Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কুকথায় পঞ্চমুখ, কণ্ঠভরা বিষ ...
সন্দীপন বিশ্বাস

আচ্ছা, দুধ থেকে কি করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকে?
আচমকা শিবের প্রশ্নে একটু থতমত খেয়ে যান পার্বতী। একটু থেমে বলেন, এমন কথা বলছো কেন?
শিব বললেন, শিবরাত্রিতে যেভাবে ভক্তরা গ্যালন গ্যালন ভেজাল দুধ মাথায় ঢেলেছে, তাতেই ভয় হচ্ছে, করোনা ভাইরাস না হয়ে যায়!
পার্বতী একটু চিন্তান্বিত হয়ে বললেন, এই তো ভয় ধরিয়ে দিলে। তুমি এখন ক’দিন কাছে এসো না। আইসোলেশন এরিয়ায় গিয়ে থাকো।
শিব বললেন, আমার আইসোলেশন এরিয়া মানে তো শ্মশান-মশান। ওখানে গিয়ে একটু চিতার ছাই মেখে নিলেই অ্যান্টি করোনা অ্যাকশন শুরু হয়ে যাবে। তাছাড়া কী সব ভেজাল দুধ-ঘি মাখিয়েছে, সারা গা চুলকোচ্ছে।
পাবর্তী বললেন, কোথাও যেতে হবে না। ক’দিন কৈলাস ভবনের নীচের ঘরে থাকো, ঠিক হয়ে যাবে। নন্দী-ভৃঙ্গীকে বলি, তোমায় সাবান মাখিয়ে ভালো করে স্নান করিয়ে গায়ে একটু অ্যান্টি ফাংগাল ক্রিম মাখিয়ে দিতে।
শিব একটু গম্ভীর হয়ে বললেন, হুম। তারপর কিছুটা থেমে বললেন, বুঝলে পারু, তোমার বাপের বাড়ির ব্যাপার স্যাপার এবার তেমন ভালো ঠেকল না। অন্যবার যাই কেমন যত্ন আত্তি জোটে। ভক্তরা খুব যত্ন করে। এবারের শিবরাত্রিতে তেমন কিছু জোটেনি গো!
পার্বতী বললেন, দেখো করোনা নিয়ে যা ইচ্ছে বল, কিন্তু অকারণে আমার বাপের বাড়ির বদনাম কোরো না।
শিব বললেন, বদনাম করছি না। কিন্তু এবার আমার পুজোর বদলে অন্য সব ব্যাপার নিয়ে সবাই মেতে রইল। একটা নামকা ওয়াস্তে জল ঢালা হল মাত্র। যেদিন শিবরাত্রি ছিল, সেদিন ছিল ভাষা দিবস। ফলে ভাষা দিবসের কবলে পড়ে আমার পুজোটা ভাসাভাসা রয়ে গেল। ভক্তিমার্গের তেমন লক্ষণ দেখাই গেল না।
পার্বতী বললেন, মানুষের ভক্তি কি কমছে তাহলে?
শিব বললেন, ভক্তি কমেনি গো। ভক্তির স্রোতটাকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভক্তি তো অন্তরের ব্যাপার। কিন্তু তোমার বাপের বাড়ির দেশে ভক্তি এখন পুরোপুরি রাজনৈতিক ভক্তি। তোমার বাপের বাড়ির দেশে অনেক ভাষা, অনেক মত, অনেক সংস্কৃতি। তাই ভোটের অঙ্কে সব ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার একটা সর্বনাশা খেলা শুরু হয়েছে। যেহেতু দেশের বেশির ভাগ মানুষ হিন্দি ভাষায় কথা বলে, তাই হিন্দি ভাষীর ভোট টানতে রামকে বড় করে তোলা হচ্ছে। হিন্দুরা সংখ্যাগুরু, তাই হিন্দুত্বের জিগির তুলে সব হিন্দু ভোট এককাট্টা করার বেনিয়াবৃত্তি চলছে। দলীয় রাজনীতি একটা পণ্য ছাড়া আজ আর কিছু নয়। তাই রামের বড় মূর্তি হবে, রামের বড় মন্দির হবে, আর আমার তেমন কদর চোখেই পড়ল না। ওই নমো নমো করে একটা কিছু।
