Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দূরসম্পর্কের নিকটাত্মীয়
মেরুনীল দাশগুপ্ত

দিন পনেরো আগে কাগজে একটা সচিত্র খবর দেখে পড়ে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। হয়তো আমার মতো আরও অনেক সংবাদ-পাঠকেরও এমন দশা হয়েছিল। হতেই পারে। কারণ, খবরটা কেবল অভিনব ছিল না, ছিল যাকে বলে অবিশ্বাস্য, অভাবনীয়! কলকাতার একজন প্রথিতযশা প্রৌঢ় ডাক্তারবাবু যে অমন একটা কাণ্ড ঘটাতে পারেন, অমন সব অশ্রুতপূর্ব মন্তব্য করতে পারেন— সত্যি বলছি, এক লহমায় তা বিশ্বাস করে উঠতে কিছুতেই মন সায় দিচ্ছিল না। কিন্তু, লেখা অবিশ্বাস করা যায়—ছবি কি যায়? খবরের সঙ্গে ডাক্তারবাবুর ছবিও যে ছিল। তবুও যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না। বলছেন কি! দক্ষিণের নানা রাজ্যে যাঁরা চিকিৎসা করাতে যান তাঁরা ওনার কাছে চিকিৎসা পাবেন না! সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন, ‘দক্ষিণযাত্রী’ রোগী রোগিণীর চিকিৎসা করার ‘পারদর্শিতা’ ওনার নেই! মানে, ওনার কাছে চিকিৎসা পেতে হলে কেবল ওঁর কাছেই পড়ে থাকতে হবে? রোগীর সন্তোষ-অসন্তোষের পছন্দ-অপছন্দের কোনও ভূমিকা থাকবে না! হতে পারে! পাড়ায় মিষ্টির দোকান আছে বলে ভীম নাগ, দ্বারিক কি নকুড়ের মিষ্টি কেনা খাওয়া চলবে না! খেলে পাড়ার দোকান আমাকে রিফিউজ করবে! তুলনাটা হয়তো একটু সরল হয়ে গেল। তবে, আমি কখনই বলছি না, চিকিৎসার মতো মহান সেবা আর মিষ্টি খাওয়া এক ব্যাপার। কিন্তু সাধারণ বিচারে ওই ডাক্তারবাবুর ‘প্রত্যাখ্যান’ তত্ত্বটি কি প্রায় একই পর্যায়ের নয়! ডাক্তারবাবুদের যেমন অধিকার আছে, চাহিদা যোগ্যতা অনুযায়ী স্ব-স্ব পেশাদক্ষ পরিষেবার মূল্য (ফি) ঠিক করার, তেমনি রোগী রোগিণীরও কি অধিকার নেই পছন্দের চিকিৎসা পরিষেবা নেওয়ার? অবশ্যই আছে। একশোবার আছে। কিন্তু, স্বনামধন্য লিভার বিশেষজ্ঞ ওই ডাক্তারবাবুর কথায় কি সেই অধিকার স্বীকৃতি পেয়েছে!?
কে বলেছে, বাংলায় সুচিকিৎসক নেই, সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নেই বলে আজ মানুষজন দক্ষিণের বেঙ্গালুরু মুম্বই হায়দরাবাদ চেন্নাই ভেলোর ছুটছেন? যাঁরা দক্ষিণে ছুটছেন তাঁদের জিজ্ঞেস করুন, দেখুন কি উত্তর পান। সকলে স্বীকার করবেন, ওই লিভার বিশেষজ্ঞের মতো হাজারো ভালো চিকিৎসক এবং চিকিৎসাকেন্দ্র আছে রাজ্যে, আছে জটিল চিকিৎসার সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতিও। তাহলে কী নেই? নেই—সার্বিক পেশাদারিত্ব, রোগীর প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ভালোবাসা। সে জন্যই ওঁদের মুখে শুনবেন, এখানে বলে দিলো ক্যান্সার, কেমো শুরু করে দিতে হবে। মুম্বই টাটায় গেলাম—বলল, কিসসু হয়নি। সামান্য ক’টাকার ওষুধ খেয়ে সেরে উঠলাম। ভাবুন! এরপর কার সাহস হবে? বাইপাসের বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে এমন ভূরি ভূরি অভিযোগ এসেছে এবং আসছে। শুধু কি তাই, আমার পরিচিত এক তরুণের বেশ কিছুদিন যাবৎ পেটে অস্বস্তি চলছিল, খাওয়াদাওয়ার ইচ্ছে চলে যাচ্ছিল। বাঘা বাঘা ডাক্তারদের কাছে ধারণা দিয়ে হাজার হাজার খরচা করেও সুরাহা হচ্ছিল না। কেউ কানের সোনোগ্রাফি করাতে বলছেন কেউ পেটের। কেউ বলছেন পেশি সমস্যা, ব্যায়াম করতে হবে! শেষমেশ গ্যাসট্রো সার্জন ডাক্তার মাইতি জানিয়ে দিলেন, গলব্লাডারে পাথর এবং সেটি বাদ দিতেই ফিট! যে ডাক্তারবাবু হাতে দক্ষিণযাত্রী প্রত্যাখ্যান প্ল্যাকার্ড নিয়ে সেদিন পিজি হাসপাতালে দাঁড়িয়ে ছবি তোলালেন, তিনি জানেন না এসব?
