Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করে সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুতি
পি চিদম্বরম

আর একটি বছর শুরু হল, আর একটি বাজেট পেশের অপেক্ষা, এবং এটি ভারতীয় অর্থনীতির আর একটি গুরুতর বছর।
২০১৬-১৭ সাল থেকে প্রতিটি বছর আমাদের জন্য অনেক বিস্ময় এবং ব্যথা নিয়ে এসেছে। ২০১৬-১৭ গিয়েছে সর্বনাশা নোটবন্দির বছর। ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং সেটা তড়িঘড়ি রূপায়ণের বছর গিয়েছে ২০১৭-১৮। আর ২০১৮-১৯ গিয়েছে সেই বছরটা, যেবার অর্থনীতি পতনের সূচনা দেখল এবং বৃদ্ধির হার প্রত্যেক ত্রৈমাসিকে (কোয়ার্টার) একটু একটু করে নেমে যেতে থাকল। সেবার বৃদ্ধির হার নেমে গিয়েছিল এইভাবে: ৮.০, ৭.০, ৬.৬ ও ৫.৮ শতাংশ। শেষমেশ ২০১৯-২০ একটি নষ্ট হয়ে যাওয়া বছর হিসেবেই কাটল। কারণ, সরকার কারও কোনও সতর্কবার্তা গ্রাহ্য করল না এবং বৃদ্ধির হারটা ৫ শতাংশের নীচে নেমে যেতে দিল।
বিপর্যয়ের ব্যাপ্তি
এখন একেবারে স্পষ্ট হয়েছে যে:
 ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের হিসেব-নিকেশ চূড়ান্ত হলে দেখা যাবে যে বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশের নীচে নথিভুক্ত হয়েছে।
 বাজেট এস্টিমেটের তুলনায় সরকারের রাজস্ব ঘাটতি হবে চোখে পড়ার মতো—নিট কর রাজস্ব এবং বিলগ্নিকরণের মতো দুটি প্রধান খাতেই।
 বাজেট এস্টিমেটে ফিসকাল ঘাটতি ৩.৩ শতাংশ ধরা হয়েছিল। এবার সেটা ৩.৮-৪.০ শতাংশের কাছাকাছি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
 পূর্ববর্তী বছরের সাপেক্ষে পণ্যের আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসার দুটিতেই বৃদ্ধির হার নেতিবাচক হতে চলেছে।
 বর্তমান মূল্যমানে বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের অঙ্কটা প্রায় ৫৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৩১ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। (বলে রাখা দরকার, বিনিয়োগের পরিমাণটা নির্ধারণ করা হয়েছে গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফর্মেশন বা জিএফসিএফ পদ্ধতিতে।) বেসরকারি বিনিয়োগের এই চেহারা ঝুঁকিগ্রহণে বিনিয়োগকারীদের অনীহা এবং অবসন্নতার লক্ষণ নির্ণায়ক।
 বছরটা জুড়ে ব্যক্তিগত উপভোগে অনীহাই লক্ষ করা গিয়েছে।
 কৃষি ক্ষেত্রটির কেটেছে ভয়ঙ্কর চাপের মধ্যে এবং পরিণামে বৃদ্ধির হার ২ শতাংশের মতো দাঁড়াবে।
 উল্লেখযোগ্য হারে কাজের সুযোগ তৈরি হয় ম্যানুফ্যাকচারিং, খনি এবং নির্মাণশিল্প ক্ষেত্রে। ২০১৯-২০ সালে এইসব ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের করুণ দশা, দেশের সার্বিক কর্মসংস্থান সঙ্কুচিত করবে।
 শিল্পে ঋণগ্রহণের ক্ষমতা বাড়েনি। এই প্রশ্নে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রের। পূর্ববর্তী বছরের সাপেক্ষে শিল্পে সার্বিকভাবে ঋণবৃদ্ধির (ক্রেডিট গ্রোথ) হার হবে নেতিবাচক।
 খুচরো মূল্যসূচকের (কনজ্যুমার প্রাইস ইনডেক্স বা সিপিআই) উপর ভিত্তি করে বছর শেষে যে মুদ্রাস্ফীতি নির্ধারিত হয়, সেটা এবার ৭ শতাংশ ছাপিয়ে যাবে, যার ভিতরে খাদ্যদ্রব্যের দামের বৃদ্ধি ঘটবে ১০ শতাংশের বেশি। এই দুর্ভোগের সঙ্গে যুক্ত হবে কর্মহীনতার বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের মজুরি বা সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধি না-হওয়ার মতো সমস্যাটি।
প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ানের মতে, ভারতের অর্থনীতির গতি হয়েছে ‘ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট’-এ। পাশাপাশি, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, অর্থনীতি ধুঁকছে (doing badly)। সমালোচকদের পর্যবেক্ষণ থেকে সরকারকে এমন উদ্বিগ্ন মনে হয়নি যে পরবর্তী ত্রৈমাসিকে উন্নতি করার মতো পদক্ষেপ তারা করবে। কারণ সরকারটি আচরণে চোখ বোজা (উটপাখির মতো) গোছের। তার ফলে, প্রতিটি ক্ষেত্রে যথার্থ সুরাহার প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। পরিবর্তে সরকার যেসব পদক্ষেপ করেছে তার সবই ভুলভাল। উদারহণ দিচ্ছি: যদি কর ছাড় দিতে হয়, তবে সরকারের উচিত অপ্রত্যক্ষ করে ছাড় দেওয়া। তার পরিবর্তে এই সরকার কী করল? বৃহৎ ব্যবসায়ীদের (কর্পোরেট সেক্টর) কপাল খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করল। তাদের দেওয়া হল ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকার কর ছাড়। প্রতিদানে কোনও বড় মাপের শিল্প-বাণিজ্য লগ্নি দেশ পায়নি। সরকারের উচিত ছিল গরিবের হাতে টাকার জোগান বাড়িয়ে দিয়ে বাজারে সাধারণ পণ্যের চাহিদায় জোয়ার আনা। পরিবর্তে, গরিব মানুষের কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে গত বছর যা বাজেট বরাদ্দ ধরা হয়েছিল, তা ছেঁটে দেওয়া হল। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—১০০ দিনের কাজ (এমজিএনআরইজিএ), স্বচ্ছ ভারত মিশন, শ্বেত বিপ্লব, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। বরাদ্দ সঙ্কোচনের পর যে অর্থ ধরা হয়েছিল, খরচপাতি বাস্তবে তার চেয়েও কম হয়ে থাকতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর বাজেট: তিনি কী করবেন?
