Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো:
প্রশ্ন:
(ক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এনসিআরবি), কেন্দ্র ও রাজ্যের কোনও আইন প্রয়োগ সংস্থা, পুলিস, কেন্দ্র ও রাজ্যের কোনও ধরনের গোয়েন্দা সংস্থা প্রভৃতির মধ্যে কেউ কি ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ নামে কোনও সংঠগনকে চিহ্নিত এবং তালিকাভুক্ত করেছে?
(খ) ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’—এমন একটি পরিভাষা যে ব্যবহার করা হচ্ছে, এর ভিত্তিটা কী—কেন্দ্রীয় মন্ত্রক কিংবা আইন প্রয়োগ সংস্থা অথবা গোয়েন্দা সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে পাওয়া কোনও তথ্য?
(গ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, এনসিআরবি, অথবা আইন প্রয়োগ সংস্থা অথবা গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কি ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর অভিযুক্ত নেতাদের এবং তার সদস্যদের তালিকা তৈরি করেছে?
(ঘ)‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রয়োগের মতো কোনও ফৌজদারি শাস্তির কথা (বিশেষ করে ভারতীয় দণ্ডবিধি বা আইপিসি অথবা অন্য আইনে নির্দিষ্ট) বিবেচনা করা হচ্ছে কি? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কিংবা অন্য কোনও আইন প্রয়োগ সংস্থা অথবা গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কি এটা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে?
(ঙ) যদি সেরকম হয়, তবে বিস্তারিত জানানো হোক।
উত্তর
(ক) থেকে (ঘ): কোনও ধরনের আইন প্রয়োগ সংস্থা এই বিষয়ে কোনও প্রকার তথ্য সরকারের গোচরে আনেনি।
দেশকে টুকরো করা হচ্ছে?
যেহেতু ২০১৯-এর মে মাসে ভোটের মাধ্যমে বিজেপিকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরানো হয়েছে, সেই সূত্রে দেশের অনেক মানুষকেই খাওয়ানো গিয়েছে যে, ভারত বিপদের মধ্যে রয়েছে। ভারতকে টুকরো টুকরো করার লক্ষ্যে কয়েকটি গোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে অপকম্ম করে চলেছে। এই গোষ্ঠীগুলিকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের নামে দেগে দেওয়া হয়েছে—নকশাল, মাওবাদী, মুসলিম সন্ত্রাসবাদী, শহুরে নকশাল প্রভৃতি। কানহাইয়া কুমারসহ চারজন ছাত্রনেতার নামে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) একটি বড় ছাত্রসমাবেশ হয়েছিল। ওই প্রতিবাদী ছাত্রদেরকেই ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ নামে দেগে দেওয়া হয়েছে। তারপর থেকে বিজেপির নীতি ও কাজের বিরোধী সকলকেই ওই তকমাটাই সেঁটে দেওয়া হচ্ছে। এই তকমা রাজনৈতিক ভাষণের ভিতরেও ঢুকে পড়েছে। দুর্ভাগ্য যে, সেটা মার্জিত রুচির বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের ভাষণেও জায়গা করে নিয়েছে।
বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং মানুষের গায়ে এই তকমা সেঁটে দেওয়ার দ্রুততায় অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে ভেবে নিচ্ছেন যে, ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ সত্যিই রয়েছে আর সেটা দেশের সামনে এক ভয়ংকর ও ক্রমবর্ধমান বিপদরূপেই উপস্থিত হয়েছে। এই ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর মধ্যে বিজেপির বিরোধী কাকে না ধরা হয়েছে—শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ, লেখক, শিল্পী, ছাত্রছাত্রী, শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন, কৃষক, বেকার যুবক-যুবতী, মহিলা, এমনকী শিশুরাও। আর অবশ্যই নাম করতে হবে বিরোধী দলগুলির নেতাদের। মহিলা ও শিশুরা হল ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এ সর্বশেষ সংযোজন। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) এবং প্রস্তাবিত জাতীয় জনসংখ্যাপঞ্জির (এনপিআর) বিরুদ্ধে শাহিনবাগে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে উঠতেই তাদেরকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। তালিকাটি রোজ লম্বা হচ্ছে।
ছকে সামান্য ভুল
দিল্লি বিধানসভার সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী দুটি পদযাত্রায় অংশ নিয়ে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর কথা তুলে তাদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। খবরের কাগজ, টিভি চ্যানেল এবং সোশ্যাল মিডিয়া অবশ্য এই ‘গ্যাং’-এর চেহারাটা দেখিয়ে দিয়েছে। যাই হোক, ছকে সামান্য ভুল রয়ে গিয়েছে। আমরা কী দেখলাম—‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ যাদের বলা হচ্ছে তাদের এক হাতে ভারতের জাতীয় পতাকা আর অন্য হাতে ভারতের সংবিধানের একটি কপি! এখানেই শেষ নয়, ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’-এর সদস্যদের দরাজ গলায় মাঝে মাঝেই ধ্বনিত হচ্ছে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত! মানুষকে যে বাগাড়ম্বর শোনানো হয়েছিল আর মানুষ স্বচক্ষে যে ছবি দেখল, তা তো মিলছে না—একেবারেই যে আলাদা! মনে হয় সব ধরনের মানুষ তাদের বিশ্বাস অনুযায়ীই সব বিশ্বাস করেছে।
