Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে। টিম লিডার তিনি... যে ১৯ জনকে এই অপারেশনের জন্য তিনি নিজের হাতে বেছে এনেছেন, তাঁদের জীবনও তাঁরই হাতে। মেজর ট্যাঙ্গো বুঝলেন, এই দুই জঙ্গিই লঞ্চপ্যাডের রক্ষী। প্রথম গুলিটা চালালেন মেজর... তারপরই দ্বিতীয়টা। দু’টো ছায়ামূর্তিই পড়ে গেল মাটিতে। বদলার এই শুরু... পাঠানকোট, উরি... ছবির স্লাইড চলে যাচ্ছে একটার পর একটা... চোখের সামনে দিয়ে। প্রত্যেক জওয়ান, সেনা অফিসার, নিরীহ মানুষকে খুনের বদলা নেওয়ার সুযোগ এসেছে আজ। অথচ এই মেজর ট্যাঙ্গোকেই মিশনের আগে বলা হয়েছিল—অপারেশনে যাবেন? না নিরাপদে থেকে মনিটরিং? কমান্ডিং অফিসারকে মেজরের জবাব ছিল, ‘যার জন্য প্যারাস্যুট রেজিমেন্টের স্পেশাল ফোর্সে যোগ দিয়েছিলাম, আজ সেই দিন এসেছে... আর স্যার আপনি আমাকে অপশন দিচ্ছেন?’ কথা রেখেছিলেন মেজর। অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে ফিরে এসেছিল তাঁর টিম। 
সার্জিকাল স্ট্রাইক। কথা রেখেছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। ভারতের সীমান্ত-পাহারায় রাতের পর রাত জাগা প্রত্যেকটি ইউনিটের কাছে। দেশের কাছে। কিন্তু দেশ কি কথা রাখল? এখানে দেশ বা রাষ্ট্র মানে শুধু ১৩০ কোটি মানুষ নয়। বরং দেশ চালানেওয়ালারা। একটা সার্জিকাল স্ট্রাইক বা একটা বালাকোটের মতো অপারেশন নিয়ে রাজনীতির কারবারিরা গত কয়েক বছর ধরে যে হারে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন, তা কানে বিঁধে থাকার মতো। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া কড়া কথাবার্তা পাবলিক ‘খায়’। আর এই তত্ত্ব বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদি সরকার বিলক্ষণ জানে। তাই ভোটের মুখে ভাষণে যত কথা কর্মসংস্থান নিয়ে শোনা যায়, তার থেকে অনেক অনেক বেশি শব্দ খরচ হয় দেশাত্মবোধ বা ‘পাকিস্তানকে ঘরে ঢুকে মেরে আসব’ জাতীয় প্রতিশ্রুতিতে। দুর্ভাগ্য কোথায়? যে সেনাবাহিনীকে প্রচারে ব্যবহার করে ভোট বৈতরণী পেরনোর কৌশল, তাঁদেরই প্রবল ঠান্ডা ঠেকানোর মতো উপকরণ সরকার দিতে পারছে না। আর এ কোনও বিরোধী দলের প্রচার নয়। বলছে ক্যাগের সাম্প্রতিক রিপোর্টই। উল্লেখ রয়েছে সেখানে সিয়াচেন ও লাদাখের। যে জওয়ানরা পাকিস্তান ও চীনের ওই সীমান্ত রক্ষার খাতিরে প্রাণেরও তোয়াক্কা করেন না, তাঁদের অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাবের। ২০১৫-১৬ এবং ২০১৭-১৮—এই দু’বছরের রিপোর্ট পেশ হয়েছে সংসদে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ইস্টার্ন কমান্ডে ৯ হাজার ফুট এবং নর্দার্ন কমান্ডে ৬ হাজার ফুট উচ্চতায় যে যে উপকরণ প্রয়োজন, অর্থাৎ খাবার, জুতো, কোট, ফেস মাস্ক, স্নো গগলস, স্লিপিং ব্যাগ... পর্যাপ্ত নেই কিছুই। নতুনের তো দেখাই নেই, বরং বহু ক্ষেত্রে পুরনো বা মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া উপকরণ জওয়ানদের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়। মজুত খাবারের অবস্থা এমন যে, হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় ৮২ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ক্যালরির চাহিদা মেটে না। গত মার্চে এ ব্যাপারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সাফাই কী ছিল? বাজেটে ঘাটতির জন্য কিছু কিছু বিষয়ে কাটছাঁট করতে হচ্ছে।
