Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’
‘হ্যাঁ, বাবুর হুকুম হয়েছে। ডাবের জল দিয়ে রান্না করা মুগের ডালের খিচুড়ি খাবেন।’
‘আরিব্বাস। আমরা?’ বলেই নন্দি লাফিয়ে উঠে ডাব পাড়তে ছুটল।
‘আস্তে যা, হড়কে যাবি। নন্দি-ভৃঙ্গি সবাই পাবি।’
হ্যাঁ, খিচুড়ি এমন জিনিস যা শিব থেকে নন্দি-ভৃঙ্গি সবার প্রিয়। শিবের মতো একজন মহামানবের কথা বলি। যাঁর মা শচীদেবী, ছেলে নিমাইয়ের মুখ ভার দেখলেই বুঝতেন, খিচুড়ি রাঁধতে হবে। চৈতন্যদেবের খিচুড়ি খুবই প্রিয় ছিল। আর এখন তো তাঁর মহাভোগ বলতে খিচুড়িই বোঝায়। নবাব-বাদশাদের প্রসঙ্গে বিস্তৃতে যাচ্ছি না, শুধু একটা কথা বলি, আকবর হুমায়ুন থেকে সিরাজউদ্দৌলা—সবারই প্রিয় ছিল মুগের ডালের খিচুড়ি। পলাশির যুদ্ধে হেরে নবাব যখন নৌকো করে পালাচ্ছিলেন সেই নৌকোতেও খিচুড়ি চাপানো হয়েছিল।
এখন তিন মহাপুরুষের কথা। আমাদের তিন ‘আইডল’ বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, সুভাষচন্দ্র।
প্রথম জন রামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে দেখা করার আগে, ‘পেটুক সঙ্ঘ’ বা ‘গ্রিডি ক্লাব’ তৈরি করেছিলেন। যেখানে খাওয়াদাওয়া শুধু নয়, রীতিমতো খাবার নিয়ে গবেষণা হতো। সেখানে গবেষণার একটি বিষয় ছিল, ‘খিচুড়ি রাঁধবার নতুন পথ।’ রামকৃষ্ণদেবের সঙ্গে আলাপ হওয়ার পরও তিনি এসব ছাড়েননি। এমনকী একটুও কমাননি।
বেলুড়মঠে দুর্গাপুজো আরম্ভ হবার পর যে ভোগ রান্না চালু হয় তা শতভাগ বিবেকানন্দের ইচ্ছা, উদ্যোগ ও পরিকল্পনায়। তাঁর সেই আঠারো শতকের শেষ ভাগের রেসিপি এখনও চলছে। বিখ্যাত সাহিত্যিক শঙ্করের ভাষায়, ‘ওয়ার্ল্ডের সেরা খিচুড়ি তৈরি হয় বেলুড়মঠে।’ বিবেকানন্দের পরিকল্পিত খিচুড়িতে সমান মাপের চাল, মুগের ডাল ও সব্জি দেওয়া হয়। সব্জি বলতে শুধু প্রথাগত আলু, ফুলকপি, মটরশুঁটি নয়, সব ধরনের সব্জি তা পটল থেকে কচু অবধি হতে পারে। আর খিচুড়ির সহযোগী হিসাবে তাঁর বিশ্ববিখ্যাত ‘টমেটো আমড়া কুমড়ো দিয়ে চাটনি’ বেলুড়মঠের প্রথম দুর্গাপুজোর থেকে আজ অবধি সুপার-ডুপার হিট। বিশ্ববিখ্যাত বললাম এই কারণে যে, বিবেকানন্দ যখন বিদেশ যেতেন তখনও তিনি এই চাটনি নিজে রাঁধতেন। জিনিস সেখান থেকে সংগ্রহ করতেন ঠিকই তবে তাঁর গেরুয়া পোশাকের পকেটে সবুজ লঙ্কা, পাঁচফোড়ন থেকে অন্যান্য মশলা থাকত। আর সঙ্গে নিয়ে যেতেন মুগের ডাল। যা শেষ হয়ে গেলে তিনি পার্শেল করে মুগডাল পাঠানোর জন্যে চিঠি লিখতেন। আর তাঁর মন্ত্রশিষ্য সুভাষচন্দ্র বিদেশে গিয়ে... এখন নয়, পরে বলব। খিচুড়ির সঙ্গে ভাজা ইত্যাদির কুটনো কাটার তদারক বিবেকানন্দ নিজে করতেন। আর ওই মহাভোজের জন্যে অত্যন্ত পরিপাটি ও দৃষ্টিনন্দনভাবে আলুর খোসা নিজে ছাড়াতেন। মা সারদা নরেনের এমন নৈপুণ্য দু’চোখ মেলে দেখতেন এবং তারিফ করতেন। প্রসঙ্গত, নরেনের চপ তৈরি করা নিয়েও তিনি তাঁর মুগ্ধতা প্রকাশ করেছিলেন। শঙ্কর লিখেছেন যে একবার খিচুড়ির সহযোগী ভাজা ঠিকমতো না হওয়ার জন্যে তিনি একজন সেবক কানাইলালের কান মুলে দিয়েছিলেন। তারপর তাঁর কাছে মাফ তো চেয়েছিলেনই, কেঁদেও ফেলেছিলেন।
