছিলাম। আমাদের আধুনিক মহাকাব্য। রেনেসাঁসের আলোয় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মাইকেল রামায়ণকে দেখেছিলেন। পড়তে পড়তে আমার দিব্যচক্ষু যেন খুলে গেল। মনে হল, আরে ভাই এতো একেবারে বর্তমানের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যাচ্ছে। গোড়ায় মাইকেলের বিখ্যাত পংক্তি, ‘গাইব মা বীররসে ভাসি।’ এই বীররস আমরা কতই না দেখলাম! তার তালিকা করতে গেলে কয়েক রিম কাগজ লাগবে। একেবারে ছাপ্পান্ন ইঞ্চির ছাতি থেকে পাকিস্তানকে নাক খত দেওয়ানোর হুঙ্কার পর্যন্ত। এর পাশাপাশি জাতীয়তাবাদের আলোকে মনোপলি দেশপ্রেম, আলটপকা দেশদ্রোহী বাছাই, ধর্মভিত্তিক শাসানি বা পিটুনি, এমনকী খুন পর্যন্ত! এই সবকিছুই দেখা হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে যা আছে, তা হল, ভোটারদের মধ্যে আবেগের রসসিঞ্চন করে ভোটের ফায়দা লোটা। এইসবের মধ্যে নির্বাচনী লড়াই বা ভোটবাক্সে জোরদার সার্জিকাল স্ট্রাইকের প্রচেষ্টাই দেখা গিয়েছিল। কিন্তু নিট ফল আমরা কী দেখেছি? লোকসভা ভোটে মোদিজি ছক্কার পর ছক্কা মারলেও বিধানসভা ভোটে তাঁর জেতার মতো তাকত নেই। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের নৌকা একের পর এক রাজ্যে ডুবেছে। অনেকটা ভারতীয় ক্রিকেট দলের মতো। দেশের মাটিতে আমরা অন্যদের নাকানি চোবানি খাওয়াই। কিন্তু বিদেশের মাটিতে সবুজ পিচে ভারতীয় ক্রিকেট দলের ভরাডুবির গল্প যেন মিথ হয়ে যায়। এখানে বিধানসভা ভোটেও মোদিজির সেই অবস্থা! পরপর হোয়াইট ওয়াশ। কিন্তু হার মানেই পরাজয় নয়। এটাই এখন রাজনীতির নতুন শপথবাক্য। তাই পরাজয়ের পরের ক্ষণ থেকেই জয়ের রাস্তায় কীভাবে হাঁটা যায়, তার ছোঁকছোঁকানি শুরু হয়ে যায়। পথ যদি কেউ চেনেন, তাহলে রাস্তার অভাব হয় না। রাস্তা তো কম নেই। সামনের দরজা না থাকলে, খিড়কি দরজা তো আছেই। সেখান দিয়ে সিঁদ কেটে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস আমাদের মুখস্থ হয়ে গিয়েছে। অতীতেও এইসব খেলা আমরা দেখেছি, এখন আরও ঘনঘন দেখছি। আগে বলা হতো, আয়ারাম গয়ারাম। এখন বলা হয়, ঘোড়া কেনাবেচা।
এই কেনাবেচার খেলায় মহারাষ্ট্র রাজ্যটাকে এখনও তেমনভাবে অবশ্য কব্জা করতে পারেননি মো-শা জুটি। তবে কোনওদিন পারবেন না, এটা ভাবা ভুল। টোপ মারার প্রক্রিয়া অবিরত চলছে। আমরা জানি, বীরেরা কখনো দমে যান না। স্কটল্যান্ডের রাজা রবার্ট ব্রুসের মতো চেষ্টার পর চেষ্টা করে যাওয়ার অন্য নামই তো হল বীরত্ব! সুতরাং কেউ যদি ভাবেন, বীরত্ব আধ ছটাক কম পড়ল, তাহলে তিনি নিতান্তই আহাম্মক। কয়েকদিন আগেই মহারাষ্ট্র বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিজেপির প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্তমান বিধায়ক সুধীর মুঙ্গানিতোয়ার বলেছেন, একদিন না একদিন মহারাষ্ট্রের মাটিতেও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার মতো নেতার সন্ধান আমরা পাব। সেদিন বিজেপি-শিবসেনা আবার ভাই ভাই হয়ে উঠবে। সেই সঙ্গে অবশ্য তিনি এটাও স্বীকার করে নিয়েছেন যে, বিজেপি শিবসেনার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। একেই বুঝি বলে বীরত্ব।
সেই বীরত্বেরই সাম্প্রতিকতম নিদর্শন হল মধ্যপ্রদেশ। আবার অন্যের ঘর ভেঙে সরকার গড়ার খেলা শুরু হয়েছে সেখানে। সেই একই চিত্রনাট্য। বিরোধী দলের বিধায়কদের তুলে নিয়ে গিয়ে দামি রিসর্টে রেখে রফা পর্ব চলা। দরদাম ঠিক করা। ঘোড়া কেনাবেচা কাজ, ভোটে হারি নাহি লাজ। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে তুলে নিয়ে একটা বড় দাঁও মেরেছে বিজেপি। কত বড় দাঁও, সেটা অবশ্য ভবিষ্যতেই বোঝা যাবে। সত্যিই কি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেসের একটা বড় শক্তিকে ভেঙে নিয়ে বেরিয়ে আসতে পারবেন? সবটাই নির্ভর করছে দরদামের উপর।
