Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। সাধারণ মানুষ ক্রোধে-বিদ্বেষে এই বলের প্রয়োগ করে থাকে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলি সেই বাহুবলকে প্রায়শই নির্বিচারে ব্যবহার করে। দেশের রাজনৈতিক খুনের সালতামামি কষলে এই তথ্য নগ্নভাবেই প্রকাশ্যে চলে আসে। রাষ্ট্রক্ষমতা রাজনৈতিক দলগুলির হাতে থাকে বলে অনেক সময় তাদের মধ্যে এই বাহুবলের উদগ্র বাসনা লক্ষ্য করা যায়। বিপুল সংখ্যায় জিতে এলে সেই সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে এক ধরনের ঔদ্ধত্য জন্মায়। তখন তাদের মনে হয়, মানুষকে আমি যেমন ইচ্ছে ওঠাব বা বসাব। কিংবা লাইফ হেল করে ছেড়ে দেব। অথবা প্রকাশ্যে গুলি করে মারার স্লোগান ছড়িয়ে হিংসাকে মনোপলি কারবারে পরিণত করে তুলব।
রাজধানী দিল্লির ভোট হয়ে গিয়েছে। ফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল। সেই ফল দেশকে নতুন দিশা দেখাতে সক্ষম হবে বলে গরিষ্ঠতম ভারতবাসীর বিশ্বাস। অর্থাৎ ভারত হিন্দু বাদে সবাইকে দুচ্ছাই করে তাড়াবার চেষ্টা করবে, নাকি সবাইকে আপন করে নেওয়ার মন্ত্রপাঠ করে, উজ্জীবিত হয়ে এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে হেঁটে যাবে? তা বলে দেবে দিল্লির নির্বাচনী ফল। এই পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্কিমচন্দ্রের বাহুবল ও বাক্যবলের প্রসঙ্গটি মনে পড়ে গেল। সৌজন্যে অনুরাগ ঠাকুর সহ বিজেপির একাধিক নেতার প্রচার। ভাবা যায়, প্রকাশ্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিজেপির মন্ত্রী মানুষকে উস্কানি দিয়ে বলছেন, ‘দেশকো গদ্দারো কো’, সমস্বরে গেরুয়া বাহিনীর সমর্থকরা উন্মত্তভাবে চিৎকার করে বলছেন, ‘গোলি মারো...’। এই সব বিদ্বেষমূলক প্রচারের মধ্যেই দুটি ক্ষেত্রে দুই রামভক্তের গুলিছোঁড়ার ঘটনা রাজধানীতে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছিল। একটি জামিয়া মিলিয়ায় এবং অন্যটি শাহিনবাগে। এই দুটি ঘটনার সঙ্গে অনুরাগের ওই স্লোগানের কোনও প্রত্যক্ষ যোগ আছে কি না আমরা জানি না। কিন্তু একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যখন খোলা মঞ্চে দাঁড়িয়ে হিংসার আগুন ছড়িয়ে দেওয়ার স্লোগান দেন, তখন সেটাকে ধিক্কার জানাতেই হয়।
এই সবকিছুর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির ভোট সার্বিক ক্ষেত্রে এক বিরাট অগ্নিপরীক্ষার মতো। সেই অগ্নিপরীক্ষা ভারতের অন্তরাত্মারই। এই ভোটই বলে দেবে ভারতের অন্তরাত্মা আসলে কী বলছে? সে কি ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে, নাকি বিজেপির হিন্দুত্বের পক্ষে? বিজেপি এই দেশকে যেদিকে নিয়ে যেতে চায়, তাতে কি সমর্থন রয়েছে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের? নাকি সিএএ, এনআরসি’র আন্দোলনে রাত জাগছেন যাঁরা, তাঁদের স্বপ্নটাই ঠিক? আগামীকালের ফলই বলে দেবে সেকথা।
একটা তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় আমরা সকলেই লক্ষ্য করেছি। সেটা হল দিল্লির ভোটের প্রচারে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের ভোট প্রচারের চরিত্রগত পার্থক্য। একদিকে আপ তাদের প্রচারে বারাবার উন্নয়নের কথা বলেছে। অর্থাৎ বিগত পাঁচ বছরে তারা রাজ্যের মানুষের উন্নয়নের জন্য কী কী কাজ করেছে, তার কথা বলেছে। যেমন বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, ওয়াইফাই। নিরাপত্তায় সিসি টিভি, মেয়েদের বিনামূল্যে বাসে যাতায়াত ইত্যাদি। এছাড়া