Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। সবরমতী আশ্রমে তাঁর পদার্পণের শতবর্ষ চলছে। দু’জনেই ছিলেন পরস্পরের গুণগ্রাহী। আবার যুক্তি-তর্কও দু’জনার কম হয়নি। মহাত্মার চেয়ে কবিগুরু ছিলেন প্রায় সাড়ে আট বছরের বড়। কিন্তু দুই মহামানবের অন্তরে ছিল পরস্পরের প্রতি অসীম শ্রদ্ধাবোধ। আবার তাঁদের দেখা হল।
স্বর্গের প্রশান্তিনিকেতনে মহাত্মা এলেন গুরুদেবের সঙ্গে দেখা করতে। চারিদিকে ফুলের বাগান। মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। সুন্দর মনোরম গন্ধবহ পরিবেশ। কবিগুরু এগিয়ে গিয়ে স্বাগত জানালেন মহাত্মাকে।
দু’জনে বাগানে এসে বসলেন। নমস্কার-প্রতি নমস্কারের পালা সাঙ্গ হল। গান্ধীজির মুখে চিন্তার ছাপ। কবিগুরু বললেন, কী হয়েছে মহাত্মা, আপনাকে অত্যন্ত চিন্তান্বিত লাগছে?
গান্ধীজি বললেন, দেখুন গুরুদেব, আমি মোটেই প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ নই। দেশ আমার আগে, তারপর অন্য কিছু।
গুরুদেব বললেন, ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না মহাত্মা!
মহাত্মা বললেন, আপনিও কখনও প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ ছিলেন না। আপনি ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ লিখেছিলেন, কিন্তু তার মধ্যে ভাবনার কূপমণ্ডুকতা ছিল না। ভারত ছিল আপনার আত্মার মধ্যে। এখন আপনি ওই গান লিখলে দেশের কোনও কোনও মানুষ আপনার গায়ে প্রাদেশিকতার কালি ছেটাত। আপনার কপাল আরও খারাপ হলে আপনার গায়ে টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের লেবেলও মেরে দিত। তাই আমার এখন ভাবনা হয়, যে গুজরাতে আমার জন্ম, সেই গুজরাত নিয়ে মানুষের ভাবনা এখন পাল্টে যাচ্ছে। সেখানে পোস্ট গোধরা পরবর্তী সময়ে একটা অবিশ্বাসের বাতাবরণ গড়ে উঠেছে। গুজরাত শিল্পে যত এগিয়েছে, দেশকে সেভাবে নেতৃত্ব একসূত্রে বাঁধতে পারেনি। এখনকার রাজনীতির দিকে তাকিয়ে দেখুন, তার ভিত্তি প্রেম নয়, জনসেবা নয়, মানুষের কল্যাণ নয়। শুধু হিংসা, বিদ্বেষ, আত্মস্বার্থ বোধকে পুষ্ট করা আর নির্বাচনে জয়। ক্ষমতাই একমাত্র সত্য, বাকি সব মিথ্যা।
থামলেন গান্ধীজি। কবিগুরু আকাশের দিকে তাকালেন। বললেন, এখানে আকাশ নীল। কত সুন্দর সব কিছু। বসন্ত সমাগত। আর কিছুদিনের মধ্যেই ফুলে ফুলে আগুন লাগবে। এখন প্রকৃতির বুকে রংয়ের আগুনের থেকেও সত্য হল, রাজনীতির আগুন। সব পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। ভাবা যায়, এখন ভোটের প্রচারে বুক ফুলিয়ে অনেকে বলে গোলি মারো! কাকে গোলি মারবে?
গান্ধীজি বললেন, যাঁকে ওরা ‘দেশ কি গদ্দার’ বলে ছাপ্পা মেরে দেবে, তাকেই ওরা গুলি করে মারতে চায়। তুমি আমার মতের পন্থী নও, সুতরাং তুমি গদ্দার। কেননা তোমার ভোট আমার পক্ষে আসবে না।
কবিগুরু বললেন, এত রাজনৈতিক হিংসা, খুনখারাবি, বন্দুক হাতে দুর্বৃত্তের ঘোরাফেরা, ধর্ষণ, লুটপাট, গুপ্তহত্যা—, মাঝে মাঝে মনে হয় দেশটার নাম বোধহয় জালিয়ানওয়ালাবাগ। নির্বিচার দমনের এক পীঠস্থান।
মহাত্মা বললেন, জালিয়ানওয়ালাবাগের বিরুদ্ধে আপনি সেদিন রুখে দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিবাদে।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ, আজ আমরা শুধুই দর্শক। এক বিশাল মহাজাগতিক দূরত্বে বসে আমরা সেসব শুধু দেখতে পারি, আর নিজেদের ভাবনা, শিক্ষা দিয়ে তা পর্যালোচনা করতে পারি।
