Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশকে চমকে দিয়ে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করেন। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত অর্থনীতির দগদগে ক্ষত শুকোয়নি। উল্টে সঙ্কট আরও তীব্র হয়েছে তড়িঘড়ি জিএসটি চালু করায়। দুয়ের অভিঘাতে অর্থনীতি সেই যে মুখ থুবড়ে পড়েছে তারপর বাজারে আর নগদ অর্থের জোগান বাড়তে দেখা যায়নি। জিনিসপত্রের বিক্রি যেমন কমেছে, তেমনি নিত্যপণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখী। বাজারে জিনিসের চাহিদা কমলে স্বাভাবিকভাবেই বাজারে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বেচাকেনা লাটে উঠলে মন্দার বাজারে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও কমে আসে। এই মুহূর্তে দেশীয় অর্থনীতি সেই সঙ্কটেই জর্জরিত। কী নির্মাণ শিল্প, কী উৎপাদন শিল্প সর্বত্রই সেই সঙ্কটের ছবিটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নোটবন্দি করতে গিয়ে তিনবছর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি দাবি করেছিলেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি কালো টাকার অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত করবেন। বিদেশ থেকেও ধনকুবেরদের গচ্ছিত কালো টাকা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার ছিল তাঁর ভাষণে। গোটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় নগদ টাকার ভূমিকা কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেনের উপর নির্ভরতা বাড়ানোই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য। প্রথমটায় সাধারণ মানুষ অপরিসীম কষ্টের মধ্যে পড়লেও কালোটাকার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের সাধু প্রয়াস বলে পুরো বিষয়টিকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন অনেকে। কিন্তু আজ প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, কালোবাজারিদের শায়েস্তা করার বদলে নোটবাতিল জব্দ করেছে সাধারণ খেটে খাওয়া গরিব মানুষকেই। কেউ চাকরি হারিয়েছে, কেউ ব্যবসা হারিয়ে সর্বস্বান্ত। লাভের লাভ হয়নি কিছুই।
নোটবাতিলের কয়েক মাস পর থেকেই বলা হচ্ছে, বাজারে ছাড়া ৯৯ শতাংশ নোটই নাকি ঘরে ফিরেছে। তাজ্জব কী বাত! তাহলে সবই যখন একই রইল, কারও ঘরে কি তাহলে কোনও কালো টাকা ছিলই না। নাকি এই সুযোগে কতিপয় বড় শিল্পপতির কালো টাকা সুকৌশলে সাদা করে দেওয়াই ছিল নেপথ্যের আসল খেলা। কে জানে! তাহলে নোটবন্দিতে আসলে বন্দি হল কে? কালো টাকার মালিক না সাধারণ গরিব দেশবাসী?
১৯৭৫-এ ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল। আর একনায়ক মোদির হাত ধরে ২০১৬ তে স্বাধীন ভারতে প্রথমবার অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল। সেই সব বিভীষিকাময় দিনগুলি সহজে ভোলার নয়। লাইনে দাঁড়িয়ে শতাধিক প্রবীণ নাগরিকের মৃত্যু, কাজহারা শ্রমিকের যন্ত্রণা কিম্বা ছোট মাঝারি ব্যবসা লাটে ওঠার হতাশা দেশবাসীকে খাদের কিনারায় এনে ফেলেছিল। আর আজ তিনবছর পর দেখা যাচ্ছে গোটা প্রক্রিয়াটাই ধাপ্পা। এত কিছু করে হাজার হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাপিয়েও কালো টাকার কোনও অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া গেল না। সব টাকাই নাকি ফেরত চলে এসেছে। তাহলে কালো টাকা কোথায় গেল? কালো টাকা ধরার আড়ালে তাহলে কি কালো টাকা সাদা করে দেওয়ার খেলা চলল। এমনও বলা হয়েছিল, কালো টাকার বিরুদ্ধে এর আগে আর কখনও এমন ভয়ঙ্কর যুদ্ধ ঘোষণা করতে দেখা যায়নি দেশের শাসককে। কিন্তু আজ তিন বছর পেরনোর পর দেখা যাচ্ছে, মোদি সরকারের নোটবন্দির কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি। শুধু দুর্ভোগই পোয়াতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে।
