Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। সবরমতী আশ্রমে তাঁর পদার্পণের শতবর্ষ চলছে। দু’জনেই ছিলেন পরস্পরের গুণগ্রাহী। আবার যুক্তি-তর্কও দু’জনার কম হয়নি। মহাত্মার চেয়ে কবিগুরু ছিলেন প্রায় সাড়ে আট বছরের বড়। কিন্তু দুই মহামানবের অন্তরে ছিল পরস্পরের প্রতি অসীম শ্রদ্ধাবোধ। আবার তাঁদের দেখা হল।
স্বর্গের প্রশান্তিনিকেতনে মহাত্মা এলেন গুরুদেবের সঙ্গে দেখা করতে। চারিদিকে ফুলের বাগান। মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। সুন্দর মনোরম গন্ধবহ পরিবেশ। কবিগুরু এগিয়ে গিয়ে স্বাগত জানালেন মহাত্মাকে।
দু’জনে বাগানে এসে বসলেন। নমস্কার-প্রতি নমস্কারের পালা সাঙ্গ হল। গান্ধীজির মুখে চিন্তার ছাপ। কবিগুরু বললেন, কী হয়েছে মহাত্মা, আপনাকে অত্যন্ত চিন্তান্বিত লাগছে?
গান্ধীজি বললেন, দেখুন গুরুদেব, আমি মোটেই প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ নই। দেশ আমার আগে, তারপর অন্য কিছু।
গুরুদেব বললেন, ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না মহাত্মা!
মহাত্মা বললেন, আপনিও কখনও প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ ছিলেন না। আপনি ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ লিখেছিলেন, কিন্তু তার মধ্যে ভাবনার কূপমণ্ডুকতা ছিল না। ভারত ছিল আপনার আত্মার মধ্যে। এখন আপনি ওই গান লিখলে দেশের কোনও কোনও মানুষ আপনার গায়ে প্রাদেশিকতার কালি ছেটাত। আপনার কপাল আরও খারাপ হলে আপনার গায়ে টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের লেবেলও মেরে দিত। তাই আমার এখন ভাবনা হয়, যে গুজরাতে আমার জন্ম, সেই গুজরাত নিয়ে মানুষের ভাবনা এখন পাল্টে যাচ্ছে। সেখানে পোস্ট গোধরা পরবর্তী সময়ে একটা অবিশ্বাসের বাতাবরণ গড়ে উঠেছে। গুজরাত শিল্পে যত এগিয়েছে, দেশকে সেভাবে নেতৃত্ব একসূত্রে বাঁধতে পারেনি। এখনকার রাজনীতির দিকে তাকিয়ে দেখুন, তার ভিত্তি প্রেম নয়, জনসেবা নয়, মানুষের কল্যাণ নয়। শুধু হিংসা, বিদ্বেষ, আত্মস্বার্থ বোধকে পুষ্ট করা আর নির্বাচনে জয়। ক্ষমতাই একমাত্র সত্য, বাকি সব মিথ্যা।
থামলেন গান্ধীজি। কবিগুরু আকাশের দিকে তাকালেন। বললেন, এখানে আকাশ নীল। কত সুন্দর সব কিছু। বসন্ত সমাগত। আর কিছুদিনের মধ্যেই ফুলে ফুলে আগুন লাগবে। এখন প্রকৃতির বুকে রংয়ের আগুনের থেকেও সত্য হল, রাজনীতির আগুন। সব পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। ভাবা যায়, এখন ভোটের প্রচারে বুক ফুলিয়ে অনেকে বলে গোলি মারো! কাকে গোলি মারবে?
গান্ধীজি বললেন, যাঁকে ওরা ‘দেশ কি গদ্দার’ বলে ছাপ্পা মেরে দেবে, তাকেই ওরা গুলি করে মারতে চায়। তুমি আমার মতের পন্থী নও, সুতরাং তুমি গদ্দার। কেননা তোমার ভোট আমার পক্ষে আসবে না।
কবিগুরু বললেন, এত রাজনৈতিক হিংসা, খুনখারাবি, বন্দুক হাতে দুর্বৃত্তের ঘোরাফেরা, ধর্ষণ, লুটপাট, গুপ্তহত্যা—, মাঝে মাঝে মনে হয় দেশটার নাম বোধহয় জালিয়ানওয়ালাবাগ। নির্বিচার দমনের এক পীঠস্থান।
মহাত্মা বললেন, জালিয়ানওয়ালাবাগের বিরুদ্ধে আপনি সেদিন রুখে দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিবাদে।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ, আজ আমরা শুধুই দর্শক। এক বিশাল মহাজাগতিক দূরত্বে বসে আমরা সেসব শুধু দেখতে পারি, আর নিজেদের ভাবনা, শিক্ষা দিয়ে তা পর্যালোচনা করতে পারি।
