Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে। বাজারে জোর হাওয়া, পুরভোটের প্রার্থী নির্বাচনে টিম পিকের দেওয়া তালিকা ভালোরকম কদর পাবে। অনেকেই বলছেন, প্রশান্ত কিশোরের টিম মানুষের অপছন্দের মুখগুলি ছেঁটে দিতে পারলেই শাসক দল এক ধাক্কায় অনেকটা এগিয়ে যাবে।
যে কোনও নির্বাচনেই মুখ একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। আর সেই ভোট যদি হয় পঞ্চায়েত বা পুরসভার মতো তৃণমূল স্তরের, তখন ভোটারদের কাছে প্রার্থীর মুখই প্রাধান্য পায়। তাই পুরভোটে মানুষের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচন করাটাই যে কোনও দলের আসল কাজ হয়ে দাঁড়ায়। মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্বকে প্রার্থী করলে লড়াইটা অনেক সহজ হয়ে যায়। কিন্তু, প্রার্থী বাছাইয়ে লবিবাজি, গোষ্ঠীবাজি প্রাধান্য পেলেই ঘনায় বিপদ। অপছন্দের প্রার্থীকে জনপ্রতিনিধি করার জন্য দরকার হয় জোরজবরদস্তির। তখনই হয় মারামারি, খুনোখুনি।
তৃণমূল স্তরের ভোটে মুখ যে একটা বড় ফ্যাক্টর তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে উন্নয়ন নজর কাড়লেও বেশ কিছু এলাকায় তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছিল। তবে, সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছিল পুরুলিয়া জেলার বলরামপুর। জেলা পরিষদের সভাধিপতি ছিলেন বলরামপুরের সৃষ্টিধর মাহাত। তাঁর ছেলে সুদীপ মাহাত ছিলেন বলরামপুর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি। সেই সুদীপবাবুই আবার ছিলেন বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সহসভাপতি। দলটাকেই প্রায় পকেটে পুড়ে ফেলেছিলেন। অভিযোগ, বলরামপুরে চলত বাপ-বেটার রাজত্ব।
বাপ-বেটার দাপটে বিরোধীরা তো বটেই, দলের কোনও নেতা তাঁদের বিরুদ্ধে রা কাড়তেন না। অবস্থাটা এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে সৃষ্টিধরবাবুর বিরুদ্ধে জেলা পরিষদ আসনে কেউ প্রার্থীই হতে চাইছিলেন না। কাউকে প্রস্তাব দিলেই কোনও না কোনও অজুহাতে পাশ কাটিয়ে দিতেন। জলে বাস করে কে আর কুমিরের সঙ্গে শত্রুতা করতে চায়? শেষপর্যন্ত দাঁড়ালেন এক সময় তাঁরই অধীনে কাজ করা রঘুনাথপুরের প্রাক্তন মহকুমা তথ্য আধিকারিক গোপীনাথ গোস্বামী। শুধু দাঁড়ালেনই না, হারিয়েও দিলেন। ব্যবধানটাও চোখ কপালে ওঠার মতো। ১০ হাজারেরও বেশি। যাকে বলে, নিঃশব্দে ইন্দ্রপতন। অথচ গোপীনাথবাবুকে সাধারণ মানুষ চিনতেনই না। সেই অর্থে তিনি কোনও মুখই ছিলেন না। তবুও তিনি জিতেছিলেন। কারণ তিনি ছিলেন বহু মানুষের ‘অপছন্দে’র মুখের প্রতিদ্বন্দ্বী।
সৃষ্টিধরবাবু ভুঁইফোঁড় বা উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া কোনও নেতা ছিলেন না। বরং ‘মাওবাদীদের আঁতুড়ঘর’ বলরামপুরের বুকে তাঁর বুক চিতিয়ে লড়াই জঙ্গলমহলের স্যালুট কুড়িয়েছিল। সেই লড়াইয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথমবার জেলাপরিষদে জিতেই সভাধিপতি। গরিবের সঙ্গে মুড়ি ভাগ করে খাওয়া সৃষ্টিধরবাবুর সামনে পিছনে তখন নিরাপত্তারক্ষী। নিরাপত্তা বেষ্টনীর ঘেরাটোপে থাকতে থাকতে কখন যে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন তা সৃষ্টিধরবাবু নি‌঩জেও হয়তো বুঝতে পারেননি। মিছিলের সামনের সারিতে দাঁড়িয়েও তিনি বুঝতে পারেননি, তাঁরই পিছনে থাকা লোকগুলির কাছে তিনিই সব চেয়ে বেশি অপছন্দের মুখ। উল্টে ভাবতে শুরু করলেন, তিনিই বলরামপুরের শেষ কথা। ফলও মিলল হাতে নাতে। যে বলরামপুরের বুকে লড়াই করতে করতে সৃষ্টিধরবাবু ‘মাওবাদী উন্নয়ন কমিটি’র মুখ হয়েছিলেন, সেই বলরামপুরের মাটিতেই তিনি মুখ থুবড়ে পড়লেন। শুধু সৃষ্টিধরবাবু বা তাঁর ছেলেই হারলেন না, তাঁরা গোটা দলটাকে নিয়ে ডুবলেন।
