Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’
‘হ্যাঁ, বাবুর হুকুম হয়েছে। ডাবের জল দিয়ে রান্না করা মুগের ডালের খিচুড়ি খাবেন।’
‘আরিব্বাস। আমরা?’ বলেই নন্দি লাফিয়ে উঠে ডাব পাড়তে ছুটল।
‘আস্তে যা, হড়কে যাবি। নন্দি-ভৃঙ্গি সবাই পাবি।’
হ্যাঁ, খিচুড়ি এমন জিনিস যা শিব থেকে নন্দি-ভৃঙ্গি সবার প্রিয়। শিবের মতো একজন মহামানবের কথা বলি। যাঁর মা শচীদেবী, ছেলে নিমাইয়ের মুখ ভার দেখলেই বুঝতেন, খিচুড়ি রাঁধতে হবে। চৈতন্যদেবের খিচুড়ি খুবই প্রিয় ছিল। আর এখন তো তাঁর মহাভোগ বলতে খিচুড়িই বোঝায়। নবাব-বাদশাদের প্রসঙ্গে বিস্তৃতে যাচ্ছি না, শুধু একটা কথা বলি, আকবর হুমায়ুন থেকে সিরাজউদ্দৌলা—সবারই প্রিয় ছিল মুগের ডালের খিচুড়ি। পলাশির যুদ্ধে হেরে নবাব যখন নৌকো করে পালাচ্ছিলেন সেই নৌকোতেও খিচুড়ি চাপানো হয়েছিল।
এখন তিন মহাপুরুষের কথা। আমাদের তিন ‘আইডল’ বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, সুভাষচন্দ্র।
প্রথম জন রামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে দেখা করার আগে, ‘পেটুক সঙ্ঘ’ বা ‘গ্রিডি ক্লাব’ তৈরি করেছিলেন। যেখানে খাওয়াদাওয়া শুধু নয়, রীতিমতো খাবার নিয়ে গবেষণা হতো। সেখানে গবেষণার একটি বিষয় ছিল, ‘খিচুড়ি রাঁধবার নতুন পথ।’ রামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে আলাপ হওয়ার পরও তিনি এসব ছাড়েননি। এমনকী একটুও কমাননি।
বেলুড়মঠে দুর্গাপুজো আরম্ভ হবার পর যে ভোগ রান্না চালু হয় তা শতভাগ বিবেকানন্দের ইচ্ছা, উদ্যোগ ও পরিকল্পনায়। তাঁর সেই আঠারো শতকের শেষ ভাগের রেসিপি এখনও চলছে। বিখ্যাত সাহিত্যিক শঙ্করের ভাষায়, ‘ওয়ার্ল্ডের সেরা খিচুড়ি তৈরি হয় বেলুড়মঠে।’ বিবেকানন্দের পরিকল্পিত খিচুড়িতে সমান মাপের চাল, মুগের ডাল ও সব্জি দেওয়া হয়। সব্জি বলতে শুধু প্রথাগত আলু, ফুলকপি, মটরশুঁটি নয়, সব ধরনের সব্জি তা পটল থেকে কচু অবধি হতে পারে। আর খিচুড়ির সহযোগী হিসাবে তাঁর বিশ্ববিখ্যাত ‘টমেটো আমড়া কুমড়ো দিয়ে চাটনি’ বেলুড়মঠের প্রথম দুর্গাপুজোর থেকে আজ অবধি সুপার-ডুপার হিট। বিশ্ববিখ্যাত বললাম এই কারণে যে, বিবেকানন্দ যখন বিদেশ যেতেন তখনও তিনি এই চাটনি নিজে রাঁধতেন। জিনিস সেখান থেকে সংগ্রহ করতেন ঠিকই তবে তাঁর গেরুয়া পোশাকের পকেটে সবুজ লঙ্কা, পাঁচফোড়ন থেকে অন্যান্য মশলা থাকত। আর সঙ্গে