Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। সবরমতী আশ্রমে তাঁর পদার্পণের শতবর্ষ চলছে। দু’জনেই ছিলেন পরস্পরের গুণগ্রাহী। আবার যুক্তি-তর্কও দু’জনার কম হয়নি। মহাত্মার চেয়ে কবিগুরু ছিলেন প্রায় সাড়ে আট বছরের বড়। কিন্তু দুই মহামানবের অন্তরে ছিল পরস্পরের প্রতি অসীম শ্রদ্ধাবোধ। আবার তাঁদের দেখা হল।
স্বর্গের প্রশান্তিনিকেতনে মহাত্মা এলেন গুরুদেবের সঙ্গে দেখা করতে। চারিদিকে ফুলের বাগান। মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। সুন্দর মনোরম গন্ধবহ পরিবেশ। কবিগুরু এগিয়ে গিয়ে স্বাগত জানালেন মহাত্মাকে।
দু’জনে বাগানে এসে বসলেন। নমস্কার-প্রতি নমস্কারের পালা সাঙ্গ হল। গান্ধীজির মুখে চিন্তার ছাপ। কবিগুরু বললেন, কী হয়েছে মহাত্মা, আপনাকে অত্যন্ত চিন্তান্বিত লাগছে?
গান্ধীজি বললেন, দেখুন গুরুদেব, আমি মোটেই প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ নই। দেশ আমার আগে, তারপর অন্য কিছু।
গুরুদেব বললেন, ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না মহাত্মা!
মহাত্মা বললেন, আপনিও কখনও প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ ছিলেন না। আপনি ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ লিখেছিলেন, কিন্তু তার মধ্যে ভাবনার কূপমণ্ডুকতা ছিল না। ভারত ছিল আপনার আত্মার মধ্যে। এখন আপনি ওই গান লিখলে দেশের কোনও কোনও মানুষ আপনার গায়ে প্রাদেশিকতার কালি ছেটাত। আপনার কপাল আরও খারাপ হলে আপনার গায়ে টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের লেবেলও মেরে দিত। তাই আমার এখন ভাবনা হয়, যে গুজরাতে আমার জন্ম, সেই গুজরাত নিয়ে মানুষের ভাবনা এখন পাল্টে যাচ্ছে। সেখানে পোস্ট গোধরা পরবর্তী সময়ে একটা অবিশ্বাসের বাতাবরণ গড়ে উঠেছে। গুজরাত শিল্পে যত এগিয়েছে, দেশকে সেভাবে নেতৃত্ব একসূত্রে বাঁধতে পারেনি। এখনকার রাজনীতির দিকে তাকিয়ে দেখুন, তার ভিত্তি প্রেম নয়, জনসেবা নয়, মানুষের কল্যাণ নয়। শুধু হিংসা, বিদ্বেষ, আত্মস্বার্থ বোধকে পুষ্ট করা আর নির্বাচনে জয়। ক্ষমতাই একমাত্র সত্য, বাকি সব মিথ্যা।
থামলেন গান্ধীজি। কবিগুরু আকাশের দিকে তাকালেন। বললেন, এখানে আকাশ নীল। কত সুন্দর সব কিছু। বসন্ত সমাগত। আর কিছুদিনের মধ্যেই ফুলে ফুলে আগুন লাগবে। এখন প্রকৃতির বুকে রংয়ের আগুনের থেকেও সত্য হল, রাজনীতির আগুন। সব পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। ভাবা যায়, এখন ভোটের প্রচারে বুক ফুলিয়ে অনেকে বলে গোলি মারো! কাকে গোলি মারবে?
গান্ধীজি বললেন, যাঁকে ওরা ‘দেশ কি গদ্দার’ বলে ছাপ্পা মেরে দেবে, তাকেই ওরা গুলি করে মারতে চায়। তুমি আমার মতের পন্থী নও, সুতরাং তুমি গদ্দার। কেননা তোমার ভোট আমার পক্ষে আসবে না।
কবিগুরু বললেন, এত রাজনৈতিক হিংসা, খুনখারাবি, বন্দুক হাতে দুর্বৃত্তের ঘোরাফেরা, ধর্ষণ, লুটপাট, গুপ্তহত্যা—, মাঝে মাঝে মনে হয় দেশটার নাম বোধহয় জালিয়ানওয়ালাবাগ। নির্বিচার দমনের এক পীঠস্থান।
মহাত্মা বললেন, জালিয়ানওয়ালাবাগের বিরুদ্ধে আপনি সেদিন রুখে দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিবাদে।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ, আজ আমরা শুধুই দর্শক। এক বিশাল মহাজাগতিক দূরত্বে বসে আমরা সেসব শুধু দেখতে পারি, আর নিজেদের ভাবনা, শিক্ষা দিয়ে তা পর্যালোচনা করতে পারি।