আর একটা ঘটনা বলি। আমার বন্ধু ওই এক পেটের সমস্যা ও ফুল অ্যাবডোমেন ইউএসজি রিপোর্ট নিয়ে গিয়েছিলেন এক ‘বিখ্যাত’ ডাক্তারবাবুর মধ্য কলকাতার চেম্বারে। গুরুগম্ভীর মুখে রিপোর্টে এক ঝলক চোখ বুলিয়েই তাঁর নিদান, ‘লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট। ওষুধটসুধ তেমন কিছু লাগবে না। তো, স্বাভাবিকভাবেই রোগী জানতে চেয়েছিলেন, ওই লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট কী? উত্তর শুনলে পিজির ডাক্তারবাবুও বোধ করি আমার মতো স্তম্ভিত হবেন। উত্তরটা ছিল—দেখুন, ওটা জানতে আপনাকে অমুক ডিপার্টমেন্টে যেতে হবে। গ্যাসট্রোর ‘সিলেবাসে’ তো ডায়েট থাকে না! ভাবুন এবার! ডাক্তারবাবুর ফি হাজার দেওয়া হয়ে গেছে এবার আর এক দফা দিতে হবে, তবে জানা যাবে ডায়েট! তারচেয়েও বড় কথা, সত্যিই কি পেটের হবু ডাক্তারবাবুদের সিলেবাসে ‘ডায়েট’ থাকে না? জানি না। কেউ আলোকপাত করলে আমাদের মতো সাধারণ বাধিত হয়। তবে, কথা হল—‘সিলেবাসে’ যদি নাও থাকে, তবু কি এটা মানতে হবে পেটের যন্ত্রপাতি বিশেষজ্ঞ একজন ডাক্তারবাবুর সামান্য একটা ডায়েটজ্ঞান নেই! নিশ্চয়ই আছে। আর আছেই যদি তাহলে জানাতে আপত্তি কেন? তাছাড়া, এমনকী একজন রোগীকে বলা যায়! এও তো এক ধরনের ‘প্রত্যাখ্যান’—তাই না?
এর ওপর আছে রাজনীতি। হাসপাতাল, নার্সিংহোম থেকে অপারেশন থিয়েটার—রাজনীতি কোথায় নেই? মনে পড়ছে, আজ থেকে বছর দশেক আগে চেন্নাইতে এক প্রবাদপ্রতিম শল্যচিকিৎসক, যাঁকে রোগীরা ব্রেন অপারেশনের ভগবান বলে আজও মানেন, এক আলাপচারিতায় আমাকে বলেছিলেন, সার্জন অপারেশন ঠিকঠাক করলেই যে শেষ অবধি তার পুরো সুফল রোগী পাবেন এমন কিন্তু নয়। সার্জন একেবারে সফল অস্ত্রোপচার করলেও তার পরের শুশ্রূষা (পোস্ট অপারেটিভ কেয়ার) যদি যথাযথ না হয় তবে বিপরীত ফলও হতে পারে। যে কোনও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ কর্তা থেকে চিকিৎসক থেকে নার্স, সাফাইকর্মী সকলে একযোগে একলক্ষ্যে কাজ করলে তবেই রোগী যথার্থ চিকিৎসা পান। সেটা যেখানে ঘটে না সেখানেই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে, রোগী পরিবারে ছড়ায় অসন্তোষ অনাস্থা। তাছাড়া, রাজনীতি তো আছেই। সকাল থেকে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত যদি রাজনীতি ঠেলতে হয় তবে চিকিৎসাই বা হবে কখন আর সে সংক্রান্ত পড়াশোনাই বা করব কখন? বাম জমানার শেষদিকে এই রাজনীতির প্রকোপ থেকে রেহাই পেতে চেন্নাই চলে গিয়েছিলেন ওই বিখ্যাত সার্জন। এটাও তো সত্যি। অর্থাৎ কেবল রোগী নয়, অনেক কৃতী ডাক্তারবাবুও কিন্তু দক্ষিণপন্থী হয়েছেন। সুতরাং, দক্ষিণে চিকিৎসা করাতে যাওয়া রোগীদের ব্যাপারে ক্ষুণ্ণ হওয়ার আগে ডাক্তারবাবু একটু ভাববেন নিশ্চয়। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, দক্ষিণযাত্রা নিয়ে ওই ডাক্তারবাবু যতই ক্ষোভ প্রকাশ করুন, উনি কিছুতেই রোগী প্রত্যাখ্যান করবেন না। কারণ, ওঁর সুনামই এক্ষেত্রে ওঁর পথরোধ করে দাঁড়াবে এবং আন্তরিক চিকিৎসায় প্রণোদিত করবে। সে প্রণোদনা অস্বীকার করার ক্ষমতা ডাক্তারবাবুর নেই।
