Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সংবিধান ও গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হলে ভারতের আত্মাও বিপন্ন হতে বাধ্য
হিমাংশু সিংহ

১৫ আগস্ট যদি দেশের জন্মদিন হয়, তাহলে ২৬ জানুয়ারি হচ্ছে কোন মতাদর্শ ও আইন মেনে কীসের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, তার লিখিত বয়ান চূড়ান্ত করার বর্ণাঢ্য উদযাপনের শুভ মুহূর্ত। নবজাতক শিশু স্কুলে ভর্তি হলে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে ধীরে ধীরে পরিণত হয়। একটা আদর্শ, একটা সিলেবাস তথা পাঠ্যসূচি এবং সেইসঙ্গে কঠোর অনুশাসন তাকে প্রতিমুহূর্তে চালনা করে। রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও তাই। দেশ পরিচালনা করতে একটা সংবিধান লাগে। লিখিত কিংবা অলিখিত। আমাদের সংবিধান লিখিত হলেও ব্রিটেন, কানাডা, ইজরায়েল, সৌদি আরব ও নিউজিল্যান্ডের সংবিধান লিখিত নয়। ভারতের ক্ষেত্রে ১৯৪৭-এর ঐতিহাসিক স্বাধীনতা লাভের পর প্রাথমিকভাবে ৩৯৫ অনুচ্ছেদের সংবিধান চূড়ান্ত করতে দু’বছরেরও কিছু বেশি সময় পেরিয়ে যায়। ভীমরাও আম্বেদকর ও তাঁর সতীর্থরা কঠোর পরিশ্রম করে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এই সংবিধানকে রূপ দেন। আর আজ স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের সাত দশক পর সেই পবিত্র সংবিধানই এক ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যে দর্শনের উপর দাঁড়িয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে পাথেয় করে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি পৃথিবীর বৃহত্তম সংবিধান কার্যকর হয়েছিল, তার আত্মাকেই যেনতেন প্রকারেণ জখম করার চেষ্টা চলছে। ডেকে আনা হচ্ছে মানুষে মানুষে বিভাজন। গত কয়েকমাস ধরে রাস্তায় নেমে ছাত্র ও যুব সমাজ এরই সক্রিয় বিরোধিতা করছে, তীব্র আন্দোলন করছে। আবার ছাত্রছাত্রীদের সবক শেখাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রাতের অন্ধকারেই আক্রান্ত হতে হচ্ছে তাদের নেতানেত্রীদের। যার জন্য বিদেশি এক সংস্থার সমীক্ষায় গণতন্ত্রের সূচকের মানদণ্ডে ভারতের স্থান গত একবছরে দশধাপ নীচে নেমে গিয়েছে। পাশাপাশি অর্থনীতিও নানা সঙ্কটে জর্জরিত হয়েছে।
একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী যে-কোনও শাসকই ভুলে যায় সুস্থ বিতর্ক, বিরোধ আর গঠনমূলক সমালোচনাই আমাদের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মূল কথা। সংবিধান প্রণেতারা সেই দিকনির্দেশই করে গিয়েছেন। শুধু কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারই নয়, সামান্য একটা সমবায় কিংবা ছোট আবাসনের পরিচালন ক্ষমতা বছরের পর বছর দখলে রাখার নেশায় তাই ক্ষমতাধরেরা যাবতীয় শিষ্টাচারকে বিসর্জন দিতে পর্যন্ত কার্পণ্য করেন না। এটাই ক্ষমতাভোগীদের সবচেয়ে বড় অসুখ। অথচ ভারতের গণতান্ত্রিক পরম্পরা সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলে। আজকের দোর্দণ্ডপ্রতাপ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পূর্বসূরি বিজেপির সর্বমান্য নেতা অটলবিহারী বাজপেয়ি সংসদে একাধিকবার তাঁর বক্তৃতায় বলে গিয়েছেন, দল আসবে যাবে, সরকার তৈরি হবে, বিদায় নেবে, কিন্তু দেশ, দেশের লোকতান্ত্রিক কাঠামো যেন অটুট, অক্ষুণ্ণ থাকে। না-হলে বিপদ অনিবার্য। বাজপেয়িজি বুঝেছিলেন, সুস্থ বিরোধিতা, যুক্তিনির্ভর বিতর্ক আর সমালোচনা আমাদের সংসদীয় রাজনীতির প্রাণ। সরকার পক্ষ যতই শক্তিশালী হোক, ভারতের সংসদ কিন্তু মূলত বিরোধীদের। তাকে কোনওভাবে ছোট করে দেখানোর চেষ্টা হলে, বিরোধীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হলে গণতন্ত্র বিপন্ন হতে বাধ্য।