মন্ত্রী মশায়ের বিবৃতিটা চমকপ্রদ। গত কয়েক মাস যাবৎ বিজেপি নেতারা যেসব অভিযোগ করলেন আর গত সপ্তাহে সংসদে মন্ত্রী মশায় যে বিবৃতি দিলেন তা তো উল্টো! এই বৈপরীত্যের ব্যাখ্যা কী—তা দেওয়ার জন্য বিজেপির কোনও নেতাই এগিয়ে আসার সাহস দেখালেন না।
দক্ষিণপন্থী মতাদর্শে এ জিনিস মোটেই অস্বাভাবিক কিংবা চারিত্রিক ত্রুটি বলে গণ্য হয় না। দক্ষিণপন্থী নেতারা এসবে বিশ্বাসের ব্যাপারে যে কট্টর তা নিয়েও অবাক হওয়ার কিছু নেই। কেবলমাত্র দক্ষিণপন্থীরা যখনই তাদের ধর্মের রাজনীতিকরণ করে এবং ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে ভাগ করার অপচেষ্টা নেয়—‘আমার ধর্ম বনাম তোমার ধর্ম’ করে বেড়ায়—তখনই সংবিধান লঙ্ঘিত এবং সামাজিক ঐক্য বিঘ্নিত হয়। বিজেপি ঠিক এটাই করেছে। গত ছ’বছর ধরে সরকারে এবং অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে সেই লোকগুলিকে বসিয়ে দিয়েছে, যারা নিছক ধার্মিক নয়, অসংখ্য মানুষের মনে ভয় ও অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে দিতে তাদের ধর্মবিশ্বাসকে অস্ত্র হিসেবে যারা ব্যবহার করবে।
যেমন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক নীরা চান্ধোক লিখেছেন, ‘‘সেকুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতা যেটার সঙ্গে লড়াই করে সেটা হল—ক্ষমতার রাজনীতিকরণ, ক্ষমতার পক্ষে ধর্মের আশ্রয় গ্রহণ, ধর্মীয় পরিচয়কে ক্ষমতায় রূপান্তর ... রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে মরিয়া রাজনীতির বর্ম পরা ধর্মকে ঠেকাবার একটি চেষ্টারও নাম সেকুলারিজম। এটা অপরিহার্যই ছিল। কারণ, দেশটা ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিল।’’
ধর্মের রাজনীতিকরণ এবং ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান অক্ষুণ্ণ রাখা—লড়াইটা এই দুইয়ের মধ্যে। লড়াই জারি রয়েছে দিল্লি, লখনউ, কলকাতা, হায়দরাবাদ, পুণে, কোচিতে ও অনেক ছোট শহরে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে এবং আরও নানা স্থানে। এই আন্দোলনে মাথা গলাচ্ছেন যাঁরা তাঁরা রাজনৈতিক দলগুলির চেনা মুখ নন। তাঁরা বরং একেবারে সোজা সাপটা অরাজনৈতিক মানুষজন। তাঁদের মধ্যে আছেন মহিলারা এবং তাঁদের খুদে ছেলমেয়েরা, বেশিরভাগ সময় যাঁরা বাড়ির চৌহদ্দিতেই কাটাতে অভ্যস্ত। আর যোগ দিয়েছেন রাজনীতি-বিমুখ যুব সম্প্রদায়ের অংশটা—যাঁরা পর পর গদিয়ান এই সরকারের কাজকর্মে হতাশ। শীতের কামড়, জলকামান, লাঠির আঘাত, এমনকী গুলির মতো মৃত্যুবাণকেও পরোয়া করেননি। উল্লেখ করা যায় যে, শুধু উত্তরপ্রদেশেই পুলিসের গুলি ২৩ জনের প্রাণ নিয়েছে।
দিল্লির ভোট ভারতের জন্য ‘ভিয়েতনাম আন্দোলন’ হয়ে উঠেছিল। জয়টা তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল, যখন দিল্লির ভোটদাতারা দরাজ হাতে সমতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষ নিলেন। তাতে করে আমরা কী দেখলাম? বিজেপি-কথিত সেই ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ই বিজয়ীর হাসি হাসল। প্রার্থনা করি, তাদের সাংবিধানিক লক্ষ্য পূরণ না-হওয়া অবধি ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ আরও শক্তিশালী হোক।
 লেখক কেন্দ্রের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী
17th  February, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একনজরে
  তেল আভিব, ২৮ মার্চ (পিটিআই): বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই ৩১৪ জন নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে ধন্যবাদ জানাল ইজরায়েল। ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ: করোনার ভয়াবহ আবহে হাজার খারাপের মধ্যেও অন্তত একটা ইতিবাচক দিক খুঁজে পেলেন রবি শাস্ত্রী। এই মারণ ভাইরাসকে রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষিত হওয়ার ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শালবনীর সিমেন্ট কারখানায় আটকে থাকা ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের এক মাসের রেশনের ব্যবস্থা করা হল। লকডাউনের জেরে সিমেন্ট কারখানার সেকেন্ড ইউনিটে ভিনরাজ্যের সাড়ে চারশো শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন।  ...

