Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

 
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক।
রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রথম শর্ত হল, গোল্ডেন রুল। অর্থাৎ রাজস্ব ঘাটতি (রেভিনিউ ডেফিসিট) শূন্য বা উদ্বৃত্ত সৃষ্টিই হল গোল্ডেন রুলের মূল কথা। মোদ্দা কথা হল, রাজস্ব খাতে কোনও ঘাটতি চলবে না। এই বাজেটে এটা কতটুকু আনা গেল এবার সেটাই দেখা যাক।
এই বাজেট থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের প্রকৃত রাজস্ব ও মূলধনী খাতের সমস্ত হিসেব পাওয়া গিয়েছে। এ থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব ঘাটতি ধরা হয়েছিল ৭,৫২৪ কোটি টাকা, যা ওই বছরের পশ্চিমবঙ্গের জিএসডিপির (গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) ০.৬ শতাংশ (রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী)। বাস্তবে এটা দাঁড়িয়েছে ১০,৩৯৮ কোটি টাকা, যা ওই বছরের জিএসডিপির ০.৯ শতাংশ। ফলে, আগের তুলনায় রাজস্ব-শৃঙ্খলার অগ্রগতি ঘটেছে বলা যায়। ওই বছর রাজকোষ ঘাটতি (ফিসকাল ডেফিসিট) ধরা হয়েছিল ৩২,৪৯৭ কোটি টাকা। বাজেট তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে, এটাও ২ হাজার কোটি টাকা বাড়ছে। ওই বছর মূলধনী ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৪,৪১২ কোটি টাকা। প্রকৃত মূলধনী ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৩,৭১৩ কোটি টাকা। ফলে, ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে যথেষ্ট রাজস্ব-শৃঙ্খলা অর্জন করা গিয়েছে, এটা সংশয়াতীত ভাবেই বলা যায়। এছাড়াও, রাজস্ব আদায় করা গিয়েছে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় সমান। বাজেটে ধরা হয়েছিল প্রায় ১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা। প্রকৃত পক্ষে আদায় প্রায় ১.৪৬ লক্ষ কোটি টাকা। সুতরাং রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও অনুরূপ সাফল্য সরকার দাবি করতে পারে।
এবার চলতি বছরের (২০১৯-২০) প্রেক্ষাপটে আসা যাক। চলতি বছরেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজস্ব-শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রশংসার দাবি করতে পারে। প্রথমে রাজস্ব আয়ের প্রসঙ্গে আসা যাক। বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছিল ১,৬৪,৩২৭ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এটি ধরা হয়েছে ১,৬৩,২৫৯ কোটি টাকা। মোদ্দা কথা, রাজস্ব আদায় অপরিবর্তিত থাকছে। রাজস্ব ঘাটতি যদিও শূন্য ধরা হয়েছিল, সংশোধিত বাজেটে এটা দাঁড়াচ্ছে ৬,১৭১ কোটি টাকা। এটা চলতি বছরের জিডিপির ০.৫ শতাংশ। গত বছরের থেকে এটা কম। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, বাম আমলের শেষ বছরে (২০১০-১১) রাজস্ব ঘাটতি ছিল ওই বছরের জিএসডিপির ৩.৬ শতাংশ। ফলে, এক্ষেত্রেও যে যথেষ্ট অগ্রগতি ঘটেছে, এটাও সরকার অবশ্যই দাবি করতে পারে। রাজকোষ ঘাটতি হ্রাসের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বাজেটে রাজকোষ ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছিল ২৭,২৫৪ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এটা প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। জিডিপির হিসাবে রাজকোষ ঘাটতি ধরা হয়েছিল ২ শতাংশ। সংশোধিত বাজেটে সংখ্যাটি দাঁড়াচ্ছে ২.৪ শতাংশ। মূলধনী ব্যয় মোটামুটি অপরিবর্তিত রাখা গিয়েছে। ধরা হয়েছিল ২৬,৬৬৯ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে সংখ্যাটি হয়েছে ২৬,৮৭০ কোটি টাকা। তাই সার্বিকভাবে চলতি বছরে যে রাজস্ব-শৃঙ্খলার কিছুটা অগ্রগতি ঘটেছে একথা বলাই যায়।