পার্বতী অবাক হয়ে বললেন, ও মা রামকে পুজো করে ভোট পাওয়া যায়, আর তোমাকে পুজো করে কিছুই মেলে না নাকি?
শিব বললেন, হয়তো মেলে, তবে এবারের নৈতিক ভোটে আমি অনেকটা পিছিয়ে পড়েছি দেখলাম। আগে দেখতাম, ‘ব্যোম ব্যোম ভোলে’ বা ‘হর হর মহাদেব’ স্লোগানে আকাশ বাতাস মুখরিত হতো। এখন শুধু ‘জয় শ্রীরাম’ আর ‘জয় বজরংবলী’। তবে আমার মনে হয়েছে, ষাঁড় না হয়ে আমার বাহন গোরু হলে ভালো হতো। ওখানে গোরুর খুব কদর। ওরা গোরু নিয়ে যেমন মাতামাতি করে ভাবা যায় না। ওখানে তো গোবলয় বলে একটা বিশাল এলাকাকেই বোঝানো হয়। যেসব গোভক্তরা আছেন, তাঁরা কিন্তু বেশ হাড্ডাকাড্ডা। মাথায় তাঁদের ফেট্টি বাঁধা। গোরুর বিরাট ভক্ত সব। তুমি গোভক্ত না হলেই বিপদ। ওখানে রোগ হলে গোমূত্র পান করিয়ে রোগ সারানোর চেষ্টা চলছে। ক্যান্সারে নাকি গোময় খেয়ে রোগ সারানো যায়। মহাভারত, রামায়ণের চিকিৎসা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি বিজ্ঞানকে আবার সব নতুন করে ফিরিয়ে আনার জোর চেষ্টা চলছে। বলছে, এখনকার বিজ্ঞান মিথ্যা। এখনকার বিজ্ঞানীরা নাকি সব গাধা। ওরা বলছে, গোরুর দুধে সোনা আছে। এই যে এত দুধ ঢালল, চুলকুনি ছাড়া আর কী পেলাম বলতো!
কবি ভারতচন্দ্র আমার সম্পর্কে যে কবিতা লিখেছিলেন, সেখানে উনি ব্যজস্তুতির ঢংয়ে বলেছিলেন, ‘কুকথায় পঞ্চমুখ কণ্ঠভরা বিষ / কেবল আমার সঙ্গে দ্বন্দ্ব অহর্নিশ।’ সেখানে দেবী অন্নপূর্ণা রূপে তুমি নিন্দার আড়ালে আমার প্রশংসা করেছিলে। আমার পঞ্চমুখ। তাই আমি পঞ্চানন। আমার কণ্ঠভরা বিষ, তাই আমি নীলকণ্ঠ। আর তোমার সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব। মানে মিলন। কিন্তু এখনকার সময়ে সেই কথার সবটাই খারাপ অর্থে ব্যবহার করা যায়। এখনকার বেশিরভাগ রাজনীতিকের মুখে শুধু কুকথা, তাঁদের ভাষা বিষাক্ত। এত সাজিয়ে গুছিয়ে ভাষা দিবস পালন করেন, অথচ তাঁদের মুখের কী ভাষা! আর কেবল বিরোধী দলের সঙ্গে দ্বন্দ্ব অহর্নিশ। মারামারি, খুনোখুনি ছাড়া কি রাজনীতি হয় না?
পার্বতী বললেন, সত্যি তোমার কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল।
