Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। সবরমতী আশ্রমে তাঁর পদার্পণের শতবর্ষ চলছে। দু’জনেই ছিলেন পরস্পরের গুণগ্রাহী। আবার যুক্তি-তর্কও দু’জনার কম হয়নি। মহাত্মার চেয়ে কবিগুরু ছিলেন প্রায় সাড়ে আট বছরের বড়। কিন্তু দুই মহামানবের অন্তরে ছিল পরস্পরের প্রতি অসীম শ্রদ্ধাবোধ। আবার তাঁদের দেখা হল।
স্বর্গের প্রশান্তিনিকেতনে মহাত্মা এলেন গুরুদেবের সঙ্গে দেখা করতে। চারিদিকে ফুলের বাগান। মৃদুমন্দ বাতাস বইছে। সুন্দর মনোরম গন্ধবহ পরিবেশ। কবিগুরু এগিয়ে গিয়ে স্বাগত জানালেন মহাত্মাকে।
দু’জনে বাগানে এসে বসলেন। নমস্কার-প্রতি নমস্কারের পালা সাঙ্গ হল। গান্ধীজির মুখে চিন্তার ছাপ। কবিগুরু বললেন, কী হয়েছে মহাত্মা, আপনাকে অত্যন্ত চিন্তান্বিত লাগছে?
গান্ধীজি বললেন, দেখুন গুরুদেব, আমি মোটেই প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ নই। দেশ আমার আগে, তারপর অন্য কিছু।
গুরুদেব বললেন, ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না মহাত্মা!
মহাত্মা বললেন, আপনিও কখনও প্রাদেশিক ভাবনায় সমৃদ্ধ ছিলেন না। আপনি ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ লিখেছিলেন, কিন্তু তার মধ্যে ভাবনার কূপমণ্ডুকতা ছিল না। ভারত ছিল আপনার আত্মার মধ্যে। এখন আপনি ওই গান লিখলে দেশের কোনও কোনও মানুষ আপনার গায়ে প্রাদেশিকতার কালি ছেটাত। আপনার কপাল আরও খারাপ হলে আপনার গায়ে টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের লেবেলও মেরে দিত। তাই আমার এখন ভাবনা হয়, যে গুজরাতে আমার জন্ম, সেই গুজরাত নিয়ে মানুষের ভাবনা এখন পাল্টে যাচ্ছে। সেখানে পোস্ট গোধরা পরবর্তী সময়ে একটা অবিশ্বাসের বাতাবরণ গড়ে উঠেছে। গুজরাত শিল্পে যত এগিয়েছে, দেশকে সেভাবে নেতৃত্ব একসূত্রে বাঁধতে পারেনি। এখনকার রাজনীতির দিকে তাকিয়ে দেখুন, তার ভিত্তি প্রেম নয়, জনসেবা নয়, মানুষের কল্যাণ নয়। শুধু হিংসা, বিদ্বেষ, আত্মস্বার্থ বোধকে পুষ্ট করা আর নির্বাচনে জয়। ক্ষমতাই একমাত্র সত্য, বাকি সব মিথ্যা।
থামলেন গান্ধীজি। কবিগুরু আকাশের দিকে তাকালেন। বললেন, এখানে আকাশ নীল। কত সুন্দর সব কিছু। বসন্ত সমাগত। আর কিছুদিনের মধ্যেই ফুলে ফুলে আগুন লাগবে। এখন প্রকৃতির বুকে রংয়ের আগুনের থেকেও সত্য হল, রাজনীতির আগুন। সব পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। ভাবা যায়, এখন ভোটের প্রচারে বুক ফুলিয়ে অনেকে বলে গোলি মারো! কাকে গোলি মারবে?
গান্ধীজি বললেন, যাঁকে ওরা ‘দেশ কি গদ্দার’ বলে ছাপ্পা মেরে দেবে, তাকেই ওরা গুলি করে মারতে চায়। তুমি আমার মতের পন্থী নও, সুতরাং তুমি গদ্দার। কেননা তোমার ভোট আমার পক্ষে আসবে না।
কবিগুরু বললেন, এত রাজনৈতিক হিংসা, খুনখারাবি, বন্দুক হাতে দুর্বৃত্তের ঘোরাফেরা, ধর্ষণ, লুটপাট, গুপ্তহত্যা—, মাঝে মাঝে মনে হয় দেশটার নাম বোধহয় জালিয়ানওয়ালাবাগ। নির্বিচার দমনের এক পীঠস্থান।
মহাত্মা বললেন, জালিয়ানওয়ালাবাগের বিরুদ্ধে আপনি সেদিন রুখে দাঁড়িয়েছিলেন প্রতিবাদে।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ, আজ আমরা শুধুই দর্শক। এক বিশাল মহাজাগতিক দূরত্বে বসে আমরা সেসব শুধু দেখতে পারি, আর নিজেদের ভাবনা, শিক্ষা দিয়ে তা পর্যালোচনা করতে পারি।
