Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
দেশের কৃষিক্ষেত্রের ভোল বদলে ফেলা যায় এই টাকায়। ভারতের মতো কৃষি প্রধান দেশে ২০ হাজারেরও বেশি হেক্টর জমিতে সেচের কাজ করা যায়। প্রায় ১০০টি ছোট সেচ প্রকল্প মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ করা যায় এই টাকায়। এই টাকা খরচ করে ৪২৫টি ছোট বাঁধ তৈরি করা যায়। সেচের জল পেলে কৃষকদের আর হাহাকার করতে হতো না। ঋণের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে আত্মহত্যাও করতে হতো না।
ক্ষুধা সূচকে ভারতের স্থান প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ, নেপাল, ইরাকের থেকেও নীচে। অপুষ্টিতে ভুগছে ভবিষ্যত প্রজন্ম। এ দেশে খালি পেটে রোজ রাতে শুতে যাওয়া শিশুদের সংখ্যাটা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বাড়ছে অপুষ্টি। স্রেফ খেতে না পেয়ে কচি কচি মুখগুলির সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। অথচ ওই ১৬০০ কোটি টাকায় দেশের পাঁচ হাজারের বেশি শিশুর দায়িত্ব নেওয়া যেত। ৭২৫টি গ্রামের উন্নতি করা যেত।
ওই টাকায় ঢেলে সাজানো যেত শিক্ষাক্ষেত্র। অন্তত একটি নতুন আইআইটি ক্যাম্পাস তৈরি করা যেত। একটা আইআইটি তৈরির খরচ প্রায় ১১৬৭ কোটি টাকা। তৈরি করা যেত একটি অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সের (এইমস) ক্যাম্পাস। একটি এইমস তৈরির খরচ প্রায় ১১০৩ কোটি টাকা। তিনটি নতুন আইআইএম ক্যাম্পাস তৈরি করা যেত এই টাকায়। একটি আইআইএম ক্যাম্পাস তৈরির খরচ প্রায় ৫৩৯ কোটি টাকা।
অপ্রচলিত শক্তির ক্ষেত্রে আনা যেত জোয়ার। ৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তিনটি নতুন সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করা যেত এই টাকা দিয়ে। যেখানে একটি তৈরিতে খরচ প্রায় ৫২৮ কোটি টাকা। অভাবনীয় উন্নতি করা যেত মহাকাশ গবেষণায়। অন্তত তিনটি মঙ্গল অভিযানের খরচের সমতুল ওই ১৬০০ কোটি টাকা। একটি অভিযানের খরচ প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর অধীনে দু’টি চন্দ্রাভিযানও করা যেত টাকায়। একটি অভিযানের খরচ মোটামুটি ৮০০ কোটি টাকা।
অথচ, অসমে এনআরসি আপডেটের জন্য, গত চার বছর ধরে সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে ১৬০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলা হয়েছে। নিট ফল? শূন্য। অসমে আপডেটেড এনআরসি পাশ হয়েছিল গত বছর ৩১ আগস্ট। তাতে ১৯ লক্ষ মানুষ রাষ্ট্রহীন হয়েছেন। যার মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষই হিন্দু। তাঁদের অধিকাংশই বাঙালি। এ ছাড়াও আছেন বহু গোর্খা, হিন্দিভাষী ও অসমের স্থানীয় মানুষ। অভিযোগ উঠেছে, অসমের আদি মুসলিম সম্প্রদায় ‘খিলঞ্জিয়া’কে নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। খিলঞ্জিয়া মুসলিম সম্প্রদায় মোগল আমল থেকে অসমে বসবাস করে আসছে। তাদের বলা হয় অসমের ভূমিপুত্র। এবার তাঁরা রেজিস্টার থেকে বাদ যাওয়ার পর আবেদন করতে পারবেন, এবং তাতেও অসফল হলে ডিটেনশন ক্যাম্প তাঁদের ভবিতব্য। এনআরসির সীমাবদ্ধতা কতদূর, অসম তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এনআরসি এবং তার হাত ধরে আসা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পুরনো কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই পশ্চাৎগতির কথা। অতীতে যা সমাজের একাংশকে অন্যদের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিয়েছিল। এনআরসির রসায়নাগার অসম অন্তত সেই ইঙ্গিত দিয়েছে। বাকি গোটা দেশ তা এখনও টেরই পায়নি।
আর শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি। ভারতের সব রাজ্যে নাগরিকপঞ্জি তৈরির দাবি জানিয়ে তারা এখন বলছে, অসমের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা ভুলে ভরা নথি ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ, হিন্দুস্তানে কোনও হিন্দু কখনও ‘বিদেশি’ হতে পারে না। অসমের বিজেপির নেতারা বলতে শুরু করেছেন, এনআরসির নামে রাজ্যে যা হয়েছে, তা পর্বতের মূষিক প্রসব। শিলচর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির বিধায়ক দিলীপ কুমার পাল বলেছেন, ভুলে ভরা এই তালিকা বিজেপি কিছুতেই মেনে নেবে না। তালিকায় নাম নেই বিজেপি বিধায়ক রামকান্ত দেউড়ির। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছিলেন, ‘জন্মসূত্রে আমি ভারতীয়। কয়েক পুরুষের বসবাস। আমি বৈধ ভূমিপুত্র। তাই কোনও আবেদনই করব না।’ তাহলে এবার কী হবে? আবার এনআরসি? আবার বিপুল টাকা খরচ? যদি ধরেও নেওয়া যায় যে বিজেপি আসলে দেশের মঙ্গল করতে চাইছে, সেই মঙ্গলের খরচ আপাতত বাজারের সব্জির মতই চড়া।