এবার আগামী বছরের (২০২০-২১) বাজেট প্রসঙ্গ। এই বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৫৫,৬৭৭ কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে বাজেটে অনুমিত ব্যয়ের থেকে প্রায় ৩৯ হাজার কোটি টাকা বেশি। চলতি বছরের তুলনায় আগামী বছরের মোট ব্যয় বৃদ্ধির অনুপাত ১৮ শতাংশ। রাজস্ব খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৭৯,৩৯৮ টাকা। চলতি বছরের সংশোধিত বাজেটের থেকে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বেশি। বৃদ্ধির অনুপাত প্রায় ৬ শতাংশ। রাজস্ব আদায় চলতি বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে। সংশোধিত বাজেটে আদায় ধরা হয়েছে ১.৬৩ লক্ষ কোটি টাকা। আগামী বছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১.৭৯ লক্ষ কোটি টাকা। এই বৃদ্ধির হারটিও প্রায় ৬ শতাংশ। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, এই লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করা সম্ভব।
নিজস্ব কর আদায়ের ক্ষেত্রে গত কয়েকটি বছরে যথেষ্ট সাফল্য আমরা দেখেছি। তথ্য থেকে স্পষ্ট, নিজস্ব কর রাজস্বের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে জিএসটি থেকে এবং বাকিটা আসে রাজ্যের অন্যান্য ক্ষেত্র থেকে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল, আবগারি কর সংগ্রহ বৃদ্ধি। ২০১৫-১৬ সালে যেখানে ৪ হাজার কোটি টাকার মতো আদায় হয়েছিল, চলতি বছরে সেখানে আদায় করা গিয়েছে ১২ হাজার কোটি টাকার মতো। এটা নিজস্ব কর রাজস্বের প্রায় ১৮ শতাংশ। জিএসটি চালু হওয়ার পর বিক্রয় কর আদায় যথেষ্ট কমলেও, জিএসটি বাদে রাজ্যের বিক্রয় কর আদায় হয়েছে নিজস্ব কর রাজস্ব আদায়ের প্রায় ১১ শতাংশ। এরপর স্ট্যাম্প ডিউটি এবং রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ আদায়ের পরিমাণ নিজস্ব কর রাজস্ব আদায়ের প্রায় ৯ শতাংশ। মোটামুটি বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, রাজস্ব আদায় মোটামুটি অপরিবর্তিত রয়েছে। এটা অবশ্যই প্রশংসনীয়।
ঋণ নিঃসন্দেহে এক বড় সমস্যা। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-র ৩১ মার্চ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে মোট ঋণের পরিমাণ ৪.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা। এটা পশ্চিমবঙ্গের জিএসডিপির ৩২.৬ শতাংশ। মোট ঋণ উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রে আরও বেশি। উত্তরপ্রদেশে মোট ঋণ ৬.০২ লক্ষ কোটি টাকা, যা ওই রাজ্যের জিএসডিপির ৩৮.১ শতাংশ। পাঞ্জাবের ক্ষেত্রে ঋণ ৩৯.৯ শতাংশ। ঋণ মূলধনী খাতে ব্যয়িত হলে এটা তেমন ক্ষতিকর নয়। কারণ, এই ঋণ সম্পদ সৃষ্টিতে ব্যয় হয়, যা পরবর্তী বছরগুলিতে আরও সম্পদ সৃষ্টি করে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, রাজস্ব ঘাটতি উল্লেখযোগ্য হারে কমছে। এটা পুরো শূন্যে নামিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য। দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে ঋণ নিচ্ছে তার সিংহভাগটাই ব্যয় হচ্ছে মূলধনী খাতে। ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ ও ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে দেখা যাচ্ছে, মোট ঋণের ৭০-৭৫ শতাংশ অর্থ মূলধনী খাতে ব্যয় হচ্ছে। তবে, এটা সত্য যে অতীতের ঋণের বোঝা ক্রমশ বাড়ছে। এবারে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রকে ঋণ বাবদ পরিশোধ করতে হবে। রা঩জ্যের ঘাড়ে এই বিশাল ঋণের বোঝা লাঘব করার বিষয়ে কেন্দ্রকেও আন্তরিকভাবে ভাবতে হবে।
