Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। তবে, রাজধানীতে এবার জিতে আপ-এর হ্যাটট্রিক আবারও প্রমাণ করল, রাজনীতির ময়দানে ‘গোলি মারো’র মতো উত্তেজক, ‘ভারত-পাকিস্তান’ বিভাজনের কথা বলে বাজিমাত করা সবসময় সম্ভব নয়। প্রশ্ন একটাই, আরএসএসের মতো মাটি কামড়ে থাকা সংগঠন যেখানে পিছনে, সেখানে ভুলটা বুঝতে এত দেরি হল কেন গেরুয়া শিবিরের? নির্বাচনী প্রচারপর্বে বাক্‌-সংস্কৃতির এই অবক্ষয় তো নতুন নয়। ঢালাও অকথা, কুকথা বলে চলেছেন ছোট থেকে বড় সব নেতাই। অবলীলায়। কারণে অকারণে। বিশেষত, বিজেপির এই রমরমার যুগে দখলের সর্বগ্রাসী নেশা যেন পেয়ে বসেছে গোটা দলটাকেই। সেই থেকেই বাড়াবাড়ির শুরু। সার্বিক বিরোধী ঐক্য যখন সোনার পাথরবাটি এবং কংগ্রেস আগাগোড়া ছন্নছাড়া নেতৃত্বের সঙ্কটে দীর্ণ, তখন আত্মবিশ্বাসী শাসক যে ক্ষমতার নেশায় ধরাকে সরা জ্ঞান করবেন তাতে আশ্চর্যের কী আছে? কিন্তু, প্রবল পরাক্রান্ত সময় বারে বারে ঘুরে এসে শাসককে শিক্ষা দেয়, সবক শেখায়। মনে করিয়ে দেয়, এই ভুল ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে ছড়িয়ে আছে। নিজেকে অপরাজেয় ভাবলেই জনগণ একজোট হয়ে ভোটের ময়দানে মোক্ষম শিক্ষাটি দিয়ে যায়। দিল্লির মানুষ সাম্প্রতিক নির্বাচনে মোদি-অমিত শাহকে সেই চরম শিক্ষাটাই দিল।
লোকসভা আর বিধানসভা নির্বাচন মোটেই এক নয়। দুই ভোটের প্রেক্ষিত আলাদা। সেটাও আর একবার প্রমাণ করল দিল্লির নির্বাচন। মাত্র সাত মাস আগে লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে ‘সাতে সাত’ রেজাল্ট করে চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। বিধানসভার নিরিখে রাজধানীতে ৭০টির মধ্যে ৬৫টি আসনেই এগিয়ে ছিল বিজেপি। বাকি পাঁচটিতে এগিয়েছিল কংগ্রেস। সবা‌ই ঩ভেবেছিল, ২০১২ সালে ভারতীয় রাজনীতিতে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব হওয়া অরবিন্দ কেজরিওয়ালের রাজনীতির বুঝি এখানেই শেষ। বিধাতা তখন নিশ্চয় আড়াল থেকে মুচকি হেসেছিলেন। কারণ ইতিহাসই সাক্ষী, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না। আর কেজরিওয়াল কোনও অবস্থাতেই দেশের প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন না। তাই মোদিকে দু’হাত তুলে লোকসভায় আশীর্বাদ করা দিল্লির জনগণই বিধানসভায় দান উল্টে দিলেন। গোটা ঘটনাটা ঘটল লোকসভা ভোটের মাত্র সাত মাসের মধ্যে। গত সপ্তাহের বিধানসভার ভোটে পুরো হিসেবটাই উল্টে দিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জয়ের হ্যাটট্রিক করে আবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন তিনি। তাঁর জন্য রামলীলা ময়দানের শপথমঞ্চও আজ প্রস্তুত।
২০১৫-র ঐতিহাসিক জয়ের পর আবার তিনি ৭০টি আসনের মধ্যে সিংহভাগের দখল নিয়ে দিল্লির রাজ্যপাট সামলানোর ছাড়পত্র আদায় করে নিয়েছেন। আগের বার তাঁর আপ পেয়েছিল ৬৭টি আসন। আর এবার তাঁদের দখলে আগের বারের চেয়ে ৫টি আসন কম—৬২টি। পাঁচ বছরের ব্যবধানে খোদ দেশের রাজধানীতে যাবতীয় প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আপ-এর এই সাফল্য নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে মোদি-অমিত শাহের সর্বগ্রাসী রাজনীতিতে বিরোধীরা যখন দিশাহারা, তখন একক ক্ষমতায় কেজরিওয়ালের এই সাফল্য নিঃসন্দেহে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। একইসঙ্গে এই ফল আসন্ন বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সম্পর্কেও নিঃসন্দেহে একটা গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেই দিক দিয়ে ওই দুই রাজ্যের আসন্ন নির্বাচন নরেন্দ্র মোদি নামক এক মিথের অগ্নিপরীক্ষা।