মোক্ষম যুক্তি। দেশের অর্থনীতির হাল সুবিধের নয়। উৎপাদন শিল্প ধুঁকছে, চাকরি-বাকরির হাল খারাপ। এয়ার ইন্ডিয়ার মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা নিলামে চড়িয়েও খদ্দের মিলছে না। রাজস্বের হাল খারাপ... কাজেই কোষাগারে টান পড়াটা স্বাভাবিক। তাই একটু ‘কমপ্রোমাইজ’ করতে হবে সেনাবাহিনীকেও। তবে এরপরও প্রশ্ন হল, সব ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য তো? তাহলে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘বিশেষ বিমানে’র জন্য ৮ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন? যে দেশে প্রত্যেক ত্রৈমাসিকে জাতীয় গড় উৎপাদন এবং মূল্যবৃদ্ধির হার রক্তচক্ষু দেখাচ্ছে, সেখানে এমন বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর বিলাসিতা নয় কি? কৌতূহল হতেই পারে, কী এমন আছে এতে? কেন এত দাম? এতে রয়েছে সাংবাদিক সম্মেলনের জন্য আলাদা ঘর, মিসাইল ওয়ার্নিং সিস্টেম, সেল্‌ফ প্রোটেকশন স্যুইট এবং আরও অনেক কিছু। মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতিও এখন এয়ারফোর্স ওয়ানের মতো বিমানে চড়বেন। নিরাপত্তার খাতিরে প্রয়োজন হতেই পারে। সে নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু একটু বিবেচক মন বলছে, এখনই না হলেও চলত।
ক্যাগ রিপোর্ট প্রকাশ পাওয়ার পর যে বিবেচনাটা আরও প্রকট হয়ে দেখা দিচ্ছে। আজ সিয়াচেনে প্রচণ্ড ঠান্ডায় জমতে বসা যদি কোনও জওয়ান এই প্রশ্ন করেন, তার উত্তর রাষ্ট্রনেতারা দিতে পারবেন তো? ওই জওয়ানকে যদি নেহাতই একজন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হিসেবে দেখেন, তাহলে আলাদা কথা। ভাবলেন, ওরা তো চাকরি করে। মাইনে পায়... আবার কী? তবে তেমনটা মনে করলে কিন্তু ভোটের অস্ত্র হিসেবে সেনাবাহিনীকে ব্যবহারের আগে এক মুহূর্ত হলেও ভাবতে হবে। যদিও তা হবে না। বরং মুখ বন্ধ করে দেওয়া হবে তেজবাহাদুর যাদবদের। বিএসএফ জওয়ান... সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে অভিযোগ করেছিলেন খাবার নিয়ে। অভিযোগ ছিল, অত্যন্ত নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয় তাঁদের। কখনও কখনও খালি পেটেই দিন কাটে। তদন্তে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বলা হয়, মিথ্যা অভিযোগ এনে বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন তিনি। তাই শাস্তিস্বরূপ তেজবাহাদুরকে সাসপেন্ড করা হয়। হয়তো মিথ্যা অভিযোগই করেছিলেন বিএসএফের ওই জওয়ান। তিনি যা দাবি করেছিলেন, বিষয়টা মোটেও তেমন নয়। দেশের মানুষ বছর তিনেক আগের ওই ঘটনা হয়তো ভুলেও গিয়েছিল। ফের কিন্তু মনে পড়ল। সৌজন্যে অবশ্যই এই ক্যাগ রিপোর্ট। আবার একটা কৌতূহল পোকার মতো নড়েচড়ে উঠছে, অভিযোগ যা হয়, তার কিছু কিছু সত্যি নয় তো?
এই উত্তর দেওয়ার দায় সরকারের। দেশের নিরাপত্তার স্তম্ভ হিসেবে এক একজন জওয়ান, মেজর, কমান্ডার সীমান্ত আগলে রাখেন। বানচাল করেন জঙ্গি অনুপ্রবেশের ছক, বুকে গুলি নিয়ে নিশ্চিত করেন সাধারণ ভারতবাসীর নিরাপত্তা। অথচ, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বা পর্যাপ্ত খাবার ছাড়াই তাঁদের ডিউটি করতে হয়। দিনের পর দিন। আর তারপরও কিন্তু তাঁরা কর্তব্যে অবিচল থাকেন। নীরবে। মেজর ট্যাঙ্গো তাই বলতে পারেন, ‘আমরা যখন অপারেশনে থাকি না, তখন তারই প্রস্তুতি নিই... সেটাই আমাদের কাজ। উদ্দেশ্য।’
সেনাবাহিনী কখনও ভোটের হাতিয়ার হতে পারে না। চাকরি তাঁরা করেন ঠিকই... কিন্তু তাঁদের সমান প্রতিকূলতা কাউকে সহ্য করতে হয় না। আইডেন্টিটি কার্ড হাতে ধরিয়েই তাঁদের ঠেলে দেওয়া হয় গুলি খাওয়ার জন্য।
পুঞ্চ সীমান্তের বাঙ্কারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একজন যখন এসএলআরে চোখ রেখে বসে থাকেন, তাঁর পরিবার বসে থাকে প্রার্থনায়... মানুষটা শুধু যেন বেঁচে থাকে। কোটি কোটি সাধারণ মানুষের মাঝে অসাধারণ কেউ থাকলে তা ভারতীয় বাহিনীর প্রত্যেক সদস্য। তাঁদের কমপ্রোমাইজ করতে বাধ্য করার আগে একবার-দু’বার নয়, একশোবার ভাবা উচিত। একে অপরের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের সময় তাঁরা জাত, ধর্ম দেখেন না। একটাই শব্দ তাঁদের মনে আসে... ভারত।
যে দেশে ধর্মীয় বিভাজন চলে না। চলতে পারে না।
11th  February, 2020
লড়াই এবার নেমে এসেছে রণভূমিতে
সন্দীপন বিশ্বাস

