Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঈশ্বরদর্শনে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের অষ্টমার্গ
বাবুলাল দাস

শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবকে কত মানুষই না কতভাবে ব্যক্ত করেছেন আমাদের কাছে। আমরা সাধারণ মানুষ তাঁদের একান্ত অনুভবের মধ্যে দিয়েই এই অবতারপুরুষটিকে কিছুটা হলেও উপলব্ধি করার প্রয়াস করে থাকি সাধ্যমতো। যাঁরা তাঁর সান্নিধ্য পেয়েছেন, শাস্ত্রের মাধ্যমে শ্রীশ্রীঠাকুরকে আমাদের কাছে প্রতিনিয়ত অমর করে রেখেছেন। এ বিষয়ে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত গ্রন্থখানির প্রসঙ্গে আসা যায়। ঠাকুরের পরম পার্ষদ ছিলেন মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত। তিনি ‘মাস্টারমশাই’ নামেই সকলের কাছে সুপরিচিত। শ্রীরামকৃষ্ণের কথোপকথন একটি ডাইরিতে লিখে রাখতেন মাস্টারমশাই। ঠাকুর বিভিন্নজনের সঙ্গে যেমন যেমন বলতেন, ঠিক তেমনটি করে। তাঁর লেখায় উল্লেখ থাকত সাল, তারিখ, বার, তিথি, মায় সময়টি পর্যন্ত। একেবারে পাকা দলিল! আমরা জানি, পরবর্তীকালে এসবই প্রকাশিত হয়েছে ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত’ গ্রন্থ আকারে। আমাদের ঘরে ঘরে এক পরম সখার স্থান করে নিল গ্রন্থখানি।
সাক্ষাতের প্রায় শুরুতেই মাস্টারমশাই ঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করে বসেছিলেন, ‘‘ঈশ্বরকে কি দর্শন করা যায়?’’ শ্রীরামকৃষ্ণ জবাবে বলেছিলেন, ‘‘হাঁ অবশ্য করা যায়।’’ ইংরেজি জানা উচ্চ শিক্ষিত মাস্টার মশাইয়ের অহংয়ের আঁধার ক্রমে ক্রমে ঠাকুরের জ্ঞানালোকে দূর হতে লাগল।
তিনিও উপলব্ধি করলেন পরম সার কথাটি, ঈশ্বর লাভই মানব জীবনের উদ্দেশ্য। ঠাকুর মাস্টারমশাইকে ঈশ্বরদর্শনের উপায়ের কথা শুনিয়েছিলেন, যা আমাদের অহঙ্কারের আবিলতায় ঢাকা পড়ে থাকে। তিনি বললেন, ‘‘জীবের অহংকারই মায়া। এই অহংকার সব আবরণ করে রেখেছে।’’ ‘‘আমি মলে ঘুচিবে জঞ্জাল।’’ যদি ঈশ্বরের কৃপায় ‘আমি অকর্তা’ এই বোধ হয়ে গেল, তাহলে সে ব্যক্তি তো জীবন্মুক্ত হয়ে গেল। তার আর ভয় নাই। ‘‘এই মায়া বা অহং যেন মেঘের স্বরূপ। সামান্য মেঘের জন্য সূর্যকে দেখা যায় না। যদি গুরুর কৃপায় একবার অহং বুদ্ধি যায় তাহলে ঈশ্বর দর্শন হয়।
আমরা চৈতন্যহীন। তাই মায়ার কবলে পড়ে টাকার জন্য কেঁদে ভাসিয়ে দিই বটে, কিন্তু ঈশ্বরের জন্য কীভাবে কাঁদতে হয় জানি না। এই মায়ার সংসারে আমরা, সাধারণ মানুষ, তাই বড় অসহায়। উপদেশেও কোনও ধারণা হয় না। উটের মতো সংসারের কাঁটা ঘাসে হৃদয় ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবুও শিক্ষা হয় না। কিছুদিন যেতেই যে কে সেই।
মরীচিকায় জলের ভ্রম হয়। এটি জানলে পথিক সতর্ক হয়ে যায়। সংসারে থেকে আমরা এইভাবে সতর্ক হতে পারি না। এই মরীচিকারূপ মায়া প্রতিপদে আমাদের নাজেহাল করে ছাড়ে। উদয়-অস্ত অবিশ্বাস, অসত্য, কপটতা, বিদ্বেষ, কুসঙ্গ, কর্মব্যস্ততা, অবিবেচনা, ঈশ্বর বিমুখতা, ইত্যাদি অবগুণ আমাদের কুরে কুরে খায়। একটু শান্তি পেতে কী না করি! সবাই কি শান্তি পাই? কেউ কেউ একটু আধটু পাই। কিন্তু কিছুতেই তা স্থায়ী হয় না। ফের দুঃখ ঢেলে দিয়ে ফুড়ুৎ করে পালিয়ে যায়। পাকাপাকিভবে শান্তিকে ধরে রাখতে পারি না। বারবার মরীচিকাকেই জলাশয় ভেবে ভুল করে বসি।
