Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঈশ্বরদর্শনে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের অষ্টমার্গ
বাবুলাল দাস

শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে কত মানুষই না কতভাবে ব্যক্ত করেছেন আমাদের কাছে। আমরা সাধারণ মানুষ তাঁদের একান্ত অনুভবের মধ্যে দিয়েই এই অবতারপুরুষটিকে কিছুটা হলেও উপলব্ধি করার প্রয়াস করে থাকি সাধ্যমতো। যাঁরা তাঁর সান্নিধ্য পেয়েছেন, শাস্ত্রের মাধ্যমে শ্রীশ্রীঠাকুরকে আমাদের কাছে প্রতিনিয়ত অমর করে রেখেছেন। এ বিষয়ে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত গ্রন্থখানির প্রসঙ্গে আসা যায়। ঠাকুরের পরম পার্ষদ ছিলেন মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত। তিনি ‘মাস্টারমশাই’ নামেই সকলের কাছে সুপরিচিত। শ্রীরামকৃষ্ণের কথোপকথন একটি ডাইরিতে লিখে রাখতেন মাস্টারমশাই। ঠাকুর বিভিন্নজনের সঙ্গে যেমন যেমন বলতেন, ঠিক তেমনটি করে। তাঁর লেখায় উল্লেখ থাকত সাল, তারিখ, বার, তিথি, মায় সময়টি পর্যন্ত। একেবারে পাকা দলিল! আমরা জানি, পরবর্তীকালে এসবই প্রকাশিত হয়েছে ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত’ গ্রন্থ আকারে। আমাদের ঘরে ঘরে এক পরম সখার স্থান করে নিল গ্রন্থখানি।
সাক্ষাতের প্রায় শুরুতেই মাস্টারমশাই ঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করে বসেছিলেন, ‘‘ঈশ্বরকে কি দর্শন করা যায়?’’ শ্রীরামকৃষ্ণ জবাবে বলেছিলেন, ‘‘হাঁ অবশ্য করা যায়।’’ ইংরেজি জানা উচ্চ শিক্ষিত মাস্টার মশাইয়ের অহংয়ের আঁধার ক্রমে ক্রমে ঠাকুরের জ্ঞানালোকে দূর হতে লাগল।
তিনিও উপলব্ধি করলেন পরম সার কথাটি, ঈশ্বর লাভই মানব জীবনের উদ্দেশ্য। ঠাকুর মাস্টারমশাইকে ঈশ্বরদর্শনের উপায়ের কথা শুনিয়েছিলেন, যা আমাদের অহঙ্কারের আবিলতায় ঢাকা পড়ে থাকে। তিনি বললেন, ‘‘জীবের অহংকারই মায়া। এই অহংকার সব আবরণ করে রেখেছে।’’ ‘‘আমি মলে ঘুচিবে জঞ্জাল।’’ যদি ঈশ্বরের কৃপায় ‘আমি অকর্তা’ এই বোধ হয়ে গেল, তাহলে সে ব্যক্তি তো জীবন্মুক্ত হয়ে গেল। তার আর ভয় নাই। ‘‘এই মায়া বা অহং যেন মেঘের স্বরূপ। সামান্য মেঘের জন্য সূর্যকে দেখা যায় না। যদি গুরুর কৃপায় একবার অহং বুদ্ধি যায় তাহলে ঈশ্বর দর্শন হয়।
আমরা চৈতন্যহীন। তাই মায়ার কবলে পড়ে টাকার জন্য কেঁদে ভাসিয়ে দিই বটে, কিন্তু ঈশ্বরের জন্য কীভাবে কাঁদতে হয় জানি না। এই মায়ার সংসারে আমরা, সাধারণ মানুষ, তাই বড় অসহায়। উপদেশেও কোনও ধারণা হয় না। উটের মতো সংসারের কাঁটা ঘাসে হৃদয় ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবুও শিক্ষা হয় না। কিছুদিন যেতেই যে কে সেই।
মরীচিকায় জলের ভ্রম হয়। এটি জানলে পথিক সতর্ক হয়ে যায়। সংসারে থেকে আমরা এইভাবে সতর্ক হতে পারি না। এই মরীচিকারূপ মায়া প্রতিপদে আমাদের নাজেহাল করে ছাড়ে। উদয়-অস্ত অবিশ্বাস, অসত্য, কপটতা, বিদ্বেষ, কুসঙ্গ, কর্মব্যস্ততা, অবিবেচনা, ঈশ্বর বিমুখতা, ইত্যাদি অবগুণ আমাদের কুরে কুরে খায়। একটু শান্তি পেতে কী না করি! সবাই কি শান্তি পাই? কেউ কেউ একটু আধটু পাই। কিন্তু কিছুতেই তা স্থায়ী হয় না। ফের দুঃখ ঢেলে দিয়ে ফুড়ুৎ করে পালিয়ে যায়। পাকাপাকিভবে শান্তিকে ধরে রাখতে পারি না। বারবার মরীচিকাকেই জলাশয় ভেবে ভুল করে বসি।
