Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে।
রাষ্ট্রসংঘ ভারতকে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গণতন্ত্রের স্বীকৃতি দিয়েছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সাত দশকে ভারতের সাধারণ মানুষ এই শিরোপা অর্জন করেছেন। এক রাজনৈতিক শক্তি থেকে অন্য রাজনৈতিক শক্তিতে ক্ষমতা বদল হয়েছে। কিন্তু দেশ নিজের গতিতেই চলেছে। গত মাত্র দু’বছরে আধ ডজনেরও বেশি রাজ্যে রাজনৈতিক দল বদলে গেল। বহু দশকের রাজনৈতিক জোট পাল্টে গেল, রাজনৈতিক সমীকরণ উল্টে গেল, জাতীয় দল ও আঞ্চলিক দলের উত্থান-পুনরুত্থান হল। কিন্তু গণতন্ত্রই জিতে গিয়েছে। জরুরি অবস্থার সামান্য কিছু সময়ের দুঃস্বপ্নের দিনগুলি বাদ দিলে গণতন্ত্রের পতাকা কখনও ভূলুণ্ঠিত হয়নি।
এর সবটুকু কৃতিত্ব ভারতের সাধারণ মানুষের। বুকের পাঁজর যেমন ছোট্ট হৃদপিণ্ডকে ঘিরে রাখে তেমন আপাতদৃষ্টিতে সরল, দেহাতি, বোকাসোকা মানুষেরা গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। এই সংখ্যাটাই বেশি। এটিই গণতান্ত্রিক ভারত। যাঁরা ভোট দেন, বন্দুকের নলকে ক্ষমতার উৎস মনে করেন না। রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের একাংশের এত প্রতারণার পরেও গণতন্ত্রের উপরেই ভরসা রাখেন। এই ভারতের চেহারায় জৌলুস নেই, বিলিতি উচ্চারণে অনর্গল ইংরেজি বলতে পারে না, তবে বংশপরম্পরায় দেশটাকে ভালোবাসে।
খুব সামান্য সংখ্যক মানুষ এই গণতান্ত্রিক ভারতের বিপক্ষে। কারণ, তাঁরা যে মতাদর্শে বিশ্বাস করেন তাতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্থান নেই। এই মুষ্টিমেয় মানুষের একমাত্র উদ্দেশ্য ভারতকে ‘টুকরো টুকরো’ করা। একটু লক্ষ করলেই বোঝা যায় যে অসহিষ্ণুতার নামে বিশ্ববাসীর কাছে গণতান্ত্রিক ভারতকে ছোট করাই হোক, কাশ্মীরের ভয়ানক নরসংহারকারীর জন্য মধ্য রাত্রে সুপ্রিম কোর্ট খোলার ব্যবস্থাই হোক কিংবা আজ শত শত ছাত্রের ভবিষ্যৎ বাজি রেখে নিজেদের অগণতান্ত্রিক বক্তব্য চাপানোর নিষ্ঠুর প্রয়াস, সবকিছুর পিছনে সেই হাতেগোনা কয়েকজন বাজিকর।
মজার ব্যাপার হল, আমাদের দেশের প্রচারমাধ্যমের একটা বড় অংশ এঁদের ফেলো ট্রাভেলার। কারণটা আদর্শগত নস্ট্যালজিয়া না পেশাগত ঋণশোধ, না কি নিছকই সস্তায় ‘নু্ইসেন্স ভ্যালু’ কাজে লাগানো? এই নিয়ে বৃহত্তর বিতর্ক হতেই পারে। কিন্তু বাস্তব হল—কলকাতার রাস্তায় গণতন্ত্রপ্রেমী হাজার হাজার মানুষের কণ্ঠস্বর চেপে দেওয়া হয়। কিন্তু মাত্র ছয়-সাতজনের গণতন্ত্র-বিরোধীর বেয়াদপি প্রবল গুরুত্ব দিয়ে প্রথম পাতায় ছবিসহ দেখানো হয়।
বৈদ্যুতিন মাধ্যমে ওই হাতেগোনা মানুষের মুখই উঠে আসে। কোন অজ্ঞাত কারণে কাশ্মীর প্রসঙ্গে রাহুল পণ্ডিতিয়া বা অনুপম খেরের মতো ভুক্তভোগী লেখক বা অভিনেতার বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ পায় না জানি না। কিন্তু, লেখিকা অরুন্ধতী রায়ের কথা অমৃত সমান! এই বাজিকরদের কথায় মনে হয় যে—দেশের সব দুঃখের কারণ হল ভারতীয় গণতন্ত্র! দেশটা আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রসাতলে যাবে! তাই ছাত্রদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টুকু ব্যয় করে, শিল্পী সাহিত্যিকদের সব পুরস্কার ফেরত দিয়ে, কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বর্বরোচিত ভাবে হেনস্তা করে এর প্রতিবাদ করা উচিত! আজও ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বাজি রাখছেন ওই ‘পরিণত বুদ্ধি’র কয়েকজন। জেএনইউ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে ওই গরিব ছাত্রদের কথাও তো প্রচারে আসা উচিত, যাঁরা পরিবারের সবটুকু সামর্থ্য দিয়ে দিল্লিতে কেবল লেখাপড়া শিখতে এসেছিলেন। তাঁরা নতুন বছরে অনলাইন ফর্ম ভরেছিলেন। রুষ্ট জেএনইউএসইউ প্রতিবাদীদের দাপটে সার্ভার রুম ভেঙে চুরমার হয়ে গেল, বহু টাকার অপটিকাল কেবল কেটে টুকরো টুকরো হল, সেইসঙ্গে এঁদের ভবিষ্যৎটাও। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ এমনই একটা বিষয় ছিল। ভারতের মুসলমান সম্প্রদায়ের এতে ক্ষতির কোনও সম্ভাবনা নেই। এই আইন একটি সার্বভৌম দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রচিত হয়েছে। এতে কোনও মানুষের নাগরিকত্ব বা কোনও অধিকার কেড়ে নেওয়ার কথা বলা নেই। বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা আফগানিস্তানে যাঁরা ধর্মীয় সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে দেশভাগের পর থেকেই অত্যাচার সহ্য করেছেন, বর্তমান সরকার তাঁদের নাগরিকত্ব দিতে চান। এই তিনটি দেশেই ইসলাম ‘রাষ্ট্রধর্ম’। তাই সেখান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে কোনও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ ভারতে আসেননি। তাই অত্যন্ত স্বাভাবিক কারণে সিএএ-তে মুসলমান সম্প্রদায়ের নাম নেই।
ওই অত্যাচারিত মানুষগুলির অবস্থা তথাকথিত মহাপণ্ডিতরা জানেন না? সারা পৃথিবীর মানবাধিকারের জন্য যাঁদের ঘুম হয় না, তাঁরা পূর্ববঙ্গের হিন্দুদের উপর পাশবিক অত্যাচারের কথা শোনেননি! কিন্তু ওই মহামানবেরা ওই মানবিক কাজে কেবল বাধাই দিলেন না, অনেক মাথা খাটিয়ে গভীর সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়িয়ে দিলেন। যখন স্টেশনের পর স্টেশন জ্বলছে, কাতারে কাতারে বাস পোড়ানো হচ্ছে, গ্রামের পর গ্রাম থেকে হিন্দুদের বিতাড়ন করা চলছে, তখন অনেক সাংবাদিক বিক্ষোভকারীদের প্রশ্ন করেছেন, এসব করছেন কেন? প্রায় কেউই বিক্ষোভের কারণটা বলতে পারেননি।
ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, কেউ অত্যন্ত যত্ন করে সাম্প্রদায়িকতার বীজ স্থানে স্থানে বপন করেছে। যে স্লোগানটি এই ক’দিন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে তা কোনও মাদ্রাসায় তৈরি হয়নি—‘সে ইট অন দ্য ব্যারিকেড লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’। শেষ অংশটি কোনও মাদ্রাসা বা জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়াতে যোগ করা হতে পারে। একদম সোজা অর্থ—লা (নেই) ইলাহা (ঈশ্বর) ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া)—‘আল্লাহ ছাড়া অন্যকোনও ঈশ্বর নেই।’ কিন্তু ‘সে ইট অন দ্য ব্যারিকেড’ এই অংশটি এল কোথা থেকে?
এই প্রসঙ্গে মনে পড়ছে ফার্দিনান্দ ডে লা ক্রোয়ার আঁকা ফরাসি বিপ্লবের বিখ্যাত প্রতীকী ছবিটির কথা—‘লিবার্টি অন দ্য ব্যারিকেডস’—যেখানে রাইফেল হাতের সেই মহিলা, যাঁর ঊর্ধ্বাঙ্গে কোনও বস্ত্র নেই। এই ছবির সঙ্গে মাদ্রাসার কোনও দূরগামী যোগও নেই। এই উদ্ভাবন ওই কতিপয় বাজিকরের ঊর্বর মস্তিষ্কপ্রসূত। কিন্তু, যে-পথে জেহাদি উগ্রপন্থার কোনও নির্দেশ ভারতের প্রতি প্রান্তে পৌঁছে যায়, এক্ষেত্রেও সেই একই পথ ব্যবহৃত হয়েছে।
কিন্তু দেশের মধ্যে এই বিশৃঙ্খলা তৈরি করে গরিব দেশটার কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি পরিকল্পনামাফিক নষ্ট করে এঁদের কী লাভ? সঠিক উত্তর একটাই—‘ভারত তেরে টুকড়ে হোঙ্গে’। কিন্তু সুবিধাটা হল, এই পণ্ডিতদের কেউ প্রশ্ন করেন না, তাঁরাই কেবল গণতন্ত্রকে প্রশ্ন করেন। ভারত অসহিষ্ণু, কাশ্মীরে মানবাধিকার নেই, তিন তালাকের বিলোপে সংখ্যালঘুদের প্রাণান্তকর অবস্থা! আচ্ছা, সোভিয়েত রাশিয়ার অসহিষ্ণুতা তো আজ শিশুপাঠ্য কাহিনীতেও এসে গেছে। কবি ভারভারা রাও তো কয়েকটা কবিতা লিখতে পারেন তার উপরে। চীনে উইঘুর গোষ্ঠীর মুসলমান সম্প্রদায়ের মানবাধিকারের একটা সাম্প্রতিক ইতিহাসের প্রবন্ধ তো লিখতেই পারেন রামচন্দ্র গুহ। প্রগতিবাদী ঔপন্যাসিক জানেন, বাংলাদেশের গণধর্ষিতা কোনও নমঃশূদ্র মেয়ের হৃদবিদারক কাহিনী তাঁকে লিখতে হবে না।
