Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
দেশের কৃষিক্ষেত্রের ভোল বদলে ফেলা যায় এই টাকায়। ভারতের মতো কৃষি প্রধান দেশে ২০ হাজারেরও বেশি হেক্টর জমিতে সেচের কাজ করা যায়। প্রায় ১০০টি ছোট সেচ প্রকল্প মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ করা যায় এই টাকায়। এই টাকা খরচ করে ৪২৫টি ছোট বাঁধ তৈরি করা যায়। সেচের জল পেলে কৃষকদের আর হাহাকার করতে হতো না। ঋণের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে আত্মহত্যাও করতে হতো না।
ক্ষুধা সূচকে ভারতের স্থান প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ, নেপাল, ইরাকের থেকেও নীচে। অপুষ্টিতে ভুগছে ভবিষ্যত প্রজন্ম। এ দেশে খালি পেটে রোজ রাতে শুতে যাওয়া শিশুদের সংখ্যাটা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। বাড়ছে অপুষ্টি। স্রেফ খেতে না পেয়ে কচি কচি মুখগুলির সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। অথচ ওই ১৬০০ কোটি টাকায় দেশের পাঁচ হাজারের বেশি শিশুর দায়িত্ব নেওয়া যেত। ৭২৫টি গ্রামের উন্নতি করা যেত।
ওই টাকায় ঢেলে সাজানো যেত শিক্ষাক্ষেত্র। অন্তত একটি নতুন আইআইটি ক্যাম্পাস তৈরি করা যেত। একটা আইআইটি তৈরির খরচ প্রায় ১১৬৭ কোটি টাকা। তৈরি করা যেত একটি অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সের (এইমস) ক্যাম্পাস। একটি এইমস তৈরির খরচ প্রায় ১১০৩ কোটি টাকা। তিনটি নতুন আইআইএম ক্যাম্পাস তৈরি করা যেত এই টাকায়। একটি আইআইএম ক্যাম্পাস তৈরির খরচ প্রায় ৫৩৯ কোটি টাকা।
অপ্রচলিত শক্তির ক্ষেত্রে আনা যেত জোয়ার। ৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তিনটি নতুন সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করা যেত এই টাকা দিয়ে। যেখানে একটি তৈরিতে খরচ প্রায় ৫২৮ কোটি টাকা। অভাবনীয় উন্নতি করা যেত মহাকাশ গবেষণায়। অন্তত তিনটি মঙ্গল অভিযানের খরচের সমতুল ওই ১৬০০ কোটি টাকা। একটি অভিযানের খরচ প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর অধীনে দু’টি চন্দ্রাভিযানও করা যেত টাকায়। একটি অভিযানের খরচ মোটামুটি ৮০০ কোটি টাকা।
অথচ, অসমে এনআরসি আপডেটের জন্য, গত চার বছর ধরে সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে ১৬০০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলা হয়েছে। নিট ফল? শূন্য। অসমে আপডেটেড এনআরসি পাশ হয়েছিল গত বছর ৩১ আগস্ট। তাতে ১৯ লক্ষ মানুষ রাষ্ট্রহীন হয়েছেন। যার মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষই হিন্দু। তাঁদের অধিকাংশই বাঙালি। এ ছাড়াও আছেন বহু গোর্খা, হিন্দিভাষী ও অসমের স্থানীয় মানুষ। অভিযোগ উঠেছে, অসমের আদি মুসলিম সম্প্রদায় ‘খিলঞ্জিয়া’কে নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। খিলঞ্জিয়া মুসলিম সম্প্রদায় মোগল আমল থেকে অসমে বসবাস করে আসছে। তাদের বলা হয় অসমের ভূমিপুত্র। এবার তাঁরা রেজিস্টার থেকে বাদ যাওয়ার পর আবেদন করতে পারবেন, এবং তাতেও অসফল হলে ডিটেনশন ক্যাম্প তাঁদের ভবিতব্য। এনআরসির সীমাবদ্ধতা কতদূর, অসম তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এনআরসি এবং তার হাত ধরে আসা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পুরনো কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই পশ্চাৎগতির কথা। অতীতে যা সমাজের একাংশকে অন্যদের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিয়েছিল। এনআরসির রসায়নাগার অসম অন্তত সেই ইঙ্গিত দিয়েছে। বাকি গোটা দেশ তা এখনও টেরই পায়নি।
আর শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি। ভারতের সব রাজ্যে নাগরিকপঞ্জি তৈরির দাবি জানিয়ে তারা এখন বলছে, অসমের চূড়ান্ত নাগরিক তালিকা ভুলে ভরা নথি ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ, হিন্দুস্তানে কোনও হিন্দু কখনও ‘বিদেশি’ হতে পারে না। অসমের বিজেপির নেতারা বলতে শুরু করেছেন, এনআরসির নামে রাজ্যে যা হয়েছে, তা পর্বতের মূষিক প্রসব। শিলচর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির বিধায়ক দিলীপ কুমার পাল বলেছেন, ভুলে ভরা এই তালিকা বিজেপি কিছুতেই মেনে নেবে না। তালিকায় নাম নেই বিজেপি বিধায়ক রামকান্ত দেউড়ির। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছিলেন, ‘জন্মসূত্রে আমি ভারতীয়। কয়েক পুরুষের বসবাস। আমি বৈধ ভূমিপুত্র। তাই কোনও আবেদনই করব না।’ তাহলে এবার কী হবে? আবার এনআরসি? আবার বিপুল টাকা খরচ? যদি ধরেও নেওয়া যায় যে বিজেপি আসলে দেশের মঙ্গল করতে চাইছে, সেই মঙ্গলের খরচ আপাতত বাজারের সব্জির মতই চড়া।