ঈশ্বরে মন এলে ক্রমে বুদ্ধি সুপথে পরিচালিত হয়। মন শুদ্ধ হয়ে ওঠে। শুদ্ধ মনে সদা শান্তি বিরাজ করে। শান্ত মনে ঈশ্বর অনুভব হয়। এসব কেবল শাস্ত্রেরই কথা নয়। এটিই অতি বাস্তব সত্য। শ্রীরামকৃষ্ণ তা হাতেকলমে দেখিয়ে দিয়েছেন। সংসারে থেকে নানান প্রলোভনে পড়ে আমরা তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হই। শুদ্ধ মন কী জিনিস বুঝি না। তাই এত গোল। এত কষ্ট। ঠাকুর উপায় বলে দিলেন। একহাতে সংসার ধরো, অন্য হাতে ঈশ্বর। তারপর সময় হলে দু’হাতেই আঁকড়ে ধরো তাঁকে। অর্থাৎ, সংসার করতে করতে ঈশ্বরে মন রাখলে ঠিক-বেঠিক, ভালো-মন্দ, এসব বিচার হয়। বুদ্ধি দিয়ে ঈশ্বর কৃপা করেন। বিপদ, শোক, তাপ এসব অধৈর্য করে তুলতে পারে না। সংসারের প্রতি, সমাজের প্রতি কর্তব্য-কর্ম ঠিক ঠিক হয়। ভাবনা থাকে না। ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস ও ভালোবাসা গভীরতর হয়। তখন মন আপনা থেকেই ব্যাকুল হয়ে ওঠে। শ্রীরামকৃষ্ণ মাস্টারমশাইকে বলছেন, ‘‘ব্যাকুলতা হ’লেই অরুণ উদয় হ’ল। ব্যাকুলতার পরই ঈশ্বর দর্শন।’’
এ প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃতে ঠাকুর সহজ সরল করে নানান উপমা সহযোগে আটটি মার্গের সন্ধান দিয়ে গেলেন সংসারপীড়িত মানুষের জন্য: ১) ঈশ্বরে বিশ্বাস, ২) সত্যে আঁট, ৩) মন-মুখের সমন্বয়, ৪) সর্বধর্মে শ্রদ্ধা, ৫) সাধুসঙ্গ, ৬) নির্জনবাস, ৭) বিচার ও ৮) প্রার্থনা।
বিশ্বাসেই আমাদের যত সংশয়। এ বিষয়ে পুরাণের একটি উপমা টেনে ঠাকুর বলছেন যে, একবার বিশ্বাস হয়ে গেলেই হল। রামচন্দ্র সাক্ষাৎ পূর্ণচন্দ্র নারায়ণ হয়েও লঙ্কায় যেতে সেতু বাঁধতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু ভক্ত হনুমান রাম নামে বিশ্বাস করে লাফ দিয়ে পাড়ি দিয়েছিল সমুদ্র, সেতুর আর দরকার হয়নি। আমরা আপ্তবাক্যেই আঁট থাকতে পারি না। সংশয় আর আশঙ্কা আমাদের লক্ষ্য ভ্রষ্ট করে দেয়।
মন-মুখ এক না-হলে অন্যের আস্থা অর্জন করা যায় না জেনেও কপটতা করতে দ্বিধাবোধ করি না। ঠাকুর বার বার করে বচনবদ্ধের কথা নানাভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। একবার তিনি জনৈক ভক্তকে কথা দিয়ে প্রায় ব্যর্থ হতে যাচ্ছিলেন। মধ্যরাতে স্মরণ হতেই ভক্তের দরজায় গিয়ে
হাজিরা দিয়ে শেষমেশ কথা রেখেছিলেন ঠাকুর।
‘যত মত তত পথ’। নানা পথের মাঝে তিনি সমন্বয়সাধনের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, পানি, জল কিংবা ওয়াটার সবই এক বস্তু। নামে কিছু যায় আসে না। মিছে আমরা সেসব নিয়ে গোল বাধিয়ে দিই। পরস্পরের মধ্যে বিরোধ করে মরি ।