মহাত্মা বললেন, আজকের রাজনীতিতে শিক্ষা ব্যাপারটি বড়ই অবহেলিত। বহু ক্রিমিনাল কেসের অভিযুক্ত বুক ফুলিয়ে আইনসভা আলো করে বসে আছেন। তাঁরাই আজ আইন তৈরির অধিকারী।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ আইনসভার সেই ব্যক্তিটি যদি আইন প্রণেতা হন, তবে সেই আইন সমাজের কোনও মঙ্গল করতে পারে না। সেই আইন মানব সভ্যতার পক্ষে অমঙ্গলজনক হয়ে ওঠে। ইদানীং ভারতবর্ষে এই ধরনের আইন দেশের মধ্যে বিদ্বেষ এবং বিচ্ছিন্নতার বীজ রোপন করে ভারতাত্মার ক্ষতিসাধন করছে।
গান্ধীজি বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন, সারা দেশকে অস্থির করে তার মধ্য থেকে ফায়দা লোটার একটা বেনিয়াবৃত্তি আজ দেশের শাসকদলকে গ্রাস করেছে।
গুরুদেব বললেন, একটা সময় দেশে স্বাধীনতার আন্দোলন নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে। কোন পথে স্বাধীনতা আসবে, তা নিয়ে কম মতান্তর হয়নি। একদল ছিলেন চরমপন্থী, অন্যদল ছিলেন নরমপন্থী। দুই শিবিরের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও তখন কেউ কাউকে কিন্তু গদ্দার বা বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেননি। তখন অনেকেই আপনার পথকে সমর্থন করেননি। একদিকে ছিল আপনার অহিংসা এবং অন্যদিকে ছিল সশস্ত্র বিপ্লবের পথ। সভ্যসমাজে মানুষের মতের মূল্য থাকবেই। এখন তো আবার গণতন্ত্র। প্রশ্ন জাগে, এই গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী বা স্বাস্থ্যকর?
গান্ধীজি বললেন, তখন তেমন অস্বাস্থ্যকর মতবিরোধ হয়নি। তবে ভিতরে ভিতরে বিদ্বেষের একটা চোরাস্রোত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। জানতাম বিস্ফোরণের মতো সেটা একদিন প্রকাশিত হয়ে পড়বে। কিন্তু সেটা যে আমাকে কেন্দ্র করেই হবে, সেটা আমি বুঝিনি।
১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি আমাকে গুলি করে যে হিংসার প্রকাশ ঘটেছিল, আজও যেন তা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তার ধারাবাহিক স্রোত দুদ্দাড় বেগে এগিয়ে চলেছে আরও বৃহত্তর অশনিসংকেতের দিকে। এই যে গোলি মারো হুংকার, এর উত্তরাধিকার এই দেশ, এই সমাজ বহন করে চলেছে। বুলেটের মুখে আজ রক্তাক্ত মানবতার বাণী।
গুরুদেব বললেন, সেই হিংসাই আজ সত্য, সেই হিংসাই আজ দেশপ্রেমের প্রমাণ, সেই হিংসাই আজ প্রকৃত স্বাধীনতার যোগ্য যোদ্ধা। সেই পাপের বীজ এখনও ইতিহাসের রক্তে-অশ্রুতে মিশে আছে। আপনার সেই বুলেট-যন্ত্রণার অস্তিত্ব জাতির প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় বর্তমান। আমি আমার ‘দুই ইচ্ছা’ প্রবন্ধে এই বিষয়ে বলেছিলাম। মানুষের এক ইচ্ছা তাকে শুভর দিকে নিয়ে যায়, আর এক ইচ্ছা তাকে নিয়ে যায় অশুভের দিকে। এক ইচ্ছা মানুষের দুঃখনিবৃত্তির, আর এক ইচ্ছা অহমবোধের, সংকীর্ণতার। সেই সংকীর্ণতা মত্ত হস্তির মতো। সেই সংকীর্ণতা পাপ। তা কেবল তাঁর নিজের এবং একই সঙ্গে মানুষেরও দুঃখের কারণ হয়ে ওঠে।
মহাত্মা বললেন, আপনিও অধ্যাত্মবাদে বিশ্বাস করতেন, আমিও করতাম। কিন্তু আমাদের সেই বোধ কখনও সংকীর্ণ ধর্মকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠেনি।
