Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক।
নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে অসমে এনআরসি প্রক্রিয়ার আগে অন্তত একটা ধর্মভিত্তিক আশ্বাস-আশঙ্কা ছিল। ওই পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সবই গুবলেট হয়ে গিয়েছে। কাগজ জোগাড়ের আশায় ছুটছেন সবাই। এই প্রেক্ষাপটে গান্ধীজির ‘নাগরিক-সংজ্ঞা’ ফিরে দেখার লোভ সামাল দেওয়া গেল না। কারণ, গান্ধীজির কাছে ধর্ম কখনও নাগরিকত্বের পরিচায়ক ছিল না। স্বামী বিবেকানন্দের কাছেও না। যা আজ হতে চলেছে। সৌজন্যে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। যাকে হাতিয়ার করে নাগরিকত্ব ‘দেওয়ার’ ভিত শক্ত করেছে কেন্দ্র। এবং এনপিআর বা জাতীয় জনসংখ্যা পঞ্জি। ইউপিএ আমলে শুরু হয়েছিল এই প্রক্রিয়া। উদ্দেশ্য ছিল হাউসলিস্টিং। অর্থাৎ একটি বাড়িতে পরিবারের কে কে থাকেন, সেখানে বাইরের রাজ্য থেকে এসে কেউ থাকছেন কি না, তার হিসেব নেওয়া। এবং এই হিসেবটা করা হয় গত ছ’মাস কেউ এক ঠিকানায় আছেন কি না, বা পরবর্তী ছ’মাস ওই ঠিকানায় থাকার ব্যাপারে নিশ্চিত কি না, তার উপর ভিত্তি করে। আসলে নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫ এবং নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৩-কে সামনে খাড়া করে ভারতের একজন নাগরিকের যাবতীয় তথ্য জোগাড় করার নামই হল এনপিআর। সোজা কথায় ডেটাবেস তৈরি করা। এর জন্য বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা হবে ঠিকই, কিন্তু সরকার নিযুক্ত কর্মীরা কোনও নাগরিকের বায়োমেট্রিক বা পরিচয়ের প্রমাণপত্র চাইতে পারবেন না। এটাই জাতীয় জনসংখ্যাপঞ্জি। এই সামান্য ব্যাপার নিয়ে তাহলে এত হইচই কেন? তার দু’টো কারণ। প্রথমত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ... তিনি বলে ফেলেছিলেন, এনপিআর হল এনআরসির প্রথম ধাপ। সঙ্গে তাঁর মন্ত্রকের ওয়েবসাইট। যেখানে এই কথাটাই লেখা আছে ২০১৮-১৯ সালের বার্ষিক রিপোর্টের ২৬২ নম্বর পৃষ্ঠায়। দ্বিতীয়ত, শোনা যাচ্ছে এনপিআরে নতুন কিছু প্রশ্ন যোগ হয়েছে... যেমন বাবা মায়ের জন্মস্থান, আধার নম্বর, ধর্ম ইত্যাদি। যদি বাসস্থান সংক্রান্ত তথ্যই নেওয়ার থাকে, তাহলে এই অতিরিক্ত প্রশ্নের খোঁচার প্রয়োজন কী? এনআরসি ভারতীয় জনমানসে একেই আতঙ্ক ভরে দিয়েছে, তার উপর এই বাড়তি ইন্ধন। গোটা দেশে অসন্তোষের আগুন ছড়িয়ে পড়াটা অস্বাভাবিক কি? আর সেটাই হয়েছে। দিকে দিকে বিক্ষোভ, আন্দোলন, একটা শাহিনবাগ, একটা পার্ক সার্কাস শাসক দলকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, রাজনীতি নয়, ধর্ম নয়, আমরা নাগরিক। ভারতের। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, ‘কোনো বিশেষ ধর্মমত ও কোনো বিশেষ আচার কোনো জাতির নিত্য লক্ষণ হইতেই পারে না। হাঁসের পক্ষে জলে সাঁতার যেমন, মানুষের পক্ষে বিশেষ ধর্মমত কখনোই সেরূপ নহে। ধর্মমত জড় পদার্থ নহে—মানুষের বিদ্যাবুদ্ধি অবস্থার সঙ্গে সঙ্গেই তাহার বিকাশ আছে—এই জন্য ধর্ম কোনো জাতির অবিচলিত নিত্য পরিচয় হইতেই পারে না।’
এটাই চিরন্তন সত্য। অথচ, ধর্মের মেরুকরণ চলছে। খুল্লামখুল্লা। গোটা দেশে এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি তারই একটা শাখা মাত্র। প্রবল চাপের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যতই বলুন না কেন, গোটা দেশে এনআরসির এখনই কোনও পরিকল্পনা কেন্দ্রের নেই। বা এই সংক্রান্ত কোনও বৈঠক হয়নি। তা সত্ত্বেও আতঙ্ক কাটছে না। কারণ, এনপিআর জুজু। সেটাই আপাতত সামনে খাড়া করে এগচ্ছে কেন্দ্র। বিজেপি ঢাক পেটাচ্ছে এতে কোনও গণ্ডগোল নেই। তথ্য দিলে অসুবিধা কী? বিরোধীরা মানছে না। মানুষও না। তাদের এক মত, আগে যে তথ্য নেওয়া হতো, তা দিতে তো অসুবিধা নেই! নতুন প্রশ্ন কেন? মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে এনপিআর হবে না। তাঁর সুরে সুর মিলিয়েছে