Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দূরসম্পর্কের নিকটাত্মীয়
মেরুনীল দাশগুপ্ত

দিন পনেরো আগে কাগজে একটা সচিত্র খবর দেখে পড়ে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। হয়তো আমার মতো আরও অনেক সংবাদ-পাঠকেরও এমন দশা হয়েছিল। হতেই পারে। কারণ, খবরটা কেবল অভিনব ছিল না, ছিল যাকে বলে অবিশ্বাস্য, অভাবনীয়! কলকাতার একজন প্রথিতযশা প্রৌঢ় ডাক্তারবাবু যে অমন একটা কাণ্ড ঘটাতে পারেন, অমন সব অশ্রুতপূর্ব মন্তব্য করতে পারেন— সত্যি বলছি, এক লহমায় তা বিশ্বাস করে উঠতে কিছুতেই মন সায় দিচ্ছিল না। কিন্তু, লেখা অবিশ্বাস করা যায়—ছবি কি যায়? খবরের সঙ্গে ডাক্তারবাবুর ছবিও যে ছিল। তবুও যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না। বলছেন কি! দক্ষিণের নানা রাজ্যে যাঁরা চিকিৎসা করাতে যান তাঁরা ওনার কাছে চিকিৎসা পাবেন না! সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন, ‘দক্ষিণযাত্রী’ রোগী রোগিণীর চিকিৎসা করার ‘পারদর্শিতা’ ওনার নেই! মানে, ওনার কাছে চিকিৎসা পেতে হলে কেবল ওঁর কাছেই পড়ে থাকতে হবে? রোগীর সন্তোষ-অসন্তোষের পছন্দ-অপছন্দের কোনও ভূমিকা থাকবে না! হতে পারে! পাড়ায় মিষ্টির দোকান আছে বলে ভীম নাগ, দ্বারিক কি নকুড়ের মিষ্টি কেনা খাওয়া চলবে না! খেলে পাড়ার দোকান আমাকে রিফিউজ করবে! তুলনাটা হয়তো একটু সরল হয়ে গেল। তবে, আমি কখনই বলছি না, চিকিৎসার মতো মহান সেবা আর মিষ্টি খাওয়া এক ব্যাপার। কিন্তু সাধারণ বিচারে ওই ডাক্তারবাবুর ‘প্রত্যাখ্যান’ তত্ত্বটি কি প্রায় একই পর্যায়ের নয়! ডাক্তারবাবুদের যেমন অধিকার আছে, চাহিদা যোগ্যতা অনুযায়ী স্ব-স্ব পেশাদক্ষ পরিষেবার মূল্য (ফি) ঠিক করার, তেমনি রোগী রোগিণীরও কি অধিকার নেই পছন্দের চিকিৎসা পরিষেবা নেওয়ার? অবশ্যই আছে। একশোবার আছে। কিন্তু, স্বনামধন্য লিভার বিশেষজ্ঞ ওই ডাক্তারবাবুর কথায় কি সেই অধিকার স্বীকৃতি পেয়েছে!?
কে বলেছে, বাংলায় সুচিকিৎসক নেই, সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নেই বলে আজ মানুষজন দক্ষিণের বেঙ্গালুরু মুম্বই হায়দরাবাদ চেন্নাই ভেলোর ছুটছেন? যাঁরা দক্ষিণে ছুটছেন তাঁদের জিজ্ঞেস করুন, দেখুন কি উত্তর পান। সকলে স্বীকার করবেন, ওই লিভার বিশেষজ্ঞের মতো হাজারো ভালো চিকিৎসক এবং চিকিৎসাকেন্দ্র আছে রাজ্যে, আছে জটিল চিকিৎসার সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতিও। তাহলে কী নেই? নেই—সার্বিক পেশাদারিত্ব, রোগীর প্রতি দায়বদ্ধতা এবং ভালোবাসা। সে জন্যই ওঁদের মুখে শুনবেন, এখানে বলে দিলো ক্যান্সার, কেমো শুরু করে দিতে হবে। মুম্বই টাটায় গেলাম—বলল, কিসসু হয়নি। সামান্য ক’টাকার ওষুধ খেয়ে সেরে উঠলাম। ভাবুন! এরপর কার সাহস হবে? বাইপাসের বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে এমন ভূরি ভূরি অভিযোগ এসেছে এবং আসছে। শুধু কি তাই, আমার পরিচিত এক তরুণের বেশ কিছুদিন যাবৎ পেটে অস্বস্তি চলছিল, খাওয়াদাওয়ার ইচ্ছে চলে যাচ্ছিল। বাঘা বাঘা ডাক্তারদের কাছে ধারণা দিয়ে হাজার হাজার খরচা করেও সুরাহা হচ্ছিল না। কেউ কানের সোনোগ্রাফি করাতে বলছেন কেউ পেটের। কেউ বলছেন পেশি সমস্যা, ব্যায়াম করতে হবে! শেষমেশ গ্যাসট্রো সার্জন ডাক্তার মাইতি জানিয়ে দিলেন, গলব্লাডারে পাথর এবং সেটি বাদ দিতেই ফিট! যে ডাক্তারবাবু হাতে দক্ষিণযাত্রী প্রত্যাখ্যান প্ল্যাকার্ড নিয়ে সেদিন পিজি হাসপাতালে দাঁড়িয়ে ছবি তোলালেন, তিনি জানেন না এসব?