বিএনএ, শিলিগুড়ি: বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাতে বাধা পড়ে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চালু হতে চলেছে ভাইরাল রিসার্চ সেন্টার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ভিআরডিএল ল্যাব। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লোহা ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৭: বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২৯: অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২: তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬০ টাকা ৯২.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৮৪ টাকা ৮৩.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) পঞ্চমী ৫১/৫ রাত্রি ২/২। কৃত্তিকা ২৪/১৪ দিবা ৩/১৮। সূ উ ৫/৩৫/৫২, অ ৫/৪৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ গতে ৯/৪০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১০/১০ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৯ গতে ২/৩৮ মধ্যে।
১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, পঞ্চমী ৪১/৩৯/১২ রাত্রি ১০/১৭/২৪। কৃত্তিকা ১৬/৫০/৮ দিবা ১২/২১/৪৬। সূ উ ৫/৩৭/৪৩, অ ৫/৪৭/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১২/১ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪২/৩২ গতে ১/১৩/৪৫ মধ্যে।
 ৪ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জলপাইগুড়িতে সাধারণদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ 

12:56:00 PM

জলপাইগুড়ির বানারহাটে দূরত্ব বজায় রেখে রেশন বিলি করা হল চা শ্রমিকদের মধ্যে

12:55:00 PM

করোনা: রাজ্যের ত্রান তহবিলে সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা দিলেন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ 
১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা ১২ নং বরো-র চেয়ারম্যান সুশান্ত ...বিশদ

12:49:00 PM

মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসায় রাজ্যপাল
করোনা মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যে পদক্ষেপ নিচ্ছেন তার ভূয়সী প্রশংসা ...বিশদ

12:41:03 PM

ভূস্বর্গেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা
ভূস্বর্গে কাশ্মীরেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। আজ এখানকার আরও ৫ ...বিশদ

12:32:34 PM

করোনা: জরুরি পরিষেবায় যুক্তদের ট্যুইটে ধন্যবাদ মমতার 
করোনা পরিস্থিতিতে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিস, সরকারি আধিকারিক এবং জরুরি ...বিশদ

11:50:59 AM