মহাত্মা বললেন, আজকের রাজনীতিতে শিক্ষা ব্যাপারটি বড়ই অবহেলিত। বহু ক্রিমিনাল কেসের অভিযুক্ত বুক ফুলিয়ে আইনসভা আলো করে বসে আছেন। তাঁরাই আজ আইন তৈরির অধিকারী।
কবিগুরু বললেন, হ্যাঁ আইনসভার সেই ব্যক্তিটি যদি আইন প্রণেতা হন, তবে সেই আইন সমাজের কোনও মঙ্গল করতে পারে না। সেই আইন মানব সভ্যতার পক্ষে অমঙ্গলজনক হয়ে ওঠে। ইদানীং ভারতবর্ষে এই ধরনের আইন দেশের মধ্যে বিদ্বেষ এবং বিচ্ছিন্নতার বীজ রোপন করে ভারতাত্মার ক্ষতিসাধন করছে।
গান্ধীজি বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন, সারা দেশকে অস্থির করে তার মধ্য থেকে ফায়দা লোটার একটা বেনিয়াবৃত্তি আজ দেশের শাসকদলকে গ্রাস করেছে।
গুরুদেব বললেন, একটা সময় দেশে স্বাধীনতার আন্দোলন নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে। কোন পথে স্বাধীনতা আসবে, তা নিয়ে কম মতান্তর হয়নি। একদল ছিলেন চরমপন্থী, অন্যদল ছিলেন নরমপন্থী। দুই শিবিরের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও তখন কেউ কাউকে কিন্তু গদ্দার বা বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেননি। তখন অনেকেই আপনার পথকে সমর্থন করেননি। একদিকে ছিল আপনার অহিংসা এবং অন্যদিকে ছিল সশস্ত্র বিপ্লবের পথ। সভ্যসমাজে মানুষের মতের মূল্য থাকবেই। এখন তো আবার গণতন্ত্র। প্রশ্ন জাগে, এই গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী বা স্বাস্থ্যকর?
গান্ধীজি বললেন, তখন তেমন অস্বাস্থ্যকর মতবিরোধ হয়নি। তবে ভিতরে ভিতরে বিদ্বেষের একটা চোরাস্রোত তৈরি হয়ে গিয়েছিল। জানতাম বিস্ফোরণের মতো সেটা একদিন প্রকাশিত হয়ে পড়বে। কিন্তু সেটা যে আমাকে কেন্দ্র করেই হবে, সেটা আমি বুঝিনি।
১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি আমাকে গুলি করে যে হিংসার প্রকাশ ঘটেছিল, আজও যেন তা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তার ধারাবাহিক স্রোত দুদ্দাড় বেগে এগিয়ে চলেছে আরও বৃহত্তর অশনিসংকেতের দিকে। এই যে গোলি মারো হুংকার, এর উত্তরাধিকার এই দেশ, এই সমাজ বহন করে চলেছে। বুলেটের মুখে আজ রক্তাক্ত মানবতার বাণী।
গুরুদেব বললেন, সেই হিংসাই আজ সত্য, সেই হিংসাই আজ দেশপ্রেমের প্রমাণ, সেই হিংসাই আজ প্রকৃত স্বাধীনতার যোগ্য যোদ্ধা। সেই পাপের বীজ এখনও ইতিহাসের রক্তে-অশ্রুতে মিশে আছে। আপনার সেই বুলেট-যন্ত্রণার অস্তিত্ব জাতির প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় বর্তমান। আমি আমার ‘দুই ইচ্ছা’ প্রবন্ধে এই বিষয়ে বলেছিলাম। মানুষের এক ইচ্ছা তাকে শুভর দিকে নিয়ে যায়, আর এক ইচ্ছা তাকে নিয়ে যায় অশুভের দিকে। এক ইচ্ছা মানুষের দুঃখনিবৃত্তির, আর এক ইচ্ছা অহমবোধের, সংকীর্ণতার। সেই সংকীর্ণতা মত্ত হস্তির মতো। সেই সংকীর্ণতা পাপ। তা কেবল তাঁর নিজের এবং একই সঙ্গে মানুষেরও দুঃখের কারণ হয়ে ওঠে।
মহাত্মা বললেন, আপনিও অধ্যাত্মবাদে বিশ্বাস করতেন, আমিও করতাম। কিন্তু আমাদের সেই বোধ কখনও সংকীর্ণ ধর্মকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠেনি।