বলরামপুর বা সৃষ্টিধর মাহাত কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। মনে রাখতে হবে, যেখানে ক্ষমতা, সেখানেই বলরামপুর, সেখানেই সৃষ্টিধর মাহাত-র মতো কিছু লোক আছেন।
ক্ষমতা শুধু অতীতকেই ভুলিয়ে দেয় না, ভবিষ্যৎ উপলব্ধির ক্ষমতাও কেড়ে নেয় অনেকসময়। সেই কারণেই আস্ফালনের মিটার তখন চড় চড় করে বাড়ে। পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটে শাসক দলের বিপর্যয় কারণ অনুসন্ধানে উঠেছে এসেছে ক্ষমতার আস্ফালনের বিষয়টি। তাই অনেকেই বলছেন, পুরভোটে আগাম সতর্কতা দরকার। ক্ষোভ একবার জনসমক্ষে এলে তা মেরামত করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
লোকসভা ভোটে ধাক্কা খেতেই তৃণমূল নেতৃত্ব ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামতে দেরি করেনি। ময়দানে নামিয়েছে পেশাদার ভোট বিশেষজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরকে। শোনা যাচ্ছে, পুরভোটের জন্য অনেক আগেই পিকে তাঁর টিমকে বাজারে ছেড়ে রেখেছেন। গ্রাম, শহর সর্বত্র তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি চলেছে গ্রহণযোগ্য মুখের খোঁজ। ওয়ার্ড ধরে ধরে গ্রহণযোগ্য চারটি নামের তালিকাও নাকি তৈরি। সেই রিপোর্ট এখন শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে। রিপোর্টে নাকি বেশ কিছু জনপ্রতিনিধির আয়, সম্পত্তি ও জীবনযাত্রার মানের উল্লেখ আছে। আর তাতেই অনেকের বুক ঢিপ ঢিপ করছে।
এখন দেখার, তৃণমূল নেতৃত্ব মানুষের অপছন্দের মুখগুলিকে ছেঁটে ফেলতে অথবা সাইড লাইনে পাঠাতে পারে কি না। এবার পুরভোটে তৃণমূলের সেটাই আসল পরীক্ষা। অনেকেই বলছেন, টিকিট না পেয়ে কোনও কোনও কাউন্সিলার বিরোধী শিবিরে গেলেও দু’চারজন ছাড়া বিশেষ সুবিধা করতে পারবেন না। কারণ তৃণমূলটা চলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। উল্টে প্রার্থী বাছাই ঠিকঠাক হলে পুরভোটে তৃণমূলের অ্যাডভান্টেজ নিশ্চিত। কারণ স্রেফ রাস্তাঘাট, পানীয় জল, আলোর নিরিখে ভোট হলে তৃণমূলকে ঠেকানো কঠিন।
হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, দিল্লি প্রভৃতি রাজ্যে গেরুয়া শিবিরের ভরাডুবি হলেও এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিই তৃণমূলের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী। পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, তারা চাইলেই স্বচ্ছ ইমেজের প্রার্থী দিতে পারবে। ইচ্ছা করলেই তৃণমূল এবং সিপিএম থেকে আসা অপছন্দের মুখগুলি বাদ দিতে পারবে। বাদ দিলেও বিজেপির ক্ষতি করার ক্ষমতা তাঁদের নেই। ওই সব নেতা দাঁড়িয়ে আছেন গুচ্ছমূলের উপর, মাটির গভীরে শিকড় নেই।