Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি। তাই দেশটা স্বাধীনতার পর থেকে পঙ্গু হয়েই রইল। দেশের উন্নতির থেকেও বড় চিন্তা, রাজনৈতিক নেতাদের কেউ কেউ কে কতটা আখের গুছিয়ে নেবেন। তাঁদের বেশিরভাগেরই কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার পর কারও কারও সম্পত্তি দশ গুণ, কুড়ি গুণও বেড়ে যায়। অথচ সাধারণ মানুষের ঘরে খাবার নেই। আমাদের দেশের বহু বিধায়ক, সাংসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে অসংখ্য প্রশ্ন থেকে যায়। তাঁদের অনেকেই ক্রিমিনাল কেসে অভিযুক্ত। এখন তো দেখা যায়, যাঁর নামে যত ক্রিমিনাল কেস, তিনি যেন তত বড় নেতা। অনেকসময় রাষ্ট্রশক্তির তাঁরাই নিয়ন্ত্রক। তাই আইন তাঁদের ছুঁতে পারে না। অনেকেই সেই শক্তির জোরে ক্লিনচিটও পেয়ে যান।
স্বাধীনতার এতদিন পরে আজ আবার নতুন করে দেশভক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠছে, কে বড় দেশপ্রেমিক ছিলেন, মহাত্মা গান্ধী না নাথুরাম গডসে? কে বড় দেশপ্রেমিক ছিলেন, শ্যামাপ্রসাদ না সূর্য সেন? কে বড় দেশপ্রেমিক ছিলেন, সাভারকর না ভগৎ সিং? সব ঘুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এসব প্রশ্নের মধ্যে আমাদের হৃদয়ে অনন্ত আলোর উৎস হিসেবে জেগে থাকেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তিনি হলেন অন্য এক গ্রহ। অন্য এক মানুষ। অন্য এক মহামানব। সকলের থেকেই অনেক আলোকবর্ষ দূরে তাঁর অবস্থান। এমনকী তাঁর কাছে স্বাধীনতার ভাবনাটাই ছিল অন্যরকমের।
যাঁদের হাত ধরে আমাদের দেশে স্বাধীনতা এসেছে, তাঁদের কাছে স্বাধীন ভারত নিয়ে কোনও ভিশন ছিল না। স্বাধীনতার পর দেশকে কীভাবে গড়ে তোলা যায়, সে ব্যাপারে কোনও নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গী না থাকার কারণেই দেশ গড়ার কাজ একেবারে সূচনা লগ্ন থেকেই ব্যাহত হয়েছে। দেশভাগের কাঁটায় আজও আমরা বিদ্ধ হয়ে চলেছি। স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল মানুষের মুক্তিসাধনা এবং সাধারণতন্ত্রের লক্ষ্য ছিল মানুষের হাতে ক্ষমতা। ভোট দেওয়ার ক্ষমতাটুকু ছাড়া আমাদের দেশে সেই গণতন্ত্রের মূল্য আর কতটুকু! স্বাস্থ্যে, শিক্ষায়, ক্ষুধানিবৃত্তিতে সাধারণ মানুষ দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে উঠছে। সরকারি বিজ্ঞাপনের ঢক্কানিনাদে গণতন্ত্র আজ মুখ টিপে হাসে।
কিন্তু নেতাজির ছিল একটা নিজস্ব ভিশন। তিনি জানতেন, কীভাবে দেশগঠন করতে হয়। চারিদিকে ধূসর অন্ধকার আর রাজনৈতিক দূষণের মধ্যে তিনি আজও এক অকম্পিত প্রদীপ। নেতাজি বুঝেছিলেন, পৃথিবীর ইতিহাস বদলাচ্ছে। সেই পরিবর্তিত ইতিহাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে স্বাধীনতা সহজলভ্য হবে না। ১৯৩৯ সালে সেপ্টেম্বরে ইউরোপে শুরু হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। সেই স্বাধীনতা যুদ্ধকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেন তিনি।
নেতাজি জানতেন, বিশ্বযুদ্ধের আঁচে বিশ্বের প্রায় সব দেশই কমবেশি বিধ্বস্ত। যুদ্ধ শেষ হলেই প্রত্যেকেই নতুন করে শুরু করবে নিজেদের দেশগড়ার কাজ। যুদ্ধের জন্য ভেঙে পড়েছে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি। যুদ্ধের শেষে সব দেশই চাইবে নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে মজবুত করতে। নেতাজিও চেয়েছিলেন ভারত অর্থনীতির দিক থেকে কিছুটা শক্তিশালী হয়ে উঠলেই অন্যান্য ক্ষেত্রে তাকে বিশ্বের অন্য দেশের সঙ্গে অগ্রগতির পরীক্ষায় নামাবেন। সারা বিশ্ব তখন এক আধুনিক বিশ্বের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। সেখানে বিজ্ঞান এসে দাঁড়িয়েছে একেবারে সামনের সারিতে। তাই নতুন এবং স্বাধীন ভারত গড়ার ক্ষেত্রে তিনি প্রাধান্য দিতে চেয়েছিলেন বিজ্ঞানকে।
