Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যাঙ্কিং নয়, বরং দস্যুবৃত্তি
পি চিদম্বরম

একটি ব্যাঙ্কের তহবিল গড়ে ওঠে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট, সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং স্থায়ী আমানতে (ফিক্সড ডিপোজিট) অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে। এরপর তার উপর ব্যাঙ্ক সুদ দেয় (কস্ট অফ ফান্ডস বা তহবিলের দাম হিসেবে)। সংগৃহীত জমার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রেখে দিতে হয়, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের শর্ত মেনে। কেবলমাত্র বাদবাকি অর্থরাশি থেকেই ব্যাঙ্ক অন্যদের ঋণ দিতে পারে। বিনিময়ে প্রদত্ত ঋণের উপর ব্যাঙ্ক সুদ নিয়ে থাকে, এটাই ব্যাঙ্কের সুদ বাবদ আয় (ইন্টারেস্ট ইনকাম)। এমনকী, এই যে ঋণ ব্যাঙ্ক দেয় তারও একটি ঊর্ধ্বসীমা আছে। আর্থিক বাজারের ভাষায় এটাকে বলে সিআরএআর বা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের অনুপাতে পুঁজি [ক্যাপিটাল টু রিস্ক (ওয়েটেড) অ্যাসেটস রেশিও]। বিষয়টি ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েন্সি রেশিও নামেই বেশি পরিচিত। ইন্টারেস্ট ইনকাম এবং কস্ট অফ ফান্ডস-এর ব্যবধানকে নিট ইন্টারেস্ট মার্জিন (এনআইএম) বলা হয়। এটাই হল ব্যাঙ্কের মুনাফা (প্রফিট)। যেহেতু এনআইএম সবসময়ই একটি ধনাত্মক (পজিটিভ) রাশি, তাই সাধারণভাবে ব্যাঙ্কের মুনাফা হওয়াই উচিত।
ঋণদাতা ব্যাঙ্কের কর্তব্য ঋণগ্রহীতার অ্যাকাউন্টের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা। ব্যাঙ্কের হিসেব রাখা দরকার: প্রদত্ত ঋণের উপর গ্রহীতা নিয়ম মেনে সুদ মেটাচ্ছেন তো? মূল ঋণ অঙ্কের কিস্তি তিনি নির্দিষ্ট দিনে পরিশোধ করছেন তো? ব্যালান্সশিট এবং লাভ ও ক্ষতির হিসাবের (প্রফিট অ্যান্ড লস স্টেটমেন্ট) অডিট নিয়মমতো করা হচ্ছে তো? এই যে অডিটের কথা বলা হল তাতে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতা বা খাতকের প্রকৃত আর্থিক চিত্রটির প্রতিফলন থাকছে তো?
বহু স্তরীয় নজরদারি
ব্যাঙ্কগুলির উপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের অনেকগুলি স্তর রয়েছে। প্রথমটি ব্যাঙ্কের ফিনান্স কমিটি। দ্বিতীয়টি হল বোর্ড অফ ডিরেক্টর্স। তিন নম্বরে রয়েছে ইন্টারনাল অডিটর। চতুর্থ হল এক্সটার্নাল কনকারেন্ট অডিটর। পাঁচে আসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অনুমোদিত স্ট্যাটুটরি অডিটরের কথা। ষষ্ঠ ধাপে রয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের বার্ষিক সাধারণ সভা। সাত নম্বরটি হল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভিতরে ডিপার্টমেন্ট অফ ব্যাঙ্কিং অপারেশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ডিবিওডি)। শেষধাপে থাকেন তীক্ষ্ণদৃষ্টিসম্পন্ন বিশ্লেষকরা। আর এই সবকিছুর উপরে রয়েছে অদৃশ্য বাজার, যে পুরস্কৃত করে অথবা শাস্তির বন্দোবস্ত করে, যখন ব্যাঙ্কও একটি তালিকাবদ্ধ কোম্পানি হয়। অর্থমন্ত্রকের অধীনে ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস (ডিএফএস) নামেও একটি কর্তৃপক্ষ রয়েছে, যারা নির্দিষ্ট আয়তনের তফসিলভুক্ত প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের উপর নজর রাখে। তাদের নজরে থাকে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কও।
বহুস্তরীয় নজরদারি সত্ত্বেও প্রদত্ত ঋণের কিছুটা অনুৎপাদক (নন-পারফর্মিং) হয়ে যায়, ব্যবসা-বাণিজ্যের সত্যিকার লোকসানের কারণে। কোন ধরনের ঋণকে নন-পারফমিং অ্যাসেট (এনপিএ) বা অনুৎপাদক সম্পদের শ্রেণীতে ফেলা হবে সেটি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম ও নির্দেশের ভিত্তিতে স্থির করা হয়। একবার এনপিএ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ হয়ে গেলে, সেই সম্পদের দরুন অনুমিত মুনাফার অঙ্কটা বাদ দিয়ে হিসেব প্রস্তুতের একটি ‘ব্যবস্থা’ সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কটিকেই করে নিতে হয়। এই ঘটনার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সংস্থার ডিভিডেন্ড ঘোষণা অথবা আয়ের পুনর্বিনিয়োগের উপর। মোট অনুৎপাদক সম্পদের পরিমাণ বাড়তে থাকলে অ্যালার্ম বেল বাজিয়েই দেওয়া উচিত।
