Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে। টিম লিডার তিনি... যে ১৯ জনকে এই অপারেশনের জন্য তিনি নিজের হাতে বেছে এনেছেন, তাঁদের জীবনও তাঁরই হাতে। মেজর ট্যাঙ্গো বুঝলেন, এই দুই জঙ্গিই লঞ্চপ্যাডের রক্ষী। প্রথম গুলিটা চালালেন মেজর... তারপরই দ্বিতীয়টা। দু’টো ছায়ামূর্তিই পড়ে গেল মাটিতে। বদলার এই শুরু... পাঠানকোট, উরি... ছবির স্লাইড চলে যাচ্ছে একটার পর একটা... চোখের সামনে দিয়ে। প্রত্যেক জওয়ান, সেনা অফিসার, নিরীহ মানুষকে খুনের বদলা নেওয়ার সুযোগ এসেছে আজ। অথচ এই মেজর ট্যাঙ্গোকেই মিশনের আগে বলা হয়েছিল—অপারেশনে যাবেন? না নিরাপদে থেকে মনিটরিং? কমান্ডিং অফিসারকে মেজরের জবাব ছিল, ‘যার জন্য প্যারাস্যুট রেজিমেন্টের স্পেশাল ফোর্সে যোগ দিয়েছিলাম, আজ সেই দিন এসেছে... আর স্যার আপনি আমাকে অপশন দিচ্ছেন?’ কথা রেখেছিলেন মেজর। অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে ফিরে এসেছিল তাঁর টিম। 
সার্জিকাল স্ট্রাইক। কথা রেখেছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। ভারতের সীমান্ত-পাহারায় রাতের পর রাত জাগা প্রত্যেকটি ইউনিটের কাছে। দেশের কাছে। কিন্তু দেশ কি কথা রাখল? এখানে দেশ বা রাষ্ট্র মানে শুধু ১৩০ কোটি মানুষ নয়। বরং দেশ চালানেওয়ালারা। একটা সার্জিকাল স্ট্রাইক বা একটা বালাকোটের মতো অপারেশন নিয়ে রাজনীতির কারবারিরা গত কয়েক বছর ধরে যে হারে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন, তা কানে বিঁধে থাকার মতো। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া কড়া কথাবার্তা পাবলিক ‘খায়’। আর এই তত্ত্ব বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদি সরকার বিলক্ষণ জানে। তাই ভোটের মুখে ভাষণে যত কথা কর্মসংস্থান নিয়ে শোনা যায়, তার থেকে অনেক অনেক বেশি শব্দ খরচ হয় দেশাত্মবোধ বা ‘পাকিস্তানকে ঘরে ঢুকে মেরে আসব’ জাতীয় প্রতিশ্রুতিতে। দুর্ভাগ্য কোথায়? যে সেনাবাহিনীকে প্রচারে ব্যবহার করে ভোট বৈতরণী পেরনোর কৌশল, তাঁদেরই প্রবল ঠান্ডা ঠেকানোর মতো উপকরণ সরকার দিতে পারছে না। আর এ কোনও বিরোধী দলের প্রচার নয়। বলছে ক্যাগের সাম্প্রতিক রিপোর্টই। উল্লেখ রয়েছে সেখানে সিয়াচেন ও লাদাখের। যে জওয়ানরা পাকিস্তান ও চীনের ওই সীমান্ত রক্ষার খাতিরে প্রাণেরও তোয়াক্কা করেন না, তাঁদের অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাবের। ২০১৫-১৬ এবং ২০১৭-১৮—এই দু’বছরের রিপোর্ট পেশ হয়েছে সংসদে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ইস্টার্ন কমান্ডে ৯ হাজার ফুট এবং নর্দার্ন কমান্ডে ৬ হাজার ফুট উচ্চতায় যে যে উপকরণ প্রয়োজন, অর্থাৎ খাবার, জুতো, কোট, ফেস মাস্ক, স্নো গগলস, স্লিপিং ব্যাগ... পর্যাপ্ত নেই কিছুই। নতুনের তো দেখাই নেই, বরং বহু ক্ষেত্রে পুরনো বা মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া উপকরণ জওয়ানদের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়। মজুত খাবারের অবস্থা এমন যে, হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় ৮২ শতাংশ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ক্যালরির চাহিদা মেটে না। গত মার্চে এ ব্যাপারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সাফাই কী ছিল? বাজেটে ঘাটতির জন্য কিছু কিছু বিষয়ে কাটছাঁট করতে হচ্ছে।
