Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। তার উপর ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণের কারণে আন্দোলন অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের এই ধরনের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন চোখে পড়েছে বলে মনে হয় না। নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আন্দোলনের এই উত্তাল সময়ে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে ছিল প্রচুর প্রশ্ন। সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রধানমন্ত্রী কোনও রাজ্যে গেলে সেখানে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানোর দায় অবশ্যই থাকে রাজ্য সরকারের। সংবিধানে তো আর প্রতিটি বাক্য লেখা থাকে না। কিন্তু রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী এলে যে বিমানবন্দরে কোনও এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীকে যেতে হয়, বিমানবন্দরে অনুপস্থিত থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী কিছুক্ষণের মধ্যেই দেশনেতার সঙ্গে দেখা করেন, এই ধরনের নানারকম রীতিনীতি এদেশে সাত দশকের বেশি সময় ধরে চলছে। সেই সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কলকাতায় নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করবেন এটাই স্বাভাবিক।
অন্যদিকে, রাজনীতিতে বিভিন্ন দলের বিভিন্ন মতামত থাকবে, এবং থাকবে বিশেষ বিশেষ রাজনৈতিক কৌশল। এর প্রেক্ষিতে বাম-কংগ্রেস পেশ করতে চাইছে বিজেপি-তৃণমূল গোপন আঁতাঁতের তত্ত্ব। বিজেপি বলছে তৃণমূল, কংগ্রেস এবং বাম সবাই একদলে হয়ে বিরোধিতা করছে বিজেপির, আদতে বাংলার মানুষের জনসমর্থনের নিরিখে এগিয়ে তারাই। সৌজন্য প্রকাশ বা রাজ্যের দাবি দাওয়া নিয়ে আলোচনার জন্যে নয়, রীতিমত চাপে পড়েই নাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তৃণমূলের বক্তব্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে দোষের কিছু নেই। সেটাই একজন মুখ্যমন্ত্রীর সঠিক প্রশাসনিক ভূমিকা। তাদের মূল বক্তব্য হল সারা দেশে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের প্রধান নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে মেনে নিতেই হবে যে নরেন্দ্র মোদি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যদি কোনও গোপন আলোচনা করতে হয় সেক্ষেত্রে বৈদ্যুতিন প্রযুক্তির অনেক উপায় আছে। তার জন্যে নেতানেত্রীর মুখোমুখি বসে কথা বলার কোনও প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ এখানে বুঝতে হবে যে সহজ সরল ‘সেটিং’য়ের তত্ত্ব সত্যি হোক কি না-হোক, তা ক্যামেরার সামনে দুই নেতানেত্রীর বৈঠক কিংবা একই অনুষ্ঠান মঞ্চে পাশাপাশি বসার অনুসিদ্ধান্ত হতে পারে না। কিন্তু তাঁরা দুজন এই যে একাধিকবার দেখা করলেন, অথবা নরেন্দ্র মোদি যে বেলুড়ে রাত কাটালেন তার মধ্যে দেশের সবথেকে পরিচিত দুই নেতানেত্রীর সুগভীর রাজনৈতিক ভাবনা থাকতেই পারে। কিন্তু গোপন আঁতাঁতের কারণে তাঁদের কলকাতায় বৈঠক করতে হচ্ছে—এই যুক্তি একেবারেই অতি সরলীকরণ। যেহেতু দু’জনেই রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় দেশের মধ্যে একেবারে প্রথম সারিতে, তাই তাঁরা ঠিক কী কী ভেবে এই সমস্ত পদক্ষেপ করেছেন তা হয় নিজেরাই জানেন, অথবা জানেন তাঁদের বিশ্বস্ত রাজনৈতিক সহযোগীরা। বাকিরা শুধুমাত্র চেষ্টা করতে পারেন দূর থেকে তা অনুধাবন করতে। সেটা ঠিকও হতে পারে, আবার ভুলও। তবে রাজনীতি যেহেতু সম্ভাবনার বিজ্ঞান, তাই নেতানেত্রীর কৌশল অনুমান করতে দোষ কোথায়?
পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু ভোট এখনও বেশিরভাগটাই তৃণমূলের দিকে। সেখান থেকে বিজেপির ভোট কাটার সম্ভাবনা বেশ কম। নাগরিকত্ব নিয়ে তীব্র আন্দোলন বজায় রাখতে পারলে সেই ভোটে ভাগ বসাতে পারে বাম-কংগ্রেস জোট। একই ঘটনা ঘটবে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি মহাশয়ের নেতৃত্বাধীন সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম) নামক দলটি পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে লড়তে এলে। তারা যদি সংখ্যালঘু জনমনে প্রভাব ফেলতে পারে, তাহলে ভোট কাটবে তৃণমূলের। এতে সুবিধে বেশি বিজেপির। অন্যদিকে এই মুহূর্তে হিন্দু ভোটের একটা বড় অংশ অবশ্যই বিজেপির দিকে, আবার সেখানে তৃণমূলের প্রতিও যথেষ্ট সমর্থন আছে। সেই ভোটের ভাগাভাগিটাও নির্বাচনী ফলাফলকে প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
এই প্রসঙ্গে হিন্দু ভোটারদের আমরা তিনভাগে ভাগ করতে চাই। প্রথম হল একেবারে দক্ষিণপন্থী এবং তীব্র জাতীয়তাবাদী। এই ভোট বিজেপি থেকে সরার সম্ভাবনা খুব কম। দ্বিতীয় ভাগ হল মধ্যপন্থী। তাঁরা এই মুহূর্তে সিএএ ভালো না খারাপ সেই নিয়ে ভাবছেন। জাতীয়তাবোধ তাঁদের যথেষ্টই আছে, পড়শি দেশকে উচিত শিক্ষা দিলে তাঁরা খুশিই হন, কিন্তু একই সঙ্গে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কাগজপত্র জোগাড়ের হয়রানির কথা ভেবে তাঁরা কিছুটা সন্দিহান এবং বিরক্ত। এই জায়গার ভোট মূলত ভাগ হয় বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে। তৃতীয় ভাগ হল প্রগতিশীল উদারবাদী হিন্দু। কংগ্রেস বা বামফ্রন্টের টিমটিমে সমর্থককুল মূলত এই জায়গা থেকেই আসে। তৃণমূলের পক্ষেও এখানে যথেষ্ট সমর্থন আছে। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে এই ভাগ থেকে বিজেপির পক্ষে সমর্থন পৌঁছনোর সম্ভাবনা বেশ কম।
অর্থাৎ বিজেপি আর তৃণমূল এই মুহূর্তে যে অংশের জন্যে লড়াই করবে তা হল মধ্যপন্থী হিন্দু ভোট। তাই গুরুত্ব সহকারে বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে যে নরেন্দ্র মোদির দু’দিনের (ঘণ্টার হিসেবে এক দিনের মতো) কলকাতা সফর এবং বেলুড়ে রাত্রিবাস এই ধরনের ভোটারদের উপর কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে? আবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে সংসদীয় গণতন্ত্রের সৌজন্যের আড়ালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি এই বার্তা দিতে পারেন যে তাঁর দলের মধ্যেও কিছুটা জাতীয়তাবাদী ভাবনা বর্তমান, সেক্ষেত্রে মধ্যপন্থী হিন্দু ভোটের উপর কিছুটা দখল রাখার সুযোগ থাকবে তাঁরও। সিএএ বিরোধী আন্দোলন তীব্রতর হলে এই ভোটের সামান্য কিছু অংশ হয়তো বাম-কংগ্রেসের দিকেও যেতে পারে, তবে সে আলোচনায় আমরা আপাতত আর এগচ্ছি না।
এই প্রসঙ্গে খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর বেলুড় মঠে রাত্রিযাপন এবং এবং ভোরবেলা ধ্যান করার বিষয়গুলি। মনে রাখতে হবে হিন্দুদের একটা বড় অংশ রামকৃষ্ণ মিশনকে অত্যন্ত শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখেন। প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় আসার আগে এটা জানা ছিল যে তিনি বেলুড় মঠে যাবেন, কিন্তু সেখানে যে রাত কাটাবেন সেকথা সম্ভবত সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা যায়নি। সে সংবাদ প্রচারিত হয় তিনি কলকাতা সফরে আসার দিনেই। ফলে এই খবরে চমক ছিল