Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যাঙ্কিং নয়, বরং দস্যুবৃত্তি
পি চিদম্বরম

একটি ব্যাঙ্কের তহবিল গড়ে ওঠে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট, সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং স্থায়ী আমানতে (ফিক্সড ডিপোজিট) অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে। এরপর তার উপর ব্যাঙ্ক সুদ দেয় (কস্ট অফ ফান্ডস বা তহবিলের দাম হিসেবে)। সংগৃহীত জমার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রেখে দিতে হয়, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের শর্ত মেনে। কেবলমাত্র বাদবাকি অর্থরাশি থেকেই ব্যাঙ্ক অন্যদের ঋণ দিতে পারে। বিনিময়ে প্রদত্ত ঋণের উপর ব্যাঙ্ক সুদ নিয়ে থাকে, এটাই ব্যাঙ্কের সুদ বাবদ আয় (ইন্টারেস্ট ইনকাম)। এমনকী, এই যে ঋণ ব্যাঙ্ক দেয় তারও একটি ঊর্ধ্বসীমা আছে। আর্থিক বাজারের ভাষায় এটাকে বলে সিআরএআর বা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের অনুপাতে পুঁজি [ক্যাপিটাল টু রিস্ক (ওয়েটেড) অ্যাসেটস রেশিও]। বিষয়টি ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েন্সি রেশিও নামেই বেশি পরিচিত। ইন্টারেস্ট ইনকাম এবং কস্ট অফ ফান্ডস-এর ব্যবধানকে নিট ইন্টারেস্ট মার্জিন (এনআইএম) বলা হয়। এটাই হল ব্যাঙ্কের মুনাফা (প্রফিট)। যেহেতু এনআইএম সবসময়ই একটি ধনাত্মক (পজিটিভ) রাশি, তাই সাধারণভাবে ব্যাঙ্কের মুনাফা হওয়াই উচিত।
ঋণদাতা ব্যাঙ্কের কর্তব্য ঋণগ্রহীতার অ্যাকাউন্টের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা। ব্যাঙ্কের হিসেব রাখা দরকার: প্রদত্ত ঋণের উপর গ্রহীতা নিয়ম মেনে সুদ মেটাচ্ছেন তো? মূল ঋণ অঙ্কের কিস্তি তিনি নির্দিষ্ট দিনে পরিশোধ করছেন তো? ব্যালান্সশিট এবং লাভ ও ক্ষতির হিসাবের (প্রফিট অ্যান্ড লস স্টেটমেন্ট) অডিট নিয়মমতো করা হচ্ছে তো? এই যে অডিটের কথা বলা হল তাতে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতা বা খাতকের প্রকৃত আর্থিক চিত্রটির প্রতিফলন থাকছে তো?
বহু স্তরীয় নজরদারি
ব্যাঙ্কগুলির উপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের অনেকগুলি স্তর রয়েছে। প্রথমটি ব্যাঙ্কের ফিনান্স কমিটি। দ্বিতীয়টি হল বোর্ড অফ ডিরেক্টর্স। তিন নম্বরে রয়েছে ইন্টারনাল অডিটর। চতুর্থ হল এক্সটার্নাল কনকারেন্ট অডিটর। পাঁচে আসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অনুমোদিত স্ট্যাটুটরি অডিটরের কথা। ষষ্ঠ ধাপে রয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের বার্ষিক সাধারণ সভা। সাত নম্বরটি হল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভিতরে ডিপার্টমেন্ট অফ ব্যাঙ্কিং অপারেশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ডিবিওডি)। শেষধাপে থাকেন তীক্ষ্ণদৃষ্টিসম্পন্ন বিশ্লেষকরা। আর এই