Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

আর কয়েকদিনের মধ্যেই পুরভোটের দামামা বাজতে চলেছে। আর ভোট এলেই প্রতিবার এই বঙ্গে হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ধূমকেতুর মতো এর বাড়িতে হানা দেয়, ওকে ডেকে জেরা করে। সবমিলিয়ে আতঙ্কের পরিবেশ। জনসমক্ষে সম্মানহানি হয় বিস্তর। দীর্ঘ জেরার পর জেলেও পোড়া হয় কখনও সখনও। কিন্তু ভোট মিটলেই দেখা যায় আর কোনও উচ্চবাচ্য নেই। কোনও এক অজ্ঞাত কারণে সব চুপচাপ। সময় যায়, তদন্তের ফাইলে ধুলো জমে। মামলা দুর্বল হয়। মানুষের স্মৃতিতেও গোটা ঘটনাটা ক্রমে ফিকে হয়ে আসে। আর তখনই এই বাড়াবাড়ির প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন জাগে।
২০১৩ সালের পয়লা বৈশাখের কথা মনে আছে? সারদা চিটফান্ড কেলেঙ্কারি নিয়ে সেদিন উত্তাল হয়েছিল বাংলা। মাথার উপর আকাশ ভেঙে পড়েছিল কয়েক লক্ষ বিনিয়োগকারীর। তার কয়েকদিনের মধ্যেই কাশ্মীর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সারদাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সুদীপ্ত সেন। তারপর কত ভোট গিয়েছে। গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। সারদা পেরিয়ে তদন্তকারীদের নজর পড়েছে রোজভ্যালি সহ আরও নানা চিটফান্ডের উপর। কত জেরা, গ্রেপ্তার, তল্লাশি। আতঙ্কে মারা গিয়েছেন দুই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব সুলতান আহমেদ ও তাপস পাল। কিন্তু আজ ওই ঘটনার পর প্রায় সাত বছর অতিক্রান্ত হতে চলেছে, প্রকৃত সত্য সামনে আসেনি। গরিব আমানতকারীরা তাঁদের টাকাও ফিরে পাননি। তাহলে এসবই কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ?—প্রশ্ন তুলেছেন স্বয়ং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই ক্ষোভ মোটেই উড়িয়ে দেওয়ার নয়। দোষ করলে নিশ্চয়ই শাস্তি প্রাপ্য। তবে আইনকে আইনের পথে চলতে দেওয়া উচিত। রাজনৈতিক কারণে আইনকে ব্যবহার করা উচিত নয়। এভাবে যে রাজনৈতিক জমি দখল সম্ভব নয়, বাংলার মানুষ তার মুখের মতো জবাব দিয়েছেন সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে। আগামী পুরভোট থেকে শুরু করে পরের বছরের বিধানসভা ভোট পর্যন্ত তার কোনও অন্যথা হবে বলে মনে হয় না।
সরকারি ঘোষণা না হলেও জানা গিয়েছে, কলকাতা ও হাওড়ায় ভোট হবে আগামী ১২ এপ্রিল। আর উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বাকি ১০০টি পুরসভায় নির্বাচন ২৬ এপ্রিল। নিঃসন্দেহে আগামী বছরের গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই শতাধিক পুরসভার ভোট শাসক ও বিরোধীদের কাছে সেমিফাইনাল। আগামী মার্চের মাঝামাঝি পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারির সঙ্গে সঙ্গে এরাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করবে, যা ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছবে এপ্রিলে। তবে তার আঁচ থাকবে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত। ২০১৯-এর লোকসভার ভোটে উত্তরবঙ্গে ও দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে বিজেপি যেভাবে তৃণমূলের ভোটে থাবা বসিয়েছিল, সেই ট্রেন্ডই বহাল রয়েছে নাকি তৃণমূল তার হারানো জমি গত একবছরে পুনরুদ্ধার করে ফেলেছে, তারই অগ্নিপরীক্ষা আসন্ন এই ভোট। ইতিমধ্যেই, মাস কয়েক আগে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তৃণমূল তিনটি আসনের সবক’টিতেই জয়ী হয়ে বিজেপি এবং সিপিএম-কংগ্রেস জোটকে বড় ধাক্কা দিয়েছে। এনআরসি, মূল্যবৃদ্ধি ও ক্রমবর্ধমান আর্থিক সঙ্কট ও তার মোকাবিলায় মোদি সরকারের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতেই আসন্ন শতাধিক পুরসভার ভোটে তৃণমূলেরই একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় থাকবে বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।
