Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও। কথায় ও কাজে মিল থাকলে মুখ হয় আস্থার পাত্র, আর ফারাক হলেই মুখ ঢাকা পড়ে অবিশ্বাসের চাদরে। কথা ও কাজের সুবাদেই রাজনীতিতে কেউ কেউ হয়ে ওঠেন প্রতিবাদী মুখ। কানহাইয়া কুমার। মাত্র ৩৩ বছর বয়সেই তা করে দেখিয়েছেন। অধুনা ঐশী ঘোষ। আবার বাম জমানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হয়ে উঠেছিলেন ‘প্রতিবাদের প্রতীক’। তবে, প্রতিবাদের ভাষা বখাটে ছেলের মতো বিপথগামী হলেই ছোটে কুকথার ফুলঝুরি। অতীতে এব্যাপারে যথেষ্ট খ্যাতি কুড়িয়ে ছিলেন বিনয় কোঙার, অনিল বসুরা। আর এখন দিলীপ ঘোষ। বঙ্গ রাজনীতির প্রধান বিরোধী মুখ। এরাজ্যে আরএসএসের পোস্টার বয়।
কাল মার্কস শিখিয়েছিলেন, ক্ষমতা কেড়ে নিতে হয়। কারণ সব শাসকই শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। মার্কস সাহেবের এই লড়াইয়ের রাস্তা ছিল সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থা ও সামন্ত প্রভুর বিরুদ্ধে। বহু যুগ পরেও তার প্রাসঙ্গিকতা থেকেই গিয়েছে। বিশেষ করে বিরোধীদের কাছে। বিরোধী রাজনীতিতে জঙ্গিপনার এখনও বেশ কদর। মার্কসীয় দর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে দিলীপবাবুদের রাজনীতির অবস্থান। আদশর্গত অবস্থানের বিচারে উভয় দলের সম্পর্ক একেবারেই সাপে নেউলে। তা সত্ত্বেও দিলীপবাবু সেই জঙ্গিপনাকে আঁকড়ে ধরেই রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হতে চাইছেন। তাঁর চলনে, বলনে দিন দিন সেই ছাপই প্রকট হচ্ছে।
কট্টর আরএসএস ঘরানার মানুষ দিলীপবাবু খুব ভালো করেই বুঝেছেন, বিরোধী দলের জায়গাটা শক্তপোক্ত করতে হলে শাসকের বিরুদ্ধে জেহাদকে সপ্তমে চড়াতে হবে। শাসকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আছে, প্রমাণ দিতে পারলেই বিরোধী মনস্ক লোকজনকে একছাতার তলার নীচে আনা সম্ভব। তাই ছোবল মারার শক্তি থাক বা না থাক, ফোঁস করতেই হবে। শিখিয়ে গিয়েছেন স্বয়ং রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব।
বিজেপির রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দিলীপবাবু সেই কাজটি অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সঙ্গে করে যাচ্ছেন। সাফল্যও পেয়েছেন। দলগত এবং ব্যক্তিগত। সংগঠনের ছিটেফোঁটা না থাকা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে রাজ্যের প্রায় অর্ধেক আসন কব্জা করেছেন। তাঁরই নেতৃত্বে এরাজ্যে বিরোধী দলের জায়গাটা বিজেপির পাকা করেছেন। ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিপিএমের ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন। আবার ব্যক্তিগতভাবে প্রথমে তিনি বিধায়ক এবং পরে সংসদ সদস্য। এখন তিনি দলের কোচ কাম প্লেয়ার।
একটা সময় কলকাতার ময়দানে পিকে ব্যানার্জির ‘ভোকাল টনিক’ ছিল চর্চার বিষয়। অনামী খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গড়েও স্রেফ ভোকাল টনিকের জোরে ম্যাচ বের করে আনতেন। খেলোয়াড়দের চাঙ্গা করার জন্য নতুন নতুন কৌশল বের করতেন। আর সেই অনন্য ক্ষমতার জন্য পিকের কোচ হিসেবে চাহিদাও ছিল তুঙ্গে।
অনেকেই মনে করছেন, রাজনীতির ময়দানে দিলীপবাবু একইভাবে অনামী খেলোয়াড়দের নিয়ে ম্যাচ বের করতে চাইছেন। ভরসা ভোকাল টনিক। খড়্গপুর উপনির্বাচনেও কর্মীদের ভোকাল টনিক দিয়েছিলেন। ‘মারব এখানে লাশ পড়বে শ্মশানে’ স্টাইলে দিলীপবাবুর ডায়ালগ ছিল, ‘ভোটের দিন বাইরের লোক খড়্গপুরে ঢুকবে হেঁটে, ফিরবে খাটিয়ায় চেপে।’ কিন্তু, টনিক কাজ করেনি। ঘটেছে দুর্গের পতন। তবে ‘হাল ছেড়ো না বন্ধু বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে’ পরামর্শ মেনে লড়াইয়ে টিকে থাকার নিরন্তর চেষ্টায় মগ্ন গেরুয়া শিবিরের সেনাপতি। উপনির্বাচনে ভরাডুবিতে ঝিমিয়ে পড়া কর্মীদের চাঙ্গা করতে ভোকাল টনিকের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। তাতে মাঝেমধ্যেই ফাউল করছেন। দেখছেন হলুদ কার্ডও। কিন্তু, সতর্ক হওয়ার লক্ষণ নেই।
সিএএ ইস্যুতে উত্তরপ্রদেশে আন্দোলনকারীদের গুলি করে মারাকে সমর্থন জানিয়ে দিলীপবাবুর বক্তব্য, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করতে গেলে গুলি করে মারাই উচিত। অনেকেই ভেবেছিলেন, উত্তেজনার বশে মুখ ফসকে দিলীপবাবু একথা বলে ফেলেছেন। নিশ্চয়ই তিনি আর পাঁচজন রাজনৈতিক নেতার মতো সংবাদ মাধ্য঩মের উপর দায় চাপিয়ে দাবি করবেন, তাঁর কথার অন্য ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। কিন্তু দিলীপ ঘোষ সে বান্দা নন। উল্টে সবাইকে অবাক করে দিয়ে জানিয়ে দিলেন, তিনি তাঁর অবস্থান থেকে একচুলও নড়ছেন না। যা বলেছেন, ঠিক বলেছেন। অর্থাৎ, দিলীপ ঘোষ ভাঙবে, কিন্তু মচকাবে না।