সাত দশকের চলার পথে সংবিধানের উপর আঘাত এসেছে বারে বারে। চতুর শাসক ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে নিজের সঙ্কীর্ণ স্বার্থে বারে বারে সংবিধানকে ঘুরিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা যেমন করেছে, তেমনই নাগরিকদের সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টাও হয়েছে বারে বারে। কিন্তু প্রতিবারই সাময়িক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে সংবিধান আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে তার অন্তর্নিহিত শক্তির জোরে। এবারও শাসকের রক্তচক্ষুর মোকাবিলা করে আবার গণতন্ত্র আপন মর্যাদা ও সম্মান ফিরে পাবে বলেই মানুষের বিশ্বাস।
১৯৭৫-এ ইন্দিরা গান্ধীর শাসনে জরুরি অবস্থা জারি ও মৌলিক অধিকার থেকে দেশবাসীকে বঞ্চিত করা ভারতীয় সংবিধানের উপর প্রথম বড় আঘাত। কার্যত সংবিধানকেই সেইসময় সাময়িকভাবে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। কালা কানুন ‘মিসা’ জারি করে দেশের তাবৎ বিরোধী নেতানেত্রীদের একতরফা গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছিল। কালা কানুনের দরুণ আইনি লড়াইও কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকী সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের উপরও আঘাত নেমে আসে। স্বাধীনতার পর ইন্দিরা জমানাতেই ভারতীয় সংবিধান প্রথম বড় ধাক্কা খেয়েছিল। আর গত এক বছরে দ্বিতীয়বারের মোদি জমানায় সংবিধানের উপর ক্রমাগত আঘাত নেমে এসেছে।
আগেই বলেছি, সংবিধান লিখতে আম্বেদকর ও তাঁর সহযোগীরা সময় নিয়েছিলেন দু’বছরেরও বেশি। ১৯৪৭-এ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে শুরু করে ১৯৪৯-এর শেষার্ধ পর্যন্ত সংবিধান লেখার কাজ চলে। সংবিধান লেখা শেষ ও গৃহীত হয় ১৯৪৯-এর ২৬ নভেম্বর। আর তা কার্যকর করা শুরু হয় ১৯৫০-এর ২৬ জানুয়ারি। সেই থেকে ২৬ জানুয়ারি দিনটি ‘সাধারণতন্ত্র দিবস’ হিসেবে পরিচিত। মোদি সরকার এসেই ২০১৫ থেকে ২৬ নভেম্বর দিনটি পালন করছে ‘সংবিধান দিবস’ নামে। কিন্তু, সংবিধানের মূল আত্মা ভালো আছে কি? আজ এই প্রশ্নের মুখে গোটা দেশ এবং দেশের মানুষ।
গত এক বছরে সংবিধান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিছু কম হয়নি। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসেই মোদি কাশ্মীরে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি ঘটান। ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারার সৌজন্যে স্বাধীনতার সময় থেকেই জম্মু ও কাশ্মীর বিশেষ মর্যাদা পেয়ে আসছিল। সেই বিশেষ মর্যাদা শুধু কেড়েই নেওয়া হয়নি, পূর্ণ রাজ্যটিকে ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়েছে। আর তা করতে গিয়ে মাসের পর মাস উপত্যকায় সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারগুলিকেই কেন্দ্র হরণ করে রেখেছে। এমনকী, ইন্টারনেট, টেলিফোনসহ দৈনন্দিন পরিষেবাগুলিকেও দিনের পর দিন বন্ধ রাখা হয়েছে। যার দরুণ সুপ্রিম কোর্টকে পর্যন্ত হালে বলতে হয়, ইন্টারনেট পরিষেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। সেইসঙ্গে আটক করে রাখা হয়েছে শতাধিক কাশ্মীরি নেতানেত্রীকে। কোনও মামলা বা শুনানি ছাড়াই তাঁরা কার্যত সেই আগস্ট মাস থেকে গৃহবন্দি। বহু এলাকায় এই সেদিন পর্যন্ত টেলিফোন ও মোবাইল পরিষেবা বন্ধ ছিল, বিমানবন্দর থেকে মূল শহরে প্রবেশের ছাড়পত্রও দেওয়া হচ্ছিল না। এক-দু’দিন নয়, মাসের পর মাস এমনটা চলেছে। তাঁদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় ওই রাজ্যের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও আছেন। সামগ্রিকভাবেই এই একের পর এক ঘটনা পরম্পরা গণতন্ত্র রক্ষার মানদণ্ডে ভারতের অবস্থানকে নীচের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যেখানে শীর্ষ নেতানেত্রীরাই নিরাপদ নন, তাঁদের স্বাধীন চলাফেরাটুকুও নিয়ন্ত্রিত, সেখানে কীসের গণতন্ত্রের বড়াই! গণতন্ত্রই যেখানে বিপন্ন, সেখানে সংবিধানে লেখাজোখার দাম দেবে কে? এ প্রশ্ন অবান্তর নয়।
