Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা। সেটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৯৩ সালের ১১-২৭ সেপ্টেম্বর। যদিও নির্দিষ্ট নির্ঘণ্ট স্বামীজির জানা ছিল না। তাই তিনি অনেক আগেই পৌঁছে গিয়েছিলেন। শিকাগো মহানগরে প্রথম পা রাখেন ১৮৯৩ সালের ৩০ জুলাই। তারপর বিরাট এক ইতিহাস গড়ে তিনি দেশে ফেরেন ১৮৯৭ সালে। ধর্ম মহাসভার নির্ঘণ্ট তাঁর অজানা থাকার কারণ, তিনি শিকাগো পৌঁছেছিলেন আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ ছাড়াই। শুধু তাই নয়, হিন্দুধর্মের কোনও প্রতিনিধিও ভারত পাঠাবার প্রয়োজন মনে করেনি। শিকাগোয় গিয়ে স্বামীজি জানতে পারলেন যে উপযুক্ত পরিচয়পত্র এবং প্রতিনিধিত্বের অধিকার ছাড়া মহাসভার মঞ্চে ওঠার কোনও সুযোগ নেই। ‘ভগবানের আদেশ’-এ এবং ভক্তদের কথায় সরল মনে তিনি চলে এসেছেন বটে, এরপর ভয়ঙ্কর কঠিন মাটিতে পা রেখে ভাবছেন, এত কষ্ট স্বপ্ন সব জলে চলে যাবে যে! তিনি এসেছিলেন মূলত মাদ্রাজের ভক্তদের তরফে সংগৃহীত সামান্য কিছু অর্থ হাতে নিয়ে। বিরূপ এই পরিস্থিতির মধ্যে সেই সম্বলটুকুও দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছিল। কারণ, আমেরিকায় সবকিছুরই দাম অস্বাভাবিক বেশি আর রয়েছে ঠগ-বাটপাড়দের ফাঁদ। কিছুদিন পর মাদ্রাজের এক ভক্তকে লেখা চিঠি থেকে আমরা জানতে পারি, আমেরিকায় পৌঁছনোর আগে স্বামীজি যেসব ‘সোনার স্বপ্ন’ দেখেছিলেন সেগুলি একে একে ভেঙে যাচ্ছে। ক্রমশ ‘অসম্ভবের সঙ্গে যুদ্ধে’ জড়িয়ে পড়ছেন। তবু তিনি মাটি কামড়ে পড়েছিলেন এই ভেবে যে, ‘‘আমি একগুঁয়ে দানা, আর ভগবানের আদেশ পেয়েছি। আমি কোনও পথ দেখতে পাচ্ছি না, কিন্তু তাঁর চোখ তো সব দেখছে। মরি বাঁচি, উদ্দেশ্য ছাড়ছি না।’’
শিকাগোর তুলনায় বস্টনে জীবনধারণ কিছুটা সস্তা। স্বামীজি বস্টনে গেলেন। ট্রেনে বস্টন যাওয়ার পথে তাঁর আলাপ হয় ক্যাথেরিন এবট স্যানবর্ন ওরফে কেট নামে প্রভাবশালী প্রৌঢ়ার সঙ্গে। বস্টনে থাকার বন্দোবস্ত তিনিই করে দেন। বাগ্মী ও লেখিকা হিসেবে বিশেষ প্রতিপত্তিও ছিল তাঁর। কেটের মাধ্যমেই শিক্ষিত গণ্যমান্য শ্রেণীর মধ্যে সহজ প্রবেশাধিকার মেলে স্বামীজির। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ ঘটে প্রফেসর রাইটের। তাঁরই বদান্যতায় ধর্মমহাসভায় স্বামীজির জন্য প্রতিনিধির আসনটি নিশ্চিত হয়ে যায়। তবে, এই পর্যন্ত পৌঁছতে তাঁকে কত যে প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ হয়তো কোনোদিনই পাওয়া যাবে না। যেটুকু জানা যায়, সেটুকুই ভয়ঙ্কর! ‘বিবেকানন্দ’ নামটাই পশ্চিমাদের জিভে ঠিকমতো উচ্চারিত হতো না। ফলে, তিনি একাধিক বিকৃত নামের অধিকারী হলেন। তাঁর অদ্ভুত পোশাক ও পরিচয় নিয়েও নানা মজা হতো। খবরের কাগজেও তাঁর মুখে মনগড়া বিবৃতি বসানো হয়েছে। হজম করেছেন রাস্তার ফালতুদেরও বিদ্রুপ।