মহাত্মা বললেন, আজকের রাজনীতিতে শিক্ষা ব্যাপারটি বড়ই অবহেলিত। বহু ক্রিমিনাল কেসের অভিযুক্ত বুক ফুলিয়ে আইনসভা আলো করে বসে আছেন। তাঁরাই আজ আইন তৈরির অধিকারী।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ আইনসভার সেই ব্যক্তিটি যদি আইন প্রণেতা হন, তবে সেই আইন সমাজের কোনও মঙ্গল করতে পারে না। সেই আইন মানব সভ্যতার পক্ষে অমঙ্গলজনক হয়ে ওঠে। ইদানীং ভারতবর্ষে এই ধরনের আইন দেশের মধ্যে বিদ্বেষ এবং বিচ্ছিন্নতার বীজ রোপন করে ভারতাত্মার ক্ষতিসাধন করছে।
গান্ধীজি বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন, সারা দেশকে অস্থির করে তার মধ্য থেকে ফায়দা লোটার একটা বেনিয়াবৃত্তি আজ দেশের শাসকদলকে গ্রাস করেছে।
গুরুদেব বললেন, একটা সময় দেশে স্বাধীনতার আন্দোলন নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে। কোন পথে স্বাধীনতা আসবে, তা নিয়ে কম মতান্তর হয়নি। একদল ছিলেন চরমপন্থী, অন্যদল ছিলেন নরমপন্থী। দুই শিবিরের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও তখন কেউ কাউকে কিন্তু গদ্দার বা বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেননি। তখন অনেকেই আপনার পথকে সমর্থন করেননি। একদিকে ছিল আপনার অহিংসা এবং অন্যদিকে ছিল সশস্ত্র বিপ্লবের পথ। সভ্যসমাজে মানুষের মতের মূল্য থাকবেই। এখন তো আবার গণতন্ত্র। প্রশ্ন জাগে, এই গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী বা স্বাস্থ্যকর?
গান্ধীজি বললেন, তখন তেমন অস্বাস্থ্যকর মতবিরোধ হয়নি। তবে ভিতরে ভিতরে বিদ্বেষের একটা চোরাস্রোত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। জানতাম বিস্ফোরণের মতো সেটা একদিন প্রকাশিত হয়ে পড়বে। কিন্তু সেটা যে আমাকে কেন্দ্র করেই হবে, সেটা আমি বুঝিনি।
১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি আমাকে গুলি করে যে হিংসার প্রকাশ ঘটেছিল, আজও যেন তা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তার ধারাবাহিক স্রোত দুদ্দাড় বেগে এগিয়ে চলেছে আরও বৃহত্তর অশনিসংকেতের দিকে। এই যে গোলি মারো হুংকার, এর উত্তরাধিকার এই দেশ, এই সমাজ বহন করে চলেছে। বুলেটের মুখে আজ রক্তাক্ত মানবতার বাণী।
গুরুদেব বললেন, সেই হিংসাই আজ সত্য, সেই হিংসাই আজ দেশপ্রেমের প্রমাণ, সেই হিংসাই আজ প্রকৃত স্বাধীনতার যোগ্য যোদ্ধা। সেই পাপের বীজ এখনও ইতিহাসের রক্তে-অশ্রুতে মিশে আছে। আপনার সেই বুলেট-যন্ত্রণার অস্তিত্ব জাতির প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় বর্তমান। আমি আমার ‘দুই ইচ্ছা’ প্রবন্ধে এই বিষয়ে বলেছিলাম। মানুষের এক ইচ্ছা তাকে শুভর দিকে নিয়ে যায়, আর এক ইচ্ছা তাকে নিয়ে যায় অশুভের দিকে। এক ইচ্ছা মানুষের দুঃখনিবৃত্তির, আর এক ইচ্ছা অহমবোধের, সংকীর্ণতার। সেই সংকীর্ণতা মত্ত হস্তির মতো। সেই সংকীর্ণতা পাপ। তা কেবল তাঁর নিজের এবং একই সঙ্গে মানুষেরও দুঃখের কারণ হয়ে ওঠে।
মহাত্মা বললেন, আপনিও অধ্যাত্মবাদে বিশ্বাস করতেন, আমিও করতাম। কিন্তু আমাদের সেই বোধ কখনও সংকীর্ণ ধর্মকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠেনি।
কবিগুরু বলে উঠলেন, আমার একটা কবিতায় আমি এ ব্যাপারে অনেক আগেই বলে এসেছিলাম। ‘ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে/ অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে।... যে পূজার বেদি রক্তে গিয়েছে ভেসে/ ভাঙো ভাঙো আজি ভাঙো তারে নিঃশেষে/ ধর্মকারার প্রাচীরে বজ্র হানো/ এ অভাগা দেশে জ্ঞানের আলোক আনো।’