ইয়েস ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে যেটা মনে হয়, তারা নজরদারির সবক’টি স্তর কোনও কৌশলে পেরিয়ে গিয়েছে এবং প্রতিটি ত্রৈমাসিকে মুনাফাও ঘোষণা করেছে। ব্যাঙ্কটি প্রথমবার তাদের ত্রৈমাসিক ক্ষতির অঙ্ক ঘোষণা করেছিল ২০১৯-এর জানুয়ারি-মার্চে। এমনকী তখনও ডিবিওডি এবং ডিএফএস-এর তরফে হুঁশিয়ার করা হয়নি।
ঋণের পরিমাণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে
২০১৪-র এপ্রিল থেকে ইয়েস ব্যাঙ্ক ঋণদান উপভোগ করে গিয়েছে। ব্যাঙ্কের ব্যালান্সশিট থেকে নীচের হিসেবটা দেওয়া গেল:
২০১৪-র মার্চ থেকে ২০১৯-এর মার্চের ভিতরে ঋণের অঙ্কটা কী দ্রুত বেড়েছে সেই হিসেবটির দিকে চোখ রাখুন: ঋণের হিসেবটা বছরে ৩৫ শতাংশ হারে বেড়েছে! বিমুদ্রাকরণের ঠিক পরবর্তী দু’বছরে (অর্থাৎ অর্থবর্ষ ২০১৬-১৭ ও অর্থবর্ষ ২০১৭-১৮) ঋণদান কী পরিমাণ বেড়েছিল খেয়াল করুন।
কিছু সংগত প্রশ্ন ওঠে: ২০১৪-র মার্চের পর কোন কমিটি অথবা কে ঋণমঞ্জুরিতে সিলমোহর দিয়েছিলেন? ইয়েস ব্যাঙ্ক যে যথেচ্ছ ঋণদান উপভোগ করছিল সেটি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকার অবগত ছিল না? প্রতি বছরের শেষে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকারের একজনও কি এই ব্যাঙ্কের ব্যালান্সশিট পড়ে দেখেননি? সিইও পরিবর্তন করার পর এবং ২০১৯-এর জানুয়ারিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নতুন সিইও নিয়োগ করার পর এই অব্যবস্থার কিছুই বদল হয়নি কেন? ২০১৯-এর মে মাসে ইয়েস ব্যাঙ্কের বোর্ডে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের একজন প্রাক্তন গভর্নরকে নিয়োগ করা হয়েছিল। তার পরেও কেন কোনও কিছু পাল্টাল না? জানুয়ারি-মার্চ ২০১৯ ত্রৈমাসিকে ইয়েস ব্যাঙ্ক তাদের সর্বপ্রথম লোকসানের দুঃসংবাদ জানাল, তখনও কেন অ্যালার্ম বেলটা বাজানো হল না?
দায়বদ্ধ কে?
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকারের কাছে এইসব প্রশ্নের জবাব চাওয়া হল গত ৭ মার্চ। কিন্তু সেই থেকে তাদের তরফে কেউই কোনও জবাব দিলেন না। দেখেশুনে মনে হচ্ছে, সরকারের ইচ্ছে এই যে ইয়েস ব্যাঙ্ক কাহিনী মানুষের মন থেকে উবে যাবে। কিন্তু সেটা কোনও ভাবেই হবে না। এর জন্য আমি সোশ্যাল মিডিয়াকে ধন্যবাদ দিতে চাই। সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন মাধ্যমের একাংশের অসৎ গপ্পো বিতরণ ছাড়া উপায় নেই।
জরুরি হল ইয়েস ব্যাঙ্ক এবং ডিবিওডি কর্তৃপক্ষের ভিতরে ব্যক্তিবিশেষের দায়বদ্ধতা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে চিহ্নিত করা। তার আগে সিবিআই এবং ইডি এই হইচইয়ের মধ্যে ঢুকে পড়লে আমি মোটেই খুশি হব না। ‘তদন্ত’ শেষ হওয়ার আগে ব্যক্তিবিশেষের দায়বদ্ধতা চিহ্নিত না-হওয়ার আশঙ্কাই আমি করছি। আশঙ্কা করছি যে কিছু ছেলেভোলানো তথ্য ফাঁস এবং মুখরোচক গপ্পো পরিবেশনে ব্যস্ত থাকবে সংবাদ মাধ্যম এবং দায়বদ্ধতা চিহ্নিতকরণের কাজটিকে অনিশ্চিত করে তোলা হবে।
যাদের জন্য ইয়েস ব্যাঙ্কের এই হাল হল সেই খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের নাম প্রকাশের দাবিতে দেশের মানুষ এবং সংসদ নিশ্চয় সরব হবে। বিশেষভাবে জানার আগ্রহ থাকবে রাঘব বোয়ালদের নাম। যেসব ব্যক্তি এবং কমিটি এই সমস্ত ঋণের অনুমোদন দিয়েছেন তাঁদের কাছেও এই কাণ্ডের ব্যাখ্যা দাবি করা হবে। পাশাপাশি ডিবিওডি এবং ডিএফএস-এর ভিতরে যেসব ব্যক্তির নজরদারির সরাসরি দায়িত্ব ছিল, তাঁদেরও চিহ্নিত করার দাবি জানানো উচিত আমাদের। এই ঘটনার ব্যাখ্যা তাঁদেরও দিতে হবে। আমার সন্দেহ, আমরা কেবলমাত্র অনিচ্ছাকৃত ত্রুটিই খুঁজে পাব না, বরং শাস্তিযোগ্য গাফিলতিও বেরিয়ে আসবে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকার একটি ‘রেসকিউ প্ল্যান’ রূপায়ণের চেষ্টা করছে যেটাকে শুধু উদ্ভটই বলা চলে। গত ১২ মার্চ ঘোষিত পরিকল্পনা অনুসারে, এসবিআই ৭,২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে, অন্যদের সঙ্গে, ইয়েস ব্যাঙ্কের পুনর্গঠিত মূলধনের ৪৯ শতাংশের মালিকানা গ্রহণের জন্য, ন্যূনতম ১০ টাকা দরের শেয়ারে—এমন একটি সময়ে যখন এই ব্যাঙ্কটির নিট মূল্য সম্ভবত শূন্য এবং শেয়ারগুলির কানাকড়িও মূল্য নেই! ‘ভালো টাকাগুলি’ ‘খারাপ টাকার’ পিছনে ছোড়ার আগে অন্য সম্ভাবনাগুলিও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। ইয়েস ব্যাঙ্ক কাহিনীর এটাই শেষ নয়।
 
