Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন। আর এইকথাটি তিনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে অনেকবারই বলেছেন। ১৮৮৩ সালে ১৫ জুনের কিছু কথা শোনা যাক। দশহরাতে দক্ষিণেশ্বরে ভক্তরা ঠাকুরকে দেখতে এসেছেন। ঠাকুরের কাছে এক ভক্তের প্রশ্ন ছিল—‘‘গৃহস্থাশ্রমে কি ভগবান লাভ হয়?’’ জবাব দিতে গিয়ে ঠাকুর তাঁর এক অসুখের চিকিৎসা প্রসঙ্গ তুললেন। কবিরাজ তাঁকে ‘জল’ খেতে বারণ করেছিলেন! ঠাকুর বললেন—‘‘সকলে মনে করলে, জল না খেয়ে কেমন করে আমি থাকব। আমি রোখ কল্লুম আর জল খাব না। ‘পরমহংস’! আমি তো পাতিহাঁস নই—রাজহাঁস! দুধ খাব।’’ সহজ কথা এই যে, ঠাকুর গৃহীদেরও আশ্বস্ত করেছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন, সংসারের মধ্যে থেকেও আমরা ভগবানকে পেতে পারি। অর্থাৎ সংসারের ভিতরে অসার বস্তুগুলিকে আলাদা করার টেকনিক শিখে নিতে পারলেই ভগবান নামক সার বস্তুকে লাভের আনন্দ আমরা পেতেই পারি।
শতাধিক বছর আগের কথাটি মনে পড়ে যাচ্ছে দিল্লি রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গে। ঠাকুরের কথাটিকে প্রাসঙ্গিক করে তুলেছেন আম আদমি পার্টির (আপ) মুখ অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি নিশ্চিত করলেন। কেজরিওয়াল শুধু সরকার গড়ার ছাত্রপত্র জোগাড় করলেন না—ভারতকে এক অভিনব রাজনীতি উপহার দেওয়ার কৃতিত্ব দাবি করার উচ্চতায় নিয়ে গেলেন নিজেকে। দিল্লির সঙ্গে অন্য রাজ্যগুলির মূলগত তফাত হল—এখানে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর বলে কিছু নেই। সেটি কেন্দ্রের কুক্ষিগত। অর্থাৎ নিজস্ব পুলিসকে ব্যবহার করার কোনও সুবিধা কেজরিওয়াল পান না। রাজ্য বিধানসভার ভোট অনুষ্ঠানের যাবতীয় দায়-দায়িত্ব ক্ষমতা অধিকার সরকারিভাবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত। তবু, রাজ্যের সাধারণ প্রশাসন ও পুলিসের উপর বিশেষভাবে নির্ভর করার বিকল্প কমিশনের সামনে নেই। ভোটের সময় অল্প কিছুদিনের জন্য রাজ্যের প্রশাসন ও পুলিস কমিশনের অধীন হয়ে যায় বটে, কিন্তু ভোট মিটতেই তাদের পুরনো মালিকের অধীন হতেই হয়। তাই বেশিরভাগ সময়ই রাজ্য প্রশাসন ও পুলিসের নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠে। ভারতের মাটিতে এই ট্রাডিশন ভাঙতে আগ্রহী রাজনৈতিক দলের দেখা এখনও অবধি মেলেনি।
অন্যদিকে, ইভিএমে গৃহীত দিল্লির এই ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে কারও মনে বিন্দুমাত্র সংশয় সন্দেহ নেই। আমরা দেখলাম, মোট আসনের ৯০ শতাংশই দখল করেছে দিল্লি রাজ্যের শাসক দল আপ। কিন্তু, কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি দিল্লি রাজ্যের ক্ষমতা দখলের জন্য এবার মরিয়া ছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ তাদের জাতীয় স্তরের সমস্ত হেভিওয়েট নেতাকে নামিয়েছিল। তার পরেও বিজেপি ‘পুওর সেকেন্ড’! ৭০-এর মধ্যে মাত্র ৮! তাদের একমাত্র সান্ত্বনা—ভোটের হার এবং আসন সংখ্যা ২০১৫ সালের বিধানসভা ভোটের নিরিখে কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু, তাদের এবারের লড়াইটা মোটেই দু’নম্বর হওয়ার লক্ষ্যে ছিল না। বরং, জয় ছাড়া আর কিছুই ভাবেনি মোদি-শাহদের দল। পরাজয়ের স্রোতে বাঁধ দেওয়ার জন্য এটা ভীষণ জরুরি ছিল। গত দু’বছরে ১১টি রাজ্যে বিধানসভার ভোট নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে হরিয়ানা ও অরুণাচলের মতো দুটি ছোট রাজ্য মুখরক্ষা করলেও, বাদবাকি ৯টিতে সরকার গড়তে ব্যর্থ হয়েছে ‘মোদি ম্যাজিক’! দিল্লিটা হাতে পেলে মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের ক্ষতে সামান্য প্রলেপ দিতে পারতেন মোদিজিরা। কিন্তু, সেই সুযোগ কেড়ে নিলেন কেজরিওয়াল।
বিজেপিকে আশার আলো দেখিয়েছিল ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের রেজাল্ট—দিল্লিতে সাতে সাত! ওই রেজাল্টের অন্তরে আরও লেখা ছিল—৭০টি বিধানসভার মধ্যে ৬৫টিতে এগিয়ে! অতএব, পায় কে? কেজরিওয়ালকে রামধাক্কা দেওয়াটা কেবল সময়ের অপেক্ষা।
