Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়। ভারতবাসী প্রতিদানে তাঁকে কতটুকু দিতে পেরেছে আজ পর্যন্ত? সে প্রশ্ন থাক। কী খুঁজে পাওয়া গেছে তাঁর মধ্যে যার জন্য এ প্রজন্মের এক বিরাট অংশ একই সঙ্গে আগ্রহ ও ব্যথা অনুভব করে!
শিবাজির মতো যোদ্ধা ছিলেন তিনি। বুদ্ধদেবের জ্ঞান, শংকরাচার্যের ত্যাগ, মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের মানবপ্রেম, প্রভু যিশুর হৃদয় আর স্বামী বিবেকানন্দের কর্মযোগ, দেশপ্রেম ও সেবাব্রতের জীবন্ত ভাষ্য তিনি। তুলনা থাক। মানবজীবনে তুলনার প্রয়োজনীয়তা অনিবার্য, তবু তাঁর প্রকাশ্য জীবন গাথা আজও অতুলনীয়। অনির্বাণ নেতাজির অনন্যতা খুঁজে পাওয়া যাবে ইম্ফল কোহিমার সবুজবনানীর পার্বত্য প্রান্তরে, কাবুল কান্দাহারের রুক্ষ দুর্গম পথে, ইউরোপ থেকে এশিয়া বিস্তৃত মহাসাগরের অতলে, মুক্তিতীর্থ আন্দামানের নীল সমুদ্রের তরঙ্গে। বাকিটা মহাকালের হাতে। আগামী ইতিহাস মুখরিত হোক বা না হোক মানব সভ্যতার ইতিহাসে বঙ্গজননীর বড় আপন সন্তান সুভাষ যেন সকলের থেকেই আলাদা, অভিমানীও বটে। নিরুদ্দেশের পথিক হবার পূর্বে জননী প্রভাবতীদেবীকে শেষ প্রণাম করতে পারেননি। সিনেমায় চৈতন্য মহাপ্রভুকে দেখে বেদনার্ত সুভাষ জননী বলে উঠেছিলেন, শচীমাতা জেনেছিলেন তাঁর নিমাই কোথায় যাচ্ছে, কিন্তু আমার সুভাষ কোথায় গেল আমি জানতে পারলাম না।
অসুস্থ জননী শীতের রাতে নাকি দরজা বন্ধ করতে বারণ করেছিলেন। যদি সুভাষ ফিরে আসে বন্ধ দুয়ার দেখে অভিমানী ছেলে আবার ফিরে যেতে পারে। অবশেষে ১৯৪৩-এর ডিসেম্বরের শেষে না ফেরার দেশে চলে যান প্রভাবতীদেবী। সদ্য মাতৃবিয়োগের তীব্র যন্ত্রণা বুকে নিয়েই সেদিন কালো চশমা পরে কুখ্যাত কালাপানির সেলুলার জেলের যন্ত্রণা, আর্তনাদ আর আত্মত্যাগের শহিদ তীর্থ পরিদর্শন করেন। একান্ত ব্যক্তিগত মর্মব্যথার মূল্যায়ন করেনি আজকের ইতিহাস। সুভাষচন্দ্রের প্রিয় বঙ্গজননী, ভারতজননীর কথা তাঁর লেখনী, ভাষ্যে বারংবার এলেও একপেশে ইতিহাসের রুদ্ধ দুয়ারে নেতাজির প্রবেশ বড় সীমায়িত, কোথাও-বা সীমাহীন অজ্ঞতার অন্ধকারে উপেক্ষার কৌশলী প্রহসন।
নেতাজির মধ্যে যে মেধাবী, সাহসী, রাজনৈতিক প্রাজ্ঞতা, খাঁটি দেশপ্রেম ছিল তা মুগ্ধ করেছিল কবিগুরুকে। এই দেশনায়কের পাশে থাকার জন্য দেশবাসীর কাছে আহ্বান করেছিলেন সেদিন। গান্ধীজিও শেষে বলতে বাধ্য হয়েছিলেন ‘দেশপ্রেমিকদের রাজপুত্র’, একদা তাঁর ‘বখাটে ছেলে’ সুভাষকে।
একলা চলা পথের পথিক সুভাষচন্দ্র বীরত্ব আর দেশপ্রেমের ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন যার মূল্যায়ন গত শতাব্দীর মতো এ শতাব্দীতেও সম্ভব কি না অজানা। অর্ধগোলকময় কর্মকাণ্ড বৈজ্ঞানিকভাবে সুসংবদ্ধ করা না হলেও তাঁর বৈপ্লবিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান। কলকাতায় জনসমক্ষে স্বীকার করে তাঁরা শ্রদ্ধা জানিয়ে গেছেন।