কবিগুরু বলে উঠলেন, আমার একটা কবিতায় আমি এ ব্যাপারে অনেক আগেই বলে এসেছিলাম। ‘ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে/ অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে।... যে পূজার বেদি রক্তে গিয়েছে ভেসে/ ভাঙো ভাঙো আজি ভাঙো তারে নিঃশেষে/ ধর্মকারার প্রাচীরে বজ্র হানো/ এ অভাগা দেশে জ্ঞানের আলোক আনো।’
চুপ করে বসে থাকেন মহাত্মা। তারপর অস্ফুটে বলে ওঠেন, ‘হে রাম’।
কবিগুরু বললেন, আপনার রাম এবং এখনকার রামের মধ্যে যোজনখানেক দূরত্ব মহাত্মা। আপনার রাম ছিলেন আপনার কাছে ভগবান, আত্মা। আপনি যখন শেষ মুহূর্তে ‘হে রাম’ বলে উঠেছিলেন, তার সঙ্গে প্রভু যিশুর শেষ কথা সমার্থক হয়ে উঠেছিল। উনি বলেছিলেন, হে ঈশ্বর, ওরা জানে না, ওরা কী ভুল করছে। তুমি ওদের ক্ষমা কোরো। আপনিও ‘হে রাম’ বলে সেটাই প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই রাম, রামায়ণের রাম নন। এখনকার রামকে অনেক বেশি আগ্রাসী করে তোলা হয়েছে। এই রামের ধর্ম ভিন্নতর। আমার বহু রচনাতে যে রামের কথা বলেছি, সে আমাদের কৃত্তিবাসী রাম। বাঙালির রাম ভিন্নতর। সে আমাদের ঘরের ছেলে। সীতা আমাদের ঘরের বউ। লক্ষ্মণ আমাদের আদর্শ দেবর। বাঙালির কাছে রাম নম্র, উগ্র নন। রামকে ঘিরে সেই ভালো লাগা বা মিথোম্যানিয়্যা আজ আর নেই। আজ ধর্মকে কেন্দ্র করে, আড়ম্ভরকে কেন্দ্র করে, মূর্তির উচ্চতাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং মন্দির মন্দির রব তুলে যা হচ্ছে, সেটা এক মিথ্যাম্যানিয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। রাম এখন তাই ধর্ম নয়, রাজনীতিতে একটা বড় হাতিয়ার, রাম এখন বিচ্ছিন্নতার হাতিয়ার, রাম এখন ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি মাত্র।
গান্ধীজি চোখ বুঁজলেন। তিনি গেয়ে উঠলেন রামধুন। রঘুপতি রাঘব রাজা রাম, পতিত পাবন সীতারাম। ঈশ্বর আল্লা তেরো নাম, সবকো সন্মতি দে ভগবান।
কবিগুরু বললেন, আপনার এই ভজন মানুষের মুখে মুখে ঘুরত। বিষ্ণু দিগম্বর পালুসকরের সুর করা এই গান গেয়ে আপনি ডাণ্ডি অভিযান করেছিলেন। তবে আপনার ওই গানে আপনি ঈশ্বর আল্লাকে মিশিয়ে দিয়েছেন। এটা যেন ভাবাই আজ দুষ্কর। আর আপনার কথাই যেন সত্যি হয়। ঈশ্বর যেন সকলকে সৎ-মতি দেন। দুর্মতিতে সমাজ ভাঙছে, দেশ ভাঙছে। মানুষ হয়ে যাচ্ছে টুকরো টুকরো। তাকে গ্রাস করছে হিংসা। আজ সকলের সুমতি দরকার।
উঠে পড়লেন গান্ধীজি। বললেন, আজ উঠি। আবার একদিন দেখা হবে। এক অন্ধকার যুগ যেন গ্রাস করেছে আমার দেশকে। আপনি বলেছিলেন, ‘হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছো অপমান, অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।’ সে কথা একদিন সত্যি হবেই।
কবিগুরুও উঠে দাঁড়ালেন। সেই উপনিষদ যুগের ঋষির মতো। এক আলোকধৌত পুরুষ যেন। মানবকল্যাণে হাতজোড় করে তিনি বলে উঠলেন, অসতো মা সদ্‌গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়....। হে ঈশ্বর সকলকে অসত্য থেকে সত্যে নিয়ে চলো। মানুষকে অন্ধকার থেকে নিয়ে চলো উদ্ভাসিত আলোয়।
17th  February, 2020
রাজনীতি আর অসভ্যতার
মধ্যবর্তী ফারাক
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এবার কুরুক্ষেত্র বাংলার মাটি। আর এখানে পাঁচ পাণ্ডবের একটাই নাম—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে জয় তাদেরই হবে, শ্রীকৃষ্ণ থাকবেন যে পক্ষে। আর ভোটে শ্রীকৃষ্ণের ভূমিকায় কে? বাংলার মানুষ...। বিশদ