কংগ্রেস, বামফ্রন্ট সহ অন্য বিরোধীরাও। কিন্তু সেই তাল খানিক কেটেও গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, দিল্লির ডাকা এনপিআর বৈঠকে রাজ্যের কোনও প্রতিনিধি যাবে না। প্রাথমিকভাবে একই গর্জন শোনা গিয়েছিল কংগ্রেস এবং বামেদের তরফ থেকেও। আদপে যা হয়নি। শেষমেশ দেখা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া বাকি সব রাজ্যের প্রতিনিধিই বৈঠকে উপস্থিত। এমনকী কেরলও। পরে অবশ্য সিপিএমের তরফ থেকে সাফাই দেওয়া হয়, ‘আমরা যে এনপিআর করছি না, সেটা জানানোর জন্যই তো বৈঠকে গিয়েছিলাম!’ তার জন্য কি এই হাঁকডাক করে দিল্লি যাওয়ার দরকার ছিল? মমতা সরকার কিন্তু বিজ্ঞপ্তি জারি করে এনপিআর সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। সেটাই যথেষ্ট নয় কি? বিজেপি উল্লসিত, বিরোধীরা ক্ষমতায় এমন সব রাজ্য সরকার(পশ্চিমবঙ্গ বাদে) বৈঠকে এসেছে মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একলা হয়ে গিয়েছেন। আর আক্রমণের ঝাঁঝ থাকবে না। বিজেপি এখানেই ভুল করছে। কোনও একটি ইস্যুতে যদি বিরোধিতাকে সপ্তমে নিয়ে যেতে হয়, তার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাই যথেষ্ট। তাঁর কোনও সাঙ্গোপাঙ্গো লাগে না। এর প্রমাণ তিনি আগেও দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকারের ৩৪ বছরের শাসনকালে কোথায় ছিল বিরোধী? একা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূল গঠন করেছেন... তারপরও তিনিই হয়েছেন প্রধান বিরোধী মুখ। নির্বাচনে তিনি জিতেছেন, তৃণমূলের বাকি কেউ নয়... এমন দিনও দেখেছে বাংলা। তারপরও ফিরে এসেছেন মমতা। বিরোধিতার সেই ঝাঁঝকেই সম্বল করে। তা সে সিঙ্গুর হোক, নন্দীগ্রাম বা নেতাই। আক্রমণের সেই তীব্রতা আজ কিন্তু আরও একবার ফিরে এসেছে। নাগরিকত্বের প্রশ্নে। মানুষের পরিচিতি, তাঁর রাষ্ট্র, অধিকার কেড়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য বানচাল করতে। যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেনেন, তাঁরা জানেন, একা হলেও তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন। সত্যের জন্য। রবি ঠাকুরকে ধার করেই বলা যায়, ‘সত্য ওজনদরে বা গজের মাপে বিক্রয় হয় না—তাহা ছোটো হইলেও তাহা বড়ো। পর্বতপরিমাণ খড়বিচালি স্ফুলিঙ্গপরিমাণ আগুনের চেয়ে দেখিতেই বড়ো কিন্তু আসলে বড়ো নহে। সমস্ত শেজের মধ্যে যেখানে সলিতার সূচ্যগ্র পরিমাণ মুখটিতে আলো জ্বলিতেছে সেইখানেই সমস্ত শেজটার সার্থকতা। তেলের নিম্নভাগে অনেকখানি জল আছে তাহার পরিমাণ যতই হউক সেইটেকে আসল জিনিস বলিবার কোনো হেতু নাই। সকল সমাজেই সমস্ত সমাজপ্রদীপের আলোটুকু যাঁহারা জ্বালাইয়া আছেন তাঁহারা সংখ্যাহিসাবে নহে সত্যহিসাবে সে সমাজে অগ্রগণ্য। তাঁহারা দগ্ধ হইতেছেন, আপনাকে তাঁহারা নিমেষে নিমেষে ত্যাগই করিতেছেন তবু তাঁহাদের শিখা সমাজে সকলের চেয়ে উচ্চে—সমাজে তাঁহারাই সজীব, তাঁহারাই দীপ্যমান।’
আর একটা অগ্নিস্ফুলিঙ্গ, একটি শিখা কিন্তু গোটা লঙ্কাপুরীকে ছারখার করে দিতে পারে। কাজেই সতর্ক হওয়া সবার আগে দরকার। যাঁরা নাগরিকের অধিকার ছিনিয়ে নিতে চাইছেন। নিজের দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁদের পরবাসী করতে চাইছেন, তাঁরা এখনই সতর্ক না হলে রাবণের লঙ্কার দশা হবেই। আজ না হয় কাল। ধর্ম মানুষকে একজোট করে। বিভাজিত নয়।
আর বিভাজনের ফল একটাই... বিশ্বাসভঙ্গের অভিশাপ। নরেন্দ্র মোদিকে মানুষ মাথায় তুলে শিখরে বসিয়েছে। পরপর দু’বার। তাঁর প্রতি বিস্ময়,
ক্ষোভ যদি অবিশ্বাসে বদলে যায়? দেশবাসীকে রাষ্ট্রহীন করতে গিয়ে তিনিই না তখন পর হয়ে যান। বিশ্বকবি কিন্তু বলে গিয়েছিলেন, ‘যে আপনাকে পর করে সে পরকে আপনার করে না, যে আপন ঘরকে অস্বীকার করে কখনোই বিশ্ব তাহার ঘরে আতিথ্য গ্রহণ করিতে আসে না।’ 
21st  January, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

