Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করে সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুতি
পি চিদম্বরম

আর একটি বছর শুরু হল, আর একটি বাজেট পেশের অপেক্ষা, এবং এটি ভারতীয় অর্থনীতির আর একটি গুরুতর বছর।
২০১৬-১৭ সাল থেকে প্রতিটি বছর আমাদের জন্য অনেক বিস্ময় এবং ব্যথা নিয়ে এসেছে। ২০১৬-১৭ গিয়েছে সর্বনাশা নোটবন্দির বছর। ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং সেটা তড়িঘড়ি রূপায়ণের বছর গিয়েছে ২০১৭-১৮। আর ২০১৮-১৯ গিয়েছে সেই বছরটা, যেবার অর্থনীতি পতনের সূচনা দেখল এবং বৃদ্ধির হার প্রত্যেক ত্রৈমাসিকে (কোয়ার্টার) একটু একটু করে নেমে যেতে থাকল। সেবার বৃদ্ধির হার নেমে গিয়েছিল এইভাবে: ৮.০, ৭.০, ৬.৬ ও ৫.৮ শতাংশ। শেষমেশ ২০১৯-২০ একটি নষ্ট হয়ে যাওয়া বছর হিসেবেই কাটল। কারণ, সরকার কারও কোনও সতর্কবার্তা গ্রাহ্য করল না এবং বৃদ্ধির হারটা ৫ শতাংশের নীচে নেমে যেতে দিল।
বিপর্যয়ের ব্যাপ্তি
এখন একেবারে স্পষ্ট হয়েছে যে:
 ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের হিসেব-নিকেশ চূড়ান্ত হলে দেখা যাবে যে বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশের নীচে নথিভুক্ত হয়েছে।
 বাজেট এস্টিমেটের তুলনায় সরকারের রাজস্ব ঘাটতি হবে চোখে পড়ার মতো—নিট কর রাজস্ব এবং বিলগ্নিকরণের মতো দুটি প্রধান খাতেই।
 বাজেট এস্টিমেটে ফিসকাল ঘাটতি ৩.৩ শতাংশ ধরা হয়েছিল। এবার সেটা ৩.৮-৪.০ শতাংশের কাছাকাছি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
 পূর্ববর্তী বছরের সাপেক্ষে পণ্যের আমদানি ও রপ্তানি ব্যবসার দুটিতেই বৃদ্ধির হার নেতিবাচক হতে চলেছে।
 বর্তমান মূল্যমানে বেসরকারি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের অঙ্কটা প্রায় ৫৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৩১ কোটি টাকায় দাঁড়াবে। (বলে রাখা দরকার, বিনিয়োগের পরিমাণটা নির্ধারণ করা হয়েছে গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল ফর্মেশন বা জিএফসিএফ পদ্ধতিতে।) বেসরকারি বিনিয়োগের এই চেহারা ঝুঁকিগ্রহণে বিনিয়োগকারীদের অনীহা এবং অবসন্নতার লক্ষণ নির্ণায়ক।
 বছরটা জুড়ে ব্যক্তিগত উপভোগে অনীহাই লক্ষ করা গিয়েছে।
 কৃষি ক্ষেত্রটির কেটেছে ভয়ঙ্কর চাপের মধ্যে এবং পরিণামে বৃদ্ধির হার ২ শতাংশের মতো দাঁড়াবে।
 উল্লেখযোগ্য হারে কাজের সুযোগ তৈরি হয় ম্যানুফ্যাকচারিং, খনি এবং নির্মাণশিল্প ক্ষেত্রে। ২০১৯-২০ সালে এইসব ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের করুণ দশা, দেশের সার্বিক কর্মসংস্থান সঙ্কুচিত করবে।
 শিল্পে ঋণগ্রহণের ক্ষমতা বাড়েনি। এই প্রশ্নে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রের। পূর্ববর্তী বছরের সাপেক্ষে শিল্পে সার্বিকভাবে ঋণবৃদ্ধির (ক্রেডিট গ্রোথ) হার হবে নেতিবাচক।
 খুচরো মূল্যসূচকের (কনজ্যুমার প্রাইস ইনডেক্স বা সিপিআই) উপর ভিত্তি করে বছর শেষে যে মুদ্রাস্ফীতি নির্ধারিত হয়, সেটা এবার ৭ শতাংশ ছাপিয়ে যাবে, যার ভিতরে খাদ্যদ্রব্যের দামের বৃদ্ধি ঘটবে ১০ শতাংশের বেশি। এই দুর্ভোগের সঙ্গে যুক্ত হবে কর্মহীনতার বৃদ্ধি এবং শ্রমিকদের মজুরি বা সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধি না-হওয়ার মতো সমস্যাটি।
প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ানের মতে, ভারতের অর্থনীতির গতি হয়েছে ‘ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট’-এ। পাশাপাশি, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, অর্থনীতি ধুঁকছে (doing badly)। সমালোচকদের পর্যবেক্ষণ থেকে সরকারকে এমন উদ্বিগ্ন মনে হয়নি যে পরবর্তী ত্রৈমাসিকে উন্নতি করার মতো পদক্ষেপ তারা করবে। কারণ সরকারটি আচরণে চোখ বোজা (উটপাখির মতো) গোছের। তার ফলে, প্রতিটি ক্ষেত্রে যথার্থ সুরাহার প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। পরিবর্তে সরকার যেসব পদক্ষেপ করেছে তার সবই ভুলভাল। উদারহণ দিচ্ছি: যদি কর ছাড় দিতে হয়, তবে সরকারের উচিত অপ্রত্যক্ষ করে ছাড় দেওয়া। তার পরিবর্তে এই সরকার কী করল? বৃহৎ ব্যবসায়ীদের (কর্পোরেট সেক্টর) কপাল খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করল। তাদের দেওয়া হল ১ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকার কর ছাড়। প্রতিদানে কোনও বড় মাপের শিল্প-বাণিজ্য লগ্নি দেশ পায়নি। সরকারের উচিত ছিল গরিবের হাতে টাকার জোগান বাড়িয়ে দিয়ে বাজারে সাধারণ পণ্যের চাহিদায় জোয়ার আনা। পরিবর্তে, গরিব মানুষের কর্মসংস্থানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে গত বছর যা বাজেট বরাদ্দ ধরা হয়েছিল, তা ছেঁটে দেওয়া হল। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—১০০ দিনের কাজ (এমজিএনআরইজিএ), স্বচ্ছ ভারত মিশন, শ্বেত বিপ্লব, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। বরাদ্দ সঙ্কোচনের পর যে অর্থ ধরা হয়েছিল, খরচপাতি বাস্তবে তার চেয়েও কম হয়ে থাকতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর বাজেট: তিনি কী করবেন?
