Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আম আদমির বাজেট প্রত্যাশা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

১৯৯১ সালে বাজেট পেশ করার আগে ভিক্টর হুগোকে উদ্ধৃত করেছিলেন মনমোহন সিং... ‘কোনও ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার যদি সময় এসে থাকে, তাকে ঠেকানোর ক্ষমতা পৃথিবীর কোনও শক্তির নেই।’ ভারতের অর্থনীতিকে পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাটাই ছিল সেই ভাবনা। আর কখন? বৈদেশিক ঋণ যখন জাতীয় গড় উৎপাদন বা জিডিপির ২৩ শতাংশ, আর অভ্যন্তরীণ ঋণ জিডিপির ৫৫ শতাংশ। একটা দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে যা মোটেও ভালো বিজ্ঞাপন নয়! বেকারত্ব বাড়ছে, লাইসেন্স রাজ ও সরকারি লাল ফিতের ফাঁসে আটকে মহা সঙ্কটে শিল্প, উৎপাদন তলানিতে, আর তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ধুঁকছে আর্থিক বৃদ্ধির হার। এই রোগের লক্ষণ আরও ছিল... আর্থিক ঘাটতি জিডিপির ৮ শতাংশ, পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির হার ১৩ শতাংশ আর খুচরোয় মূল্যবৃদ্ধির হার ১৭ শতাংশ। সোজা কথায় আটের দশকের শেষে ভারতের অর্থনীতি কার্যত পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। আর এমন একটা সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের অর্থমন্ত্রকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন মনমোহন সিং। পেশ করেছিলেন ওই বাজেট। ভারতে আর্থিক উদারনীতির প্রবেশ ঘটেছিল সেদিন। তাই ওই বছরের বাজেট ভারতের অর্থনীতির জন্য একটা মাইল ফলক হয়ে রয়েছে। সেই সময়... আর এই সময়।
আরও একটা বাজেট আসন্ন। কোনও সন্দেহ নেই ভারতের অর্থনীতি এখনও প্রবল টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। বেকারত্ব গত ৪৫ বছরের মধ্যে সর্বাধিক, জাতীয় গড় উৎপাদনের হার ছ’বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন, দেশ-বিদেশের অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা তোপ দেগে চলেছেন... এই পরিস্থিতিতে বাজেট পেশ করা কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেই কাজটাই শনিবার করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থনীতি নিয়ে সাম্প্রতিক বৈঠকে তাঁকে দেখা যায়নি ঠিকই, তবে রাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের সঙ্গে হালুয়া উৎসব পালন করে ফেলেছেন। বিশেষজ্ঞরা চ্যানেলে চ্যানেলে বসে পড়েছেন বাজেট পূর্বাভাস দিতে। সঙ্গে অবশ্য বিশ্লেষণ চলছে, অর্থমন্ত্রীর হাতে এই বাজেট সংক্রান্ত ঠিক কতটা ক্ষমতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই যে এবার চালিকাশক্তি হয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন, তা গোটা দেশ দেখছে। তাই এই বাজেট নিয়ে নির্মলার থেকেও বেশি আশা-আতঙ্ক জমাট বেঁধে আছে নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আশার আলো একটাই, যতই বেহাল হোক না কেন, তাঁর জমানার অর্থনৈতিক হাল সেই ‘মনমোহনী’ বাজেট পেশ করার সময়ের তুলনায় অন্তত ভালো। দেখা যাক, এবার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ঠিক কী?
১) প্রথমেই আসতে হবে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে। বাজেটে এমন কোনও পদক্ষেপ সরকারকে ঘোষণা করতেই হবে, যার মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধিতে লাগাম দেওয়া যায়। এই মুহূর্তে মূল্যবৃদ্ধির হার ৭.৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে। আনাজ, আলু, পেঁয়াজ আগুন দাম। দৈনন্দিন বাজার করতেই মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। আর প্রবল লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদর। এর অবশ্য আর একটা কারণও রয়েছে—জিএসটি। নোট বাতিল ছোটখাট কোম্পানিগুলির কোমর ভেঙে দিয়েছিল। আর জিএসটি সোজা কথায় পথে বসিয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উপরও জিএসটি এমনভাবে মেঘ বিস্তার করে রেখেছে যে, নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনধারণই অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। সরকার এবং জিএসটি নির্ধারক কমিটিকে সবার আগে এদিকে নজর দিতে হবে। মানুষের হাতে টাকার জোগান নেই। বড় কোম্পানিগুলিতে লাগাতার ছাঁটাই হচ্ছে। এবং যাঁদের চাকরি যাচ্ছে, শত চেষ্টা করে তাঁরা নতুন চাকরি জোটাতে পারছেন না। ডিগ্রি বা অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও। কঠিন সত্যিটা হল, কোম্পানিগুলি খরচ কোনও মতেই বাড়াতে চাইছে না। লোকসান করে কর্মী নিয়োগ তারা করবে না। বাজারে পণ্যের চাহিদা থাকলে উৎপাদন বাড়বে, তখন না হয় কর্মসংস্থানের কথা ভাবা যাবে। আপাতত নয়। তাও বড় কোম্পানিগুলি কিছুটা হলেও ভারসাম্য বজায় রেখে চলছে। বেহাল অবস্থা ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র সেক্টরের। এই এমএসএমই ক্ষেত্রকে চাঙ্গা করার জন্য ১২ হাজার কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ চেয়েছেন নীতিন গাদকারি। যদি এই সেক্টরকে চাঙ্গা করা যায়, তাহলে তা অর্থনীতির পক্ষে মঙ্গল হবে। কারণ এই ছোটখাট শিল্পগুলিতেই সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়ে থাকে। তবে প্রস্তাব বা ভাবনা তো এই একটা নয়! আরও অনেক আছে। তার জন্য অর্থের জোগান হবে কীভাবে? এয়ার ইন্ডিয়ার ১০০ শতাংশ বেসরকারিকরণ করছে কেন্দ্র। পাশাপাশি তালিকায় রয়েছে ভারত পেট্রলিয়ামের মতো সংস্থাও। এ কথা সত্যি, লাভজনক সংস্থার শেয়ার বিক্রি না করলে কাঙ্ক্ষিত দাম সরকার পাবে না। যে সংস্থা ধুঁকছে, তার শেয়ার ছাড়লে কম দামই পাওয়া যাবে। আর সরকারের লক্ষ্য অর্থনীতির হাল ফেরানো। তাই নজরে লাভজনক সংস্থাই থাকবে। একইসঙ্গে কৃষিক্ষেত্রে বরাদ্দ বাড়ানোও জরুরি। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে দেশের প্রায় সর্বত্র কাঁচা সব্জির দাম সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। কৃষিক্ষেত্র, বিশেষত কৃষি গবেষণায় বরাদ্দ বাড়িয়ে এবং পাশাপাশি উৎপাদন বৃদ্ধিতে জোর দিলে এই সঙ্কট থেকে মুক্তির দিশা মিলতে পারে।
২) ব্যক্তিগত আয়কর। এখন আড়াই লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে কোনও কর দিতে হয় না। আড়াই থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা আয় পর্যন্ত কর দিতে হয় ৫ শতাংশ। পাঁচ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আয়ের জন্যে ২০ শতাংশ এবং তার উপর ৩০ শতাংশ কর দিতে হয়। বছর খানেক হতে চলল, উৎপাদন ক্ষেত্রে বিপুল ধাক্কা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তলানিতে এসে ঠেকায় মরিয়া হয়ে কেন্দ্রীয় সরকার একটা পদক্ষেপ নিয়েছিল... কর্পোরেট ট্যাক্স কমিয়ে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত করে দেওয়া। ভাবনা ছিল, মুকেশ আম্বানি, আদানি, বিড়লাদের মতো ধনকুবেরদের কর্পোরেট কর কমিয়ে আনলে সেই বেঁচে যাওয়া টাকা তাঁরা এবং অন্যান্য সব বড় সংস্থাই উৎপাদনে বিনিয়োগ করবেন। কর্মসংস্থান বাড়বে, বাজারও গতি পাবে। বাস্তবে তা হয়নি। মাঝখান থেকে ব্যক্তিগত আয়করের সর্বোচ্চ স্ল্যাব নামিয়ে আনার দাবি প্রবল হয়েছে। আর তা হওয়ার সম্ভাবনাও বিলক্ষণ রয়েছে। কারণ, কর্পোরেট কর ২৫ শতাংশ, আর ব্যক্তিগত আয়কর ৩০ শতাংশ... এটা তো হতে পারে না! কাজেই আসন্ন বাজেটে ব্যক্তিগত আয়করের দিক থেকে সাধারণ চাকরিজীবীরা লাভবান হতে পারেন। তাও বিষয়টা সম্ভাবনা আকারেই আছে। তার কারণ, লোকসভা নির্বাচন সদ্য শেষ হয়েছে। আগামী চার বছর তো মোদি সরকার নিশ্চিন্ত! এখনই আয়করে বড় ছাড়ের মতো ঘোষণা করে দিলে ভোটের আগে কী হবে?এই প্রশ্ন আপাতত শনিবার পর্যন্ত সিন্দুকে তোলা থাক। এই কয়েকটা ঘণ্টা খানিক আশা নিয়ে ঘর করার মতো হোক। আসা যাক পরের সম্ভাবনায়।