নিয়ে যেতেন মুগের ডাল। যা শেষ হয়ে গেলে তিনি পার্শেল করে মুগডাল পাঠানোর জন্যে চিঠি লিখতেন। আর তাঁর মন্ত্রশিষ্য সুভাষচন্দ্র বিদেশে গিয়ে... এখন নয়, পরে বলব। খিচুড়ির সঙ্গে ভাজা ইত্যাদির কুটনো কাটার তদারক বিবেকানন্দ নিজে করতেন। আর ওই মহাভোজের জন্যে অত্যন্ত পরিপাটি ও দৃষ্টিনন্দনভাবে আলুর খোসা নিজে ছাড়াতেন। মা সারদা নরেনের এমন নৈপুণ্য দু’চোখ মেলে দেখতেন এবং তারিফ করতেন। প্রসঙ্গত, নরেনের চপ তৈরি করা নিয়েও তিনি তাঁর মুগ্ধতা প্রকাশ করেছিলেন। শঙ্কর লিখেছেন যে একবার খিচুড়ির সহযোগী ভাজা ঠিকমতো না হওয়ার জন্যে তিনি একজন সেবক কানাইলালের কান মুলে দিয়েছিলেন। তারপর তাঁর কাছে মাফ তো চেয়েছিলেনই, কেঁদেও ফেলেছিলেন।
ঠাকুর পরিবারে আবার অনুপানের তালিকা অত্যন্ত দীর্ঘ। বিশদে যাব না। তবে সাধারণ ভাজা তো বটেই, মাখনমারা ঘি, কোর্মা, আলুভর্তা, বেগুনভর্তা থেকে মেটে ভাজা, শুঁটকি মাছ পোড়া দিয়ে রবিঠাকুর ও পরিবারের অন্যরা খিচুড়ি খেতেন। রবিঠাকুরের পরিবারের যেন ‘খিচুড়ি রিসার্চ সেন্টার’ ছিল। সে ব্যাপারে যাবার আগে একটা ছোট কথা বলে নিই। বিবেকানন্দের ছিল ‘কুটনো কোটা’ আর ‘কোটা’, শব্দটি হিংস্র হবার কারণে ঠাকুরদের হেঁশেলে ‘তরকারি বানানো’ বলা হতো।
এখন ঠাকুরবাড়ির রান্নাঘরে ঢুকি। তাঁদের বক্তব্য ছিল— ‘ডালে আর চালে খিচুড়ি বানায়/খিচুড়ির স্বাদ পোলায়ে না পায়/ খিচুড়ি বৈষ্ণব ও পোলাও শাক্ত/ নিরামিষ হিন্দু খিচুড়ির ভক্ত।’
তবে, রবি ঠাকুররা একদা গোঁড়া নিরামিষাশী থাকলেও পরে আমিষভোজী হয়েছিলেন। আর আমিষ-নিরামিষ দু’তরফের হিন্দুরাই খিচুড়ি ভক্ত। এখন আমরা খিচুড়ি রিসার্চ সেন্টারে যাবার আগে খেচরান্ন সহযোগী টক, চাটনিতে যাব। বিবেকানন্দের কুমড়োর চাটনির মতো এঁদের ছিল ধনেশাকের টক চাটনি, তেমতির চাটনিসহ নানারকম টক মিষ্টি চাটনি। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল রবি ঠাকুরের ভ্রাতুষ্পুত্রী প্রজ্ঞাসুন্দরী জানিয়েছেন, ‘দই দিয়া খিচুড়ি খাইতেও মন্দ লাগে না।’
এখন সমান মাপের চাল-ডাল মেশানোর ব্যাপার। সেখানে বিবেকানন্দ এককাট্টা হলেও ঠাকুরবাড়িতে অহরহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এ ব্যাপারে রবি ঠাকুরের সম্পূর্ণ যোগদান ছিল। তিনি তাঁর রন্ধনপটীয়সী স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর রান্নাঘরের সামনে মোড়া পেতে বসে স্ত্রীকে আপাত উদ্ভট কিছু রেসিপি বলতেন ও পরামর্শ দিতেন। কবিপত্নী মৃদু হাসতেন, অতঃপর কবির পরামর্শের জিনিসগুলোর সঙ্গে আরও কিছু মিশিয়ে ঠিকমতো বিন্যাস করে রেঁধে কবি আর অন্যদের পাতে দিতেন। আর প্রসন্ন কবি বলতেন, ‘দেখলে কেমন শিখিয়ে দিলাম!’