তবে ফল যাই হোক, শাসক বা বিরোধী যার ভাগ্যের শিকেই ছিঁড়ুক না কেন সাধারণ মানুষের একটাই প্রার্থনা, ভোট যেন শান্তিপূর্ণ হয়। সবাই যেন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। বিরোধীরা যেন নির্ভয়ে মনোনয়ন পেশ ও প্রচার করতে পারে। ক্ষণিকের উত্তেজনায় রক্তপাত, প্রাণহানির মতো দুর্ভাগ্যজনক কোনও ঘটনা যেন না ঘটে। রাজনৈতিক দল, প্রশাসন ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি তাতে ১০২টি পুরসভার মধ্যে অন্তত ৯৫ থেকে ৯৭টি পুরসভা তৃণমূলের দখলে যাওয়া নিশ্চিত। এই হিসেবের কিছু কমবেশি হলেও, তেমন তুল্যমূল্য প্রতিরোধ বিরোধীরা গড়ে তুলতে পারবে বলে মনে হয় না। কলকাতা ও হাওড়ায় ১২ এপ্রিলের ভোটে তৃণমূলের একাধিপত্য প্রতিষ্ঠা নিয়ে কোনও সংশয়ই নেই। শাসক দলের জয় নিয়ে কোনও সংশয় না থাকলেও, যে বিষয়টি ভাবাচ্ছে তা হল—দু’বছর আগের পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো হাঙ্গামা হবে না তো! গণতন্ত্রে শান্তি বজায় রাখা শাসক ও বিরোধী উভয়েরই অবশ্যকর্তব্য। একইসঙ্গে বিরোধীদের প্রচার ও মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেওয়াও প্রশাসনের দায়িত্ব। আজ ক্ষমতা হারিয়ে যে বামপন্থীরা প্রতিনিয়ত গণতন্ত্র বাঁচানোর কথা বলছেন, তাঁদের স্মরণ করিয়ে দিই, ২০০৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচন ছিল পশ্চিমবঙ্গের এ যাবৎকালের অন্যতম রক্তাক্ত গ্রামীণ ভোট। শুধু মুর্শিদাবাদেই সেবার ৪৫ থেকে ৫০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় ৭৬ জনের। বিরোধী দলের অনেকেই মনোনয়ন পর্যন্ত পেশ করতে পারেননি। কিংবা বলা ভালো, পেশ করতেই দেওয়া হয়নি। চারদিকে তখন ভয় আর আতঙ্কের পরিবেশ। সেই রক্তাক্ত পঞ্চায়েত ভোট যাঁরা পরিচালনা করেছিলেন, সেই বামপন্থীরাই আজ তৃণমূলের দিকে আঙুল তোলেন কোন স্পর্ধায়? ২০০৩ সালে সরকারি হিসেবই বলছে, ১১ শতাংশ পঞ্চায়েত আসনে বামপন্থীরা সেবার কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই জয় হাসিল করেছিল। ১৯৭৭ এর নির্বাচনে সিদ্ধার্থশঙ্করবাবুরাও একতরফা ভোট লুট করিয়েছিলেন। তাহলে এই রাজনীতির পথপ্রদর্শক কারা? এসবই প্রমাণ করে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বামফ্রন্টের আমল থেকেই শাসক দল বরাবর বিরোধীদের উপর দমন-পীড়নের নীতি প্রয়োগ করে আসছে। এটা মোটেই নতুন কিছু নয়। যেমন, ২০১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচনের অভিজ্ঞতাও এরাজ্যের পক্ষে মোটেই সুখকর ছিল না। ওই নির্বাচনও বহু মানুষের প্রাণ নিয়েছিল। ৩৪ শতাংশ আসনে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতাই হয়নি। সেখানে জয়-পরাজয়ের নিষ্পত্তি হয়েছে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
কিন্তু, এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন। কোনও মানুষই গণ্ডগোল, রক্তপাত হানাহানি এসব চান না। শাসকদলের নিচুতলার কর্মী সমর্থকদের অহেতুক বাড়াবাড়ি ছাড়তে হবে। রাজ্যের উন্নয়নের প্রশ্নে এবং নতুন করে বিনিয়োগ টানতে শান্তি ও সুস্থিতির প্রয়োজন সর্বাগ্রে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুযোগ্য নেতৃত্ব গত প্রায় এক দশক ধরে সেই রাজনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করেছে। রাজ্য প্রশাসনকে আরও মানবিক ও সংবেদনশীল করে তুলেছে। এখন তাঁর সেই সুযোগ্য নেতৃত্বের উপর ভিত্তি করে আরও এগিয়ে যাওয়ার সময় উপস্থিত। রাজ্যের গড় জিডিপি দেশের উৎপাদন হারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। সম্প্রতি বাজেট বক্তৃতাতেই রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র এই তথ্য জানিয়েছেন। রাজ্যের মানুষও এই সরকারের কাজকর্মে আগাগোড়া আস্থাবান। বিশেষ করে সারা দেশে রাজ্যস্তরে নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের দলের পিছু-হটা যখন শুরু হয়ে গিয়েছে তখন পশ্চিমবঙ্গই বা বিকল্প পথে হাঁটবে কেন?