বাংলার বুকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের একটা প্রভাব আগেও ছিল, এখনও আছে। মেগা সিরিয়ালের দৌলতে সেটা বেড়েছে বই কমেনি। তা‌ই বুদ্ধিজীবীদের গেরুয়া ছাতার নীচে আনার চেষ্টাও হয়েছিল। কিন্তু, সেই প্রয়াস তেমন ফলপ্রসূ হয়নি। তাই দিলীপবাবুর এখন টার্গেট, বুদ্ধিজীবীরা। বাংলা চলচ্চিত্রের অতি পরিচিত মুখ সব্যসাচী চক্রবর্তী সহ অনেকে সিএএ’র বিরোধিতা করে ‘কাগজ না দেখানোর’ মতামত ব্যক্ত করতেই দিলীপবাবু তাঁদের ‘নিমকহারাম’ বলতে সময় নেননি। তা নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু, স্ট্যান্ড বদলাননি। উল্টে পরের দিন আরও কুৎসিত আক্রমণ, যাদের বাবা মায়ের ঠিক নেই তারাই ক্যা এর বিরোধিতা করছেন। অনেকেই ছি, ছি, করছেন। কিন্তু, দিলীপবাবু নিজের বক্তব্যে অবিচল।
একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদ মাধ্যমের ফুটেজ খাওয়ায় দৌড়ে তিনি অনায়াসেই কেষ্ট মণ্ডলকে পিছনে ফেলে দিয়েছেন। তবে, তাঁর মন্তব্যে দল প্রশ্নের মুখে পড়ছে। গুলি করে মারার হুমকি সাধারণ মানুষ তো বটেই, তাঁর দলেরই অনেকে হজম করতে পারেননি। তাঁরা মনে করছেন, চোখা চোখা ডায়ালগে হাততালির ঝড় ওঠে, কিন্তু ফ্লোটিং ভোটারদের নিয়ে বাড়ে সংশয়। কারণ অনেকেই মনে করতে পারেন, শাসকের চেয়ারে বসলে দিলীপবাবুরা গুলি করে আন্দোলনকারীদের দমনপীড়নের পথ নেবেন। এই ধারণা একবার মনে গেঁথে গেলে মানুষ মুখ ফেরাতে সময় নেবে না।
তাই দলের কেউ কেউ সিএএ ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের গুলি করে মারার সমর্থনের বিষয়টিকে ‘দিলীপ ঘোষের ব্যক্তিগত বক্তব্য, দলের কথা নয়’ বলে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করছেন। কিন্তু, তাতে দিলীপবাবু মোটেই বিচলিত হননি। কারণ তিনি জানেন, রাজনীতিতে ‘হিম্যান’ ইমেজের একটা অন্যরকম ভ্যালু আছে। আর সেটাই তিনি অত্যন্ত সযত্নে গড়তে চাইছেন। তাই বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য ভুল স্বীকার তো অনেক বড় কথা, তিনি নিজেকে যে বদলাবেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
যে কোনও নির্বাচনে মুখ একটা ‘এক্স ফ্যাক্টর’ হিসেবে কাজ করে। সে পুরসভার নির্বাচন হোক বা বিধানসভা কিংবা লোকসভা। ভোটাররা একটা ভরসাযোগ্য মুখ খোঁজে। বিগত লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবির নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে যতটা সফল হয়েছিল, ঠিক ততটাই ব্যর্থ হয়েছিল বিরোধীরা। মুখের সুবাদেই ‘ক্লিন সুইপ’ করেছিল বিজেপি।
এরাজ্যের শাসক দলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীর মুখ স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি এখনও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে কাউকে সামনে আনেনি। কিন্তু, বিরোধী দলের প্রধান মুখ হিসেবে দিলীপ ঘোষের জায়গা পাক্কা। সমকক্ষ তো দূরের কথা, তাঁর ধারে কাছে কেউ নেই। কারণ রাজ্য সভাপতির প্রথম ইনিংসে বিজেপিকে প্রায় শূন্য থেকে তুলে এনে প্রধান বিরোধীর জায়গায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। সেই কৃতিত্বের পুরস্কার, দ্বিতীয়বার রাজ্য সভাপতি।
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই জানিয়ে দিয়েছেন, এবার তাঁর লক্ষ্য রাজ্যে এক নম্বর হওয়া। তিনি খুব ভালো করেই জানেন, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গেলে খেলতে হবে ঝোড়ো ইনিংস। দক্ষ খেলোয়াড়ের খামতি মিটিয়ে ম্যাচ বের করতে হলে কোচের একমাত্র অস্ত্র কৌশল। তাঁকে থাকতে হবে প্রচারের আলোয়। হয়ে উঠতে হবে চর্চার কেন্দ্র। তার অবশ্যম্ভাবী পরিণতি, আরও চোখা চোখা ডায়ালগে সম্বৃদ্ধ হবে তাঁর ভাষণ। এই মুহূর্তে সেটাই তাঁর ইউএসপি।
নেগেটিভ প্রচারও এক ধরনের প্রচার। নেগেটিভ প্রচারের দৌলতে বিতর্কিত অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে টক্কর নেওয়ায় যায়, প্রধান বিরোধী মুখ হওয়া যায়, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়া যায় না। কারণ
রবীন্দ্র-নজরুলের বাংলা কথা বলে অন্য ভাষায়। 
25th  January, 2020
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
একনজরে
জাতীয় দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক প্রশান্ত ডোরার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। শুক্রবার তিনি ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তাঁর প্লেটলেটের সংখ্যা নেমে এসেছে তিন হাজারে। কমেছে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও।   ...

