Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সংবিধান ও গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হলে ভারতের আত্মাও বিপন্ন হতে বাধ্য
হিমাংশু সিংহ

১৫ আগস্ট যদি দেশের জন্মদিন হয়, তাহলে ২৬ জানুয়ারি হচ্ছে কোন মতাদর্শ ও আইন মেনে কীসের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, তার লিখিত বয়ান চূড়ান্ত করার বর্ণাঢ্য উদযাপনের শুভ মুহূর্ত। নবজাতক শিশু স্কুলে ভর্তি হলে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে ধীরে ধীরে পরিণত হয়। একটা আদর্শ, একটা সিলেবাস তথা পাঠ্যসূচি এবং সেইসঙ্গে কঠোর অনুশাসন তাকে প্রতিমুহূর্তে চালনা করে। রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও তাই। দেশ পরিচালনা করতে একটা সংবিধান লাগে। লিখিত কিংবা অলিখিত। আমাদের সংবিধান লিখিত হলেও ব্রিটেন, কানাডা, ইজরায়েল, সৌদি আরব ও নিউজিল্যান্ডের সংবিধান লিখিত নয়। ভারতের ক্ষেত্রে ১৯৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের পর প্রাথমিকভাবে ৩৯৫ অনুচ্ছেদের সংবিধান চূড়ান্ত করতে দু’বছরেরও কিছু বেশি সময় পেরিয়ে যায়। ভীমরাও আম্বেদকর ও তাঁর সতীর্থরা কঠোর পরিশ্রম করে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এই সংবিধানকে রূপ দেন। আর আজ স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের সাত দশক পর সেই পবিত্র সংবিধানই এক ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যে দর্শনের উপর দাঁড়িয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে পাথেয় করে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি পৃথিবীর বৃহত্তম সংবিধান কার্যকর হয়েছিল, তার আত্মাকেই যেনতেন প্রকারেণ জখম করার চেষ্টা চলছে। ডেকে আনা হচ্ছে মানুষে মানুষে বিভাজন। গত কয়েকমাস ধরে রাস্তায় নেমে ছাত্র ও যুব সমাজ এরই সক্রিয় বিরোধিতা করছে, তীব্র আন্দোলন করছে। আবার ছাত্রছাত্রীদের সবক শেখাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রাতের অন্ধকারেই আক্রান্ত হতে হচ্ছে তাদের নেতানেত্রীদের। যার জন্য বিদেশি এক সংস্থার সমীক্ষায় গণতন্ত্রের সূচকের মানদণ্ডে ভারতের স্থান গত একবছরে দশধাপ নীচে নেমে গিয়েছে। পাশাপাশি অর্থনীতিও নানা সঙ্কটে জর্জরিত হয়েছে।
একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী যে-কোনও শাসকই ভুলে যায় সুস্থ বিতর্ক, বিরোধ আর গঠনমূলক সমালোচনাই আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মূল কথা। সংবিধান প্রণেতারা সেই দিকনির্দেশই করে গিয়েছেন। শুধু কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারই নয়, সামান্য একটা সমবায় কিংবা ছোট আবাসনের পরিচালন ক্ষমতা বছরের পর বছর দখলে রাখার নেশায় তাই ক্ষমতাধরেরা যাবতীয় শিষ্টাচারকে বিসর্জন দিতে পর্যন্ত কার্পণ্য করেন না। এটাই ক্ষমতাভোগীদের সবচেয়ে বড় অসুখ। অথচ ভারতের গণতান্ত্রিক পরম্পরা সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলে। আজকের দোর্দণ্ডপ্রতাপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পূর্বসূরি বিজেপির সর্বমান্য নেতা অটলবিহারী বাজপেয়ি সংসদে একাধিকবার তাঁর বক্তৃতায় বলে গিয়েছেন, দল আসবে যাবে, সরকার তৈরি হবে, বিদায় নেবে, কিন্তু দেশ, দেশের লোকতান্ত্রিক কাঠামো যেন অটুট, অক্ষুণ্ণ থাকে। না-হলে বিপদ অনিবার্য। বাজপেয়িজি বুঝেছিলেন, সুস্থ বিরোধিতা, যুক্তিনির্ভর বিতর্ক আর সমালোচনা আমাদের সংসদীয় রাজনীতির প্রাণ। সরকার পক্ষ যতই শক্তিশালী হোক, ভারতের সংসদ কিন্তু মূলত বিরোধীদের। তাকে কোনওভাবে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা হলে, বিরোধীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হলে গণতন্ত্র বিপন্ন হতে বাধ্য।