নানা কারণে বিজেপি সর্বভারতীয় স্তরে একের পর এক রাজ্যে জনপ্রিয়তা হারালেও, কংগ্রেস কিন্তু সেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। গত একবছরে একের পর এক রাজ্য গেরুয়া দলের হাতছাড়া হয়েছে। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা, দিল্লিতে আপ, বিহারে নীতীশের জেডিইউয়ের মতো আঞ্চলিক দলগুলি আরও বেশি করে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করছে। সেই ফাঁকেই কংগ্রেস ও বামপন্থীরা ভারতীয় রাজনীতিতে ক্রমে যেন অবান্তর হয়ে যাচ্ছে! সদ্য সমাপ্ত দিল্লি বিধানসভার নির্বাচনে সিপিএম যে তিনটি আসনে লড়েছিল, সবেতেই জামানত জব্দ হয়েছে। কংগ্রেস মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশের মতো ভোট পেয়েছে। ভাবতে অবাক লাগে, শীলা দীক্ষিতের নেতৃত্বে এই দিল্লিতেই কংগ্রেস কিন্তু টানা ১৫ বছর শাসন করেছে। আর আজ তাদেরই দিল্লিতে কোনও গ্রহণযোগ্য নেতা নেই। কংগ্রেসি ভোটব্যাঙ্কেও সফল সিঁদ কেটেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল নামক এক ধূমকেতু! আবার পশ্চিমবঙ্গেও টানা ৩৪ বছর বাঘে-গোরুতে একঘাটে জল খাওয়ানো সিপিএম আজ স্রেফ অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইটাই লড়ছে। জেলায় জেলায় সংগঠন বলতে প্রায় কিছুই অবশিষ্ট নেই সম্মিলিত বামেদের। তরুণ প্রজন্মও আর সেভাবে বাম রাজনীতির মোহে ছুটে আসছে না। রাজনীতির এটাই বোধহয় সবচেয়ে বড় শিক্ষা। এক কূল ভাঙে আর এক কূল গড়ে। যখন কাউকে দেয় সেটা ছপ্পড় ফাড়কে, কিন্তু যখন ফকির করে তখন তার মতো নির্দয় আর কিছুই হয় না। ইতিহাস বারবার এই শিক্ষা দিলেও শাসকের টনক নড়ে না। দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, ক্ষমতার বাড়াবাড়ি রকম ব্যবহার সব চলতে থাকে অবলীলায়। আজ যেমনটা হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে। খুন, জখম, রাহাজানি, ধর্ষণ সবই যেন যোগীরাজ্যের সংস্কৃতি হয়ে উঠেছে। দিল্লির ভোটেও গেরুয়া দলের এই ‘গোলি মারো শালো কো’ সংস্কৃতির নগ্ন ব্যবহার দেখেই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। অথচ গত লোকসভার ভোটে এই মানুষগুলিই বিজেপিকে ‘সাতে সাত’ দিয়েছিল!
পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের নিচুতলার পার্টিকর্মীদের দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ রুখতে ঠিক সময়ে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি চালু করে মাস্টার স্ট্রোক দিয়েছেন। আজ, ভোটপণ্ডিত প্রশান্ত কিশোরের লোকজন প্রতিটি জেলায় ও শহরে তৃণমূলের ছোট বড় নেতাদের সম্পর্কে যেভাবে তথ্য সংগ্রহে নেমেছেন, তাতে সব ধরনের দুর্নীতি কমেছে বলেই খবর পাচ্ছি। আগামী বছর ভোটে জিতে বাংলার অগ্নিকন্যা ফের মুখ্যমন্ত্রী হলে এক উন্নততর তৃণমূলকে আমরা পাব বলে আশা করা যায়। অষ্টম বামফ্রন্ট সরকার আমাদের দেখা হয়নি। সৎ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কিছু ভুলের কারণে বামফ্রন্টের সলিল সমাধি হয়েছে বলা যায়। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ভুল করেননি। কোর ভোটব্যাঙ্কটাকে তিনি যেমন আঘাত করেননি, তেমনি উন্নয়নে গতিসঞ্চার এবং দলের দুর্নীতি মোকাবিলার প্রশ্নেও তিনি কোনওরকম আপস করতে নারাজ। আর সেইজন্যই আসন্ন পুরভোটে বিরোধীদের যেমন বিশেষ সম্ভাবনা দেখছি না, তেমনি নবান্নে তৃতীয়বারের জন্যে মমতার সরকার আসাটাও শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে মনে হচ্ছে।
 
