Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষ ক্রোধে-বিদ্বেষে এই বলের প্রয়োগ করে থাকে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলি সেই বাহুবলকে প্রায়শই নির্বিচারে ব্যবহার করে। দেশের রাজনৈতিক খুনের সালতামামি কষলে এই তথ্য নগ্নভাবেই প্রকাশ্যে চলে আসে। রাষ্ট্রক্ষমতা রাজনৈতিক দলগুলির হাতে থাকে বলে অনেক সময় তাদের মধ্যে এই বাহুবলের উদগ্র বাসনা লক্ষ্য করা যায়। বিপুল সংখ্যায় জিতে এলে সেই সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে এক ধরনের ঔদ্ধত্য জন্মায়। তখন তাদের মনে হয়, মানুষকে আমি যেমন ইচ্ছে ওঠাব বা বসাব। কিংবা লাইফ হেল করে ছেড়ে দেব। অথবা প্রকাশ্যে গুলি করে মারার স্লোগান ছড়িয়ে হিংসাকে মনোপলি কারবারে পরিণত করে তুলব।
রাজধানী দিল্লির ভোট হয়ে গিয়েছে। ফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল। সেই ফল দেশকে নতুন দিশা দেখাতে সক্ষম হবে বলে গরিষ্ঠতম ভারতবাসীর বিশ্বাস। অর্থাৎ ভারত হিন্দু বাদে সবাইকে দুচ্ছাই করে তাড়াবার চেষ্টা করবে, নাকি সবাইকে আপন করে নেওয়ার মন্ত্রপাঠ করে, উজ্জীবিত হয়ে এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে হেঁটে যাবে? তা বলে দেবে দিল্লির নির্বাচনী ফল। এই পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্কিমচন্দ্রের বাহুবল ও বাক্যবলের প্রসঙ্গটি মনে পড়ে গেল। সৌজন্যে অনুরাগ ঠাকুর সহ বিজেপির একাধিক নেতার প্রচার। ভাবা যায়, প্রকাশ্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিজেপির মন্ত্রী মানুষকে উস্কানি দিয়ে বলছেন, ‘দেশকো গদ্দারো কো’, সমস্বরে গেরুয়া বাহিনীর সমর্থকরা উন্মত্তভাবে চিৎকার করে বলছেন, ‘গোলি মারো...’। এই সব বিদ্বেষমূলক প্রচারের মধ্যেই দুটি ক্ষেত্রে দুই রামভক্তের গুলিছোঁড়ার ঘটনা রাজধানীতে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছিল। একটি জামিয়া মিলিয়ায় এবং অন্যটি শাহিনবাগে। এই দুটি ঘটনার সঙ্গে অনুরাগের ওই স্লোগানের কোনও প্রত্যক্ষ যোগ আছে কি না আমরা জানি না। কিন্তু একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যখন খোলা মঞ্চে দাঁড়িয়ে হিংসার আগুন ছড়িয়ে দেওয়ার স্লোগান দেন, তখন সেটাকে ধিক্কার জানাতেই হয়।
এই সবকিছুর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির ভোট সার্বিক ক্ষেত্রে এক বিরাট অগ্নিপরীক্ষার মতো। সেই অগ্নিপরীক্ষা ভারতের অন্তরাত্মারই। এই ভোটই বলে দেবে ভারতের অন্তরাত্মা আসলে কী বলছে? সে কি ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে, নাকি বিজেপির হিন্দুত্বের পক্ষে? বিজেপি এই দেশকে যেদিকে নিয়ে যেতে চায়, তাতে কি সমর্থন রয়েছে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের? নাকি সিএএ, এনআরসি’র আন্দোলনে রাত জাগছেন যাঁরা, তাঁদের স্বপ্নটাই ঠিক? আগামীকালের ফলই বলে দেবে সেকথা।
একটা তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় আমরা সকলেই লক্ষ্য করেছি। সেটা হল দিল্লির ভোটের প্রচারে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের ভোট প্রচারের চরিত্রগত পার্থক্য। একদিকে আপ তাদের প্রচারে বারাবার উন্নয়নের কথা বলেছে। অর্থাৎ বিগত পাঁচ বছরে তারা রাজ্যের মানুষের উন্নয়নের জন্য কী কী কাজ করেছে, তার কথা বলেছে। যেমন বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, ওয়াইফাই। নিরাপত্তায় সিসি টিভি, মেয়েদের বিনামূল্যে বাসে যাতায়াত