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি একধার থেকে তৃণমূলছুট লোকজনকে পদ্মের প্রতীক দিয়েছিল। বহু ক্ষেত্রে সফলও হয়েছিল। কিন্তু, লোকসভা নির্বাচনের পর বিজেপি পার্টি অফিসে লোকজনের যাতায়াত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই পুরভোটে প্রার্থী হতে আগ্রহী লোকজনের সংখ্যাও বাড়বে। তবে পুরভোটেও তৃণমূল ও সিপিএমের ‘ছাঁট’দের প্রার্থী করলে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব স্বয়ং দিলীপ ঘোষও ঠেকাতে পারবেন না। ইতিমধ্যেই আরামবাগ সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় নতুনদের গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ তুলে ‘বিজেপি বাঁচাও কমিটি’ তৈরি হয়েছে। পুরসভা নির্বাচনের আগে সেই প্রবণতা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।
লোকসভা নির্বাচনে একের পর এক রাজ্যে বিজেপির হারে বেজায় খুশি সিপিএম। সম্ভবত তৃণমূলের চেয়েও। কারণ এরাজ্যে বিজেপির প্রভাব কমার উপরেই নির্ভর করছে সিপিএমের ঘুরে দাঁড়ানো। দিল্লিতে লোকসভা ভোটের তুলনায় বিজেপির ১৬ শতাংশ ভোট কমায় সিপিএম নেতৃত্ব আশার আলো দেখতে শুরু করেছে। সিপিএম মনে করছে, সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে শক্তিক্ষয় হলেই এরাজ্যেও বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মনোবল দুর্বল হবে। আর আশ্রয় দুর্বল হলেই অন্য ঘরের সন্ধান করাটাই মানুষের প্রবৃত্তি। বিজেপিতে যাওয়া বাম কর্মী সমথর্কদের সিপিএমে ফেরার সম্ভাবনা বাড়বে। তাতে তৃণমূলের সাময়িক লাভ হলেও অদূর ভবিষ্যতে তারাই নাকি ফায়দা তুলবে। অঙ্ক মিলুক বা না মিলুক, কষতে তো বাধা নেই।
এবার একসঙ্গে শতাধিক পুরসভার নির্বাচন। তাই অনেকেই বলছেন, এটা নাকি ‘মিনি বিধানসভা’ নির্বাচন। তবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, পুরভোট হবে, নাকি ভোট করানো হবে?
পুরসভা বা পঞ্চায়েত নির্বাচনগুলি রাজ্যের নির্বাচন কমিশন দ্বারা পরিচালিত। ফলে সর্বত্রই শাসকদল তার সুযোগ নেয়। এরাজ্যে বাম জমানায় সিপিএম নিত। ফলে, হাজার হাজার আসন বিনা ভোটে জিতত। তৃণমূল কংগ্রেস ২০১৮ সালেও কোনও কোনও জায়গায় একই কায়দায় পঞ্চায়েত ভোট করিয়েছিল। ত্রিপুরাতেও বিজেপি ক্ষমতায় বসে একই কায়দায় ৯০ শতাংশেরও বেশি আসনে স্রেফ বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে।
কিন্তু, ‘ভোট করানো’র ফল যে সুদূরপ্রসারী হয়, তার প্রমাণ এরাজ্য দেখেছে। পঞ্চায়েতে ‘ভোট করানোর’ খেসারত শাসক দলকে মেটাতে হয়েছে লোকসভা নির্বাচনে। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শাসক দল সত্যি সত্যিই শিক্ষা নিয়েছে কি না সেটাও পুরভোটে প্রমাণ হবে।
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, পঞ্চায়েতের কায়দায় ভোট না করিয়ে উপ নির্বাচনের মতো ভোট হলে তৃণমূলেরই লাভ। মানুষ নিজের ভোট নিজে দিলে হয়তো তৃণমূল কিছু আসনে হারবে বা বড়জোর কয়েকটি পুরসভা হাতছাড়া হবে। কিন্তু, মানুষের আস্থা অর্জন নিশ্চিত। যার বেনিফিট তৃণমূল পাবে ২০২১ সালে। 
22nd  February, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একনজরে
  বিএনএ, বারাসত ও বারাকপুর: করোনার ভাইরাস দূর করতে এবার জল কামান নিয়ে রাস্তায় নামল বারাসত জেলা পুলিস। শনিবার বারাসতের ডাক বাংলো থেকে দোলতলা পর্যন্ত ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি: বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাতে বাধা পড়ে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চালু হতে চলেছে ভাইরাল রিসার্চ সেন্টার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ভিআরডিএল ল্যাব। ...