অর্থমন্ত্রী অথবা তাঁর সহকারীদের ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী যখন ১২ জন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেখা করলেন, তখন অর্থমন্ত্রীর ভিতরে ভয় ভয় ভাব এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ করা গেল। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত সংবাদ এবং অংশগ্রহণকারীদের তরফে রেখে যাওয়া কিছু সংকেত থেকে অনুমান করছি যে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারির বাজেটে নীচের ব্যাপারগুলি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে:
১. যেসব ব্যক্তির বার্ষিক আয় ১০ লক্ষ টাকার ভিতর, আয়কর হারে তাঁদের কিছু সুরাহা দেওয়া।
২. কোম্পানির কাগজ (সিকিউরিটি) দু’বছরের বেশি সময় ধরে রাখার কারণে যে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভ (লং টার্ম ক্যাপিটাল গেইনস) হয়, তার উপর প্রদেয় কর প্রত্যাহার করে নেওয়া অথবা ওই কর কমিয়ে দেওয়া।
৩. ডিভিডেন্ড বণ্টন কর (ডিভিডেন্ড ডিস্ট্রিবিউশন ট্যাক্স) -এর হার কমানো।
৪. প্রত্যক্ষ কর সূচক (ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস কোড) প্রবর্তনের আশ্বাস।
৫. বাছাই কয়েকটি ক্ষেত্রে জিএসটিতে স্বল্প মেয়াদি হ্রাস। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য হল নির্মাণ শিল্প।
৬. পিএম-কিষানে নাগরিকদের বার্ষিক প্রাপ্যের অঙ্কটা ৬০০০ টাকার বেশি করা এবং/অথবা এই স্কিমে বেনিফিসিয়ারি বা উপকৃত ব্যক্তিদের তালিকায় আরও কিছু শ্রেণীকে যুক্ত করা।
৭. কর রাজস্ব আদায়ের অঙ্কটা ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হতে পারে অথবা বিরাট অঙ্কের ঋণ নেওয়া হতে পারে। আর সেইমতো প্রতিরক্ষা, ১০০ দিনের কাজ, এসসি এসটি ওবিসি ও সংখ্যালঘু ছাত্রবৃত্তি, আয়ুষ্মান ভারত (স্বাস্থ্য বিমা) প্রভৃতি কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যয় বরাদ্দ অনেকখানি বাড়িয়ে দেওয়া।
৮. সাধারণভাবে শিল্পে এবং নির্দিষ্ট করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোগীদের (এসএমই) জন্য দীর্ঘ মেয়াদি ঋণের জোগান দিতে একটি অথবা দুটি ডেভেলপমেন্টাল ফিনান্স ইনস্টিটিউশন (ডিএফআই) প্রতিষ্ঠা করা।
৯. সংকীর্ণ উদ্দেশ্যে সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিরাট আকারে বিলগ্নিকরণ কর্মসূচি এবং/অথবা সরকারি সম্পদ বেচে অর্থ সংগ্রহের কর্মসূচি নেওয়া।
প্রতিবন্ধক অর্থনীতি
উপরে যেগুলি বলা হল সবই সরকারের চিন্তা-ভাবনা স্তরের কথা। সরকার ভীষণভাবে আস্থা রেখেছে—পুঁজির জন্য কর্পোরেট সেক্টরের উপর, ভোটের জন্য মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উপর এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগের উপর। কাঠামোগত সংস্কারের উপযোগী ভাবনা-চিন্তার ক্ষমতা এই সরকারের সীমিত। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা মারফত ঋণ জোগানোর ব্যাপারে এই সরকারের আত্মবিশ্বাস নেই। সংরক্ষণ নীতির সমর্থক বা অবাধ বাণিজ্যের বিরোধী লবিকে ধন্যবাদ এই কারণে যে, বাণিজ্যবৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে বৈদেশিক বাণিজ্যে ‘গিভ আপ’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। শেয়ার বাজারের হাসিখুশি ভাব কমাতে নারাজ সরকার। এই সরকার ব্যাখ্যা করতে পারে না তার সঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (আরবিআই) সম্বন্ধ এবং স্থির করতে পারে না—দু’জনে মিলে দেশের আর্থিক সুস্থিতি কীভাবে বজায় রাখতে পারে, আর্থিক বৃদ্ধিতে গতি আনতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি বাগে আনতে পারে।
অর্থনীতিটা বিজেপি সরকারের প্রধান চিন্তার বিষয় নয়। এই সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয় হল ‘হিন্দুত্ব’-এর কর্মসূচি। অন্যদিকে, দেশবাসীর চিন্তা অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি—যেমন আরও চাকরি বা কর্মসংস্থান, উৎপন্ন পণ্যের আর-একটু ভালো দাম, শ্রমিকদের আরও কিছুটা বেশি মজুরি বা আয়, আপেক্ষিক মূল্যের স্থিরতা (রিলেটিভ প্রাইস স্টেবিলিটি), আর-একটু ভালো শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা সাধারণের নাগালে আসা, এবং উন্নত পরিকাঠামো।
পরিতাপের সঙ্গে এটাই স্পষ্ট যে, ভারতের মানুষ এমন একটি সরকার পেয়েছে যে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতীয় অর্থনীতির গুরুত্ব ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। আর এই কারণেই আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আইএমএফ) বিরক্তির সঙ্গেই উচ্চারণ করেছে—‘ড্র্যাগ অন দি ওয়ার্ল্ড ইকনোমি’। 
26th  January, 2020
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
একনজরে
২০১৫ সালের জুলাই মাসে যখন বালি পুরসভাকে হাওড়ার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তখন ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছিল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। কিন্তু রাজ্য সরকার তাদের সিদ্ধান্তে ...

