Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। তবে, রাজধানীতে এবার জিতে আপ-এর হ্যাটট্রিক আবারও প্রমাণ করল, রাজনীতির ময়দানে ‘গোলি মারো’র মতো উত্তেজক, ‘ভারত-পাকিস্তান’ বিভাজনের কথা বলে বাজিমাত করা সবসময় সম্ভব নয়। প্রশ্ন একটাই, আরএসএসের মতো মাটি কামড়ে থাকা সংগঠন যেখানে পিছনে, সেখানে ভুলটা বুঝতে এত দেরি হল কেন গেরুয়া শিবিরের? নির্বাচনী প্রচারপর্বে বাক্‌-সংস্কৃতির এই অবক্ষয় তো নতুন নয়। ঢালাও অকথা, কুকথা বলে চলেছেন ছোট থেকে বড় সব নেতাই। অবলীলায়। কারণে অকারণে। বিশেষত, বিজেপির এই রমরমার যুগে দখলের সর্বগ্রাসী নেশা যেন পেয়ে বসেছে গোটা দলটাকেই। সেই থেকেই বাড়াবাড়ির শুরু। সার্বিক বিরোধী ঐক্য যখন সোনার পাথরবাটি এবং কংগ্রেস আগাগোড়া ছন্নছাড়া নেতৃত্বের সঙ্কটে দীর্ণ, তখন আত্মবিশ্বাসী শাসক যে ক্ষমতার নেশায় ধরাকে সরা জ্ঞান করবেন তাতে আশ্চর্যের কী আছে? কিন্তু, প্রবল পরাক্রান্ত সময় বারে বারে ঘুরে এসে শাসককে শিক্ষা দেয়, সবক শেখায়। মনে করিয়ে দেয়, এই ভুল ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে ছড়িয়ে আছে। নিজেকে অপরাজেয় ভাবলেই জনগণ একজোট হয়ে ভোটের ময়দানে মোক্ষম শিক্ষাটি দিয়ে যায়। দিল্লির মানুষ সাম্প্রতিক নির্বাচনে মোদি-অমিত শাহকে সেই চরম শিক্ষাটাই দিল।
লোকসভা আর বিধানসভা নির্বাচন মোটেই এক নয়। দুই ভোটের প্রেক্ষিত আলাদা। সেটাও আর একবার প্রমাণ করল দিল্লির নির্বাচন। মাত্র সাত মাস আগে লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে ‘সাতে সাত’ রেজাল্ট করে চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। বিধানসভার নিরিখে রাজধানীতে ৭০টির মধ্যে ৬৫টি আসনেই এগিয়ে ছিল বিজেপি। বাকি পাঁচটিতে এগিয়েছিল কংগ্রেস। সবা‌ই ঩ভেবেছিল, ২০১২ সালে ভারতীয় রাজনীতিতে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব হওয়া অরবিন্দ কেজরিওয়ালের রাজনীতির বুঝি এখানেই শেষ। বিধাতা তখন নিশ্চয় আড়াল থেকে মুচকি হেসেছিলেন। কারণ ইতিহাসই সাক্ষী, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না। আর কেজরিওয়াল কোনও অবস্থাতেই দেশের প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন না। তাই মোদিকে দু’হাত তুলে লোকসভায় আশীর্বাদ করা দিল্লির জনগণই বিধানসভায় দান উল্টে দিলেন। গোটা ঘটনাটা ঘটল লোকসভা ভোটের মাত্র সাত মাসের মধ্যে। গত সপ্তাহের বিধানসভার ভোটে পুরো হিসেবটাই উল্টে দিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জয়ের হ্যাটট্রিক করে আবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন তিনি। তাঁর জন্য রামলীলা ময়দানের শপথমঞ্চও আজ প্রস্তুত।
২০১৫-র ঐতিহাসিক জয়ের পর আবার তিনি ৭০টি আসনের মধ্যে সিংহভাগের দখল নিয়ে দিল্লির রাজ্যপাট সামলানোর ছাড়পত্র আদায় করে নিয়েছেন। আগের বার তাঁর আপ পেয়েছিল ৬৭টি আসন। আর এবার তাঁদের দখলে আগের বারের চেয়ে ৫টি আসন কম—৬২টি। পাঁচ বছরের ব্যবধানে খোদ দেশের রাজধানীতে যাবতীয় প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আপ-এর এই সাফল্য নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে মোদি-অমিত শাহের সর্বগ্রাসী রাজনীতিতে বিরোধীরা যখন দিশাহারা, তখন একক ক্ষমতায় কেজরিওয়ালের এই সাফল্য নিঃসন্দেহে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। একইসঙ্গে এই ফল আসন্ন বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সম্পর্কেও নিঃসন্দেহে একটা গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেই দিক দিয়ে ওই দুই রাজ্যের আসন্ন নির্বাচন নরেন্দ্র মোদি নামক এক মিথের অগ্নিপরীক্ষা।