মোক্ষম যুক্তি। দেশের অর্থনীতির হাল সুবিধের নয়। উৎপাদন শিল্প ধুঁকছে, চাকরি-বাকরির হাল খারাপ। এয়ার ইন্ডিয়ার মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা নিলামে চড়িয়েও খদ্দের মিলছে না। রাজস্বের হাল খারাপ... কাজেই কোষাগারে টান পড়াটা স্বাভাবিক। তাই একটু ‘কমপ্রোমাইজ’ করতে হবে সেনাবাহিনীকেও। তবে এরপরও প্রশ্ন হল, সব ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য তো? তাহলে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘বিশেষ বিমানে’র জন্য ৮ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দ কেন? যে দেশে প্রত্যেক ত্রৈমাসিকে জাতীয় গড় উৎপাদন এবং মূল্যবৃদ্ধির হার রক্তচক্ষু দেখাচ্ছে, সেখানে এমন বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর বিলাসিতা নয় কি? কৌতূহল হতেই পারে, কী এমন আছে এতে? কেন এত দাম? এতে রয়েছে সাংবাদিক সম্মেলনের জন্য আলাদা ঘর, মিসাইল ওয়ার্নিং সিস্টেম, সেল্‌ফ প্রোটেকশন স্যুইট এবং আরও অনেক কিছু। মানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতিও এখন এয়ারফোর্স ওয়ানের মতো বিমানে চড়বেন। নিরাপত্তার খাতিরে প্রয়োজন হতেই পারে। সে নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু একটু বিবেচক মন বলছে, এখনই না হলেও চলত।
ক্যাগ রিপোর্ট প্রকাশ পাওয়ার পর যে বিবেচনাটা আরও প্রকট হয়ে দেখা দিচ্ছে। আজ সিয়াচেনে প্রচণ্ড ঠান্ডায় জমতে বসা যদি কোনও জওয়ান এই প্রশ্ন করেন, তার উত্তর রাষ্ট্রনেতারা দিতে পারবেন তো? ওই জওয়ানকে যদি নেহাতই একজন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী হিসেবে দেখেন, তাহলে আলাদা কথা। ভাবলেন, ওরা তো চাকরি করে। মাইনে পায়... আবার কী? তবে তেমনটা মনে করলে কিন্তু ভোটের অস্ত্র হিসেবে সেনাবাহিনীকে ব্যবহারের আগে এক মুহূর্ত হলেও ভাবতে হবে। যদিও তা হবে না। বরং মুখ বন্ধ করে দেওয়া হবে তেজবাহাদুর যাদবদের। বিএসএফ জওয়ান... সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে অভিযোগ করেছিলেন খাবার নিয়ে। অভিযোগ ছিল, অত্যন্ত নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয় তাঁদের। কখনও কখনও খালি পেটেই দিন কাটে। তদন্তে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বলা হয়, মিথ্যা অভিযোগ এনে বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন তিনি। তাই শাস্তিস্বরূপ তেজবাহাদুরকে সাসপেন্ড করা হয়। হয়তো মিথ্যা অভিযোগই করেছিলেন বিএসএফের ওই জওয়ান। তিনি যা দাবি করেছিলেন, বিষয়টা মোটেও তেমন নয়। দেশের মানুষ বছর তিনেক আগের ওই ঘটনা হয়তো ভুলেও গিয়েছিল। ফের কিন্তু মনে পড়ল। সৌজন্যে অবশ্যই এই ক্যাগ রিপোর্ট। আবার একটা কৌতূহল পোকার মতো নড়েচড়ে উঠছে, অভিযোগ যা হয়, তার কিছু কিছু সত্যি নয় তো?
এই উত্তর দেওয়ার দায় সরকারের। দেশের নিরাপত্তার স্তম্ভ হিসেবে এক একজন জওয়ান, মেজর, কমান্ডার সীমান্ত আগলে রাখেন। বানচাল করেন জঙ্গি অনুপ্রবেশের ছক, বুকে গুলি নিয়ে নিশ্চিত করেন সাধারণ ভারতবাসীর নিরাপত্তা। অথচ, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বা পর্যাপ্ত খাবার ছাড়াই তাঁদের ডিউটি করতে হয়। দিনের পর দিন। আর তারপরও কিন্তু তাঁরা কর্তব্যে অবিচল থাকেন। নীরবে। মেজর ট্যাঙ্গো তাই বলতে পারেন, ‘আমরা যখন অপারেশনে থাকি না, তখন তারই প্রস্তুতি নিই... সেটাই আমাদের কাজ। উদ্দেশ্য।’
সেনাবাহিনী কখনও ভোটের হাতিয়ার হতে পারে না। চাকরি তাঁরা করেন ঠিকই... কিন্তু তাঁদের সমান প্রতিকূলতা কাউকে সহ্য করতে হয় না। আইডেন্টিটি কার্ড হাতে ধরিয়েই তাঁদের ঠেলে দেওয়া হয় গুলি খাওয়ার জন্য।
পুঞ্চ সীমান্তের বাঙ্কারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একজন যখন এসএলআরে চোখ রেখে বসে থাকেন, তাঁর পরিবার বসে থাকে প্রার্থনায়... মানুষটা শুধু যেন বেঁচে থাকে। কোটি কোটি সাধারণ মানুষের মাঝে অসাধারণ কেউ থাকলে তা ভারতীয় বাহিনীর প্রত্যেক সদস্য। তাঁদের কমপ্রোমাইজ করতে বাধ্য করার আগে একবার-দু’বার নয়, একশোবার ভাবা উচিত। একে অপরের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের সময় তাঁরা জাত, ধর্ম দেখেন না। একটাই শব্দ তাঁদের মনে আসে... ভারত।
যে দেশে ধর্মীয় বিভাজন চলে না। চলতে পারে না।