শিব বললেন, আরও আছে, এবার গিয়ে দেখলাম সর্বত্র এলাহি আয়োজন। আমি ভাবলাম, আমার জন্য বুঝি এত সাজসজ্জা, আয়োজন। ও বাবা, পরে শুনলাম, আমেরিকা থেকে টেম্পো সাহেব আসবেন, তাঁর তেলা মাথায় তেল দিতে শত কোটি টাকা রাজকোষ থেকে ভস্মে ঘি ঢালা হচ্ছে।
পার্বতী বললেন, কেন, ওনাকে এত খুশি করার চেষ্টা কেন?
শিব বললেন, দেখো পারু, পৃথিবীটা চিরকালই শক্তের ভক্ত। উনি এসে একটু মুচকি হাসবেন, কত্তামশাইয়ের কাঁধে হাতটি রেখে বলবেন, উনি একজন অসাধারণ রাজামশাই। ব্যস সব টাকা উসুল হয়ে যাবে। তবে টেম্পো মশাই কিন্তু খুব চালাক। ওনার নিয়মই হল, ফেল কড়ি মাখো তেল। উনি এসে কত টাকার অস্ত্র বিক্রি করে যাচ্ছেন জানো?
পার্বতী অবাক হয়ে বললেন, এত অস্ত্র কী হবে গো? অনেক অস্ত্রই তো আছে।
শিব বললেন, ঠিক বলেছো, যে যুদ্ধ করতে জানে, কম অস্ত্রেই বাজিমাত করতে পারে। যেমন তুমি, তোমাকে এতগুলো অস্ত্রে সজ্জিত করে অসুর বধের জন্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু আমার ওই এক ত্রিশূলেই তোমার কার্যসিদ্ধি হয়েছিল। আসলে ওই অস্ত্র কেনার লক্ষ্য হল টেম্পো সাহেবকে তুষ্টু করা। যুদ্ধুর জন্য অস্ত্র, না তুষ্টু করার জন্য অস্ত্র, তা বলা সহজ ব্যাপার নয়। অস্ত্র কেনাটাই হল একটা রাজনৈতিক অস্ত্র। তার জন্য কত্তামশাই গরিবি লুকোচ্ছেন। সব গরিব লোককে পাঁচিল তুলে দৃষ্টির আড়ালে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এই লুকনো ওনার একটা বিশেষ লক্ষণ। দেশের অর্থনীতি লুকোচ্ছেন, বাণিজ্য লুকোচ্ছেন, সাংবাদিকদের থেকে নিজেকে লুকোচ্ছেন। শুধু হিন্দুত্বের কার্ডটাই প্রকাশ্যে খেলছেন।
পার্বতী বললেন, এই হিন্দুত্ব ভয়ংকর একটা খেলা। হিন্দু দেবদেবীদের পুজোর পুরোটাই তাহলে একটা রাজনৈতিক খেলা?
শিব বললেন, হ্যাঁ, সেটাই। এখন আবার উনি ভয়ে ভয়ে আছেন। টেম্পো সাহেব এসে যদি এই ধম্মগিরি নিয়ে কোনও খোঁচা মেরে দেন! ব্যস, তাহলে তো সব বেলুন চুপসে যাবে। টেম্পোভক্তি বেরিয়ে যাবে।
পার্বতী বললেন, হুম।
শিব বললেন, আর একটা ব্যাপার আমার মাথায় ঢোকে না। সেটা হল, যে মানুষটি নিজেকে দেশের চৌকিদার বলে জাহির করেন। কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দিয়ে সেটা প্রচারও করেন, তাঁর নিরাপত্তার দেখভাল করতেই প্রতিদিন নাকি কোটি কোটি টাকা খরচ হয়ে যায়। এক চৌকিদারকে নিরাপত্তা দিতে হাজার চৌকিদার তাঁকে ঘিরে থাকছে। তার মানে