সবকিছুর উপরে রয়েছে অদৃশ্য বাজার, যে পুরস্কৃত করে অথবা শাস্তির বন্দোবস্ত করে, যখন ব্যাঙ্কও একটি তালিকাবদ্ধ কোম্পানি হয়। অর্থমন্ত্রকের অধীনে ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস (ডিএফএস) নামেও একটি কর্তৃপক্ষ রয়েছে, যারা নির্দিষ্ট আয়তনের তফসিলভুক্ত প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের উপর নজর রাখে। তাদের নজরে থাকে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কও।
বহুস্তরীয় নজরদারি সত্ত্বেও প্রদত্ত ঋণের কিছুটা অনুৎপাদক (নন-পারফর্মিং) হয়ে যায়, ব্যবসা-বাণিজ্যের সত্যিকার লোকসানের কারণে। কোন ধরনের ঋণকে নন-পারফমিং অ্যাসেট (এনপিএ) বা অনুৎপাদক সম্পদের শ্রেণীতে ফেলা হবে সেটি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম ও নির্দেশের ভিত্তিতে স্থির করা হয়। একবার এনপিএ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ হয়ে গেলে, সেই সম্পদের দরুন অনুমিত মুনাফার অঙ্কটা বাদ দিয়ে হিসেব প্রস্তুতের একটি ‘ব্যবস্থা’ সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কটিকেই করে নিতে হয়। এই ঘটনার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সংস্থার ডিভিডেন্ড ঘোষণা অথবা আয়ের পুনর্বিনিয়োগের উপর। মোট অনুৎপাদক সম্পদের পরিমাণ বাড়তে থাকলে অ্যালার্ম বেল বাজিয়েই দেওয়া উচিত।
ইয়েস ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে যেটা মনে হয়, তারা নজরদারির সবক’টি স্তর কোনও কৌশলে পেরিয়ে গিয়েছে এবং প্রতিটি ত্রৈমাসিকে মুনাফাও ঘোষণা করেছে। ব্যাঙ্কটি প্রথমবার তাদের ত্রৈমাসিক ক্ষতির অঙ্ক ঘোষণা করেছিল ২০১৯-এর জানুয়ারি-মার্চে। এমনকী তখনও ডিবিওডি এবং ডিএফএস-এর তরফে হুঁশিয়ার করা হয়নি।
ঋণের পরিমাণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে
২০১৪-র এপ্রিল থেকে ইয়েস ব্যাঙ্ক ঋণদান উপভোগ করে গিয়েছে। ব্যাঙ্কের ব্যালান্সশিট থেকে নীচের হিসেবটা দেওয়া গেল:
২০১৪-র মার্চ থেকে ২০১৯-এর মার্চের ভিতরে ঋণের অঙ্কটা কী দ্রুত বেড়েছে সেই হিসেবটির দিকে চোখ রাখুন: ঋণের হিসেবটা বছরে ৩৫ শতাংশ হারে বেড়েছে! বিমুদ্রাকরণের ঠিক পরবর্তী দু’বছরে (অর্থাৎ অর্থবর্ষ ২০১৬-১৭ ও অর্থবর্ষ ২০১৭-১৮) ঋণদান কী পরিমাণ বেড়েছিল খেয়াল করুন।
কিছু সংগত প্রশ্ন ওঠে: ২০১৪-র মার্চের পর কোন কমিটি অথবা কে ঋণমঞ্জুরিতে সিলমোহর দিয়েছিলেন? ইয়েস ব্যাঙ্ক যে যথেচ্ছ ঋণদান উপভোগ করছিল সেটি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকার অবগত ছিল না? প্রতি বছরের শেষে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকারের একজনও কি এই ব্যাঙ্কের ব্যালান্সশিট পড়ে দেখেননি? সিইও পরিবর্তন করার পর এবং ২০১৯-এর জানুয়ারিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নতুন সিইও নিয়োগ করার পর এই অব্যবস্থার কিছুই বদল হয়নি কেন? ২০১৯-এর মে মাসে ইয়েস ব্যাঙ্কের বোর্ডে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের একজন প্রাক্তন গভর্নরকে নিয়োগ করা হয়েছিল। তার পরেও কেন কোনও কিছু পাল্টাল না? জানুয়ারি-মার্চ ২০১৯ ত্রৈমাসিকে ইয়েস ব্যাঙ্ক তাদের সর্বপ্রথম লোকসানের দুঃসংবাদ জানাল, তখনও কেন অ্যালার্ম বেলটা বাজানো হল না?