ঈশ্বরে মন এলে ক্রমে বুদ্ধি সুপথে পরিচালিত হয়। মন শুদ্ধ হয়ে ওঠে। শুদ্ধ মনে সদা শান্তি বিরাজ করে। শান্ত মনে ঈশ্বর অনুভব হয়। এসব কেবল শাস্ত্রেরই কথা নয়। এটিই অতি বাস্তব সত্য। শ্রীরামকৃষ্ণ তা হাতেকলমে দেখিয়ে দিয়েছেন। সংসারে থেকে নানান প্রলোভনে পড়ে আমরা তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হই। শুদ্ধ মন কী জিনিস বুঝি না। তাই এত গোল। এত কষ্ট। ঠাকুর উপায় বলে দিলেন। একহাতে সংসার ধরো, অন্য হাতে ঈশ্বর। তারপর সময় হলে দু’হাতেই আঁকড়ে ধরো তাঁকে। অর্থাৎ, সংসার করতে করতে ঈশ্বরে মন রাখলে ঠিক-বেঠিক, ভালো-মন্দ, এসব বিচার হয়। বুদ্ধি দিয়ে ঈশ্বর কৃপা করেন। বিপদ, শোক, তাপ এসব অধৈর্য করে তুলতে পারে না। সংসারের প্রতি, সমাজের প্রতি কর্তব্য-কর্ম ঠিক ঠিক হয়। ভাবনা থাকে না। ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস ও ভালোবাসা গভীরতর হয়। তখন মন আপনা থেকেই ব্যাকুল হয়ে ওঠে। শ্রীরামকৃষ্ণ মাস্টারমশাইকে বলছেন, ‘‘ব্যাকুলতা হ’লেই অরুণ উদয় হ’ল। ব্যাকুলতার পরই ঈশ্বর দর্শন।’’
এ প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃতে ঠাকুর সহজ সরল করে নানান উপমা সহযোগে আটটি মার্গের সন্ধান দিয়ে গেলেন সংসারপীড়িত মানুষের জন্য: ১) ঈশ্বরে বিশ্বাস, ২) সত্যে আঁট, ৩) মন-মুখের সমন্বয়, ৪) সর্বধর্মে শ্রদ্ধা, ৫) সাধুসঙ্গ, ৬) নির্জনবাস, ৭) বিচার ও ৮) প্রার্থনা।
বিশ্বাসেই আমাদের যত সংশয়। এ বিষয়ে পুরাণের একটি উপমা টেনে ঠাকুর বলছেন যে, একবার বিশ্বাস হয়ে গেলেই হল। রামচন্দ্র সাক্ষাৎ পূর্ণচন্দ্র নারায়ণ হয়েও লঙ্কায় যেতে সেতু বাঁধতে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু ভক্ত হনুমান রাম নামে বিশ্বাস করে লাফ দিয়ে পাড়ি দিয়েছিল সমুদ্র, সেতুর আর দরকার হয়নি। আমরা আপ্তবাক্যেই আঁট থাকতে পারি না। সংশয় আর আশঙ্কা আমাদের লক্ষ্য ভ্রষ্ট করে দেয়।
মন-মুখ এক না-হলে অন্যের আস্থা অর্জন করা যায় না জেনেও কপটতা করতে দ্বিধাবোধ করি না। ঠাকুর বার বার করে বচনবদ্ধের কথা নানাভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। একবার তিনি জনৈক ভক্তকে কথা দিয়ে প্রায় ব্যর্থ হতে যাচ্ছিলেন। মধ্যরাতে স্মরণ হতেই ভক্তের দরজায় গিয়ে
হাজিরা দিয়ে শেষমেশ কথা রেখেছিলেন ঠাকুর।
‘যত মত তত পথ’। নানা পথের মাঝে তিনি সমন্বয়সাধনের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, পানি, জল কিংবা ওয়াটার সবই এক বস্তু। নামে কিছু যায় আসে না। মিছে আমরা সেসব নিয়ে গোল বাধিয়ে দিই। পরস্পরের মধ্যে বিরোধ করে মরি ।