যথেষ্ট। তার উপর বেলুড় যাত্রা সড়কপথে নয়, বরং জলপথে গঙ্গা পার হয়ে। এর মধ্যে অবশ্যই দেশজ ঐতিহ্যের একটা ছোঁয়া আছে। সব থেকে বড় কথা, রাজভবনে না-থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী যে বেলুড় মঠে রাত্রিবাস করবেন, এতে তাঁর সাদামাটা জীবনযাপনের কথা জনমানসে যথেষ্ট ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে তা বলাই বাহুল্য। তৃণমূল বা বাম-কংগ্রেসের গোঁড়া সমর্থকরা একে কৌশলী পদক্ষেপ হিসেবেই দেখবেন। কিন্তু মধ্যপন্থী ধর্মপ্রাণ হিন্দু সমাজের কাছে এটি সরাসরি রাজনৈতিক চাল হিসেবে গণ্য হবে না মোটেই। তার কারণ বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি মহাশয়ের সম্পর্ক যুবা বয়স থেকেই। তাই নরম হিন্দুত্বের অনুগামী বাঙালি জনমানসে এর ইতিবাচক প্রভাব কিছুটা পড়বেই। অর্থাৎ যে মধ্যপন্থী হিন্দু ভোটাররা গত লোকসভায় বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন, কিন্তু একইসঙ্গে নাগরিকত্ব সমস্যা নিয়ে যথেষ্ট অস্বস্তিতে, তাঁদেরকে কিছুটা কাছে টানার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সম্ভবত সফল হতে পারেন নরেন্দ্র মোদি। বেলুড়ে বিবেকানন্দের জন্মদিনে যুবদিবসের ভাষণে তাই বারবার প্রধানমন্ত্রীর গলায় উঠে এসেছে রাজনীতির কথা। সিএএ যে মানুষের নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন, তা কেড়ে নেওয়ার নয়, সেই কথা জোর গলায় প্রচার করেছেন তিনি।
ঠিক এই জায়গাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ। বাম-কংগ্রেস নাগরিকত্ব বিরোধী আন্দোলন এবং পশ্চিমবঙ্গে এআইএমআইএম-এর মৃদু উপস্থিতি সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তার সময় আসেনি তাঁর। তাই এখনও মধ্যপন্থী হিন্দু ভোটের দিকে নজর দেওয়ার সময় এবং সুযোগ থাকবে কিছুটা। সেই জায়গায় তীব্র মোদি-বিরোধী অবস্থান নিয়ে খুব লাভ হবে না। অর্থাৎ সোজা কথায় ব্রিটিশ নির্বাচনে জেরেমি করবিন অতি বামপন্থার যে পথ নিয়ে ভুগেছেন, সেই রাস্তা সযত্নে এড়িয়ে যেতে চাইছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তুলনায় তিনি হয়তো অরবিন্দ কেজরিয়ালের পদক্ষেপগুলি বঙ্গীয়করণের চেষ্টা করবেন। লক্ষ করলে দেখবেন যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী গত প্রায় এক বছর ধরে বিজেপির জাতীয়তাবাদী ভাবনা এবং তার রূপায়ণের তীব্র বিরোধিতা করছেন না একেবারেই। দিল্লির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নাগরিকত্ব বিষয়ক আন্দোলন সমর্থন এবং বিরোধিতা এই দুই দিক থেকেই খুব সন্তর্পণে দূরত্ব বজায় রাখছেন তিনি। তুলনায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বিজেপি-বিরোধিতা বহুগুণে তীব্র। সেখানে একটু নরম মনোভাব দেখালে মধ্যপন্থী হিন্দু ভোটাররা হয়তো কিছুটা কাছে আসতে পারে। উল্টোদিকে সেই জায়গায় বাম-কংগ্রেস আরও জোর গলায় দাদা-দিদির সেটিংয়ের অভিযোগ তুলবে। ব্যঙ্গোক্তি শোনা যাবে ‘ক্যা ক্যা ছি ছি’ আর ‘কাছাকাছি’ গোছের শব্দবন্ধে। অর্থাৎ গোটা বিষয়টির রাজনৈতিক ব্যাখ্যা বহুমাত্রিক, এবং কীসে লাভ কীসে ক্ষতি তা এই মুহূর্তে বুঝতে পারা শক্ত। তবে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত বিতর্ক যে সামনের বছর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে বিশেষ প্রভাব ফেলবে তাতে কোনও সন্দেহই নেই।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
18th  January, 2020
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

