Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়। ভারতবাসী প্রতিদানে তাঁকে কতটুকু দিতে পেরেছে আজ পর্যন্ত? সে প্রশ্ন থাক। কী খুঁজে পাওয়া গেছে তাঁর মধ্যে যার জন্য এ প্রজন্মের এক বিরাট অংশ একই সঙ্গে আগ্রহ ও ব্যথা অনুভব করে!
শিবাজির মতো যোদ্ধা ছিলেন তিনি। বুদ্ধদেবের জ্ঞান, শংকরাচার্যের ত্যাগ, মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের মানবপ্রেম, প্রভু যিশুর হৃদয় আর স্বামী বিবেকানন্দের কর্মযোগ, দেশপ্রেম ও সেবাব্রতের জীবন্ত ভাষ্য তিনি। তুলনা থাক। মানবজীবনে তুলনার প্রয়োজনীয়তা অনিবার্য, তবু তাঁর প্রকাশ্য জীবন গাথা আজও অতুলনীয়। অনির্বাণ নেতাজির অনন্যতা খুঁজে পাওয়া যাবে ইম্ফল কোহিমার সবুজবনানীর পার্বত্য প্রান্তরে, কাবুল কান্দাহারের রুক্ষ দুর্গম পথে, ইউরোপ থেকে এশিয়া বিস্তৃত মহাসাগরের অতলে, মুক্তিতীর্থ আন্দামানের নীল সমুদ্রের তরঙ্গে। বাকিটা মহাকালের হাতে। আগামী ইতিহাস মুখরিত হোক বা না হোক মানব সভ্যতার ইতিহাসে বঙ্গজননীর বড় আপন সন্তান সুভাষ যেন সকলের থেকেই আলাদা, অভিমানীও বটে। নিরুদ্দেশের পথিক হবার পূর্বে জননী প্রভাবতীদেবীকে শেষ প্রণাম করতে পারেননি। সিনেমায় চৈতন্য মহাপ্রভুকে দেখে বেদনার্ত সুভাষ জননী বলে উঠেছিলেন, শচীমাতা জেনেছিলেন তাঁর নিমাই কোথায় যাচ্ছে, কিন্তু আমার সুভাষ কোথায় গেল আমি জানতে পারলাম না।
অসুস্থ জননী শীতের রাতে নাকি দরজা বন্ধ করতে বারণ করেছিলেন। যদি সুভাষ ফিরে আসে বন্ধ দুয়ার দেখে অভিমানী ছেলে আবার ফিরে যেতে পারে। অবশেষে ১৯৪৩-এর ডিসেম্বরের শেষে না ফেরার দেশে চলে যান প্রভাবতীদেবী। সদ্য মাতৃবিয়োগের তীব্র যন্ত্রণা বুকে নিয়েই সেদিন কালো চশমা পরে কুখ্যাত কালাপানির সেলুলার জেলের যন্ত্রণা, আর্তনাদ আর আত্মত্যাগের শহিদ তীর্থ পরিদর্শন করেন। একান্ত ব্যক্তিগত মর্মব্যথার মূল্যায়ন করেনি আজকের ইতিহাস। সুভাষচন্দ্রের প্রিয় বঙ্গজননী, ভারতজননীর কথা তাঁর লেখনী, ভাষ্যে বারংবার এলেও একপেশে ইতিহাসের রুদ্ধ দুয়ারে নেতাজির প্রবেশ বড় সীমায়িত, কোথাও-বা সীমাহীন অজ্ঞতার অন্ধকারে উপেক্ষার কৌশলী প্রহসন।
নেতাজির মধ্যে যে মেধাবী, সাহসী, রাজনৈতিক প্রাজ্ঞতা, খাঁটি দেশপ্রেম ছিল তা মুগ্ধ করেছিল কবিগুরুকে। এই দেশনায়কের পাশে থাকার জন্য দেশবাসীর কাছে আহ্বান করেছিলেন সেদিন। গান্ধীজিও শেষে বলতে বাধ্য হয়েছিলেন ‘দেশপ্রেমিকদের রাজপুত্র’, একদা তাঁর ‘বখাটে ছেলে’ সুভাষকে।
একলা চলা পথের পথিক সুভাষচন্দ্র বীরত্ব আর দেশপ্রেমের ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন যার মূল্যায়ন গত শতাব্দীর মতো এ শতাব্দীতেও সম্ভব কি না অজানা। অর্ধগোলকময় কর্মকাণ্ড বৈজ্ঞানিকভাবে সুসংবদ্ধ করা না হলেও তাঁর বৈপ্লবিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান। কলকাতায় জনসমক্ষে স্বীকার করে তাঁরা শ্রদ্ধা জানিয়ে গেছেন।
