Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। আইনত দণ্ডনীয়। আর ইন্টেলেকচুয়াল হওয়া বর্জনীয়। এই অংশটির বিশ্বাস, এ জগতে কেউ বিশুদ্ধ সেকুলার হতেই পারে না। সবটাই মুখোশ আর মিথ্যাচার। তাই সেকুলার মানে হল একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে তোষণ করা। সমস্যা হল, ঠিক যে দুটি শব্দকে ঘিরে এই বিশেষ অংশের মানুষের সমস্যা, সেই সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়ার হওয়াটা আসলে খুব কঠিন। আর কে না জানে যেটা আমাদের চিন্তাধারায় অর্জন করা খুব কঠিন, যা আমাদের অধরা, যে অবস্থান আমাদের মানসিক গঠনের উপলব্ধির বাইরে, সেটা সম্পর্কে আমাদের একটা অসূয়া, রাগ তৈরি হয়। তাই সেটাকে খারাপ প্রতিপন্ন করতে চাই। সেকুলার হতে গেলে স্রেফ ধর্মের কারণে একজন ব্যক্তিকে শত্রু ভেবে নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে, আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে বহু সর্বনাশ করেছে এমন অনেক মানুষ, আত্মীয়, স্বজন, পরিবার, বন্ধুবান্ধব, অফিস, কর্মস্থলে আছে, যারা কিন্তু আমাদেরই নিজের ধর্মসম্প্রদায়। তারা আমারই ধর্মের, অথচ তাদের জন্য আমাদের জীবন হয়তো দুর্বিষহ হয়েছে। আবার বহু উপকারও করেছে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা ভিন্ন সম্প্রদায়ের। সুতরাং স্রেফ একজন হিন্দু অথবা মুসলিম হলেই সে খারাপ মানুষ ও ঘৃণ্য হয়ে গেল, এরকম ভাবাটা চিন্তার দৈন্য। ইন্ডিভিজুয়াল একজন মানুষ খারাপ হয়। ধর্ম খারাপ হয় না। নিশ্চয়ই যারা আমাদের উপর অত্যাচার করছে, আইন লঙ্ঘন করছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করতে হবে। ব্যবস্থা না নিলে সরকার তথা শাসক দলকে অবশ্যই উচিত শিক্ষা দিতে হবে ভোটের সময়। এটাই গণতান্ত্রিক পথ। যে শব্দটি সংবিধানের অন্তর্গত, সেই সেকুলার শব্দটিকে প্রায় গালাগালির পর্যায়ে নামিয়ে আনা হচ্ছে কেন? এর প্রকৃত ডিজাইনটি কী? উদ্দেশ্য কী।
যারা ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটিকে অপছন্দ করে, তারা ধরেই নেয় ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটির মানে হল ওই যেসব বিখ্যাত ব্যক্তি আমার পছন্দের দলের বিরোধিতা করছেন, আমার প্রিয় নেতানেত্রীকে আক্রমণ করছেন, আমার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক অবস্থানের দলটির ছাতার তলায় এসে জড়ো হয়েছেন, তাঁরাই। আসলে কি তাই? মোটেই নয়। এরা ইন্টেলেকচুয়াল হতেও পারেন, নাও পারেন। আমার মুখটা টিভি অথবা সিনেমা কিংবা অনুষ্ঠানের বদান্যতায় জনসমাজে পরিচিত মানেই আমি ইন্টেলেকচুয়াল তা হয় না। ইন্টেলেকচুয়াল মানে একঝাঁক কবি, সাহিত্যিক, সিনেমা স্টার সেলেব্রিটি মোটেই নয়। তাঁরা তো সামান্য কয়েকজন!
একজন সম্পূর্ণ আড়ালে থাকা, নিজের মনে নিজের সংসারধর্ম, পেশায় থেকে জীবন প্রতিপালন করা মানুষও ইন্টেলেকচুয়াল হতে পারেন। ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটির প্রথমাংশ ইন্টেলেক্ট। অর্থাৎ শানিত বুদ্ধি। ইন্টেলেকচুয়াল তাঁরাই, যাঁরা নিজের বুদ্ধি দিয়ে সামাজিক ঘটনাক্রমকে বিশ্লেষণ করেন, অবস্থান গ্রহণ করেন। ইন্টেলেক্ট বাড়ানো যাবে কীভাবে? সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীন ভাবে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করা এবং পড়াশোনা করা। বামপন্থী, দক্ষিণপন্থী সব ধরনের পড়াশোনা। নিছক সোশ্যাল মিডিয়ার শিক্ষা নয়। যা আমার কাছে শেয়ার করা হচ্ছে সেগুলি ভেরিফাই করা, ক্রস চেক করা যে, সত্যিই এই ফরওয়ার্ড করা মেসেজ সঠিক তো? নাকি আমাকে বোকা বানানো হচ্ছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে? আমার অধীর বিদ্যা, আমার মধ্যে থাকা পূর্বপুরুষের ডিএনএ, জিন, আমার শিক্ষা, আমার সংস্কৃতিচর্চা, সমস্ত কিছুর মিশ্রণ দিয়ে, আমি স্থির করব কোনও একটি সামাজিক রাজনৈতিক ঘটনায় আমার অবস্থান কী হবে। কোনও বাইরের নেতা বা নেত্রী স্থির করে দেবেন না আমার অবস্থান। দল অথবা সরকারের কোনও সিদ্ধান্ত ভালো? নাকি খারাপ? এটা আমি দেখেশুনে উপলব্ধি করে বিচার করব। আমার দল একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অতএব সেটি ভালো হতে বাধ্য—এরকম বুদ্ধিহীন, চিন্তাহীন জীবনযাপন নিজেরই অসম্মান নয়? ইন্টেলেকচুয়াল হতে গেলে কবিতা লিখতে হবে না, সিনেমা করতে হবে না, দার্শনিক ভাষণ দিতে হবে না। শুধু নিজের সিদ্ধান্ত নিজের বুদ্ধি বিবেচনার মাধ্যমে নিলেই হবে। আমার বিপরীত মতামত যার, সেই লোকটি বোকা এবং শত্রুপক্ষের—এই মনোভাব থেকেও দূরে থাকার শক্তি অর্জন করা।
এই যে নিজের বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে অবস্থান গ্রহণ করা, এটাই সবথেকে কঠিন। আর এটাই ইন্টেলেকচুয়াল হওয়ার প্রথম ধাপ। তাই কে সেলেব্রিটি আর কে সেলেব্রিটি নয়, সেটা দিয়ে ইন্টেলেকচুয়াল হওয়া মোটেই নির্ভর করে না। অত্যন্ত সাধারণ মানুষ যদি কোনও দলদাস না হন, কোনও নেতানেত্রীকে নিজের রোলমডেল হিসাবে বন্দনা না করেন, প্রতিটি ঘটনাকেই পৃথক পৃথকভাবে বিচার বিশ্লেষণ করেন, তা হলে তিনিও কিন্তু একজন ইন্টেলেকচুয়াল। সমস্যা হল, যারা ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটিকে ঘৃণা করে, তারা আসলে চিন্তার শক্তিকেই ঘৃণা করে এবং ভয় পায়। তারা কোনও একটি বিশেষ দল বা নেতানেত্রীর ভক্ত হয় এবং তারা নিজেরাই যদি লক্ষ্য করে, দেখতে পাবে, তারা আসলে কোনও বিশেষ সিদ্ধান্তের সমর্থক নয়। তাদের প্রিয় দল বা নেতানেত্রী যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সেটাই তাদের সমর্থন পায়। তারা অযথা ওই সিদ্ধান্তটির পক্ষে নানারকম যুক্তিতর্ক দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা করে। তারা এটা ভুলে যায় যে তার প্রিয় দল বা সরকারের নেওয়া ওই সিদ্ধান্তটি সাধারণ মানুষের জন্য ভালোই হোক অথবা খারাপ হোক, তারা সমর্থন করবেই। কারণ, তাদের প্রিয় দল ও নেতা ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা আজ সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কিংবা এনআরসি সমর্থন করছে, তারা প্রচ্ছন্ন একটা বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে, যেন এই আইন দেশের জন্য খুব ভালো বলেই তারা সমর্থন করছে। আদতে তা কিন্তু নয়। এই আইন তাদের প্রিয় সরকার, দল ও নেতা গ্রহণ করেছেন বলেই তারা সমর্থন করছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার অথবা শাসক দলের সব আচরণ, সব সিদ্ধান্ত মোটেই সমর্থনযোগ্য হয় না। আর সেটা যে হয় না, সেটা শাসক দল বিভিন্ন সময় প্রমাণও পেয়েছে। মানুষ বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