দায়বদ্ধ কে?
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকারের কাছে এইসব প্রশ্নের জবাব চাওয়া হল গত ৭ মার্চ। কিন্তু সেই থেকে তাদের তরফে কেউই কোনও জবাব দিলেন না। দেখেশুনে মনে হচ্ছে, সরকারের ইচ্ছে এই যে ইয়েস ব্যাঙ্ক কাহিনী মানুষের মন থেকে উবে যাবে। কিন্তু সেটা কোনও ভাবেই হবে না। এর জন্য আমি সোশ্যাল মিডিয়াকে ধন্যবাদ দিতে চাই। সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন মাধ্যমের একাংশের অসৎ গপ্পো বিতরণ ছাড়া উপায় নেই।
জরুরি হল ইয়েস ব্যাঙ্ক এবং ডিবিওডি কর্তৃপক্ষের ভিতরে ব্যক্তিবিশেষের দায়বদ্ধতা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে চিহ্নিত করা। তার আগে সিবিআই এবং ইডি এই হইচইয়ের মধ্যে ঢুকে পড়লে আমি মোটেই খুশি হব না। ‘তদন্ত’ শেষ হওয়ার আগে ব্যক্তিবিশেষের দায়বদ্ধতা চিহ্নিত না-হওয়ার আশঙ্কাই আমি করছি। আশঙ্কা করছি যে কিছু ছেলেভোলানো তথ্য ফাঁস এবং মুখরোচক গপ্পো পরিবেশনে ব্যস্ত থাকবে সংবাদ মাধ্যম এবং দায়বদ্ধতা চিহ্নিতকরণের কাজটিকে অনিশ্চিত করে তোলা হবে।
যাদের জন্য ইয়েস ব্যাঙ্কের এই হাল হল সেই খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের নাম প্রকাশের দাবিতে দেশের মানুষ এবং সংসদ নিশ্চয় সরব হবে। বিশেষভাবে জানার আগ্রহ থাকবে রাঘব বোয়ালদের নাম। যেসব ব্যক্তি এবং কমিটি এই সমস্ত ঋণের অনুমোদন দিয়েছেন তাঁদের কাছেও এই কাণ্ডের ব্যাখ্যা দাবি করা হবে। পাশাপাশি ডিবিওডি এবং ডিএফএস-এর ভিতরে যেসব ব্যক্তির নজরদারির সরাসরি দায়িত্ব ছিল, তাঁদেরও চিহ্নিত করার দাবি জানানো উচিত আমাদের। এই ঘটনার ব্যাখ্যা তাঁদেরও দিতে হবে। আমার সন্দেহ, আমরা কেবলমাত্র অনিচ্ছাকৃত ত্রুটিই খুঁজে পাব না, বরং শাস্তিযোগ্য গাফিলতিও বেরিয়ে আসবে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকার একটি ‘রেসকিউ প্ল্যান’ রূপায়ণের চেষ্টা করছে যেটাকে শুধু উদ্ভটই বলা চলে। গত ১২ মার্চ ঘোষিত পরিকল্পনা অনুসারে, এসবিআই ৭,২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে, অন্যদের সঙ্গে, ইয়েস ব্যাঙ্কের পুনর্গঠিত মূলধনের ৪৯ শতাংশের মালিকানা গ্রহণের জন্য, ন্যূনতম ১০ টাকা দরের শেয়ারে—এমন একটি সময়ে যখন এই ব্যাঙ্কটির নিট মূল্য সম্ভবত শূন্য এবং শেয়ারগুলির কানাকড়িও মূল্য নেই! ‘ভালো টাকাগুলি’ ‘খারাপ টাকার’ পিছনে ছোড়ার আগে অন্য সম্ভাবনাগুলিও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। ইয়েস ব্যাঙ্ক কাহিনীর এটাই শেষ নয়।
 