সাত দশকের চলার পথে সংবিধানের উপর আঘাত এসেছে বারে বারে। চতুর শাসক ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে নিজের সঙ্কীর্ণ স্বার্থে বারে বারে সংবিধানকে ঘুরিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা যেমন করেছে, তেমনই নাগরিকদের সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টাও হয়েছে বারে বারে। কিন্তু প্রতিবারই সাময়িক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে সংবিধান আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে তার অন্তর্নিহিত শক্তির জোরে। এবারও শাসকের রক্তচক্ষুর মোকাবিলা করে আবার গণতন্ত্র আপন মর্যাদা ও সম্মান ফিরে পাবে বলেই মানুষের বিশ্বাস।
১৯৭৫-এ ইন্দিরা গান্ধীর শাসনে জরুরি অবস্থা জারি ও মৌলিক অধিকার থেকে দেশবাসীকে বঞ্চিত করা ভারতীয় সংবিধানের উপর প্রথম বড় আঘাত। কার্যত সংবিধানকেই সেইসময় সাময়িকভাবে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। কালা কানুন ‘মিসা’ জারি করে দেশের তাবৎ বিরোধী নেতানেত্রীদের একতরফা গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছিল। কালা কানুনের দরুণ আইনি লড়াইও কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকী সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের উপরও আঘাত নেমে আসে। স্বাধীনতার পর ইন্দিরা জমানাতেই ভারতীয় সংবিধান প্রথম বড় ধাক্কা খেয়েছিল। আর গত এক বছরে দ্বিতীয়বারের মোদি জমানায় সংবিধানের উপর ক্রমাগত আঘাত নেমে এসেছে।
আগেই বলেছি, সংবিধান লিখতে আম্বেদকর ও তাঁর সহযোগীরা সময় নিয়েছিলেন দু’বছরেরও বেশি। ১৯৪৭-এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে শুরু করে ১৯৪৯-এর শেষার্ধ পর্যন্ত সংবিধান লেখার কাজ চলে। সংবিধান লেখা শেষ ও গৃহীত হয় ১৯৪৯-এর ২৬ নভেম্বর। আর তা কার্যকর করা শুরু হয় ১৯৫০-এর ২৬ জানুয়ারি। সেই থেকে ২৬ জানুয়ারি দিনটি ‘সাধারণতন্ত্র দিবস’ হিসেবে পরিচিত। মোদি সরকার এসেই ২০১৫ থেকে ২৬ নভেম্বর দিনটি পালন করছে ‘সংবিধান দিবস’ নামে। কিন্তু, সংবিধানের মূল আত্মা ভালো আছে কি? আজ এই প্রশ্নের মুখে গোটা দেশ এবং দেশের মানুষ।
গত এক বছরে সংবিধান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিছু কম হয়নি। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসেই মোদি কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি ঘটান। ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারার সৌজন্যে স্বাধীনতার সময় থেকেই জম্মু ও কাশ্মীর বিশেষ মর্যাদা পেয়ে আসছিল। সেই বিশেষ মর্যাদা শুধু কেড়েই নেওয়া হয়নি, পূর্ণ রাজ্যটিকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়েছে। আর তা করতে গিয়ে মাসের পর মাস উপত্যকায় সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারগুলিকেই কেন্দ্র হরণ করে রেখেছে। এমনকী, ইন্টারনেট, টেলিফোনসহ দৈনন্দিন পরিষেবাগুলিকেও দিনের পর দিন বন্ধ রাখা হয়েছে। যার দরুণ সুপ্রিম কোর্টকে পর্যন্ত হালে বলতে হয়, ইন্টারনেট পরিষেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সেইসঙ্গে আটক করে রাখা হয়েছে শতাধিক কাশ্মীরি নেতানেত্রীকে। কোনও মামলা বা শুনানি ছাড়াই তাঁরা কার্যত সেই আগস্ট মাস থেকে গৃহবন্দি। বহু এলাকায় এই সেদিন পর্যন্ত টেলিফোন ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ ছিল, বিমানবন্দর থেকে মূল শহরে প্রবেশের ছাড়পত্রও দেওয়া হচ্ছিল না। এক-দু’দিন নয়, মাসের পর মাস এমনটা চলেছে। তাঁদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় ওই রাজ্যের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও আছেন। সামগ্রিকভাবেই এই একের পর এক ঘটনা পরম্পরা গণতন্ত্র রক্ষার মানদণ্ডে ভারতের অবস্থানকে নীচের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যেখানে শীর্ষ নেতানেত্রীরাই নিরাপদ নন, তাঁদের স্বাধীন চলাফেরাটুকুও নিয়ন্ত্রিত, সেখানে কীসের গণতন্ত্রের বড়াই! গণতন্ত্রই যেখানে বিপন্ন, সেখানে সংবিধানে লেখাজোখার দাম দেবে কে? এ প্রশ্ন অবান্তর নয়।