সুতরাং ইন্টেলেকচুয়াল এবং সেকুলার হওয়ার অর্থ হল, পক্ষপাতহীন থাকা। নরেন্দ্র মোদির যে সিদ্ধান্তগুলি সত্যিই ভালো, সেগুলি মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করা। আর যে কাজগুলি খারাপ তার তীব্র সমালোচনা করা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসংখ্য সরকারি প্রকল্প জনস্বার্থবাহী। সেকথা স্বীকার করা। আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আপত্তিকর কার্যকলাপও স্বীকার করতে হবে। একেই বলা হয় নিরপেক্ষ অবস্থান।
চিন্তার শক্তি এবং কোনও দলের প্রতিই মোহহীন অবস্থান না থাকলে ক্রমেই একটি দেশে মাথা চাড়া দেয় একটি বিশেষ শাসন প্রবণতা। সেটির নাম ইওরোপের চিন্তাবিদরা দিয়েছেন ন্যাশনাল পপুলিজম। বিশ্বজুড়ে ন্যাশনাল পপুলিজম সবথেকে বেশি চাপে ফেলছে এবং চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ছে লিবারালিজমকে। অর্থাৎ উদার- মনস্কতাকে। সেই চ্যালেঞ্জের প্রথম ধাপ হয় পোস্ট ট্রুথ। আর প্রতিটি জাতীয়তাবাদকে উস্কে দেওয়া এই ন্যাশনাল পপুলিস্ট দলের অন্যতম অস্ত্র হয় জাতিসত্ত্বাকে জীবনযাপনের অগ্রাধিকার হিসাবে স্থান দেওয়া। তাই বিশ্বের সর্বত্র ন্যাশনাল পপুলিস্টদের প্রধান ইস্যু আজ ইললিগ্যাল ইমিগ্রেশন। জার্মানিতে ফিরে এসেছে এরকম ন্যাশনাল পপুলিস্ট দল, হাঙ্গেরিতে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছে, ‌ইতালিতে জোট সরকার গঠন করে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক ইন্টিরিয়র মিনিস্ট্র দখল করেছে। ফ্রান্সের যে শহরগুলিতে ন্যাশনাল পপুলিস্ট লিডার মেরিন ল্য পেনের প্রশাসন প্রতিশ্রুতি পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে, সেইসব শহরবাসী কিন্তু বিরুদ্ধে ভোট দেয়নি। আবার সুযোগ দিয়েছে। সুইডেনে বিপুল জনপ্রিয়তা পাচ্ছে উগ্র জাতীয়তাবাদী সুইডেন ডেমোক্র্যাটস। এই তালিকায় সবথেকে উজ্জ্বল দুটি নাম ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বরিস জনসন। ন্যাশনাল পপুলিস্টদের সবথেকে বড় সাফল্য কিন্তু আমজনতার সমর্থন নয়। তাদের সবথেকে বড় সাফল্য হল বিরুদ্ধপক্ষীয় লেফট অথবা সেকুলার লিবারাল দলগুলিকেও তারা বাধ্য করে কিছুটা নিজেদের আদর্শের দিকে নিয়ে আসতে। যাদের আজকাল পশ্চিমি দেশে বলা হচ্ছে, ন্যাশনাল পপুলিস্ট লাইট। ঠিক ভারতে যেমন প্রায় তাবৎ বিজেপি বিরোধী দলগুলি আজ পূর্বের অবস্থানে আর ফিরতে পারবে না। সূক্ষ্মভাবে দেখলে বোঝা যাবে, তারা আজকাল আর হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির তীব্র বিরোধিতা করতে পারছে না। কারণ ভোটব্যাঙ্ক। অর্থাৎ তারাও পা দিয়েছে সফট হিন্দুত্বে! এটাই সাফল্য ন্যাশনাল পপুলিজমের!
24th  January, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২০ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): বুধবার হঠাৎই দিল্লির রাজপথের হুনার হাটে ঢুঁ মেরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় ৫০ মিনিট ধরে মেলার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘোরেন। শিল্পীদের ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: তিনমাসের বেশি সময় ধরে একটি উট শীতলকুচি থানায় রয়েছে। শীতলকুচির বড়ো মরিচা থেকে উটটি পুলিস উদ্ধার করেছিল। তারপর থেকেই থনা চত্বরে উটটি বেঁধে ...