কবিগুরু বলে উঠলেন, আমার একটা কবিতায় আমি এ ব্যাপারে অনেক আগেই বলে এসেছিলাম। ‘ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে/ অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে।... যে পূজার বেদি রক্তে গিয়েছে ভেসে/ ভাঙো ভাঙো আজি ভাঙো তারে নিঃশেষে/ ধর্মকারার প্রাচীরে বজ্র হানো/ এ অভাগা দেশে জ্ঞানের আলোক আনো।’
চুপ করে বসে থাকেন মহাত্মা। তারপর অস্ফুটে বলে ওঠেন, ‘হে রাম’।
কবিগুরু বললেন, আপনার রাম এবং এখনকার রামের মধ্যে যোজনখানেক দূরত্ব মহাত্মা। আপনার রাম ছিলেন আপনার কাছে ভগবান, আত্মা। আপনি যখন শেষ মুহূর্তে ‘হে রাম’ বলে উঠেছিলেন, তার সঙ্গে প্রভু যিশুর শেষ কথা সমার্থক হয়ে উঠেছিল। উনি বলেছিলেন, হে ঈশ্বর, ওরা জানে না, ওরা কী ভুল করছে। তুমি ওদের ক্ষমা কোরো। আপনিও ‘হে রাম’ বলে সেটাই প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই রাম, রামায়ণের রাম নন। এখনকার রামকে অনেক বেশি আগ্রাসী করে তোলা হয়েছে। এই রামের ধর্ম ভিন্নতর। আমার বহু রচনাতে যে রামের কথা বলেছি, সে আমাদের কৃত্তিবাসী রাম। বাঙালির রাম ভিন্নতর। সে আমাদের ঘরের ছেলে। সীতা আমাদের ঘরের বউ। লক্ষ্মণ আমাদের আদর্শ দেবর। বাঙালির কাছে রাম নম্র, উগ্র নন। রামকে ঘিরে সেই ভালো লাগা বা মিথোম্যানিয়্যা আজ আর নেই। আজ ধর্মকে কেন্দ্র করে, আড়ম্ভরকে কেন্দ্র করে, মূর্তির উচ্চতাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং মন্দির মন্দির রব তুলে যা হচ্ছে, সেটা এক মিথ্যাম্যানিয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। রাম এখন তাই ধর্ম নয়, রাজনীতিতে একটা বড় হাতিয়ার, রাম এখন বিচ্ছিন্নতার হাতিয়ার, রাম এখন ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি মাত্র।
গান্ধীজি চোখ বুঁজলেন। তিনি গেয়ে উঠলেন রামধুন। রঘুপতি রাঘব রাজা রাম, পতিত পাবন সীতারাম। ঈশ্বর আল্লা তেরো নাম, সবকো সন্মতি দে ভগবান।
কবিগুরু বললেন, আপনার এই ভজন মানুষের মুখে মুখে ঘুরত। বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের সুর করা এই গান গেয়ে আপনি ডাণ্ডি অভিযান করেছিলেন। তবে আপনার ওই গানে আপনি ঈশ্বর আল্লাকে মিশিয়ে দিয়েছেন। এটা যেন ভাবাই আজ দুষ্কর। আর আপনার কথাই যেন সত্যি হয়। ঈশ্বর যেন সকলকে সৎ-মতি দেন। দুর্মতিতে সমাজ ভাঙছে, দেশ ভাঙছে। মানুষ হয়ে যাচ্ছে টুকরো টুকরো। তাকে গ্রাস করছে হিংসা। আজ সকলের সুমতি দরকার।
উঠে পড়লেন গান্ধীজি। বললেন, আজ উঠি। আবার একদিন দেখা হবে। এক অন্ধকার যুগ যেন গ্রাস করেছে আমার দেশকে। আপনি বলেছিলেন, ‘হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছো অপমান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।’ সে কথা একদিন সত্যি হবেই।
কবিগুরুও উঠে দাঁড়ালেন। সেই উপনিষদ যুগের ঋষির মতো। এক আলোকধৌত পুরুষ যেন। মানবকল্যাণে হাতজোড় করে তিনি বলে উঠলেন, অসতো মা সদ্‌গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়....। হে ঈশ্বর সকলকে অসত্য থেকে সত্যে নিয়ে চলো। মানুষকে অন্ধকার থেকে নিয়ে চলো উদ্ভাসিত আলোয়।
17th  February, 2020
এবার পথ দেখাবে উত্তরপ্রদেশই
হিমাংশু সিংহ

