Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পদবি বনাম ব্যক্তি, কংগ্রেসের নেতৃত্ব সঙ্কট
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তিনমূর্তি ভবনে শায়িত নিথর শরীরটা। পাশে দাঁড়িয়ে ১৪ বছর বয়সি এক কিশোর। নিষ্প্রাণ মুখটার দিকে তাকিয়ে স্থির হয়ে রয়েছে তার চোখ দুটো। ভবনের পরিবেশ ভারী হতে হতে প্রায় দম বন্ধ হওয়ার অবস্থা... ছেলেটি তার মৃত ঠাকুমার ভিজে গাল সবার অলক্ষে পরিষ্কার করে দিল। ঠাকুমাই তার নাম রেখেছিলেন রাহুল...। একটা না বলা বাঁধন ছিল তিনজনের মধ্যে... ইন্দিরা, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা। চোখে হারাতেন তাদের... অপারেশন ব্লু স্টারের পর আরও বেশি করে। গিয়েছিলেন ভুবনেশ্বর। খবর পেলেন, স্কুল থেকে ফেরার সময় রাহুল-প্রিয়াঙ্কার গাড়ির ছোট একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। ওড়িশার সফর কাটছাঁট করে সেই রাতের বিমানেই ফিরেছিলেন দিল্লি। ঘুমন্ত রাহুলকে দেখে নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন... না, ও ঠিক আছে। ইন্দিরা বেঁচে থাকাকালীন ছেলে রাজীব পর্যন্ত কখনও সক্রিয় রাজনীতিতে আসার কথা ভাবেননি। সোনিয়ার সঙ্গেও তাঁর একটা বোঝাপড়া ছিল... আমি দেশ চালাচ্ছি, তুমি সংসার চালাও। তাই সোনিয়া যখন কোমর বেঁধে রাজনীতিতে নামলেন, অনেকেই নাক সিঁটকেছিলেন। ভাবটা এমন, পদবিতেই শুধু গান্ধী। তার উপর বিদেশি। একে দিয়ে হবে নাকি? তাঁরা বোঝেননি, রাজনীতির প্রাথমিক শিক্ষাটা তাঁর হয়ে গিয়েছিল ইন্দিরা থাকার সময়ই। ওই সংসার চালাতে চালাতে। আর বাকিটা রাজীব হত্যার পরবর্তী ১০ বছরে শিখিয়েছে কংগ্রেসের ভেতরের হাওয়া-বাতাস। সোনিয়া একরকম স্থির করেই নিয়েছিলেন, রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে রাজনৈতিক পাঁক চক্রে পা রাখতে দেবেন না। অথচ, তা হয়নি...। এই এক একটা ঘটনা নিশ্চয়ই সেদিন কংগ্রেসের দীর্ঘ সময়ের সৈনিক এবং সেনাপতি মনমোহন সিংয়ের ছবির মতো চোখের সামনে ভাসছিল... অর্ডিন্যান্সের কাগজ ছিঁড়ে ফেলেছেন রাহুল গান্ধী। তাও কংগ্রেসের সাংবাদিক সম্মেলনের মাঝে ঢুকে। কী ছিল তাতে? ২০১৩ সালের ১০ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ জারি করেছিল, দোষী সাব্যস্ত এমপি এবং বিধায়করা নির্বাচনে লড়তে পারবেন না। তারই ঢাল হিসেবে মনমোহন সিং মন্ত্রিসভা একটি বিল আনায় সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিল। জারি হয়েছিল অর্ডিন্যান্স। রাহুল গান্ধী যার পূর্ণ বিরোধিতা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা এবং সম্মানকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে জনসমক্ষে ছিঁড়ে ফেলেছিলেন অর্ডিন্যান্সের প্রতিলিপি। তার পরের বছরই ছিল লোকসভা নির্বাচন। কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের চোখে তখন আকাশ-কুসুম স্বপ্ন। রাহুল গান্ধীকে সভাপতি হিসেবে দেখার (তারও অবশ্য চার বছর পর দলের সভাপতি আসনে বসেন রাহুল)। বদলের পথে ছিল কংগ্রেস। সোনিয়া গান্ধী অসুস্থ। তিনি যে আর পেরে উঠছেন না, তা দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের শেষের দিকেই বোঝা যাচ্ছিল। মনমোহন সিং মৌন। তাছাড়া মনমোহনকে নেহরু-গান্ধী পরিবার, এমনকী কংগ্রেসের একটা বড় তাঁবেদার অংশও কখনও নেতৃত্বে দেখতে চায়নি। ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকলেও তিনি সেটা বুঝতেন। আর সেই অর্থে চেষ্টাও কখনও করেননি। নিজেই বলতেন, আমি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার। আর সক্রিয় রাজনীতিতে প্রিয়াঙ্কার হদিশ নেই। হাল ধরতে রাহুল ছাড়া ছিলই বা কে?
সেই ২৭ সেপ্টেম্বরের পর ছ’বছর অতিক্রান্ত। রাহুল গান্ধী ২০১৭ সালে সভাপতি হলেন। পুরনোদের সরিয়ে নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বে আনার চেষ্টা করলেন। আবার ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে পর্যুদস্ত হওয়ার পর পদ ছেড়েও দিলেন। আর কংগ্রেস সেই তিমিরেই রয়ে গেল। শুধু কংগ্রেস বললে অর্ধেক বলা হবে। কারণ, বাকি অর্ধেক রাহুল নিজে। এখন শোনা যাচ্ছে, আগামী এপ্রিলের প্লেনারি অধিবেশনে নাকি রাহুল গান্ধী ফের কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ফিরে আসবেন। ভিতরে ভিতরে এমনই চর্চা এবং ঘুঁটি সাজানো চলছে। এখানে দু’টো মোক্ষম বিষয় রয়েছে। প্রথমত, তিনি এলেন, পালিয়ে গেলেন, আবার ফেরার কথা ভাবলেন। রাহুল গান্ধী যদি ফের দলের সভাপতি হিসেবে ফিরেও আসেন, তাহলে কিন্তু নিশ্চিতভাবে এই খামখেয়ালিপনা সঙ্গে নিয়েই ফিরবেন। এমনিতেই মাঝে মাঝে তাঁর কয়েকদিনের জন্য উধাও হয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। ছুটি কাটাতে। বেশ কঠিন সময়েও। তা সব মানুষই ছুটি চায়। এতে মন্দ কী? তবে নিন্দুকে তা নিয়ে কম রসিকতা করে না! সভাপতি থাকাকালীনও এমনটা হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি দমে গিয়েছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। মাঝের কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ভালো ফল করায় খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছিল কংগ্রেস। কিন্তু পরে আবিষ্কার করা গিয়েছে, তা রাহুলের জনপ্রিয়তার জন্য নয়। বরং এর নেপথ্যে ছিল বিজেপি-বিরোধিতা (যা মূলত বিধানসভা নির্বাচনগুলিতেই চাক্ষুষ হয়েছে। লোকসভা ভোটে নয়)! কাজেই এই মানসিকতা আজ ডুবতে থাকা কংগ্রেসের বর্তমান (থুড়ি ভবিষ্যতের) পরিস্থিতির পক্ষে কি আদৌ কার্যকর হবে? দলকে নতুন তিনি কী দেবেন, যা আগে দিয়ে যেতে পারেননি?
দ্বিতীয় প্রশ্ন, দল সর্বসম্মতভাবে তাঁকে আবার সভাপতি হিসেবে মানবে তো? একদিকে হরিশ রাওয়াতের মতো নেতারা দাবি করছেন, রাহুলেরই সভাপতি হওয়া উচিত। আবার অন্যদিকে, শশী থারুরের মতো একাংশ বলছেন, সভাপতি নির্বাচন হওয়া দরকার। গান্ধী পরিবারের কাউকেই যে সভাপতি হতে হবে, তার মানে কী?