ঠাকুর পরিবারে আবার অনুপানের তালিকা অত্যন্ত দীর্ঘ। বিশদে যাব না। তবে সাধারণ ভাজা তো বটেই, মাখনমারা ঘি, কোর্মা, আলুভর্তা, বেগুনভর্তা থেকে মেটে ভাজা, শুঁটকি মাছ পোড়া দিয়ে রবিঠাকুর ও পরিবারের অন্যরা খিচুড়ি খেতেন। রবিঠাকুরের পরিবারের যেন ‘খিচুড়ি রিসার্চ সেন্টার’ ছিল। সে ব্যাপারে যাবার আগে একটা ছোট কথা বলে নিই। বিবেকানন্দের ছিল ‘কুটনো কোটা’ আর ‘কোটা’, শব্দটি হিংস্র হবার কারণে ঠাকুরদের হেঁশেলে ‘তরকারি বানানো’ বলা হতো।
এখন ঠাকুরবাড়ির রান্নাঘরে ঢুকি। তাঁদের বক্তব্য ছিল— ‘ডালে আর চালে খিচুড়ি বানায়/খিচুড়ির স্বাদ পোলায়ে না পায়/ খিচুড়ি বৈষ্ণব ও পোলাও শাক্ত/ নিরামিষ হিন্দু খিচুড়ির ভক্ত।’
তবে, রবি ঠাকুররা একদা গোঁড়া নিরামিষাশী থাকলেও পরে আমিষভোজী হয়েছিলেন। আর আমিষ-নিরামিষ দু’তরফের হিন্দুরাই খিচুড়ি ভক্ত। এখন আমরা খিচুড়ি রিসার্চ সেন্টারে যাবার আগে খেচরান্ন সহযোগী টক, চাটনিতে যাব। বিবেকানন্দের কুমড়োর চাটনির মতো এঁদের ছিল ধনেশাকের টক চাটনি, তেমতির চাটনিসহ নানারকম টক মিষ্টি চাটনি। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল রবি ঠাকুরের ভ্রাতুষ্পুত্রী প্রজ্ঞাসুন্দরী জানিয়েছেন, ‘দই দিয়া খিচুড়ি খাইতেও মন্দ লাগে না।’
এখন সমান মাপের চাল-ডাল মেশানোর ব্যাপার। সেখানে বিবেকানন্দ এককাট্টা হলেও ঠাকুরবাড়িতে অহরহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা। এ ব্যাপারে রবি ঠাকুরের সম্পূর্ণ যোগদান ছিল। তিনি তাঁর রন্ধনপটীয়সী স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর রান্নাঘরের সামনে মোড়া পেতে বসে স্ত্রীকে আপাত উদ্ভট কিছু রেসিপি বলতেন ও পরামর্শ দিতেন। কবিপত্নী মৃদু হাসতেন, অতঃপর কবির পরামর্শের জিনিসগুলোর সঙ্গে আরও কিছু মিশিয়ে ঠিকমতো বিন্যাস করে রেঁধে কবি আর অন্যদের পাতে দিতেন। আর প্রসন্ন কবি বলতেন, ‘দেখলে কেমন শিখিয়ে দিলাম!’
এখন চাল-ডালের মাপ। ঠাকুরবাড়ির ফেনসা খিচুড়িতে সোনামুগ বা মুগ যা-ই হোক না কেন চাল-ডাল সমান সমান। আবার যেই পছন্দের কড়াইশুঁটি দিয়ে ফেনসা খিচুড়ি তৈরি হল সেখানে তিনগুণ ডালে একগুণ চাল, সঙ্গে চালের সম পরিমাণ খোসাসুদ্ধ কড়াইশুঁটি। এর আবার উল্টোটাও আছে। মুগের ডালের ফাঁপা খিচুড়ি যেখানে মোটামুটি তিনভাগ চালে একভাগ ডাল মেশানো হয়। মালাই ভুনি খিচুড়িতেও একই ব্যাপার, শুধু ডালটা সোনামুগ। জাফরানি ভুনি খিচুড়িতে চাল-ডালের অনুপাত দু’ভাগ একভাগ। আর বিস্তার নয়, কেবল একটা কথা, দু’ভাগ চালের সঙ্গে একভাগ ডাল মিলিয়ে তাতে প্রচুর পরিমাণ খেজুর দিয়ে তাঁরা ‘খেজুড়ের খিচুড়ি’ রাঁধতেও ছাড়েননি। এমন হরেকরকম আছে। ঠাকুরবাড়ির যে কোনও পারিবারিক অনুষ্ঠানে খিচুড়ি থাকতই। সেখানে হাতে লেখা মেনুচার্ট তিন-চার জায়গায় টাঙিয়ে দেওয়া হতো। তাঁরা বলতেন ‘ক্রমনী’। যাতে খাবার তালিকায় একসঙ্গে থাকত ভাত, খিচুড়ি, পোলাও।
রবি ঠাকুরের বাড়ি ছেড়ে এখন সুভাষচন্দ্রের কথা। তিনি যেমন তেলেভাজার ভক্ত ছিলেন, তেমনই ছিলেন খিচুড়ি ভক্ত। বাড়িতে তো বটেই, তাঁর দীক্ষাগুরু দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের বাড়িতে গেলে তিনি বাসন্তী দেবীর কাছে খিচুড়ি খেতে চাইতেন। এমনিতেই অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামীই বাসন্তী দেবীর কাছে একই আবদার করতেন। সুভাষ এসে বাসন্তী দেবীর মুখোমুখি হলেই তিনি বলতেন, ‘সঙ্গে কী খাবে বল?’ নেতাজি, রবীন্দ্রনাথ বিবেকানন্দর মতো অত ভাজাভুজি বা চাটনির ধার ধারতেন না। তবে বেগুনি চপ ইত্যাদি হলে লা-জবাব আর তেলেভাজা তাঁর ছোটবেলা থেকেই প্রিয়।
