Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। আইনত দণ্ডনীয়। আর ইন্টেলেকচুয়াল হওয়া বর্জনীয়। এই অংশটির বিশ্বাস, এ জগতে কেউ বিশুদ্ধ সেকুলার হতেই পারে না। সবটাই মুখোশ আর মিথ্যাচার। তাই সেকুলার মানে হল একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে তোষণ করা। সমস্যা হল, ঠিক যে দুটি শব্দকে ঘিরে এই বিশেষ অংশের মানুষের সমস্যা, সেই সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়ার হওয়াটা আসলে খুব কঠিন। আর কে না জানে যেটা আমাদের চিন্তাধারায় অর্জন করা খুব কঠিন, যা আমাদের অধরা, যে অবস্থান আমাদের মানসিক গঠনের উপলব্ধির বাইরে, সেটা সম্পর্কে আমাদের একটা অসূয়া, রাগ তৈরি হয়। তাই সেটাকে খারাপ প্রতিপন্ন করতে চাই। সেকুলার হতে গেলে স্রেফ ধর্মের কারণে একজন ব্যক্তিকে শত্রু ভেবে নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে, আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে বহু সর্বনাশ করেছে এমন অনেক মানুষ, আত্মীয়, স্বজন, পরিবার, বন্ধুবান্ধব, অফিস, কর্মস্থলে আছে, যারা কিন্তু আমাদেরই নিজের ধর্মসম্প্রদায়। তারা আমারই ধর্মের, অথচ তাদের জন্য আমাদের জীবন হয়তো দুর্বিষহ হয়েছে। আবার বহু উপকারও করেছে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা ভিন্ন সম্প্রদায়ের। সুতরাং স্রেফ একজন হিন্দু অথবা মুসলিম হলেই সে খারাপ মানুষ ও ঘৃণ্য হয়ে গেল, এরকম ভাবাটা চিন্তার দৈন্য। ইন্ডিভিজুয়াল একজন মানুষ খারাপ হয়। ধর্ম খারাপ হয় না। নিশ্চয়ই যারা আমাদের উপর অত্যাচার করছে, আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করতে হবে। ব্যবস্থা না নিলে সরকার তথা শাসক দলকে অবশ্যই উচিত শিক্ষা দিতে হবে ভোটের সময়। এটাই গণতান্ত্রিক পথ। যে শব্দটি সংবিধানের অন্তর্গত, সেই সেকুলার শব্দটিকে প্রায় গালাগালির পর্যায়ে নামিয়ে আনা হচ্ছে কেন? এর প্রকৃত ডিজাইনটি কী? উদ্দেশ্য কী।
যারা ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটিকে অপছন্দ করে, তারা ধরেই নেয় ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটির মানে হল ওই যেসব বিখ্যাত ব্যক্তি আমার পছন্দের দলের বিরোধিতা করছেন, আমার প্রিয় নেতানেত্রীকে আক্রমণ করছেন, আমার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক অবস্থানের দলটির ছাতার তলায় এসে জড়ো হয়েছেন, তাঁরাই। আসলে কি তাই? মোটেই নয়। এরা ইন্টেলেকচুয়াল হতেও পারেন, নাও পারেন। আমার মুখটা টিভি অথবা সিনেমা কিংবা অনুষ্ঠানের বদান্যতায় জনসমাজে পরিচিত মানেই আমি ইন্টেলেকচুয়াল তা হয় না। ইন্টেলেকচুয়াল মানে একঝাঁক কবি, সাহিত্যিক, সিনেমা স্টার সেলেব্রিটি মোটেই নয়। তাঁরা তো সামান্য কয়েকজন!
একজন সম্পূর্ণ আড়ালে থাকা, নিজের মনে নিজের সংসারধর্ম, পেশায় থেকে জীবন প্রতিপালন করা মানুষও ইন্টেলেকচুয়াল হতে পারেন। ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটির প্রথমাংশ ইন্টেলেক্ট। অর্থাৎ শানিত বুদ্ধি। ইন্টেলেকচুয়াল তাঁরাই, যাঁরা নিজের বুদ্ধি দিয়ে সামাজিক ঘটনাক্রমকে বিশ্লেষণ করেন, অবস্থান গ্রহণ করেন। ইন্টেলেক্ট বাড়ানো যাবে কীভাবে? সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীন ভাবে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করা এবং পড়াশোনা করা। বামপন্থী, দক্ষিণপন্থী সব ধরনের পড়াশোনা। নিছক সোশ্যাল মিডিয়ার শিক্ষা নয়। যা আমার কাছে শেয়ার করা হচ্ছে সেগুলি ভেরিফাই করা, ক্রস চেক করা যে, সত্যিই এই ফরওয়ার্ড করা মেসেজ সঠিক তো? নাকি আমাকে বোকা বানানো হচ্ছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে? আমার অধীর বিদ্যা, আমার মধ্যে থাকা পূর্বপুরুষের ডিএনএ, জিন, আমার শিক্ষা, আমার সংস্কৃতিচর্চা, সমস্ত কিছুর মিশ্রণ দিয়ে, আমি স্থির করব কোনও একটি সামাজিক রাজনৈতিক ঘটনায় আমার অবস্থান কী হবে। কোনও বাইরের নেতা বা নেত্রী স্থির করে দেবেন না আমার অবস্থান। দল অথবা সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত ভালো? নাকি খারাপ? এটা আমি দেখেশুনে উপলব্ধি করে বিচার করব। আমার দল একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অতএব সেটি ভালো হতে বাধ্য—এরকম বুদ্ধিহীন, চিন্তাহীন জীবনযাপন নিজেরই অসম্মান নয়? ইন্টেলেকচুয়াল হতে গেলে কবিতা লিখতে হবে না, সিনেমা করতে হবে না, দার্শনিক ভাষণ দিতে হবে না। শুধু নিজের সিদ্ধান্ত নিজের বুদ্ধি বিবেচনার মাধ্যমে নিলেই হবে। আমার বিপরীত মতামত যার, সেই লোকটি বোকা এবং শত্রুপক্ষের—এই মনোভাব থেকেও দূরে থাকার শক্তি অর্জন করা।