20th  September, 2020
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রানাঘাট: রানাঘাটে জাতীয় সড়কের ধার থেকে চুরি যাওয়া একটি লরি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে উদ্ধার করল পুলিস। বুধবার রাতে পায়রাডাঙায় জাতীয় সড়কের ধারের একটি পেট্রল পাম্পের পাশ থেকে ১২ চাকার ওই লরিটি চুরি যায়।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিইএসসির অফিসার বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করল জোড়াসাঁকো থানার পুলিস। ধৃতের নাম মোহাম্মদ সুলেমান। বাড়ি তিলজলা এলাকায়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সিইএসসির জাল রসিদ।   ...

নয়াদিল্লি: রবিবার ডিজেলের দাম ফের কমল দেশজুড়ে। এই নিয়ে গত চার দিনে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি প্রায় ১ টাকা হ্রাস পেল। এদিন দিল্লিতে ডিজেলের দাম ২৪ পয়সা কমে হয়েছে ৭১ টাকা ৫৮ পয়সা।  ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: রাজ্যের চটকল শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানের প্রতি এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিশেষ নজর দিতে চলেছে। শ্রমিকদের চাকরির স্থায়িত্ব এই শিল্পের অন্যতম এবং বহু পুরনো সমস্যা হওয়ায় আপাতত তার সমাধানকেই পাখির চোখ করেছে শ্রমদপ্তর।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধাবিঘ্ন। হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৪৫/৩৬ রাত্রি ১১/৪৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৮/২১ রাত্রি ৮/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২৮/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/৩০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা
৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ১১/৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে।  
৪ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, চতুর্থী দিবা ৭/৩৭ পরে পঞ্চমী শেষরাত্রি ৫/১৭। বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৪/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১ গতে ১১/৩১ মধ্যে।  
মোসলেম: ৩ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হাতি সাফারি আপাতত বন্ধ থাকবে 
কোভিড-১৯ আবহে জঙ্গল খোলার ১৫ দিন পর রিভিউ মিটিংয়ে পরিস্থিতি ...বিশদ

09:33:21 AM

নজরুল তীর্থের ওপেন এয়ার থিয়েটার খুলছে 
স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সুখবর দিচ্ছে নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। লকডাউন ...বিশদ

09:33:05 AM

বোধোদয়! স্কুটি চুরি করেও ফেরত দিয়ে গেল চোর 
এ যেন উলটপুরাণ। চুরি করে নিয়ে গিয়েও শেষমেশ তা ফেরত ...বিশদ

09:30:00 AM

ফেসবুক ইন্ডিয়াকে ফের সমন 
নয়াদিল্লি: বিদ্বেষমূলক পোষ্ট ইস্যুতে ফেসবুককে চূড়ান্ত সমন পাঠাল দিল্লি বিধানসভার ...বিশদ

09:30:00 AM

মহারাষ্ট্রে বহুতল ভেঙে মৃত ১০ 
মহারাষ্ট্রের থানেতে বহুতল ভেঙে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হল। এখনও ...বিশদ

09:15:34 AM

কলেজে ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ অক্টোবর 
কলেজগুলিতে স্নাতকস্তরে ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি করল রাজ্য সরকার। রবিবার শিক্ষামন্ত্রী ...বিশদ

09:08:05 AM