ধৈর্য ও সাহসের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর দেখা গেল, আমেরিকার সমাজ তাঁকেই ‘ভবিষ্যদ্‌দ্রষ্টা ঋষি’ হিসেবে তুলে ধরছে। তাঁকে দেখার জন্য, তাঁর মুখের কথা শোনার জন্য বড় বড় জায়গা থেকে আমন্ত্রণ আসতে লাগল। উল্লেখ্য, শিকাগো ছেড়ে বস্টনে যাওয়ার পর স্বামীজি ধর্ম মহাসভায় যোগদানের আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন। প্রফেসর রাইট অনেক বুঝিয়েই তাঁকে ফের শিকাগোয় পাঠান। পরিচয়পত্র না-থাকার অস্বস্তি কাটাতে রাইট স্বামীজিকে যে-কথা বলেছিলেন তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে—‘‘আপনার কাছে পরিচয়পত্র চাওয়া আর সূর্যকে তার কিরণ-বিকিরণের কী অধিকার আছে জিজ্ঞাসা করা তো একই কথা!’’ তবুও রাইট নিজ দায়িত্বে চিঠি লিখলেন মহাসভার প্রতিনিধি নির্বাচক কমিটির সেক্রেটারিকে—‘‘ইনি এমন একজন বিজ্ঞ ব্যক্তি যে আমাদের সকল অধ্যাপককে একত্র করলেও তাঁর জ্ঞানের সমকক্ষ হবেন না।’’ স্বামীজির শিকাগো যাওয়ার ট্রেনের টিকিটটাও প্রফেসর কিনে দিলেন এবং মহাসভার পক্ষ থেকে বাসস্থানের বন্দোবস্ত করতে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সমীপে একটি চিঠিও লিখলেন। কিন্তু, শিকাগো পৌঁছেও স্বামীজি এক নিদারুণ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যান। তখনই আলাপ হয় সহৃদয় জর্জ ডব্লু হেল পরিবারের সঙ্গে। মহাসভার মঞ্চে প্রতিনিধির আসন পেতে স্বামীজিকে চূড়ান্ত সাহায্যটি করেন তাঁরাই। জে বি লায়নের পরিবারে থাকারও বন্দোবস্ত হয়। কিন্তু, সমস্যা দেখা দেয় সেই বাড়িতে আশ্রিত কিছু বর্ণবিদ্বেষীকে নিয়ে। স্বামীজির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতেই মিস্টার লায়ন এতটাই মুগ্ধ হন যে, এই কথা জানার পর তাঁর স্ত্রী এমিলিকে সাফ বলেন, ‘‘সব অতিথি চলে গেলেও আমার এতটুকু দুঃখ নেই। আমাদের ঘরে এ যাবৎ যতজন এসেছেন তাঁদের মধ্যে এই ভারতীয় মানুষটিই সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিদীপ্ত এবং আমাদের মন কেড়ে নিয়েছেন। ইনি যতদিন খুশি এখানে থাকবেন।’’
স্বামীজি ক্রমশ উৎসাহ ফিরে পেতে লাগলেন। তাঁর কাছে স্পষ্ট হচ্ছে যে, স্বয়ং ভগবানই তাঁকে হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। ধর্মমহাসভা নতুন কিছু নয়। অতীতে বিচ্ছিন্নভাবে অনেকবার অনেক দেশে হয়েছে। কিন্তু, একটিমাত্র মহামঞ্চ থেকে সব ধর্মের প্রতিনিধি মুক্তকণ্ঠে নিজ নিজ মত ব্যক্ত করবেন এ এক অভূতপূর্ব ঘটনা। কারণ, যুগটা ভীষণভাবে পরমত অসহিষ্ণুতার। তাই মহাসভাটি স্বামীজির কাছে দৈবনির্দিষ্ট ও অবশ্যম্ভাবী বলে মনে হয়েছিল। শিকাগোর উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার সময় গুরুভাই স্বামী তুরীয়ানন্দকে স্বামীজি বলেছিলেন, ‘‘ধর্মমহাসভাটা আমারই জন্য হচ্ছে। আমার মন তাই বলছে। শিগগিরই এর প্রমাণ পাবে।’’ দ্রুত প্রমাণ পেয়েছিল সারা পৃথিবী। ১১ সেপ্টেম্বর, ১৮৯০ তারিখ মহামঞ্চে উপস্থিত হয়েই সমবেত দর্শকমণ্ডলীকে তিনি ‘আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভ্রাতাগণ’ বলে সম্বোধন করলেন। পশ্চিমি মানুষ এমন আন্তরিক সম্বোধন কস্মিনকালেও শোনেনি। এই ছোট্ট সম্বোধনই তাঁদের হৃদয়জয়ের সূচনা করল। মহাসভাস্থল করতালিতে ফেটে পড়ল। সেই অভিনন্দন যে থামতেই চায় না! বিনয়ের সঙ্গে তা গ্রহণ করার পর তিনি সনাতন হিন্দু ধর্ম দর্শন এবং উদার ভারতের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিলেন। স্বামীজি তাঁর ভাষণের গোড়ার দিকে একটি অত্যন্ত দামি কথা বললেন, যা আজ অধিকতর