16th  March, 2020
করোনাকালেও অব্যাহত পাকিস্তানের নষ্টামি
হারাধন চৌধুরী

 গত ১৬ মার্চ কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন আইসিস তার সদস্য ও অনুগামীদের ইউরোপ সম্পর্কে হুঁশিয়ার করে বলেছিল—‘‘দি ল্যান্ড অফ দি এপিডেমিক!’’ লন্ডন থেকে তাদের ‘অ্যাডভাইজারি’ ছিল যে: বিশ্ব মহামারীর এই নতুন কেন্দ্রে তাদের কেউ যেন আপাতত পা না-রাখে এবং ইউরোপে অবস্থানকালে কেউ যদি ইতিমধ্যেই করোনা সংক্রামিত হয়ে গিয়ে থাকে তবে সে/তারা যেন কোনওভাবেই সংগঠনে এসে ভিড়ে না-যায়।
বিশদ

ড্রেনের জল পরীক্ষা করেই গোষ্ঠী সংক্রমণের আগাম হদিশ মিলতে পারে
মৃন্ময় চন্দ

 নোভেল করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সারা বিশ্ব প্রকম্পিত। রোগটির চালচলন বিজ্ঞানী বা চিকিৎসক মহলে মোটেই পরিচিত নয়। শুধু চীন কেন, আমেরিকা, ইতালি, স্পেন, ইরান—সর্বত্রই বয়স্কদের উপর বেশি আঘাত হানতে শুরু করেছিল এই মারণ ভাইরাস।
বিশদ

