Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশকে চমকে দিয়ে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করেন। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত অর্থনীতির দগদগে ক্ষত শুকোয়নি। উল্টে সঙ্কট আরও তীব্র হয়েছে তড়িঘড়ি জিএসটি চালু করায়। দুয়ের অভিঘাতে অর্থনীতি সেই যে মুখ থুবড়ে পড়েছে তারপর বাজারে আর নগদ অর্থের জোগান বাড়তে দেখা যায়নি। জিনিসপত্রের বিক্রি যেমন কমেছে, তেমনি নিত্যপণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখী। বাজারে জিনিসের চাহিদা কমলে স্বাভাবিকভাবেই বাজারে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বেচাকেনা লাটে উঠলে মন্দার বাজারে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও কমে আসে। এই মুহূর্তে দেশীয় অর্থনীতি সেই সঙ্কটেই জর্জরিত। কী নির্মাণ শিল্প, কী উৎপাদন শিল্প সর্বত্রই সেই সঙ্কটের ছবিটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
নোটবন্দি করতে গিয়ে তিনবছর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি দাবি করেছিলেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি কালো টাকার অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত করবেন। বিদেশ থেকেও ধনকুবেরদের গচ্ছিত কালো টাকা ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার ছিল তাঁর ভাষণে। গোটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় নগদ টাকার ভূমিকা কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেনের উপর নির্ভরতা বাড়ানোই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য। প্রথমটায় সাধারণ মানুষ অপরিসীম কষ্টের মধ্যে পড়লেও কালোটাকার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের সাধু প্রয়াস বলে পুরো বিষয়টিকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন অনেকে। কিন্তু আজ প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, কালোবাজারিদের শায়েস্তা করার বদলে নোটবাতিল জব্দ করেছে সাধারণ খেটে খাওয়া গরিব মানুষকেই। কেউ চাকরি হারিয়েছে, কেউ ব্যবসা হারিয়ে সর্বস্বান্ত। লাভের লাভ হয়নি কিছুই।
নোটবাতিলের কয়েক মাস পর থেকেই বলা হচ্ছে, বাজারে ছাড়া ৯৯ শতাংশ নোটই নাকি ঘরে ফিরেছে। তাজ্জব কী বাত! তাহলে সবই যখন একই রইল, কারও ঘরে কি তাহলে কোনও কালো টাকা ছিলই না। নাকি এই সুযোগে কতিপয় বড় শিল্পপতির কালো টাকা সুকৌশলে সাদা করে দেওয়াই ছিল নেপথ্যের আসল খেলা। কে জানে! তাহলে নোটবন্দিতে আসলে বন্দি হল কে? কালো টাকার মালিক না সাধারণ গরিব দেশবাসী?
১৯৭৫-এ ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল। আর একনায়ক মোদির হাত ধরে ২০১৬ তে স্বাধীন ভারতে প্রথমবার অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল। সেই সব বিভীষিকাময় দিনগুলি সহজে ভোলার নয়। লাইনে দাঁড়িয়ে শতাধিক প্রবীণ নাগরিকের মৃত্যু, কাজহারা শ্রমিকের যন্ত্রণা কিম্বা ছোট মাঝারি ব্যবসা লাটে ওঠার হতাশা দেশবাসীকে খাদের কিনারায় এনে ফেলেছিল। আর আজ তিনবছর পর দেখা যাচ্ছে গোটা প্রক্রিয়াটাই ধাপ্পা। এত কিছু করে হাজার হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাপিয়েও কালো টাকার কোনও অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া গেল না। সব টাকাই নাকি ফেরত চলে এসেছে। তাহলে কালো টাকা কোথায় গেল? কালো টাকা ধরার আড়ালে তাহলে কি কালো টাকা সাদা করে দেওয়ার খেলা চলল। এমনও বলা হয়েছিল, কালো টাকার বিরুদ্ধে এর আগে আর কখনও এমন ভয়ঙ্কর যুদ্ধ ঘোষণা করতে দেখা যায়নি দেশের শাসককে। কিন্তু আজ তিন বছর পেরনোর পর দেখা যাচ্ছে, মোদি সরকারের নোটবন্দির কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি। শুধু দুর্ভোগই পোয়াতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে।