আইসিএস-এর চাকরি প্রত্যাখান করে তিনি দেশবন্ধুকে লিখেছিলেন, দেশসেবার জন্য তিনি আত্মনিবেদন করতে চান। দেশবন্ধুর কাগজের সাব এডিটর কিংবা শিক্ষকতার সামান্য বেতন পেলেই তাঁর জীবন চলে যাবে। তিনি সাংসারিক হবেন না এবং তার জন্য বাড়ির আর্থিক সাহায্য নিতে চাননি। সংবাদপত্র সম্পাদনা ও পরিচালনার কাজ তিনি পেয়েছিলেন। এছাড়াও দেশের বন্ধু সুভাষের ভিতর খুঁজে পাওয়া যায় প্রশাসক সুভাষচন্দ্রকে, সফল ও মানব দরদি এক মেয়রকে। প্রথম কারাবাস ঘটেছিল রাজনৈতিক গুরু দেশবন্ধুর সঙ্গেই। নানা রাজনৈতিক সংঘর্ষ লড়াই-এর মাঝে দু’জনে মিলে দক্ষিণ কলকাতা সেবক সমিতি ও দক্ষিণ কলকাতা সেবাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা সেবাব্রতী সুভাষচন্দ্রের মনন সন্ধানের অন্যতম অনুদ্ঘাটিত পর্ব। রাষ্ট্রীয় উপেক্ষায় নীরবে অতিক্রান্ত হল দেশের অনন্য সুহৃদ ও সুভাষচন্দ্রের অতিপ্রিয় দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দা঩শের জন্মের সার্ধশতবর্ষ। নেতাজির হাতে গড়া আজাদ হিন্দ সরকারের পঁচাত্তর বর্ষও বাংলায় প্রায় নীরবে শেষ হয়েছে। নেতাজি ফাইলে প্রকাশিত নানা অকথিত গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য নিয়েও তেমন চর্চা হয়নি বৌদ্ধিক মহলে। জাতির ঐতিহ্য, সংগ্রামের শিকড় ক্রমশ আলগা হয়ে পড়ে স্রেফ বিস্মরণের ধারাবাহিকতায়।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রণাঙ্গন থেকে এক বাংলা বেতার ভাষণে নেতাজি জানিয়েছিলেন, চতুর ইংরেজ এগারোবার তাঁকে কারারুদ্ধ করেও কিছু করতে পারেনি এবং তাঁর প্রত্যাবর্তনে কোনও পার্থিবশক্তি বাধা দিতে পারবে না। রুশ, আয়ারল্যান্ড-এর নেতা ডি ভেলেরা সহ বিশ্বের মোট এগারোটি রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রপ্রধান সুভাষচন্দ্রের আজাদ হিন্দ সরকারকে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। আশ্চর্যের বিষয় তিনিই একমাত্র ব্যক্তি আজ পর্যন্ত তাঁর ১৮ বার নানারকমের ‘নিশ্চিত মৃত্যু’র গল্প শোনা গেছে। রহস্যের নায়ক নেতাজিকে নিয়ে জনমানসে জিজ্ঞাসা স্বাভাবিক, কিন্তু প্রকাশ্যে পঞ্চাশ অনূর্ধ্ব যে সুভাষচন্দ্রকে পেয়েছি তাঁর অগ্নিময় দেশপ্রেমদীপ্ত জীবন-এর অনুধ্যান রহস্য উপেক্ষার অন্তরালে হারিয়ে যেতে চলেছে। নানা মনগড়া মিথ, অযাচিত বীরত্ব আর ইচ্ছাপূরণের মোড়কে সিনেমা সিরিয়াল আসল নেতাজিকে হারিয়ে দিচ্ছে বারংবার। বিশ্বভারতী কিংবা রামকৃষ্ণ মিশন যে বিশুদ্ধতা কবিগুরু, বীর সন্ন্যাসীর ক্ষেত্রে বহাল রাখতে পেরেছে তা অবশ্যই দৃষ্টান্তস্বরূপ। কিন্তু নেতাজির ক্ষেত্রে অগভীর গবেষণা নেতাজির আদর্শ ও জীবনী চর্চার পরিসরকে সীমাবদ্ধ করে তুলেছে।