করোনার পরেও আছে এক অন্ধকার সময়
সন্দীপন বিশ্বাস

 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তখন যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসারত। তাঁর ওই অবস্থা নিয়ে সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি অসাধারণ কবিতা লিখেছিলেন। ‘আমরা চাঁদা তুলে মারব কীট/... বসন্তে কোকিল কেশে কেশে রক্ত তুলবে সে কীসের বসন্ত!’
বিশদ

08th  April, 2020
জরুরি দ্রুত এবং ব্যাপক জনমুখী পদক্ষেপ
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

করোনা ভাইরাস ভারতীয় অর্থনীতির সামনে একই সঙ্গে একটা বড় ধাক্কা এবং কিছুটা সুযোগ দিয়ে গেল। এমনিতেই বৃদ্ধির হার কমতে কমতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। আশা করা যাচ্ছিল এবার হয়তো সেটা ৫ শতাংশের কাছে পৌঁছবে।
বিশদ

08th  April, 2020
গ্যালারি শো কতদিন?
খাবার জুটবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ব্যবসার কাজে হংকং গিয়েছিলেন বেথ এমহফ। কাজ সেরে পার্টি... তারপর দেশে ফেরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শিকাগো হয়ে যখন মিনিয়াপোলিস ফিরলেন, ততক্ষণে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। দুই, চার, ১৬, ২৫৬... বাড়তে শুরু করল সংখ্যা। সর্দি, কাশি, জ্বর... মৃত্যু। এটাই ছিল চক্র। বিশদ

07th  April, 2020
যাও সুখের সন্ধানে যাও
অতনু বিশ্বাস

 সাম্প্রতিক ভারত সফরের দ্বিতীয় দিনে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প গিয়েছিলেন দিল্লির একটি সরকারি স্কুলে। পূর্বনির্ধারিত ‘হ্যাপিনেস ক্লাস’-এ যোগ দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সুখের ক্লাস দেখতে। বিশদ

07th  April, 2020
এখন সবাই জেলবন্দি
পি চিদম্বরম

 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) ২০৫টি দেশ আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাস হল সংক্রমণ ঘটাতে পটু এক ধরনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বস্তু, যা কেবলমাত্র প্রাণীদেহের জীবিত কোষের ভিতরে প্রবেশ করে নিজের প্রতিলিপি ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে চলে। বিশদ

06th  April, 2020
ধর্মীয় গোঁড়ামির কাছে কি শেষে
হার মানবে করোনা বিরোধী লড়াই?
হিমাংশু সিংহ

 এই ভয়ঙ্কর মহামারীর দিনে দিল্লির নিজামুদ্দিনে লকডাউন ভেঙে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের জমায়েত থেকে মানবসভ্যতার কী লাভ হল? কিংবা গত বৃহস্পতিবার বালুরঘাটে রামনবমীর ভিড়ে ঠাসা মেলায়? সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের রামমন্দিরের সামনে মানুষের লম্বা লাইনে?
বিশদ

05th  April, 2020
আত্মঘাতী খেলা
তন্ময় মল্লিক

লড়াইটা আমরা কি ক্রমশই কঠিন করে ফেলছি। লকডাউন ঘোষণার পর সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই লড়াইকে হাল্কা চালে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। আর সেটা এই মুহূর্তে রুখে দিতে না পারলে সর্বনাশ অনিবার্য। ইতালি, আমেরিকা, স্পেনের রিপ্লে দেখতে হবে ভারতেও। প্রথমদিকে লকডাউন মানার যে মানসিক দৃঢ়তা আমরা দেখাতে পেরেছিলাম, দিন দিন তা শিথিল হচ্ছে।
বিশদ

04th  April, 2020
হাঁটার গল্প
সমৃদ্ধ দত্ত 

অনেকবার আবেদন করেও আধার কার্ড পায়নি রতু লাল। রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত না করা হলে রেশনও পাওয়া যায় না। সুতরাং সে রেশন পায় না। তার খুব দুঃখ ছিল, সরকারের কোনও কাগজ তার কাছে নেই বলে। সেই কষ্ট ঘুচল। অবশেষে করোনা ভাইরাসের দৌলতে এই প্রথম সরকারিভাবে একটি স্বীকৃতি পেল রতু লাল। কোনও কাগজ, সার্টিফিকেট নয়। আরও স্পষ্ট, আরও সোজাসুজি।   বিশদ