মহাত্মা বললেন, আজকের রাজনীতিতে শিক্ষা ব্যাপারটি বড়ই অবহেলিত। বহু ক্রিমিনাল কেসের অভিযুক্ত বুক ফুলিয়ে আইনসভা আলো করে বসে আছেন। তাঁরাই আজ আইন তৈরির অধিকারী।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ আইনসভার সেই ব্যক্তিটি যদি আইন প্রণেতা হন, তবে সেই আইন সমাজের কোনও মঙ্গল করতে পারে না। সেই আইন মানব সভ্যতার পক্ষে অমঙ্গলজনক হয়ে ওঠে। ইদানীং ভারতবর্ষে এই ধরনের আইন দেশের মধ্যে বিদ্বেষ এবং বিচ্ছিন্নতার বীজ রোপন করে ভারতাত্মার ক্ষতিসাধন করছে।
গান্ধীজি বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন, সারা দেশকে অস্থির করে তার মধ্য থেকে ফায়দা লোটার একটা বেনিয়াবৃত্তি আজ দেশের শাসকদলকে গ্রাস করেছে।
গুরুদেব বললেন, একটা সময় দেশে স্বাধীনতার আন্দোলন নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে। কোন পথে স্বাধীনতা আসবে, তা নিয়ে কম মতান্তর হয়নি। একদল ছিলেন চরমপন্থী, অন্যদল ছিলেন নরমপন্থী। দুই শিবিরের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও তখন কেউ কাউকে কিন্তু গদ্দার বা বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেননি। তখন অনেকেই আপনার পথকে সমর্থন করেননি। একদিকে ছিল আপনার অহিংসা এবং অন্যদিকে ছিল সশস্ত্র বিপ্লবের পথ। সভ্যসমাজে মানুষের মতের মূল্য থাকবেই। এখন তো আবার গণতন্ত্র। প্রশ্ন জাগে, এই গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী বা স্বাস্থ্যকর?
গান্ধীজি বললেন, তখন তেমন অস্বাস্থ্যকর মতবিরোধ হয়নি। তবে ভিতরে ভিতরে বিদ্বেষের একটা চোরাস্রোত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। জানতাম বিস্ফোরণের মতো সেটা একদিন প্রকাশিত হয়ে পড়বে। কিন্তু সেটা যে আমাকে কেন্দ্র করেই হবে, সেটা আমি বুঝিনি।
১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি আমাকে গুলি করে যে হিংসার প্রকাশ ঘটেছিল, আজও যেন তা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তার ধারাবাহিক স্রোত দুদ্দাড় বেগে এগিয়ে চলেছে আরও বৃহত্তর অশনিসংকেতের দিকে। এই যে গোলি মারো হুংকার, এর উত্তরাধিকার এই দেশ, এই সমাজ বহন করে চলেছে। বুলেটের মুখে আজ রক্তাক্ত মানবতার বাণী।
গুরুদেব বললেন, সেই হিংসাই আজ সত্য, সেই হিংসাই আজ দেশপ্রেমের প্রমাণ, সেই হিংসাই আজ প্রকৃত স্বাধীনতার যোগ্য যোদ্ধা। সেই পাপের বীজ এখনও ইতিহাসের রক্তে-অশ্রুতে মিশে আছে। আপনার সেই বুলেট-যন্ত্রণার অস্তিত্ব জাতির প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় বর্তমান। আমি আমার ‘দুই ইচ্ছা’ প্রবন্ধে এই বিষয়ে বলেছিলাম। মানুষের এক ইচ্ছা তাকে শুভর দিকে নিয়ে যায়, আর এক ইচ্ছা তাকে নিয়ে যায় অশুভের দিকে। এক ইচ্ছা মানুষের দুঃখনিবৃত্তির, আর এক ইচ্ছা অহমবোধের, সংকীর্ণতার। সেই সংকীর্ণতা মত্ত হস্তির মতো। সেই সংকীর্ণতা পাপ। তা কেবল তাঁর নিজের এবং একই সঙ্গে মানুষেরও দুঃখের কারণ হয়ে ওঠে।
মহাত্মা বললেন, আপনিও অধ্যাত্মবাদে বিশ্বাস করতেন, আমিও করতাম। কিন্তু আমাদের সেই বোধ কখনও সংকীর্ণ ধর্মকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠেনি।
কবিগুরু বলে উঠলেন, আমার একটা কবিতায় আমি এ ব্যাপারে অনেক আগেই বলে এসেছিলাম। ‘ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে/ অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে।... যে পূজার বেদি রক্তে গিয়েছে ভেসে/ ভাঙো ভাঙো আজি ভাঙো তারে নিঃশেষে/ ধর্মকারার প্রাচীরে বজ্র হানো/ এ অভাগা দেশে জ্ঞানের আলোক আনো।’