এই যে নিজের বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে অবস্থান গ্রহণ করা, এটাই সবথেকে কঠিন। আর এটাই ইন্টেলেকচুয়াল হওয়ার প্রথম ধাপ। তাই কে সেলেব্রিটি আর কে সেলেব্রিটি নয়, সেটা দিয়ে ইন্টেলেকচুয়াল হওয়া মোটেই নির্ভর করে না। অত্যন্ত সাধারণ মানুষ যদি কোনও দলদাস না হন, কোনও নেতানেত্রীকে নিজের রোলমডেল হিসাবে বন্দনা না করেন, প্রতিটি ঘটনাকেই পৃথক পৃথকভাবে বিচার বিশ্লেষণ করেন, তা হলে তিনিও কিন্তু একজন ইন্টেলেকচুয়াল। সমস্যা হল, যারা ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটিকে ঘৃণা করে, তারা আসলে চিন্তার শক্তিকেই ঘৃণা করে এবং ভয় পায়। তারা কোনও একটি বিশেষ দল বা নেতানেত্রীর ভক্ত হয় এবং তারা নিজেরাই যদি লক্ষ্য করে, দেখতে পাবে, তারা আসলে কোনও বিশেষ সিদ্ধান্তের সমর্থক নয়। তাদের প্রিয় দল বা নেতানেত্রী যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সেটাই তাদের সমর্থন পায়। তারা অযথা ওই সিদ্ধান্তটির পক্ষে নানারকম যুক্তিতর্ক দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করে। তারা এটা ভুলে যায় যে তার প্রিয় দল বা সরকারের নেওয়া ওই সিদ্ধান্তটি সাধারণ মানুষের জন্য ভালোই হোক অথবা খারাপ হোক, তারা সমর্থন করবেই। কারণ, তাদের প্রিয় দল ও নেতা ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা আজ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কিংবা এনআরসি সমর্থন করছে, তারা প্রচ্ছন্ন একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে, যেন এই আইন দেশের জন্য খুব ভালো বলেই তারা সমর্থন করছে। আদতে তা কিন্তু নয়। এই আইন তাদের প্রিয় সরকার, দল ও নেতা গ্রহণ করেছেন বলেই তারা সমর্থন করছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার অথবা শাসক দলের সব আচরণ, সব সিদ্ধান্ত মোটেই সমর্থনযোগ্য হয় না। আর সেটা যে হয় না, সেটা শাসক দল বিভিন্ন সময় প্রমাণও পেয়েছে। মানুষ বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
সুতরাং ইন্টেলেকচুয়াল এবং সেকুলার হওয়ার অর্থ হল, পক্ষপাতহীন থাকা। নরেন্দ্র মোদির যে সিদ্ধান্তগুলি সত্যিই ভালো, সেগুলি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করা। আর যে কাজগুলি খারাপ তার তীব্র সমালোচনা করা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসংখ্য সরকারি প্রকল্প জনস্বার্থবাহী। সেকথা স্বীকার করা। আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আপত্তিকর কার্যকলাপও স্বীকার করতে হবে। একেই বলা হয় নিরপেক্ষ অবস্থান।
চিন্তার শক্তি এবং কোনও দলের প্রতিই মোহহীন অবস্থান না থাকলে ক্রমেই একটি দেশে মাথা চাড়া দেয় একটি বিশেষ শাসন প্রবণতা। সেটির নাম ইওরোপের চিন্তাবিদরা দিয়েছেন ন্যাশনাল পপুলিজম। বিশ্বজুড়ে ন্যাশনাল পপুলিজম সবথেকে বেশি চাপে ফেলছে এবং চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছে লিবারালিজমকে। অর্থাৎ উদার- মনস্কতাকে। সেই চ্যালেঞ্জের প্রথম ধাপ হয় পোস্ট ট্রুথ। আর প্রতিটি জাতীয়তাবাদকে উস্কে দেওয়া এই ন্যাশনাল পপুলিস্ট দলের অন্যতম অস্ত্র হয় জাতিসত্ত্বাকে জীবনযাপনের অগ্রাধিকার হিসাবে স্থান দেওয়া। তাই বিশ্বের সর্বত্র ন্যাশনাল পপুলিস্টদের প্রধান ইস্যু আজ ইললিগ্যাল ইমিগ্রেশন। জার্মানিতে ফিরে এসেছে এরকম ন্যাশনাল পপুলিস্ট দল, হাঙ্গেরিতে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছে, ‌ইতালিতে জোট সরকার গঠন করে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক ইন্টিরিয়র মিনিস্ট্র দখল করেছে। ফ্রান্সের যে শহরগুলিতে ন্যাশনাল পপুলিস্ট লিডার মেরিন ল্য পেনের প্রশাসন প্রতিশ্রুতি পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে, সেইসব শহরবাসী কিন্তু বিরুদ্ধে ভোট দেয়নি। আবার সুযোগ দিয়েছে। সুইডেনে বিপুল জনপ্রিয়তা পাচ্ছে উগ্র জাতীয়তাবাদী সুইডেন ডেমোক্র্যাটস। এই তালিকায় সবথেকে উজ্জ্বল দুটি নাম ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বরিস জনসন। ন্যাশনাল পপুলিস্টদের সবথেকে বড় সাফল্য কিন্তু আমজনতার সমর্থন নয়। তাদের সবথেকে বড় সাফল্য হল বিরুদ্ধপক্ষীয় লেফট অথবা সেকুলার লিবারাল দলগুলিকেও তারা বাধ্য করে কিছুটা নিজেদের আদর্শের দিকে নিয়ে আসতে। যাদের আজকাল পশ্চিমি দেশে বলা হচ্ছে, ন্যাশনাল পপুলিস্ট লাইট। ঠিক ভারতে যেমন প্রায় তাবৎ বিজেপি বিরোধী দলগুলি আজ পূর্বের অবস্থানে আর ফিরতে পারবে না। সূক্ষ্মভাবে দেখলে বোঝা যাবে, তারা আজকাল আর হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির তীব্র বিরোধিতা করতে পারছে না। কারণ ভোটব্যাঙ্ক। অর্থাৎ তারাও পা দিয়েছে সফট হিন্দুত্বে! এটাই সাফল্য ন্যাশনাল পপুলিজমের!
24th  January, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