আর ৩৭০ নিয়ে যখন উত্তেজনা কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসছে, ঠিক তখনই মোদি সরকার আরেক নজির গড়ল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন তৈরির বিতর্কিত বিলটিকে এনে, যেটি ধর্মের ভিত্তিতে মানুষে মানুষে বিভাজনের এক মোক্ষম অস্ত্র মাত্র। স্বাধীনতা পরবর্তী সাত দশক অতিবাহিত হওয়ার পর দেশ যখন পাঁচ লক্ষ কোটি টাকার অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখন কে নাগরিক আর কে নয়, তা নিরূপণ করতে নতুন উদ্যমে আইন সংশোধন করা হচ্ছে এবং গোটা দেশ তাতে উত্তপ্ত। এ এক বেনজির কাণ্ড। একবার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলছেন, ২০২৪-এর মধ্যে সমস্ত অনুপ্রবেশকারীকে তাড়ানো হবে, আবার সেই তিনিই বলছেন, এই আইন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য। এই স্ববিরোধিতা দেশবাসীর ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। বিজেপিরই অনেক ছোটবড় নেতা বলছেন, এনআরসি হবেই। আবার অন্য একদল বলছেন, আপাতত এনআরসি নাকি শুধু অসমেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে। তাহলে কোনটা ঠিক? দেশের মানুষ অত শত বোঝেন না। তাঁদের সব হাতে কাজ চাই। শিক্ষা চাই। বাসস্থান চাই। বিশুদ্ধ পানীয় জল চাই। সুলভে চিকিৎসার ব্যবস্থা চাই। সেইসঙ্গে চাই—সুবিচার, স্বাধীনতা এবং সামাজিক সাম্য। মানুষের এইসব মৌলিক চাহিদা থেকে চোখ ঘুরিয়ে দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে বোকা বানানো যায় না। যাবেও না। সদা জাগ্রত দেশবাসী ইতিহাসের নিয়মেই ঘুরে দাঁড়াবে, প্রতিবাদে সোচ্চার হবে।
সংশোধিত নাগরিক আইনে বলা হয়েছে—পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে আসা হিন্দু সহ ছয়টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। বলা বাহুল্য, ওই তালিকায় মুসলিমদের রাখা হয়নি। এই প্রথম ভারতীয় সংবিধানের কোনও আইনে ধর্মীয় বিভাজনের কথা বলা হল। একথা ঠিক, ওই তিনটি দেশই মুসলিমপ্রধান বা মুসলিমরাই সেখানে সংখ্যাগুরু। তবু, সংবিধানের শুরু থেকে ১৪ নম্বর ধারায় সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে যে সাম্য রক্ষার কথা বলা হয়েছিল, তা এই নতুন আইনে বড় মাপের ধাক্কা খেতে বাধ্য। কার্যত ভারতীয় সংবিধানকে পাকিস্তানের মতো ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ থেকে বার করে এনে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের করে তোলার চেষ্টা হলে সমূহ বিপদ। কারণ, ভারতের আত্মা ও সংবিধান ধর্ম জাতপাতের ঊর্ধ্বে ওঠার কথাই বার বার বলে এসেছে। আম্বেদকর ও তাঁর সতীর্থদের অক্লান্ত শ্রমে রচিত সুবিশাল সংবিধানের ভিত্তিও সেই সমস্ত ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে সমন্বয়ের আদর্শ বহন করছে।
গত সাত দশকের ইতিহাসে এই সংবিধান শতাধিক বার সংশোধিত হয়েছে। কিন্তু, যে আদর্শ ও দর্শনের উপর দাঁড়িয়ে এটি রচিত হয়েছিল, তাকে আগে এভাবে কেউ আহত করতে পারেনি। এমনও শোনা যাচ্ছে, সরকারের পরবর্তী লক্ষ্য ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি’ চালু করা। তাহলে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র থেকে ধীরে ধীরে ভারতকে প্রকৃত হিন্দু রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যাওয়ার ষোলোকলা পূর্ণ হবে। তবে, একটা জিনিস পরিষ্কার যে ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিসর্জন দিয়ে যেইমাত্র আমরা কট্টর হিন্দুরাষ্ট্র গঠনের দিকে ছুটব, তখনই উদারবাদের পথটি হারিয়ে ভারত একটি কানাগলিতে আটকে যাবে, যা থেকে মুক্তিলাভ দুষ্করই হবে। এতে অপূরণীয় ক্ষতি হবে ঐতিহ্যশালী ভারতেরই। তাই ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক চরিত্রটি অটুট রাখাই সব স্তরের মানুষের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। ৭১ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে সংবিধান রক্ষারই শপথ গ্রহণ করুক প্রতিটি ভারতবাসী। 
26th  January, 2020
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
একনজরে
জাতীয় দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক প্রশান্ত ডোরার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। শুক্রবার তিনি ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তাঁর প্লেটলেটের সংখ্যা নেমে এসেছে তিন হাজারে। কমেছে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও।   ...