সুভাষ প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে যখন স্কটিশ চার্চে চলে আসেন তখন নিয়মিত ‘লক্ষ্মীনারায়ণ’ সাউয়ের দোকানে তেলেভাজা খেতেন। যার স্মরণে এখনও ওই দোকান তাঁর জন্মদিন ২৩ জানুয়ারিতে কিছু সময় সাধারণ মানুষদের বিনা পয়সায় তেলেভাজা খাওয়ান। প্রসঙ্গত, নেতাজি যেমন বাসন্তী দেবীর কাছে আবদার করতেন তেমনই দেশবন্ধু রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মৃণালিনী দেবীর কাছে একই রকমের ইচ্ছা প্রকাশ করতেন। তাঁর মাংসের আবদার থাকত। কবিপত্নী হাসিমুখে তাঁকে আশ্বস্ত করতেন।
অথ মুগডাল কথা। নেতাজি মুগডাল খুবই পছন্দ করতেন। বিবেকানন্দের মতো তিনি দেশের বাইরে যাবার সময় ভাজা মুগ সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন কি না বলা যাবে না। কিন্তু, নিয়ে গিয়ে থাকলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। কেননা তিনি যখন জাপানের ইম্পিরিয়াল হোটেলে ছিলেন তখন তাঁর দুই সহকর্মী হাসান ও হাবিব তাঁদের বাড়ি থেকে তাঁদের মাকে দিয়ে মুগডাল রান্না করিয়ে সুভাষের জন্যে নিয়ে যেতেন। আর সুভাষ দেশবিদেশ যেখানেই ঘুরুন না কেন সর্বত্রই তাঁর পছন্দের মেনু ছিল ডাল ভাত পুরি দই কলা। মুগডালের সঙ্গে তাঁর ‘সাইড ডিশ’ না হলেও চলত। এখন ‘মুগির ডাল’, আর ‘কুলির অম্বল’, এই দুটি বাঙাল শব্দবন্ধ জেনে একবার ‘বাঙাল সভা’র প্রেসিডেন্ট হওয়া রবীন্দ্রনাথের কথা। এমনিতে ঠাকুরবাড়ির রান্না রিসার্চ সেন্টারের একটি দ্রব্য ছিল মুগের ডাল। যার কারি, চচ্চড়ি, পোরো, এমনকী মুগের ডাল ভিজিয়ে বেটে তাতে বেগুন ডুবিয়ে বেগুনি, বেগুন মুগের ফাঁপড়া ইত্যাদি ছিল এক-একটি প্রোডাক্ট। রোজের পাতে তাঁদের তো মুগডাল ‘মাস্ট’ ছিল। মুগডাল দিয়ে মিষ্টি তৈরি করতেও তাঁরা ছিলেন সিদ্ধহস্ত। মুগের ডালের বরফি, মুগ শামলি, মুগের নাড়ু, মুগের মিঠাই তাঁদের বাড়িতেই তৈরি হতো। নেতাজি রাতে এমন মিষ্টি পছন্দ করতেন। যে কোনও ধরনের নাড়ুই তাঁর প্রিয় ছিল। তবে দিনে শেষ পাতে রসগোল্লা, সন্দেশ, চমচমের একটা। শীতে নতুনগুড়ের পায়েস, পিঠেপুলি।
তো, মুগের ডালের কথা হচ্ছিল। মুগডালে আদা মিষ্টি দেওয়া চালু হয় ঠাকুরবাড়ি থেকে। বিবেকানন্দর অবশ্য ডালে আদাবাটা মৌরিবাটা ইত্যাদি পড়ল কি না তাতে কিছু এসে যেত না। তিনি ডালের জলটাই বেশি খেতেন। তবে সঙ্গে একটা কাঁচালঙ্কা অবশ্যই চাই। একদিকে ডালে চুমুক, অন্যদিকে লঙ্কায় কামড়। তিনি ডাল মাখা ভাতে মোচার ঘণ্ট খেতে ভালোবাসতেন। একদা মুগের মিষ্টি তো বটেই, সবরকম মিষ্টি তিনি পছন্দ করতেন। পরে প্রবল ডায়াবেটিসের জন্যে ছেড়ে দেন। রবীন্দ্রনাথ স্ত্রীর মৃত্যুর পর সবরকম পছন্দসই খাবার ছেড়ে দিয়েছিলেন। বেশিরভাগ সময়ই ভাতের বদলে মুগ ভেজানো খেতেন।
পরে মৃণালিনী দেবীর মায়ের একরকম আদেশে তিনি সবরকম খাওয়া শুরু করেন। সে আরেক কাহিনী।