কারণ, দিন শেষের বিচারে ওঁর মতো প্রতিভাবান ডাক্তারবাবু মাত্রেই রোগীর দূরসম্পর্কের নিকটাত্মীয়। রোগজ্বালার শত যন্ত্রণার মধ্যেও আত্মার শান্তি, প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ। আর এই আত্মীয়তার বন্ধন খারিজ করা কি ডাক্তার কি রোগী—উভয়ের পক্ষেই অসম্ভব। কতটা অসম্ভব—তা দেখিয়ে দিয়ে গেলেন অকালপ্রয়াত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ আশিস মুখোপাধ্যায়। কলকাতার চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তোলেন, ক্যান্সার চিকিৎসার ব্যয়বাহুল্য ভেবে যাঁরা দিশেহারা হয়ে যান—তাঁদের চোখে কার্যত আস্থা-বিশ্বাসের ধ্রুবতারা হয়ে উঠেছিলেন ডাক্তার আশিস এবং তাঁর স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান নেতাজি সুভাষ ক্যান্সার রিসার্চ হাসপাতাল। একেবারে হতদরিদ্র থেকে ধনী—আশিসের হাসপাতালে সমমর্যাদা ও সমগুরুত্বে চিকিৎসা পেয়েছেন, পাচ্ছেন। আশা করব, তাঁর অবর্তমানেও এর কোনও ব্যত্যয় হবে না। লোকমুখে শুনে বলছি না।
বিগত দশ বছরেরও অধিককাল ওই চিকিৎসালয়ের পরিষেবা নিতে গিয়ে আমার সাধারণ অভিজ্ঞতার কথাই বললাম। ক্যান্সারের মারণ থাবা থেকে হয়তো তিনি সমস্ত রোগীকে রক্ষা করতে পারেননি কিন্তু তাঁর ঐকান্তিক চিকিৎসা প্রয়াস রাজ্যের এমনকী ভিনরাজ্য বা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ক্যান্সার আক্রান্তদের মনেও একটা প্রবল আস্থার সঞ্চার করেছিল। হাসপাতালের দিনরাত জোড়া ভিড় সেই আস্থার সংকেতই ভেসে বেড়িয়েছে, ভেসে বেড়াচ্ছে। এবং, সত্যি বলতে কি—একজন চিকিৎসক ঘুমে জাগরণে কেবল রোগী চিন্তায় মগ্ন, যেন সেই তাঁর একমাত্র সাধনা সেই তাঁর বিনোদন, যেন সেই তাঁর ধেয়ানের আলোকরেখা—এমনটি অন্তত আমি দ্বিতীয় দেখিনি। নিশ্চয়ই আছেন আরও অনেকেই—আমার দুর্ভাগ্য তাঁদের সাক্ষাৎ আমি পাইনি।
ডাক্তার আশিসের ‘ও কিছু না, ও কিছু না, ঠিক হয়ে যাবে’র মতো অভয়বাণী ক্যান্সারের মারণডাক বেজে চলা রোগীর বুকেও কতটা বাঁচার আবেগ জাগিয়ে তুলে তো তার সাক্ষ্য হাসপাতালে পা দিলেই মিলে যাবে আজও। বলতে কী ডাক্তার আশিসের আকস্মিক প্রয়াণে দেশরাজ্যের হাজারো মারণ রোগাক্রান্ত প্রকৃত অর্থেই বাজবিদ্যুতে ভরা খোলা আকাশের নীচে এসে পড়লেন। বজ্র ঠেকাবার যে আস্থাভরা বর্মটি এতদিন তাঁদের মাথার ওপর অতন্দ্র ছিল—আর রইল না। আজ নয়াবাদে তাঁর হাসপাতাল জুড়ে সেই হাহাকারই যেন ছড়িয়ে রয়েছে। রোগী-রোগিণী থেকে হাসপাতালকর্মী সকলের মুখেই যেন এক দূরসম্পর্কের নিকটাত্মীয় বিয়োগের কালশিটে ব্যথা।
এ তো বড় কম কথা না। তাহলে গর্বের সঙ্গে বলতে পারি তো—আমাদের রাজ্যেও এমন চিকিৎসা পরিষেবার আয়োজন সম্ভব, এমন রোগী আস্থা উপার্জন সম্ভব। এমন ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সমমানের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। দেওয়া হয়। ডাক্তার আশিস পেরেছেন। রাজ্য সরকারের হাসপাতালগুলোতে, স্বাস্থ্য কেন্দ্রে, সুপার স্পেশালিটিতে হাজার ত্রুটিবিচ্যুতি সত্ত্বেও চিকিৎসার উত্তম এবং আধুনিক আয়োজন যে আছে তাতেই বা সন্দেহ কী? আছেন প্রতিভাবান ডাক্তারবাবু চিকিৎসাকর্মীরা। না থাকলে রাজ্যের হাজারো লাখো গরিবগুর্বো, সাধারণ কি এমন সুস্থভাবে জীবন কাটাতে পারতেন? তারপরও যদি কেউ চান যাবেন, ভিন রাজ্যে মনোমতো চিকিৎসালয়ে—দূরসম্পর্কের নিকটাত্মীয় সন্ধানে। আপত্তি কীসের! তবে, গেলেই যে সব সময় মেলে না—সেই বাস্তবতাও কিন্তু স্বীকার করেন অনেকে। তাহলে উপায়? একটু ভাবুন।
 