আর একটা ঘটনা বলি। আমার বন্ধু ওই এক পেটের সমস্যা ও ফুল অ্যাবডোমেন ইউএসজি রিপোর্ট নিয়ে গিয়েছিলেন এক ‘বিখ্যাত’ ডাক্তারবাবুর মধ্য কলকাতার চেম্বারে। গুরুগম্ভীর মুখে রিপোর্টে এক ঝলক চোখ বুলিয়েই তাঁর নিদান, ‘লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট। ওষুধটসুধ তেমন কিছু লাগবে না। তো, স্বাভাবিকভাবেই রোগী জানতে চেয়েছিলেন, ওই লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট কী? উত্তর শুনলে পিজির ডাক্তারবাবুও বোধ করি আমার মতো স্তম্ভিত হবেন। উত্তরটা ছিল—দেখুন, ওটা জানতে আপনাকে অমুক ডিপার্টমেন্টে যেতে হবে। গ্যাসট্রোর ‘সিলেবাসে’ তো ডায়েট থাকে না! ভাবুন এবার! ডাক্তারবাবুর ফি হাজার দেওয়া হয়ে গেছে এবার আর এক দফা দিতে হবে, তবে জানা যাবে ডায়েট! তারচেয়েও বড় কথা, সত্যিই কি পেটের হবু ডাক্তারবাবুদের সিলেবাসে ‘ডায়েট’ থাকে না? জানি না। কেউ আলোকপাত করলে আমাদের মতো সাধারণ বাধিত হয়। তবে, কথা হল—‘সিলেবাসে’ যদি নাও থাকে, তবু কি এটা মানতে হবে পেটের যন্ত্রপাতি বিশেষজ্ঞ একজন ডাক্তারবাবুর সামান্য একটা ডায়েটজ্ঞান নেই! নিশ্চয়ই আছে। আর আছেই যদি তাহলে জানাতে আপত্তি কেন? তাছাড়া, এমনকী একজন রোগীকে বলা যায়! এও তো এক ধরনের ‘প্রত্যাখ্যান’—তাই না?
এর ওপর আছে রাজনীতি। হাসপাতাল, নার্সিংহোম থেকে অপারেশন থিয়েটার—রাজনীতি কোথায় নেই? মনে পড়ছে, আজ থেকে বছর দশেক আগে চেন্নাইতে এক প্রবাদপ্রতিম শল্যচিকিৎসক, যাঁকে রোগীরা ব্রেন অপারেশনের ভগবান বলে আজও মানেন, এক আলাপচারিতায় আমাকে বলেছিলেন, সার্জন অপারেশন ঠিকঠাক করলেই যে শেষ অবধি তার পুরো সুফল রোগী পাবেন এমন কিন্তু নয়। সার্জন একেবারে সফল অস্ত্রোপচার করলেও তার পরের শুশ্রূষা (পোস্ট অপারেটিভ কেয়ার) যদি যথাযথ না হয় তবে বিপরীত ফলও হতে পারে। যে কোনও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ কর্তা থেকে চিকিৎসক থেকে নার্স, সাফাইকর্মী সকলে একযোগে একলক্ষ্যে কাজ করলে তবেই রোগী যথার্থ চিকিৎসা পান। সেটা যেখানে ঘটে না সেখানেই চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে, রোগী পরিবারে ছড়ায় অসন্তোষ অনাস্থা। তাছাড়া, রাজনীতি তো আছেই। সকাল থেকে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত যদি রাজনীতি ঠেলতে হয় তবে চিকিৎসাই বা হবে কখন আর সে সংক্রান্ত পড়াশোনাই বা করব কখন? বাম জমানার শেষদিকে এই রাজনীতির প্রকোপ থেকে রেহাই পেতে চেন্নাই চলে গিয়েছিলেন ওই বিখ্যাত সার্জন। এটাও তো সত্যি। অর্থাৎ কেবল রোগী নয়, অনেক কৃতী ডাক্তারবাবুও কিন্তু দক্ষিণপন্থী হয়েছেন। সুতরাং, দক্ষিণে চিকিৎসা করাতে যাওয়া রোগীদের ব্যাপারে ক্ষুণ্ণ হওয়ার আগে ডাক্তারবাবু একটু ভাববেন নিশ্চয়। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, দক্ষিণযাত্রা নিয়ে ওই ডাক্তারবাবু যতই ক্ষোভ প্রকাশ করুন, উনি কিছুতেই রোগী প্রত্যাখ্যান করবেন না। কারণ, ওঁর সুনামই এক্ষেত্রে ওঁর পথরোধ করে দাঁড়াবে এবং আন্তরিক চিকিৎসায় প্রণোদিত করবে। সে প্রণোদনা অস্বীকার করার ক্ষমতা ডাক্তারবাবুর নেই।