আইসিএস-এর চাকরি প্রত্যাখান করে তিনি দেশবন্ধুকে লিখেছিলেন, দেশসেবার জন্য তিনি আত্মনিবেদন করতে চান। দেশবন্ধুর কাগজের সাব এডিটর কিংবা শিক্ষকতার সামান্য বেতন পেলেই তাঁর জীবন চলে যাবে। তিনি সাংসারিক হবেন না এবং তার জন্য বাড়ির আর্থিক সাহায্য নিতে চাননি। সংবাদপত্র সম্পাদনা ও পরিচালনার কাজ তিনি পেয়েছিলেন। এছাড়াও দেশের বন্ধু সুভাষের ভিতর খুঁজে পাওয়া যায় প্রশাসক সুভাষচন্দ্রকে, সফল ও মানব দরদি এক মেয়রকে। প্রথম কারাবাস ঘটেছিল রাজনৈতিক গুরু দেশবন্ধুর সঙ্গেই। নানা রাজনৈতিক সংঘর্ষ লড়াই-এর মাঝে দু’জনে মিলে দক্ষিণ কলকাতা সেবক সমিতি ও দক্ষিণ কলকাতা সেবাশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যা সেবাব্রতী সুভাষচন্দ্রের মনন সন্ধানের অন্যতম অনুদ্ঘাটিত পর্ব। রাষ্ট্রীয় উপেক্ষায় নীরবে অতিক্রান্ত হল দেশের অনন্য সুহৃদ ও সুভাষচন্দ্রের অতিপ্রিয় দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দা঩শের জন্মের সার্ধশতবর্ষ। নেতাজির হাতে গড়া আজাদ হিন্দ সরকারের পঁচাত্তর বর্ষও বাংলায় প্রায় নীরবে শেষ হয়েছে। নেতাজি ফাইলে প্রকাশিত নানা অকথিত গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য নিয়েও তেমন চর্চা হয়নি বৌদ্ধিক মহলে। জাতির ঐতিহ্য, সংগ্রামের শিকড় ক্রমশ আলগা হয়ে পড়ে স্রেফ বিস্মরণের ধারাবাহিকতায়।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রণাঙ্গন থেকে এক বাংলা বেতার ভাষণে নেতাজি জানিয়েছিলেন, চতুর ইংরেজ এগারোবার তাঁকে কারারুদ্ধ করেও কিছু করতে পারেনি এবং তাঁর প্রত্যাবর্তনে কোনও পার্থিবশক্তি বাধা দিতে পারবে না। রুশ, আয়ারল্যান্ড-এর নেতা ডি ভেলেরা সহ বিশ্বের মোট এগারোটি রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রপ্রধান সুভাষচন্দ্রের আজাদ হিন্দ সরকারকে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। আশ্চর্যের বিষয় তিনিই একমাত্র ব্যক্তি আজ পর্যন্ত তাঁর ১৮ বার নানারকমের ‘নিশ্চিত মৃত্যু’র গল্প শোনা গেছে। রহস্যের নায়ক নেতাজিকে নিয়ে জনমানসে জিজ্ঞাসা স্বাভাবিক, কিন্তু প্রকাশ্যে পঞ্চাশ অনূর্ধ্ব যে সুভাষচন্দ্রকে পেয়েছি তাঁর অগ্নিময় দেশপ্রেমদীপ্ত জীবন-এর অনুধ্যান রহস্য উপেক্ষার অন্তরালে হারিয়ে যেতে চলেছে। নানা মনগড়া মিথ, অযাচিত বীরত্ব আর ইচ্ছাপূরণের মোড়কে সিনেমা সিরিয়াল আসল নেতাজিকে হারিয়ে দিচ্ছে বারংবার। বিশ্বভারতী কিংবা রামকৃষ্ণ মিশন যে বিশুদ্ধতা কবিগুরু, বীর সন্ন্যাসীর ক্ষেত্রে বহাল রাখতে পেরেছে তা অবশ্যই দৃষ্টান্তস্বরূপ। কিন্তু নেতাজির ক্ষেত্রে অগভীর গবেষণা নেতাজির আদর্শ ও জীবনী চর্চার পরিসরকে সীমাবদ্ধ করে তুলেছে।