২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে অসমের মোট জনসংখ্যা ৩ কোটি ১১ লাখের কিছু বেশি। এই জনসংখ্যাকে এনআরসির প্রক্রিয়ায় আনতে খরচ হয়েছে ১৬০০ কোটি টাকা। পশ্চিমবঙ্গের মোট জনসংখ্যা ৯ কোটি ১২ লাখের কিছু বেশি। ভাবুন একবার, এই জনসংখ্যাকে এনআরসির প্রক্রিয়ায় আনতে সরকারের কোষাগার কতটা ফাঁকা হবে। আর গোটা দেশের কথা তো ছেড়েই দিলাম। এই এনআরসি প্রক্রিয়ায় নাম তোলাতে সাধারণ মানুষের খসেছে মোটা অঙ্কের গাঁটের কড়ি। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই বাদ পড়া মানুষের পকেট থেকে মোট ৭,৮৩৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে শুধুমাত্র নাম তোলার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা গোষ্ঠী রাইটস অ্যান্ড রিস্কস অ্যানালিসিস (আরআরএজি) গ্রুপ সম্প্রতি প্রকাশ করেছে এমনই একটি সমীক্ষা রিপোর্ট। ‘The Economic Cost of Draft NRC: Poor Made Extremely Poor’ শীর্ষক রিপোর্টের জন্য সমীক্ষা চালানো হয়েছে অসমের বাকসা, গোয়ালপাড়া এবং কামরূপ জেলায়। ৬২ জনের এনআরসিতে নাম তোলার জন্য খরচ হওয়া টাকার অঙ্কের হিসেব নেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, ওই ৬২ জনের মোট খরচ হয়েছে ১১,৮২,০০০ টাকা, অর্থাৎ মাথা পিছু ১৯,০৬৫ টাকা। কিন্তু গরিব মানুষ আকাশ ছোঁয়া সেই খরচ জোগাবেন কীভাবে?
দেশের মাত্র একটি রাজ্যে বিপুল টাকা এমন সময় খরচ করা হয়েছে, যখন খোদ কেন্দ্রীয় সরকার বলছে কোষাগারের অবস্থা খারাপ। সার্বিক ভাবে অর্থনীতির ঝিমিয়ে পড়ার কারণ খুঁজতে অর্থ মন্ত্রকে আলোচনা চলছে। প্রতিদিন আরও বিবর্ণ হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি! মন্দার কারণে রাজস্ব আদায় কম হওয়ায় পরিকাঠামো ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে খরচের ক্ষমতা কমছে সরকারের। সুদ কমানো, কর কমানোর মতো কোনও দাওয়াইয়েই চাঙ্গা করা যাচ্ছে না দেশের অর্থনীতিকে। অর্থনীতির কাহিল হওয়ার জন্য দায়ী করা হচ্ছে কৃষিক্ষেত্রের মন্থর উৎপাদনকেও। বিশ্বব্যাঙ্কের দাবি, বৃদ্ধির গতি শ্লথ যথেষ্ট ঋণের অভাবে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড কমায় এবং চাহিদা-কেনাকাটা ঝিমিয়ে পড়ায়। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান মন্ত্রকের ইঙ্গিত, কারখানার উৎপাদন, লগ্নি বা নির্মাণ যন্ত্রাংশে পুঁজির ক্ষেত্রেও ছবিটা বেশ খারাপ। সরকার যতই ‘কিছু হয়নি’ ভাব দেখাক, সম্প্রতি খোদ মোদি সরকারের পরিসংখ্যান মন্ত্রক জানিয়েছিল, চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশে আটকে থাকবে।
শেষ পর্যন্ত সত্যিই এই ৫ শতাংশের ‘গর্তে’ পা ঢুকলে, ২০০৮ সালে বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দার পরে ১১ বছরের তলানিতে পিছলে যাবে দেশের বৃদ্ধির হার। মার্কিন অর্থনীতিবিদ নুরিয়েল রুবিনির মন্তব্য, ‘‘ভারত সরকার ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতির তুলনায় মতাদর্শগত বিষয়গুলিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে অর্থনীতি শ্লথ হলে ভারতের জনপ্রিয়তা হারাতে হতে পারে।’’ প্রশ্ন ওঠে, অর্থনীতি বেহাল, তবুও নতুন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মাতামাতি কেন?
অনেকেই বলছেন দেশের অর্থনীতির মূল সমস্যা থেকে দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরানোর জন্যই নাকি
তড়িঘড়ি জাতীয় নাগরিকত্ব আইনের প্রবর্তন। এই ধরনের স্পর্ধা ভারতের জনগণ কখনও দেখেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি মন্ত্রী লিখছেন, তোমাকে আগে ফেরত পাঠাই তোমার দেশে, তার পর তোমার কথার জবাব দেব...। কর্ণাটকের বেল্লারির বিজেপি বিধায়ক সোমশেখর রেড্ডির প্রকাশ্যে বলছেন, ‘খুব সাবধান, আমরা দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ। তোমরা মাত্র ১৫ শতাংশ। তোমরা সংখ্যালঘু। এ দেশে থাকতে গেলে বুঝে শুনে পা ফেলতে হবে।’ কলাকাতায় এসে বিজেপির সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা বলে গিয়েছেন, পিকচার অভি বাকি হ্যায়। সিএএ, এনআরসির মধ্যে ‘জুজু’ খুঁজছে গোটা দেশ, গোটা বাংলা।
একদিন হয়তো, মজা করে নিজেকে ‘বরিশালের পোলা’ বলতেও ভয় হবে! 
25th  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: শুধু লুট করাই নয়, পুলিসের নাগালের বাইরে থাকতে প্রমাণ লোপাটে টার্গেটকে খুন করাও উদ্দেশ্য থাকে হাইওয়ে গ্যাংয়ের। কাউকে একবার টার্গেট করলে কিভাবে তার উপর হামলা চালানো যায়, সেব্যাপারে রীতিমতো আঁটঘাট বেঁধে তবেই ‘অপারেশন’ চালানো হয় বলেও জানা গিয়েছে।  ...