অর্থমন্ত্রী অথবা তাঁর সহকারীদের ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী যখন ১২ জন শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেখা করলেন, তখন অর্থমন্ত্রীর ভিতরে ভয় ভয় ভাব এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি লক্ষ করা গেল। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত সংবাদ এবং অংশগ্রহণকারীদের তরফে রেখে যাওয়া কিছু সংকেত থেকে অনুমান করছি যে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারির বাজেটে নীচের ব্যাপারগুলি হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে:
১. যেসব ব্যক্তির বার্ষিক আয় ১০ লক্ষ টাকার ভিতর, আয়কর হারে তাঁদের কিছু সুরাহা দেওয়া।
২. কোম্পানির কাগজ (সিকিউরিটি) দু’বছরের বেশি সময় ধরে রাখার কারণে যে দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভ (লং টার্ম ক্যাপিটাল গেইনস) হয়, তার উপর প্রদেয় কর প্রত্যাহার করে নেওয়া অথবা ওই কর কমিয়ে দেওয়া।
৩. ডিভিডেন্ড বণ্টন কর (ডিভিডেন্ড ডিস্ট্রিবিউশন ট্যাক্স) -এর হার কমানো।
৪. প্রত্যক্ষ কর সূচক (ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস কোড) প্রবর্তনের আশ্বাস।
৫. বাছাই কয়েকটি ক্ষেত্রে জিএসটিতে স্বল্প মেয়াদি হ্রাস। এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য হল নির্মাণ শিল্প।
৬. পিএম-কিষানে নাগরিকদের বার্ষিক প্রাপ্যের অঙ্কটা ৬০০০ টাকার বেশি করা এবং/অথবা এই স্কিমে বেনিফিসিয়ারি বা উপকৃত ব্যক্তিদের তালিকায় আরও কিছু শ্রেণীকে যুক্ত করা।
৭. কর রাজস্ব আদায়ের অঙ্কটা ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হতে পারে অথবা বিরাট অঙ্কের ঋণ নেওয়া হতে পারে। আর সেইমতো প্রতিরক্ষা, ১০০ দিনের কাজ, এসসি এসটি ওবিসি ও সংখ্যালঘু ছাত্রবৃত্তি, আয়ুষ্মান ভারত (স্বাস্থ্য বিমা) প্রভৃতি কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যয় বরাদ্দ অনেকখানি বাড়িয়ে দেওয়া।
৮. সাধারণভাবে শিল্পে এবং নির্দিষ্ট করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোগীদের (এসএমই) জন্য দীর্ঘ মেয়াদি ঋণের জোগান দিতে একটি অথবা দুটি ডেভেলপমেন্টাল ফিনান্স ইনস্টিটিউশন (ডিএফআই) প্রতিষ্ঠা করা।
৯. সংকীর্ণ উদ্দেশ্যে সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিরাট আকারে বিলগ্নিকরণ কর্মসূচি এবং/অথবা সরকারি সম্পদ বেচে অর্থ সংগ্রহের কর্মসূচি নেওয়া।
প্রতিবন্ধক অর্থনীতি
উপরে যেগুলি বলা হল সবই সরকারের চিন্তা-ভাবনা স্তরের কথা। সরকার ভীষণভাবে আস্থা রেখেছে—পুঁজির জন্য কর্পোরেট সেক্টরের উপর, ভোটের জন্য মধ্যবিত্ত শ্রেণীর উপর এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য ভারতের প্রতিরক্ষা বিভাগের উপর। কাঠামোগত সংস্কারের উপযোগী ভাবনা-চিন্তার ক্ষমতা এই সরকারের সীমিত। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা মারফত ঋণ জোগানোর ব্যাপারে এই সরকারের আত্মবিশ্বাস নেই। সংরক্ষণ নীতির সমর্থক বা অবাধ বাণিজ্যের বিরোধী লবিকে ধন্যবাদ এই কারণে যে, বাণিজ্যবৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে বৈদেশিক বাণিজ্যে ‘গিভ আপ’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। শেয়ার বাজারের হাসিখুশি ভাব কমাতে নারাজ সরকার। এই সরকার ব্যাখ্যা করতে পারে না তার সঙ্গে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (আরবিআই) সম্বন্ধ এবং স্থির করতে পারে না—দু’জনে মিলে দেশের আর্থিক সুস্থিতি কীভাবে বজায় রাখতে পারে, আর্থিক বৃদ্ধিতে গতি আনতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি বাগে আনতে পারে।
অর্থনীতিটা বিজেপি সরকারের প্রধান চিন্তার বিষয় নয়। এই সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয় হল ‘হিন্দুত্ব’-এর কর্মসূচি। অন্যদিকে, দেশবাসীর চিন্তা অর্থনৈতিক শ্রীবৃদ্ধি-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি—যেমন আরও চাকরি বা কর্মসংস্থান, উৎপন্ন পণ্যের আর-একটু ভালো দাম, শ্রমিকদের আরও কিছুটা বেশি মজুরি বা আয়, আপেক্ষিক মূল্যের স্থিরতা (রিলেটিভ প্রাইস স্টেবিলিটি), আর-একটু ভালো শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা সাধারণের নাগালে আসা, এবং উন্নত পরিকাঠামো।
পরিতাপের সঙ্গে এটাই স্পষ্ট যে, ভারতের মানুষ এমন একটি সরকার পেয়েছে যে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতীয় অর্থনীতির গুরুত্ব ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। আর এই কারণেই আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আইএমএফ) বিরক্তির সঙ্গেই উচ্চারণ করেছে—‘ড্র্যাগ অন দি ওয়ার্ল্ড ইকনোমি’। 
26th  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, লালবাগ: শনিবার রাতে নবগ্রাম থানার পলসণ্ডায় ৩৪নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন লাগায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বহরমপুর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ট্রাকে থাকা সমস্ত ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে বালিবোঝাই লরিকে ধাক্কা মারল যাত্রীবোঝাই বাস। ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাসের হেল্পার। অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন আরও ১৫ জন বাস ...