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের লড়াই ছিল একটা রক্তচক্ষু, বাহুবলী, উদ্ধত শাসকের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত লড়াই। সেই লড়াইটার সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইতিহাস কোনওভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। বিশদ

প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

01st  December, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
ভোটের আগে দিল্লির
এই খেলাটা বড় চেনা
হিমাংশু সিংহ

 দিলীপবাবুরা জানেন, সোজা পথে এখনও পশ্চিমবঙ্গ দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। আর তা বুঝেই একদিকে পুরোদমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি কাজ করছে তৃণমূলকেই ছলে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়ার কৌশল। বিশদ

22nd  November, 2020
মমতা বিরোধিতাই
যখন রাজনীতির লক্ষ্য
তন্ময় মল্লিক

বামেদের ধারণা, মমতা তৃণমূল না গড়লে তারা আরও অনেকদিন রাজ্যপাট চালিয়ে যেত। তাদের চোখে মমতা ‘জাতশত্রু’। সেই কারণেই বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক, ফ্যাসিস্ট সহ নানা চোখা চোখা বিশেষণে ভূষিত করলেও মমতা বিন্দুমাত্র সুবিধা পান, এমন কাজ তাঁরা কিছুতেই করেন না। বিশদ

21st  November, 2020
একনজরে
পরিবার পরিকল্পনার অধিকাংশ সূচকে দেশে এক নম্বরে বাংলা। কেন্দ্রীয় সরকারের অক্টোবর মাসের তথ্য থেকে একথা জানা গিয়েছে। এই সূচকগুলির মধ্যে গর্ভনিরোধক ওষুধ বা পিল থেকে শুরু করে বন্ধ্যাত্বকরণ, মেয়েদের আইইউসিডি থেকে শুরু করে ছেলেদের নিরোধ ব্যবহার— অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেশে শীর্ষে ...