প্রথমেই আসি বিহারের কথায়। এবার বিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতিটা অভিনব। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় লালুপ্রসাদ যাদব জেলে। তাঁর দুই পুত্র দুই মেরুর বাসিন্দা। ফলে লালু-রাবড়ির পরিবার কার্যত ছন্নছাড়া অবস্থায়। বিহারে কংগ্রেসের অবস্থাও তথৈবচ। এই পরিস্থিতিতে নীতীশ কুমারের জেডিইউ এবং বিজেপিই বিহারের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। বিহারের বিজেপিকে ধাক্কা দিতে পারেন একমাত্র নীতীশ কুমারই। বলা বাহুল্য, দিল্লির অভাবনীয় ফলাফলের পর বিহারে বিজেপির সঙ্গে দর কষাকষির ক্ষমতাও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে নীতীশের। একের পর এক রাজ্য হাতছাড়া হওয়ার প্রেক্ষিতে বিজেপির পক্ষে এখন কোনও অবস্থাতেই যে নীতীশকে ঝেড়ে ফেলা সম্ভব নয়, তা জেডিইউ নেতৃত্ব বিলক্ষণ জেনে গিয়েছে। তাই নীতীশের যে কোনও শর্তই অমিত শাহরা আপাতত মেনে নিতে বাধ্য। অন্যথায় বিহারও গেরুয়া শিবিরের হাতছাড়া হয়ে যাবে। তাই সব ফেলে বিরোধীদের কৌশল হবে যে কোনও মূল্যে বিজেপির সঙ্গে নীতীশের দূরত্ব তৈরি করা। আগামী কয়েকমাস তাই বিহারের রাজনীতির এই টানাপোড়েন জাতীয় রাজনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে চলেছে।
কিন্তু, এই মুহূর্তে সব ছাপিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের কাছে বৃহত্তম চ্যালেঞ্জ পশ্চিমবঙ্গে মা-মাটি-মানুষের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তুল্যমূল্য লড়াই গড়ে তোলা। তার জন্য টাকাপয়সা, পেশিশক্তির ব্যবহার ইতিমধ্যেই বাড়াতে শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। ত্রিপুরায় বামপন্থীদের রাজ্যপাট খতম করতে বিগত নির্বাচনে অর্থ ও পেশি শক্তির মরিয়া ব্যবহার দেখেছে দেশ। গত লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গেও তার অন্যথা হয়নি। গ্রামেগঞ্জে আছড়ে পড়েছে মোদির প্রচার। উড়েছে টাকা। সেই সুবাদেই রাজ্যের ১৮টি লোকসভা আসনে জিতে তৃণমূলকে সে যাত্রায় বড় ধাক্কা দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির দল। লোকসভা ভোটের ফলের নিরিখে ১২৬টি বিধানসভা আসনে গেরুয়া দলের লিড রয়েছে। কিন্তু, তারপরই অহঙ্কার আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ণ হয়ে জেলায় জেলায় অনেকটাই মাটি হারিয়েছে বিজেপি। তার উপর দোসর হয়েছে এনআরসি। গত দু’মাসে এনআরসির চাপে মানুষ গেরুয়া দলের থেকে অনেকটাই নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে। নিজদেশে পরবাসী হওয়ার তীব্র আতঙ্ক এখনও সীমান্ত লাগোয়া জেলার মানুষজনের মনে চেপে বসে আছে। দিল্লির মতোই এই বঙ্গেও গত সাত মাসে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। যে উত্তরবঙ্গে বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছিল সেখানেই এনআরসি, এনপিআর ও সিএএ-র সাঁড়াশি আক্রমণে মানুষ দিশাহারা। ফলে আস্থা-বিশ্বাস নিমেষে বদলে গিয়েছে আক্রোশে। সদ্য সমাপ্ত উপনির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়ে সেই প্রতিশোধ ইতিমধ্যেই কড়ায়গণ্ডায় তুলে নেওয়া শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের মানুষ। উত্তরবঙ্গ এবং রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে এনআরসি আচমকাই বড় ইস্যু হয়ে বিজেপির জনভিত্তিকেই ধ্বংস করতে উদ্যত। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের পক্ষে উচিত হবে এনআরসি ও সিএএ প্রত্যাহারের কথা অবিলম্বে ঘোষণা করা। তা না হলে গেরুয়া শিবিরের এই বিদ্বেষ ও বিভাজনের রাজনীতি জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফুৎকারে উড়ে যেতে বাধ্য।