এবারের বাজেটে বেশকিছু জনমুখী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তফসিলি জাতির প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আগামী অর্থবর্ষ থেকেই পেনশন প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। এই শ্রেণীর ষাটোর্ধ্ব পুরুষ-মহিলা উভয়েই মাসে মাসে ১০০০ টাকা করে পেনশন পাবেন। এজন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২৫০০ কোটি টাকা। এর ফলে পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের ২১ লক্ষ প্রবীণ মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। একইভাবে তফসিলি উপজাতি বা আদিবাসীদের জন্য ‘জয় জওহর’ প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ৪ লক্ষ গরিব আদিবাসী পরিবার উপকৃত হবে। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ৫০০ কোটি টাকা। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে দেড় কোটি অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য বাড়তি সুরাহার কথা ঘোষণা করল সরকার। এই সরকারি পিএফ প্রকল্পে প্রিমিয়াম বাবদ শ্রমিককে প্রতি মাসে ২৫ টাকা দিতে হতো। এরপর সরকারের অংশ হিসেবে যোগ হতো আরও ৩০ টাকা। এবার থেকে এই মোট ৫৫ টাকাই রাজ্য সরকার দেবে। শ্রমিককে এই বাবদ এক পয়সাও দিতে হবে না। অর্থাৎ ওই শ্রমিকরা নিখরচায় এই পিএফ প্রকল্পের পুরো সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
চা শিল্পের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে দুটি প্রকল্প। একটির নাম ‘চা সুন্দরী’। গৃহহীন চা বাগান শ্রমিকদের বাসস্থান নির্মাণের প্রকল্প এটা। তিন লক্ষ চা শ্রমিকদের গৃহ নির্মাণের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দ্বিতীয়টি হল চা শিল্পে দু’বছরের জন্য কৃষি আয়কর ছাড় দেওয়া হবে। বিদ্যুতের ক্ষেত্রেও অভূতপূর্ব ছাড়ের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। যেসব গরিব পরিবার তিন মাসে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ খরচ করে তাদের আর বিদ্যুৎ বিল মেটানোর চিন্তা করতে হবে না। সরকারই এটা বহন করবে। সরকারের হিসাব হল, সারা রাজ্যের ৩৫ লক্ষ পরিবার উপকৃত হবে। এই বাজেটে এই বাবদ ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সহজ শর্তে ঋণদানের জন্য বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য ‘কর্মসাথী’ প্রকল্প ঘোষণা করা হল। প্রতি বছর ১ লক্ষ হিসাবে আগামী তিন বছরে মোট ৩ লক্ষ বেকার যুবক-যুবতীকে ঋণদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্য সরকার স্থির করল। মাঝারি ও ছোট শিল্পের প্রসারের জন্য ১০০টি নতুন এমএসএমই হাব গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করা হল। এজন্য বরাদ্দ করা হল ২০০ কোটি টাকা। ওই একই শিল্পক্ষেত্রের জন্য ‘বাংলাশ্রী’ উৎসাহ প্রকল্প ঘোষণা করল সরকার। এই বাজেটের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, কর বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য বেশকিছু ছাড় প্রদান। এছাড়া জমি বাড়ি প্রভৃতি সম্পত্তির একত্রীকরণ রেজিস্ট্রেশনের জন্য স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড় ঘোষণা করা হল। দিতে হতো সম্পত্তির মূল্যের ৫-৭ শতাংশ, সেটা কমিয়ে করা হল ০.৫ শতাংশ। তবে, এর ঊর্ধ্বসীমা ৩ লক্ষ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
সার্বিকভাবে এই বাজেটকে জনমুখীই বলব। তবে, বাজেট বরাদ্দ ক্ষমতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে। অন্যদিকে, রাজস্ব-শৃঙ্খলার শর্ত অনেকটাই পালিত হয়েছে চলতি বাজেটে। মোদ্দা কথা, রাজস্ব-শৃঙ্খলার মধ্যে থেকেই জনমুখী বাজেট পেশ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনদরদি সরকার।
 লেখক প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক
 