কিশোর সুভাষ একদা তাঁর মাকে লেখা চিঠিতে লিখেছিলেন, ভারতবর্ষ ভগবানের বড় আদরের দেশ, যুগে তিনি দুর্গতদের উদ্ধার করতে অবতার রূপে আবির্ভূত হন। বাস্তবক্ষেত্রে, আধুনিকতম অবতার পুরুষরূপে সুভাষচন্দ্রকে চিহ্নিত করা যায়। ছাত্রসমাজের কাছে তাঁর আহ্বান ছিল, পরিপূর্ণ ও সর্বাঙ্গীণ মুক্তিলাভ। স্বাধীন দেশে, স্বাধীন আবহাওয়ার মধ্যে আমাদের জাতি জন্মিতে চায়, বর্ধিত হতে চায় এবং মরিতে চায়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘পুরুষ অবরুদ্ধ আপন দেশে, নারী অবরুদ্ধ নিজ নিবাসে’—এ অবস্থা আর কতদিন চলবে? তিনি আহ্বান করেছেন, ‘যে স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন আমরা দেখি—সে রাজ্যে সকলে মুক্ত, ব্যক্তি মুক্ত, সমাজও মুক্ত, সেখানে মানুষ রাষ্ট্রীয় বন্ধন হইতে মুক্ত, সামাজিক বন্ধন হইতে মুক্ত এবং অর্থের বন্ধন হইতে মুক্ত। রাষ্ট্র, সমাজ ও অর্থনীতি—এই ত্রিতাপ হইতে আমরা মানবজাতিকে-দেশবাসীকে, মুক্ত করিতে চাই।’ তিনি যেন ভবিষ্যৎ দ্রষ্টার মতোই বলেছিলেন, ‘....যাও চীনা ছাত্রদের মত—রুশ তরুণদের মত—চাষীর পর্ণকুটীরে ও মজুরদের আবর্জনাপূর্ণ ভগ্নগৃহে। তাহাদের জাগাও। আর যাও মাতৃজাতির সমীপে। যাঁরা শক্তিরূপিণী অথচ সমাজের চাপে আজ যাঁরা হইয়াছেন—‘অবলা’— তাঁহাদের জাগাও—বল—
‘‘আপনার মান রাখিতে জননী
আপনি কৃপাণ ধর।’’
অনেক রাজনৈতিক অবতার পুরুষ আজও কোনও কোনও দল বা গোষ্ঠীর কাছে পূজ্য। নতুন প্রজন্মের কিছু শিষ্য-শিষ্যা যাঁরা বিদেশের অবতারবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষাপ্রাঙ্গণে এদেশের অন্যতম আধুনিক অবতার নেতাজি সম্পর্কে যখন অনীহা ও উদাসীনতা প্রকাশ করে থাকেন তখন সমাজের অস্থিরতা আর দুর্ভোগ ভবিতব্য হয়ে দাঁড়ায়। নেতাজির প্রাসঙ্গিকতা এখানেই। নেতাজির জীবন ও বাণী সুলভে সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দেবার রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ সেভাবে হয়নি। সর্বভারতীয় জাতীয় ছুটি কিংবা উৎসবের মাধ্যমে সচেতন করার জন্য কোনও বাস্তবমুখী পদক্ষেপও নেওয়া হয়নি। যে সুভাষকে সাধারণ মানুষ আপন করে যে কোনও জাতীয় দিবসে পতাকার তলায় মালা পরিয়ে বেদিতে বসায় তাঁকেই ভুলিয়ে রাখার, ভুলিয়ে দেবার নানা চক্রান্ত হয়েছে দিনের পর দিন। অনুমান করা যায় তিনি তীব্র ঘৃণা ও অভিমানে পরবর্তীতে প্রকট হতে চাননি। তাঁর জন্য শুধুমাত্র জন্মদিন আছে। তাই সাধারণ মানুষ যুগে যুগে এই শব্দবন্ধ দিয়েই তাঁকে প্রণাম জানাবেন— ক্ষমা করো সুভাষ।
লেখক নেতাজি গবেষক 
23rd  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, লালবাগ: শনিবার রাতে নবগ্রাম থানার পলসণ্ডায় ৩৪নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন লাগায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রথমে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে বহরমপুর থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ট্রাকে থাকা সমস্ত ...