নেতাজি স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বাধীন ভারতে গড়ে উঠবে তার নিজস্ব অস্ত্র কারখানা। সামরিক শক্তিতে ভারতকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। এমন পরিকল্পনা করে নেতাজি দেখতে গেলেন চেকোস্লোভাকিয়ার দুটি অস্ত্রের কারখানা। সে দু’টি হল স্কোদা এবং ব্রেন। নেতাজির সঙ্গে তাঁদের মউ স্বাক্ষর হল। স্বাধীনতার পর নেতাজির উদ্যোগে অস্ত্র কারখানা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তারা সাহায্য করবে। তিনি দেখতে গেলেন সিন্থেটিক বেঞ্জিনের কারখানা। তার নাম স্তালিন ওয়ার্কস। খনিজ তেলের দিক থেকে ভারত তেমন উন্নত নয়। তাই এ ব্যাপারেও নেতাজি উৎসাহ দেখালেন। এরপর তিনি জার্মানির কয়েকটি কলকারখানা পরিদর্শন করেন। স্বাধীন ভারতে শিল্পপ্রসার ঘটানোর স্বপ্ন ছিল তাঁর দু’চোখে।
স্বাধীন ভারতে সেনাদের মেডেল কেমন হবে, তার পরিকল্পনাও করেছিলেন নেতাজি। শুধু পরিকল্পনাই নয়, ভিয়েনা থেকে তা তিনি তৈরিও করেছিলেন। মোট দশ রকমের মেডেল তৈরি করেছিলেন তিনি। এতেই বোঝা যায়, তখনকার নেতাদের থেকে ভাবনায় বা পরিকল্পনায় তিনি কত এগিয়ে ছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, পোস্টাল স্ট্যাম্প কেমন হবে, পাসপোর্ট কেমন হবে। সেসবের নমুনাও তিনি তৈরি করে ফেলেছিলেন। এছাড়াও কেমন হবে ভারতের মুদ্রা, সে ব্যাপারেও তিনি ভেবেছিলেন।
জার্মানিতে থাকার সময় তাঁর হাতে আসে ভারতীয় অর্থনীতি ও কৃষি সংক্রান্ত কয়েকটি বই। এগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে প্রকাশিত। ভারতীয় কৃষি, অরণ্য, পশুপালন, বিভিন্ন ধরনের শিল্প ও খনিজ সম্পদ
এবং শিল্প ও কৃষিতে ব্যবহৃত সম্পদ নিয়ে বইগুলি লেখা। এগুলি তাঁকে নতুনভাবে চিন্তা করতে
সাহায্য করেছিল। তিনি চেয়েছিলেন কৃষিক্ষেত্র,
অরণ্য সম্পদের ব্যবহার, পশুপালন ইত্যাদির উপর জোর দিতে।
এইসব রূপরেখা অঙ্কনের সময় তিনি জার্মানি, হল্যান্ড, ডেনমার্ক, রুমানিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া প্রভৃতি দেশের অনুসৃত নীতির ভালো দিকগুলিকে গ্রহণ করেছিলেন। ইউরোপের অর্থনীতি, সমাজনীতি, কৃষি এবং সামগ্রিক জীবনকে তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখেছিলেন। প্রত্যেকের ভালো দিকগুলিকে একত্রিত করে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন স্বাধীন ভারতবর্ষকে।
তিনি শুধু অপেক্ষা করেছিলেন ভারতের স্বাধীনতার জন্য। ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের নাগপাশ থেকে ভারত মুক্ত হলেই সেগুলি তিনি চালু করে দেবেন বলে ভেবে রেখেছিলেন। কারণ তিনি জানতেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইংরেজরা ভারতকে স্বাধীনতা দিতে বাধ্য।
কিন্তু ইংরেজরা তখন খেলছিলেন অন্য খেলা। তাঁদের মধ্যে তখন ভারত ভাগের কৌশল মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। জার্মানিতে বসে রেডিও এবং খবরের কাগজের মাধ্যমে তিনি সব খবরই পাচ্ছিলেন। দেশের মানুষকে পঙ্গু করে দিতে বিভাজন নিয়ে ভারতে উচ্চ পর্যায়ের সব আলোচনা চলছে। দেশের মধ্যেই একদল লোক এতে মদত দিচ্ছে। নেতাজি ছিলেন ভারতভাগের বিরোধী। তিনি মনে করতেন, জাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে তার ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিক বিভাজন এক অপরাধমূলক কাজ। তিনি মনে করতেন, ভারত ভাগ মানে এক মায়ের দুই দুর্বল শিশু। তিনি মনে করতেন, ইংরেজরা যদি ভারত ভাগ করতে সক্ষম হয়, তবে সেটা হবে তাদের বড় রাজনৈতিক জয়। শুধু তাই নয়, ভেঙে যাবে জাতিগত, সাংস্কৃতিক, ভৌগোলিক এবং অর্থনৈতিক সংহতি। অথচ হাজার হাজার বছর ধরে সহস্র প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও ভারত তার অখণ্ডতা রক্ষা করতে পেরেছে। অখণ্ড ভারত প্রাচ্যের মধ্যে সবথেকে শক্তিশালী রাষ্ট্র।