03rd  April, 2020
তাল কেটে দিল দিল্লি একাই
হারাধন চৌধুরী

একটি মাত্র শব্দ। করোনা। সারা পৃথিবীর শিরোনাম দখল করেছে। খবরের কাগজের প্রথম পাতা। বিনোদনের পাতা। খেলার পাতা। টেলিভিশনের নিউজ চ্যানেল। সব রকম সোশ্যাল মিডিয়া। এমনকী সরকারি, বেসরকারি বিজ্ঞাপনগুলিও আজ করোনাময়! সকাল থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত আমাদের কুশলাদি বিনিময়ের বিস্তৃত সংস্কৃতিতেও করোনা ভাগ বসিয়েছে পুরোমাত্রায়।  বিশদ

02nd  April, 2020
লকডাউনেই থামবে করোনার অশ্বমেধের ঘোড়া
সন্দীপন বিশ্বাস

 এ এক অন্য পৃথিবী। এই পৃথিবী দেখার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু হঠাৎই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো অতি দ্রুত আমরা মুখোমুখি হলাম এই অন্য পৃথিবীর। যেখানে গাছের পাতা ঝরার মতোই ঝরে পড়ছে মানুষের প্রাণ। বিশদ

01st  April, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: সোনামুখীর পাঁচালের ঐতিহ্যবাহী গাজন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের কারণে যে কোনওরকম জমায়েত বন্ধের নির্দেশ রয়েছে। তা মেনে এবারের গাজন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।  ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: লকডাউন ভেঙে বিনাকারণে রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর অপরাধে কুমারগ্রাম ব্লকের কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিস গত তিনদিনে ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরে সিংহভাগ মানুষই নিজেদের ঘরবন্দি করে ...

  নিজস্ব, প্রতিনিধি কলকাতা: আগামীকাল শুক্রবার থেকে কুপনের মাধ্যমেও রেশন দোকান থেকে খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হবে। খাদ্য দপ্তর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রেশন কার্ডের মতো ফুড কুপনের নম্বরও ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেলস (ই-পস) যন্ত্রে যাচাই করা হবে। ...

 রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ৮ এপ্রিল: প্রতিদ্বন্দ্বী রেবেক্কা লং-বেইলি এবং বাঙালি বংশোদ্ভূত লিসা নন্দীকে হারিয়ে লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হয়েছেন স্যার কিয়ের স্টারমার। দলের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে ৫৬.২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পঠন পাঠনে আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তিদের যোগ। বিশেষত সরকারি বা আধা সরকারি ক্ষেত্রে যোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৬: বাংলার নবাব হলেন সিরাজউদ্দৌলা
১৮৯৩: লেখক রাহুল সাংকৃত্যায়নের জন্ম
১৮৯৮: গায়ক পল রবসনের জন্ম
১৯৪৮: অভিনেত্রী ও রাজনীতিক জয়া বচ্চনের জন্ম
২০০৯: পরিচালক শক্তি সামন্তের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.২৯ টাকা ৭৭.০১ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৮ টাকা ৯৫.৩৪ টাকা
ইউরো ৮১.১২ টাকা ৮৪.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৫ চৈত্র ১৪২৬, ৯ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার, (চৈত্র কৃষ্ণপক্ষ) দ্বিতীয়া ৪৮/৪ রাত্রি ১২/৩৯। স্বাতী ৪৭/৩ রাত্রি ১২/১৫। সূ উ ৫/২৫/৩৫, অ ৫/৫০/৫৯, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৬ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ২/৪৬ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৮ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৬ চৈত্র ১৪২৬, ৯ এপ্রিল ২০২০, বৃহস্পতিবার, প্রতিপদ ১/৫৮/২৮ প্রাতঃ ৬/১৪/১৮ পরে দ্বিতীয়া ৫৬/২১/৪০ রাত্রি ৩/৫৯/৩৫। স্বাতী ৫৫/৯/৩৯ রাত্রি ৩/৩০/৪৭। সূ উ ৫/২৬/৫৫, অ ৫/৫১/৪৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৬ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৪/১৮/৩৭ গতে ৫/৫১/৪৩ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৯/১৯ গতে ১/৬/১৩ মধ্যে।
১৫ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সোনারপুরের বেলতলায় ছোটা হাতি-বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ১ 

12:24:00 PM

করোনা: অস্ট্রেলিয়ায় নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৫২ জন 

12:23:50 PM

হেনস্তার অভিযোগে দঃ দিনাজপুরের হরিরামপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মরিতি 

12:23:00 PM

করোনা: আমেরিকায় নতুন করে আক্রান্ত হলেন ২৩৩ জন 

12:11:09 PM

১০০৮ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

12:05:44 PM

করোনা: বিহারে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ১২ জন 

12:05:05 PM