23rd  February, 2020
কুকথায় পঞ্চমুখ, কণ্ঠভরা বিষ ...
সন্দীপন বিশ্বাস

আচ্ছা, দুধ থেকে কি করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকে?
আচমকা শিবের প্রশ্নে একটু থতমত খেয়ে যান পার্বতী। একটু থেমে বলেন, এমন কথা বলছো কেন?  বিশদ

মোদি সরকারের সবকিছুই জাতীয় স্বার্থে আর তার তালিকাটিও শেষ হওয়ার নয়
পি চিদম্বরম

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বারাণসীতে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করার প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা এই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’’ 
বিশদ

প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, ঘাটাল: দাসপুর থানার ভগবতীপুরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এক যুবককে খুন করার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম সঞ্জয় বর(২৫)।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নিয়ে বিশেষ অভিযানে নামছে কলকাতা পুরসভা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মঙ্গলবার থেকেই বরোভিত্তিক ক্যাম্প করে শহরের গরিব, দুঃস্থ, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজ শুরু হবে।  ...

নয়াদিল্লি ও গোয়া, ২৩ ফেব্রুয়ারি: ফের দুর্ঘটনায় পড়ল মিগ যুদ্ধবিমান। গোয়ায় রবিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ প্রশিক্ষণ চলাকালীন ভেঙে পড়ল ভারতীয় নৌসেনার একটি মিগ-২৯ কে বিমান। তবে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের চালক নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। ঘটনা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ...

নয়াদিল্লি, ২৩ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): আন্তর্জাতিক বাজারে দাম পড়ার জেরে ভারতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম কমতে পারে ২৫ শতাংশ। একাধিক সূত্র মারফৎ এ খবর জানা গিয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে প্রায় আড়াই ডলার কমতে পারে গ্যাসের দাম। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮ তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার জন্মদিন
১৯৫২ - ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়। কয়েক দিন পরেই এটি পুলিস ধ্বংস করে দেয়।
১৯৫৫ – অ্যাপল সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের জন্ম
১৯৫৯ কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভির জন্মদিন
১৯৬৩ চিত্র পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনসালির জন্মদিন
১৯৭২ অভিনেত্রী পূজা ভাটের জন্মদিন
১৯৮২ - আর্জেন্টাইন ফুটবলার ইমানুয়েল ভিলার জন্ম
১৯৮৩ দাবারু সূর্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিন
১৯৯৩ - ইংরেজ ফুটবলার ববি মুরের মৃত্যু
১৯৯৮ অভিনেত্রী ললিতা পাওয়ারের মৃত্যুদিন
২০১১ কমিক্স বইয়ের জনক অনন্ত পাইয়ের মৃত্যুদিন
২০১৮-দুবাইয়ের হোটেলে মৃত্যু অভিনেত্রী শ্রীদেবীর



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ৪২/৫২ রাত্রি ১১/১৫। শতভিষা ২৫/৩৫ অপঃ ৪/২১। সূ উ ৬/৬/৩৯, অ ৫/৩৩/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ১০/৪২ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩২ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৪২ গতে ৪/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫০ মধ্যে। 
১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ৩৯/১১/১ রাত্রি ৯/৫০/৮। শতভিষা ২৩/১০/৫০ দিবা ৩/২৬/৪। সূ উ ৬/৯/৪৪, অ ৫/৩২/৩২। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে ও ১০/৩৫ গতে ১২/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২১ গতে ২/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৫/৫ গতে ৯/০/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/২৯ গতে ১১/৫১/৮ মধ্যে। 
 ২৯ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তাজমহলে পৌঁছলেন সস্ত্রীক ডোনাল্ড ট্রাম্প 

05:10:56 PM

সিএএ নিয়ে বিক্ষোভের জেরে রণক্ষেত্র দিল্লির জাফরাবাদ, গোলাগুলিতে নিহত এক পুলিস কর্মী 

04:43:21 PM

আগ্রার বায়ুসেনা ঘাঁটিতে পৌঁছলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 

04:29:00 PM

আমেদাবাদ থেকে আগ্রার উদ্দেশে রওনা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

03:32:00 PM

৮২৪ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:29:18 PM

মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ পরীক্ষার্থী, ভর্তি হাসপাতালে
মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে জলপাইগুড়ির বেলাকোবা গার্লস হাইস্কুলে অসুস্থ হয়ে পড়ল ...বিশদ

03:19:58 PM