কিশোর সুভাষ একদা তাঁর মাকে লেখা চিঠিতে লিখেছিলেন, ভারতবর্ষ ভগবানের বড় আদরের দেশ, যুগে তিনি দুর্গতদের উদ্ধার করতে অবতার রূপে আবির্ভূত হন। বাস্তবক্ষেত্রে, আধুনিকতম অবতার পুরুষরূপে সুভাষচন্দ্রকে চিহ্নিত করা যায়। ছাত্রসমাজের কাছে তাঁর আহ্বান ছিল, পরিপূর্ণ ও সর্বাঙ্গীণ মুক্তিলাভ। স্বাধীন দেশে, স্বাধীন আবহাওয়ার মধ্যে আমাদের জাতি জন্মিতে চায়, বর্ধিত হতে চায় এবং মরিতে চায়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘পুরুষ অবরুদ্ধ আপন দেশে, নারী অবরুদ্ধ নিজ নিবাসে’—এ অবস্থা আর কতদিন চলবে? তিনি আহ্বান করেছেন, ‘যে স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন আমরা দেখি—সে রাজ্যে সকলে মুক্ত, ব্যক্তি মুক্ত, সমাজও মুক্ত, সেখানে মানুষ রাষ্ট্রীয় বন্ধন হইতে মুক্ত, সামাজিক বন্ধন হইতে মুক্ত এবং অর্থের বন্ধন হইতে মুক্ত। রাষ্ট্র, সমাজ ও অর্থনীতি—এই ত্রিতাপ হইতে আমরা মানবজাতিকে-দেশবাসীকে, মুক্ত করিতে চাই।’ তিনি যেন ভবিষ্যৎ দ্রষ্টার মতোই বলেছিলেন, ‘....যাও চীনা ছাত্রদের মত—রুশ তরুণদের মত—চাষীর পর্ণকুটীরে ও মজুরদের আবর্জনাপূর্ণ ভগ্নগৃহে। তাহাদের জাগাও। আর যাও মাতৃজাতির সমীপে। যাঁরা শক্তিরূপিণী অথচ সমাজের চাপে আজ যাঁরা হইয়াছেন—‘অবলা’— তাঁহাদের জাগাও—বল—
‘‘আপনার মান রাখিতে জননী
আপনি কৃপাণ ধর।’’
অনেক রাজনৈতিক অবতার পুরুষ আজও কোনও কোনও দল বা গোষ্ঠীর কাছে পূজ্য। নতুন প্রজন্মের কিছু শিষ্য-শিষ্যা যাঁরা বিদেশের অবতারবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষাপ্রাঙ্গণে এদেশের অন্যতম আধুনিক অবতার নেতাজি সম্পর্কে যখন অনীহা ও উদাসীনতা প্রকাশ করে থাকেন তখন সমাজের অস্থিরতা আর দুর্ভোগ ভবিতব্য হয়ে দাঁড়ায়। নেতাজির প্রাসঙ্গিকতা এখানেই। নেতাজির জীবন ও বাণী সুলভে সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেবার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ সেভাবে হয়নি। সর্বভারতীয় জাতীয় ছুটি কিংবা উৎসবের মাধ্যমে সচেতন করার জন্য কোনও বাস্তবমুখী পদক্ষেপও নেওয়া হয়নি। যে সুভাষকে সাধারণ মানুষ আপন করে যে কোনও জাতীয় দিবসে পতাকার তলায় মালা পরিয়ে বেদিতে বসায় তাঁকেই ভুলিয়ে রাখার, ভুলিয়ে দেবার নানা চক্রান্ত হয়েছে দিনের পর দিন। অনুমান করা যায় তিনি তীব্র ঘৃণা ও অভিমানে পরবর্তীতে প্রকট হতে চাননি। তাঁর জন্য শুধুমাত্র জন্মদিন আছে। তাই সাধারণ মানুষ যুগে যুগে এই শব্দবন্ধ দিয়েই তাঁকে প্রণাম জানাবেন— ক্ষমা করো সুভাষ।
লেখক নেতাজি গবেষক 
23rd  January, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
কঠোর আইন অপেক্ষা জরুরি
সন্তানের মূল্যবোধ তৈরি
তন্ময় মল্লিক