তিনবছর পর কেন্দ্রীয় রিপোর্টই বলছে, জাল টাকা আগের মতোই এখনও ভারতীয় অর্থনীতির গলার কাঁটা। ৫০০ ও ১০০০ টাকা তুলে নিয়ে মোদি সরকার তার পরিবর্তে বাজারে ছেড়েছিলেন ২০০০ টাকার নোট। বলা হয়েছিল, এই ‘অবতার’কে নকল করা নাকি দুঃসাধ্য! কোনওভাবেই নকল করা সম্ভব নয় এমন কিছু রক্ষাকবচ অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকারি রিপোর্টই বলছে, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে এই ২০০০ টাকার নোটই জাল হয়েছে সর্বাধিক। ধরাপড়া জাল নোটের ৫৬ শতাংশই ২০০০-এর নোট! আর এক্ষেত্রে প্রথম স্থানে রয়েছে মোদি-অমিত শাহদের গুজরাত। দ্বিতীয় স্থানে পশ্চিমবঙ্গ। ভয়ঙ্কর তথ্য, সন্দেহ নেই। যে-উদ্দেশ্যে ২০০০ টাকার নোটের প্রবর্তন তা যে শুধুমাত্র ফাঁকা আওয়াজ ছিল, জাল নোট যে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এখনও এক বিরাট বিপদ তা পরিষ্কার। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে মোদি সরকার এত বড় ঝুঁকি নিয়েছিল কেন? ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাজার থেকে সরিয়ে নিয়ে নতুন ২০০০ টাকার নোট ছাড়তে সরকারি কোষাগারের খরচ হয়েছিল কয়েক হাজার কোটি টাকা। সেই অপচয়ের কী জবাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর অর্থমন্ত্রকের বিশেষজ্ঞরা? এমনও শোনা গিয়েছিল, হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া নোটবন্দির ব্যাপারে আর কেউই আগাম কিছু আঁচ করতে পারেননি। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিও পুরো পরিকল্পনার কথা জানতেন কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। এমনকী রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর উর্জিত প্যাটেলও শেষ মুহূর্তে ভাসা ভাসা কিছু শুনেছিলেন। পুরোটা জানতেন না বলেই খবর। এত বজ্র আঁটুনি সত্ত্বেও দেশের লাভটা কী হল? শুধু মোদিজির শখ মেটানোর জন্যে এত বড় ঝুঁকি দেশবাসীর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হল কেন?
কালো টাকা বা সমান্তরাল অর্থনীতি আজও যেমন চলার তেমনিই চলছে। নগদ টাকার লেনদেনের গুরুত্ব আজও এতটুকুও কমেনি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, তাঁর সিদ্ধান্তের ফলে জঙ্গি সংগঠনগুলির আর্থিক মেরুদণ্ডই নাকি ভেঙে যাবে! কারণ, সীমান্তপারের শত্রুরা জাল নোটের মাধ্যমেই তাদের কাজকর্ম চালায়। কিন্তু জঙ্গিদের মেরুদণ্ড ভাঙা দূরের কথা, তাদের অনেকের কাছ থেকেই দেদার জাল ২০০০-এর নোট মিলছে। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে পর পর দু’বছর প্রায় ৪৬-৪৭ কোটি টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে, যার সিংহভাগই ২০০০ টাকার। এসবই প্রমাণ করে, নোটবন্দির কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি। শুধুমাত্র দেশের মানুষের দুর্ভোগই বেড়েছে। আর রাজকোষ থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়েছে নতুন নোট ছাপাতে। অন্য দেশ হলে এর দায়ভার নিশ্চয় সরকারের ঘাড়ে বর্তাতো। এবং, গোটা দণ্ডমুণ্ডের কর্তাকে কৈফিয়তও দিতে হতো। কিন্তু ভারত অতিরিক্ত উদার দেশ। তাই এখানে সরকারের সর্বোচ্চ পদে আসীন কোনও ব্যক্তির ভুলের শাস্তি হয় না। দুর্নীতিরও শাস্তি হয় না। ধামাচাপা দিতে নাম কা ওয়াস্তে একটা তদন্ত হয়, কিন্তু তার রিপোর্ট আর বেরোয় না। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হলেও কাউকে কৈফিয়ত দিতে হয় না। তাই এখানে রাজনীতির রাঘব বোয়ালরা বেশ সুখ-শান্তিতেই রাজ্যপাট সামলান। নোটবন্দির পিঠোপিঠি মোদি সরকার দ্রুত ‌঩জিএসটি কার্যকর করে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করেছে। সেই ক্ষত আজও পূরণ হয়নি। একদিকে নোটবন্দি, অন্যদিকে জিএসটি। এই জোড়াফলায় আজ ভারতীয় অর্থনীতি কার্যত ফুটিফাটা!
এই পটভূমিতে দাঁড়িয়েই আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অত্যন্ত কঠিন কাজ। একদিকে, মধ্যবিত্তের হাতে পয়সার জোগান বাড়িয়ে সাধারণ জিনিসের চাহিদা বৃদ্ধির ব্যবস্থা তাঁকে করতে হবে। অন্যদিকে, থমকে যাওয়া ছোট ও মাঝারি শিল্পে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় নতুন ছোটখাটো কাজের সুযোগ বাড়বে না। তা নাহলে অর্থনীতি চিরঘুমে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। কারণ, ৩৭০ ধারা বাতিল, তিন তালাক নিষিদ্ধকরণ কিংবা সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন দিয়ে দেশবাসীর পেট ভরবে না। দেশের মানুষের চাই দু’মুঠো খাবার আর মাথাগোঁজার আশ্রয়। সেই ব্যবস্থা না করে শুধু মানুষে মানুষে বিভেদ আর ধর্ম নিয়ে রাজনীতি অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে পারে না। এই সার কথাটি মোদি-অমিত শাহদের বুঝতে হবে। নাহলে বিপদ বাড়বে বই কমবে না। 
19th  January, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২০ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): লাফিয়ে বাড়ছে সোনার দাম। বৃহস্পতিবার প্রতি ১০ গ্রামে সোনার দাম বাড়ল ১১১ টাকা। ফলে রাজধানী দিল্লিতে ১০ গ্রাম এই হলুদ ধাতুর দাম হয়েছে ৪২ হাজার ৪৯২ টাকা। তবে পড়েছে রুপোর দাম। ৬৭ টাকা কমে কেজি প্রতি ...