চুপ করে বসে থাকেন মহাত্মা। তারপর অস্ফুটে বলে ওঠেন, ‘হে রাম’।
কবিগুরু বললেন, আপনার রাম এবং এখনকার রামের মধ্যে যোজনখানেক দূরত্ব মহাত্মা। আপনার রাম ছিলেন আপনার কাছে ভগবান, আত্মা। আপনি যখন শেষ মুহূর্তে ‘হে রাম’ বলে উঠেছিলেন, তার সঙ্গে প্রভু যিশুর শেষ কথা সমার্থক হয়ে উঠেছিল। উনি বলেছিলেন, হে ঈশ্বর, ওরা জানে না, ওরা কী ভুল করছে। তুমি ওদের ক্ষমা কোরো। আপনিও ‘হে রাম’ বলে সেটাই প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই রাম, রামায়ণের রাম নন। এখনকার রামকে অনেক বেশি আগ্রাসী করে তোলা হয়েছে। এই রামের ধর্ম ভিন্নতর। আমার বহু রচনাতে যে রামের কথা বলেছি, সে আমাদের কৃত্তিবাসী রাম। বাঙালির রাম ভিন্নতর। সে আমাদের ঘরের ছেলে। সীতা আমাদের ঘরের বউ। লক্ষ্মণ আমাদের আদর্শ দেবর। বাঙালির কাছে রাম নম্র, উগ্র নন। রামকে ঘিরে সেই ভালো লাগা বা মিথোম্যানিয়্যা আজ আর নেই। আজ ধর্মকে কেন্দ্র করে, আড়ম্ভরকে কেন্দ্র করে, মূর্তির উচ্চতাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং মন্দির মন্দির রব তুলে যা হচ্ছে, সেটা এক মিথ্যাম্যানিয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। রাম এখন তাই ধর্ম নয়, রাজনীতিতে একটা বড় হাতিয়ার, রাম এখন বিচ্ছিন্নতার হাতিয়ার, রাম এখন ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি মাত্র।
গান্ধীজি চোখ বুঁজলেন। তিনি গেয়ে উঠলেন রামধুন। রঘুপতি রাঘব রাজা রাম, পতিত পাবন সীতারাম। ঈশ্বর আল্লা তেরো নাম, সবকো সন্মতি দে ভগবান।
কবিগুরু বললেন, আপনার এই ভজন মানুষের মুখে মুখে ঘুরত। বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের সুর করা এই গান গেয়ে আপনি ডাণ্ডি অভিযান করেছিলেন। তবে আপনার ওই গানে আপনি ঈশ্বর আল্লাকে মিশিয়ে দিয়েছেন। এটা যেন ভাবাই আজ দুষ্কর। আর আপনার কথাই যেন সত্যি হয়। ঈশ্বর যেন সকলকে সৎ-মতি দেন। দুর্মতিতে সমাজ ভাঙছে, দেশ ভাঙছে। মানুষ হয়ে যাচ্ছে টুকরো টুকরো। তাকে গ্রাস করছে হিংসা। আজ সকলের সুমতি দরকার।
উঠে পড়লেন গান্ধীজি। বললেন, আজ উঠি। আবার একদিন দেখা হবে। এক অন্ধকার যুগ যেন গ্রাস করেছে আমার দেশকে। আপনি বলেছিলেন, ‘হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছো অপমান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।’ সে কথা একদিন সত্যি হবেই।
কবিগুরুও উঠে দাঁড়ালেন। সেই উপনিষদ যুগের ঋষির মতো। এক আলোকধৌত পুরুষ যেন। মানবকল্যাণে হাতজোড় করে তিনি বলে উঠলেন, অসতো মা সদ্‌গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়....। হে ঈশ্বর সকলকে অসত্য থেকে সত্যে নিয়ে চলো। মানুষকে অন্ধকার থেকে নিয়ে চলো উদ্ভাসিত আলোয়।
17th  February, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
একনজরে
ওয়াশিংটন: ভারতকে ভালোবাসে আমেরিকা— প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছার জবাবে ট্যুইটে এই বার্তাই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মোদি লিখেছিলেন, ‘আমেরিকার ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবসে আমেরিকার সবাইকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এই প্রথম রাজ্যে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের উদ্যোগ নিল মৎস্য দপ্তর। পরীক্ষামূলকভাবে ১৪টি জেলায় এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হবে।   ...