প্রথমেই আসি বিহারের কথায়। এবার বিহারের রাজনৈতিক পরিস্থিতিটা অভিনব। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় লালুপ্রসাদ যাদব জেলে। তাঁর দুই পুত্র দুই মেরুর বাসিন্দা। ফলে লালু-রাবড়ির পরিবার কার্যত ছন্নছাড়া অবস্থায়। বিহারে কংগ্রেসের অবস্থাও তথৈবচ। এই পরিস্থিতিতে নীতীশ কুমারের জেডিইউ এবং বিজেপিই বিহারের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। বিহারের বিজেপিকে ধাক্কা দিতে পারেন একমাত্র নীতীশ কুমারই। বলা বাহুল্য, দিল্লির অভাবনীয় ফলাফলের পর বিহারে বিজেপির সঙ্গে দর কষাকষির ক্ষমতাও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে নীতীশের। একের পর এক রাজ্য হাতছাড়া হওয়ার প্রেক্ষিতে বিজেপির পক্ষে এখন কোনও অবস্থাতেই যে নীতীশকে ঝেড়ে ফেলা সম্ভব নয়, তা জেডিইউ নেতৃত্ব বিলক্ষণ জেনে গিয়েছে। তাই নীতীশের যে কোনও শর্তই অমিত শাহরা আপাতত মেনে নিতে বাধ্য। অন্যথায় বিহারও গেরুয়া শিবিরের হাতছাড়া হয়ে যাবে। তাই সব ফেলে বিরোধীদের কৌশল হবে যে কোনও মূল্যে বিজেপির সঙ্গে নীতীশের দূরত্ব তৈরি করা। আগামী কয়েকমাস তাই বিহারের রাজনীতির এই টানাপোড়েন জাতীয় রাজনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে চলেছে।
কিন্তু, এই মুহূর্তে সব ছাপিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের কাছে বৃহত্তম চ্যালেঞ্জ পশ্চিমবঙ্গে মা-মাটি-মানুষের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তুল্যমূল্য লড়াই গড়ে তোলা। তার জন্য টাকাপয়সা, পেশিশক্তির ব্যবহার ইতিমধ্যেই বাড়াতে শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। ত্রিপুরায় বামপন্থীদের রাজ্যপাট খতম করতে বিগত নির্বাচনে অর্থ ও পেশি শক্তির মরিয়া ব্যবহার দেখেছে দেশ। গত লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গেও তার অন্যথা হয়নি। গ্রামেগঞ্জে আছড়ে পড়েছে মোদির প্রচার। উড়েছে টাকা। সেই সুবাদেই রাজ্যের ১৮টি লোকসভা আসনে জিতে তৃণমূলকে সে যাত্রায় বড় ধাক্কা দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির দল। লোকসভা ভোটের ফলের নিরিখে ১২৬টি বিধানসভা আসনে গেরুয়া দলের লিড রয়েছে। কিন্তু, তারপরই অহঙ্কার আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ণ হয়ে জেলায় জেলায় অনেকটাই মাটি হারিয়েছে বিজেপি। তার উপর দোসর হয়েছে এনআরসি। গত দু’মাসে এনআরসির চাপে মানুষ গেরুয়া দলের থেকে অনেকটাই নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে। নিজদেশে পরবাসী হওয়ার তীব্র আতঙ্ক এখনও সীমান্ত লাগোয়া জেলার মানুষজনের মনে চেপে বসে আছে। দিল্লির মতোই এই বঙ্গেও গত সাত মাসে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। যে উত্তরবঙ্গে বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছিল সেখানেই এনআরসি, এনপিআর ও সিএএ-র সাঁড়াশি আক্রমণে মানুষ দিশাহারা। ফলে আস্থা-বিশ্বাস নিমেষে বদলে গিয়েছে আক্রোশে। সদ্য সমাপ্ত উপনির্বাচনে বিজেপিকে হারিয়ে সেই প্রতিশোধ ইতিমধ্যেই কড়ায়গণ্ডায় তুলে নেওয়া শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের মানুষ। উত্তরবঙ্গ এবং রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে এনআরসি আচমকাই বড় ইস্যু হয়ে বিজেপির জনভিত্তিকেই ধ্বংস করতে উদ্যত। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের পক্ষে উচিত হবে এনআরসি ও সিএএ প্রত্যাহারের কথা অবিলম্বে ঘোষণা করা। তা না হলে গেরুয়া শিবিরের এই বিদ্বেষ ও বিভাজনের রাজনীতি জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফুৎকারে উড়ে যেতে বাধ্য।