তিনবছর পর কেন্দ্রীয় রিপোর্টই বলছে, জাল টাকা আগের মতোই এখনও ভারতীয় অর্থনীতির গলার কাঁটা। ৫০০ ও ১০০০ টাকা তুলে নিয়ে মোদি সরকার তার পরিবর্তে বাজারে ছেড়েছিলেন ২০০০ টাকার নোট। বলা হয়েছিল, এই ‘অবতার’কে নকল করা নাকি দুঃসাধ্য! কোনওভাবেই নকল করা সম্ভব নয় এমন কিছু রক্ষাকবচ অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকারি রিপোর্টই বলছে, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে এই ২০০০ টাকার নোটই জাল হয়েছে সর্বাধিক। ধরাপড়া জাল নোটের ৫৬ শতাংশই ২০০০-এর নোট! আর এক্ষেত্রে প্রথম স্থানে রয়েছে মোদি-অমিত শাহদের গুজরাত। দ্বিতীয় স্থানে পশ্চিমবঙ্গ। ভয়ঙ্কর তথ্য, সন্দেহ নেই। যে-উদ্দেশ্যে ২০০০ টাকার নোটের প্রবর্তন তা যে শুধুমাত্র ফাঁকা আওয়াজ ছিল, জাল নোট যে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এখনও এক বিরাট বিপদ তা পরিষ্কার। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে মোদি সরকার এত বড় ঝুঁকি নিয়েছিল কেন? ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাজার থেকে সরিয়ে নিয়ে নতুন ২০০০ টাকার নোট ছাড়তে সরকারি কোষাগারের খরচ হয়েছিল কয়েক হাজার কোটি টাকা। সেই অপচয়ের কী জবাব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর অর্থমন্ত্রকের বিশেষজ্ঞরা? এমনও শোনা গিয়েছিল, হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া নোটবন্দির ব্যাপারে আর কেউই আগাম কিছু আঁচ করতে পারেননি। তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিও পুরো পরিকল্পনার কথা জানতেন কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে। এমনকী রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর উর্জিত প্যাটেলও শেষ মুহূর্তে ভাসা ভাসা কিছু শুনেছিলেন। পুরোটা জানতেন না বলেই খবর। এত বজ্র আঁটুনি সত্ত্বেও দেশের লাভটা কী হল? শুধু মোদিজির শখ মেটানোর জন্যে এত বড় ঝুঁকি দেশবাসীর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হল কেন?
কালো টাকা বা সমান্তরাল অর্থনীতি আজও যেমন চলার তেমনিই চলছে। নগদ টাকার লেনদেনের গুরুত্ব আজও এতটুকুও কমেনি। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, তাঁর সিদ্ধান্তের ফলে জঙ্গি সংগঠনগুলির আর্থিক মেরুদণ্ডই নাকি ভেঙে যাবে! কারণ, সীমান্তপারের শত্রুরা জাল নোটের মাধ্যমেই তাদের কাজকর্ম চালায়। কিন্তু জঙ্গিদের মেরুদণ্ড ভাঙা দূরের কথা, তাদের অনেকের কাছ থেকেই দেদার জাল ২০০০-এর নোট মিলছে। সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে পর পর দু’বছর প্রায় ৪৬-৪৭ কোটি টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে, যার সিংহভাগই ২০০০ টাকার। এসবই প্রমাণ করে, নোটবন্দির কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি। শুধুমাত্র দেশের মানুষের দুর্ভোগই বেড়েছে। আর রাজকোষ থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়েছে নতুন নোট ছাপাতে। অন্য দেশ হলে এর দায়ভার নিশ্চয় সরকারের ঘাড়ে বর্তাতো। এবং, গোটা দণ্ডমুণ্ডের কর্তাকে কৈফিয়তও দিতে হতো। কিন্তু ভারত অতিরিক্ত উদার দেশ। তাই এখানে সরকারের সর্বোচ্চ পদে আসীন কোনও ব্যক্তির ভুলের শাস্তি হয় না। দুর্নীতিরও শাস্তি হয় না। ধামাচাপা দিতে নাম কা ওয়াস্তে একটা তদন্ত হয়, কিন্তু তার রিপোর্ট আর বেরোয় না। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ভুল প্রমাণিত হলেও কাউকে কৈফিয়ত দিতে হয় না। তাই এখানে রাজনীতির রাঘব বোয়ালরা বেশ সুখ-শান্তিতেই রাজ্যপাট সামলান। নোটবন্দির পিঠোপিঠি মোদি সরকার দ্রুত ‌঩জিএসটি কার্যকর করে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করেছে। সেই ক্ষত আজও পূরণ হয়নি। একদিকে নোটবন্দি, অন্যদিকে জিএসটি। এই জোড়াফলায় আজ ভারতীয় অর্থনীতি কার্যত ফুটিফাটা!
এই পটভূমিতে দাঁড়িয়েই আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অত্যন্ত কঠিন কাজ। একদিকে, মধ্যবিত্তের হাতে পয়সার জোগান বাড়িয়ে সাধারণ জিনিসের চাহিদা বৃদ্ধির ব্যবস্থা তাঁকে করতে হবে। অন্যদিকে, থমকে যাওয়া ছোট ও মাঝারি শিল্পে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় নতুন ছোটখাটো কাজের সুযোগ বাড়বে না। তা নাহলে অর্থনীতি চিরঘুমে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। কারণ, ৩৭০ ধারা বাতিল, তিন তালাক নিষিদ্ধকরণ কিংবা সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন দিয়ে দেশবাসীর পেট ভরবে না। দেশের মানুষের চাই দু’মুঠো খাবার আর মাথাগোঁজার আশ্রয়। সেই ব্যবস্থা না করে শুধু মানুষে মানুষে বিভেদ আর ধর্ম নিয়ে রাজনীতি অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে পারে না। এই সার কথাটি মোদি-অমিত শাহদের বুঝতে হবে। নাহলে বিপদ বাড়বে বই কমবে না। 
19th  January, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

