Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যাঙ্কিং নয়, বরং দস্যুবৃত্তি
পি চিদম্বরম

একটি ব্যাঙ্কের তহবিল গড়ে ওঠে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট, সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং স্থায়ী আমানতে (ফিক্সড ডিপোজিট) অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে। এরপর তার উপর ব্যাঙ্ক সুদ দেয় (কস্ট অফ ফান্ডস বা তহবিলের দাম হিসেবে)। সংগৃহীত জমার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ‘রিজার্ভ’ হিসেবে রেখে দিতে হয়, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের শর্ত মেনে। কেবলমাত্র বাদবাকি অর্থরাশি থেকেই ব্যাঙ্ক অন্যদের ঋণ দিতে পারে। বিনিময়ে প্রদত্ত ঋণের উপর ব্যাঙ্ক সুদ নিয়ে থাকে, এটাই ব্যাঙ্কের সুদ বাবদ আয় (ইন্টারেস্ট ইনকাম)। এমনকী, এই যে ঋণ ব্যাঙ্ক দেয় তারও একটি ঊর্ধ্বসীমা আছে। আর্থিক বাজারের ভাষায় এটাকে বলে সিআরএআর বা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের অনুপাতে পুঁজি [ক্যাপিটাল টু রিস্ক (ওয়েটেড) অ্যাসেটস রেশিও]। বিষয়টি ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েন্সি রেশিও নামেই বেশি পরিচিত। ইন্টারেস্ট ইনকাম এবং কস্ট অফ ফান্ডস-এর ব্যবধানকে নিট ইন্টারেস্ট মার্জিন (এনআইএম) বলা হয়। এটাই হল ব্যাঙ্কের মুনাফা (প্রফিট)। যেহেতু এনআইএম সবসময়ই একটি ধনাত্মক (পজিটিভ) রাশি, তাই সাধারণভাবে ব্যাঙ্কের মুনাফা হওয়াই উচিত।
ঋণদাতা ব্যাঙ্কের কর্তব্য ঋণগ্রহীতার অ্যাকাউন্টের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখা। ব্যাঙ্কের হিসেব রাখা দরকার: প্রদত্ত ঋণের উপর গ্রহীতা নিয়ম মেনে সুদ মেটাচ্ছেন তো? মূল ঋণ অঙ্কের কিস্তি তিনি নির্দিষ্ট দিনে পরিশোধ করছেন তো? ব্যালান্সশিট এবং লাভ ও ক্ষতির হিসাবের (প্রফিট অ্যান্ড লস স্টেটমেন্ট) অডিট নিয়মমতো করা হচ্ছে তো? এই যে অডিটের কথা বলা হল তাতে সংশ্লিষ্ট ঋণগ্রহীতা বা খাতকের প্রকৃত আর্থিক চিত্রটির প্রতিফলন থাকছে তো?
বহু স্তরীয় নজরদারি
ব্যাঙ্কগুলির উপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের অনেকগুলি স্তর রয়েছে। প্রথমটি ব্যাঙ্কের ফিনান্স কমিটি। দ্বিতীয়টি হল বোর্ড অফ ডিরেক্টর্স। তিন নম্বরে রয়েছে ইন্টারনাল অডিটর। চতুর্থ হল এক্সটার্নাল কনকারেন্ট অডিটর। পাঁচে আসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অনুমোদিত স্ট্যাটুটরি অডিটরের কথা। ষষ্ঠ ধাপে রয়েছে শেয়ারহোল্ডারদের বার্ষিক সাধারণ সভা। সাত নম্বরটি হল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভিতরে ডিপার্টমেন্ট অফ ব্যাঙ্কিং অপারেশনস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ডিবিওডি)। শেষধাপে থাকেন তীক্ষ্ণদৃষ্টিসম্পন্ন বিশ্লেষকরা। আর এই সবকিছুর উপরে রয়েছে অদৃশ্য বাজার, যে পুরস্কৃত করে অথবা শাস্তির বন্দোবস্ত করে, যখন ব্যাঙ্কও একটি তালিকাবদ্ধ কোম্পানি হয়। অর্থমন্ত্রকের অধীনে ডিপার্টমেন্ট অফ ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস (ডিএফএস) নামেও একটি কর্তৃপক্ষ রয়েছে, যারা নির্দিষ্ট আয়তনের তফসিলভুক্ত প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের উপর নজর রাখে। তাদের নজরে থাকে সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কও।
বহুস্তরীয় নজরদারি সত্ত্বেও প্রদত্ত ঋণের কিছুটা অনুৎপাদক (নন-পারফর্মিং) হয়ে যায়, ব্যবসা-বাণিজ্যের সত্যিকার লোকসানের কারণে। কোন ধরনের ঋণকে নন-পারফমিং অ্যাসেট (এনপিএ) বা অনুৎপাদক সম্পদের শ্রেণীতে ফেলা হবে সেটি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম ও নির্দেশের ভিত্তিতে স্থির করা হয়। একবার এনপিএ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ হয়ে গেলে, সেই সম্পদের দরুন অনুমিত মুনাফার অঙ্কটা বাদ দিয়ে হিসেব প্রস্তুতের একটি ‘ব্যবস্থা’ সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কটিকেই করে নিতে হয়। এই ঘটনার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে সংস্থার ডিভিডেন্ড ঘোষণা অথবা আয়ের পুনর্বিনিয়োগের উপর। মোট অনুৎপাদক সম্পদের পরিমাণ বাড়তে থাকলে অ্যালার্ম বেল বাজিয়েই দেওয়া উচিত।