‘হুবহু কথাগুলো’য় একটা
বেইমানির ইঙ্গিত 
পি চিদম্বরম

আমাকে ভাবাচ্ছে কথাগুলো কে ‘বলছিলেন’ এই ব্যাপারটা। সরকারের অংশ নয় এমন এক ব্যক্তির (নন-গভর্নমেন্ট পার্সন) উপস্থিতিতে এই কথাগুলো কেন বলা হয়েছিল? ‘প্রোটেক্টেড ইনফর্মেশন’ শেয়ার করার মতলব নিয়েই কি তাঁরা কথাগুলো বলেছিলেন? বিশদ

25th  January, 2021
এবারের ২৩ জানুয়ারির শিক্ষা
হিমাংশু সিংহ 

পরাক্রমতার সঙ্গে অনন্ত দেশপ্রেম আর তার বিশ্বজোড়া ব্যাপ্তি মিশলে তবেই নেতাজির নাগাল পাওয়া যায়। এই সার সত্যটা বুঝতেই পারলেন না অমিত শাহরা। বাংলার মনন ও সংস্কৃতির আসল সুরটাকে ধরতে না পারার সমস্যাটা এখানেই। দেশপ্রেম দিবস কিংবা দেশনায়ক দিবসই নেতাজিকে সম্মান জানানোর পক্ষে যথার্থ। বিশদ

24th  January, 2021
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

23rd  January, 2021
ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

23rd  January, 2021
সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

23rd  January, 2021
বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
একনজরে
রেলমন্ত্রী থাকাকালীন শহরে একাধিক মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এক দশকের বেশি সময় কেটে গেলেও কেন্দ্রীয় বঞ্চনা এবং অপ্রতুল বাজেট বরাদ্দের জেরে তার ...