কেজরিওয়াল দেখিয়ে দিয়েছেন, তথাকথিত রাজনীতির বাইরে গিয়েও জনগণের মন কীভাবে জিততে হয়। মহল্লা ক্লিনিক, মহিলাদের জন্য বিনা পয়সায় বাসে চলাচলের সুবিধা, বস্তির ভিতরেও বিশ্বমানের স্কুল স্থাপন, গরিবদের জন্য বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ ও পানীয় জল প্রভৃতি আম আদমির প্রয়োজনীয় পরিষেবা পৌঁছে দিয়ে তিনি গোটা দিল্লির মন জয় করেছেন। কেজরিওয়ালের এই সদর্থক ভূমিকার জন্যই বিজেপির তথাকথিত ‘ওস্তাদের মার’ও এ যাত্রায় মাঠেই মারা গেল! শেষ মুহূর্তে কলোনিগুলির নিঃশর্ত মালিকানা প্রদান করেও বিশেষ লাভ হল না মোদির। আজীবন লড়াই করে আসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনগণের মন বোঝার দৌড়ে কেজরিওয়ালের চেয়েও যে অনেক এগিয়ে, তা বলা মোটেই অতিশয়োক্তি হবে না। বাংলার অগ্নিকন্যার লড়াই ও সংগ্রামের ইতিহাসও আরও বিস্তৃত। সিপিএম নামক এক ভয়ঙ্কর সাংগঠনিক শক্তির দলকে তিনি খড়কুটোর মতো উড়িয়ে দিতে পেরেছেন শুধুমাত্র প্রবল সাহস আর ইচ্ছাশক্তির জোরে। প্রায় একদশক আগের পরিবর্তনের সেই কাণ্ডারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আজ এরাজ্যের সফল প্রশাসক, সবার আস্থা ও ভরসার জায়গা। গত প্রায় ন’বছরে তৃণমূল নেত্রী রাজ্যের সর্বস্তরের গরিব খেটেখাওয়া সাধারণ মানুষের জন্যে একের পর এক কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন—কখনও কন্যাশ্রী, কখনও যুবশ্রী, রূপশ্রী, সবুজসাথী, খাদ্যসাথী, স্বাস্থ্যসাথী প্রভৃতি। স্কুলের ছেলেমেয়েদের দেওয়া হয়েছে সাইকেল, বইখাতা, স্কলারশিপ-সহ অনেক কিছু। বিভাজন নয়, বিদ্বেষ নয়, তাঁর এই জনমুখী রাজনীতিই আজ এরাজ্যের প্রধান চালিকাশক্তি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল, সর্বদা তিনি মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের জন্য রাজনীতিটা করেন। আর এই তাড়না থেকেই অবহেলিত উত্তরবঙ্গে তিনি যেমন বার বার ছুটে গিয়েছেন, তেমনি জঙ্গলমহলেও গরিব পরিবারগুলিকে ২ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়ার যুগান্তকারী পদক্ষেপ করেছেন। গ্রাম ও গরিবের দিকে তাকানোর পরিণামে শহর-নগরও কোনওভাবে অবহেলিত হয়নি তাঁর সরকারের আমলে। তার বড় প্রমাণ কলকাতা। কলকাতা তাঁর আমলে যেভাবে সেজে উঠেছে তা অভূতপূর্ব। সবচেয়ে বড় কথা, বাঙালির আবেগ, বাঙালির মনন ও সংস্কৃতির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ যতটা নিবিড়, বিরোধীপক্ষের আর একজনও নেতানেত্রীরই তা নেই। রাজ্যে পুরভোট আসন্ন। তার এক বছরের মধ্যেই বিধানসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়বে। কার্যত পুর ও বিধানসভার ভোটকে কেন্দ্র করে বাংলা এক বিরাট লড়াইয়ের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। বলতে দ্বিধা নেই, এখনও পর্যন্ত এই যুদ্ধে অনেক এগিয়ে মা মাটি মানুষের নেত্রী। ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ পরপর তিনবার। বাংলার অগ্নিকন্যার সেই অনবদ্য হ্যাটট্রিক দেখার জন্যই প্রহর গুনছে রাজ্যের মানুষ। 
16th  February, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
সময় এসেছে সিরিয়াস কিছু প্রশ্নের
সমৃদ্ধ দত্ত