  তেল আভিব, ২৮ মার্চ (পিটিআই): বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই ৩১৪ জন নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে ধন্যবাদ জানাল ইজরায়েল। ...

  শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: লকডাউনের জেরে রাজ্যে বন্ধ বাস ও ট্রেন পরিষেবা। অফিসে আসতে পারছেন না সিআইডি, আইবি এবং পুলিস ডিরেক্টরেটের সিংহভাগ কর্মীই। তাই তাঁদের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লোহা ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৭: বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২৯: অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২: তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬০ টাকা ৯২.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৮৪ টাকা ৮৩.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) পঞ্চমী ৫১/৫ রাত্রি ২/২। কৃত্তিকা ২৪/১৪ দিবা ৩/১৮। সূ উ ৫/৩৫/৫২, অ ৫/৪৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ গতে ৯/৪০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১০/১০ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৯ গতে ২/৩৮ মধ্যে।
১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, পঞ্চমী ৪১/৩৯/১২ রাত্রি ১০/১৭/২৪। কৃত্তিকা ১৬/৫০/৮ দিবা ১২/২১/৪৬। সূ উ ৫/৩৭/৪৩, অ ৫/৪৭/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১২/১ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪২/৩২ গতে ১/১৩/৪৫ মধ্যে।
 ৪ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: তেহট্টের ঘটনায় খোঁজ মিলল রেল সহযাত্রীর
আজ বর্ধমানের চক্রবিরাজপুরের এক মহিলা এলাকার কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ফোন করে ...বিশদ

03:12:00 PM

আগামীকাল থেকে ব্যাঙ্কে স্বাভাবিক পরিষেবা, জানাল অর্থমন্ত্রক 

03:09:55 PM

করোনা: উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরে আক্রান্ত আরও ৪জন 

02:50:01 PM

তেলেঙ্গানায় আইপিএস অফিসারেরা একদিনের মাইনে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে  

02:48:00 PM

অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্ত বাড়ল ৩৩৪ জন
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল আরও ৩৩৪ জন। ...বিশদ

02:12:03 PM

করোনা: শেষ কয়েক ঘণ্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০
শেষ কয়েক ঘম্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০জন। মৃত্যু হয়েছে ৪ ...বিশদ

02:06:32 PM