চুপ করে বসে থাকেন মহাত্মা। তারপর অস্ফুটে বলে ওঠেন, ‘হে রাম’।
কবিগুরু বললেন, আপনার রাম এবং এখনকার রামের মধ্যে যোজনখানেক দূরত্ব মহাত্মা। আপনার রাম ছিলেন আপনার কাছে ভগবান, আত্মা। আপনি যখন শেষ মুহূর্তে ‘হে রাম’ বলে উঠেছিলেন, তার সঙ্গে প্রভু যিশুর শেষ কথা সমার্থক হয়ে উঠেছিল। উনি বলেছিলেন, হে ঈশ্বর, ওরা জানে না, ওরা কী ভুল করছে। তুমি ওদের ক্ষমা কোরো। আপনিও ‘হে রাম’ বলে সেটাই প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই রাম, রামায়ণের রাম নন। এখনকার রামকে অনেক বেশি আগ্রাসী করে তোলা হয়েছে। এই রামের ধর্ম ভিন্নতর। আমার বহু রচনাতে যে রামের কথা বলেছি, সে আমাদের কৃত্তিবাসী রাম। বাঙালির রাম ভিন্নতর। সে আমাদের ঘরের ছেলে। সীতা আমাদের ঘরের বউ। লক্ষ্মণ আমাদের আদর্শ দেবর। বাঙালির কাছে রাম নম্র, উগ্র নন। রামকে ঘিরে সেই ভালো লাগা বা মিথোম্যানিয়্যা আজ আর নেই। আজ ধর্মকে কেন্দ্র করে, আড়ম্ভরকে কেন্দ্র করে, মূর্তির উচ্চতাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং মন্দির মন্দির রব তুলে যা হচ্ছে, সেটা এক মিথ্যাম্যানিয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। রাম এখন তাই ধর্ম নয়, রাজনীতিতে একটা বড় হাতিয়ার, রাম এখন বিচ্ছিন্নতার হাতিয়ার, রাম এখন ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি মাত্র।
গান্ধীজি চোখ বুঁজলেন। তিনি গেয়ে উঠলেন রামধুন। রঘুপতি রাঘব রাজা রাম, পতিত পাবন সীতারাম। ঈশ্বর আল্লা তেরো নাম, সবকো সন্মতি দে ভগবান।
কবিগুরু বললেন, আপনার এই ভজন মানুষের মুখে মুখে ঘুরত। বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের সুর করা এই গান গেয়ে আপনি ডাণ্ডি অভিযান করেছিলেন। তবে আপনার ওই গানে আপনি ঈশ্বর আল্লাকে মিশিয়ে দিয়েছেন। এটা যেন ভাবাই আজ দুষ্কর। আর আপনার কথাই যেন সত্যি হয়। ঈশ্বর যেন সকলকে সৎ-মতি দেন। দুর্মতিতে সমাজ ভাঙছে, দেশ ভাঙছে। মানুষ হয়ে যাচ্ছে টুকরো টুকরো। তাকে গ্রাস করছে হিংসা। আজ সকলের সুমতি দরকার।
উঠে পড়লেন গান্ধীজি। বললেন, আজ উঠি। আবার একদিন দেখা হবে। এক অন্ধকার যুগ যেন গ্রাস করেছে আমার দেশকে। আপনি বলেছিলেন, ‘হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছো অপমান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।’ সে কথা একদিন সত্যি হবেই।
কবিগুরুও উঠে দাঁড়ালেন। সেই উপনিষদ যুগের ঋষির মতো। এক আলোকধৌত পুরুষ যেন। মানবকল্যাণে হাতজোড় করে তিনি বলে উঠলেন, অসতো মা সদ্‌গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়....। হে ঈশ্বর সকলকে অসত্য থেকে সত্যে নিয়ে চলো। মানুষকে অন্ধকার থেকে নিয়ে চলো উদ্ভাসিত আলোয়।
17th  February, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একনজরে
  বিএনএ, বারাসত ও বারাকপুর: করোনার ভাইরাস দূর করতে এবার জল কামান নিয়ে রাস্তায় নামল বারাসত জেলা পুলিস। শনিবার বারাসতের ডাক বাংলো থেকে দোলতলা পর্যন্ত ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শালবনীর সিমেন্ট কারখানায় আটকে থাকা ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের এক মাসের রেশনের ব্যবস্থা করা হল। লকডাউনের জেরে সিমেন্ট কারখানার সেকেন্ড ইউনিটে ভিনরাজ্যের সাড়ে চারশো শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন।  ...