কারণ, দিন শেষের বিচারে ওঁর মতো প্রতিভাবান ডাক্তারবাবু মাত্রেই রোগীর দূরসম্পর্কের নিকটাত্মীয়। রোগজ্বালার শত যন্ত্রণার মধ্যেও আত্মার শান্তি, প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ। আর এই আত্মীয়তার বন্ধন খারিজ করা কি ডাক্তার কি রোগী—উভয়ের পক্ষেই অসম্ভব। কতটা অসম্ভব—তা দেখিয়ে দিয়ে গেলেন অকালপ্রয়াত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ আশিস মুখোপাধ্যায়। কলকাতার চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তোলেন, ক্যান্সার চিকিৎসার ব্যয়বাহুল্য ভেবে যাঁরা দিশেহারা হয়ে যান—তাঁদের চোখে কার্যত আস্থা-বিশ্বাসের ধ্রুবতারা হয়ে উঠেছিলেন ডাক্তার আশিস এবং তাঁর স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠান নেতাজি সুভাষ ক্যান্সার রিসার্চ হাসপাতাল। একেবারে হতদরিদ্র থেকে ধনী—আশিসের হাসপাতালে সমমর্যাদা ও সমগুরুত্বে চিকিৎসা পেয়েছেন, পাচ্ছেন। আশা করব, তাঁর অবর্তমানেও এর কোনও ব্যত্যয় হবে না। লোকমুখে শুনে বলছি না।
বিগত দশ বছরেরও অধিককাল ওই চিকিৎসালয়ের পরিষেবা নিতে গিয়ে আমার সাধারণ অভিজ্ঞতার কথাই বললাম। ক্যান্সারের মারণ থাবা থেকে হয়তো তিনি সমস্ত রোগীকে রক্ষা করতে পারেননি কিন্তু তাঁর ঐকান্তিক চিকিৎসা প্রয়াস রাজ্যের এমনকী ভিনরাজ্য বা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ক্যান্সার আক্রান্তদের মনেও একটা প্রবল আস্থার সঞ্চার করেছিল। হাসপাতালের দিনরাত জোড়া ভিড় সেই আস্থার সংকেতই ভেসে বেড়িয়েছে, ভেসে বেড়াচ্ছে। এবং, সত্যি বলতে কি—একজন চিকিৎসক ঘুমে জাগরণে কেবল রোগী চিন্তায় মগ্ন, যেন সেই তাঁর একমাত্র সাধনা সেই তাঁর বিনোদন, যেন সেই তাঁর ধেয়ানের আলোকরেখা—এমনটি অন্তত আমি দ্বিতীয় দেখিনি। নিশ্চয়ই আছেন আরও অনেকেই—আমার দুর্ভাগ্য তাঁদের সাক্ষাৎ আমি পাইনি।
ডাক্তার আশিসের ‘ও কিছু না, ও কিছু না, ঠিক হয়ে যাবে’র মতো অভয়বাণী ক্যান্সারের মারণডাক বেজে চলা রোগীর বুকেও কতটা বাঁচার আবেগ জাগিয়ে তুলে তো তার সাক্ষ্য হাসপাতালে পা দিলেই মিলে যাবে আজও। বলতে কী ডাক্তার আশিসের আকস্মিক প্রয়াণে দেশরাজ্যের হাজারো মারণ রোগাক্রান্ত প্রকৃত অর্থেই বাজবিদ্যুতে ভরা খোলা আকাশের নীচে এসে পড়লেন। বজ্র ঠেকাবার যে আস্থাভরা বর্মটি এতদিন তাঁদের মাথার ওপর অতন্দ্র ছিল—আর রইল না। আজ নয়াবাদে তাঁর হাসপাতাল জুড়ে সেই হাহাকারই যেন ছড়িয়ে রয়েছে। রোগী-রোগিণী থেকে হাসপাতালকর্মী সকলের মুখেই যেন এক দূরসম্পর্কের নিকটাত্মীয় বিয়োগের কালশিটে ব্যথা।
এ তো বড় কম কথা না। তাহলে গর্বের সঙ্গে বলতে পারি তো—আমাদের রাজ্যেও এমন চিকিৎসা পরিষেবার আয়োজন সম্ভব, এমন রোগী আস্থা উপার্জন সম্ভব। এমন ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে সমমানের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। দেওয়া হয়। ডাক্তার আশিস পেরেছেন। রাজ্য সরকারের হাসপাতালগুলোতে, স্বাস্থ্য কেন্দ্রে, সুপার স্পেশালিটিতে হাজার ত্রুটিবিচ্যুতি সত্ত্বেও চিকিৎসার উত্তম এবং আধুনিক আয়োজন যে আছে তাতেই বা সন্দেহ কী? আছেন প্রতিভাবান ডাক্তারবাবু চিকিৎসাকর্মীরা। না থাকলে রাজ্যের হাজারো লাখো গরিবগুর্বো, সাধারণ কি এমন সুস্থভাবে জীবন কাটাতে পারতেন? তারপরও যদি কেউ চান যাবেন, ভিন রাজ্যে মনোমতো চিকিৎসালয়ে—দূরসম্পর্কের নিকটাত্মীয় সন্ধানে। আপত্তি কীসের! তবে, গেলেই যে সব সময় মেলে না—সেই বাস্তবতাও কিন্তু স্বীকার করেন অনেকে। তাহলে উপায়? একটু ভাবুন।
 