পুলিশের নিরাপত্তার জন্য আরো পুলিস দরকার। সেনাদের নিরাপত্তার জন্য আরও সেনা দরকার, তাদের নিরাপত্তার জন্য আরও সেনা দরকার। ভাবো, তাহলে শুধু মানুষেরই নিরাপত্তা নেই। মানুষ যেন ফুটবল। যারা শক্তিশালী তারাই লাথি মেরে সারা মাঠে দৌড় করাচ্ছে। আমি তো গাঁজা-ভাঙ খাই আনন্দে। আর দেশের যুবকরা চাকরি না পেয়ে, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি হয়ে হতাশায় ডুবে যাচ্ছে। খড়কুঠোর মতো আঁকড়ে ধরছে মদ, হেরোইন সহ নানা ধরনের নেশাকে। তরুণ সমাজ যেন অবসাদে নুয়ে পড়েছে। আর অর্ধশিক্ষিত নেতাদের বছরের পর বছর সম্পত্তি বেড়েই চলেছে।
গম্ভীর হয়ে যান পার্বতী। সেই বেদনা যেন তাঁকেও স্পর্শ করেছে।
নন্দী এসে বললেন, প্রভু চলেন, গরম জল রেডি। আপনারে সিনান করিয়ে দিই।
শিব উঠতে উঠতে বললেন, বুঝলে পারু, আমার মনে হচ্ছে, আবার একটা তাণ্ডব নৃত্য চালাতে হবে। তখন তুমি ছিলে আমার কাঁধে। সতীরূপে। দক্ষযজ্ঞের আসর থেকে তোমার দেহটা নিয়ে আমি সমস্ত জগৎকে লয় করে দিতে চেয়েছিলাম। এবার ধর্মান্ধতা, কুশিক্ষা আর অত্যাচারে মৃত মানবাত্মার দেহটাকে নিয়ে আমি প্রলয় নাচন নাচব। মিথ্যা ধর্মের বিনাশ করব, রাজনৈতিক ধাপ্পাবাজিকে ধ্বংস করব। ধর্ম হল সেটাই, যা মানুষের কল্যাণ করে। বাজারে এখন ধর্মের মোড়কে বিক্রি হচ্ছে অধর্মের চরস। তাই খেয়ে একদল বুঁদ হয়ে যাচ্ছে, আর অন্যদল যথেচ্ছাচার চালাচ্ছে। তোমার দেহ যেমন বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং তৈরি হয়েছিল এক একটা শক্তিপীঠ। মানুষের শক্তিও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হবে শক্তিপীঠ। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে অসংখ্য নিপীড়িত মানুষের শক্তি। আমাদের আশীর্বাদ ওদের সঙ্গে থাকবে। মানুষের সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিনাশ হবে অশুভ শক্তির।
শিব থামতেই নন্দী বলে উঠলেন, জয় ভোলানাথ বাবার জয়। 
24th  February, 2020
পদবি বনাম ব্যক্তি, কংগ্রেসের নেতৃত্ব সঙ্কট
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 তিনমূর্তি ভবনে শায়িত নিথর শরীরটা। পাশে দাঁড়িয়ে ১৪ বছর বয়সি এক কিশোর। নিষ্প্রাণ মুখটার দিকে তাকিয়ে স্থির হয়ে রয়েছে তার চোখ দুটো। ভবনের পরিবেশ ভারী হতে হতে প্রায় দম বন্ধ হওয়ার অবস্থা... ছেলেটি তার মৃত ঠাকুমার ভিজে গাল সবার অলক্ষে পরিষ্কার করে দিল।
বিশদ

