Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষ ক্রোধে-বিদ্বেষে এই বলের প্রয়োগ করে থাকে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলি সেই বাহুবলকে প্রায়শই নির্বিচারে ব্যবহার করে। দেশের রাজনৈতিক খুনের সালতামামি কষলে এই তথ্য নগ্নভাবেই প্রকাশ্যে চলে আসে। রাষ্ট্রক্ষমতা রাজনৈতিক দলগুলির হাতে থাকে বলে অনেক সময় তাদের মধ্যে এই বাহুবলের উদগ্র বাসনা লক্ষ্য করা যায়। বিপুল সংখ্যায় জিতে এলে সেই সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে এক ধরনের ঔদ্ধত্য জন্মায়। তখন তাদের মনে হয়, মানুষকে আমি যেমন ইচ্ছে ওঠাব বা বসাব। কিংবা লাইফ হেল করে ছেড়ে দেব। অথবা প্রকাশ্যে গুলি করে মারার স্লোগান ছড়িয়ে হিংসাকে মনোপলি কারবারে পরিণত করে তুলব।
রাজধানী দিল্লির ভোট হয়ে গিয়েছে। ফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল। সেই ফল দেশকে নতুন দিশা দেখাতে সক্ষম হবে বলে গরিষ্ঠতম ভারতবাসীর বিশ্বাস। অর্থাৎ ভারত হিন্দু বাদে সবাইকে দুচ্ছাই করে তাড়াবার চেষ্টা করবে, নাকি সবাইকে আপন করে নেওয়ার মন্ত্রপাঠ করে, উজ্জীবিত হয়ে এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে হেঁটে যাবে? তা বলে দেবে দিল্লির নির্বাচনী ফল। এই পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্কিমচন্দ্রের বাহুবল ও বাক্যবলের প্রসঙ্গটি মনে পড়ে গেল। সৌজন্যে অনুরাগ ঠাকুর সহ বিজেপির একাধিক নেতার প্রচার। ভাবা যায়, প্রকাশ্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিজেপির মন্ত্রী মানুষকে উস্কানি দিয়ে বলছেন, ‘দেশকো গদ্দারো কো’, সমস্বরে গেরুয়া বাহিনীর সমর্থকরা উন্মত্তভাবে চিৎকার করে বলছেন, ‘গোলি মারো...’। এই সব বিদ্বেষমূলক প্রচারের মধ্যেই দুটি ক্ষেত্রে দুই রামভক্তের গুলিছোঁড়ার ঘটনা রাজধানীতে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছিল। একটি জামিয়া মিলিয়ায় এবং অন্যটি শাহিনবাগে। এই দুটি ঘটনার সঙ্গে অনুরাগের ওই স্লোগানের কোনও প্রত্যক্ষ যোগ আছে কি না আমরা জানি না। কিন্তু একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যখন খোলা মঞ্চে দাঁড়িয়ে হিংসার আগুন ছড়িয়ে দেওয়ার স্লোগান দেন, তখন সেটাকে ধিক্কার জানাতেই হয়।
এই সবকিছুর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির ভোট সার্বিক ক্ষেত্রে এক বিরাট অগ্নিপরীক্ষার মতো। সেই অগ্নিপরীক্ষা ভারতের অন্তরাত্মারই। এই ভোটই বলে দেবে ভারতের অন্তরাত্মা আসলে কী বলছে? সে কি ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে, নাকি বিজেপির হিন্দুত্বের পক্ষে? বিজেপি এই দেশকে যেদিকে নিয়ে যেতে চায়, তাতে কি সমর্থন রয়েছে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের? নাকি সিএএ, এনআরসি’র আন্দোলনে রাত জাগছেন যাঁরা, তাঁদের স্বপ্নটাই ঠিক? আগামীকালের ফলই বলে দেবে সেকথা।