স্কুলশিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবাতেও নজির গড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। স্বভাবতই এই উন্নয়নের নজিরের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো শক্তি দিল্লি বিজেপির ছিল না। একেই তারা এখন সিএএ, এনআরসি নিয়ে দেশে কোণঠাসা অবস্থায়। ঝাড়খণ্ডে বিজেপি গোহারা হেরেছে। এখন দিল্লিতে হারলে লজ্জার আর শেষ থাকবে না। তাই তারা প্রচারে পাল্টা স্ট্রাটেজি হিসেবে শুধু বিদ্বেষ বিষ ছড়িয়েছে। তারা প্রচারে বারবার হিংসার কথা বলেছে। বলেছে কেউ গেরুয়া সমর্থক না হলেই সে দেশের শত্রু, বলেছে শাহিনবাগের কথা, বলেছে টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের কথা। বলেছে গোলি মারার কথা। এর থেকে বোঝা যায় একটা দলের কাছে উন্নয়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকলে তাকে এমন ছন্নছাড়া খেলাই খেলতে হয়। তাকে মন্দির নির্মাণের তাস খেলে ভোট বাক্স আঁকড়ে ধরার খেলা খেলতে হয়। সুতরাং প্রচার কৌশলে ইতিমধ্যেই বিজেপি আপের কাছে হেরে বসে আছে।
ভোটের ফল কী হবে, তা অবশ্য কালই জানা যাবে। কিন্তু দিল্লির কয়েকজন মানুষের সঙ্গে কথা বলে মনে হল, তাঁরা কেজরিওয়ালের ফিরে আসার ব্যাপারেই আশাবাদী। তার কারণ কেজরিওয়ালের স্বপ্নসজ্জায় অনেকটাই সেজে উঠেছে দিল্লি। তিনি ফিরে এলে অসম্পূর্ণ কাজ করবেন। এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে আম আদমি পার্টি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিল। পাশাপাশি শূন্যগর্ভ বিজেপি নেতারা ছায়াশত্রুর সঙ্গে যুদ্ধু যুদ্ধু খেলা খেলেই আনন্দে মেতে থেকেছেন। মাঝে মাঝেই মোদিজি বলেন, ‘এক্ষুণি যুদ্ধ হলে পাকিস্তানকে হারাব।’ আমরা কেউ কেউ ভাবি, এই বুঝি যুদ্ধ বেধে গেল। আমাদের, মানে দেশের সাধারণ মানুষের কী হবে? দেশাত্মবোধে সকলকে উদ্বুদ্ধ হয়ে উঠে মোদিজি অভয়বাণী দেন, ভয় কী? আমি তো আছি। সত্যিই তো আমাদের আর ভয় কী? ডাকাবুকো মোদিজি আছেন তো। আমাদের পাহারাদার। তিনিই তো আমাদের সব ধরনের শত্রুর আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবেন।
যুদ্ধটা যেন তাঁর চেতন, অচেতনের মধ্যে জড়িয়ে আছে। স্বপ্নে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলাটাও এক ধরনের রোগ বলে মনে করতেন স্বপ্নতত্ত্ববিদ সিগমুন্ড ফ্রয়েড। তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী যাঁদের স্বপ্নে যুদ্ধ বারবার ফিরে আসে, তাঁরা আসলে কোনও কিছুর নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয় পান। মনে হয়, কিছু একটা আছে, এই বুঝি হারাব। অথবা নিজের ভয়টাকে অন্যের মধ্যে চারিত করে এও এক ধরনের মানসিক তুষ্টিবোধ। বিজ্ঞান সেটাই বলছে। তাহলে কি মোদি এবং তাঁর দলের অন্যরা কিছু হারানোর ভয় পাচ্ছেন?
যদি তিনি সত্যিই ভয় পান, তবে তার কারণও আছে। কেননা গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে একের পর এক হেরেই চলেছেন তিনি। মোদি-শাহ জুটির তলোয়ার ঘুরিয়ে যুদ্ধ পরিচালনার কোনও পজিটিভ ফলই আর সেভাবে মিলছে না। যত কোণঠাসা হচ্ছেন, ততই নানাবিধ ইস্যুতে তাঁরা দেশটাকে বেঁধে ফেলতে চাইছেন। চিরাচরিত, নম্র, ভারতকে তাঁরা নিয়ে চলেছেন অন্য এক দিকনির্দেশে। আমাদের মন্ত্রই ছিল ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। সারা বিশ্বই আমার আত্মীয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘আপন হতে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়া, বুকের মধ্যে বিশ্বলোকের পাবি সাড়া।’ কিন্তু কেউ যদি নিজের মধ্য থেকে বেরতে না পারেন, কূপমণ্ডুকতা যদি তাঁকে গিলে খায়, তবে তিনি হয়ে ওঠেন কুয়োর ব্যাঙ। দৃষ্টির স্বচ্ছতা হারিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন অন্ধ। সত্যের পথ তিনি দেখতে পান না। বিজেপি আজ ক্রমেই সেই পরিণতির দিকে এগচ্ছে। এর একটাই কারণ, তারা মনে করছে, এখনও আমরা সাড়ে চার বছর কেন্দ্রে থাকব।। আমরা অনেক কিছু এই সময়ের মধ্যে উলটে দেব। মানুষের সব বিরোধী মনোভাবকে পক্ষে আনতে সক্ষম হব। সেও এক মূঢ় ভাবনা। তার গদি এখন অনেকটাই টলোমলো। এই মুহূর্তে দেশের সাধারণ নির্বাচন হলে মোদি-শাহ জুটি ফিরতে পারবেন কিনা, তা নিয়েও তর্কের অবকাশ আছে। কিন্তু এই জুটি গত কয়েকমাসে সারা দেশের মানুষকে যে বিপন্নতার দিকে ঠেলে দিয়েছেন, তার ফল তাঁদের ভুগতেই হবে। সে বিপন্নতা মানুষের অস্তিত্বের বিপন্নতা। আমার আজন্মের দেশ আর আমার থাকবে কিনা, এই বিপন্নতা সব থেকে বড়। পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিপন্নতা। ব্যাঙ্কগুলি আজ অনেকটাই বিপন্ন। সুদের হার তলানিতে। ব্যাঙ্কে টাকা রাখা আজ অনেকটা অর্থহীন। অবসরের পর যে সুদের টাকায় মানুষ বাকি দিনগুলি মোটামুটিভাবে কাটানোর স্বপ্ন দেখত, তা এখন ভেঙে চুরমার। বাজেটের দিশাহীন অবস্থায় মানুষ আরও বিপন্নতার শিকার।
এই পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির ভোট কতটা ইঙ্গিতবাহী হয়ে ওঠে, তা বোঝা যাবে কালই। যদিও বুথফেরত সমীক্ষায় সকলেই বলছে, আপ আবার ফিরে আসবে। বিজেপির কোমর সোজা করে দাঁড়ানোর কোনও ইঙ্গিত এই সব সমীক্ষায় মেলেনি। তবু সত্য জানার জন্য কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
কালই বোঝা যাবে, আম আদমি পার্টির ঝাড়ু কতটা কার্যকর প্রতীক। ঝাড়ু হল সব ধরনের আবর্জনাকে ঝেঁটিয়ে দূর করার প্রতীক। গত দুই টার্মে কেজরিওয়াল এই ঝাড়ু দিয়ে ‘স্বচ্ছ দিল্লি’ গড়ার কাজ করে চলেছেন। এবার তিনি হ্যাটট্রিক করতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার। বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী ফল হলে আপ-নেতা কর্মীরা মনের আনন্দে সলিল চৌধুরীর সেই গানটা গাইতে পারবন। ‘মার ঝাড়ু মার ঝাড়ু মেরে ঝেঁটিয়ে বিদায় কর..।’
দিল্লির ফল আগামীদিনের পক্ষে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কেননা আগামীদিনে ভোট পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, বিহার, চেন্নাই, পুদুচেরিতে। রাজ্যগুলিতে এনআরসি নিয়ে প্রতিবাদ তুঙ্গে। সেই প্রতিবাদে এবং বিরোধী দলগুলিকে নতুন করে অক্সিজেন জোগাবে দিল্লির এই ফল। তাই দিল্লির ফল এই সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
10th  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
একনজরে
বেজিং, ১৯ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): চীনে মহামারীর আকার নিয়েছে করোনা ভাইরাস। বুধবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দু’হাজার ছাড়িয়ে গেল। একইসঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৫। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: মঙ্গলবার সকালে জগাছা থানার মৌড়িগ্রাম শ্মশানধার এলাকা থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের দেহ উদ্ধার করেছিল পুলিস। বিভিন্ন সূত্র কাজে লাগিয়ে বুধবারই সেই মৃতদেহের পরিচয় জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনায় চারজনকে মঙ্গলবার রাতেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।   ...