বাবা, মায়ের সুরক্ষার জন্য সরকারকে আনতে হচ্ছে আরও কঠোর বিল। যে কাজ করে সন্তানের ধন্য হওয়ার কথা, তা পালনের জন্য দেখাতে হচ্ছে জেলের ঘানি টানার ভয়। এ বড়ই দুর্ভাগ্য। লজ্জাও বোধহয় এদের দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়!
বিশদ

12th  September, 2020
সুশান্ত মৃত্যুরহস্য:
রাজনীতির খেলা
মৃণালকান্তি দাস

এক অভিনেতার আত্মহত্যা সর্বভারতীয় প্রশ্ন হয়ে উঠল কেন, বিহারে শাসক দল তার উত্তর দিয়েছে। এই এক ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের রাজনীতি যেমন অগ্নিগর্ভ করে তোলা যায়, তেমনই বিহারের ভূমিপুত্রকে নিয়ে বিহারবাসীর আবেগ উস্কে দেওয়া যায়। বিহারে সুশান্ত এখন ভোটে জেতার বৈতরণী। বিশদ

11th  September, 2020
একনজরে
ইসলামাবাদ (পিটিআই): জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের পুরো অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এর আওতায় রয়েছে গিলগিট ও বালটিস্তানের এলাকাও। পাকিস্তানকে একথা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে ভারত।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রেলে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া, গত ২০১৯ সালের এরকম চারটি মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ সহ একাধিক অসঙ্গতির কারণে ২৩ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিল আদালত।   ...

প্যারিস: মার্সেই ডিফেন্ডার আলভারো গঞ্জালেসের মাথায় চড় মারায় দায়ে লাল কার্ড দেখেছিলেন নেইমার। এবার ফরাসি ফুটবল সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁকে দু’ম্যাচ নির্বাসিত করা হল।  ...

সংবাদদাতা, কান্দি: বৃহস্পতিবার সকালে কান্দি থানার ব্রাহ্মণপাড়া গ্রাম থেকে পুলিস এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম বিশ্বনাথ দাস(৬৬)। তাঁর বাড়ি থেকেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর ভালো যাবে না। সাংসারিক কলহ বৃদ্ধি। প্রেমে সফলতা। শত্রুর সঙ্গে সন্তোষজনক সমঝোতা। সন্তানের সাফল্যে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার স্বাধীনতা দিবস
১৫০২ - কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস
১৮৯৯- সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ রাজনারায়ণ বসুর মৃত্যু
১৯৫০- অভিনেত্রী শাবানা আজমির জন্ম
১৯৭৬- ব্রাজিলের ফুটবলার রোনাল্ডোর জন্ম
২০০৬- ফুটবলার সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৫২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৮৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
17th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, প্রতিপদ ১৮/২৮ দিবা ১২/৫১। উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র ৩/৫০ দিবা ৭/০ পরে হস্তানক্ষত্র ৫৬/৩৮, রাত্রি ৪/৭। সূর্যোদয় ৫/২৭/৪২, সূর্যাস্ত ৫/৩৩/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/২২ গতে ৯/৩২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩২ গতে ১০/১ মধ্যে। শুক্রযোগ ৩৫/৩৬ রাত্রি ৭/৪২।  
১ আশ্বিন ১৪২৭, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, প্রতিপদ দিবা ২/৫১। উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্র দিবা ৯/৩১। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৬। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৬ মধ্যে ও ৩/৪৩ গতে ৫/৩৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৬ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৩/৫৫ গতে ৫/২৭ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩২ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩৪ গতে ১০/৩ মধ্যে। শুক্রযোগ রাত্রি ১১/৪৭। 
২৯ মহরম। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?  
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:46 PM

মছলন্দপুরে ধৃত ২ বাংলাদেশি মহিলা 
উত্তর ২৪ পরগনার মছলন্দপুর থেকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী দুই বাংলাদেশি মহিলাকে ...বিশদ

03:45:00 PM

প্লে স্টোর থেকে পেটিএম অ্যাপ সরাল গুগল 
দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ পেটিএমকে প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে ...বিশদ

03:30:36 PM

বারুইপুরে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মানুষের হাড়গোড় উদ্ধার 
পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে মানুষের শরীরের হাড়গোড় উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে ...বিশদ

03:19:26 PM

২৩ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যে খুলছে পার্ক, চিড়িয়াখানা 
আনলক প্রক্রিয়ায় এবার রাজ্যে খুলতে চলেছে পার্ক, চিড়িয়াখানা, ইকো পার্ক। ...বিশদ

03:11:04 PM

করোনা: আপনার জেলার হাল কী, জানুন...  
রাজ্যে নতুন করে আরও ৩,১৯৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। ...বিশদ

03:02:52 PM