একটা তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় আমরা সকলেই লক্ষ্য করেছি। সেটা হল দিল্লির ভোটের প্রচারে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের ভোট প্রচারের চরিত্রগত পার্থক্য। একদিকে আপ তাদের প্রচারে বারাবার উন্নয়নের কথা বলেছে। অর্থাৎ বিগত পাঁচ বছরে তারা রাজ্যের মানুষের উন্নয়নের জন্য কী কী কাজ করেছে, তার কথা বলেছে। যেমন বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, ওয়াইফাই। নিরাপত্তায় সিসি টিভি, মেয়েদের বিনামূল্যে বাসে যাতায়াত ইত্যাদি। এছাড়া স্কুলশিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবাতেও নজির গড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। স্বভাবতই এই উন্নয়নের নজিরের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো শক্তি দিল্লি বিজেপির ছিল না। একেই তারা এখন সিএএ, এনআরসি নিয়ে দেশে কোণঠাসা অবস্থায়। ঝাড়খণ্ডে বিজেপি গোহারা হেরেছে। এখন দিল্লিতে হারলে লজ্জার আর শেষ থাকবে না। তাই তারা প্রচারে পাল্টা স্ট্রাটেজি হিসেবে শুধু বিদ্বেষ বিষ ছড়িয়েছে। তারা প্রচারে বারবার হিংসার কথা বলেছে। বলেছে কেউ গেরুয়া সমর্থক না হলেই সে দেশের শত্রু, বলেছে শাহিনবাগের কথা, বলেছে টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের কথা। বলেছে গোলি মারার কথা। এর থেকে বোঝা যায় একটা দলের কাছে উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকলে তাকে এমন ছন্নছাড়া খেলাই খেলতে হয়। তাকে মন্দির নির্মাণের তাস খেলে ভোট বাক্স আঁকড়ে ধরার খেলা খেলতে হয়। সুতরাং প্রচার কৌশলে ইতিমধ্যেই বিজেপি আপের কাছে হেরে বসে আছে।
ভোটের ফল কী হবে, তা অবশ্য কালই জানা যাবে। কিন্তু দিল্লির কয়েকজন মানুষের সঙ্গে কথা বলে মনে হল, তাঁরা কেজরিওয়ালের ফিরে আসার ব্যাপারেই আশাবাদী। তার কারণ কেজরিওয়ালের স্বপ্নসজ্জায় অনেকটাই সেজে উঠেছে দিল্লি। তিনি ফিরে এলে অসম্পূর্ণ কাজ করবেন। এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে আম আদমি পার্টি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিল। পাশাপাশি শূন্যগর্ভ বিজেপি নেতারা ছায়াশত্রুর সঙ্গে যুদ্ধু যুদ্ধু খেলা খেলেই আনন্দে মেতে থেকেছেন। মাঝে মাঝেই মোদিজি বলেন, ‘এক্ষুণি যুদ্ধ হলে পাকিস্তানকে হারাব।’ আমরা কেউ কেউ ভাবি, এই বুঝি যুদ্ধ বেধে গেল। আমাদের, মানে দেশের সাধারণ মানুষের কী হবে? দেশাত্মবোধে সকলকে উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠে মোদিজি অভয়বাণী দেন, ভয় কী? আমি তো আছি। সত্যিই তো আমাদের আর ভয় কী? ডাকাবুকো মোদিজি আছেন তো। আমাদের পাহারাদার। তিনিই তো আমাদের সব ধরনের শত্রুর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবেন।
যুদ্ধটা যেন তাঁর চেতন, অচেতনের মধ্যে জড়িয়ে আছে। স্বপ্নে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলাটাও এক ধরনের রোগ বলে মনে করতেন স্বপ্নতত্ত্ববিদ সিগমুন্ড ফ্রয়েড। তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী যাঁদের স্বপ্নে যুদ্ধ বারবার ফিরে আসে, তাঁরা আসলে কোনও কিছুর নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয় পান। মনে হয়, কিছু একটা আছে, এই বুঝি হারাব। অথবা নিজের ভয়টাকে অন্যের মধ্যে চারিত করে এও এক ধরনের মানসিক তুষ্টিবোধ। বিজ্ঞান সেটাই বলছে। তাহলে কি মোদি এবং তাঁর দলের অন্যরা কিছু হারানোর ভয় পাচ্ছেন?