একটি কথা প্রচলিত আছে, সৎসঙ্গে স্বর্গবাস। মানুষ কুসঙ্গে পড়ে অধোগামী হয়। ঠাকুর বললেন, সাধুসঙ্গে সদসৎ বিচার হয়। ‘‘অসৎপথে মন গেলেই বিচার করতে হয়।’’ উপমা দিয়ে বললেন, ‘‘হাতি পরের কলাগাছ খেতে শুঁড় বাড়ালেই মাহুতকে ডাঙশ মারতে হয়।’’
সংসারে সারাদিন কাজের মধ্যে ঈশ্বরে মন হয় না। তাই নির্জন বাসেরও প্রয়োজন আছে। নির্জনে ঈশ্বরে মন রাখা সহজ হয়। উপমা দিলেন, ‘‘যখন চারাগাছ থাকে, তখন তার চারিদিকে বেড়া দিতে হয়। বেড়া না দিলে ছাগল-গরুতে খেয়ে ফেলে!’’
বিচার না-করে আমরা বোকামি করে বসি। ভুল করে বসি। ঠাকুর ভক্তদের বলতেন, ভক্ত হবি, তবে বোকা হবি না। সাধুকে দিনে দেখবি, রাতেও দেখবি।
প্রার্থনা ঈশ্বরকে কাছে এনে দেয়। ঠাকুর কালী মায়ের কাছে সন্তানের মতো প্রার্থনা করতেন। কথায় কথায় মায়ের কাছে গিয়ে আবদার করতেন, অভিমান করতেন। জগজ্জননীর সঙ্গে কথা বলতেন। উপমা দিয়ে বললেন, যখন ছেলে পয়সা চায়, আর বারে বারে বলতে থাকে, ‘‘মা, তোর দুটি পায়ে পড়ি, আমাকে দুটি পয়সা দে।’’ তখন মা ব্যাজার হয়ে তার ব্যাকুলতা দেখে পয়সা ফেলে দেয় ।’’
ঠাকুর হলেন ভক্তঅন্ত প্রাণ। তাদের কাছে না-পেলে ব্যাকুল হয়ে উঠতেন। চিৎকার করে ডাকতে থাকতেন, ওরে, তোরা কে কোথায় আছিস, আমার কাছে আয়
আমরা চৈতন্যহীন। তাই মায়ার সাগরে পড়ে হাবুডুবু খেতে থাকি। সংসারযাতনা ভোগ করতে থাকি। ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি। ঠাকুর তখন কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। যে-কোনও মুহূর্তে দেহ ছেড়ে দেবেন তিনি। এক দুঃসহ করুণ মুহূর্ত। রোগজীর্ণ কঙ্কালসার শরীরে একটু পাশ ফিরে পর্যন্ত শুতে পারেন না। ঠিক সেই মুহূর্তে একটা কাণ্ড করে বসলেন। হঠাৎ ঘোরের মধ্যে চকিতে দোতলা থেকে নীচে নেমে এলেন ঠাকুর। ভক্তের কষ্টের কথা ভেবে আকুল হয়েছেন। দিন যে ফুরিয়ে যায়! আর যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। ঘটল সেই চিরঅবিস্মরণীয় ঘটনাটি। ঠাকুর ‘কল্পতরু’ হলেন সকলের মাঝে। ভক্তদের বরাভয় দিলেন অকাতরে। বললেন,‘‘তোমাদের চৈতন্য হোক।’’ ঠাকুরের এই প্রার্থনার তাৎপর্য দুর্বোধ্য ঠেকার নয়। চৈতন্যলাভ না-হলে মানবজীবন যে বৃথাই থেকে যায়।
কেবলই ভোগ আর সুখের জন্য সংঘাত করতে করতে আমরা যে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছি ক্রমশ। ধর্মের নামে, জাতের নামে বজ্জাতি করা যে আমাদের মজ্জায় বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। হাহাকারে অন্তরাত্মা কেঁদে উঠছে বারবার। শ্রীশ্রীঠাকুরের এই পুণ্য আবির্ভাব তিথিতে তাঁর বরাভয় যেন সকলের উপর বর্ষিত হয়। সকলের যেন চৈতন্য হয়।
25th  February, 2020
পদবি বনাম ব্যক্তি, কংগ্রেসের নেতৃত্ব সঙ্কট
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 তিনমূর্তি ভবনে শায়িত নিথর শরীরটা। পাশে দাঁড়িয়ে ১৪ বছর বয়সি এক কিশোর। নিষ্প্রাণ মুখটার দিকে তাকিয়ে স্থির হয়ে রয়েছে তার চোখ দুটো। ভবনের পরিবেশ ভারী হতে হতে প্রায় দম বন্ধ হওয়ার অবস্থা... ছেলেটি তার মৃত ঠাকুমার ভিজে গাল সবার অলক্ষে পরিষ্কার করে দিল।
বিশদ