কিন্তু, মানুষ ভাবে এক আর হয় আর-এক। কারণ, ভাবনার ভিতরেও যে ভাবনা থাকে—লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের সময় একই ভোটার যে বিপরীত আচরণ করে থাকেন! গত দুটি লোকসভা এবং দুটি বিধানসভার ভোটের রেজাল্ট অন্তত তাই বলছে। যে-মানুষ লোকসভায় আন্তরিকভাবে মোদিকে চেয়েছেন, সেই মানুষটাই বিধানসভায় চেয়েছেন কেজরিওয়ালকে! বিজেপি নেতৃত্ব মানুষের এই চাহিদা বুঝতে এবং তাদেরকে প্রভাবিত করতে যার পর নাই ব্যর্থ হয়েছে।
বিজেপি জয়ের জন্য হাতিয়ার করেছিল তাদের পুরনো অস্ত্রগুলিই—পাকিস্তান জুজু, দেশপ্রেম, রামমন্দির, ধর্মীয় বিভাজন এবং বাহুপ্রদর্শন ও বিরোধীদের নামে কুৎসা। ব্যক্তি কেজরিওয়ালকে নিয়েও আলতু-ফালতু অভিযোগ করেছিল বিজেপি। অন্যদিকে, কেজরিওয়াল এবার হেঁটেছেন একেবারে নতুন এক পথে। তিনি নিখাদ এক উন্নয়নের তরি ভাসিয়েছিলেন। যে-উন্নয়নের মূল কথা হল কোয়ালিটি লাইফ। সুস্থ-সবল-সুন্দর ভাবে বাঁচা। যে-বেঁচে থাকার মধ্যে শুধু আনন্দ খুঁজে নেওয়া যায়—দিনগত পাপক্ষয়ের চেনা যন্ত্রণার ধারণা থেকে সরে আসা। তাই তাঁর ‘২৮ পয়েন্ট গ্যারান্টি কার্ড’-এর ১ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছিল দিল্লির ভয়াবহ দূষণ থেকে মানুষকে ধীরে ধীরে মুক্তি দেওয়ার আশ্বাস। ‘দূষণ’ নামক সত্যটা যে-দেশে শুধুমাত্র পরিবেশকর্মী নামক কিছু মানুষের (যাঁরা ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়ে আনন্দ পান বলে ভাবা হয়) সাবজেক্ট হয়ে রয়েছে, সেই দেশে কেজরিওয়াল দূষণকে ভোট কেনার মুদ্রা করে তুলেছেন! নিঃসন্দেহে এ এক অমিত সাহসী পদক্ষেপ। পরিস্রুত পানীয় জল, চিকিৎসা, বিদ্যুৎ, রেশন, পরিবহণ, কর্মরত অবস্থায় মৃত সাফাইকর্মীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ, প্রবীণ নাগরিকদের তীর্থযাত্রা এবং শিক্ষার প্রসার বিষয়ে কেজরিওয়ালের ভাবনাগুলি অভূতপূর্ব! বিশেষ করে স্কুলশিক্ষার উন্নতির বিষয়ে তাঁর সরকারের পদক্ষেপ অনেক নামী বেসরকারি স্কুলের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে। যে-কাজগুলি কয়েক দশক আগে বামেদের করে দেখানোর কথা ছিল, সেটাই করে চলেছেন আপ কাণ্ডারী। বামেদের যা চিন্তাতেও আসেনি—সেসবও তিনি ভাবছেন করছেন।
পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে, সস্তা রাজনীতির সমস্ত চেনা পথ কেজরিওয়াল সযত্নে পরিহার করেছেন। নরেন্দ্র মোদির তীব্র বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও ইমরান খানের বাজে কথার জবাব দিতে গিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন করতে কুণ্ঠিত হননি কেজরিওয়াল। ৩৭০ ধারা বাতিলে সম্মতি জানিয়েও নাগরিকত্ব (সংশোধিত) আইনের বিরোধিতা করেছেন বলিষ্ঠভাবে। এই রাজনীতিক আবার জেএনইউ, জামিয়া মিলিয়া এবং শাহিনবাগ আন্দোলনের গড্ডলিকাতেও ভাসেননি। কুৎসা করা দূরে থাক, ভোটের প্রচারে একবারও বিজেপি নেতাদের নামে গরমাগরম কিছু বলেননি। বরং দেশপ্রেমে আস্থা রেখে একইসঙ্গে ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ বলে চলেছেন দরাজ গলায়। মোদ্দা কথা, উন্নয়নের ইস্যু চাপা পড়ে যায় এমন একটাও লুজ বল তিনি খেলেননি। বাজে না বকে এবং ‘ভোট করানো’র অসৎ পথ পরিহার করেও যে বিপুল জয় হাসিল করা সম্ভব—ভারতের মাটিতে কেজরিওয়ালের আগে হাতেকলমে কেউ দেখাতে পেরেছেন বলে শুনিনি। এমনকী বিপুল জয়েও মাথা ঘুরে যায়নি তাঁর। জয় যেন তাঁকে আরও সংযত করেছে। জয়ের প্রকাশেও দলীয় কর্মীদের মনে করিয়ে দিয়েছেন নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিরক্ষার কথা। তাঁর নির্দেশ—বিজয় উৎসবে একটিও বাজি ফাটবে না!
ভারতের রাজনীতির পরতে পরতে মিথ্যাচার আর দুর্নীতি। এসব ঢাকতে রাজনীতির ভাষা আত্মস্থ করে নিয়েছে কুবাক্যসমূহ—ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কথিত দুধের মধ্যে মিশে থাকা জলের মতোই। এবারের ভোটে অরবিন্দ কেজরিওয়াল দেখিয়ে দিয়েছেন—জলটুকু সরিয়ে খাঁটি দুধটুকুই গ্রহণের সহজ কৌশলটি। তাঁকে ঠাকুরের দেখানো পথের পথিক ভাবতে একটুও কষ্ট হচ্ছে না। এই পন্থায় ক্ষমতার কুর্সিকে কোনোভাবে মলিন বলে মনে হচ্ছে না—মনে হচ্ছে শিবজ্ঞানে জীবসেবার একটি শ্রেষ্ঠ উপায়। দিল্লিতে সদ্য প্রতিষ্ঠিত অভিনব ভোট-সংস্কৃতি বিহার, বাংলা, কেরল, তামিলনাড়ু, অসম ও পুদুচেরি বিধানসভা ভোটের আগে শুধু বিজেপিকেই চাপে ফেলল না—চাপে পড়ে গেল সারা দেশের রাজনীতি। ভারতীয় রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই বদলে যেতে পারে এবার।
