Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। সবরমতী আশ্রমে তাঁর পদার্পণের শতবর্ষ চলছে। দু’জনেই ছিলেন পরস্পরের গুণগ্রাহী। আবার যুক্তি-তর্কও দু’জনার কম হয়নি। মহাত্মার চেয়ে কবিগুরু ছিলেন প্রায় সাড়ে আট বছরের বড়। কিন্তু দুই মহামানবের অন্তরে ছিল পরস্পরের প্রতি অসীম শ্রদ্ধাবোধ। আবার তাঁদের দেখা হল।
স্বর্গের প্রশান্তিনিকেতনে মহাত্মা এলেন গুরুদেবের সঙ্গে দেখা করতে। চারিদিকে ফুলের বাগান। মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। সুন্দর মনোরম গন্ধবহ পরিবেশ। কবিগুরু এগিয়ে গিয়ে স্বাগত জানালেন মহাত্মাকে।
দু’জনে বাগানে এসে বসলেন। নমস্কার-প্রতি নমস্কারের পালা সাঙ্গ হল। গান্ধীজির মুখে চিন্তার ছাপ। কবিগুরু বললেন, কী হয়েছে মহাত্মা, আপনাকে অত্যন্ত চিন্তান্বিত লাগছে?
গান্ধীজি বললেন, দেখুন গুরুদেব, আমি মোটেই প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ নই। দেশ আমার আগে, তারপর অন্য কিছু।
গুরুদেব বললেন, ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না মহাত্মা!
মহাত্মা বললেন, আপনিও কখনও প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ ছিলেন না। আপনি ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ লিখেছিলেন, কিন্তু তার মধ্যে ভাবনার কূপমণ্ডুকতা ছিল না। ভারত ছিল আপনার আত্মার মধ্যে। এখন আপনি ওই গান লিখলে দেশের কোনও কোনও মানুষ আপনার গায়ে প্রাদেশিকতার কালি ছেটাত। আপনার কপাল আরও খারাপ হলে আপনার গায়ে টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের লেবেলও মেরে দিত। তাই আমার এখন ভাবনা হয়, যে গুজরাতে আমার জন্ম, সেই গুজরাত নিয়ে মানুষের ভাবনা এখন পাল্টে যাচ্ছে। সেখানে পোস্ট গোধরা পরবর্তী সময়ে একটা অবিশ্বাসের বাতাবরণ গড়ে উঠেছে। গুজরাত শিল্পে যত এগিয়েছে, দেশকে সেভাবে নেতৃত্ব একসূত্রে বাঁধতে পারেনি। এখনকার রাজনীতির দিকে তাকিয়ে দেখুন, তার ভিত্তি প্রেম নয়, জনসেবা নয়, মানুষের কল্যাণ নয়। শুধু হিংসা, বিদ্বেষ, আত্মস্বার্থ বোধকে পুষ্ট করা আর নির্বাচনে জয়। ক্ষমতাই একমাত্র সত্য, বাকি সব মিথ্যা।
থামলেন গান্ধীজি। কবিগুরু আকাশের দিকে তাকালেন। বললেন, এখানে আকাশ নীল। কত সুন্দর সব কিছু। বসন্ত সমাগত। আর কিছুদিনের মধ্যেই ফুলে ফুলে আগুন লাগবে। এখন প্রকৃতির বুকে রংয়ের আগুনের থেকেও সত্য হল, রাজনীতির আগুন। সব পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। ভাবা যায়, এখন ভোটের প্রচারে বুক ফুলিয়ে অনেকে বলে গোলি মারো! কাকে গোলি মারবে?
গান্ধীজি বললেন, যাঁকে ওরা ‘দেশ কি গদ্দার’ বলে ছাপ্পা মেরে দেবে, তাকেই ওরা গুলি করে মারতে চায়। তুমি আমার মতের পন্থী নও, সুতরাং তুমি গদ্দার। কেননা তোমার ভোট আমার পক্ষে আসবে না।
কবিগুরু বললেন, এত রাজনৈতিক হিংসা, খুনখারাবি, বন্দুক হাতে দুর্বৃত্তের ঘোরাফেরা, ধর্ষণ, লুটপাট, গুপ্তহত্যা—, মাঝে মাঝে মনে হয় দেশটার নাম বোধহয় জালিয়ানওয়ালাবাগ। নির্বিচার দমনের এক পীঠস্থান।
মহাত্মা বললেন, জালিয়ানওয়ালাবাগের বিরুদ্ধে আপনি সেদিন রুখে দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিবাদে।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ, আজ আমরা শুধুই দর্শক। এক বিশাল মহাজাগতিক দূরত্বে বসে আমরা সেসব শুধু দেখতে পারি, আর নিজেদের ভাবনা, শিক্ষা দিয়ে তা পর্যালোচনা করতে পারি।
