Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

অষ্টাদশ শতকের বিখ্যাত দার্শনিক এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন, ‘যখন আমরা আমাদের সম্পদের উপর কর্তৃত্ব স্থাপন করি, তখন আমরা হব ধনী ও মুক্ত। কিন্তু যখন আমাদের সম্পদ আমাদের উপর কর্তৃত্ব স্থাপন করে তখন আমরা প্রকৃতপক্ষে দরিদ্র।’ ভারতের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা নিঃসন্দেহে এডমন্ডের বক্তব্যের দ্বিতীয় অংশের পর্যায়ভুক্ত। স্বাধীন ভারতে কোনও নির্দিষ্ট অর্থবর্ষে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ইতিহাসে ৭ মাসের মধ্যে দেশের আর্থিক সমৃদ্ধির হার চার বার পরিবর্তন করে প্রায় আড়াই শতাংশ কমিয়ে আনার নজির নেই। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক চলতি অর্থবর্ষে ভারতের সমৃদ্ধির হার গত ফেব্রুয়ারিতে ধার্য করেছিল ৭.৪ শতাংশ। এপ্রিলে কমিয়ে করল ৭.২ শতাংশ। নভেম্বরে আরও কমিয়ে করল ৬.১ শতাংশ। গত ৫ ডিসেম্বর তা আরও কমিয়ে ৫ শতাংশ। সম্প্রতি মোদি সরকারের পরিসংখ্যান মন্ত্রকও জানিয়েছে চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশে আটকে থাকবে। বিশ্বব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে মুডি’জ, ফিচ, স্টেট ব্যাঙ্কও ভারতের বর্তমান বছরের আর্থিক সমৃদ্ধির হার বেশ কয়েকবার পরিবর্তন করে শেষ পর্যন্ত ৫ শতাংশ বা তার নীচে আটকে থাকার আভাস দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সত্যিই ৫ শতাংশের গর্তে পা ঢুকলে, ২০০৮ সালে বিশ্বজোড়া আর্থিক মন্দার পরে ১১ বছরের তলানিতে পিছলে যাবে দেশের বৃদ্ধির হার। অথচ মোদি সরকারের আমলেই ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষেই দেশের আর্থিক সমৃদ্ধির হার ৮ শতাংশেরও বেশি ছিল। বাস্তবে অর্থনীতির ৪টি ইঞ্জিন যথেষ্ট বিবর্ণ। চাহিদা কমেছে। লগ্নি কমেছে, রপ্তানি কমেছে এবং সরকারি ব্যয়-বৃদ্ধির ফলে ৮ মাসেই রাজকোষ ঘাটতি ১২ মাসের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। মোদ্দা কথা, একদিকে রাজস্ব আয় যথেষ্ট কমার অশনিসংকেত, অন্যদিকে বাজেটের ব্যয় সংকুলান করতে না পারার ব্যর্থতাই সুস্পষ্ট বর্তমান অর্থবছরেই।
সরকারি তথ্যই বলছে রাজকোষে এত মাত্রায় টানাটানি পড়েছে যে ১০০ দিনের প্রকল্প থেকে শুরু করে পিএম কিষাণ প্রকল্প, কেন্দ্রীয় আবাস যোজনা, গ্রাম সড়ক যোজনার মতো ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয় অর্থও অনেকাংশে জোগাতে অক্ষম মোদি সরকার। দেশের অর্থনীতির ঝিমুনি এমন মাত্রায় বিপদসংকুল যে অর্থমন্ত্রকের কর্তাদের আশঙ্কা ঘাটতি লাগাম রাখতে হলে শুধু মূলধনী ব্যয় নয় গ্রামোন্নয়নের খরচেও কাটছাঁট করতেই হবে। কারণ অর্থনীতির ঝিমুনির ফলে গত ৯ মাসে প্রত্যক্ষ কর ও জিএসটি থেকে আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যথেষ্ট কমেছে। অর্থমন্ত্রকের ধারণা বাকি ৩ মাসে বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়া অসম্ভব।
এটা ঘটনা যে প্রত্যক্ষ কর ও জিএসটি থেকে আদায় হয় কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণবিহীন মোট আয়ের অন্তত ৮০ শতাংশ। ঋণবিহীন আয়ের বাকি অর্থ আসে কর বহির্ভূত আয় ও বিলগ্নীকরণ থেকে। প্রথমে প্রত্যক্ষ কর আদায়ের প্রসঙ্গে আসা যাক। বর্তমান অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর (আয়কর, কর্পোরেট কর) থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৩.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা। প্রথম ৭ মাসে আদায় লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪৫ শতাংশ। বাকি ৫ মাসে প্রত্যক্ষ কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা অসম্ভব। কারণ বর্তমান অর্থবছরেই কর্পোরেট কর সাত লক্ষ ছেষট্টি হাজার কোটি টাকার মধ্যে ১.৪৫ লক্ষ কোটি টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রত্যক্ষ কর থেকে আদায় কমতে বাধ্য।
পরোক্ষ কর থেকে কেন্দ্রের আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১১.১৯ লক্ষ কোটি টাকা। প্রথম ৮ মাসে আদায় হয়েছে ৬.১২ লক্ষ কোটি টাকা। বাকি ৪ মাসে ৫.০৭ লক্ষ কোটি টাকা আদায় হওয়া অসম্ভব। বিশেষ করে জিএসটি থেকে কেন্দ্রের আদায় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম হবে। প্রথম ৮ মাসে জিএসটি থেকে কেন্দ্রের আদায় হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার (৬.৬৩ লক্ষ কোটি টাকা) ৬০ শতাংশ। বাকি ৪ মাসে জিএসটি’র লক্ষ্যমাত্রা পূরণ অসম্ভব। কেন্দ্রের ধারণা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর মিলিয়ে কেন্দ্রের আদায় অন্তত ২ লক্ষ কোটি টাকা কম হবে।