২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে অসমের মোট জনসংখ্যা ৩ কোটি ১১ লাখের কিছু বেশি। এই জনসংখ্যাকে এনআরসির প্রক্রিয়ায় আনতে খরচ হয়েছে ১৬০০ কোটি টাকা। পশ্চিমবঙ্গের মোট জনসংখ্যা ৯ কোটি ১২ লাখের কিছু বেশি। ভাবুন একবার, এই জনসংখ্যাকে এনআরসির প্রক্রিয়ায় আনতে সরকারের কোষাগার কতটা ফাঁকা হবে। আর গোটা দেশের কথা তো ছেড়েই দিলাম। এই এনআরসি প্রক্রিয়ায় নাম তোলাতে সাধারণ মানুষের খসেছে মোটা অঙ্কের গাঁটের কড়ি। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই বাদ পড়া মানুষের পকেট থেকে মোট ৭,৮৩৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে শুধুমাত্র নাম তোলার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা গোষ্ঠী রাইটস অ্যান্ড রিস্কস অ্যানালিসিস (আরআরএজি) গ্রুপ সম্প্রতি প্রকাশ করেছে এমনই একটি সমীক্ষা রিপোর্ট। ‘The Economic Cost of Draft NRC: Poor Made Extremely Poor’ শীর্ষক রিপোর্টের জন্য সমীক্ষা চালানো হয়েছে অসমের বাকসা, গোয়ালপাড়া এবং কামরূপ জেলায়। ৬২ জনের এনআরসিতে নাম তোলার জন্য খরচ হওয়া টাকার অঙ্কের হিসেব নেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, ওই ৬২ জনের মোট খরচ হয়েছে ১১,৮২,০০০ টাকা, অর্থাৎ মাথা পিছু ১৯,০৬৫ টাকা। কিন্তু গরিব মানুষ আকাশ ছোঁয়া সেই খরচ জোগাবেন কীভাবে?
দেশের মাত্র একটি রাজ্যে বিপুল টাকা এমন সময় খরচ করা হয়েছে, যখন খোদ কেন্দ্রীয় সরকার বলছে কোষাগারের অবস্থা খারাপ। সার্বিক ভাবে অর্থনীতির ঝিমিয়ে পড়ার কারণ খুঁজতে অর্থ মন্ত্রকে আলোচনা চলছে। প্রতিদিন আরও বিবর্ণ হচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি! মন্দার কারণে রাজস্ব আদায় কম হওয়ায় পরিকাঠামো ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে খরচের ক্ষমতা কমছে সরকারের। সুদ কমানো, কর কমানোর মতো কোনও দাওয়াইয়েই চাঙ্গা করা যাচ্ছে না দেশের অর্থনীতিকে। অর্থনীতির কাহিল হওয়ার জন্য দায়ী করা হচ্ছে কৃষিক্ষেত্রের মন্থর উৎপাদনকেও। বিশ্বব্যাঙ্কের দাবি, বৃদ্ধির গতি শ্লথ যথেষ্ট ঋণের অভাবে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড কমায় এবং চাহিদা-কেনাকাটা ঝিমিয়ে পড়ায়। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান মন্ত্রকের ইঙ্গিত, কারখানার উৎপাদন, লগ্নি বা নির্মাণ যন্ত্রাংশে পুঁজির ক্ষেত্রেও ছবিটা বেশ খারাপ। সরকার যতই ‘কিছু হয়নি’ ভাব দেখাক, সম্প্রতি খোদ মোদি সরকারের পরিসংখ্যান মন্ত্রক জানিয়েছিল, চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশে আটকে থাকবে।
শেষ পর্যন্ত সত্যিই এই ৫ শতাংশের ‘গর্তে’ পা ঢুকলে, ২০০৮ সালে বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দার পরে ১১ বছরের তলানিতে পিছলে যাবে দেশের বৃদ্ধির হার। মার্কিন অর্থনীতিবিদ নুরিয়েল রুবিনির মন্তব্য, ‘‘ভারত সরকার ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতির তুলনায় মতাদর্শগত বিষয়গুলিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে অর্থনীতি শ্লথ হলে ভারতের জনপ্রিয়তা হারাতে হতে পারে।’’ প্রশ্ন ওঠে, অর্থনীতি বেহাল, তবুও নতুন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মাতামাতি কেন?
অনেকেই বলছেন দেশের অর্থনীতির মূল সমস্যা থেকে দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরানোর জন্যই নাকি
তড়িঘড়ি জাতীয় নাগরিকত্ব আইনের প্রবর্তন। এই ধরনের স্পর্ধা ভারতের জনগণ কখনও দেখেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি মন্ত্রী লিখছেন, তোমাকে আগে ফেরত পাঠাই তোমার দেশে, তার পর তোমার কথার জবাব দেব...। কর্ণাটকের বেল্লারির বিজেপি বিধায়ক সোমশেখর রেড্ডির প্রকাশ্যে বলছেন, ‘খুব সাবধান, আমরা দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ। তোমরা মাত্র ১৫ শতাংশ। তোমরা সংখ্যালঘু। এ দেশে থাকতে গেলে বুঝে শুনে পা ফেলতে হবে।’ কলাকাতায় এসে বিজেপির সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা বলে গিয়েছেন, পিকচার অভি বাকি হ্যায়। সিএএ, এনআরসির মধ্যে ‘জুজু’ খুঁজছে গোটা দেশ, গোটা বাংলা।
একদিন হয়তো, মজা করে নিজেকে ‘বরিশালের পোলা’ বলতেও ভয় হবে! 
25th  January, 2020
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
একনজরে
জাতীয় দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক প্রশান্ত ডোরার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। শুক্রবার তিনি ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তাঁর প্লেটলেটের সংখ্যা নেমে এসেছে তিন হাজারে। কমেছে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও।   ...