৩) এই মুহূর্তে সাধারণ মানুষ জীবনবিমা, পিপিএফের মতো খাতে সঞ্চয় বা বিনিয়োগ করে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পেতে পারেন। এই খাতে ছাড়ের অঙ্কটা যদি সরকার আড়াই লক্ষ টাকা পর্যন্তও করে, তাহলে মানুষ বিনিয়োগ করার দিকে ঝুঁকবে। এর থেকে সরকারের কোষাগারে যে টাকাটা ঢুকবে, তা দিয়েও কেন্দ্রীয় সরকার পরিকাঠামো খাতে খরচ বাড়াতে পারবে। একইসঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেসরকারিকরণের পর যে অর্থ হাতে আসবে, তাও এই খাতে ব্যয় করতে পারে কেন্দ্র। তাহলে বাজারে নগদের জোগান বাড়বে। এছাড়া বাজেটে ৫০ হাজার টাকার স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের অঙ্কটা বাড়িয়ে ৭৫ থেকে ৮০ হাজারে নিয়ে যাওয়ার কথাও ভাবতে পারে কেন্দ্র। সেটাও সাধারণ চাকরিজীবীকে কিছুটা স্বস্তি দেবে।
৪) গৃহঋণের সুদে এখন আমরা আয়করে সরাসরি ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড় পেয়ে থাকি। এই পরিমাণটা যদি বাড়ানো যায়, তাহলে ঋণ নিয়ে জমি বাড়ি কেনার দিকে মানুষ আরও বেশি করে ঝুঁকবে। লাভের মুখ দেখবে ব্যাঙ্কগুলি। তার উপর ৪৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দামের ফ্ল্যাট বা বাড়ি কিনলে আয়করে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড়ের ঘোষণা করে রেখেছেন নির্মলা সীতারামন। ৪৫ লক্ষ টাকার উচ্চসীমা যদি আরও বাড়ানোর ঘোষণা এই বাজেটে হয়, সেটাও অদূর ভবিষ্যতে গৃহঋণের ক্ষেত্রে বাড়তি সম্ভাবনা নিয়ে আসতে পারে। কারণ, কলকাতা শহরের মধ্যে ফ্ল্যাট কিনতে গেলে ৪৫ লক্ষ টাকার বাজেট অনেক সময়ই কম মনে হয়। অথচ, বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত চাকরিজীবীরা অনেকেই এখন এমন বেতন পান, যা দিয়ে লোন করে ৫০ লক্ষ টাকার বেশি দামি ফ্ল্যাট কেনাই যায়। আর যদি দিল্লি বা মুম্বইয়ের মতো শহরকে তালিকায় আনতে হয়, ৪৫ লক্ষ টাকার মধ্যে বলতে গেলে একটা বাথরুম আর একটা বারান্দা মিলতে পারে। কাজেই ৪৫ লক্ষ টাকার অঙ্কটাকে সরকার ৭০-৭৫ লক্ষে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবলে মন্দ হয় না।
সার্বিকভাবে দেখতে গেলে, এই মুহূর্তে মোদি সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব। এই দুয়ের সাঁড়াশি চাপে আম ভারতীয়দের সঙ্কট প্রতিদিন বাড়ছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে বুঝতে হবে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে থাকলে তার প্রভাবটা কিন্তু রান্নাঘরের পাশাপাশি ভোটযন্ত্রেও পড়বে। পরের সপ্তাহেই দিল্লি নির্বাচন। তারপর একে একে অন্য বহু গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য বিধানসভা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এবং বিজেপিকে মনে রাখতে হবে, সাম্প্রতিক ইতিহাসে প্রায় সব রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেই তাদের ডুবতে হয়েছে। এই বাজেটে তাই সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য হওয়া উচিত দু’টি—কর্মসংস্থান এবং বাজারে টাকার জোগান। একমাত্র তবেই বাজারে পণ্যের চাহিদা তৈরি হবে। সেই চাহিদা পূরণ করতে গেলে উৎপাদন বাড়াতে হবে। এবং ভারতের অর্থনীতি ফের গায়ের ধুলো ঝেড়ে উঠে দাঁড়াবে। কিন্তু নির্মলা সীতারামনের বাজেট কি সেই দিশা দেখাবে? সেই কৌশলী এবং দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার জোরও কি আছে মোদি সরকারের? উত্তর মিলবে ১ ফেব্রুয়ারি।
তবে নরেন্দ্র মোদির আক্ষেপ এখানেই একটাই হওয়া উচিত... তাঁর মন্ত্রিসভায় কোনও মনমোহন সিং নেই।
28th  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
নিউ ইয়র্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): কানেক্টিকাটের একটি নাইটক্লাবে গুলিচালনার ঘটনায় প্রাণ হারালেন একজন। আহতের সংখ্যা চার। রবিবার ভোরে ‘ম্যাজেস্টিক লাউঞ্জ’-এর ক্লাবে এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই হামলা চালায় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।   ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: শনিবার রাতে নবগ্রাম থানার পলসণ্ডায় ৩৪নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন লাগায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বহরমপুর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ট্রাকে থাকা সমস্ত ...