মহাত্মা বললেন, আজকের রাজনীতিতে শিক্ষা ব্যাপারটি বড়ই অবহেলিত। বহু ক্রিমিনাল কেসের অভিযুক্ত বুক ফুলিয়ে আইনসভা আলো করে বসে আছেন। তাঁরাই আজ আইন তৈরির অধিকারী।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ আইনসভার সেই ব্যক্তিটি যদি আইন প্রণেতা হন, তবে সেই আইন সমাজের কোনও মঙ্গল করতে পারে না। সেই আইন মানব সভ্যতার পক্ষে অমঙ্গলজনক হয়ে ওঠে। ইদানীং ভারতবর্ষে এই ধরনের আইন দেশের মধ্যে বিদ্বেষ এবং বিচ্ছিন্নতার বীজ রোপন করে ভারতাত্মার ক্ষতিসাধন করছে।
গান্ধীজি বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন, সারা দেশকে অস্থির করে তার মধ্য থেকে ফায়দা লোটার একটা বেনিয়াবৃত্তি আজ দেশের শাসকদলকে গ্রাস করেছে।
গুরুদেব বললেন, একটা সময় দেশে স্বাধীনতার আন্দোলন নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে। কোন পথে স্বাধীনতা আসবে, তা নিয়ে কম মতান্তর হয়নি। একদল ছিলেন চরমপন্থী, অন্যদল ছিলেন নরমপন্থী। দুই শিবিরের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও তখন কেউ কাউকে কিন্তু গদ্দার বা বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেননি। তখন অনেকেই আপনার পথকে সমর্থন করেননি। একদিকে ছিল আপনার অহিংসা এবং অন্যদিকে ছিল সশস্ত্র বিপ্লবের পথ। সভ্যসমাজে মানুষের মতের মূল্য থাকবেই। এখন তো আবার গণতন্ত্র। প্রশ্ন জাগে, এই গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী বা স্বাস্থ্যকর?
গান্ধীজি বললেন, তখন তেমন অস্বাস্থ্যকর মতবিরোধ হয়নি। তবে ভিতরে ভিতরে বিদ্বেষের একটা চোরাস্রোত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। জানতাম বিস্ফোরণের মতো সেটা একদিন প্রকাশিত হয়ে পড়বে। কিন্তু সেটা যে আমাকে কেন্দ্র করেই হবে, সেটা আমি বুঝিনি।
১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি আমাকে গুলি করে যে হিংসার প্রকাশ ঘটেছিল, আজও যেন তা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তার ধারাবাহিক স্রোত দুদ্দাড় বেগে এগিয়ে চলেছে আরও বৃহত্তর অশনিসংকেতের দিকে। এই যে গোলি মারো হুংকার, এর উত্তরাধিকার এই দেশ, এই সমাজ বহন করে চলেছে। বুলেটের মুখে আজ রক্তাক্ত মানবতার বাণী।
গুরুদেব বললেন, সেই হিংসাই আজ সত্য, সেই হিংসাই আজ দেশপ্রেমের প্রমাণ, সেই হিংসাই আজ প্রকৃত স্বাধীনতার যোগ্য যোদ্ধা। সেই পাপের বীজ এখনও ইতিহাসের রক্তে-অশ্রুতে মিশে আছে। আপনার সেই বুলেট-যন্ত্রণার অস্তিত্ব জাতির প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় বর্তমান। আমি আমার ‘দুই ইচ্ছা’ প্রবন্ধে এই বিষয়ে বলেছিলাম। মানুষের এক ইচ্ছা তাকে শুভর দিকে নিয়ে যায়, আর এক ইচ্ছা তাকে নিয়ে যায় অশুভের দিকে। এক ইচ্ছা মানুষের দুঃখনিবৃত্তির, আর এক ইচ্ছা অহমবোধের, সংকীর্ণতার। সেই সংকীর্ণতা মত্ত হস্তির মতো। সেই সংকীর্ণতা পাপ। তা কেবল তাঁর নিজের এবং একই সঙ্গে মানুষেরও দুঃখের কারণ হয়ে ওঠে।
মহাত্মা বললেন, আপনিও অধ্যাত্মবাদে বিশ্বাস করতেন, আমিও করতাম। কিন্তু আমাদের সেই বোধ কখনও সংকীর্ণ ধর্মকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠেনি।