দু’বছর আগে উত্তরপ্রদেশ জেলা প্রশাসন মুখ্যসচিবের সার্কুলারটা পেয়ে চমকে উঠেছিল। ১৯৮৪ ব্যাচের আইএএস অনুপকুমার পাণ্ডে ওই নির্দেশে লিখছেন, সাধারণতন্ত্র দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর এনকাউন্টারের ফলেই যে জেলায় জেলায় সর্বত্র শান্তি ফিরেছে তা সবিস্তারে বলতে হবে ডিএমদের। 
বিশদ

মমতার সিদ্ধান্তের উপর
ঝুলছে বিজেপির ভাঙন
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতি অনেকটা নাগরদোলার মতো। উপরে উঠলে নামতে হবেই। এটাই ভবিতব্য। অপেক্ষাটা শুধু সময়ের। বিজেপির দিল্লির নেতারা উপরে উঠে নামার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। বাংলার নির্বাচন বিজেপির সেই নামার দিকটাই নির্দেশ করে দিয়েছে। বিশদ

19th  June, 2021
ভারতের প্রশাসনের স্থাপত্য
গোপালকৃষ্ণ গান্ধী

রাজনীতিক-সিভিল সার্ভেন্ট সম্পর্কের মজবুত ভিতটা নির্মাণ করে গঠন, বিশ্বাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা। সর্দার প্যাটেল এটা অনুধাবন করেছিলেন।
বিশদ

18th  June, 2021
বিরুদ্ধ মত মানেই
দেশদ্রোহ নয়
সমৃদ্ধ দত্ত

 

১৮৭৬ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে অন্তত ১৮টি দুর্ভিক্ষ হয়েছে। প্রায় ২ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়। তা সত্ত্বেও মানুষের উপর ল্যান্ড ট্যাক্সের বোঝা না কমিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল ব্রিটিশ।
বিশদ

18th  June, 2021
লাক্ষাদ্বীপে গেরুয়া অ্যাজেন্ডার আতঙ্ক!
মৃণালকান্তি দাস

টলিউড বা বলিউডের মতো প্রচুর ছবি তৈরি হয় না এখানে। নামমাত্র ছবিতেই বিনোদন খোঁজে এই প্রবাল দ্বীপ। তবুও সংবাদ শিরোনামে দ্বীপের এক অভিনেত্রী এবং পরিচালক আয়েশা সুলতানা।
বিশদ