যদি তিনি সত্যিই ভয় পান, তবে তার কারণও আছে। কেননা গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে একের পর এক হেরেই চলেছেন তিনি। মোদি-শাহ জুটির তলোয়ার ঘুরিয়ে যুদ্ধ পরিচালনার কোনও পজিটিভ ফলই আর সেভাবে মিলছে না। যত কোণঠাসা হচ্ছেন, ততই নানাবিধ ইস্যুতে তাঁরা দেশটাকে বেঁধে ফেলতে চাইছেন। চিরাচরিত, নম্র, ভারতকে তাঁরা নিয়ে চলেছেন অন্য এক দিকনির্দেশে। আমাদের মন্ত্রই ছিল ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। সারা বিশ্বই আমার আত্মীয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া, বুকের মধ্যে বিশ্বলোকের পাবি সাড়া।’ কিন্তু কেউ যদি নিজের মধ্য থেকে বেরতে না পারেন, কূপমণ্ডুকতা যদি তাঁকে গিলে খায়, তবে তিনি হয়ে ওঠেন কুয়োর ব্যাঙ। দৃষ্টির স্বচ্ছতা হারিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন অন্ধ। সত্যের পথ তিনি দেখতে পান না। বিজেপি আজ ক্রমেই সেই পরিণতির দিকে এগচ্ছে। এর একটাই কারণ, তারা মনে করছে, এখনও আমরা সাড়ে চার বছর কেন্দ্রে থাকব।। আমরা অনেক কিছু এই সময়ের মধ্যে উলটে দেব। মানুষের সব বিরোধী মনোভাবকে পক্ষে আনতে সক্ষম হব। সেও এক মূঢ় ভাবনা। তার গদি এখন অনেকটাই টলোমলো। এই মুহূর্তে দেশের সাধারণ নির্বাচন হলে মোদি-শাহ জুটি ফিরতে পারবেন কিনা, তা নিয়েও তর্কের অবকাশ আছে। কিন্তু এই জুটি গত কয়েকমাসে সারা দেশের মানুষকে যে বিপন্নতার দিকে ঠেলে দিয়েছেন, তার ফল তাঁদের ভুগতেই হবে। সে বিপন্নতা মানুষের অস্তিত্বের বিপন্নতা। আমার আজন্মের দেশ আর আমার থাকবে কিনা, এই বিপন্নতা সব থেকে বড়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিপন্নতা। ব্যাঙ্কগুলি আজ অনেকটাই বিপন্ন। সুদের হার তলানিতে। ব্যাঙ্কে টাকা রাখা আজ অনেকটা অর্থহীন। অবসরের পর যে সুদের টাকায় মানুষ বাকি দিনগুলি মোটামুটিভাবে কাটানোর স্বপ্ন দেখত, তা এখন ভেঙে চুরমার। বাজেটের দিশাহীন অবস্থায় মানুষ আরও বিপন্নতার শিকার।
এই পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির ভোট কতটা ইঙ্গিতবাহী হয়ে ওঠে, তা বোঝা যাবে কালই। যদিও বুথফেরত সমীক্ষায় সকলেই বলছে, আপ আবার ফিরে আসবে। বিজেপির কোমর সোজা করে দাঁড়ানোর কোনও ইঙ্গিত এই সব সমীক্ষায় মেলেনি। তবু সত্য জানার জন্য কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
কালই বোঝা যাবে, আম আদমি পার্টির ঝাড়ু কতটা কার্যকর প্রতীক। ঝাড়ু হল সব ধরনের আবর্জনাকে ঝেঁটিয়ে দূর করার প্রতীক। গত দুই টার্মে কেজরিওয়াল এই ঝাড়ু দিয়ে ‘স্বচ্ছ দিল্লি’ গড়ার কাজ করে চলেছেন। এবার তিনি হ্যাটট্রিক করতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার। বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী ফল হলে আপ-নেতা কর্মীরা মনের আনন্দে সলিল চৌধুরীর সেই গানটা গাইতে পারবন। ‘মার ঝাড়ু মার ঝাড়ু মেরে ঝেঁটিয়ে বিদায় কর..।’
দিল্লির ফল আগামীদিনের পক্ষে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কেননা আগামীদিনে ভোট পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, বিহার, চেন্নাই, পুদুচেরিতে। রাজ্যগুলিতে এনআরসি নিয়ে প্রতিবাদ তুঙ্গে। সেই প্রতিবাদে এবং বিরোধী দলগুলিকে নতুন করে অক্সিজেন জোগাবে দিল্লির এই ফল। তাই দিল্লির ফল এই সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
10th  February, 2020
আসাদউদ্দিন কার হয়ে খেলছেন?
মৃণালকান্তি দাস