কিন্তু জ্যোতিরাদিত্যর বিজেপি শিবিরে তড়িঘড়ি লাফিয়ে পড়ার পিছনে ঘুরছে অন্য একটি কাহিনিও। সেটি হল ইয়েস ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা রানা কাপুরের সঙ্গে জ্যোতিরাদিত্যর যোগাযোগ। মুম্বইয়ের বিখ্যাত আকাশচুম্বী ভবন ‘সমুদ্র মহল’। এখানকার ফ্ল্যাটের দাম পঞ্চাশ কোটি টাকার ওপর। এখানে বিখ্যাত সব মানুষের বাস। এক সময় এখানকার ফ্লাটে থাকতেন নীরব মোদি এবং বিজয় মালিয়া। থাকেন ইনফোসিসের নন্দন নিলেকানি, বেদান্ত গ্রুপের প্রতীক আগরওয়াল সহ সমাজের বড় বড় ব্যক্তিত্ব। এখানেই আগে ছিল গোয়ালিয়রের রাজাদের নিজস্ব প্রাসাদ। সেটি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে তৈরি করেছিলেন মাধবরাও সিন্ধিয়ার দাদু। একসময় এখানেই বছরের অনেকটা সময় কাটাতেন সিন্ধিয়া পরিবারের সদস্যরা। এই প্রাসাদেই বিজয়রাজের সিন্ধিয়ার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন মাধবরাও সিন্ধিয়া। পরবর্তীকালে সেটি বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেটি ভেঙে সেখানে বেশ কয়েকটি হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরি হয়। এখানে জ্যোতিরাদিত্যর দুটি ফ্ল্যাট আছে। তার মধ্যে একটি ডুপ্লেক্স। সেটিতে ভাড়া থাকতেন ইয়েস ব্যাঙ্কের রানা কাপুর। ইডির পক্ষ থেকে এই ফ্ল্যাটটিতে রেইড করা হয়। তারপরেই গ্রেপ্তার করা হয় রানা কাপুরকে। রানা গ্রেপ্তার হওয়ার একদিন পরই হঠাৎ করে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বিজেপিতে যোগ দেন। বিরাট একটা রহস্য কিন্তু পুরো গল্পটার মধ্যেই লুকিয়ে আছে। রানার গ্রেপ্তারের পরই হঠাৎ পটভূমিকার বদল হয়েছে। সেই রহস্য খুঁজে আনতে গেলে আজ আর একবার ডাকতে হবে ব্যোমকেশ বক্সিকে।
মধ্যপ্রদেশ সরকার ফেলে দিয়ে সেখানে বিজেপি সরকার গঠন করতে পারবে কিনা, এটা একটা প্রশ্ন। সেটা রাজনৈতিক সক্ষমতার প্রশ্ন। কিন্তু তারপরেও একটা পাল্টা প্রশ্ন থেকে যায়, সেটা আদর্শগত নৈতিকতার প্রশ্ন। জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতার স্বার্থে ভেঙে দিয়ে নিজেরা সরকার গঠন করে বিজেপি কার্যত জনগণেশের ম্যান্ডেটটাকেই অপমানিত করছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বারবার প্রশ্ন উঠছে, কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকার জোরে, অর্থের জোরে এভাবে সরকার ভেঙে দিলে, ভোটের দরকার কি সত্যিই আর থাকে? গণতন্ত্রের মর্যাদা কি আর থাকে? মানুষের কাছে রাজনীতিকদের শ্রদ্ধা পাওয়ার মতো কিছু কি আর থাকে? মুখে বারবার নৈতিকতার কথা বলাটা তখন মিথ্যা প্রহসনের মতো শোনায়। সম্ভ্রম বলে আর কিছু থাকে না। সম্ভ্রমকে জুতোর সুখতলা বানিয়ে ক্ষমতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার নামই কি
তবে রাজনীতি? অসহায় মানুষ তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকারের অমর্যাদা দেখে আজ এই কথাই ভাবছেন!