হ্যামিলটন, ১৬ ফেব্রুয়ারি: নিউজিল্যান্ডের কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াইটওয়াশের ধাক্কা ভারতীয় দল যে ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠছে, তা বিরাট কোহলিদের দেখলেই বোঝা সম্ভব। ২১ ফেব্রুয়ারি শুরু ...

হায়দরাবাদ, ১৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট’ (এফআরবিএম) মেনে বাজেট পেশ করা হয়েছে। তাই রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে সেই আইন লঙ্ঘন করা হয়নি। যাবতীয় জল্পনা, বিতর্কে জল ঢেলে রবিবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে বালিবোঝাই লরিকে ধাক্কা মারল যাত্রীবোঝাই বাস। ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাসের হেল্পার। অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন আরও ১৫ জন বাস ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্য পুলিসের কনস্টেবল পদের পরীক্ষায় গ্রেপ্তার ২ ভুয়ো পরীক্ষার্থী
রাজ্য পুলিসের কনস্টেবল পদে পরীক্ষা দিতে এসে গ্রেপ্তার দুই ভুয়ো ...বিশদ

12:18:20 PM

ফের পুলকার দুর্ঘটনা, এবার কলকাতায় 
হুগলির পোলবায় পুলকার দুর্ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের পুলকার ...বিশদ

12:15:11 PM

রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক শুরু

 রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক শুরু হল রাজভবনে। আজ কিছুক্ষণ আগেই এই বৈঠকের ...বিশদ

12:11:39 PM

  দরজার তালা ভেঙে চুরি সোনারপুরের একটি স্কুলে
দরজার তালা ভেঙে চুরি হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর এলাকার ...বিশদ

11:40:00 AM

 সেনা শীর্ষে মহিলাদের নিয়োগে ছাড়পত্র সুপ্রিম কোর্টের
মহিলাদের নিয়ে পুরানো ধারনা বদলান। আজ সেনাশীর্ষে মহিলাদের নিয়োগে ছাড়পত্র ...বিশদ

11:34:36 AM

সেতু দুর্ঘটনা: গাফিলতির কথা মেনে নিলেন বিজেপি সংসদ সদস্য
গতকাল রাতে মালদার নির্মিয়মান ফারাক্কা সেতু দুর্ঘটনার পর আজ সোমবার ...বিশদ

11:06:00 AM