30th  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
নিউ ইয়র্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): কানেক্টিকাটের একটি নাইটক্লাবে গুলিচালনার ঘটনায় প্রাণ হারালেন একজন। আহতের সংখ্যা চার। রবিবার ভোরে ‘ম্যাজেস্টিক লাউঞ্জ’-এর ক্লাবে এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই হামলা চালায় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দাবিদাওয়ার মধ্যে কয়েকটি মিটলেও, বেতন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু দাবি এখনও অনিশ্চিত। এমনই অভিযোগ অধ্যাপকদের। রবিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নমেন্ট কলেজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ৪৮তম বার্ষিক সম্মেলনে তা নিয়েই সরব হলেন তাঁরা।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে বালিবোঝাই লরিকে ধাক্কা মারল যাত্রীবোঝাই বাস। ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাসের হেল্পার। অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন আরও ১৫ জন বাস ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: শনিবার রাতে নবগ্রাম থানার পলসণ্ডায় ৩৪নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন লাগায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বহরমপুর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ট্রাকে থাকা সমস্ত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
স্ত্রীর সাহায্যে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ধৃত দম্পতি 
বাঘাযতীনে স্ত্রীর সাহায্যে বছর ২২-এর এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ। অভিযুক্ত ...বিশদ

07:34:00 PM

পাকিস্তানের কোয়েটায় বিস্ফোরণ, মৃত কমপক্ষে ৭, জখম ২০

06:58:00 PM

মত্ত অবস্থায় পুলকার চালানোর অভিযোগে আটক চালক 
পোলবায় পুলকার দুর্ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। রাজ্যজুড়ে পুলকার আটকে ...বিশদ

05:58:22 PM

নির্ভয়াকাণ্ডের দোষীদের ফাঁসি ৩ মার্চ
নতুন করে ফের নির্ভয়াকাণ্ডের দোষীদের ফাঁসির দিনক্ষণ ঘোষণা হল। আগামী ...বিশদ

04:22:33 PM

  বেলেঘাটায় দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল চলন্ত গাড়ি
দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল চলন্ত গাড়ি। ঘটনাটি কলকাতার বেলেঘাটা ...বিশদ

03:49:00 PM

শাহিনবাগ মামলায় মধ্যস্থকারী নিয়োগ সুপ্রিম কোর্টের
শাহিনবাগ মামলায় মধ্যস্থকারী নিয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট। আজ এই মামলায় ...বিশদ

02:41:45 PM