হায়দরাবাদ, ১৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট’ (এফআরবিএম) মেনে বাজেট পেশ করা হয়েছে। তাই রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে সেই আইন লঙ্ঘন করা হয়নি। যাবতীয় জল্পনা, বিতর্কে জল ঢেলে রবিবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।  ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: শনিবার রাতে নবগ্রাম থানার পলসণ্ডায় ৩৪নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন লাগায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বহরমপুর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ট্রাকে থাকা সমস্ত ...

নিউ ইয়র্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): কানেক্টিকাটের একটি নাইটক্লাবে গুলিচালনার ঘটনায় প্রাণ হারালেন একজন। আহতের সংখ্যা চার। রবিবার ভোরে ‘ম্যাজেস্টিক লাউঞ্জ’-এর ক্লাবে এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই হামলা চালায় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চশিক্ষা বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণ !
আরও এক নতুন তত্ত্ব পেল দেশবাসী। উচ্চশিক্ষার কারণেই সমাজে অহরহ ...বিশদ

02:02:30 PM

মুম্বইয়ে জিএসটি ভবনে আগুন 
আগুন লাগল মুম্বইয়ের মাজগাঁও এলাকার জিএসটি ভবনে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকল। ...বিশদ

01:17:00 PM

  মুখ্যমন্ত্রীকে বই উপহার রাজ্যপালের
রাজ্যপালের সাথে ঘণ্টা খানেকের একান্ত বৈঠক সেরে রাজভবন থেকে বেরিয়ে ...বিশদ

01:14:00 PM

বোমাতঙ্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে
বিষ্ণুপুরে সাত সকালেই বোমাতঙ্ক! রাস্তার ধারে পড়ে থাকা একটি তাজা ...বিশদ

01:08:11 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন উপাচার্যের
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন জানালেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। ...বিশদ

01:02:27 PM

কলকাতার বহুতলে আবশ্যিক হচ্ছে ফায়ার কিয়স্ক
এবার কলকাতার ৪৫ মিটার বেশি উঁচু বহুতলগুলিতে ফায়ার কিয়স্ক রাখা ...বিশদ

12:55:20 PM