ভোটের মুখে সুখবর। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীদের ভাতা বৃদ্ধি করল সরকার। মোট তিনটি ক্যাটিগরিতে সমানহারে দৈনিক ১৭ টাকা করে মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে। ...

ভাতার থানার বড়বেলুনে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাঠের ধারে বাবলা গাছে মাফলার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মৃতের নাম বাপন দাস (৩৭)।   ...

বালুরঘাটে এসে কংগ্রেসের যে পার্টি অফিসটির উদ্বোধন করেছিলেন নেতাজি, তা আজ আত্রেয়ীর গর্ভে। বালুরঘাট শহরের যে বাড়িতে রাত্রিবাস করেছিলেন তিনি, সেটিরও একটি অংশ ভাঙা পড়েছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

পরাক্রম দিবস
১৮৫৯ - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু
১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯০৯ - কবি নবীনচন্দ্র সেনের মৃত্যু
১৯২০ - ভারতীয় উপমহাদেশের বিমানে মাল পরিবহণ ও ডাক যোগাযোগ শুরু
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’-এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু
১৯৮৪ – নেদারল্যান্ডের ফুটবল খেলোয়াড় আর্ইয়েন রবেনের জন্ম
১৯৮৯ - স্পেনীয় চিত্রকর সালভাদর দালির মৃত্যু
২০০২ - পাকিস্তানের করাচীতে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল অপহৃত হন এবং পরবর্তীকালে নিহত



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী ৩৬/২৬ রাত্রি ৮/৫৭। কৃত্তিকা নক্ষত্র ৩৭/৫৫ রাত্রি ৯/৩৩। সূর্যোদয় ৬/২২/২৩, সূর্যাস্ত ৫/১৪/৩৭। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী রাত্রি ৭/৫৯। কৃত্তিকা নক্ষত্র রাত্রি ৯/১১। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/১০ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে ও ৪/৪৭ গতে ৬/২৫ মধ্যে। 
৯ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নেতাজি ভবনে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:52:43 PM

রেস কোর্সে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টার 

03:24:11 PM

কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:14:41 PM

দেশের চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী করা হোক: মমতা 

02:29:17 PM

শুধু দিল্লি কেন ভারতের রাজধানী হবে: মমতা 

02:23:57 PM

কেন দেশনায়ক দিবস হবে না, কেন পরাক্রম দিবস হবে: মমতা 

02:18:38 PM