এখানেই শেষ নয়, আরও আছে বাকি! এর মধ্যেই বিশ্বজুড়ে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে এক নতুন রোগ, করোনা। এই মারণ ভাইরাস যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে অনায়সেই একে বলা যেতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। বায়োলজিক্যাল ওয়্যারফেয়ার। আমরা জানি না, কে বা কারা এই জৈব অস্ত্র তৈরি করেছেন! কাদের বিরুদ্ধেই বা ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল! কিন্তু আমরা জানি ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের গল্প। ১০২ বছর আগে লেখা মেরি শেলির সেই ভয়ঙ্কর উপন্যাস আজ যেন অন্যরূপে মানবসমাজে অভিশাপ হয়ে নেমে এসেছে। মানুষই আজ মানুষের একমাত্র শত্রু। এখনই বড় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। শুধু গোমূত্র দিয়ে যাঁরা একে ঠেকানোর পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা মানবিকতার বড় শত্রু। তাই যদি হতো, তবে মোদিজি তাঁর বিদেশ সফর বাতিল করতেন না। এক বোতল গোমূত্র নিয়েই তিনি বিদেশ সফরে বেরিয়ে পড়তেন। সুতরাং এইসব অবৈজ্ঞানিক এবং অস্বাস্থ্যকর প্রয়াস বন্ধ করতে অবিলম্বে উদ্যোগ নিক মোদি সরকার।
এই সবের ফাঁকেই চলছে ব্যাঙ্কের পতন। মুম্বইয়ের পিএমসি ব্যাঙ্কের হাল আমরা দেখেছি। ভেঙে পড়েছে। পিএমসির পর ইয়েস ব্যাঙ্ক। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, এরপর কোন ব্যাঙ্ক? তালিকায় আছে অনেকগুলি ব্যাঙ্ক। ধীরে ধীরে আরও কয়েকটি ব্যাঙ্কই অচিরে ভেঙে পড়তে পারে। মানুষ তাহলে টাকা রাখবেন কোথায়? ব্যাঙ্ক তাহলে তাঁকে কতটুকু গ্যারান্টি দিতে পারে? সরকারকে এই পরিস্থিতিতে অসহায় দেখাচ্ছে। দিল্লির অশান্তির সময় যেমন সরকার লুকিয়ে পড়েছিল, এখনও চুপ করে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে আর রামনাম জপছে। রামনামে উদ্ধার পাওয়া যে যায় না, তা আমরা জানি। কিন্তু রাজনীতি সেটা জানে না। এই অসহায়তার মধ্যে আর যাই দেখি সরকারকে খুব একটা সাহসী দেখাচ্ছে না। এনআরসি, সিএএ, শাহিনবাগ নিয়ে দিল্লির সংঘর্ষ, ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের একটু একটু করে ভেঙে পড়া, অর্থনীতির ক্রমেই ঘুমিয়ে পড়া, এই সবকটা দুর্বিপাক একের পর এক আমাদের জীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। এর পিছনে বারবার সরকারের ব্যর্থতাই উঠে এসেছে।
এখানেই আমার মনে হল ’‘মেঘনাদ বধ কাব্যে’র সঙ্গে একটা প্রাসঙ্গিক তুলনা। যুদ্ধের সময় যেমনভাবে রাবণের কাছে একের পর এক খারাপ সংবাদ পৌছে দিতেন ভগ্নদূত। আজ প্রতিদিন যেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কোনও এক ভগ্নদূত একের পর এক খারাপ খবর পৌঁছে দিচ্ছেন। পরের পর খারাপ খবর, ব্যর্থতার খবর, রাজকার্যে পরাজয়ের খবর। আর তিনি যেন নীরবে নিজের মনেই বলে চলেছেন, ‘একে একে শুখাইছে ফুল এবে, নিবিছে দেউটি’। এই প্রলাপ-বিলাপ অবশ্য কতটা সত্য আমরা সঠিকভাবে জানি না।
কবিচন্দ্রের রামায়ণে বলা হয়েছে, ‘রাজার পাপে রাজ্য নষ্ট, প্রজা কষ্ট পায়’ এবং ‘তোর পাপে মজিল রাজা লঙ্কার বসতি’। এই রকম পংক্তি অবশ্য মাইকেলের লেখাতেও আছে। মন্দোদরি সমস্ত পরিস্থিতির জন্য রাবণকে অভিযুক্ত করে বলছেন, ‘হায় নাথ, নিজ কর্ম-ফলে, মজালে রাক্ষসকুলে, মজিলা আপনি।’ পাপপুণ্যের বিচার অবশ্য এক একজনের কাছে এক একরকম। বিজেপি খুব ধার্মিক দল, শাস্ত্র মানে, পুরাণ মানে, গীতা, রামায়ণ, মহাভারত মানে। এতে অবশ্যই অন্যায়ের কিছু নেই। কিন্তু রাজার পাপে রাজ্যের এবং প্রজার ক্ষতি হয়, এই আপ্তবাক্যটি তারা কি মানে? নাকি, শুধু নিজেদের সুবিধাটুকু বা স্বার্থরক্ষার অংশটুকু মানে। স্বীকার না করলেও হয়তো মানে। কেননা তারা তো দেখছে, একটা একটা করে ফুল শুকিয়ে যাচ্ছে। নিভে যাচ্ছে প্রত্যাশার দীপ।
কার্টুন: সুব্রত মাজী 
16th  March, 2020
এবারের ২৩ জানুয়ারির শিক্ষা
হিমাংশু সিংহ 