২০১০ সালের ডিসেম্বরে কলকাতার সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির অধিকর্তা সি এন ভট্টাচার্য এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। মাওবাদীরা কীভাবে কাশ্মীরের মুজাহিদিনদের মাধ্যমে আফগানিস্তানের তালিবানদের কাছ থেকে ‘রেডিও কন্ট্রোল্ড এক্সপ্লোসিভ’ এবং ‘আল্ট্রা হাই ফ্রিকোয়েন্সি’ রিমোট কন্ট্রোল প্রযুক্তি এদেশে প্রথম এনেছিল। এরাজ্যে এত শিক্ষিত চকচকে ব্যক্তিত্ব মাওবাদীদের সমর্থনে টিভিতে আসেন, কাগজের সম্পাদনা করেন, উত্তর সম্পাদকীয় লেখেন কিন্তু ২০১৪ সালে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পরে কেউ তাঁদের প্রশ্ন করেনি, যে এত ভয়ানক প্রযুক্তি ভারতে আনা হল কেন? ভারতের কোন গরিব মানুষটি এতে উপকৃত হয়েছেন?
২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতায় আবার সেই দুই ভীষণ ভারত-বিরোধী শক্তি এক হয়েছে। কিন্তু ঝকঝকে চেহারার উচ্চশিক্ষিত তুখোড় ইংরেজি বলা পরিকল্পনকারীরা জানেন যে, ‘সে ইট অন দ্য ব্যারিকেড লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ ঩তৈরি করে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ানোর পরেও কেউ তাঁদের প্রশ্ন করবে না। সংসদীয় গণতন্ত্রে যাঁদের বিশ্বাস, তাঁরাও নাচলেন সুতোর টানে। পূর্ববঙ্গ থেকে আসা সব হারানো অত্যাচারিত হিন্দু উদ্বাস্তুরা সিপিএম তথা বামফ্রন্টকে দু’হাত ভরে দিয়েছেন। নিজে উদ্বাস্তু কলোনিতে বড় হওয়ার সুবাদে আমাদের পরিবারগুলির উপর পার্টির প্রভাব খুব কাছ থেকে দেখেছি। ব্রিগেডে বা কোনও বড় মিটিং হলে বাড়িতে বাড়িতে কমরেডরা বলে যেতেন, ‘‘মাসিমা, চাইরখান কইর‌্যা রুটি।’’ মা, জেঠিমারা ওই দারিদ্র্যের মধ্যেও অতি যত্নে নিজেদের হাতেগড়া কাগজের ঠোঙায় চারটি রুটি, একটু তরকারি আর এক টুকরো ভেলি গুড় দিয়ে পাঠাতেন অচেনা কোনও কমরেডের জন্য। সম্ভবত, সেই কৃতজ্ঞতাবোধ থেকেই সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাত ২০১২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে চিঠি লিখে বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে আসা উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন। এই অত্যাচারিতদের সাধারণভাবে অর্থনৈতিক কারণে এদেশে আসা মানুষদের থেকে আলাদা করে বিবেচনার কথাও তিনি তাঁর চিঠিতে স্পষ্ট করে লিখেছিলেন। কিন্তু আজ পার্টি তাদের পুরনো অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তাদের আন্দোলন, ভারত বন্‌ধ এইসবকিছুতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে পূর্ববঙ্গের হিন্দু উদ্বাস্তুরা। উদ্বাস্তুদের নির্বোধ মনে করে থাকলে তাঁরা খুব ভুল করেছেন। চিরদিনের মতো ছিন্ন হয়ে গেল—‘‘মাসিমা, চাইরখান রুটির সম্পর্ক।’’
এই ব্যাপারে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ধরনের রাজনীতি করছেন সেটা আমি ব্যক্তিগতভাবে সমর্থন করতে পারছি না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভিতর দিয়ে উঠে আসা তাঁর মতো অত্যন্ত সফল একজন জননেত্রীর পক্ষে এটা বেমানান। আর ইতিহাস এসব মনে রেখে দেয়। আন্দোলনের নামে গত একমাসে রাজ্যে যে বিপুল পরিমাণ সরকারি সম্পত্তি ধংস করা হয়েছে, সে ব্যাপারেও সরকারের ভূমিকায় নিরপেক্ষতার অভাব স্পষ্ট। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা দেবী নিশ্চয় এটা চাননি, তবু ঘটে গিয়েছে। পুতুলনাচের বাজিকরদের সাফল্য এখানেই।
 লেখক কলকাতায় সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স-এ কর্মরত। মতামত ব্যক্তিগত  
18th  January, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২০ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): বুধবার হঠাৎই দিল্লির রাজপথের হুনার হাটে ঢুঁ মেরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় ৫০ মিনিট ধরে মেলার একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে ঘোরেন। শিল্পীদের ...