11th  February, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘দিন সাতেক হল বাড়িতে আবর্জনা নিতে আসছে না পুরসভার সাফাই কর্মীরা। দুর্গন্ধে ভরে গিয়েছে গোটা বাড়ি। রুম ফ্রেশনার ছড়িয়েও কাজ হচ্ছে না।’ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: দু’বারের আই লিগ জয়ী নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার কিংসলেকে সই করালো মহমেডান স্পোর্টিং। মঙ্গলবার দুপুরে ক্লাব তাঁবুতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কিংসলে বলেন, ‘মহমেডান স্পোর্টিং আমাকে সম্মানজনক অফার দিয়েছে। ...

  ওয়াশিংটন: সামরিক ও অর্থনৈতিক। দু’দিক দিয়েই চীনকে চাপে রাখার কৌশল নিচ্ছে আমেরিকা। লাদাখ ও দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের অবস্থানের কড়া বিরোধিতা করেই এবার আর ...

শ্রীনগর (পিটিআই): পুলওয়ামায় ফের সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই। জখম নিরাপত্তা বাহিনীর তিন সদস্য। মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া ওই সংঘর্ষে এক জঙ্গি খতম হয়েছে বলে পুলিস ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যেকোনও শুভকর্মের বাধাবিঘ্ন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্ম
১৯৫৮: অভিনেত্রী নীতু সিংয়ের জন্ম
১৯৭২: ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলির জন্ম
২০০১: বাঙালি কথাসাহিত্যিক অমিয়ভূষণ মজুমদারের মৃত্যু
২০০৩: কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মূত্যু
২০০৬: দীর্ঘ ৪৪ বছর বন্ধ থাকার পর নাথুলা পাস সীমান্তপথটি ভারত চীনের সাথে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে খুলে দেয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.০১ টাকা ৯৫.৮৯ টাকা
ইউরো ৮২.৩৪ টাকা ৮৬.৭৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,২৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯,২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯,৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার, তৃতীয়া ১০/৪৩ দিবা ৯/১৯। ধনিষ্ঠা ৫০/৩৪ রাত্রি ১/১৫৷ সূর্যোদয় ৫/১/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/১২৷ অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ গতে ১১/১৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৪ গতে ৫/২৭ মধ্যে, রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ১/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২২ গতে ১০/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২২ গতে ৩/৪২ মধ্যে।
২৩ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার, তৃতীয়া দিবা ৯/২৫। ধনিষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ২/৭। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২২ গতে ১০/২ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২২ গতে ৩/৪২ মধ্যে।
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১১৬ দিন পর শুরু হচ্ছে ক্রিকেট, একনজরে পরিবর্তিত নিয়মাবলী 
দুই দলের দুই অধিনায়ক বেন স্টোকস এবং জেসন হোল্ডার ম্যাচ ...বিশদ

12:43:00 PM

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে করোনাকে আপনাকে ছুঁতে পারবে না: মমতা 

12:36:02 PM

করোনা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই: মমতা 

12:32:45 PM

করোনা রুখতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন: মমতা 

12:31:47 PM

যেখানে সেখানে ভিড় করবেন না: মমতা 

12:30:41 PM

মুর্শিদাবাদে ২১৮ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ২ 

12:09:12 PM