কবিগুরু বলে উঠলেন, আমার একটা কবিতায় আমি এ ব্যাপারে অনেক আগেই বলে এসেছিলাম। ‘ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে/ অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে।... যে পূজার বেদি রক্তে গিয়েছে ভেসে/ ভাঙো ভাঙো আজি ভাঙো তারে নিঃশেষে/ ধর্মকারার প্রাচীরে বজ্র হানো/ এ অভাগা দেশে জ্ঞানের আলোক আনো।’
চুপ করে বসে থাকেন মহাত্মা। তারপর অস্ফুটে বলে ওঠেন, ‘হে রাম’।
কবিগুরু বললেন, আপনার রাম এবং এখনকার রামের মধ্যে যোজনখানেক দূরত্ব মহাত্মা। আপনার রাম ছিলেন আপনার কাছে ভগবান, আত্মা। আপনি যখন শেষ মুহূর্তে ‘হে রাম’ বলে উঠেছিলেন, তার সঙ্গে প্রভু যিশুর শেষ কথা সমার্থক হয়ে উঠেছিল। উনি বলেছিলেন, হে ঈশ্বর, ওরা জানে না, ওরা কী ভুল করছে। তুমি ওদের ক্ষমা কোরো। আপনিও ‘হে রাম’ বলে সেটাই প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই রাম, রামায়ণের রাম নন। এখনকার রামকে অনেক বেশি আগ্রাসী করে তোলা হয়েছে। এই রামের ধর্ম ভিন্নতর। আমার বহু রচনাতে যে রামের কথা বলেছি, সে আমাদের কৃত্তিবাসী রাম। বাঙালির রাম ভিন্নতর। সে আমাদের ঘরের ছেলে। সীতা আমাদের ঘরের বউ। লক্ষ্মণ আমাদের আদর্শ দেবর। বাঙালির কাছে রাম নম্র, উগ্র নন। রামকে ঘিরে সেই ভালো লাগা বা মিথোম্যানিয়্যা আজ আর নেই। আজ ধর্মকে কেন্দ্র করে, আড়ম্ভরকে কেন্দ্র করে, মূর্তির উচ্চতাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং মন্দির মন্দির রব তুলে যা হচ্ছে, সেটা এক মিথ্যাম্যানিয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। রাম এখন তাই ধর্ম নয়, রাজনীতিতে একটা বড় হাতিয়ার, রাম এখন বিচ্ছিন্নতার হাতিয়ার, রাম এখন ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি মাত্র।
গান্ধীজি চোখ বুঁজলেন। তিনি গেয়ে উঠলেন রামধুন। রঘুপতি রাঘব রাজা রাম, পতিত পাবন সীতারাম। ঈশ্বর আল্লা তেরো নাম, সবকো সন্মতি দে ভগবান।
কবিগুরু বললেন, আপনার এই ভজন মানুষের মুখে মুখে ঘুরত। বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের সুর করা এই গান গেয়ে আপনি ডাণ্ডি অভিযান করেছিলেন। তবে আপনার ওই গানে আপনি ঈশ্বর আল্লাকে মিশিয়ে দিয়েছেন। এটা যেন ভাবাই আজ দুষ্কর। আর আপনার কথাই যেন সত্যি হয়। ঈশ্বর যেন সকলকে সৎ-মতি দেন। দুর্মতিতে সমাজ ভাঙছে, দেশ ভাঙছে। মানুষ হয়ে যাচ্ছে টুকরো টুকরো। তাকে গ্রাস করছে হিংসা। আজ সকলের সুমতি দরকার।
উঠে পড়লেন গান্ধীজি। বললেন, আজ উঠি। আবার একদিন দেখা হবে। এক অন্ধকার যুগ যেন গ্রাস করেছে আমার দেশকে। আপনি বলেছিলেন, ‘হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছো অপমান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।’ সে কথা একদিন সত্যি হবেই।
কবিগুরুও উঠে দাঁড়ালেন। সেই উপনিষদ যুগের ঋষির মতো। এক আলোকধৌত পুরুষ যেন। মানবকল্যাণে হাতজোড় করে তিনি বলে উঠলেন, অসতো মা সদ্‌গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়....। হে ঈশ্বর সকলকে অসত্য থেকে সত্যে নিয়ে চলো। মানুষকে অন্ধকার থেকে নিয়ে চলো উদ্ভাসিত আলোয়।
17th  February, 2020
কুকথায় পঞ্চমুখ, কণ্ঠভরা বিষ ...
সন্দীপন বিশ্বাস