বিএনএ, পুড়শুড়া: পঞ্চায়েত অফিস থেকে পাঠানো বার্ধক্য ও বিধবা ভাতার তালিকা বদল হয়ে গিয়েছে বিডিও অফিস থেকে। এই অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরশুড়া ব্লক অফিসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন চিলাডাঙি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার ভাতা না পাওয়া মানুষজন। বিক্ষোভের জেরে এদিন ব্লক অফিসে ...

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: বয়স মাত্র পাঁচ। আর তাতেই বিশ্বের দরবারে স্বীকৃতি পেতে চলেছে রাজ্যের একমাত্র শিক্ষক শিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়। শুধু তাই নয়, বিএড বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে দেশের মধ্যে একমাত্র এই প্রতিষ্ঠানকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।   ...

বিএনএ, বারাসত: বারাসতের নবপল্লি সাব পোস্ট অফিসে গত এক সপ্তাহ ধরে লিঙ্ক না থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এমনিতেই ডাকঘরে বিভিন্ন পরিষেবা মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার উপর লিঙ্ক না থাকার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার নিয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,০৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৬৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) ত্রয়োদশী ২৮/২ অপঃ ৫/২২। উত্তরাষাঢ়া ৭/৪৯ দিবা ৯/১৩। সূ উ ৬/৮/৫১, অ ৫/৩২/৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৮/২৫ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে ৪/২৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৫৯ গতে গতে ১১/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪১ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২৮/৪২/৫৬ সন্ধ্যা ৫/৪১/২০। উত্তরাষাঢ়া ৯/৩৭/৩২ দিবা ১০/৩/১১। সূ উ ৬/১২/১০, অ ৫/৩০/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/১৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৪/৫ গতে ৫/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৬/৪০ গতে ১১/৫১/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪১/১০ গতে ১০/১৬/২০ মধ্যে।
২৬ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অবসর নিলেন প্রজ্ঞান ওঝা
অবসর ঘোষণা করলেন ভারতীয় লেফট আর্ম স্পিনার প্রজ্ঞান ওঝা। ...বিশদ

11:38:31 AM

কুলটিতে কুয়োয় পড়ে মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী
কুয়োয় পড়ে অস্বাভাবিক মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের ...বিশদ

11:27:00 AM

আজ মুক্তি 
শুভ মঙ্গল জাদা সাবধান- হিতেশ কেবল্য পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ...বিশদ

11:14:53 AM

 ওয়েলিংটন টেস্ট: বৃষ্টিতে পণ্ড প্রথম দিনের খেলা

10:48:56 AM

খড়গপুরে বালিবোঝাই গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু বৃদ্ধ দম্পতির
একটি বালি বোঝাই গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধ দম্পতির মৃত্যু। ঘটনাটি পশ্চিম ...বিশদ

10:45:40 AM

ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় আলিপুরদুয়ারে মৃত ৫
ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তরতাজা ৫টি প্রাণ। ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

10:40:20 AM