11th  February, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘দিন সাতেক হল বাড়িতে আবর্জনা নিতে আসছে না পুরসভার সাফাই কর্মীরা। দুর্গন্ধে ভরে গিয়েছে গোটা বাড়ি। রুম ফ্রেশনার ছড়িয়েও কাজ হচ্ছে না।’ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের সব দপ্তরের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ রাখবে প্রিন্সিপ্যাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের (পিএজি) অফিস। পিএজি-র ওয়েবসাইটে এর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতি ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার ও মালবাজার: হাতির হামলায় জখম হওয়ার ১৩ দিন পর মারা গেলেন কালচিনির দক্ষিণ লতাবাড়ি গ্রামের এক বৃদ্ধ। বনদপ্তর জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধের নাম ঘুরণ ওঁরাও(৬৩)। বনদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৩ জুন দুপুরে জমিতে কাজ করার সময় ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: দু’বারের আই লিগ জয়ী নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার কিংসলেকে সই করালো মহমেডান স্পোর্টিং। মঙ্গলবার দুপুরে ক্লাব তাঁবুতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কিংসলে বলেন, ‘মহমেডান স্পোর্টিং আমাকে সম্মানজনক অফার দিয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যেকোনও শুভকর্মের বাধাবিঘ্ন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্ম
১৯৫৮: অভিনেত্রী নীতু সিংয়ের জন্ম
১৯৭২: ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলির জন্ম
২০০১: বাঙালি কথাসাহিত্যিক অমিয়ভূষণ মজুমদারের মৃত্যু
২০০৩: কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মূত্যু
২০০৬: দীর্ঘ ৪৪ বছর বন্ধ থাকার পর নাথুলা পাস সীমান্তপথটি ভারত চীনের সাথে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে খুলে দেয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.০১ টাকা ৯৫.৮৯ টাকা
ইউরো ৮২.৩৪ টাকা ৮৬.৭৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,২৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯,২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯,৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার, তৃতীয়া ১০/৪৩ দিবা ৯/১৯। ধনিষ্ঠা ৫০/৩৪ রাত্রি ১/১৫৷ সূর্যোদয় ৫/১/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/১২৷ অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ গতে ১১/১৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৪ গতে ৫/২৭ মধ্যে, রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ১/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২২ গতে ১০/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২২ গতে ৩/৪২ মধ্যে।
২৩ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার, তৃতীয়া দিবা ৯/২৫। ধনিষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ২/৭। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২২ গতে ১০/২ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২২ গতে ৩/৪২ মধ্যে।
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোচবিহারে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ৩
কোচবিহারে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ৩ জনকে আটক করল কোতোয়ালি থানার পুলিস। ...বিশদ

01:45:49 PM

১১৬ দিন পর শুরু হচ্ছে ক্রিকেট, একনজরে পরিবর্তিত নিয়মাবলী 
দুই দলের দুই অধিনায়ক বেন স্টোকস এবং জেসন হোল্ডার ম্যাচ ...বিশদ

12:43:00 PM

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে করোনাকে আপনাকে ছুঁতে পারবে না: মমতা 

12:36:02 PM

করোনা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই: মমতা 

12:32:45 PM

করোনা রুখতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন: মমতা 

12:31:47 PM

যেখানে সেখানে ভিড় করবেন না: মমতা 

12:30:41 PM