20th  September, 2020
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
একনজরে
রোম: ইতালিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেন রাফায়েল নাদাল। তবে ফাইনালে উঠেছেন নোভাক জকোভিচ। এর আগে রোমের এই টুর্নামেন্টে ন’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন স্প্যানিশ তারকা নাদাল।   ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সঙ্গে নিতে হবে বিপ্লব মিত্রকে। কলকাতায় বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্বের তরফ থেকে জেলা নেতৃত্বকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  ...

নয়াদিল্লি: রবিবার ডিজেলের দাম ফের কমল দেশজুড়ে। এই নিয়ে গত চার দিনে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি প্রায় ১ টাকা হ্রাস পেল। এদিন দিল্লিতে ডিজেলের দাম ২৪ পয়সা কমে হয়েছে ৭১ টাকা ৫৮ পয়সা।  ...

সংবাদদাতা, রানাঘাট: রানাঘাটে জাতীয় সড়কের ধার থেকে চুরি যাওয়া একটি লরি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে উদ্ধার করল পুলিস। বুধবার রাতে পায়রাডাঙায় জাতীয় সড়কের ধারের একটি পেট্রল পাম্পের পাশ থেকে ১২ চাকার ওই লরিটি চুরি যায়।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধাবিঘ্ন। হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৪৫/৩৬ রাত্রি ১১/৪৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৮/২১ রাত্রি ৮/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২৮/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/৩০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা
৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ১১/৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে।  
৪ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, চতুর্থী দিবা ৭/৩৭ পরে পঞ্চমী শেষরাত্রি ৫/১৭। বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৪/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১ গতে ১১/৩১ মধ্যে।  
মোসলেম: ৩ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এনআইএ-র জালে আরও ২ জঙ্গি
এনআইএ-র জালে ধরা পড়ল আরও ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি। ধৃত আল-কায়দা ...বিশদ

09:34:00 AM

হাতি সাফারি আপাতত বন্ধ থাকবে 
কোভিড-১৯ আবহে জঙ্গল খোলার ১৫ দিন পর রিভিউ মিটিংয়ে পরিস্থিতি ...বিশদ

09:33:21 AM

নজরুল তীর্থের ওপেন এয়ার থিয়েটার খুলছে 
স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সুখবর দিচ্ছে নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। লকডাউন ...বিশদ

09:33:05 AM

বোধোদয়! স্কুটি চুরি করেও ফেরত দিয়ে গেল চোর 
এ যেন উলটপুরাণ। চুরি করে নিয়ে গিয়েও শেষমেশ তা ফেরত ...বিশদ

09:30:00 AM

ফেসবুক ইন্ডিয়াকে ফের সমন 
নয়াদিল্লি: বিদ্বেষমূলক পোষ্ট ইস্যুতে ফেসবুককে চূড়ান্ত সমন পাঠাল দিল্লি বিধানসভার ...বিশদ

09:30:00 AM

মহারাষ্ট্রে বহুতল ভেঙে মৃত ১০ 
মহারাষ্ট্রের থানেতে বহুতল ভেঙে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হল। এখনও ...বিশদ

09:15:34 AM