25th  February, 2020
ঈশ্বরদর্শনে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের অষ্টমার্গ
বাবুলাল দাস

ঈশ্বরে মন এলে ক্রমে বুদ্ধি সুপথে পরিচালিত হয়। মন শুদ্ধ হয়ে ওঠে। শুদ্ধ মনে সদা শান্তি বিরাজ করে। শান্ত মনে ঈশ্বর অনুভব হয়। এসব কেবল শাস্ত্রেরই কথা নয়। এটিই অতি বাস্তব সত্য। শ্রীরামকৃষ্ণ তা হাতেকলমে দেখিয়ে দিয়েছেন। সংসারে থেকে নানান প্রলোভনে পড়ে আমরা তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হই। শুদ্ধ মন কী জিনিস বুঝি না। তাই এত গোল। এত কষ্ট। ঠাকুর উপায় বলে দিলেন। একহাতে সংসার ধরো, অন্য হাতে ঈশ্বর।
বিশদ

25th  February, 2020
মোদি সরকারের সবকিছুই জাতীয় স্বার্থে আর তার তালিকাটিও শেষ হওয়ার নয়
পি চিদম্বরম

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বারাণসীতে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করার প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা এই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’’ 
বিশদ

24th  February, 2020
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

23rd  February, 2020
প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
একনজরে
 কোটা, ২৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা রাজস্থানে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে বরযাত্রী বোঝাই বাস নদীতে পড়ল। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৪ জনের। গুরুতর জখম ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী আর্থিক বছর থেকে বিভিন্ন প্রশাসনিক খরচের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে দপ্তরগুলিকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে না। তাই দপ্তরগুলিকে বরাদ্দ টাকা যথাযথভাবে ও নিয়ম মেনে খরচ করার পরামর্শ দিয়েছে অর্থদপ্তর। দপ্তরগুলির আর্থিক পরামর্শদাতাদের সঙ্গে অর্থদপ্তরের বৈঠকের পর এই ...

বিএনএ, আসানসোল: বেসরকারি গ্যাস কোম্পানির নিরাপত্তারক্ষী ছাঁটাই নিয়ে ক্রমশ জটিলতা বাড়ছে আসানসোলে। কোম্পানি থেকে ২৯জনকে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকে অনশন শুরু করেছেন ছাঁটাই হওয়া নিরাপত্তারক্ষীরা।   ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে, সেগুলির কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটা শুভ। কর্মক্ষেত্রে আজ শুভ। শরীর-স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। লটারি, শেয়ার ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক ভিক্টর হুগোর জন্ম
১৯০৮- লেখিকা লীলা মজুমদারের জন্ম
১৯৩১- স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের মৃত্যু
১৯৩৬- চিত্র পরিচালক মনমোহন দেশাইয়ের জন্ম
২০১২- কিংবদন্তি ফুটবলার শৈলেন মান্নার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮৯ টাকা ৭২.৫৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৫৯ টাকা ৯৪.৮৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৪৯ টাকা ৭৯.৪১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) চতুর্থী অহোরাত্র। রেবতী ৪৭/৪০ রাত্রি ১/৮। সূ উ ৬/৪/১৪, অ ৫/৩৫/২, অমৃতযোগ রাত্রি ১/৫ গতে ৩/৩৫ বারবেলা ২/৪২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/৩৫ মধ্যে। 
১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী, রেবতী ৪২/২৩/২২ রাত্রি ১১/৪/৩৪। সূ উ ৬/৭/১৩, অ ৫/৩৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ১/০ গতে ৩/২৮ মধ্যে। কালবেলা ২/৪২/২৫ গতে ৪/৮/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০/৪১ গতে ১/২৪/৪৯ মধ্যে। 
২ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল
মেষ: লটারি, শেয়ার ফাটকায় অর্থপ্রাপ্তির যোগ। বৃষ: বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। ...বিশদ

07:11:04 PM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৮০২- ফরাসি লেখক ভিক্টর হুগোর জন্ম১৯০৮- লেখিকা লীলা মজুমদারের জন্ম১৯৩১- ...বিশদ

07:03:20 PM

এসএসকেএম থেকে ছাড়া পেল পোলবা দুর্ঘটনায় জখম দিব্যাংশ ভকত 

07:08:00 PM

দিল্লি হিংসার ঘটনায় দুটি সিট গঠন করল ক্রাইম ব্রাঞ্চ 

06:49:02 PM

১৪৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:08:26 PM

জলপাইগুড়িতে ২১০ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ৩ 

03:39:45 PM