ইত্যাদি। এছাড়া স্কুলশিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবাতেও নজির গড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। স্বভাবতই এই উন্নয়নের নজিরের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো শক্তি দিল্লি বিজেপির ছিল না। একেই তারা এখন সিএএ, এনআরসি নিয়ে দেশে কোণঠাসা অবস্থায়। ঝাড়খণ্ডে বিজেপি গোহারা হেরেছে। এখন দিল্লিতে হারলে লজ্জার আর শেষ থাকবে না। তাই তারা প্রচারে পাল্টা স্ট্রাটেজি হিসেবে শুধু বিদ্বেষ বিষ ছড়িয়েছে। তারা প্রচারে বারবার হিংসার কথা বলেছে। বলেছে কেউ গেরুয়া সমর্থক না হলেই সে দেশের শত্রু, বলেছে শাহিনবাগের কথা, বলেছে টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের কথা। বলেছে গোলি মারার কথা। এর থেকে বোঝা যায় একটা দলের কাছে উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকলে তাকে এমন ছন্নছাড়া খেলাই খেলতে হয়। তাকে মন্দির নির্মাণের তাস খেলে ভোট বাক্স আঁকড়ে ধরার খেলা খেলতে হয়। সুতরাং প্রচার কৌশলে ইতিমধ্যেই বিজেপি আপের কাছে হেরে বসে আছে।
ভোটের ফল কী হবে, তা অবশ্য কালই জানা যাবে। কিন্তু দিল্লির কয়েকজন মানুষের সঙ্গে কথা বলে মনে হল, তাঁরা কেজরিওয়ালের ফিরে আসার ব্যাপারেই আশাবাদী। তার কারণ কেজরিওয়ালের স্বপ্নসজ্জায় অনেকটাই সেজে উঠেছে দিল্লি। তিনি ফিরে এলে অসম্পূর্ণ কাজ করবেন। এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে আম আদমি পার্টি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিল। পাশাপাশি শূন্যগর্ভ বিজেপি নেতারা ছায়াশত্রুর সঙ্গে যুদ্ধু যুদ্ধু খেলা খেলেই আনন্দে মেতে থেকেছেন। মাঝে মাঝেই মোদিজি বলেন, ‘এক্ষুণি যুদ্ধ হলে পাকিস্তানকে হারাব।’ আমরা কেউ কেউ ভাবি, এই বুঝি যুদ্ধ বেধে গেল। আমাদের, মানে দেশের সাধারণ মানুষের কী হবে? দেশাত্মবোধে সকলকে উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠে মোদিজি অভয়বাণী দেন, ভয় কী? আমি তো আছি। সত্যিই তো আমাদের আর ভয় কী? ডাকাবুকো মোদিজি আছেন তো। আমাদের পাহারাদার। তিনিই তো আমাদের সব ধরনের শত্রুর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবেন।
যুদ্ধটা যেন তাঁর চেতন, অচেতনের মধ্যে জড়িয়ে আছে। স্বপ্নে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলাটাও এক ধরনের রোগ বলে মনে করতেন স্বপ্নতত্ত্ববিদ সিগমুন্ড ফ্রয়েড। তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী যাঁদের স্বপ্নে যুদ্ধ বারবার ফিরে আসে, তাঁরা আসলে কোনও কিছুর নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয় পান। মনে হয়, কিছু একটা আছে, এই বুঝি হারাব। অথবা নিজের ভয়টাকে অন্যের মধ্যে চারিত করে এও এক ধরনের মানসিক তুষ্টিবোধ। বিজ্ঞান সেটাই বলছে। তাহলে কি মোদি এবং তাঁর দলের অন্যরা কিছু হারানোর ভয় পাচ্ছেন?
যদি তিনি সত্যিই ভয় পান, তবে তার কারণও আছে। কেননা গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে একের পর এক হেরেই চলেছেন তিনি। মোদি-শাহ জুটির তলোয়ার ঘুরিয়ে যুদ্ধ পরিচালনার কোনও পজিটিভ ফলই আর সেভাবে মিলছে না। যত কোণঠাসা হচ্ছেন, ততই নানাবিধ ইস্যুতে তাঁরা দেশটাকে বেঁধে ফেলতে চাইছেন। চিরাচরিত, নম্র, ভারতকে তাঁরা নিয়ে চলেছেন অন্য এক দিকনির্দেশে। আমাদের মন্ত্রই ছিল ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। সারা বিশ্বই আমার আত্মীয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া, বুকের মধ্যে বিশ্বলোকের পাবি সাড়া।’ কিন্তু কেউ যদি নিজের মধ্য থেকে বেরতে না পারেন, কূপমণ্ডুকতা যদি তাঁকে গিলে খায়, তবে তিনি হয়ে ওঠেন কুয়োর ব্যাঙ। দৃষ্টির স্বচ্ছতা হারিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন অন্ধ। সত্যের পথ তিনি দেখতে পান না। বিজেপি আজ ক্রমেই সেই পরিণতির দিকে এগচ্ছে। এর একটাই কারণ, তারা মনে করছে, এখনও আমরা সাড়ে চার বছর কেন্দ্রে থাকব।। আমরা অনেক কিছু এই সময়ের মধ্যে উলটে দেব। মানুষের সব বিরোধী মনোভাবকে পক্ষে আনতে সক্ষম হব। সেও এক মূঢ় ভাবনা। তার গদি এখন অনেকটাই টলোমলো। এই মুহূর্তে দেশের সাধারণ নির্বাচন হলে মোদি-শাহ জুটি ফিরতে পারবেন কিনা, তা নিয়েও তর্কের অবকাশ আছে। কিন্তু এই জুটি গত কয়েকমাসে সারা দেশের মানুষকে যে বিপন্নতার দিকে ঠেলে দিয়েছেন, তার ফল তাঁদের ভুগতেই হবে। সে বিপন্নতা মানুষের অস্তিত্বের বিপন্নতা। আমার আজন্মের দেশ আর আমার থাকবে কিনা, এই বিপন্নতা সব থেকে বড়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিপন্নতা। ব্যাঙ্কগুলি আজ অনেকটাই বিপন্ন। সুদের হার তলানিতে। ব্যাঙ্কে টাকা রাখা আজ অনেকটা অর্থহীন। অবসরের পর যে সুদের টাকায় মানুষ বাকি দিনগুলি মোটামুটিভাবে কাটানোর স্বপ্ন দেখত, তা এখন ভেঙে চুরমার। বাজেটের দিশাহীন অবস্থায় মানুষ আরও বিপন্নতার শিকার।
এই পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির ভোট কতটা ইঙ্গিতবাহী হয়ে ওঠে, তা বোঝা যাবে কালই। যদিও বুথফেরত সমীক্ষায় সকলেই বলছে, আপ আবার ফিরে আসবে। বিজেপির কোমর সোজা করে দাঁড়ানোর কোনও ইঙ্গিত এই সব সমীক্ষায় মেলেনি। তবু সত্য জানার জন্য কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
কালই বোঝা যাবে, আম আদমি পার্টির ঝাড়ু কতটা কার্যকর প্রতীক। ঝাড়ু হল সব ধরনের আবর্জনাকে ঝেঁটিয়ে দূর করার প্রতীক। গত দুই টার্মে কেজরিওয়াল এই ঝাড়ু দিয়ে ‘স্বচ্ছ দিল্লি’ গড়ার কাজ করে চলেছেন। এবার তিনি হ্যাটট্রিক করতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার। বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী ফল হলে আপ-নেতা কর্মীরা মনের আনন্দে সলিল চৌধুরীর সেই গানটা গাইতে পারবন। ‘মার ঝাড়ু মার ঝাড়ু মেরে ঝেঁটিয়ে বিদায় কর..।’
দিল্লির ফল আগামীদিনের পক্ষে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কেননা আগামীদিনে ভোট পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, বিহার, চেন্নাই, পুদুচেরিতে। রাজ্যগুলিতে এনআরসি নিয়ে প্রতিবাদ তুঙ্গে। সেই প্রতিবাদে এবং বিরোধী দলগুলিকে নতুন করে অক্সিজেন জোগাবে দিল্লির এই ফল। তাই দিল্লির ফল এই সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
10th  February, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, কাঁথি: সোমবার রামনগর থানার দেউলিহাটে তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগে পুলিস এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রামনগর বাজারে দীঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘দিন সাতেক হল বাড়িতে আবর্জনা নিতে আসছে না পুরসভার সাফাই কর্মীরা। দুর্গন্ধে ভরে গিয়েছে গোটা বাড়ি। রুম ফ্রেশনার ছড়িয়েও কাজ হচ্ছে না।’ ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: দু’বারের আই লিগ জয়ী নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার কিংসলেকে সই করালো মহমেডান স্পোর্টিং। মঙ্গলবার দুপুরে ক্লাব তাঁবুতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কিংসলে বলেন, ‘মহমেডান স্পোর্টিং আমাকে সম্মানজনক অফার দিয়েছে। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার ও মালবাজার: হাতির হামলায় জখম হওয়ার ১৩ দিন পর মারা গেলেন কালচিনির দক্ষিণ লতাবাড়ি গ্রামের এক বৃদ্ধ। বনদপ্তর জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধের নাম ঘুরণ ওঁরাও(৬৩)। বনদপ্তর ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৩ জুন দুপুরে জমিতে কাজ করার সময় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যেকোনও শুভকর্মের বাধাবিঘ্ন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৪: পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর জন্ম
১৯৫৮: অভিনেত্রী নীতু সিংয়ের জন্ম
১৯৭২: ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলির জন্ম
২০০১: বাঙালি কথাসাহিত্যিক অমিয়ভূষণ মজুমদারের মৃত্যু
২০০৩: কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের মূত্যু
২০০৬: দীর্ঘ ৪৪ বছর বন্ধ থাকার পর নাথুলা পাস সীমান্তপথটি ভারত চীনের সাথে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে খুলে দেয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৬.৫৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.০১ টাকা ৯৫.৮৯ টাকা
ইউরো ৮২.৩৪ টাকা ৮৬.৭৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,১০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,২৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯,২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯,৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার, তৃতীয়া ১০/৪৩ দিবা ৯/১৯। ধনিষ্ঠা ৫০/৩৪ রাত্রি ১/১৫৷ সূর্যোদয় ৫/১/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/২১/১২৷ অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ গতে ১১/১৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৪ গতে ৫/২৭ মধ্যে, রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ১/২৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/২২ গতে ১০/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২২ গতে ৩/৪২ মধ্যে।
২৩ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জুলাই ২০২০, বুধবার, তৃতীয়া দিবা ৯/২৫। ধনিষ্ঠা নক্ষত্র রাত্রি ২/৭। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২২ গতে ১০/২ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২২ গতে ৩/৪২ মধ্যে।
১৬ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোচবিহারে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ৩
কোচবিহারে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ৩ জনকে আটক করল কোতোয়ালি থানার পুলিস। ...বিশদ

01:45:49 PM

১১৬ দিন পর শুরু হচ্ছে ক্রিকেট, একনজরে পরিবর্তিত নিয়মাবলী 
দুই দলের দুই অধিনায়ক বেন স্টোকস এবং জেসন হোল্ডার ম্যাচ ...বিশদ

12:43:00 PM

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকলে করোনাকে আপনাকে ছুঁতে পারবে না: মমতা 

12:36:02 PM

করোনা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই: মমতা 

12:32:45 PM

করোনা রুখতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন: মমতা 

12:31:47 PM

যেখানে সেখানে ভিড় করবেন না: মমতা 

12:30:41 PM