বাণীব্রত রায়  শিলিগুড়ি, শিলিগুড়ি শহরে ক্রিকেট নিয়ে উন্মাদনা বরাবরই। এই শহরকে পাপালির শহর বলে একডাকে চেনে ক্রিকেট দুনিয়া। ভারতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম উইকেট রক্ষক পাপালি মানে ঋদ্ধিমান সাহা এই শহরেরই ছেলে। এখানেই তাঁর স্কুল শিক্ষা থেকে কলেজ পড়া। এই ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: পশ্চিমবঙ্গ যোগ সোসাইটি আয়োজিত রাজ্যস্তরের যোগাসন প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেল কাঁথির দুই ছেলে। গত ১৬ফেব্রুয়ারি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যাসাগর ভবনে রাজ্যস্তরের এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রাজ্যের ১৮টি জেলার ১৭৯জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। লটারি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সামাজিক ন্যায় দিবস
১৯৪৭- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্লিমেন্ট অ্যাটলি ঘোষণা করলেন, ১৯৪৮-এর জুন মাসের মধ্যে ইংরেজরা ভারত ত্যাগ করে চলে যাবে
১৯৫০- স্বাধীনতা সংগ্রামী শরৎচন্দ্র বসুর মৃত্যু
১৯৭১- স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ফব নেতা হেমন্ত বসু শহরের রাজপথে প্রকাশ্যে খুন হলেন  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৭৮ টাকা ৭৩.৩১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৭ টাকা ৯৫.৭৭ টাকা
ইউরো ৭৫.৫০ টাকা ৭৯.৫৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,১১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ ফাল্গুন ১৪২৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) দ্বাদশী ২৪/৩৬ অপঃ ৪/০। পূর্বাষাঢ়া ৩/১৫ দিবা ৭/২৮। সূ উ ৬/৯/৩৬, অ ৫/৩১/৩৪, অমৃতযোগ রাত্রি ১/৬ গতে ৩/৩৮। বারবেলা ২/৪১ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৫ মধ্যে। 
৭ ফাল্গুন ১৪২৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, দ্বাদশী ২৭/৩৪/৪৬ সন্ধ্যা ৫/১৪/৪৩। পূর্ব্বাষাঢ়া ৭/২৪/৪১ দিবা ৯/১০/৪১। সূ উ ৬/১২/৪৯, অ ৫/৩০/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১/০ গতে ৩/২৮ মধ্যে। কালবেলা ২/৪১/০ গতে ৪/৫/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫১/৩৬ গতে ১/২৬/৫৪ মধ্যে। 
২৫ জমাদিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পথ দুর্ঘটনায় জখম বোলপুরের অতিরিক্ত পুলিস সুপার শিবপ্রসাদ পাত্র 

11:18:00 AM

ঝাড়খণ্ডে চলন্ত বাস থেকে পড়ে জখম বীরভূমের শিশু 
অসাবধানতাবশত চলন্ত বাসের চাতাল থেকে পড়ে গিয়ে জখম হল এক ...বিশদ

10:33:39 AM

বালি পাচার রুখতে গিয়ে প্রহৃত সরকারি আধিকারিকরা 
খড়্গপুরে বালি ও মোরামের গাড়ি ধরতে গিয়ে হামলার মুখে পড়লেন ...বিশদ

10:24:15 AM

প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দিদি 
প্রয়াত হলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ারে দিদি। আজ সকাল ৭:৫৫ ...বিশদ

10:10:31 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বৃহস্পতিবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইম। ...বিশদ

10:08:17 AM

বীরভূমের কাঁকড়তলায় বোমাবাজি, মৃত ১ 

09:52:48 AM