হায়দরাবাদের কট্টর ইসলামি নেতা হিসেবেই তাঁর পরিচিতি। ভক্তরা তাঁকে বলেন ‘নকিব-ই-মিল্লাত’। অর্থাৎ ‘সম্প্রদায়ের জন্য ভবিষ্যতের বাহক’। তরুণ বয়সে ক্রিকেট খেলতেন। অসাধারণ দেহ গঠন। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সাড়া জাগানো ফাস্ট বোলার ছিলেন। ক্রিকেট নিয়ে লেখালিখিও করেন। উর্দু ও ইংরেজিতে দারুণ বাগ্মী। আইনশাস্ত্র পড়েছেন লন্ডনে। ব্যারিস্টার হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। বিশদ

একুশের নির্বাচন ও জোড়া কালিদাস
ব্রাত্য বসু

তাহলে তৃণমূলকে অচ্ছুৎ ভাবার কারণ কী? সাধারণ মানুষের নেত্রী মমতার বিরুদ্ধে এলিটের ঘৃণা, নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিকতার বিদ্বেষ নাকি ওই চৌত্রিশ বছরের মৌরসিপাট্টা হারানোর দগদগে জ্বালা? কোনটা? বিশদ

03rd  December, 2020
লড়াই এবার নেমে এসেছে রণভূমিতে
সন্দীপন বিশ্বাস

সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের লড়াই ছিল একটা রক্তচক্ষু, বাহুবলী, উদ্ধত শাসকের ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মানুষের সম্মিলিত লড়াই। সেই লড়াইটার সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ইতিহাস কোনওভাবেই মুছে ফেলা যাবে না। বিশদ

02nd  December, 2020
প্রতিষ্ঠানের থেকে বড় কেউ নয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। যার নেপথ্যে রয়েছে সংগ্রামী অতীত। তাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বিশদ

01st  December, 2020
ধীর পায়ে পিছনে সরে আসা
পি চিদম্বরম

রাজতন্ত্রের যুগে ভারত মুক্ত বাণিজ্যকে গ্রহণ করেছিল, নতুন নতুন বাজার দখল করেছিল এবং ভারতের ভিতরেই অনেক জাতির সম্পদের বৃদ্ধি ঘটিয়েছিল। আমরা সেই সমৃদ্ধ উত্তরাধিকারের যুগে ফিরে যেতে পারি। কিন্তু ভয় পাচ্ছি এই ভেবে যে, গৃহীত নীতি নিম্ন বৃদ্ধির দিনগুলিতে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।  বিশদ

30th  November, 2020
আবার ঐতিহাসিক
ভুলের পথে বামপন্থীরা
হিমাংশু সিংহ

দীর্ঘ চারদশক সিপিএমের মিছিলে হেঁটে খগেন মুর্মু আজ বিজেপির এমপি। কী বলবেন, বিচ্যুতি না সংশোধন! ২০১৪’র লোকসভা ভোটে মথুরাপুরের বাম প্রার্থী রিঙ্কু নস্কর সম্প্রতি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছেন। নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়ে নাকি স্রেফ আখের গোছাতে, আমরা জানি না! সম্ভবত আসন্ন নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীও হবেন। বিশদ

29th  November, 2020
দলবদলেই শুদ্ধিকরণ
তন্ময় মল্লিক

অনেকেই ঠাট্টা করে বলছেন, যার সঙ্গে চটে তার সঙ্গেই পটে, কথাটা বোধহয় বিজেপির জন্যই খাটে। যাঁদের সঙ্গে খটাখটি হয়েছে তাঁদেরই বিজেপি দলে টেনে নিয়েছে। বিশদ

28th  November, 2020
দেশের একমাত্র মহিলা
মুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকার লড়াই
সমৃদ্ধ দত্ত

৩৪টি রাজ্যে মাত্র একটি রাজ্যে ক্ষমতায় আসীন নারী মুখ্যমন্ত্রী, সেটা যথেষ্ট কৌতূহলোদ্দীপক। সুতরাং সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গিতেও আগ্রহটি তীব্র হয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি এই নারী ক্ষমতায়নের একমাত্র কেল্লাটি ধরে রাখতে সমর্থ হবেন?  বিশদ

27th  November, 2020
এই ধর্মঘটের লক্ষ্য
মমতা, মোদি নয়
হারাধন চৌধুরী

আজ বাংলাজুড়ে বিজেপির এই যে শ্রীবৃদ্ধি, এর পিছনে নিজেদের অবদানের কথা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা অস্বীকার করবেন কী করে? অস্বীকার তাঁরা করতেই পারেন। রাজনীতির কারবারিরা কত কথাই তো বলেন। বিশদ

26th  November, 2020
লাভ জেহাদ: বিজেপির
একটি রাজনৈতিক অস্ত্র
সন্দীপন বিশ্বাস

আসলে এদেশে হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান কেউই খতরে মে নেই। যখন নেতাদের কুর্সি খতরে মে থাকে, তখনই ধর্মীয় বিভেদকে অস্ত্র করে, সীমান্ত সমস্যা খুঁচিয়ে তার মধ্য থেকে গদি বাঁচানোর অপকৌশল চাগাড় দিয়ে ওঠে। বিশদ