আর ৩৭০ নিয়ে যখন উত্তেজনা কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসছে, ঠিক তখনই মোদি সরকার আরেক নজির গড়ল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন তৈরির বিতর্কিত বিলটিকে এনে, যেটি ধর্মের ভিত্তিতে মানুষে মানুষে বিভাজনের এক মোক্ষম অস্ত্র মাত্র। স্বাধীনতা পরবর্তী সাত দশক অতিবাহিত হওয়ার পর দেশ যখন পাঁচ লক্ষ কোটি টাকার অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখন কে নাগরিক আর কে নয়, তা নিরূপণ করতে নতুন উদ্যমে আইন সংশোধন করা হচ্ছে এবং গোটা দেশ তাতে উত্তপ্ত। এ এক বেনজির কাণ্ড। একবার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলছেন, ২০২৪-এর মধ্যে সমস্ত অনুপ্রবেশকারীকে তাড়ানো হবে, আবার সেই তিনিই বলছেন, এই আইন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য। এই স্ববিরোধিতা দেশবাসীর ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। বিজেপিরই অনেক ছোটবড় নেতা বলছেন, এনআরসি হবেই। আবার অন্য একদল বলছেন, আপাতত এনআরসি নাকি শুধু অসমেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে। তাহলে কোনটা ঠিক? দেশের মানুষ অত শত বোঝেন না। তাঁদের সব হাতে কাজ চাই। শিক্ষা চাই। বাসস্থান চাই। বিশুদ্ধ পানীয় জল চাই। সুলভে চিকিৎসার ব্যবস্থা চাই। সেইসঙ্গে চাই—সুবিচার, স্বাধীনতা এবং সামাজিক সাম্য। মানুষের এইসব মৌলিক চাহিদা থেকে চোখ ঘুরিয়ে দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে বোকা বানানো যায় না। যাবেও না। সদা জাগ্রত দেশবাসী ইতিহাসের নিয়মেই ঘুরে দাঁড়াবে, প্রতিবাদে সোচ্চার হবে।
সংশোধিত নাগরিক আইনে বলা হয়েছে—পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে আসা হিন্দু সহ ছয়টি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। বলা বাহুল্য, ওই তালিকায় মুসলিমদের রাখা হয়নি। এই প্রথম ভারতীয় সংবিধানের কোনও আইনে ধর্মীয় বিভাজনের কথা বলা হল। একথা ঠিক, ওই তিনটি দেশই মুসলিমপ্রধান বা মুসলিমরাই সেখানে সংখ্যাগুরু। তবু, সংবিধানের শুরু থেকে ১৪ নম্বর ধারায় সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে যে সাম্য রক্ষার কথা বলা হয়েছিল, তা এই নতুন আইনে বড় মাপের ধাক্কা খেতে বাধ্য। কার্যত ভারতীয় সংবিধানকে পাকিস্তানের মতো ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ থেকে বার করে এনে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের করে তোলার চেষ্টা হলে সমূহ বিপদ। কারণ, ভারতের আত্মা ও সংবিধান ধর্ম জাতপাতের ঊর্ধ্বে ওঠার কথাই বার বার বলে এসেছে। আম্বেদকর ও তাঁর সতীর্থদের অক্লান্ত শ্রমে রচিত সুবিশাল সংবিধানের ভিত্তিও সেই সমস্ত ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে সমন্বয়ের আদর্শ বহন করছে।
গত সাত দশকের ইতিহাসে এই সংবিধান শতাধিক বার সংশোধিত হয়েছে। কিন্তু, যে আদর্শ ও দর্শনের উপর দাঁড়িয়ে এটি রচিত হয়েছিল, তাকে আগে এভাবে কেউ আহত করতে পারেনি। এমনও শোনা যাচ্ছে, সরকারের পরবর্তী লক্ষ্য ‘অভিন্ন দেওয়ানি বিধি’ চালু করা। তাহলে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র থেকে ধীরে ধীরে ভারতকে প্রকৃত হিন্দু রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যাওয়ার ষোলোকলা পূর্ণ হবে। তবে, একটা জিনিস পরিষ্কার যে ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিসর্জন দিয়ে যেইমাত্র আমরা কট্টর হিন্দুরাষ্ট্র গঠনের দিকে ছুটব, তখনই উদারবাদের পথটি হারিয়ে ভারত একটি কানাগলিতে আটকে যাবে, যা থেকে মুক্তিলাভ দুষ্করই হবে। এতে অপূরণীয় ক্ষতি হবে ঐতিহ্যশালী ভারতেরই। তাই ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক চরিত্রটি অটুট রাখাই সব স্তরের মানুষের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। ৭১ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে সংবিধান রক্ষারই শপথ গ্রহণ করুক প্রতিটি ভারতবাসী। 
26th  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, লালবাগ: শনিবার রাতে নবগ্রাম থানার পলসণ্ডায় ৩৪নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন লাগায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বহরমপুর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ট্রাকে থাকা সমস্ত ...