  তেল আভিব, ২৮ মার্চ (পিটিআই): বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই ৩১৪ জন নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে ধন্যবাদ জানাল ইজরায়েল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ: সামাজিক দূরত্বেই জনসংযোগের উপায় খুঁজছে সিপিএম। করোনা মোকাবিলায় লকডাউনের জেরে ঘরবন্দি দেশের আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষদের মধ্যে এবার খাবার বিতরণ করবে দল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লোহা ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৭: বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২৯: অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২: তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬০ টাকা ৯২.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৮৪ টাকা ৮৩.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) পঞ্চমী ৫১/৫ রাত্রি ২/২। কৃত্তিকা ২৪/১৪ দিবা ৩/১৮। সূ উ ৫/৩৫/৫২, অ ৫/৪৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ গতে ৯/৪০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১০/১০ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৯ গতে ২/৩৮ মধ্যে।
১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, পঞ্চমী ৪১/৩৯/১২ রাত্রি ১০/১৭/২৪। কৃত্তিকা ১৬/৫০/৮ দিবা ১২/২১/৪৬। সূ উ ৫/৩৭/৪৩, অ ৫/৪৭/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১২/১ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪২/৩২ গতে ১/১৩/৪৫ মধ্যে।
 ৪ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তেহট্টে আক্রান্তরা যেখানে ছিলেন সেখানে জীবানুমুক্ত করার কাজ শুরু

03:19:07 PM

করোনা: তেহট্টের ঘটনায় খোঁজ মিলল রেল সহযাত্রীর
আজ বর্ধমানের চক্রবিরাজপুরের এক মহিলা এলাকার কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে ফোন করে ...বিশদ

03:17:00 PM

আগামীকাল থেকে ব্যাঙ্কে স্বাভাবিক পরিষেবা, জানাল অর্থমন্ত্রক 

03:09:55 PM

করোনা: উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরে আক্রান্ত আরও ৪জন 

02:50:01 PM

তেলেঙ্গানায় আইপিএস অফিসারেরা একদিনের মাইনে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে  

02:48:00 PM

অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্ত বাড়ল ৩৩৪ জন
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল আরও ৩৩৪ জন। ...বিশদ

02:12:03 PM