কেজরিওয়াল দেখিয়ে দিয়েছেন, তথাকথিত রাজনীতির বাইরে গিয়েও জনগণের মন কীভাবে জিততে হয়। মহল্লা ক্লিনিক, মহিলাদের জন্য বিনা পয়সায় বাসে চলাচলের সুবিধা, বস্তির ভিতরেও বিশ্বমানের স্কুল স্থাপন, গরিবদের জন্য বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ ও পানীয় জল প্রভৃতি আম আদমির প্রয়োজনীয় পরিষেবা পৌঁছে দিয়ে তিনি গোটা দিল্লির মন জয় করেছেন। কেজরিওয়ালের এই সদর্থক ভূমিকার জন্যই বিজেপির তথাকথিত ‘ওস্তাদের মার’ও এ যাত্রায় মাঠেই মারা গেল! শেষ মুহূর্তে কলোনিগুলির নিঃশর্ত মালিকানা প্রদান করেও বিশেষ লাভ হল না মোদির। আজীবন লড়াই করে আসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনগণের মন বোঝার দৌড়ে কেজরিওয়ালের চেয়েও যে অনেক এগিয়ে, তা বলা মোটেই অতিশয়োক্তি হবে না। বাংলার অগ্নিকন্যার লড়াই ও সংগ্রামের ইতিহাসও আরও বিস্তৃত। সিপিএম নামক এক ভয়ঙ্কর সাংগঠনিক শক্তির দলকে তিনি খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিতে পেরেছেন শুধুমাত্র প্রবল সাহস আর ইচ্ছাশক্তির জোরে। প্রায় একদশক আগের পরিবর্তনের সেই কাণ্ডারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আজ এরাজ্যের সফল প্রশাসক, সবার আস্থা ও ভরসার জায়গা। গত প্রায় ন’বছরে তৃণমূল নেত্রী রাজ্যের সর্বস্তরের গরিব খেটেখাওয়া সাধারণ মানুষের জন্যে একের পর এক কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন—কখনও কন্যাশ্রী, কখনও যুবশ্রী, রূপশ্রী, সবুজসাথী, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী প্রভৃতি। স্কুলের ছেলেমেয়েদের দেওয়া হয়েছে সাইকেল, বইখাতা, স্কলারশিপ-সহ অনেক কিছু। বিভাজন নয়, বিদ্বেষ নয়, তাঁর এই জনমুখী রাজনীতিই আজ এরাজ্যের প্রধান চালিকাশক্তি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল, সর্বদা তিনি মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের জন্য রাজনীতিটা করেন। আর এই তাড়না থেকেই অবহেলিত উত্তরবঙ্গে তিনি যেমন বার বার ছুটে গিয়েছেন, তেমনি জঙ্গলমহলেও গরিব পরিবারগুলিকে ২ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়ার যুগান্তকারী পদক্ষেপ করেছেন। গ্রাম ও গরিবের দিকে তাকানোর পরিণামে শহর-নগরও কোনওভাবে অবহেলিত হয়নি তাঁর সরকারের আমলে। তার বড় প্রমাণ কলকাতা। কলকাতা তাঁর আমলে যেভাবে সেজে উঠেছে তা অভূতপূর্ব। সবচেয়ে বড় কথা, বাঙালির আবেগ, বাঙালির মনন ও সংস্কৃতির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ যতটা নিবিড়, বিরোধীপক্ষের আর একজনও নেতানেত্রীরই তা নেই। রাজ্যে পুরভোট আসন্ন। তার এক বছরের মধ্যেই বিধানসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়বে। কার্যত পুর ও বিধানসভার ভোটকে কেন্দ্র করে বাংলা এক বিরাট লড়াইয়ের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বলতে দ্বিধা নেই, এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধে অনেক এগিয়ে মা মাটি মানুষের নেত্রী। ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ পরপর তিনবার। বাংলার অগ্নিকন্যার সেই অনবদ্য হ্যাটট্রিক দেখার জন্যই প্রহর গুনছে রাজ্যের মানুষ। 
16th  February, 2020
কুকথায় পঞ্চমুখ, কণ্ঠভরা বিষ ...
সন্দীপন বিশ্বাস