২০১৫ সালের জুলাই মাসে যখন বালি পুরসভাকে হাওড়ার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তখন ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছিল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। কিন্তু রাজ্য সরকার তাদের সিদ্ধান্তে ...

বালুরঘাটে এসে কংগ্রেসের যে পার্টি অফিসটির উদ্বোধন করেছিলেন নেতাজি, তা আজ আত্রেয়ীর গর্ভে। বালুরঘাট শহরের যে বাড়িতে রাত্রিবাস করেছিলেন তিনি, সেটিরও একটি অংশ ভাঙা পড়েছে ...

ভাতার থানার বড়বেলুনে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাঠের ধারে বাবলা গাছে মাফলার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মৃতের নাম বাপন দাস (৩৭)।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

পরাক্রম দিবস
১৮৫৯ - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু
১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯০৯ - কবি নবীনচন্দ্র সেনের মৃত্যু
১৯২০ - ভারতীয় উপমহাদেশের বিমানে মাল পরিবহণ ও ডাক যোগাযোগ শুরু
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’-এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু
১৯৮৪ – নেদারল্যান্ডের ফুটবল খেলোয়াড় আর্ইয়েন রবেনের জন্ম
১৯৮৯ - স্পেনীয় চিত্রকর সালভাদর দালির মৃত্যু
২০০২ - পাকিস্তানের করাচীতে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল অপহৃত হন এবং পরবর্তীকালে নিহত



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী ৩৬/২৬ রাত্রি ৮/৫৭। কৃত্তিকা নক্ষত্র ৩৭/৫৫ রাত্রি ৯/৩৩। সূর্যোদয় ৬/২২/২৩, সূর্যাস্ত ৫/১৪/৩৭। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী রাত্রি ৭/৫৯। কৃত্তিকা নক্ষত্র রাত্রি ৯/১১। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/১০ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে ও ৪/৪৭ গতে ৬/২৫ মধ্যে। 
৯ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নেতাজি ভবনে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:52:43 PM

রেস কোর্সে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টার 

03:24:11 PM

কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:14:41 PM

দেশের চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী করা হোক: মমতা 

02:29:17 PM

শুধু দিল্লি কেন ভারতের রাজধানী হবে: মমতা 

02:23:57 PM

কেন দেশনায়ক দিবস হবে না, কেন পরাক্রম দিবস হবে: মমতা 

02:18:38 PM