30th  January, 2020
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
একনজরে
ট্রাম্প জমানা অতীত। আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই অবস্থায় ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণ কোন খাতে বইবে, জানাতে আগ্রহী কূটনৈতিক মহল। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। ...

২০১৫ সালের জুলাই মাসে যখন বালি পুরসভাকে হাওড়ার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তখন ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছিল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। কিন্তু রাজ্য সরকার তাদের সিদ্ধান্তে ...

ভোটের মুখে সুখবর। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীদের ভাতা বৃদ্ধি করল সরকার। মোট তিনটি ক্যাটিগরিতে সমানহারে দৈনিক ১৭ টাকা করে মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে। ...

বালুরঘাটে এসে কংগ্রেসের যে পার্টি অফিসটির উদ্বোধন করেছিলেন নেতাজি, তা আজ আত্রেয়ীর গর্ভে। বালুরঘাট শহরের যে বাড়িতে রাত্রিবাস করেছিলেন তিনি, সেটিরও একটি অংশ ভাঙা পড়েছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

পরাক্রম দিবস
১৮৫৯ - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু
১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯০৯ - কবি নবীনচন্দ্র সেনের মৃত্যু
১৯২০ - ভারতীয় উপমহাদেশের বিমানে মাল পরিবহণ ও ডাক যোগাযোগ শুরু
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’-এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু
১৯৮৪ – নেদারল্যান্ডের ফুটবল খেলোয়াড় আর্ইয়েন রবেনের জন্ম
১৯৮৯ - স্পেনীয় চিত্রকর সালভাদর দালির মৃত্যু
২০০২ - পাকিস্তানের করাচীতে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল অপহৃত হন এবং পরবর্তীকালে নিহত



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী ৩৬/২৬ রাত্রি ৮/৫৭। কৃত্তিকা নক্ষত্র ৩৭/৫৫ রাত্রি ৯/৩৩। সূর্যোদয় ৬/২২/২৩, সূর্যাস্ত ৫/১৪/৩৭। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী রাত্রি ৭/৫৯। কৃত্তিকা নক্ষত্র রাত্রি ৯/১১। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/১০ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে ও ৪/৪৭ গতে ৬/২৫ মধ্যে। 
৯ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভিক্টোরিয়াতে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রয়েছেন মমতাও

04:30:57 PM

নেতাজি ভবনে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:52:43 PM

রেস কোর্সে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টার 

03:24:11 PM

কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:14:41 PM

দেশের চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী করা হোক: মমতা 

02:29:17 PM

শুধু দিল্লি কেন ভারতের রাজধানী হবে: মমতা 

02:23:57 PM