সেক্ষেত্রে দু'টি উপায় হতে পারে... ১) নির্বাচন হল। গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ সভাপতি হিসেবে ইনিংস শুরু করলেন। আর ২) রাহুল মাথার উপর থাকলেন। আর কার্যনির্বাহী সভাপতি হিসেবে অন্য কাউকে বসানো হল। এবার প্রশ্ন হল, কারা বসতে পারেন এমন আসনে? নাম আসছে শচীন পাইলট, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, অশোক গেহলট ও অবশ্যই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর। এঁদের মধ্যে অশোক গেহলট ছাড়া বাকি তিনজনের ক্ষেত্রেই মাথার উপর বসে রাহুল ছড়ি ঘোরাতে পারবেন (তাতে অবশ্য কী কাজ দেবে বলা মুশকিল)। কিন্তু বর্ষীয়ান গেহলটের ক্ষেত্রে তা সম্ভব হবে না। কারণ গেহলট পুরনো জমানার কংগ্রেসি নেতা, সোনিয়া গান্ধীর অনুগত এবং আহমেদ প্যাটেলের খাস লোক। কংগ্রেসের এই অংশটার সঙ্গে রাহুলের নয়া বাহিনীর খুব একটা বনিবনা নেই। সোনিয়া নিজেও রাহুলের রাজনৈতিক রকম-সকমে মারাত্মক ভরসা করেন বলে মনে হয় না। করলে রাহুল পদত্যাগ করার পর তিনি যখন অন্তর্বর্তী সভানেত্রী হিসেবে ফিরলেন, ছেলের বসানো লোকেদের সরিয়ে নিজের বিশ্বস্তদের পুনর্বহাল করতেন না!
তাই রাহুল গান্ধী যদি পদে ফিরে আসেন, সেই লড়াই আগের থেকে অনেক বেশি কঠিন হবে। শুধু তাঁর নিজের কাছে নয়, দলের কাছেও। সোনিয়া গান্ধী অন্তর্বর্তী সভানেত্রী হওয়ার পর অনেকে ভেবেছিলেন, যাক এবার হয়তো কংগ্রেস ধুলোটুলো ঝেড়ে উঠে দাঁড়াবে। আদৌ তা হয়নি। সোনিয়ার কাছে কোনও জাদুকাঠি ছিল না। কংগ্রেস তাই এখনও ধুঁকছে। ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে দলের মধ্যের ফাটলও। পরের প্রজন্মের নেতারা মাঝে মাঝেই তোপ দাগছেন বর্ষীয়ানদের বিরুদ্ধে। বিরোধী হিসেবে সেই অর্থে কোনও জোরদার কর্মসূচি নেই। এরপরও তাদের টিকে থাকার একমাত্র কারণ হল, দলটার নাম কংগ্রেস। কিন্তু কতদিন? রাহুল গান্ধী হয়তো পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করবেন। ফিরে আসবেন ‘স্বমহিমায়’। তাও তিনি নরেন্দ্র মোদির যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারবেন না। তেমন কিছু হলে গত লোকসভা ভোটের আগেই একটা কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যেত। একের পর এক প্রকল্প-প্রতিশ্রুতির ঘোষণা রাহুল করেছেন। আর সবই বলতে গেলে ফ্লপ। এমনকী, গরিবদের জন্য ‘ন্যায়’ প্রকল্পও। সরকারে এলে রাহুল গান্ধী আদৌ কিছু করতে পারবেন, তা মানুষ বিশ্বাস করেনি। সেটা পরীক্ষিত। তাহলে কেন কংগ্রেস সেই পুরনো লাইনেই হাঁটবে? এই প্রশ্ন দলের অন্দরেই রয়েছে। এবং খুল্লামখুল্লা।
ইন্দিরা গান্ধী কংগ্রেস ভেঙে বেরিয়ে এসেছিলেন। প্রমাণ করেছিলেন, তাঁকে ছাড়া, গান্ধী পদবি ছাড়া কংগ্রেসের অস্তিত্ব নেই। তাই তাঁর দলই স্বীকৃতি পেয়েছিল মূল কংগ্রেস হিসেবে। রাহুল নামটা
ইন্দিরার দেওয়া হতে পারে... কিন্তু রাজনৈতিক ক্যারিশমা এই নামের নেই। অন্তত এখনও না।
অর্থাৎ, আগামী দিনে কংগ্রেস যাঁকেই নেতৃত্বে
আনবে, সেই সিদ্ধান্তই হবে পথনির্দেশক। নেতৃত্বে এমন সঙ্কট বজায় থাকলে কংগ্রেস কিন্তু ধীরে
ধীরে সাইনবোর্ডেই পরিণত হবে।
মোদি সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন।
25th  February, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ: করোনার ভয়াবহ আবহে হাজার খারাপের মধ্যেও অন্তত একটা ইতিবাচক দিক খুঁজে পেলেন রবি শাস্ত্রী। এই মারণ ভাইরাসকে রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষিত হওয়ার ...