আচ্ছা, দুধ থেকে কি করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকে?
আচমকা শিবের প্রশ্নে একটু থতমত খেয়ে যান পার্বতী। একটু থেমে বলেন, এমন কথা বলছো কেন?  বিশদ

মোদি সরকারের সবকিছুই জাতীয় স্বার্থে আর তার তালিকাটিও শেষ হওয়ার নয়
পি চিদম্বরম

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বারাণসীতে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করার প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা এই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’’ 
বিশদ

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

23rd  February, 2020
প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ থেকে শীঘ্রই হলুদ জ্বরের টিকা দেওয়া হবে। একদিকে পর্যাপ্ত কর্মী না থাকা অন্যদিকে পাবলিক হেল্থ নার্সরা সময় মতো টিকাকরণ কেন্দ্রে আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ‘স্বাস্থ্যসাথী’ নিয়ে বিশেষ অভিযানে নামছে কলকাতা পুরসভা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মঙ্গলবার থেকেই বরোভিত্তিক ক্যাম্প করে শহরের গরিব, দুঃস্থ, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজ শুরু হবে।  ...

নয়াদিল্লি ও গোয়া, ২৩ ফেব্রুয়ারি: ফের দুর্ঘটনায় পড়ল মিগ যুদ্ধবিমান। গোয়ায় রবিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ প্রশিক্ষণ চলাকালীন ভেঙে পড়ল ভারতীয় নৌসেনার একটি মিগ-২৯ কে বিমান। তবে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের চালক নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। ঘটনা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: দাসপুর থানার ভগবতীপুরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এক যুবককে খুন করার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম সঞ্জয় বর(২৫)।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮ তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার জন্মদিন
১৯৫২ - ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়। কয়েক দিন পরেই এটি পুলিস ধ্বংস করে দেয়।
১৯৫৫ – অ্যাপল সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের জন্ম
১৯৫৯ কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভির জন্মদিন
১৯৬৩ চিত্র পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনসালির জন্মদিন
১৯৭২ অভিনেত্রী পূজা ভাটের জন্মদিন
১৯৮২ - আর্জেন্টাইন ফুটবলার ইমানুয়েল ভিলার জন্ম
১৯৮৩ দাবারু সূর্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিন
১৯৯৩ - ইংরেজ ফুটবলার ববি মুরের মৃত্যু
১৯৯৮ অভিনেত্রী ললিতা পাওয়ারের মৃত্যুদিন
২০১১ কমিক্স বইয়ের জনক অনন্ত পাইয়ের মৃত্যুদিন
২০১৮-দুবাইয়ের হোটেলে মৃত্যু অভিনেত্রী শ্রীদেবীর



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ৪২/৫২ রাত্রি ১১/১৫। শতভিষা ২৫/৩৫ অপঃ ৪/২১। সূ উ ৬/৬/৩৯, অ ৫/৩৩/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ১০/৪২ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩২ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৪২ গতে ৪/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫০ মধ্যে। 
১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ৩৯/১১/১ রাত্রি ৯/৫০/৮। শতভিষা ২৩/১০/৫০ দিবা ৩/২৬/৪। সূ উ ৬/৯/৪৪, অ ৫/৩২/৩২। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে ও ১০/৩৫ গতে ১২/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২১ গতে ২/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৫/৫ গতে ৯/০/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/২৯ গতে ১১/৫১/৮ মধ্যে। 
 ২৯ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তাজমহলে পৌঁছলেন সস্ত্রীক ডোনাল্ড ট্রাম্প 

05:10:56 PM

সিএএ নিয়ে বিক্ষোভের জেরে রণক্ষেত্র দিল্লির জাফরাবাদ, গোলাগুলিতে নিহত এক পুলিস কর্মী 

04:43:21 PM

আগ্রার বায়ুসেনা ঘাঁটিতে পৌঁছলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 

04:29:00 PM

আমেদাবাদ থেকে আগ্রার উদ্দেশে রওনা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

03:32:00 PM

৮২৪ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:29:18 PM

মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন অসুস্থ পরীক্ষার্থী, ভর্তি হাসপাতালে
মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে জলপাইগুড়ির বেলাকোবা গার্লস হাইস্কুলে অসুস্থ হয়ে পড়ল ...বিশদ

03:19:58 PM