কল্যাণীর জেএনএম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দালালরাজের রমরমা কমাতে এবার আসরে নামলেন খোদ ডাক্তারির পড়ুয়ারা। শনিবার হাসপাতালের গেট সহ বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার দিয়ে দালালরাজ সম্পর্কে রোগী ও ...

উত্তরবঙ্গের বহু বিধানসভা কেন্দ্রে লোকসভা ভোটের লিড ধরে রাখা নিয়ে সংশয়ে পদ্ম শিবির। সম্প্রতি শিলিগুড়ি ও রায়গঞ্জে তাদের যোগদান শিবির কার্যত ফ্লপ হওয়ায় বিজেপির একাংশ এরকমই আশঙ্কা করছে। ...

ফুটবলার হিসেবে জিতেছিলেন একাধিক ট্রফি। স্বপ্ন ছিল, চেলসি কোচের পদেও সাফল্যের সেই ধারাবহিকতা বজায় রাখবেন। তবে মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই কোচের পদ থেকে ছাঁটাই হলেন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটা শুভ। কর্মক্ষেত্রে আজ শুভ। শরীর-স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। লটারি, শেয়ার, ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

সাধারণতন্ত্র দিবস
১৮৪১: আনুষ্ঠানিকভাবে হংকং দখল করল ব্রিটিশরা
১৯৩০: পরাধীন ভারতে এই দিনটিকে ‘পূর্ণ স্বরাজ দিবস’ বা ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৫০: লাগু হল ভারতের সংবিধান। রাষ্ট্রপতি পদে রাজেন্দ্র প্রসাদ দায়িত্ব গ্রহণ করে সূচনা করলেন গণতন্ত্রের।
১৯৫৪: রাজনীতিবিদ মানবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু
১৯৬৫- হিন্দিকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র
১৯৬৯ - বাঙালি ধর্মসংস্কারক অনুকূলচন্দ্র ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৯২: পরমাণু অস্ত্রের মাধ্যমে আমেরিকার বিভিন্ন শহরকে নিশানা করা থেকে রাশিয়া বিরত হবে বলে জানালেন বরিস ইয়েলৎসেন
২০০১: গুজরাতের ভুজে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হল প্রায় ২০ হাজার মানুষের
২০০৪: আফগানিস্তানের নয়া সংবিধানে স্বাক্ষর করলেন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই
২০১৮ - অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৬ টাকা ৭৩.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৩২ টাকা ১০১.৭৬ টাকা
ইউরো ৮৭.৩১ টাকা ৯০.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ মাঘ ১৪২৭, সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, দ্বাদশী ৪৫/৮ রাত্রি ১২/২৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৫৫ রাত্রি ১/৫৬। সূর্যোদয় ৬/২১/৫৮, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/২২ গতে ২/৫২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/৩২ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। 
১১ মাঘ ১৪২৭, সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, দ্বাদশী রাত্রি ১১/১৮। মৃগশিরা নক্ষত্র ১/২৫। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ১০/৪৪ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৪ গতে ৮/৪৯ মধ্যে ও ১১/২৫ গতে ২/৫২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৯ গতে ৪/৩৮ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৫০ মধ্যে। 
১১ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছুটি
আজ, মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারি দেশের ৭২তম সাধারণতন্ত্র দিবস। এই ঐতিহাসিক ...বিশদ

02:00:00 AM

পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন শিল্পী নারায়ণ দেবনাথ

25-01-2021 - 10:00:53 PM

পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন মৌমা দাস

25-01-2021 - 09:55:01 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ও চেন্নাই এফসি-র ম্যাচটি ১:১ গোলে ড্র

25-01-2021 - 09:43:06 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ১ (২১ মিনিট) -চেন্নাই এফসি ১ (৭৬ মিনিট)

25-01-2021 - 09:24:17 PM

অসুস্থ সমবায় মন্ত্রী  অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়

25-01-2021 - 04:22:06 PM