25th  November, 2020
ওবামার ‘প্রতিশ্রুতি’ এবং
বিতর্কের রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

২০১৬ সালে ভারত সফরে এসে বারাক ওবামা সরব হয়েছিলেন ধর্মান্তরকরণ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে...। মোদির সামনেই। কাজেই এরপরের অধ্যায় নিয়ে তিনি যদি কলম ধরেন, বিজেপিকে স্বস্তিতে রাখার মতো পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হবে না। বিশদ

24th  November, 2020
বিকাশ না গরিমা,
সংস্কার কী জন্য?
পি চিদম্বরম

কিছু কারণে ড. পানাগড়িয়া জোড়াতাপ্পির জিএসটি-টাকে প্রাপ্য গুরুত্ব দেননি এবং বিপর্যয় ঘটাল যে ডিমানিটাইজেশন বা নোট বাতিল কাণ্ড সেটাকেও তিনি চেপে গেলেন। বিশদ

23rd  November, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: এক বছর আগে মৃত্যু হয়েছে মায়ের। গরিব, অসহায় ছেলে সরকারি সুবিধার আশায় মায়ের মৃত্যুর সরকারি নথির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন বছরভর। এখনও মেলেনি ডেথ সার্টিফিকেট।   ...

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে ভালো ফল করাই এখন লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার। একদিনের সিরিজের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দলকে আরও শক্তপোক্ত করার চেষ্টা করবেন বলে ...

রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিজেপি প্রভাবিত সংগঠনের গোষ্ঠী  লড়াই আরও তীব্র হল। বুধবার সরকারি কর্মচারী পরিষদের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে নতুন কমিটি গড়ার কথা ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে সংগঠনের নেতারা জানিয়ে দেন, এতদিন  যে জেলা কমিটিগুলি ছিল তা  ভেঙে দেওয়া হল। ...

সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে জামাত উদ দাওয়ার মুখপাত্র ইয়াহিয়া মুজাহিদকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিল পাকিস্তানের একটি সন্ত্রাস দমন আদালত। মুজাহিদ ছাড়াও বুধবার জামাতের শীর্ষ নেতা জাফর ইকবালকে ১৫ বছর এবং হাফিজের শ্যালক আব্দুল রহমান মাক্কিকে ছ’মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে লাহোরের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতি সত্যকথনের জন্য শত্রু বৃদ্ধি। বিদেশে গবেষণা বা কাজকর্মের সুযোগ হতে পারে। সপরিবারে দূরভ্রমণের যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

ভারতীয় নৌ দিবস
১১৩১- পারস্যের কবি ও দার্শনিক ওমর খৈয়ামের মৃত্যু
১৮২৯- সতীদাহ প্রথা রদ করলেন লর্ড বেন্টিঙ্ক
১৮৮৪- ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের জন্ম
১৯১০- ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি আর বেঙ্কটরামনের জন্ম
১৯২৪- মুম্বইয়ে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়ার উদ্বোধন হল
১৯৭৭- ক্রিকেটার অজিত আগরকরের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৯৯ টাকা ৭৪.৭০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.১৫ টাকা ১০০.৫৫ টাকা
ইউরো ৮৭.৯২ টাকা ৯১.১০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩, ৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩, ৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০, চতুর্থী ৩৪/৫৫ রাত্রি ৮/৪। পুনর্বসু নক্ষত্র ১৮/৫২ দিবা ১/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৬/৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/৩৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/২০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১১/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে।
১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০, চতুর্থী রাত্রি ৫/৪৫। পুনর্বসু নক্ষত্র দিবা ১২/২৮। সূর্যোদয় ৬/৭, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৮ গতে ৯/৪৮ মধ্যে। 
১৮ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয়ী এটিকে মোহন বাগান

03-12-2020 - 09:29:31 PM

আইএসএল: এটিকে মোহন বাগান ০- ওড়িশা এফসি ০ (প্রথমার্ধ)

03-12-2020 - 08:23:48 PM

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কামারহাটি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষার
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল তিনজন চিকিৎসকের। আজ, বৃহস্পতিবার ...বিশদ

03-12-2020 - 05:38:00 PM

রেলের কাছে ৩৪ কোটি টাকা ফেরত চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী 

03-12-2020 - 04:53:00 PM

মাঝেরহাট সেতুর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

03-12-2020 - 04:53:00 PM

নতুন ব্রিজের বহন ক্ষমতা ৩৫০ টন 

03-12-2020 - 04:52:00 PM