এখন চাল-ডালের মাপ। ঠাকুরবাড়ির ফেনসা খিচুড়িতে সোনামুগ বা মুগ যা-ই হোক না কেন চাল-ডাল সমান সমান। আবার যেই পছন্দের কড়াইশুঁটি দিয়ে ফেনসা খিচুড়ি তৈরি হল সেখানে তিনগুণ ডালে একগুণ চাল, সঙ্গে চালের সম পরিমাণ খোসাসুদ্ধ কড়াইশুঁটি। এর আবার উল্টোটাও আছে। মুগের ডালের ফাঁপা খিচুড়ি যেখানে মোটামুটি তিনভাগ চালে একভাগ ডাল মেশানো হয়। মালাই ভুনি খিচুড়িতেও একই ব্যাপার, শুধু ডালটা সোনামুগ। জাফরানি ভুনি খিচুড়িতে চাল-ডালের অনুপাত দু’ভাগ একভাগ। আর বিস্তার নয়, কেবল একটা কথা, দু’ভাগ চালের সঙ্গে একভাগ ডাল মিলিয়ে তাতে প্রচুর পরিমাণ খেজুর দিয়ে তাঁরা ‘খেজুড়ের খিচুড়ি’ রাঁধতেও ছাড়েননি। এমন হরেকরকম আছে। ঠাকুরবাড়ির যে কোনও পারিবারিক অনুষ্ঠানে খিচুড়ি থাকতই। সেখানে হাতে লেখা মেনুচার্ট তিন-চার জায়গায় টাঙিয়ে দেওয়া হতো। তাঁরা বলতেন ‘ক্রমনী’। যাতে খাবার তালিকায় একসঙ্গে থাকত ভাত, খিচুড়ি, পোলাও।
রবি ঠাকুরের বাড়ি ছেড়ে এখন সুভাষচন্দ্রের কথা। তিনি যেমন তেলেভাজার ভক্ত ছিলেন, তেমনই ছিলেন খিচুড়ি ভক্ত। বাড়িতে তো বটেই, তাঁর দীক্ষাগুরু দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের বাড়িতে গেলে তিনি বাসন্তী দেবীর কাছে খিচুড়ি খেতে চাইতেন। এমনিতেই অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামীই বাসন্তী দেবীর কাছে একই আবদার করতেন। সুভাষ এসে বাসন্তী দেবীর মুখোমুখি হলেই তিনি বলতেন, ‘সঙ্গে কী খাবে বল?’ নেতাজি, রবীন্দ্রনাথ বিবেকানন্দর মতো অত ভাজাভুজি বা চাটনির ধার ধারতেন না। তবে বেগুনি চপ ইত্যাদি হলে লা-জবাব আর তেলেভাজা তাঁর ছোটবেলা থেকেই প্রিয়।
সুভাষ প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে যখন স্কটিশ চার্চে চলে আসেন তখন নিয়মিত ‘লক্ষ্মীনারায়ণ’ সাউয়ের দোকানে তেলেভাজা খেতেন। যার স্মরণে এখনও ওই দোকান তাঁর জন্মদিন ২৩ জানুয়ারিতে কিছু সময় সাধারণ মানুষদের বিনা পয়সায় তেলেভাজা খাওয়ান। প্রসঙ্গত, নেতাজি যেমন বাসন্তী দেবীর কাছে আবদার করতেন তেমনই দেশবন্ধু রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মৃণালিনী দেবীর কাছে একই রকমের ইচ্ছা প্রকাশ করতেন। তাঁর মাংসের আবদার থাকত। কবিপত্নী হাসিমুখে তাঁকে আশ্বস্ত করতেন।