20th  September, 2020
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিইএসসির অফিসার বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করল জোড়াসাঁকো থানার পুলিস। ধৃতের নাম মোহাম্মদ সুলেমান। বাড়ি তিলজলা এলাকায়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সিইএসসির জাল রসিদ।   ...

লন্ডন: করোনা রুখতে কঠোর জরিমানার পথে হাঁটতে চলেছে ব্রিটেন। সেল্ফ আইসোলেশনে না থাকলে করোনা আক্রান্তকে ১০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হবে বলে শনিবার ঘোষণা করেছে বরিস জনসন সরকার।  ...

নয়াদিল্লি: রবিবার ডিজেলের দাম ফের কমল দেশজুড়ে। এই নিয়ে গত চার দিনে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি প্রায় ১ টাকা হ্রাস পেল। এদিন দিল্লিতে ডিজেলের দাম ২৪ পয়সা কমে হয়েছে ৭১ টাকা ৫৮ পয়সা।  ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: রাজ্যের চটকল শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানের প্রতি এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিশেষ নজর দিতে চলেছে। শ্রমিকদের চাকরির স্থায়িত্ব এই শিল্পের অন্যতম এবং বহু পুরনো সমস্যা হওয়ায় আপাতত তার সমাধানকেই পাখির চোখ করেছে শ্রমদপ্তর।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধাবিঘ্ন। হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৪৫/৩৬ রাত্রি ১১/৪৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৮/২১ রাত্রি ৮/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২৮/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/৩০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা
৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ১১/৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে।  
৪ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, চতুর্থী দিবা ৭/৩৭ পরে পঞ্চমী শেষরাত্রি ৫/১৭। বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৪/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১ গতে ১১/৩১ মধ্যে।  
মোসলেম: ৩ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে বহুতল ভেঙে মৃত ১০ 
মহারাষ্ট্রের থানেতে বহুতল ভেঙে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হল। এখনও ...বিশদ

09:15:34 AM

নজরুল তীর্থের ওপেন এয়ার থিয়েটার খুলছে 
স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সুখবর দিচ্ছে নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। লকডাউন ...বিশদ

09:15:00 AM

কলেজে ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি পেয়ে ৩০ অক্টোবর 
কলেজগুলিতে স্নাতকস্তরে ভর্তির সময়সীমা বৃদ্ধি করল রাজ্য সরকার। রবিবার শিক্ষামন্ত্রী ...বিশদ

09:08:05 AM

আজ আইপিএল-এ
 

আইপিএল-এ আজ মুখোমুখি হবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ...বিশদ

09:06:59 AM

কলকাতায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস 
ঘনীভূত হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। সর্তকতা জারি হয়েছে রাজ্যজুড়ে। কলকাতাতেও মঙ্গলবার ...বিশদ

08:58:46 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ...বিশদ

08:47:39 AM