প্রাসঙ্গিক—‘‘যে-ধর্ম জগৎকে চিরকাল সমদর্শন ও সর্ববিধ মত-গ্রহণের বিষয় শিক্ষা দিয়ে আসছে, আমি সেই ধর্মভুক্ত বলে নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করি। আমরা যে কেবল অন্য ধর্মাবলম্বীর মত সহ্য করি, তা-ই নয়—সকল ধর্মকেই আমরা সত্য বলে বিশ্বাস করি। যে-ধর্মের পবিত্র সংস্কৃত ভাষায় ইংরেজি ‘এক্সক্লুশান’ (হেয় বা পরিত্যাজ্য) শব্দটি কোনোমতে অনুবাদ করা যায় না, আমি সেই ধর্মভুক্ত।’’
দেশের পথে পা বাড়ানোর মুহূর্তে এক ইংরেজ বন্ধু স্বামীজির কাছে প্রশ্ন রাখেন—‘‘বিলাসের লীলাভূমি, গৌরবের মুকুটধারী মহাশক্তিধর পাশ্চাত্যে চার বছর ভ্রমণের পর মাতৃভূমি আপনার কেমন লাগবে?’’ স্বামীজি হাসি মুখে জবাব দিয়েছিলেন—‘‘পাশ্চাত্যে আসার আগে ভারতকে ভালোবাসতাম। এখন তো আমার কাছে ভারতের ধূলিকণা পর্যন্ত পবিত্র, ভারতের বায়ু পবিত্রতামাখা, ভারতভূমি তীর্থস্বরূপ।’’
আমেরিকা, ইউরোপ, সিংহল ঘুরে স্বামীজি ১৮৯৭ সালের জানুয়ারির শেষ দিকে ভারতের মাটিতে প্রথম পা রাখেন মাদ্রাজে, পাম্পান দ্বীপে। খবর পেয়ে রামনাদ-রাজ তাঁর জন্য রাজকীয় অভ্যর্থনারই ব্যবস্থা করেছিলেন। মাদ্রাজের পর তাঁর গন্তব্য নির্দিষ্ট হয় কলকাতা। ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘মোসাম্বা’ জাহাজে চড়ে বসলেন। সহযাত্রী স্বামী শিবানন্দ, স্বামী নিরঞ্জনানন্দ, ক্যাপ্টেন সেভিয়ার, মিসেস সেভিয়ার, গুডউইন ও আনন্দ চার্লু। গন্তব্য ছিল সম্ভবত খিদিরপুর। চারদিন পর, ১৮ ফেব্রুয়ারি জাহাজ যখন গন্তব্যের কাছাকাছি এল, তখন প্রায় সন্ধ্যা। নেভিগেশনের নিয়ম অনুযায়ী, সেখানেই নোঙর করা হয়। সপার্ষদ স্বামীজির রাত কাটল জাহাজেই। পরদিন, অর্থাৎ ১৯ ফেব্রুয়ারি মাটিতে পা রাখেন। বজবজে। স্বামীজি বজবজ স্টেশনের ওয়েটিং রুমে কিছুক্ষণ বিশ্রাম করেন। কাঠ ও বেতের তৈরি যে চেয়ারে বসেছিলেন সেটি উদ্ধার করে রেলের হেরিটেজ গ্যালারিতে রাখা হয়েছে। স্বামীজির পদার্পণের পুণ্যস্মৃতি ধরে রাখতে ১৯৮৬-তে বজবজ স্টেশনের ওয়েটিং রুমের দেওয়ালে একটি প্রস্তরফলকও বসানো হয়েছে।
স্পেশাল ট্রেনে তাঁকে তোলা হয় আনুমানিক সকাল সাড়ে ৬টায়। ঘণ্টাখানেক বাদে তাঁরা শিয়ালদহে পৌঁছন। কলকাতায় তাঁকে বিপুল অভ্যর্থনা করা হয়। অভ্যর্থনা সমিতির সভাপতি ছিলেন দ্বারভাঙার মহারাজ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। স্বামীজি মাদ্রাজে পৌঁছতেই কলকাতায় অভ্যর্থনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। শিয়ালদহে বিশ হাজার মানুষের সমাগম হয়। সুগন্ধী ফুল মালায় তাঁর ঢাকা পড়ার অবস্থা। উপস্থিত গুরুভাইদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময়েরও সুযোগ নেই। আবেগবিহ্বল ভক্তদের ভিড় ঠেলে কোনোরকমে সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ির দিকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেভিয়ার দম্পতির সঙ্গে স্বামীজি গাড়িতে বসতেই একদল ছাত্র ঘোড়া দুটিকে মুক্তি দিয়ে নিজেরাই গাড়ি টেনে নিয়ে গেল। সঙ্গে চলল ব্যান্ডপার্টি ও কীর্তনের দল। জায়গায় জায়গায় সুন্দর তোরণ সেজে উঠেছিল। শহরের রাস্তাগুলিতেও উপচে-পড়া ভিড়। এইভাবে স্বামীজি বাগবাজার, বরানগর ছুঁয়ে পৌঁছে গেলেন আলমবাজার মঠে। মঙ্গলকলসসহ তাঁকে অভ্যর্থনা জানালেন মঠের সাধুরা। পরদিন কাগজে কাগজে বর্ণনা ছাপা হল। কলম্বো এবং মাদ্রাজেও তাঁকে অভ্যর্থনার খবর বাংলার মানুষ জেনেছিল সংবাদপত্র থেকে। আমেরিকা এবং ইউরোপে পাওয়া অভিনন্দনপত্রগুলিরও ছবি ছাপা হতো। স্বামীজির বিশেষ ট্রেন শিয়ালদহে আসামাত্র সমস্বরে জয়ধ্বনি ওঠে—‘‘জয় পরমহংস রামকৃষ্ণদেব কী জয়, জয় স্বামী বিবেকানন্দ কী জয়।’’ সারা বাংলা ভীষণ উজ্জীবিত হল।
কলকাতায় এই জন-অভ্যর্থনা প্রসঙ্গে স্বামীজি বলেছিলেন—‘‘আমি ইচ্ছা করেছিলাম যে আমায় নিয়ে একটু হইচই হয়। কী জানিস, একটা হইচই না-হলে তাঁর (ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণ) নামে লোক চেতবে কী করে? এত সংবর্ধনা কি আমার জন্য করা হল? না। তাঁর নামেরই জয়জয়কার হল। তাঁর বিষয় জানবার জন্য লোকের মনে কতটা ইচ্ছা হল। এইবার একটু একটু করে তাঁকে জানবে। তবে না, দেশের মঙ্গল হবে। যিনি দেশের মঙ্গলের জন্য এসেছেন, তাঁকে না-জানলে লোকের মঙ্গল কী করে হবে?’’
19th  February, 2020
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মানুষ ও স্বসহায়ক দলগুলিকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হাঁস ও মুরগির বাচ্চা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের এক মাসের খাবারও কিনে দেবে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলির পর বাড়ির কাছেই কাজের সুযোগ পেলেন চারশোর বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। শুক্রবার ৪১৫ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে রাজ্যের বিভিন্ন ...

  ওয়াশিংটন: ভুয়ো লাইসেন্সধারী পাইলটদের উপর বিশ্বাস নেই। ইউরোপের পর এবার আমেরিকাতেও নিষিদ্ধ হল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ)। ...

সংবাদদাতা, মালদহ: প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মালদহের আম ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তর। দিল্লিতে নিযুক্ত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাটে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯০২ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

08:06:12 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬,৪৯৭ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯৭ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

07:52:00 PM

উত্তর প্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৬৬৪ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৪ জন করোনায় ...বিশদ

07:47:39 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১,৪৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৪৩৫ জন। ...বিশদ

07:47:36 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৩২৮ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩২৮ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

06:40:21 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৯৩৫ 
অন্ধ্রপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05:53:11 PM