Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কুকথায় পঞ্চমুখ, কণ্ঠভরা বিষ ...
সন্দীপন বিশ্বাস

আচ্ছা, দুধ থেকে কি করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকে?
আচমকা শিবের প্রশ্নে একটু থতমত খেয়ে যান পার্বতী। একটু থেমে বলেন, এমন কথা বলছো কেন?
শিব বললেন, শিবরাত্রিতে যেভাবে ভক্তরা গ্যালন গ্যালন ভেজাল দুধ মাথায় ঢেলেছে, তাতেই ভয় হচ্ছে, করোনা ভাইরাস না হয়ে যায়!
পার্বতী একটু চিন্তান্বিত হয়ে বললেন, এই তো ভয় ধরিয়ে দিলে। তুমি এখন ক’দিন কাছে এসো না। আইসোলেশন এরিয়ায় গিয়ে থাকো।
শিব বললেন, আমার আইসোলেশন এরিয়া মানে তো শ্মশান-মশান। ওখানে গিয়ে একটু চিতার ছাই মেখে নিলেই অ্যান্টি করোনা অ্যাকশন শুরু হয়ে যাবে। তাছাড়া কী সব ভেজাল দুধ-ঘি মাখিয়েছে, সারা গা চুলকোচ্ছে।
পাবর্তী বললেন, কোথাও যেতে হবে না। ক’দিন কৈলাস ভবনের নীচের ঘরে থাকো, ঠিক হয়ে যাবে। নন্দী-ভৃঙ্গীকে বলি, তোমায় সাবান মাখিয়ে ভালো করে স্নান করিয়ে গায়ে একটু অ্যান্টি ফাংগাল ক্রিম মাখিয়ে দিতে।
শিব একটু গম্ভীর হয়ে বললেন, হুম। তারপর কিছুটা থেমে বললেন, বুঝলে পারু, তোমার বাপের বাড়ির ব্যাপার স্যাপার এবার তেমন ভালো ঠেকল না। অন্যবার যাই কেমন যত্ন আত্তি জোটে। ভক্তরা খুব যত্ন করে। এবারের শিবরাত্রিতে তেমন কিছু জোটেনি গো!
পার্বতী বললেন, দেখো করোনা নিয়ে যা ইচ্ছে বল, কিন্তু অকারণে আমার বাপের বাড়ির বদনাম কোরো না।
শিব বললেন, বদনাম করছি না। কিন্তু এবার আমার পুজোর বদলে অন্য সব ব্যাপার নিয়ে সবাই মেতে রইল। একটা নামকা ওয়াস্তে জল ঢালা হল মাত্র। যেদিন শিবরাত্রি ছিল, সেদিন ছিল ভাষা দিবস। ফলে ভাষা দিবসের কবলে পড়ে আমার পুজোটা ভাসাভাসা রয়ে গেল। ভক্তিমার্গের তেমন লক্ষণ দেখাই গেল না।
পার্বতী বললেন, মানুষের ভক্তি কি কমছে তাহলে?
শিব বললেন, ভক্তি কমেনি গো। ভক্তির স্রোতটাকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভক্তি তো অন্তরের ব্যাপার। কিন্তু তোমার বাপের বাড়ির দেশে ভক্তি এখন পুরোপুরি রাজনৈতিক ভক্তি। তোমার বাপের বাড়ির দেশে অনেক ভাষা, অনেক মত, অনেক সংস্কৃতি। তাই ভোটের অঙ্কে সব ভেঙে চুরমার করে দেওয়ার একটা সর্বনাশা খেলা শুরু হয়েছে। যেহেতু দেশের বেশির ভাগ মানুষ হিন্দি ভাষায় কথা বলে, তাই হিন্দি ভাষীর ভোট টানতে রামকে বড় করে তোলা হচ্ছে। হিন্দুরা সংখ্যাগুরু, তাই হিন্দুত্বের জিগির তুলে সব হিন্দু ভোট এককাট্টা করার বেনিয়াবৃত্তি চলছে। দলীয় রাজনীতি একটা পণ্য ছাড়া আজ আর কিছু নয়। তাই রামের বড় মূর্তি হবে, রামের বড় মন্দির হবে, আর আমার তেমন কদর চোখেই পড়ল না। ওই নমো নমো করে একটা কিছু।
পার্বতী অবাক হয়ে বললেন, ও মা রামকে পুজো করে ভোট পাওয়া যায়, আর তোমাকে পুজো করে কিছুই মেলে না নাকি?