ভাতার থানার বড়বেলুনে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাঠের ধারে বাবলা গাছে মাফলার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মৃতের নাম বাপন দাস (৩৭)।   ...

বালুরঘাটে এসে কংগ্রেসের যে পার্টি অফিসটির উদ্বোধন করেছিলেন নেতাজি, তা আজ আত্রেয়ীর গর্ভে। বালুরঘাট শহরের যে বাড়িতে রাত্রিবাস করেছিলেন তিনি, সেটিরও একটি অংশ ভাঙা পড়েছে ...

ট্রাম্প জমানা অতীত। আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই অবস্থায় ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণ কোন খাতে বইবে, জানাতে আগ্রহী কূটনৈতিক মহল। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

পরাক্রম দিবস
১৮৫৯ - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু
১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯০৯ - কবি নবীনচন্দ্র সেনের মৃত্যু
১৯২০ - ভারতীয় উপমহাদেশের বিমানে মাল পরিবহণ ও ডাক যোগাযোগ শুরু
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’-এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু
১৯৮৪ – নেদারল্যান্ডের ফুটবল খেলোয়াড় আর্ইয়েন রবেনের জন্ম
১৯৮৯ - স্পেনীয় চিত্রকর সালভাদর দালির মৃত্যু
২০০২ - পাকিস্তানের করাচীতে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল অপহৃত হন এবং পরবর্তীকালে নিহত



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী ৩৬/২৬ রাত্রি ৮/৫৭। কৃত্তিকা নক্ষত্র ৩৭/৫৫ রাত্রি ৯/৩৩। সূর্যোদয় ৬/২২/২৩, সূর্যাস্ত ৫/১৪/৩৭। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী রাত্রি ৭/৫৯। কৃত্তিকা নক্ষত্র রাত্রি ৯/১১। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/১০ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে ও ৪/৪৭ গতে ৬/২৫ মধ্যে। 
৯ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নেতাজি ভবনে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:52:43 PM

রেস কোর্সে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টার 

03:24:11 PM

কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:14:41 PM

দেশের চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী করা হোক: মমতা 

02:29:17 PM

শুধু দিল্লি কেন ভারতের রাজধানী হবে: মমতা 

02:23:57 PM

কেন দেশনায়ক দিবস হবে না, কেন পরাক্রম দিবস হবে: মমতা 

02:18:38 PM