16th  March, 2020
এবারের ২৩ জানুয়ারির শিক্ষা
হিমাংশু সিংহ 

পরাক্রমতার সঙ্গে অনন্ত দেশপ্রেম আর তার বিশ্বজোড়া ব্যাপ্তি মিশলে তবেই নেতাজির নাগাল পাওয়া যায়। এই সার সত্যটা বুঝতেই পারলেন না অমিত শাহরা। বাংলার মনন ও সংস্কৃতির আসল সুরটাকে ধরতে না পারার সমস্যাটা এখানেই। দেশপ্রেম দিবস কিংবা দেশনায়ক দিবসই নেতাজিকে সম্মান জানানোর পক্ষে যথার্থ। বিশদ

অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

23rd  January, 2021
ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

23rd  January, 2021
সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

23rd  January, 2021
বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
একনজরে
প্রত্যর্পণ এড়াতে নানারকম ছল করছেন প্রায় ন’হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপি মামলার মূল অভিযুক্ত বিজয় মালিয়া। গত অক্টোবরে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছিলেন, একটি গোপন ...

শারীরিক অবস্থার অবনতি হল আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের। তাঁকে দিল্লি এইমসে স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাঁচির হাসপাতালে আট সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড ...

সিডনি টেস্টে হনুমা বিহারি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জুটি ম্যাচ বাঁচাতে সাহায্য করেছিল টিম ইন্ডিয়াকে। চোট নিয়েও অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের বিরুদ্ধে যেভাবে তাঁরা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, তা এক ...

কালনা ফেরিঘাটে গাড়ি পারাপারের ভাড়ার (পারানি) রসিদ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মহকুমা শাসক। এছাড়াও ভাড়ার অতিরিক্ত মাঝিদের বকশিসের বিষয়টি ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত দেখার নির্দেশ দেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পঠনপাঠনে আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তির যোগ। বিশেষত সরকারি বা আধা সরকারি ক্ষেত্রে যোগ প্রবল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় শিশুকন্যা দিবস
১৮২৬: ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৭: প্রতিষ্ঠিত হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৪৫: পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের জন্ম
১৯৫০ - ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন
১৯৫০: ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হল ‘জনগণমন অধিনায়ক’
১৯৫২ - তৎকালীন বোম্বেতে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শুরু
১৯৬৫ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের মৃত্যু
১৯৬৬: বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গির ভাবার মৃত্যু
১৯৮৭ - উরুগুয়ের ফুটবল লুইস সুয়ারেরে জন্ম
১৯৮৮ - ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিংয়ের মৃত্যু
২০১১ - হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী ভীমসেন জোশীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  January, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  January, 2021

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী ৪১/৩১ রাত্রি ১০/৫৮। রোহিণী নক্ষত্র ৪৪/৭ রাত্রি ১২/১। সূর্যোদয় ৬/২২/১১, সূর্যাস্ত ৫/১৫/২০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ১/৩৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬ গতে ১/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী রাত্রি ৯/৫০। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ১১/২৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ১/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৭ গতে ৭/৮ মধ্যে ও ১২/১৭ গতে ৩/৪২ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৯ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৯ গতে ৩/৮ মধ্যে। 
১০ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: কেরল ব্লাস্টার্স ও গোয়ার ম্যাচটি ১ : ১ গোলে ড্র

23-01-2021 - 09:43:00 PM

আইএসএল: কেরল ১ - গোয়া ১ (৫৭ মিনিট)

23-01-2021 - 08:50:00 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (প্রথমার্ধ)

23-01-2021 - 08:31:03 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (২৫মিনিট)

23-01-2021 - 08:07:55 PM

টিটাগড়ে গুলি করে খুন তৃণমূল কর্মীকে
টিটাগড়ে গুলি করে খুন হলেন এক যুবক। নাম গুমানি খান ...বিশদ

23-01-2021 - 08:02:11 PM

 প্রতিবাদ নুসরতের
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর সরকারি অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক স্লোগান ওঠার ...বিশদ

23-01-2021 - 05:39:00 PM