শিব বললেন, হয়তো মেলে, তবে এবারের নৈতিক ভোটে আমি অনেকটা পিছিয়ে পড়েছি দেখলাম। আগে দেখতাম, ‘ব্যোম ব্যোম ভোলে’ বা ‘হর হর মহাদেব’ স্লোগানে আকাশ বাতাস মুখরিত হতো। এখন শুধু ‘জয় শ্রীরাম’ আর ‘জয় বজরংবলী’। তবে আমার মনে হয়েছে, ষাঁড় না হয়ে আমার বাহন গোরু হলে ভালো হতো। ওখানে গোরুর খুব কদর। ওরা গোরু নিয়ে যেমন মাতামাতি করে ভাবা যায় না। ওখানে তো গোবলয় বলে একটা বিশাল এলাকাকেই বোঝানো হয়। যেসব গোভক্তরা আছেন, তাঁরা কিন্তু বেশ হাড্ডাকাড্ডা। মাথায় তাঁদের ফেট্টি বাঁধা। গোরুর বিরাট ভক্ত সব। তুমি গোভক্ত না হলেই বিপদ। ওখানে রোগ হলে গোমূত্র পান করিয়ে রোগ সারানোর চেষ্টা চলছে। ক্যান্সারে নাকি গোময় খেয়ে রোগ সারানো যায়। মহাভারত, রামায়ণের চিকিৎসা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি বিজ্ঞানকে আবার সব নতুন করে ফিরিয়ে আনার জোর চেষ্টা চলছে। বলছে, এখনকার বিজ্ঞান মিথ্যা। এখনকার বিজ্ঞানীরা নাকি সব গাধা। ওরা বলছে, গোরুর দুধে সোনা আছে। এই যে এত দুধ ঢালল, চুলকুনি ছাড়া আর কী পেলাম বলতো!
কবি ভারতচন্দ্র আমার সম্পর্কে যে কবিতা লিখেছিলেন, সেখানে উনি ব্যজস্তুতির ঢংয়ে বলেছিলেন, ‘কুকথায় পঞ্চমুখ কণ্ঠভরা বিষ / কেবল আমার সঙ্গে দ্বন্দ্ব অহর্নিশ।’ সেখানে দেবী অন্নপূর্ণা রূপে তুমি নিন্দার আড়ালে আমার প্রশংসা করেছিলে। আমার পঞ্চমুখ। তাই আমি পঞ্চানন। আমার কণ্ঠভরা বিষ, তাই আমি নীলকণ্ঠ। আর তোমার সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব। মানে মিলন। কিন্তু এখনকার সময়ে সেই কথার সবটাই খারাপ অর্থে ব্যবহার করা যায়। এখনকার বেশিরভাগ রাজনীতিকের মুখে শুধু কুকথা, তাঁদের ভাষা বিষাক্ত। এত সাজিয়ে গুছিয়ে ভাষা দিবস পালন করেন, অথচ তাঁদের মুখের কী ভাষা! আর কেবল বিরোধী দলের সঙ্গে দ্বন্দ্ব অহর্নিশ। মারামারি, খুনোখুনি ছাড়া কি রাজনীতি হয় না?
পার্বতী বললেন, সত্যি তোমার কথা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল।
শিব বললেন, আরও আছে, এবার গিয়ে দেখলাম সর্বত্র এলাহি আয়োজন। আমি ভাবলাম, আমার জন্য বুঝি এত সাজসজ্জা, আয়োজন। ও বাবা, পরে শুনলাম, আমেরিকা থেকে টেম্পো সাহেব আসবেন, তাঁর তেলা মাথায় তেল দিতে শত কোটি টাকা রাজকোষ থেকে ভস্মে ঘি ঢালা হচ্ছে।
পার্বতী বললেন, কেন, ওনাকে এত খুশি করার চেষ্টা কেন?
শিব বললেন, দেখো পারু, পৃথিবীটা চিরকালই শক্তের ভক্ত। উনি এসে একটু মুচকি হাসবেন, কত্তামশাইয়ের কাঁধে হাতটি রেখে বলবেন, উনি একজন অসাধারণ রাজামশাই। ব্যস সব টাকা উসুল হয়ে যাবে। তবে টেম্পো মশাই কিন্তু খুব চালাক। ওনার নিয়মই হল, ফেল কড়ি মাখো তেল। উনি এসে কত টাকার অস্ত্র বিক্রি করে যাচ্ছেন জানো?
পার্বতী অবাক হয়ে বললেন, এত অস্ত্র কী হবে গো? অনেক অস্ত্রই তো আছে।
শিব বললেন, ঠিক বলেছো, যে যুদ্ধ করতে জানে, কম অস্ত্রেই বাজিমাত করতে পারে। যেমন তুমি, তোমাকে এতগুলো অস্ত্রে সজ্জিত করে অসুর বধের জন্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু আমার ওই এক ত্রিশূলেই তোমার কার্যসিদ্ধি হয়েছিল। আসলে ওই অস্ত্র কেনার লক্ষ্য হল টেম্পো সাহেবকে তুষ্টু করা। যুদ্ধুর জন্য অস্ত্র, না তুষ্টু করার জন্য অস্ত্র, তা বলা সহজ ব্যাপার নয়। অস্ত্র কেনাটাই হল একটা রাজনৈতিক অস্ত্র। তার জন্য কত্তামশাই গরিবি লুকোচ্ছেন। সব গরিব লোককে পাঁচিল তুলে দৃষ্টির আড়ালে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এই লুকনো ওনার একটা বিশেষ লক্ষণ। দেশের অর্থনীতি লুকোচ্ছেন, বাণিজ্য লুকোচ্ছেন, সাংবাদিকদের থেকে নিজেকে লুকোচ্ছেন। শুধু হিন্দুত্বের কার্ডটাই প্রকাশ্যে খেলছেন।