13th  February, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
একনজরে
  ওয়াশিংটন: সামরিক ও অর্থনৈতিক। দু’দিক দিয়েই চীনকে চাপে রাখার কৌশল নিচ্ছে আমেরিকা। লাদাখ ও দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের অবস্থানের কড়া বিরোধিতা করেই এবার আর ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: সোমবার রামনগর থানার দেউলিহাটে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগে পুলিস এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রামনগর বাজারে দীঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের সব দপ্তরের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ রাখবে প্রিন্সিপ্যাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের (পিএজি) অফিস। পিএজি-র ওয়েবসাইটে এর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতি ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার ও মালবাজার: হাতির হামলায় জখম হওয়ার ১৩ দিন পর মারা গেলেন কালচিনির দক্ষিণ লতাবাড়ি গ্রামের এক বৃদ্ধ। বনদপ্তর জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধের নাম ঘুরণ ওঁরাও(৬৩)। বনদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৩ জুন দুপুরে জমিতে কাজ করার সময় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যেকোনও শুভকর্মের বাধাবিঘ্ন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্ম
১৯৫৮: অভিনেত্রী নীতু সিংয়ের জন্ম
১৯৭২: ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলির জন্ম
২০০১: বাঙালি কথাসাহিত্যিক অমিয়ভূষণ মজুমদারের মৃত্যু
২০০৩: কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মূত্যু
২০০৬: দীর্ঘ ৪৪ বছর বন্ধ থাকার পর নাথুলা পাস সীমান্তপথটি ভারত চীনের সাথে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে খুলে দেয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.০১ টাকা ৯৫.৮৯ টাকা
ইউরো ৮২.৩৪ টাকা ৮৬.৭৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,২৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯,২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯,৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার, তৃতীয়া ১০/৪৩ দিবা ৯/১৯। ধনিষ্ঠা ৫০/৩৪ রাত্রি ১/১৫৷ সূর্যোদয় ৫/১/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/১২৷ অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ গতে ১১/১৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৪ গতে ৫/২৭ মধ্যে, রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ১/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২২ গতে ১০/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২২ গতে ৩/৪২ মধ্যে।
২৩ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার, তৃতীয়া দিবা ৯/২৫। ধনিষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ২/৭। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২২ গতে ১০/২ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২২ গতে ৩/৪২ মধ্যে।
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
যেখানে সেখানে ভিড় করবেন না: মমতা 

12:30:41 PM

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে করোনাকে আপনাকে ছুঁতে পারবে না: মমতা 

12:30:03 PM

করোনা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই: মমতা 

12:26:49 PM

করোনা রুখতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন: মমতা 

12:25:55 PM

মুর্শিদাবাদে ২১৮ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ২ 

12:09:12 PM

রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৭৩, মৃত ৬
রাজস্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৭৩ জন করোনায় ...বিশদ

11:47:31 AM