নয়াদিল্লি, ২০ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): লাফিয়ে বাড়ছে সোনার দাম। বৃহস্পতিবার প্রতি ১০ গ্রামে সোনার দাম বাড়ল ১১১ টাকা। ফলে রাজধানী দিল্লিতে ১০ গ্রাম এই হলুদ ধাতুর দাম হয়েছে ৪২ হাজার ৪৯২ টাকা। তবে পড়েছে রুপোর দাম। ৬৭ টাকা কমে কেজি প্রতি ...

ওয়াশিংটন, ২০ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): পরিবেশে কার্বন নিঃসরণের ক্ষেত্রে চীনের থেকেও এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল ভারত। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই মন্তব্য করেছেন নিউ ইয়র্কের প্রাক্তন মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ। প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দৌড়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ব্লুমবার্গ।  ...

বিএনএ, বারাসত: বারাসতের নবপল্লি সাব পোস্ট অফিসে গত এক সপ্তাহ ধরে লিঙ্ক না থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এমনিতেই ডাকঘরে বিভিন্ন পরিষেবা মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার উপর লিঙ্ক না থাকার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার নিয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,০৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৬৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) ত্রয়োদশী ২৮/২ অপঃ ৫/২২। উত্তরাষাঢ়া ৭/৪৯ দিবা ৯/১৩। সূ উ ৬/৮/৫১, অ ৫/৩২/৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৮/২৫ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে ৪/২৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৫৯ গতে গতে ১১/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪১ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২৮/৪২/৫৬ সন্ধ্যা ৫/৪১/২০। উত্তরাষাঢ়া ৯/৩৭/৩২ দিবা ১০/৩/১১। সূ উ ৬/১২/১০, অ ৫/৩০/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/১৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৪/৫ গতে ৫/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৬/৪০ গতে ১১/৫১/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪১/১০ গতে ১০/১৬/২০ মধ্যে।
২৬ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অবসর নিলেন প্রজ্ঞান ওঝা
অবসর ঘোষণা করলেন ভারতীয় লেফট আর্ম স্পিনার প্রজ্ঞান ওঝা। ...বিশদ

11:38:31 AM

কুলটিতে কুয়োয় পড়ে মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী
কুয়োয় পড়ে অস্বাভাবিক মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের ...বিশদ

11:27:00 AM

আজ মুক্তি 
শুভ মঙ্গল জাদা সাবধান- হিতেশ কেবল্য পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ...বিশদ

11:14:53 AM

 ওয়েলিংটন টেস্ট: বৃষ্টিতে পণ্ড প্রথম দিনের খেলা

10:48:56 AM

খড়গপুরে বালিবোঝাই গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু বৃদ্ধ দম্পতির
একটি বালি বোঝাই গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধ দম্পতির মৃত্যু। ঘটনাটি পশ্চিম ...বিশদ

10:45:40 AM

ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় আলিপুরদুয়ারে মৃত ৫
ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তরতাজা ৫টি প্রাণ। ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

10:40:20 AM