হায়দরাবাদ, ১৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট’ (এফআরবিএম) মেনে বাজেট পেশ করা হয়েছে। তাই রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে সেই আইন লঙ্ঘন করা হয়নি। যাবতীয় জল্পনা, বিতর্কে জল ঢেলে রবিবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।  ...

হ্যামিলটন, ১৬ ফেব্রুয়ারি: নিউজিল্যান্ডের কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াইটওয়াশের ধাক্কা ভারতীয় দল যে ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠছে, তা বিরাট কোহলিদের দেখলেই বোঝা সম্ভব। ২১ ফেব্রুয়ারি শুরু ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হুগলিতে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু বারাসত পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর
রবিবার সন্ধ্যায় হুগলীর শিয়াখালা দেশমুখ মোড়ে এক মর্মান্তিক গাড়ি ...বিশদ

16-02-2020 - 10:17:42 PM

ভাঙল নির্মিয়মাণ ফারাক্কা সেতু, মৃত ১
ফের রাজ্যে ভেঙে পড়ল একটি নির্মিয়মাণ সেতু। মূর্শিদাবাদে ফারাক্কা ব্রিজের ...বিশদ

16-02-2020 - 10:12:00 PM

রাজাবাজার চালপট্টিতে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকল 

16-02-2020 - 02:38:13 PM

ময়নাগুড়িতে চা বাগানের বিশ্রামাগার থেকে প্রৌঢ়ার দেহ উদ্ধার 
ময়নাগুড়ি ব্লকের ব্যাঙকান্দি এলাকার একটি চা বাগানের বিশ্রামাগার থেকে এক ...বিশদ

16-02-2020 - 01:15:47 PM

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল 

16-02-2020 - 12:20:52 PM

মুর্শিদাবাদের ইসলামপুরে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ৪ 

16-02-2020 - 11:59:51 AM