17th  June, 2021
মুখরক্ষা করল উত্তরবঙ্গ,
পোড়াচ্ছে তাকেই!
হারাধন চৌধুরী

সম্ভাবনা ছিল দু’টো। মমতা ফিরবেন অথবা নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসবে বিজেপি। বিজেপি ফেল করেছে। ফিরেছেন মমতা। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হ্যাট্রিকের শক্তি এতটা প্রবল হবে, অনেকেই বোঝেনি।
বিশদ

16th  June, 2021
মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা: আত্মনির্ভরতার নতুন থিম সং
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সেপ্টেম্বর ১, সাল ২০১৩। দিল্লিতে বিজেপির বাইক র‌্যালি। প্রতিবাদ চলছে পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে... ঠুঁটো কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সেই বাইক মিছিল সেদিন রওনা দিয়েছিল দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের বাসভবনের উদ্দেশে।
বিশদ

15th  June, 2021
দায়িত্ব নিন, আলোচনা
করুন, প্ল্যান বানান
পি চিদম্বরম

টিকাকরণ নিয়ে যে বিশৃঙ্খলা হল, তা ইতিহাসে লেখা থাকবে। ৭ জুন, টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দু’টো ভুল শুধরে নিয়েছেন। আমি মনে করি, এটাই তাঁর ভুল স্বীকার করে নেওয়ার কায়দা।
বিশদ

14th  June, 2021
মমতার নির্দেশে
অভিষেকের মাস্টারস্ট্রোক
হিমাংশু সিংহ

এতদিন বাংলার রাজনীতিতে মাস্টারস্ট্রোক কথাটা শুধু জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই সমার্থক ছিল ষোলোআনা। কিন্তু এখন তার আর এক দাবিদার উপস্থিত। পুত্রসম অভিষেক।
বিশদ

13th  June, 2021
সেলিব্রেটি থেকে সংগঠক,
রাজনীতির নতুন ধারা
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই বলে থাকেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন, তৃণমূল ততদিন। তারপর পার্টিটাই আর থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জবাবও দিয়েছেন। তিনি বহুবার বলেছেন, ‘যাঁরা ভাবছেন, আমি চলে গেলে দলটা উঠে যাবে, তাঁরা ভুল ভাবছেন। তৃণমূলের পরবর্তী প্রজন্ম তৈরি।’ এতদিন তিনি যে কথা মুখে বলতেন, এবার সেটা করে দেখাচ্ছেন।
বিশদ

12th  June, 2021
পুরুষ আধিপত্যের ভিড়ে
সফল শাসক দুই বাঙালি নারী
সমৃদ্ধ দত্ত

রাজনীতির হিসেব-নিকেশ বাদ দিয়ে নিছকই জাতিগত আকাঙক্ষার তাগিদে ২০২৪ সালের দিকে আমরা বাঙালিরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লক্ষ করব এই জাতিটির জার্নিতে সত্যিই কি একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে? একদা একসঙ্গে থাকা দু’টি পাশাপাশি দেশের দুই প্রধানমন্ত্রীই কি বাঙালি নারী হবেন? বিশদ

11th  June, 2021
অবলুপ্তির আত্মঘাতী
পথে সিপিএম
মৃণালকান্তি দাস

গোটা দেশের লোক যখন মোদি-মমতার মরণপণ দ্বৈরথ দেখছে, সিপিএম তখন চোখ বন্ধ রেখে বলেছে, ও-সব ‘সেটিং’। আসলে দল তো একটাই, তার নাম বিজেমূল। ছায়ার সঙ্গে এই পুরো যুদ্ধটাই করা হয়েছে বিজেপি-তৃণমূল বাইনারি ভাঙার নাম করে। ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে। বিজেমূল নামক এই বকচ্ছপ ধারণাটাকে জনতা স্রেফ ডাস্টবিনে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।
বিশদ

10th  June, 2021
একনজরে
এবার বিধানসভা ভোটে আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি আসনেই জিতেছে বিজেপি। সবক’টি আসনে জিতলেও ভোটের পরে কিন্তু জেলাজুড়ে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য, মণ্ডল ও বুথ সভাপতিদের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের হিড়িক পড়েছে। ...

