Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

অষ্টাদশ শতকের বিখ্যাত দার্শনিক এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন, ‘যখন আমরা আমাদের সম্পদের উপর কর্তৃত্ব স্থাপন করি, তখন আমরা হব ধনী ও মুক্ত। কিন্তু যখন আমাদের সম্পদ আমাদের উপর কর্তৃত্ব স্থাপন করে তখন আমরা প্রকৃতপক্ষে দরিদ্র।’ ভারতের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা নিঃসন্দেহে এডমন্ডের বক্তব্যের দ্বিতীয় অংশের পর্যায়ভুক্ত। স্বাধীন ভারতে কোনও নির্দিষ্ট অর্থবর্ষে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ইতিহাসে ৭ মাসের মধ্যে দেশের আর্থিক সমৃদ্ধির হার চার বার পরিবর্তন করে প্রায় আড়াই শতাংশ কমিয়ে আনার নজির নেই। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক চলতি অর্থবর্ষে ভারতের সমৃদ্ধির হার গত ফেব্রুয়ারিতে ধার্য করেছিল ৭.৪ শতাংশ। এপ্রিলে কমিয়ে করল ৭.২ শতাংশ। নভেম্বরে আরও কমিয়ে করল ৬.১ শতাংশ। গত ৫ ডিসেম্বর তা আরও কমিয়ে ৫ শতাংশ। সম্প্রতি মোদি সরকারের পরিসংখ্যান মন্ত্রকও জানিয়েছে চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশে আটকে থাকবে। বিশ্বব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে মুডি’জ, ফিচ, স্টেট ব্যাঙ্কও ভারতের বর্তমান বছরের আর্থিক সমৃদ্ধির হার বেশ কয়েকবার পরিবর্তন করে শেষ পর্যন্ত ৫ শতাংশ বা তার নীচে আটকে থাকার আভাস দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত সত্যিই ৫ শতাংশের গর্তে পা ঢুকলে, ২০০৮ সালে বিশ্বজোড়া আর্থিক মন্দার পরে ১১ বছরের তলানিতে পিছলে যাবে দেশের বৃদ্ধির হার। অথচ মোদি সরকারের আমলেই ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষেই দেশের আর্থিক সমৃদ্ধির হার ৮ শতাংশেরও বেশি ছিল। বাস্তবে অর্থনীতির ৪টি ইঞ্জিন যথেষ্ট বিবর্ণ। চাহিদা কমেছে। লগ্নি কমেছে, রপ্তানি কমেছে এবং সরকারি ব্যয়-বৃদ্ধির ফলে ৮ মাসেই রাজকোষ ঘাটতি ১২ মাসের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। মোদ্দা কথা, একদিকে রাজস্ব আয় যথেষ্ট কমার অশনিসংকেত, অন্যদিকে বাজেটের ব্যয় সংকুলান করতে না পারার ব্যর্থতাই সুস্পষ্ট বর্তমান অর্থবছরেই।
সরকারি তথ্যই বলছে রাজকোষে এত মাত্রায় টানাটানি পড়েছে যে ১০০ দিনের প্রকল্প থেকে শুরু করে পিএম কিষাণ প্রকল্প, কেন্দ্রীয় আবাস যোজনা, গ্রাম সড়ক যোজনার মতো ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয় অর্থও অনেকাংশে জোগাতে অক্ষম মোদি সরকার। দেশের অর্থনীতির ঝিমুনি এমন মাত্রায় বিপদসংকুল যে অর্থমন্ত্রকের কর্তাদের আশঙ্কা ঘাটতি লাগাম রাখতে হলে শুধু মূলধনী ব্যয় নয় গ্রামোন্নয়নের খরচেও কাটছাঁট করতেই হবে। কারণ অর্থনীতির ঝিমুনির ফলে গত ৯ মাসে প্রত্যক্ষ কর ও জিএসটি থেকে আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যথেষ্ট কমেছে। অর্থমন্ত্রকের ধারণা বাকি ৩ মাসে বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়া অসম্ভব।
এটা ঘটনা যে প্রত্যক্ষ কর ও জিএসটি থেকে আদায় হয় কেন্দ্রীয় সরকারের ঋণবিহীন মোট আয়ের অন্তত ৮০ শতাংশ। ঋণবিহীন আয়ের বাকি অর্থ আসে কর বহির্ভূত আয় ও বিলগ্নীকরণ থেকে। প্রথমে প্রত্যক্ষ কর আদায়ের প্রসঙ্গে আসা যাক। বর্তমান অর্থবর্ষে প্রত্যক্ষ কর (আয়কর, কর্পোরেট কর) থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১৩.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা। প্রথম ৭ মাসে আদায় লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৪৫ শতাংশ। বাকি ৫ মাসে প্রত্যক্ষ কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা অসম্ভব। কারণ বর্তমান অর্থবছরেই কর্পোরেট কর সাত লক্ষ ছেষট্টি হাজার কোটি টাকার মধ্যে ১.৪৫ লক্ষ কোটি টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রত্যক্ষ কর থেকে আদায় কমতে বাধ্য।
পরোক্ষ কর থেকে কেন্দ্রের আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১১.১৯ লক্ষ কোটি টাকা। প্রথম ৮ মাসে আদায় হয়েছে ৬.১২ লক্ষ কোটি টাকা। বাকি ৪ মাসে ৫.০৭ লক্ষ কোটি টাকা আদায় হওয়া অসম্ভব। বিশেষ করে জিএসটি থেকে কেন্দ্রের আদায় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম হবে। প্রথম ৮ মাসে জিএসটি থেকে কেন্দ্রের আদায় হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার (৬.৬৩ লক্ষ কোটি টাকা) ৬০ শতাংশ। বাকি ৪ মাসে জিএসটি’র লক্ষ্যমাত্রা পূরণ অসম্ভব। কেন্দ্রের ধারণা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর মিলিয়ে কেন্দ্রের আদায় অন্তত ২ লক্ষ কোটি টাকা কম হবে।