অথ মুগডাল কথা। নেতাজি মুগডাল খুবই পছন্দ করতেন। বিবেকানন্দের মতো তিনি দেশের বাইরে যাবার সময় ভাজা মুগ সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন কি না বলা যাবে না। কিন্তু, নিয়ে গিয়ে থাকলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। কেননা তিনি যখন জাপানের ইম্পিরিয়াল হোটেলে ছিলেন তখন তাঁর দুই সহকর্মী হাসান ও হাবিব তাঁদের বাড়ি থেকে তাঁদের মাকে দিয়ে মুগডাল রান্না করিয়ে সুভাষের জন্যে নিয়ে যেতেন। আর সুভাষ দেশবিদেশ যেখানেই ঘুরুন না কেন সর্বত্রই তাঁর পছন্দের মেনু ছিল ডাল ভাত পুরি দই কলা। মুগডালের সঙ্গে তাঁর ‘সাইড ডিশ’ না হলেও চলত। এখন ‘মুগির ডাল’, আর ‘কুলির অম্বল’, এই দুটি বাঙাল শব্দবন্ধ জেনে একবার ‘বাঙাল সভা’র প্রেসিডেন্ট হওয়া রবীন্দ্রনাথের কথা। এমনিতে ঠাকুরবাড়ির রান্না রিসার্চ সেন্টারের একটি দ্রব্য ছিল মুগের ডাল। যার কারি, চচ্চড়ি, পোরো, এমনকী মুগের ডাল ভিজিয়ে বেটে তাতে বেগুন ডুবিয়ে বেগুনি, বেগুন মুগের ফাঁপড়া ইত্যাদি ছিল এক-একটি প্রোডাক্ট। রোজের পাতে তাঁদের তো মুগডাল ‘মাস্ট’ ছিল। মুগডাল দিয়ে মিষ্টি তৈরি করতেও তাঁরা ছিলেন সিদ্ধহস্ত। মুগের ডালের বরফি, মুগ শামলি, মুগের নাড়ু, মুগের মিঠাই তাঁদের বাড়িতেই তৈরি হতো। নেতাজি রাতে এমন মিষ্টি পছন্দ করতেন। যে কোনও ধরনের নাড়ুই তাঁর প্রিয় ছিল। তবে দিনে শেষ পাতে রসগোল্লা, সন্দেশ, চমচমের একটা। শীতে নতুনগুড়ের পায়েস, পিঠেপুলি।
তো, মুগের ডালের কথা হচ্ছিল। মুগডালে আদা মিষ্টি দেওয়া চালু হয় ঠাকুরবাড়ি থেকে। বিবেকানন্দর অবশ্য ডালে আদাবাটা মৌরিবাটা ইত্যাদি পড়ল কি না তাতে কিছু এসে যেত না। তিনি ডালের জলটাই বেশি খেতেন। তবে সঙ্গে একটা কাঁচালঙ্কা অবশ্যই চাই। একদিকে ডালে চুমুক, অন্যদিকে লঙ্কায় কামড়। তিনি ডাল মাখা ভাতে মোচার ঘণ্ট খেতে ভালোবাসতেন। একদা মুগের মিষ্টি তো বটেই, সবরকম মিষ্টি তিনি পছন্দ করতেন। পরে প্রবল ডায়াবেটিসের জন্যে ছেড়ে দেন। রবীন্দ্রনাথ স্ত্রীর মৃত্যুর পর সবরকম পছন্দসই খাবার ছেড়ে দিয়েছিলেন। বেশিরভাগ সময়ই ভাতের বদলে মুগ ভেজানো খেতেন।
পরে মৃণালিনী দেবীর মায়ের একরকম আদেশে তিনি সবরকম খাওয়া শুরু করেন। সে আরেক কাহিনী।