নিউ ইয়র্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): কানেক্টিকাটের একটি নাইটক্লাবে গুলিচালনার ঘটনায় প্রাণ হারালেন একজন। আহতের সংখ্যা চার। রবিবার ভোরে ‘ম্যাজেস্টিক লাউঞ্জ’-এর ক্লাবে এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই হামলা চালায় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে বালিবোঝাই লরিকে ধাক্কা মারল যাত্রীবোঝাই বাস। ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাসের হেল্পার। অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন আরও ১৫ জন বাস ...

সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: শুধু লুট করাই নয়, পুলিসের নাগালের বাইরে থাকতে প্রমাণ লোপাটে টার্গেটকে খুন করাও উদ্দেশ্য থাকে হাইওয়ে গ্যাংয়ের। কাউকে একবার টার্গেট করলে কিভাবে তার উপর হামলা চালানো যায়, সেব্যাপারে রীতিমতো আঁটঘাট বেঁধে তবেই ‘অপারেশন’ চালানো হয় বলেও জানা গিয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চশিক্ষা বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণ !
আরও এক নতুন তত্ত্ব পেল দেশবাসী। উচ্চশিক্ষার কারণেই সমাজে অহরহ ...বিশদ

02:02:30 PM

মুম্বইয়ে জিএসটি ভবনে আগুন 
আগুন লাগল মুম্বইয়ের মাজগাঁও এলাকার জিএসটি ভবনে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকল। ...বিশদ

01:17:00 PM

  মুখ্যমন্ত্রীকে বই উপহার রাজ্যপালের
রাজ্যপালের সাথে ঘণ্টা খানেকের একান্ত বৈঠক সেরে রাজভবন থেকে বেরিয়ে ...বিশদ

01:14:00 PM

বোমাতঙ্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে
বিষ্ণুপুরে সাত সকালেই বোমাতঙ্ক! রাস্তার ধারে পড়ে থাকা একটি তাজা ...বিশদ

01:08:11 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন উপাচার্যের
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন জানালেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। ...বিশদ

01:02:27 PM

কলকাতার বহুতলে আবশ্যিক হচ্ছে ফায়ার কিয়স্ক
এবার কলকাতার ৪৫ মিটার বেশি উঁচু বহুতলগুলিতে ফায়ার কিয়স্ক রাখা ...বিশদ

12:55:20 PM