হায়দরাবাদ, ১৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট’ (এফআরবিএম) মেনে বাজেট পেশ করা হয়েছে। তাই রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে সেই আইন লঙ্ঘন করা হয়নি। যাবতীয় জল্পনা, বিতর্কে জল ঢেলে রবিবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।  ...

হ্যামিলটন, ১৬ ফেব্রুয়ারি: নিউজিল্যান্ডের কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াইটওয়াশের ধাক্কা ভারতীয় দল যে ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠছে, তা বিরাট কোহলিদের দেখলেই বোঝা সম্ভব। ২১ ফেব্রুয়ারি শুরু ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চশিক্ষা বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণ !
আরও এক নতুন তত্ত্ব পেল দেশবাসী। উচ্চশিক্ষার কারণেই সমাজে অহরহ ...বিশদ

02:02:30 PM

মুম্বইয়ে জিএসটি ভবনে আগুন 
আগুন লাগল মুম্বইয়ের মাজগাঁও এলাকার জিএসটি ভবনে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকল। ...বিশদ

01:17:00 PM

  মুখ্যমন্ত্রীকে বই উপহার রাজ্যপালের
রাজ্যপালের সাথে ঘণ্টা খানেকের একান্ত বৈঠক সেরে রাজভবন থেকে বেরিয়ে ...বিশদ

01:14:00 PM

বোমাতঙ্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে
বিষ্ণুপুরে সাত সকালেই বোমাতঙ্ক! রাস্তার ধারে পড়ে থাকা একটি তাজা ...বিশদ

01:08:11 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন উপাচার্যের
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন জানালেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। ...বিশদ

01:02:27 PM

কলকাতার বহুতলে আবশ্যিক হচ্ছে ফায়ার কিয়স্ক
এবার কলকাতার ৪৫ মিটার বেশি উঁচু বহুতলগুলিতে ফায়ার কিয়স্ক রাখা ...বিশদ

12:55:20 PM