23rd  January, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
কঠোর আইন অপেক্ষা জরুরি
সন্তানের মূল্যবোধ তৈরি
তন্ময় মল্লিক

বাবা, মায়ের সুরক্ষার জন্য সরকারকে আনতে হচ্ছে আরও কঠোর বিল। যে কাজ করে সন্তানের ধন্য হওয়ার কথা, তা পালনের জন্য দেখাতে হচ্ছে জেলের ঘানি টানার ভয়। এ বড়ই দুর্ভাগ্য। লজ্জাও বোধহয় এদের দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়!
বিশদ

12th  September, 2020
সুশান্ত মৃত্যুরহস্য:
রাজনীতির খেলা
মৃণালকান্তি দাস

এক অভিনেতার আত্মহত্যা সর্বভারতীয় প্রশ্ন হয়ে উঠল কেন, বিহারে শাসক দল তার উত্তর দিয়েছে। এই এক ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি যেমন অগ্নিগর্ভ করে তোলা যায়, তেমনই বিহারের ভূমিপুত্রকে নিয়ে বিহারবাসীর আবেগ উস্কে দেওয়া যায়। বিহারে সুশান্ত এখন ভোটে জেতার বৈতরণী। বিশদ

11th  September, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রেলে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া, গত ২০১৯ সালের এরকম চারটি মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ সহ একাধিক অসঙ্গতির কারণে ২৩ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিল আদালত।   ...

ইসলামাবাদ (পিটিআই): জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের পুরো অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর আওতায় রয়েছে গিলগিট ও বালটিস্তানের এলাকাও। পাকিস্তানকে একথা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে ভারত।  ...

প্যারিস: মার্সেই ডিফেন্ডার আলভারো গঞ্জালেসের মাথায় চড় মারায় দায়ে লাল কার্ড দেখেছিলেন নেইমার। এবার ফরাসি ফুটবল সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁকে দু’ম্যাচ নির্বাসিত করা হল।  ...

সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: এই বছর আলুর চাষ নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। রাজ্যের বাজারে এখন আলুর দাম বেশ বেশি। এতে ব্যবসায়ীদের পৌষমাস হলেও, আগামী দিনে চাষ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন আলুচাষিরা।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার স্বাধীনতা দিবস
১৫০২ - কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস
১৮৯৯- সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ রাজনারায়ণ বসুর মৃত্যু
১৯৫০- অভিনেত্রী শাবানা আজমির জন্ম
১৯৭৬- ব্রাজিলের ফুটবলার রোনাল্ডোর জন্ম
২০০৬- ফুটবলার সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৫২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৮৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
17th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ১৮/২৮ দিবা ১২/৫১। উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র ৩/৫০ দিবা ৭/০ পরে হস্তানক্ষত্র ৫৬/৩৮, রাত্রি ৪/৭। সূর্যোদয় ৫/২৭/৪২, সূর্যাস্ত ৫/৩৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/২২ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩২ গতে ১০/১ মধ্যে। শুক্রযোগ ৩৫/৩৬ রাত্রি ৭/৪২।  
১ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ২/৫১। উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৯/৩১। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৬ মধ্যে ও ৩/৪৩ গতে ৫/৩৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৬ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৩/৫৫ গতে ৫/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩২ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩৪ গতে ১০/৩ মধ্যে। শুক্রযোগ রাত্রি ১১/৪৭। 
২৯ মহরম। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?  
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:46 PM

মছলন্দপুরে ধৃত ২ বাংলাদেশি মহিলা 
উত্তর ২৪ পরগনার মছলন্দপুর থেকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী দুই বাংলাদেশি মহিলাকে ...বিশদ

03:45:00 PM

প্লে স্টোর থেকে পেটিএম অ্যাপ সরাল গুগল 
দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ পেটিএমকে প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে ...বিশদ

03:30:36 PM

বারুইপুরে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মানুষের হাড়গোড় উদ্ধার 
পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মানুষের শরীরের হাড়গোড় উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে ...বিশদ

03:19:26 PM

২৩ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে খুলছে পার্ক, চিড়িয়াখানা 
আনলক প্রক্রিয়ায় এবার রাজ্যে খুলতে চলেছে পার্ক, চিড়িয়াখানা, ইকো পার্ক। ...বিশদ

03:11:04 PM

করোনা: আপনার জেলার হাল কী, জানুন...  
রাজ্যে নতুন করে আরও ৩,১৯৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। ...বিশদ

03:02:52 PM