25th  February, 2020
কুকথায় পঞ্চমুখ, কণ্ঠভরা বিষ ...
সন্দীপন বিশ্বাস

আচ্ছা, দুধ থেকে কি করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকে?
আচমকা শিবের প্রশ্নে একটু থতমত খেয়ে যান পার্বতী। একটু থেমে বলেন, এমন কথা বলছো কেন?  বিশদ

24th  February, 2020
মোদি সরকারের সবকিছুই জাতীয় স্বার্থে আর তার তালিকাটিও শেষ হওয়ার নয়
পি চিদম্বরম

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বারাণসীতে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করার প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা এই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’’ 
বিশদ

24th  February, 2020
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

23rd  February, 2020
প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
একনজরে
 দুবাই, ২৬ ফেব্রুয়ারি: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়েলিংটন টেস্টে ব্যর্থতার জেরে স্টিভ স্মিথের কাছে মসনদ খোয়ালেন বিরাট কোহলি। আইসিসি’র টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে দু’নম্বরে নেমে গেলেন ভারত অধিনায়ক। তাঁর জায়গায় শীর্ষস্থানে অস্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটসম্যান স্মিথ। ...

বিএনএ, আসানসোল: বেসরকারি গ্যাস কোম্পানির নিরাপত্তারক্ষী ছাঁটাই নিয়ে ক্রমশ জটিলতা বাড়ছে আসানসোলে। কোম্পানি থেকে ২৯জনকে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকে অনশন শুরু করেছেন ছাঁটাই হওয়া নিরাপত্তারক্ষীরা।   ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী আর্থিক বছর থেকে বিভিন্ন প্রশাসনিক খরচের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে দপ্তরগুলিকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে না। তাই দপ্তরগুলিকে বরাদ্দ টাকা যথাযথভাবে ও নিয়ম মেনে খরচ করার পরামর্শ দিয়েছে অর্থদপ্তর। দপ্তরগুলির আর্থিক পরামর্শদাতাদের সঙ্গে অর্থদপ্তরের বৈঠকের পর এই ...

 কোটা, ২৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা রাজস্থানে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে বরযাত্রী বোঝাই বাস নদীতে পড়ল। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৪ জনের। গুরুতর জখম ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটা শুভ। কর্মক্ষেত্রে আজ শুভ। শরীর-স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। লটারি, শেয়ার ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক ভিক্টর হুগোর জন্ম
১৯০৮- লেখিকা লীলা মজুমদারের জন্ম
১৯৩১- স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের মৃত্যু
১৯৩৬- চিত্র পরিচালক মনমোহন দেশাইয়ের জন্ম
২০১২- কিংবদন্তি ফুটবলার শৈলেন মান্নার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮৯ টাকা ৭২.৫৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৫৯ টাকা ৯৪.৮৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৪৯ টাকা ৭৯.৪১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) চতুর্থী অহোরাত্র। রেবতী ৪৭/৪০ রাত্রি ১/৮। সূ উ ৬/৪/১৪, অ ৫/৩৫/২, অমৃতযোগ রাত্রি ১/৫ গতে ৩/৩৫ বারবেলা ২/৪২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/৩৫ মধ্যে। 
১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী, রেবতী ৪২/২৩/২২ রাত্রি ১১/৪/৩৪। সূ উ ৬/৭/১৩, অ ৫/৩৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ১/০ গতে ৩/২৮ মধ্যে। কালবেলা ২/৪২/২৫ গতে ৪/৮/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০/৪১ গতে ১/২৪/৪৯ মধ্যে। 
২ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এসএসকেএম থেকে ছাড়া পেল পোলবা দুর্ঘটনায় জখম দিব্যাংশ ভকত 

07:08:00 PM

দিল্লি হিংসার ঘটনায় দুটি সিট গঠন করল ক্রাইম ব্রাঞ্চ 

06:49:02 PM

১৪৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:08:26 PM

জলপাইগুড়িতে ২১০ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ৩ 

03:39:45 PM

পুরভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে নির্দেশ রাজ্যপাল 
পুরভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এরমধ্যেই রাজ্য ...বিশদ

01:25:00 PM

লেকটাউনে নির্মীয়মাণ বিল্ডিং থেকে পড়ে মৃত শ্রমিক 

01:10:00 PM