একটি কথা প্রচলিত আছে, সৎসঙ্গে স্বর্গবাস। মানুষ কুসঙ্গে পড়ে অধোগামী হয়। ঠাকুর বললেন, সাধুসঙ্গে সদসৎ বিচার হয়। ‘‘অসৎপথে মন গেলেই বিচার করতে হয়।’’ উপমা দিয়ে বললেন, ‘‘হাতি পরের কলাগাছ খেতে শুঁড় বাড়ালেই মাহুতকে ডাঙশ মারতে হয়।’’
সংসারে সারাদিন কাজের মধ্যে ঈশ্বরে মন হয় না। তাই নির্জন বাসেরও প্রয়োজন আছে। নির্জনে ঈশ্বরে মন রাখা সহজ হয়। উপমা দিলেন, ‘‘যখন চারাগাছ থাকে, তখন তার চারিদিকে বেড়া দিতে হয়। বেড়া না দিলে ছাগল-গরুতে খেয়ে ফেলে!’’
বিচার না-করে আমরা বোকামি করে বসি। ভুল করে বসি। ঠাকুর ভক্তদের বলতেন, ভক্ত হবি, তবে বোকা হবি না। সাধুকে দিনে দেখবি, রাতেও দেখবি।
প্রার্থনা ঈশ্বরকে কাছে এনে দেয়। ঠাকুর কালী মায়ের কাছে সন্তানের মতো প্রার্থনা করতেন। কথায় কথায় মায়ের কাছে গিয়ে আবদার করতেন, অভিমান করতেন। জগজ্জননীর সঙ্গে কথা বলতেন। উপমা দিয়ে বললেন, যখন ছেলে পয়সা চায়, আর বারে বারে বলতে থাকে, ‘‘মা, তোর দুটি পায়ে পড়ি, আমাকে দুটি পয়সা দে।’’ তখন মা ব্যাজার হয়ে তার ব্যাকুলতা দেখে পয়সা ফেলে দেয় ।’’
ঠাকুর হলেন ভক্তঅন্ত প্রাণ। তাদের কাছে না-পেলে ব্যাকুল হয়ে উঠতেন। চিৎকার করে ডাকতে থাকতেন, ওরে, তোরা কে কোথায় আছিস, আমার কাছে আয়
আমরা চৈতন্যহীন। তাই মায়ার সাগরে পড়ে হাবুডুবু খেতে থাকি। সংসারযাতনা ভোগ করতে থাকি। ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি। ঠাকুর তখন কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। যে-কোনও মুহূর্তে দেহ ছেড়ে দেবেন তিনি। এক দুঃসহ করুণ মুহূর্ত। রোগজীর্ণ কঙ্কালসার শরীরে একটু পাশ ফিরে পর্যন্ত শুতে পারেন না। ঠিক সেই মুহূর্তে একটা কাণ্ড করে বসলেন। হঠাৎ ঘোরের মধ্যে চকিতে দোতলা থেকে নীচে নেমে এলেন ঠাকুর। ভক্তের কষ্টের কথা ভেবে আকুল হয়েছেন। দিন যে ফুরিয়ে যায়! আর যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না। ঘটল সেই চিরঅবিস্মরণীয় ঘটনাটি। ঠাকুর ‘কল্পতরু’ হলেন সকলের মাঝে। ভক্তদের বরাভয় দিলেন অকাতরে। বললেন,‘‘তোমাদের চৈতন্য হোক।’’ ঠাকুরের এই প্রার্থনার তাৎপর্য দুর্বোধ্য ঠেকার নয়। চৈতন্যলাভ না-হলে মানবজীবন যে বৃথাই থেকে যায়।
কেবলই ভোগ আর সুখের জন্য সংঘাত করতে করতে আমরা যে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছি ক্রমশ। ধর্মের নামে, জাতের নামে বজ্জাতি করা যে আমাদের মজ্জায় বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। হাহাকারে অন্তরাত্মা কেঁদে উঠছে বারবার। শ্রীশ্রীঠাকুরের এই পুণ্য আবির্ভাব তিথিতে তাঁর বরাভয় যেন সকলের উপর বর্ষিত হয়। সকলের যেন চৈতন্য হয়।
25th  February, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একনজরে
  শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: লকডাউনের জেরে রাজ্যে বন্ধ বাস ও ট্রেন পরিষেবা। অফিসে আসতে পারছেন না সিআইডি, আইবি এবং পুলিস ডিরেক্টরেটের সিংহভাগ কর্মীই। তাই তাঁদের ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ: করোনার ভয়াবহ আবহে হাজার খারাপের মধ্যেও অন্তত একটা ইতিবাচক দিক খুঁজে পেলেন রবি শাস্ত্রী। এই মারণ ভাইরাসকে রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষিত হওয়ার ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি: বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাতে বাধা পড়ে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চালু হতে চলেছে ভাইরাল রিসার্চ সেন্টার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ভিআরডিএল ল্যাব। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শালবনীর সিমেন্ট কারখানায় আটকে থাকা ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের এক মাসের রেশনের ব্যবস্থা করা হল। লকডাউনের জেরে সিমেন্ট কারখানার সেকেন্ড ইউনিটে ভিনরাজ্যের সাড়ে চারশো শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লোহা ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৭: বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২৯: অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২: তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬০ টাকা ৯২.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৮৪ টাকা ৮৩.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) পঞ্চমী ৫১/৫ রাত্রি ২/২। কৃত্তিকা ২৪/১৪ দিবা ৩/১৮। সূ উ ৫/৩৫/৫২, অ ৫/৪৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ গতে ৯/৪০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১০/১০ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৯ গতে ২/৩৮ মধ্যে।
১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, পঞ্চমী ৪১/৩৯/১২ রাত্রি ১০/১৭/২৪। কৃত্তিকা ১৬/৫০/৮ দিবা ১২/২১/৪৬। সূ উ ৫/৩৭/৪৩, অ ৫/৪৭/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১২/১ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪২/৩২ গতে ১/১৩/৪৫ মধ্যে।
 ৪ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্ত বাড়ল ৩৩৪ জন
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল আরও ৩৩৪ জন। ...বিশদ

02:12:03 PM

করোনা: শেষ কয়েক ঘণ্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০
শেষ কয়েক ঘম্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০জন। মৃত্যু হয়েছে ৪ ...বিশদ

02:06:32 PM

মুম্বইয়ে করোনায় মৃত আরও ১
মুম্বইয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক রোগীর মৃত্যু হল। মৃতার ...বিশদ

02:00:43 PM

কালনায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী 

01:55:00 PM

করোনা: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে শুরু নমুনা পরীক্ষা 
উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শুরু হয়ে গেল করোনার নমুনা পরীক্ষা। ...বিশদ

01:54:53 PM

স্ট্যান্ড রোডে খাবার বিতরণ করলেন জওয়ানরা
 

লকডাউন চলাকালীন আজ স্ট্যান্ড রোডে দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে রান্না করা ...বিশদ

01:54:00 PM