ভাতার থানার বড়বেলুনে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাঠের ধারে বাবলা গাছে মাফলার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মৃতের নাম বাপন দাস (৩৭)।   ...

জাতীয় দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক প্রশান্ত ডোরার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। শুক্রবার তিনি ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তাঁর প্লেটলেটের সংখ্যা নেমে এসেছে তিন হাজারে। কমেছে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও।   ...

ট্রাম্প জমানা অতীত। আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই অবস্থায় ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণ কোন খাতে বইবে, জানাতে আগ্রহী কূটনৈতিক মহল। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

পরাক্রম দিবস
১৮৫৯ - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু
১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯০৯ - কবি নবীনচন্দ্র সেনের মৃত্যু
১৯২০ - ভারতীয় উপমহাদেশের বিমানে মাল পরিবহণ ও ডাক যোগাযোগ শুরু
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’-এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু
১৯৮৪ – নেদারল্যান্ডের ফুটবল খেলোয়াড় আর্ইয়েন রবেনের জন্ম
১৯৮৯ - স্পেনীয় চিত্রকর সালভাদর দালির মৃত্যু
২০০২ - পাকিস্তানের করাচীতে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল অপহৃত হন এবং পরবর্তীকালে নিহত



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী ৩৬/২৬ রাত্রি ৮/৫৭। কৃত্তিকা নক্ষত্র ৩৭/৫৫ রাত্রি ৯/৩৩। সূর্যোদয় ৬/২২/২৩, সূর্যাস্ত ৫/১৪/৩৭। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী রাত্রি ৭/৫৯। কৃত্তিকা নক্ষত্র রাত্রি ৯/১১। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/১০ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে ও ৪/৪৭ গতে ৬/২৫ মধ্যে। 
৯ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নেতাজি ভবনে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:52:43 PM

রেস কোর্সে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টার 

03:24:11 PM

কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:14:41 PM

দেশের চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী করা হোক: মমতা 

02:29:17 PM

শুধু দিল্লি কেন ভারতের রাজধানী হবে: মমতা 

02:23:57 PM

কেন দেশনায়ক দিবস হবে না, কেন পরাক্রম দিবস হবে: মমতা 

02:18:38 PM