আচ্ছা, দুধ থেকে কি করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকে?
আচমকা শিবের প্রশ্নে একটু থতমত খেয়ে যান পার্বতী। একটু থেমে বলেন, এমন কথা বলছো কেন?  বিশদ

মোদি সরকারের সবকিছুই জাতীয় স্বার্থে আর তার তালিকাটিও শেষ হওয়ার নয়
পি চিদম্বরম

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বারাণসীতে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করার প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা এই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’’ 
বিশদ

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

23rd  February, 2020
প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ থেকে শীঘ্রই হলুদ জ্বরের টিকা দেওয়া হবে। একদিকে পর্যাপ্ত কর্মী না থাকা অন্যদিকে পাবলিক হেল্থ নার্সরা সময় মতো টিকাকরণ কেন্দ্রে আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।  ...

নয়াদিল্লি, ২৩ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): আন্তর্জাতিক বাজারে দাম পড়ার জেরে ভারতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম কমতে পারে ২৫ শতাংশ। একাধিক সূত্র মারফৎ এ খবর জানা গিয়েছে। আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে প্রায় আড়াই ডলার কমতে পারে গ্যাসের দাম। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছোট ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে অনেকটাই এগিয়ে। সেক্ষেত্রে ছোট শিল্পকে আরও বেশি করে উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকার যদি সামরিক বা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন সংক্রান্ত একটি নীতি আনে, তাহলে রাজ্য উপকৃত হবে। ...

ওয়েলিংটন, ২৩ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবার পরাজয়ের রক্তচক্ষু দেখছে ভারত। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে বেসিন রিজার্ভে প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে কিউয়িদের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮ তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার জন্মদিন
১৯৫২ - ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়। কয়েক দিন পরেই এটি পুলিস ধ্বংস করে দেয়।
১৯৫৫ – অ্যাপল সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের জন্ম
১৯৫৯ কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভির জন্মদিন
১৯৬৩ চিত্র পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনসালির জন্মদিন
১৯৭২ অভিনেত্রী পূজা ভাটের জন্মদিন
১৯৮২ - আর্জেন্টাইন ফুটবলার ইমানুয়েল ভিলার জন্ম
১৯৮৩ দাবারু সূর্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিন
১৯৯৩ - ইংরেজ ফুটবলার ববি মুরের মৃত্যু
১৯৯৮ অভিনেত্রী ললিতা পাওয়ারের মৃত্যুদিন
২০১১ কমিক্স বইয়ের জনক অনন্ত পাইয়ের মৃত্যুদিন
২০১৮-দুবাইয়ের হোটেলে মৃত্যু অভিনেত্রী শ্রীদেবীর



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ৪২/৫২ রাত্রি ১১/১৫। শতভিষা ২৫/৩৫ অপঃ ৪/২১। সূ উ ৬/৬/৩৯, অ ৫/৩৩/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ১০/৪২ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩২ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৪২ গতে ৪/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫০ মধ্যে। 
১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ৩৯/১১/১ রাত্রি ৯/৫০/৮। শতভিষা ২৩/১০/৫০ দিবা ৩/২৬/৪। সূ উ ৬/৯/৪৪, অ ৫/৩২/৩২। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে ও ১০/৩৫ গতে ১২/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২১ গতে ২/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৫/৫ গতে ৯/০/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/২৯ গতে ১১/৫১/৮ মধ্যে। 
 ২৯ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তাজমহলে পৌঁছলেন সস্ত্রীক ডোনাল্ড ট্রাম্প 

05:10:56 PM

সিএএ নিয়ে বিক্ষোভের জেরে রণক্ষেত্র দিল্লির জাফরাবাদ, গোলাগুলিতে নিহত এক পুলিস কর্মী 

04:43:21 PM

আগ্রার বায়ুসেনা ঘাঁটিতে পৌঁছলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 

04:29:00 PM

আমেদাবাদ থেকে আগ্রার উদ্দেশে রওনা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

03:32:00 PM

৮২৪ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:29:18 PM

মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ পরীক্ষার্থী, ভর্তি হাসপাতালে
মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে জলপাইগুড়ির বেলাকোবা গার্লস হাইস্কুলে অসুস্থ হয়ে পড়ল ...বিশদ

03:19:58 PM