ইয়েস ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে যেটা মনে হয়, তারা নজরদারির সবক’টি স্তর কোনও কৌশলে পেরিয়ে গিয়েছে এবং প্রতিটি ত্রৈমাসিকে মুনাফাও ঘোষণা করেছে। ব্যাঙ্কটি প্রথমবার তাদের ত্রৈমাসিক ক্ষতির অঙ্ক ঘোষণা করেছিল ২০১৯-এর জানুয়ারি-মার্চে। এমনকী তখনও ডিবিওডি এবং ডিএফএস-এর তরফে হুঁশিয়ার করা হয়নি।
ঋণের পরিমাণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে
২০১৪-র এপ্রিল থেকে ইয়েস ব্যাঙ্ক ঋণদান উপভোগ করে গিয়েছে। ব্যাঙ্কের ব্যালান্সশিট থেকে নীচের হিসেবটা দেওয়া গেল:
২০১৪-র মার্চ থেকে ২০১৯-এর মার্চের ভিতরে ঋণের অঙ্কটা কী দ্রুত বেড়েছে সেই হিসেবটির দিকে চোখ রাখুন: ঋণের হিসেবটা বছরে ৩৫ শতাংশ হারে বেড়েছে! বিমুদ্রাকরণের ঠিক পরবর্তী দু’বছরে (অর্থাৎ অর্থবর্ষ ২০১৬-১৭ ও অর্থবর্ষ ২০১৭-১৮) ঋণদান কী পরিমাণ বেড়েছিল খেয়াল করুন।
কিছু সংগত প্রশ্ন ওঠে: ২০১৪-র মার্চের পর কোন কমিটি অথবা কে ঋণমঞ্জুরিতে সিলমোহর দিয়েছিলেন? ইয়েস ব্যাঙ্ক যে যথেচ্ছ ঋণদান উপভোগ করছিল সেটি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকার অবগত ছিল না? প্রতি বছরের শেষে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকারের একজনও কি এই ব্যাঙ্কের ব্যালান্সশিট পড়ে দেখেননি? সিইও পরিবর্তন করার পর এবং ২০১৯-এর জানুয়ারিতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নতুন সিইও নিয়োগ করার পর এই অব্যবস্থার কিছুই বদল হয়নি কেন? ২০১৯-এর মে মাসে ইয়েস ব্যাঙ্কের বোর্ডে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের একজন প্রাক্তন গভর্নরকে নিয়োগ করা হয়েছিল। তার পরেও কেন কোনও কিছু পাল্টাল না? জানুয়ারি-মার্চ ২০১৯ ত্রৈমাসিকে ইয়েস ব্যাঙ্ক তাদের সর্বপ্রথম লোকসানের দুঃসংবাদ জানাল, তখনও কেন অ্যালার্ম বেলটা বাজানো হল না?
দায়বদ্ধ কে?
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকারের কাছে এইসব প্রশ্নের জবাব চাওয়া হল গত ৭ মার্চ। কিন্তু সেই থেকে তাদের তরফে কেউই কোনও জবাব দিলেন না। দেখেশুনে মনে হচ্ছে, সরকারের ইচ্ছে এই যে ইয়েস ব্যাঙ্ক কাহিনী মানুষের মন থেকে উবে যাবে। কিন্তু সেটা কোনও ভাবেই হবে না। এর জন্য আমি সোশ্যাল মিডিয়াকে ধন্যবাদ দিতে চাই। সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন মাধ্যমের একাংশের অসৎ গপ্পো বিতরণ ছাড়া উপায় নেই।
জরুরি হল ইয়েস ব্যাঙ্ক এবং ডিবিওডি কর্তৃপক্ষের ভিতরে ব্যক্তিবিশেষের দায়বদ্ধতা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে চিহ্নিত করা। তার আগে সিবিআই এবং ইডি এই হইচইয়ের মধ্যে ঢুকে পড়লে আমি মোটেই খুশি হব না। ‘তদন্ত’ শেষ হওয়ার আগে ব্যক্তিবিশেষের দায়বদ্ধতা চিহ্নিত না-হওয়ার আশঙ্কাই আমি করছি। আশঙ্কা করছি যে কিছু ছেলেভোলানো তথ্য ফাঁস এবং মুখরোচক গপ্পো পরিবেশনে ব্যস্ত থাকবে সংবাদ মাধ্যম এবং দায়বদ্ধতা চিহ্নিতকরণের কাজটিকে অনিশ্চিত করে তোলা হবে।
যাদের জন্য ইয়েস ব্যাঙ্কের এই হাল হল সেই খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের নাম প্রকাশের দাবিতে দেশের মানুষ এবং সংসদ নিশ্চয় সরব হবে। বিশেষভাবে জানার আগ্রহ থাকবে রাঘব বোয়ালদের নাম। যেসব ব্যক্তি এবং কমিটি এই সমস্ত ঋণের অনুমোদন দিয়েছেন তাঁদের কাছেও এই কাণ্ডের ব্যাখ্যা দাবি করা হবে। পাশাপাশি ডিবিওডি এবং ডিএফএস-এর ভিতরে যেসব ব্যক্তির নজরদারির সরাসরি দায়িত্ব ছিল, তাঁদেরও চিহ্নিত করার দাবি জানানো উচিত আমাদের। এই ঘটনার ব্যাখ্যা তাঁদেরও দিতে হবে। আমার সন্দেহ, আমরা কেবলমাত্র অনিচ্ছাকৃত ত্রুটিই খুঁজে পাব না, বরং শাস্তিযোগ্য গাফিলতিও বেরিয়ে আসবে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সরকার একটি ‘রেসকিউ প্ল্যান’ রূপায়ণের চেষ্টা করছে যেটাকে শুধু উদ্ভটই বলা চলে। গত ১২ মার্চ ঘোষিত পরিকল্পনা অনুসারে, এসবিআই ৭,২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে, অন্যদের সঙ্গে, ইয়েস ব্যাঙ্কের পুনর্গঠিত মূলধনের ৪৯ শতাংশের মালিকানা গ্রহণের জন্য, ন্যূনতম ১০ টাকা দরের শেয়ারে—এমন একটি সময়ে যখন এই ব্যাঙ্কটির নিট মূল্য সম্ভবত শূন্য এবং শেয়ারগুলির কানাকড়িও মূল্য নেই! ‘ভালো টাকাগুলি’ ‘খারাপ টাকার’ পিছনে ছোড়ার আগে অন্য সম্ভাবনাগুলিও খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে। ইয়েস ব্যাঙ্ক কাহিনীর এটাই শেষ নয়।
 