এবার বিলগ্নীকরণ প্রসঙ্গে আসা যাক। কেন্দ্রের লক্ষ্য, বিলগ্নীকরণ থেকে বর্তমান বছরে ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকা আয় করা। গত ৯ মাসে এসেছে মাত্র ১৭,০০০ কোটি টাকা। ৩ মাসের কম সময়ের মধ্যে বাকি ৮৮,০০০ কোটি টাকা আয় কার্যত দুরূহ। লাভজনক সংস্থা ভারত পেট্রোলিয়াম থেকে এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা ৬০,০০০ কোটি টাকা। কন্টেনার সংস্থা থেকে ১৩,০০০ কোটি টাকা। কিন্তু ইতিমধ্যেই এই বিলগ্নীকরণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা বিলগ্নীকরণ থেকে আদায় প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা কম হবে।
একদিকে কেন্দ্রের রাজকোষ থেকে মোট আদায় যেখানে বর্তমান বছরে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় আড়াই লক্ষ কোটি টাকা কম হতে চলেছে, অন্যদিকে রাজকোষ ঘাটতি প্রথম ৭ মাসেই বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রাকেও অতিক্রম করে গেছে। বর্তমান অর্থবছরে ১২ মাসে রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছিল দেশের জিডিপি’র ৩.৩ শতাংশ। টাকার অঙ্কে ৭.০৩ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র ৮ মাসেই রাজকোষ ঘাটতি বাবদ ব্যয় ৮.০৮ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র ৮ মাসেই রাজকোষ ঘাটতি বাবদ খরচ বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকা অতিক্রম করে গেছে। এমন ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তার ব্যয় সংকুলানের জন্য শুধুমাত্র তার মূলধনী ব্যয়কে কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে না, এমনকী আমজনতার প্রত্যক্ষ রুটিরুজির সঙ্গে যুক্ত গ্রামোন্নয়নের অর্থও কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে।
গত অর্থবছরে ১০০ দিনের প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৬১,০৮৪ কোটি টাকা। এবারের বরাদ্দ কমিয়ে করা হয়েছে ৬০,০০০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই সে অর্থ ব্যয় হয়ে গেছে। কিন্তু গ্রামে গ্রামে কাজের চাহিদা বাড়ছে। তাই গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক অর্থ দপ্তরের কাছে আরও ২০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে। কিন্তু সাড়া নেই। এছাড়াও পিএম-কিষাণ প্রকল্পে এ বছর ৭৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও অনেক চাষি পুরো কিস্তির টাকা পাবেন না। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তথ্যই বলছে এ বছর প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকা চাষিদের মধ্যে বিলি করবে না মোদি সরকার। এমনকী প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গত বছরের থেকে এ বছরে বরাদ্দ কম হলেও, এ বছর গত ৯ মাসে বাড়ি তৈরি হয়েছে মাত্র ৭.২ লক্ষ। বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় অর্ধেক। ফলে এ বছর এই প্রকল্পে ২৫,৮৫৩ কোটি টাকার একটা বড় অংশ খরচ না হবার সম্ভাবনা। অন্যান্য গ্রামীণ পরিকল্পনার অর্থেও ইতিমধ্যে যথেষ্ট কোপ পড়েছে।
বর্তমান অর্থবর্ষে একদিকে যেখানে রাজকোষের আয় প্রায় ২.৫০ লক্ষ কোটি টাকা কম হতে চলেছে, অন্যদিকে রাজকোষ ঘাটতি প্রথম ৮ মাসেই বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ১১৫ শতাংশ ছুঁয়েছে। যার ফলে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট কোপ পড়েছে গ্রামের উন্নয়নের খরচে। ফলে বছরের শেষে রাজকোষ ঘাটতি কোথায় দাঁড়াবে তা নিয়ে অর্থনীতিবিদেরা যথেষ্ট সন্দিহান। এমনকী রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনও ভারতে রাজকোষ ঘাটতির প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করা নিয়ে কিছুদিন আগেই সমালোচনা করেছেন। বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন। এমতাবস্থায় আগামী অর্থবছরে দেশের সার্বিক সমৃদ্ধির চাকায় গতি আনতে হলে পরিকাঠামো সহ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে সরকারি ব্যয় আশানুরূপ বৃদ্ধি ব্যতিরেকে সম্ভব নয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে রাজকোষের আয় কীভাবে আরও বাড়ানো সম্ভব তার উপায়ও সরকারকে খুঁজতেই হবে।
লেখক প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক
24th  January, 2020
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
একনজরে
২০১৫ সালের জুলাই মাসে যখন বালি পুরসভাকে হাওড়ার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তখন ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছিল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। কিন্তু রাজ্য সরকার তাদের সিদ্ধান্তে ...