সাখির (বাহরিন): গত সাতদিনে তিনবার কোভিড টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ এল ফর্মুলা-ওয়ান তারকা লুইস হ্যামিলটনের। যার জেরে আসন্ন সাখির গ্রাঁ প্রি’তে অংশ নিতে পারবেন না সাতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন রেসারটি। মঙ্গলবারই মার্সিডিজ-এএমজি পেট্রোনাস এফওয়ান দলের পক্ষ থেকে হ্যামিলটনের করোনায় আক্রান্তের খবর প্রকাশ্যে আনা ...

কৃষক বিক্ষোভের আঁচ ছড়াল দেশান্তরেও। কেন্দ্রীয় কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। বিক্ষোভরত ‘রোদে পোড়া, তামাটে’ মানুষগুলোর পরিবার ও বন্ধুদের জন্য চিন্তিত বলে জানিয়েছেন তিনি। ...

সীমান্তে পাচার রুখতে আরও কঠোর হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত বরাবর কোথাও যেন কাঁটাতারবিহীন এলাকা না থাকে, তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দুই দেশের সীমান্তের মধ্যে কাঁটাতার নেই মালদহের যে সব সীমান্তে, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় সাফল্য প্রাপ্তি। কর্মে দায়িত্ব বৃদ্ধিতে মানসিক চাপবৃদ্ধি। খেলাধূলায়  সাফল্যের স্বীকৃতি। শত্রুর মোকাবিলায় সতর্কতার ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো
১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে আড়াই হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৮৮: পাকিস্তানের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন বেনজির ভুট্টো
১৯৮৯: ভারতের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হলেন ভিপিসিং 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৭ টাকা ৭৪.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৯৭.২১ টাকা ১০০.৬৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৯৬ টাকা ৯০.১২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬০,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬১,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৩০/৪৪ সন্ধ্যা ৬/২৩। মৃগশিরা নক্ষত্র ১১/২২ দিবা ১০/৩৮। সূর্যোদয় ৬/৪/৪৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/২৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৭/২৯ গতে ৮/১২ মধ্যে পুনঃ ১০/২১ গতে ১২/৩০ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/২০ গতে ৩/২৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৪৬ গতে ৭/২৯ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ৩/২২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/২৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪৫ গতে ৪/২৫ মধ্যে। 
 ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া সন্ধ্যা ৫/৪। মৃগশিরা নক্ষত্র দিবা ১০/২৪। সূর্যোদয় ৬/৬, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৬ মধ্যে ও ৭/৩৮ গতে ৮/২০ মধ্যে ও ১০/২৮ গতে ১২/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৬/৩৬ মধ্যে ও ৮/২৫ গতে ৩/৩২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৬ গতে ৭/৩৮ মধ্যে ও ১/১৭ গতে ৩/২৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/৪৬ গতে ১০/৭ মধ্যে ও ১১/২৭ গতে ১২/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। 
১৬ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তুরে হাওয়া সক্রিয় হতেই শীতের আমেজ 
উত্তুরে হাওয়া সক্রিয় হতেই ডিসেম্বরের গোড়ায় রাজ্যে শীতের আমেজ ...বিশদ

08:40:00 AM

অস্ত্র ঢোকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান: কেন্দ্র
সীমান্তে ড্রোন ও সুড়ঙ্গপথ উদ্ধারের ঘটনাই প্রমাণ করে ভারতের প্রতি ...বিশদ

08:36:44 AM

আগামীকাল খুলছে মাঝেরহাট
সেতু, বদলে গেল নাম 

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে খুলতে চলেছে নতুন মাঝেরহাট সেতু। আগামী ...বিশদ

08:30:00 AM

আজ আই এস এল-এ 
আই এস এল সিজন ৭-এ আজ, বুধবার মুখোমুখি হবে হায়দরাবাদ ...বিশদ

08:29:41 AM

করোনায় আক্রান্ত বলিউড অভিনেতা সানি দেওল 

08:28:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
  ১৯৭৬: কিউবার প্রেসিডেন্ট হলেন ফিদেল কাস্ত্রো ১৯৮৪: ভোপাল গ্যাস ...বিশদ

08:17:41 AM