16th  March, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চাই
দেশজুড়ে নানা ধরনের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ
হারাধন চৌধুরী

 প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আগামী দিনে পৃথিবী চিহ্নিত হবে ‘করোনা-পূর্ব’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ হিসেবে। দেশের প্রেক্ষাপটে তিনি যেটা বলেননি তা হল ‘করোনা-মধ্যবর্তী ভারত’। দেশবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতটা রয়ে যাবে, সেটাই চিহ্নিত হবে ওই নামে।
বিশদ

14th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনের দানবীয় তাণ্ডবে বসিরহাট মহকুমায় নদীবাঁধ ভেঙে নোনা জলে প্লাবিত হয়েছে কয়েক হাজার একর চাষযোগ্য জমি। ওইসব জমিতে ফের কবে চাষ শুরু করা যাবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম উবেছে বিভিন্ন ব্লকের ভুক্তভোগী কৃষকদের।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২৪ মে: স্যানিটাইজার, মাস্ক এবং গ্লাভসের কালোবাজারি হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়ে রাজ্যগুলিকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিল কেন্দ্র। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে এন -৯৫ মাস্ককে চিহ্নিত করার পরেও বেশ কিছু জায়গায় অত্যধিক দামে তা বিক্রি হচ্ছে বলেই অভিযোগ।  ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভারই মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হয়ে যাচ্ছে। করোনা-পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন হয়নি। তাই অন্যান্য জায়গার মতো পুরসভায় দু’জনের একটি করে কমিটি করে নতুন চেয়ারপার্সন নিয়োগ করা হবে। প্রত্যেক পুরসভাতেই এই মর্মে যুগ্ম সচিবের চিঠি চলে এসেছে। ...

নয়াদিল্লি, ২৪ মে: গৃহবন্দি জীবন একঘেয়েমি হয়ে উঠেছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা ওপেনার রোহিত শর্মার কাছে। বাইশ গজে ফেরার জন্য ব্যাকুল তিনি। প্রচণ্ড মিস করছেন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রণয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে। কারও কথায় মর্মাহত হতে হবে। ব্যবসায় শুরু করা যেতে পারে। কর্মে সুনাম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উঃ দিনাজপুরের ইটাহারে পুকুর থেকে গৃহবধূর দেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য 
পুকুর থেকে এক গৃহবধুর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। সোমবার ...বিশদ

09:55:09 AM

২৭ মে থেকে দমদমে অটো 
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ২৭ মে থেকে দমদমে অটো চলাচল ...বিশদ

09:45:00 AM

মাস্ক পরে ঘরেই ঈদের নামাজ পড়ছেন এক যুবক

09:38:00 AM

জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগামে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

09:36:26 AM

প্রয়াত প্রবাদপ্রতীম হকি খেলোয়াড় বলবীর সিং 
প্রয়াত হলেন দেশের প্রবাদপ্রতীম হকি খেলোয়াড় বলবীর সিং। আজ সকালে ...বিশদ

09:32:38 AM

অভ্যন্তরীণ বিমান পরিষেবা চালু, মুম্বই এয়ারপোর্টে যাত্রীদের ভিড় 

09:22:00 AM