20th  September, 2020
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিইএসসির অফিসার বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করল জোড়াসাঁকো থানার পুলিস। ধৃতের নাম মোহাম্মদ সুলেমান। বাড়ি তিলজলা এলাকায়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সিইএসসির জাল রসিদ।   ...

লন্ডন: করোনা রুখতে কঠোর জরিমানার পথে হাঁটতে চলেছে ব্রিটেন। সেল্ফ আইসোলেশনে না থাকলে করোনা আক্রান্তকে ১০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হবে বলে শনিবার ঘোষণা করেছে বরিস জনসন সরকার।  ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: রাজ্যের চটকল শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানের প্রতি এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিশেষ নজর দিতে চলেছে। শ্রমিকদের চাকরির স্থায়িত্ব এই শিল্পের অন্যতম এবং বহু পুরনো সমস্যা হওয়ায় আপাতত তার সমাধানকেই পাখির চোখ করেছে শ্রমদপ্তর।   ...

রোম: ইতালিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেন রাফায়েল নাদাল। তবে ফাইনালে উঠেছেন নোভাক জকোভিচ। এর আগে রোমের এই টুর্নামেন্টে ন’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন স্প্যানিশ তারকা নাদাল।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধাবিঘ্ন। হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৪৫/৩৬ রাত্রি ১১/৪৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৮/২১ রাত্রি ৮/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২৮/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/৩০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা
৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ১১/৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে।  
৪ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, চতুর্থী দিবা ৭/৩৭ পরে পঞ্চমী শেষরাত্রি ৫/১৭। বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৪/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১ গতে ১১/৩১ মধ্যে।  
মোসলেম: ৩ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কলেজে ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ অক্টোবর 
কলেজগুলিতে স্নাতকস্তরে ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি করল রাজ্য সরকার। রবিবার শিক্ষামন্ত্রী ...বিশদ

09:01:17 AM

আজ আইপিএল-এ
 

আইপিএল-এ আজ মুখোমুখি হবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ...বিশদ

09:00:04 AM

কলকাতায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস 
ঘনীভূত হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। সর্তকতা জারি হয়েছে রাজ্যজুড়ে। কলকাতাতেও মঙ্গলবার ...বিশদ

08:58:46 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ...বিশদ

08:47:39 AM

গর্ভের সন্তান ছেলে কি না জানতে স্ত্রীর পেট কাটল যুবক, গ্রেপ্তার 
পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার আরও এক ঘৃণ্য নজির সৃষ্টি করল উত্তরপ্রদেশের বুদানের ...বিশদ

08:45:00 AM

হাতি সাফারি আপাতত বন্ধ থাকবে 
কোভিড-১৯ আবহে জঙ্গল খোলার ১৫ দিন পর রিভিউ মিটিংয়ে পরিস্থিতি ...বিশদ

08:25:00 AM