এবার বিলগ্নীকরণ প্রসঙ্গে আসা যাক। কেন্দ্রের লক্ষ্য, বিলগ্নীকরণ থেকে বর্তমান বছরে ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকা আয় করা। গত ৯ মাসে এসেছে মাত্র ১৭,০০০ কোটি টাকা। ৩ মাসের কম সময়ের মধ্যে বাকি ৮৮,০০০ কোটি টাকা আয় কার্যত দুরূহ। লাভজনক সংস্থা ভারত পেট্রোলিয়াম থেকে এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা ৬০,০০০ কোটি টাকা। কন্টেনার সংস্থা থেকে ১৩,০০০ কোটি টাকা। কিন্তু ইতিমধ্যেই এই বিলগ্নীকরণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা বিলগ্নীকরণ থেকে আদায় প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা কম হবে।
একদিকে কেন্দ্রের রাজকোষ থেকে মোট আদায় যেখানে বর্তমান বছরে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় আড়াই লক্ষ কোটি টাকা কম হতে চলেছে, অন্যদিকে রাজকোষ ঘাটতি প্রথম ৭ মাসেই বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রাকেও অতিক্রম করে গেছে। বর্তমান অর্থবছরে ১২ মাসে রাজকোষ ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছিল দেশের জিডিপি’র ৩.৩ শতাংশ। টাকার অঙ্কে ৭.০৩ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু মাত্র ৮ মাসেই রাজকোষ ঘাটতি বাবদ ব্যয় ৮.০৮ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র ৮ মাসেই রাজকোষ ঘাটতি বাবদ খরচ বাৎসরিক লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকা অতিক্রম করে গেছে। এমন ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে তার ব্যয় সংকুলানের জন্য শুধুমাত্র তার মূলধনী ব্যয়কে কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে না, এমনকী আমজনতার প্রত্যক্ষ রুটিরুজির সঙ্গে যুক্ত গ্রামোন্নয়নের অর্থও কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে।
গত অর্থবছরে ১০০ দিনের প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ৬১,০৮৪ কোটি টাকা। এবারের বরাদ্দ কমিয়ে করা হয়েছে ৬০,০০০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই সে অর্থ ব্যয় হয়ে গেছে। কিন্তু গ্রামে গ্রামে কাজের চাহিদা বাড়ছে। তাই গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক অর্থ দপ্তরের কাছে আরও ২০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে। কিন্তু সাড়া নেই। এছাড়াও পিএম-কিষাণ প্রকল্পে এ বছর ৭৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও অনেক চাষি পুরো কিস্তির টাকা পাবেন না। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তথ্যই বলছে এ বছর প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকা চাষিদের মধ্যে বিলি করবে না মোদি সরকার। এমনকী প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গত বছরের থেকে এ বছরে বরাদ্দ কম হলেও, এ বছর গত ৯ মাসে বাড়ি তৈরি হয়েছে মাত্র ৭.২ লক্ষ। বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় অর্ধেক। ফলে এ বছর এই প্রকল্পে ২৫,৮৫৩ কোটি টাকার একটা বড় অংশ খরচ না হবার সম্ভাবনা। অন্যান্য গ্রামীণ পরিকল্পনার অর্থেও ইতিমধ্যে যথেষ্ট কোপ পড়েছে।
বর্তমান অর্থবর্ষে একদিকে যেখানে রাজকোষের আয় প্রায় ২.৫০ লক্ষ কোটি টাকা কম হতে চলেছে, অন্যদিকে রাজকোষ ঘাটতি প্রথম ৮ মাসেই বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ১১৫ শতাংশ ছুঁয়েছে। যার ফলে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট কোপ পড়েছে গ্রামের উন্নয়নের খরচে। ফলে বছরের শেষে রাজকোষ ঘাটতি কোথায় দাঁড়াবে তা নিয়ে অর্থনীতিবিদেরা যথেষ্ট সন্দিহান। এমনকী রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনও ভারতে রাজকোষ ঘাটতির প্রকৃত তথ্য প্রকাশ না করা নিয়ে কিছুদিন আগেই সমালোচনা করেছেন। বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন। এমতাবস্থায় আগামী অর্থবছরে দেশের সার্বিক সমৃদ্ধির চাকায় গতি আনতে হলে পরিকাঠামো সহ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে সরকারি ব্যয় আশানুরূপ বৃদ্ধি ব্যতিরেকে সম্ভব নয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে রাজকোষের আয় কীভাবে আরও বাড়ানো সম্ভব তার উপায়ও সরকারকে খুঁজতেই হবে।
লেখক প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক
24th  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: শুধু লুট করাই নয়, পুলিসের নাগালের বাইরে থাকতে প্রমাণ লোপাটে টার্গেটকে খুন করাও উদ্দেশ্য থাকে হাইওয়ে গ্যাংয়ের। কাউকে একবার টার্গেট করলে কিভাবে তার উপর হামলা চালানো যায়, সেব্যাপারে রীতিমতো আঁটঘাট বেঁধে তবেই ‘অপারেশন’ চালানো হয় বলেও জানা গিয়েছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দাবিদাওয়ার মধ্যে কয়েকটি মিটলেও, বেতন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু দাবি এখনও অনিশ্চিত। এমনই অভিযোগ অধ্যাপকদের। রবিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নমেন্ট কলেজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ৪৮তম বার্ষিক সম্মেলনে তা নিয়েই সরব হলেন তাঁরা।  ...