তাহলে কিছুটা নিশ্চয়ই বোঝা গেল নিজের পাড়ায় দাঙ্গা এলে কী হবে? অতএব এটাও আশা করি আন্দাজ করা গেল যে, এনআরসি, সিএএ, এনপিআর, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম, হিন্দু মুসলমান সবই হল নেহাত সাধারণ টাইমপাস।  বিশদ

20th  March, 2020
যুদ্ধপরিস্থিতি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

 এ সবকিছুর জন্য দায়ী ওই চীন, বুঝলেন। চীনেরাই ওই করোনা তৈরি করেছে। করে সামলাতে পারেনি। কোনওভাবে সেটা ফাঁক গলে বেরিয়ে পড়েছে। এখন নিজেরাও মরছে, আমাদেরও বিপদে ফেলে দিয়েছে। কাগজে পড়ছি ফ্রান্স, ইতালি, ইরান, ইরাক, আমেরিকা সব নাকি ওই ভাইরাসের দাপটে একেবারে নাজেহাল। বিশদ

19th  March, 2020
করোনায় আতঙ্কে অর্থনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

অমিতাভ রায় এখনও লন্ডনে। সঙ্গে স্ত্রী, আর সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলে। নামজাদা তথ্য-প্রযুক্তি কোম্পানির কর্মী অমিতাভ। পেশার চাপে দেশে আগে দেশে ফিরতে পারেননি। এই দফায় আর হলও না...। একবুক আতঙ্ক নিয়ে বিদেশের মাটিতে কাটছে প্রত্যেকটা মুহূর্ত। কিন্তু সেটাও কতদিন! জানেন না তিনি। হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, বাজারটা খালি হয়ে যাচ্ছে।
বিশদ

17th  March, 2020
একনজরে
বিএনএ, শিলিগুড়ি: বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাতে বাধা পড়ে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চালু হতে চলেছে ভাইরাল রিসার্চ সেন্টার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ভিআরডিএল ল্যাব। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শালবনীর সিমেন্ট কারখানায় আটকে থাকা ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের এক মাসের রেশনের ব্যবস্থা করা হল। লকডাউনের জেরে সিমেন্ট কারখানার সেকেন্ড ইউনিটে ভিনরাজ্যের সাড়ে চারশো শ্রমিক আটকে পড়েছিলেন।  ...

  তেল আভিব, ২৮ মার্চ (পিটিআই): বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই ৩১৪ জন নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে ধন্যবাদ জানাল ইজরায়েল। ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মার্চ: করোনার ভয়াবহ আবহে হাজার খারাপের মধ্যেও অন্তত একটা ইতিবাচক দিক খুঁজে পেলেন রবি শাস্ত্রী। এই মারণ ভাইরাসকে রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষিত হওয়ার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লোহা ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৫৭: বারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৯২৯: অভিনেতা উৎপল দত্তের জন্ম
১৯৮২: তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠা





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬০ টাকা ৯২.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৮৪ টাকা ৮৩.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) পঞ্চমী ৫১/৫ রাত্রি ২/২। কৃত্তিকা ২৪/১৪ দিবা ৩/১৮। সূ উ ৫/৩৫/৫২, অ ৫/৪৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ গতে ৯/৪০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২১ গতে ৮/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ১০/১০ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৯ গতে ২/৩৮ মধ্যে।
১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০, রবিবার, পঞ্চমী ৪১/৩৯/১২ রাত্রি ১০/১৭/২৪। কৃত্তিকা ১৬/৫০/৮ দিবা ১২/২১/৪৬। সূ উ ৫/৩৭/৪৩, অ ৫/৪৭/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৬ গতে ৭/২২ মধ্যে ও ১২/১ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪২/৩২ গতে ১/১৩/৪৫ মধ্যে।
 ৪ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তেলেঙ্গানায় আইপিএস অফিসারেরা একদিনের মাইনে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে  

02:48:00 PM

করোনা: উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরে আক্রান্ত আরও ৪জন 

02:45:00 PM

অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্ত বাড়ল ৩৩৪ জন
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ কয়েক ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল আরও ৩৩৪ জন। ...বিশদ

02:12:03 PM

করোনা: শেষ কয়েক ঘণ্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০
শেষ কয়েক ঘম্টায় রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ২৭০জন। মৃত্যু হয়েছে ৪ ...বিশদ

02:06:32 PM

মুম্বইয়ে করোনায় মৃত আরও ১
মুম্বইয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক রোগীর মৃত্যু হল। মৃতার ...বিশদ

02:00:43 PM

কালনায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী 

01:55:00 PM