পার্বতী বললেন, এই হিন্দুত্ব ভয়ংকর একটা খেলা। হিন্দু দেবদেবীদের পুজোর পুরোটাই তাহলে একটা রাজনৈতিক খেলা?
শিব বললেন, হ্যাঁ, সেটাই। এখন আবার উনি ভয়ে ভয়ে আছেন। টেম্পো সাহেব এসে যদি এই ধম্মগিরি নিয়ে কোনও খোঁচা মেরে দেন! ব্যস, তাহলে তো সব বেলুন চুপসে যাবে। টেম্পোভক্তি বেরিয়ে যাবে।
পার্বতী বললেন, হুম।
শিব বললেন, আর একটা ব্যাপার আমার মাথায় ঢোকে না। সেটা হল, যে মানুষটি নিজেকে দেশের চৌকিদার বলে জাহির করেন। কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দিয়ে সেটা প্রচারও করেন, তাঁর নিরাপত্তার দেখভাল করতেই প্রতিদিন নাকি কোটি কোটি টাকা খরচ হয়ে যায়। এক চৌকিদারকে নিরাপত্তা দিতে হাজার চৌকিদার তাঁকে ঘিরে থাকছে। তার মানে পুলিশের নিরাপত্তার জন্য আরো পুলিস দরকার। সেনাদের নিরাপত্তার জন্য আরও সেনা দরকার, তাদের নিরাপত্তার জন্য আরও সেনা দরকার। ভাবো, তাহলে শুধু মানুষেরই নিরাপত্তা নেই। মানুষ যেন ফুটবল। যারা শক্তিশালী তারাই লাথি মেরে সারা মাঠে দৌড় করাচ্ছে। আমি তো গাঁজা-ভাঙ খাই আনন্দে। আর দেশের যুবকরা চাকরি না পেয়ে, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি হয়ে হতাশায় ডুবে যাচ্ছে। খড়কুঠোর মতো আঁকড়ে ধরছে মদ, হেরোইন সহ নানা ধরনের নেশাকে। তরুণ সমাজ যেন অবসাদে নুয়ে পড়েছে। আর অর্ধশিক্ষিত নেতাদের বছরের পর বছর সম্পত্তি বেড়েই চলেছে।
গম্ভীর হয়ে যান পার্বতী। সেই বেদনা যেন তাঁকেও স্পর্শ করেছে।
নন্দী এসে বললেন, প্রভু চলেন, গরম জল রেডি। আপনারে সিনান করিয়ে দিই।
শিব উঠতে উঠতে বললেন, বুঝলে পারু, আমার মনে হচ্ছে, আবার একটা তাণ্ডব নৃত্য চালাতে হবে। তখন তুমি ছিলে আমার কাঁধে। সতীরূপে। দক্ষযজ্ঞের আসর থেকে তোমার দেহটা নিয়ে আমি সমস্ত জগৎকে লয় করে দিতে চেয়েছিলাম। এবার ধর্মান্ধতা, কুশিক্ষা আর অত্যাচারে মৃত মানবাত্মার দেহটাকে নিয়ে আমি প্রলয় নাচন নাচব। মিথ্যা ধর্মের বিনাশ করব, রাজনৈতিক ধাপ্পাবাজিকে ধ্বংস করব। ধর্ম হল সেটাই, যা মানুষের কল্যাণ করে। বাজারে এখন ধর্মের মোড়কে বিক্রি হচ্ছে অধর্মের চরস। তাই খেয়ে একদল বুঁদ হয়ে যাচ্ছে, আর অন্যদল যথেচ্ছাচার চালাচ্ছে। তোমার দেহ যেমন বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছিল এবং তৈরি হয়েছিল এক একটা শক্তিপীঠ। মানুষের শক্তিও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে তৈরি হবে শক্তিপীঠ। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে অসংখ্য নিপীড়িত মানুষের শক্তি। আমাদের আশীর্বাদ ওদের সঙ্গে থাকবে। মানুষের সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিনাশ হবে অশুভ শক্তির।
শিব থামতেই নন্দী বলে উঠলেন, জয় ভোলানাথ বাবার জয়। 
24th  February, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একনজরে
  শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: লকডাউনের জেরে রাজ্যে বন্ধ বাস ও ট্রেন পরিষেবা। অফিসে আসতে পারছেন না সিআইডি, আইবি এবং পুলিস ডিরেক্টরেটের সিংহভাগ কর্মীই। তাই তাঁদের ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শালবনীর সিমেন্ট কারখানায় আটকে থাকা ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের এক মাসের রেশনের ব্যবস্থা করা হল। লকডাউনের জেরে সিমেন্ট কারখানার সেকেন্ড ইউনিটে ভিনরাজ্যের সাড়ে চারশো শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ: সামাজিক দূরত্বেই জনসংযোগের উপায় খুঁজছে সিপিএম। করোনা মোকাবিলায় লকডাউনের জেরে ঘরবন্দি দেশের আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষদের মধ্যে এবার খাবার বিতরণ করবে দল। ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ: করোনার ভয়াবহ আবহে হাজার খারাপের মধ্যেও অন্তত একটা ইতিবাচক দিক খুঁজে পেলেন রবি শাস্ত্রী। এই মারণ ভাইরাসকে রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষিত হওয়ার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লোহা ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৭: বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২৯: অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২: তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬০ টাকা ৯২.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৮৪ টাকা ৮৩.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) পঞ্চমী ৫১/৫ রাত্রি ২/২। কৃত্তিকা ২৪/১৪ দিবা ৩/১৮। সূ উ ৫/৩৫/৫২, অ ৫/৪৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ গতে ৯/৪০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১০/১০ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৯ গতে ২/৩৮ মধ্যে।
১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, পঞ্চমী ৪১/৩৯/১২ রাত্রি ১০/১৭/২৪। কৃত্তিকা ১৬/৫০/৮ দিবা ১২/২১/৪৬। সূ উ ৫/৩৭/৪৩, অ ৫/৪৭/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১২/১ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪২/৩২ গতে ১/১৩/৪৫ মধ্যে।
 ৪ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরে আক্রান্ত আরও ৪জন 

02:50:01 PM

তেলেঙ্গানায় আইপিএস অফিসারেরা একদিনের মাইনে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে  

02:48:00 PM

অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্ত বাড়ল ৩৩৪ জন
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল আরও ৩৩৪ জন। ...বিশদ

02:12:03 PM

করোনা: শেষ কয়েক ঘণ্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০
শেষ কয়েক ঘম্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০জন। মৃত্যু হয়েছে ৪ ...বিশদ

02:06:32 PM

মুম্বইয়ে করোনায় মৃত আরও ১
মুম্বইয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক রোগীর মৃত্যু হল। মৃতার ...বিশদ

02:00:43 PM

কালনায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী 

01:55:00 PM