  তেল আভিব, ২৮ মার্চ (পিটিআই): বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই ৩১৪ জন নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে ধন্যবাদ জানাল ইজরায়েল। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শালবনীর সিমেন্ট কারখানায় আটকে থাকা ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের এক মাসের রেশনের ব্যবস্থা করা হল। লকডাউনের জেরে সিমেন্ট কারখানার সেকেন্ড ইউনিটে ভিনরাজ্যের সাড়ে চারশো শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ: সামাজিক দূরত্বেই জনসংযোগের উপায় খুঁজছে সিপিএম। করোনা মোকাবিলায় লকডাউনের জেরে ঘরবন্দি দেশের আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষদের মধ্যে এবার খাবার বিতরণ করবে দল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লোহা ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৭: বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২৯: অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২: তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬০ টাকা ৯২.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৮৪ টাকা ৮৩.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) পঞ্চমী ৫১/৫ রাত্রি ২/২। কৃত্তিকা ২৪/১৪ দিবা ৩/১৮। সূ উ ৫/৩৫/৫২, অ ৫/৪৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ গতে ৯/৪০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১০/১০ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৯ গতে ২/৩৮ মধ্যে।
১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, পঞ্চমী ৪১/৩৯/১২ রাত্রি ১০/১৭/২৪। কৃত্তিকা ১৬/৫০/৮ দিবা ১২/২১/৪৬। সূ উ ৫/৩৭/৪৩, অ ৫/৪৭/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১২/১ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪২/৩২ গতে ১/১৩/৪৫ মধ্যে।
 ৪ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্ত বাড়ল ৩৩৪ জন
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল আরও ৩৩৪ জন। ...বিশদ

02:12:03 PM

করোনা: শেষ কয়েক ঘণ্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০
শেষ কয়েক ঘম্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০জন। মৃত্যু হয়েছে ৪ ...বিশদ

02:06:32 PM

মুম্বইয়ে করোনায় মৃত আরও ১
মুম্বইয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক রোগীর মৃত্যু হল। মৃতার ...বিশদ

02:00:43 PM

কালনায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী 

01:55:00 PM

করোনা: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে শুরু নমুনা পরীক্ষা 
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শুরু হয়ে গেল করোনার নমুনা পরীক্ষা। ...বিশদ

01:54:53 PM

স্ট্যান্ড রোডে খাবার বিতরণ করলেন জওয়ানরা
 

লকডাউন চলাকালীন আজ স্ট্যান্ড রোডে দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে রান্না করা ...বিশদ

01:54:00 PM