লং ওয়াল মাইনিং, কনটিনিউয়াস মাইনারস ও সারফেস মাইনারসের মতো কয়লা খনিতে ব্যবহৃত বিশ্বমানের মেশিনের যন্ত্রাংশ দুর্গাপুরে তৈরি হতে চলেছিল। বন্ধ এমএএমসি কারখানার বৃহত্তম অংশীদার ভারত আর্থ মোভারস লিমিটেড(বিইএমএল) পোল্যান্ডের এক সংস্থার সঙ্গে সব কিছু চূড়ান্তও করে ফেলেছিল। ...

ইরানের প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন সুপ্রিম নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের স্নেহধন্য বিচারবিভাগের কট্টরপন্থী প্রধান ইব্রাহিম রেইসি। রেইসিই হতে চলেছেন মার্কিন নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা প্রথম প্রেসিডেন্ট। ...

আগামী বছর যোগীর রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে উত্তরপ্রদেশে বিজেপির সহ সভাপতি পদে বসানো হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রাক্তন আমলা এ কে শর্মাকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি, প্রিয়জনের বিপথগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব উদ্বাস্তু দিবস
১৯৩৯: ক্রিকেটার রমাকান্ত দেশাইয়ের জন্ম
১৯৫২: লেখক বিক্রম শেঠের জন্ম
১৯৭৯: ফুটবলার রেনেডি সিংয়ের জন্ম
২০০৭: অভিনেত্রী অনীতা গুহের মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.২৯ টাকা ৭৫.০০ টাকা
পাউন্ড ১০০.৬৬ টাকা ১০৪.১৮ টাকা
ইউরো ৮৬.৩৭ টাকা ৮৯.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) -
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) -
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) -
রূপার বাট (প্রতি কেজি) -
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) -
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আষাঢ় ১৪২৮, রবিবার, ২০ জুন ২০২১। দশমী ২৮/৩৩ অপরাহ্ন ৪/২২। চিত্রা নক্ষত্র ৩৪/৪২ রাত্রি ৬/৪৯। সূর্যোদয় ৪/৫৬/২৭, সূর্যাস্ত ৬/১৯/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ গতে ৯/২৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১০/৩৪ গতে ১২/৪২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৪/৩২ গতে ৫/২৫ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৭ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৮ গতে ২/১৮ মধ্যে। 
৫ আষাঢ় ১৪২৮, রবিবার, ২০ জুন ২০২১। দশমী দিবা ১২/২৪। চিত্রা নক্ষত্র দিবা ৩/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ গতে ৯/২৮ মধ্যে ও ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৪৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৪/৩৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৮ গতে ১/২০ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। 
৯ জেল্কদ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ইউরো কাপ: জার্মানি ৪-২ গোলে হারাল পর্তুগালকে

19-06-2021 - 11:29:00 PM

ইউরো কাপ: পর্তুগাল ১-২ জার্মানি (হাফটাইম)

19-06-2021 - 10:27:06 PM

ইউরো কাপ: পর্তুগাল ১ জার্মানি ১( ৩৬ মিনিট)

19-06-2021 - 10:09:32 PM

ইউরো কাপ: পর্তুগাল ১ জার্মানি ০ ( ১৫ মিনিট)

19-06-2021 - 09:49:40 PM

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ: দ্বিতীয় দিনে কম আলোর জন্য বন্ধ খেলা, ভারত ১৪৬/ ৩ (প্রথম ইনিংস)

19-06-2021 - 09:33:54 PM

ইউরো কাপ: ১-১ গোলে ড্র ফ্রান্স ও হাঙ্গেরি ম্যাচ

19-06-2021 - 08:30:13 PM