জাতীয় দলের প্রাক্তন গোলরক্ষক প্রশান্ত ডোরার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। শুক্রবার তিনি ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তাঁর প্লেটলেটের সংখ্যা নেমে এসেছে তিন হাজারে। কমেছে হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও।   ...

ট্রাম্প জমানা অতীত। আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই অবস্থায় ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণ কোন খাতে বইবে, জানাতে আগ্রহী কূটনৈতিক মহল। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। ...

ভোটের মুখে সুখবর। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারীদের ভাতা বৃদ্ধি করল সরকার। মোট তিনটি ক্যাটিগরিতে সমানহারে দৈনিক ১৭ টাকা করে মজুরি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজ্য সরকার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

পরাক্রম দিবস
১৮৫৯ - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু
১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯০৯ - কবি নবীনচন্দ্র সেনের মৃত্যু
১৯২০ - ভারতীয় উপমহাদেশের বিমানে মাল পরিবহণ ও ডাক যোগাযোগ শুরু
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’-এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু
১৯৮৪ – নেদারল্যান্ডের ফুটবল খেলোয়াড় আর্ইয়েন রবেনের জন্ম
১৯৮৯ - স্পেনীয় চিত্রকর সালভাদর দালির মৃত্যু
২০০২ - পাকিস্তানের করাচীতে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল অপহৃত হন এবং পরবর্তীকালে নিহত



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী ৩৬/২৬ রাত্রি ৮/৫৭। কৃত্তিকা নক্ষত্র ৩৭/৫৫ রাত্রি ৯/৩৩। সূর্যোদয় ৬/২২/২৩, সূর্যাস্ত ৫/১৪/৩৭। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী রাত্রি ৭/৫৯। কৃত্তিকা নক্ষত্র রাত্রি ৯/১১। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/১০ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে ও ৪/৪৭ গতে ৬/২৫ মধ্যে। 
৯ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নেতাজি ভবনে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:52:43 PM

রেস কোর্সে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টার 

03:24:11 PM

কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:14:41 PM

দেশের চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী করা হোক: মমতা 

02:29:17 PM

শুধু দিল্লি কেন ভারতের রাজধানী হবে: মমতা 

02:23:57 PM

কেন দেশনায়ক দিবস হবে না, কেন পরাক্রম দিবস হবে: মমতা 

02:18:38 PM