নয়াদিল্লি (পিটিআই): একদিকে পাকিস্তান, অন্যদিকে চীন। জোড়া শত্রুর ষড়যন্ত্র সামলাতে হচ্ছে ভারতকে। এই অবস্থায় সীমান্তের পরিকাঠামো মজবুত করতে একসঙ্গে অনেকগুলি হাইওয়ে প্রকল্পের কাজ চলছে।  ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: শত্রু যখন প্রবল পরাক্রমী, অস্ত্রও দরকার তেমনি আধুনিক। করোনার সঙ্গে যুদ্ধে সরকারি হাসপাতালগুলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে হাইটেক সব ‘অস্ত্র’। ভয়ঙ্কর সংক্রামক করোনা ছড়ায় ড্রপলেটের মাধ্যমে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- জোসেফ মেইস্টারের উপর জলাতঙ্ক রোগের টিকা সফলভাবে পরীক্ষা করলেন লুই পাস্তুর
১৮৯২- ব্রিটেন পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় হিসাবে নির্বাচিত হলেন দাদাভাই নওরোজি
১৯০১- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৬- আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশের জন্ম
১৯৪৬- মার্কিন অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের জন্ম
১৯৮৫- অভিনেতা রণবীর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৬- রাজনীতিবিদ জগজীবন রামের মৃত্যু
২০০২- রিলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
05th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ১০/৫৩ দিবা ৯/২৩। উত্তরাষাঢ়া ৪৫/২৭ রাত্রি ১১/১২৷ সূর্যোদয় ৫/১/১২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২০৷ অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৪ গতে ১০/২০ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪২ গতে ১২/২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪১ মধ্যে।  
২১ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ দিবা ৯/২২। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ১২/০। সূযোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২২ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে।  
১৪ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে ভারত 
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে ...বিশদ

05-07-2020 - 09:32:25 PM

হালিশহরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 
তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার ...বিশদ

05-07-2020 - 09:28:41 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৯২৫, মোট আক্রান্ত ২৩,৪৭৪ 

05-07-2020 - 09:06:12 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

05-07-2020 - 08:37:27 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৬৫৫৫, মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬ হাজার ৬১৯ 

05-07-2020 - 08:04:07 PM

করোনা: ফের একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
পর পর দু’দিন। নতুন সংক্রমণের নিরিখে ফের রেকর্ড রাজ্যে। গত ...বিশদ

05-07-2020 - 08:02:02 PM