১৯৪০ সালের অক্টোবর মাসে জার্মানির বার্লিনে তিনি শুরু করেছিলেন ফ্রি ইন্ডিয়া সেন্টার বা ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স লিগের কাজ। এর প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪১ সালের ২ নভেম্বর। সেই বৈঠকে অনেকগুলি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে একটি ছিল জাতীয় সঙ্গীত কী হবে। নেতাজি বললেন, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হবে ‘জনগণমন অধিনায়ক’। তার আগে পর্যন্ত সর্বজনস্বীকৃত কোনও জাতীয় সঙ্গীত ছিল না। কিছু দেশাত্মবোধক গান গাওয়া হতো। বঙ্গভঙ্গের সময় থেকে বিদ্রোহ যখন সশস্ত্র আন্দোলনের পথে গেল, তখন থেকে কংগ্রেস এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সভা-অনুষ্ঠানে গাওয়া হতো মূলত ‘বন্দেমাতরম’।
‘জনগণমন’ নিয়ে বার্লিনের সভায় জোরদার বিতর্ক হয়। কয়েকজন এনিয়ে প্রশ্নও তোলেন। নেতাজি গানটির পক্ষে ক্ষুরধার সব যুক্তি উপস্থাপন করেন। এরপরই সকলে তা মেনে নেন।
১৯৪২ সালে হামবুর্গে ইন্দো-জার্মান কালচারাল সোসাইটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘জনগণমন’ গানটি পূর্ণ অর্কেস্ট্রা যোগে গাওয়া হল। সেই গানের গ্রামোফোন রেকর্ডও হয়েছিল। সেই প্রথম ভারতের জাতীয় পতাকা বিদেশের মাটিতে উড়ল। অন্য রাষ্ট্রের পতাকার পাশে সেদিন উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল ভারতের পতাকাকে। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক নেতারা। তাঁদের উপস্থিতিতে হামবুর্গের মেয়র নেতাজিকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের কূটনৈতিক নেতা হিসেবে অভ্যর্থনা জানান। নেতাজিকে অভ্যর্থনা জানিয়ে হামবুর্গের মেয়র বলেন, ভারতকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে তাঁরা স্বীকৃতি দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে ভারতের সঙ্গে হার্দিক ও মৈত্রীর সম্পর্ক তাঁরা বজায় রাখবেন। সরকারিভাবে সেদিনই নেতাজিকে দেওয়া হয়েছিল রাষ্ট্রনেতার সম্মান। ১৯৪২ সালের ২৯ মে জার্মানি ভারতকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছিল, আর সেটাই সত্যে পরিণত হল ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট।
কিন্তু দুর্ভাগ্য! সেদিন দেশ নেতাজিকে রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পেল না। ইতিহাস চলে গেল অন্য পথে। নানারকম ভাগ-বাঁটোয়ারা আর আপসের মধ্য দিয়ে যে স্বাধীনতা এল, তা ছিল পঙ্গু স্বাধীনতা। আজ এতদিন পরেও সেই পঙ্গুত্বের লক্ষণগুলি ফুটে উঠেছে সমাজের সর্বাঙ্গে। তাঁর স্বপ্নকে আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। আমরা ‘যোদ্ধা’ নেতাজিকে চিনি, কিন্তু ‘স্বাধীন ভারতের স্বপ্নদ্রষ্টা’ নেতাজিকে চিনি না। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য।
আজ দেশ আবার নতুন সঙ্কটের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। আবার কি মানুষে মানুষে বিভেদের বিষফণা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে? কীভাবে হবে তার মোকাবিলা? সেকথা বলবে সময়। আজ শুধু এই আঁধারপথে সেই সূর্যের দিকে তাকিয়ে বলি, জয়তু নেতাজি, তোমাকে প্রণাম।
20th  January, 2020
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
একনজরে
২০১৫ সালের জুলাই মাসে যখন বালি পুরসভাকে হাওড়ার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তখন ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছিল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। কিন্তু রাজ্য সরকার তাদের সিদ্ধান্তে ...