ওয়াশিংটন, ২০ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): পরিবেশে কার্বন নিঃসরণের ক্ষেত্রে চীনের থেকেও এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল ভারত। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই মন্তব্য করেছেন নিউ ইয়র্কের প্রাক্তন মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ। প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দৌড়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ব্লুমবার্গ।  ...

বিএনএ, পুড়শুড়া: পঞ্চায়েত অফিস থেকে পাঠানো বার্ধক্য ও বিধবা ভাতার তালিকা বদল হয়ে গিয়েছে বিডিও অফিস থেকে। এই অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরশুড়া ব্লক অফিসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন চিলাডাঙি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার ভাতা না পাওয়া মানুষজন। বিক্ষোভের জেরে এদিন ব্লক অফিসে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,০৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৬৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) ত্রয়োদশী ২৮/২ অপঃ ৫/২২। উত্তরাষাঢ়া ৭/৪৯ দিবা ৯/১৩। সূ উ ৬/৮/৫১, অ ৫/৩২/৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৮/২৫ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে ৪/২৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৫৯ গতে গতে ১১/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪১ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২৮/৪২/৫৬ সন্ধ্যা ৫/৪১/২০। উত্তরাষাঢ়া ৯/৩৭/৩২ দিবা ১০/৩/১১। সূ উ ৬/১২/১০, অ ৫/৩০/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/১৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৪/৫ গতে ৫/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৬/৪০ গতে ১১/৫১/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪১/১০ গতে ১০/১৬/২০ মধ্যে।
২৬ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অবসর নিলেন প্রজ্ঞান ওঝা
অবসর ঘোষণা করলেন ভারতীয় লেফট আর্ম স্পিনার প্রজ্ঞান ওঝা। ...বিশদ

11:38:31 AM

কুলটিতে কুয়োয় পড়ে মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী
কুয়োয় পড়ে অস্বাভাবিক মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের ...বিশদ

11:27:00 AM

আজ মুক্তি 
শুভ মঙ্গল জাদা সাবধান- হিতেশ কেবল্য পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ...বিশদ

11:14:53 AM

 ওয়েলিংটন টেস্ট: বৃষ্টিতে পণ্ড প্রথম দিনের খেলা

10:48:56 AM

খড়গপুরে বালিবোঝাই গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু বৃদ্ধ দম্পতির
একটি বালি বোঝাই গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধ দম্পতির মৃত্যু। ঘটনাটি পশ্চিম ...বিশদ

10:45:40 AM

ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় আলিপুরদুয়ারে মৃত ৫
ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তরতাজা ৫টি প্রাণ। ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

10:40:20 AM