পরাক্রমতার সঙ্গে অনন্ত দেশপ্রেম আর তার বিশ্বজোড়া ব্যাপ্তি মিশলে তবেই নেতাজির নাগাল পাওয়া যায়। এই সার সত্যটা বুঝতেই পারলেন না অমিত শাহরা। বাংলার মনন ও সংস্কৃতির আসল সুরটাকে ধরতে না পারার সমস্যাটা এখানেই। দেশপ্রেম দিবস কিংবা দেশনায়ক দিবসই নেতাজিকে সম্মান জানানোর পক্ষে যথার্থ। বিশদ

অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

23rd  January, 2021
ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

23rd  January, 2021
সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

23rd  January, 2021
বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
একনজরে
প্রথমে ভাবা হয়েছিল, দ্বিতীয় পর্যায়ের টিকাকরণেই রাজ্যে দেওয়া হবে কোভ্যাকসিন। শনিবার আইসিএমআর শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে রাজ্যের বিশেষজ্ঞ কমিটির জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় কর্তারা রাজ্যকে জানিয়ে দিলেন দ্রুত ...

শারীরিক অবস্থার অবনতি হল আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের। তাঁকে দিল্লি এইমসে স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাঁচির হাসপাতালে আট সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড ...

কালনা ফেরিঘাটে গাড়ি পারাপারের ভাড়ার (পারানি) রসিদ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মহকুমা শাসক। এছাড়াও ভাড়ার অতিরিক্ত মাঝিদের বকশিসের বিষয়টি ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত দেখার নির্দেশ দেন। ...

শনিবার দিনে দুপুরে কালিয়াচকের সুজাপুরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে লুটের চেষ্টা চলে। ছুটি থাকায় দুষ্কৃতীরা ওই ব্যাঙ্ক লুটের চেষ্টা করে। যদিও শেষ পর্যন্ত তাদের ছক বানচাল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পঠনপাঠনে আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তির যোগ। বিশেষত সরকারি বা আধা সরকারি ক্ষেত্রে যোগ প্রবল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় শিশুকন্যা দিবস
১৮২৬: ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৭: প্রতিষ্ঠিত হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৪৫: পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের জন্ম
১৯৫০ - ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন
১৯৫০: ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হল ‘জনগণমন অধিনায়ক’
১৯৫২ - তৎকালীন বোম্বেতে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শুরু
১৯৬৫ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের মৃত্যু
১৯৬৬: বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গির ভাবার মৃত্যু
১৯৮৭ - উরুগুয়ের ফুটবল লুইস সুয়ারেরে জন্ম
১৯৮৮ - ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিংয়ের মৃত্যু
২০১১ - হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী ভীমসেন জোশীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  January, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  January, 2021

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী ৪১/৩১ রাত্রি ১০/৫৮। রোহিণী নক্ষত্র ৪৪/৭ রাত্রি ১২/১। সূর্যোদয় ৬/২২/১১, সূর্যাস্ত ৫/১৫/২০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ১/৩৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬ গতে ১/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী রাত্রি ৯/৫০। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ১১/২৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ১/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৭ গতে ৭/৮ মধ্যে ও ১২/১৭ গতে ৩/৪২ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৯ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৯ গতে ৩/৮ মধ্যে। 
১০ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: কেরল ব্লাস্টার্স ও গোয়ার ম্যাচটি ১ : ১ গোলে ড্র

23-01-2021 - 09:43:00 PM

আইএসএল: কেরল ১ - গোয়া ১ (৫৭ মিনিট)

23-01-2021 - 08:50:00 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (প্রথমার্ধ)

23-01-2021 - 08:31:03 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (২৫মিনিট)

23-01-2021 - 08:07:55 PM

টিটাগড়ে গুলি করে খুন তৃণমূল কর্মীকে
টিটাগড়ে গুলি করে খুন হলেন এক যুবক। নাম গুমানি খান ...বিশদ

23-01-2021 - 08:02:11 PM

 প্রতিবাদ নুসরতের
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর সরকারি অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক স্লোগান ওঠার ...বিশদ

23-01-2021 - 05:39:00 PM