ট্রাম্প জমানা অতীত। আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই অবস্থায় ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণ কোন খাতে বইবে, জানাতে আগ্রহী কূটনৈতিক মহল। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে কৌতূহল। ...

বালুরঘাটে এসে কংগ্রেসের যে পার্টি অফিসটির উদ্বোধন করেছিলেন নেতাজি, তা আজ আত্রেয়ীর গর্ভে। বালুরঘাট শহরের যে বাড়িতে রাত্রিবাস করেছিলেন তিনি, সেটিরও একটি অংশ ভাঙা পড়েছে ...

ভাতার থানার বড়বেলুনে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাঠের ধারে বাবলা গাছে মাফলার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মৃতের নাম বাপন দাস (৩৭)।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

পরাক্রম দিবস
১৮৫৯ - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু
১৮৯৪- সাহিত্যিক জ্যোতির্ময়ীদেবীর জন্ম
১৮৯৭- মহাবিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্ম
১৯০৯ - কবি নবীনচন্দ্র সেনের মৃত্যু
১৯২০ - ভারতীয় উপমহাদেশের বিমানে মাল পরিবহণ ও ডাক যোগাযোগ শুরু
১৯২৬- শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বাল থ্যাকারের জন্ম
১৯৩৪- সাংবাদিক তথা ‘বর্তমান’-এর প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্তর জন্ম
১৯৭৬- গায়ক পল রোবসনের মৃত্যু
১৯৮৪ – নেদারল্যান্ডের ফুটবল খেলোয়াড় আর্ইয়েন রবেনের জন্ম
১৯৮৯ - স্পেনীয় চিত্রকর সালভাদর দালির মৃত্যু
২০০২ - পাকিস্তানের করাচীতে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল অপহৃত হন এবং পরবর্তীকালে নিহত



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী ৩৬/২৬ রাত্রি ৮/৫৭। কৃত্তিকা নক্ষত্র ৩৭/৫৫ রাত্রি ৯/৩৩। সূর্যোদয় ৬/২২/২৩, সূর্যাস্ত ৫/১৪/৩৭। অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১/৯ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৯ মাঘ ১৪২৭, শনিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২১, দশমী রাত্রি ৭/৫৯। কৃত্তিকা নক্ষত্র রাত্রি ৯/১১। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/১০ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৩/৫২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫২ মধ্যে ও ৪/৪৭ গতে ৬/২৫ মধ্যে। 
৯ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভিক্টোরিয়াতে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রয়েছেন মমতাও

04:30:57 PM

নেতাজি ভবনে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:52:43 PM

রেস কোর্সে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হেলিকপ্টার 

03:24:11 PM

কলকাতায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:14:41 PM

দেশের চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী করা হোক: মমতা 

02:29:17 PM

শুধু দিল্লি কেন ভারতের রাজধানী হবে: মমতা 

02:23:57 PM