নিউ ইয়র্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): কানেক্টিকাটের একটি নাইটক্লাবে গুলিচালনার ঘটনায় প্রাণ হারালেন একজন। আহতের সংখ্যা চার। রবিবার ভোরে ‘ম্যাজেস্টিক লাউঞ্জ’-এর ক্লাবে এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই হামলা চালায় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।   ...

হায়দরাবাদ, ১৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট’ (এফআরবিএম) মেনে বাজেট পেশ করা হয়েছে। তাই রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে সেই আইন লঙ্ঘন করা হয়নি। যাবতীয় জল্পনা, বিতর্কে জল ঢেলে রবিবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চশিক্ষা বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণ !
আরও এক নতুন তত্ত্ব পেল দেশবাসী। উচ্চশিক্ষার কারণেই সমাজে অহরহ ...বিশদ

02:02:30 PM

মুম্বইয়ে জিএসটি ভবনে আগুন 
আগুন লাগল মুম্বইয়ের মাজগাঁও এলাকার জিএসটি ভবনে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকল। ...বিশদ

01:17:00 PM

  মুখ্যমন্ত্রীকে বই উপহার রাজ্যপালের
রাজ্যপালের সাথে ঘণ্টা খানেকের একান্ত বৈঠক সেরে রাজভবন থেকে বেরিয়ে ...বিশদ

01:14:00 PM

বোমাতঙ্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে
বিষ্ণুপুরে সাত সকালেই বোমাতঙ্ক! রাস্তার ধারে পড়ে থাকা একটি তাজা ...বিশদ

01:08:11 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন উপাচার্যের
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন জানালেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। ...বিশদ

01:02:27 PM

কলকাতার বহুতলে আবশ্যিক হচ্ছে ফায়ার কিয়স্ক
এবার কলকাতার ৪৫ মিটার বেশি উঁচু বহুতলগুলিতে ফায়ার কিয়স্ক রাখা ...বিশদ

12:55:20 PM