23rd  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, লালবাগ: শনিবার রাতে নবগ্রাম থানার পলসণ্ডায় ৩৪নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন লাগায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বহরমপুর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ট্রাকে থাকা সমস্ত ...

নিউ ইয়র্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): কানেক্টিকাটের একটি নাইটক্লাবে গুলিচালনার ঘটনায় প্রাণ হারালেন একজন। আহতের সংখ্যা চার। রবিবার ভোরে ‘ম্যাজেস্টিক লাউঞ্জ’-এর ক্লাবে এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই হামলা চালায় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।   ...

হ্যামিলটন, ১৬ ফেব্রুয়ারি: নিউজিল্যান্ডের কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াইটওয়াশের ধাক্কা ভারতীয় দল যে ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠছে, তা বিরাট কোহলিদের দেখলেই বোঝা সম্ভব। ২১ ফেব্রুয়ারি শুরু ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দাবিদাওয়ার মধ্যে কয়েকটি মিটলেও, বেতন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু দাবি এখনও অনিশ্চিত। এমনই অভিযোগ অধ্যাপকদের। রবিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নমেন্ট কলেজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ৪৮তম বার্ষিক সম্মেলনে তা নিয়েই সরব হলেন তাঁরা।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চশিক্ষা বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণ !
আরও এক নতুন তত্ত্ব পেল দেশবাসী। উচ্চশিক্ষার কারণেই সমাজে অহরহ ...বিশদ

02:02:30 PM

মুম্বইয়ে জিএসটি ভবনে আগুন 
আগুন লাগল মুম্বইয়ের মাজগাঁও এলাকার জিএসটি ভবনে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকল। ...বিশদ

01:17:00 PM

  মুখ্যমন্ত্রীকে বই উপহার রাজ্যপালের
রাজ্যপালের সাথে ঘণ্টা খানেকের একান্ত বৈঠক সেরে রাজভবন থেকে বেরিয়ে ...বিশদ

01:14:00 PM

বোমাতঙ্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে
বিষ্ণুপুরে সাত সকালেই বোমাতঙ্ক! রাস্তার ধারে পড়ে থাকা একটি তাজা ...বিশদ

01:08:11 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন উপাচার্যের
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন জানালেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। ...বিশদ

01:02:27 PM

কলকাতার বহুতলে আবশ্যিক হচ্ছে ফায়ার কিয়স্ক
এবার কলকাতার ৪৫ মিটার বেশি উঁচু বহুতলগুলিতে ফায়ার কিয়স্ক রাখা ...বিশদ

12:55:20 PM