Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  এভাবেই  কেউ তাঁর সন্ন্যাসজীবন নিয়ে লজ্জাজনক কটাক্ষ করেছেন, ইঙ্গিত দিয়েছেন নারী সংসর্গ সম্পর্কে। এই শহরের সংবাদপত্রেও অভিযোগ উঠেছে,  শিকাগো বক্তৃতার ঠিক পরেই তিনি কি বিদেশের রেস্তরাঁয় নিষিদ্ধ মাংসের অর্ডার দিয়েছিলেন?  মৃত্যুর কাছাকাছি এসেও সেই সব যন্ত্রণার অবসান হয়নি। বেলুড় মঠকে নরেন দত্তর  ‘প্লেজার হাউস’  বলে চিহ্নিত করে বালি মিউনিসিপ্যালিটি ট্যাক্স নির্ধারণ করেছে। বাধ্য করেছে বিপন্ন সন্ন্যাসীকে আদালতে যেতে। নগর কলকাতার নিষ্ঠাবান,  নামীদামি নাগরিক তাঁর স্মরণসভায় যেতে চাননি। এমন কথাও বলেছেন,  হিন্দু আমল হলে তাঁকে নাকি তুষানলে দগ্ধ হতে হতো। মানুষের জন্য,  দেশের জন্য, সেবার জন্য,  সত্যের জন্য নিজেকে বিসর্জন দিয়ে তাঁর কীর্তি কতখানি সুদূরপ্রসারী হবে তা সন্ন্যাসী বিবেকানন্দ তাঁর জীবনকালে আন্দাজ করে যেতে পারেননি। এ বিষয়ে তাঁর মাথাব্যথাও ছিল না। নিজে ক্ষত হয়েছেন, কিন্তু ক্ষতির বিস্তার চাননি। কারণ, স্বামীজির হৃদয়জুড়ে ভারত ও ভারতবাসী।
তাঁর জীবনের প্রথম বড় ঘটনা শ্রীরামকৃষ্ণের সঙ্গে পরিচয়। যিনি সবচেয়ে আধুনিক এবং পূর্ণ বিকশিত চরিত্র জ্ঞান,  প্রেম,  বৈরাগ্য,  উদারতার পূর্ণ প্রকাশ। ঠাকুরের ছিল তিনটি মূল অস্ত্র। অকপট সত্যানুরাগ,  নিপীড়িত মানুষের প্রতি অকৃপণ প্রেম এবং যুক্তিবাদে আস্থা। সমাজ ও ব্যক্তিজীবনের যাবতীয় অসঙ্গতি ও অনাচারের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম চালিয়েছিলেন তিনি,  জ্বেলেছিলেন যে প্রাণের প্রদীপ,  তা আজও নিবাত নিষ্কম্প। আচারের চোরাবালিতে যে ধর্মের সমাধি ঘটতে চলেছিল,  সত্য ও প্রেমের প্রাণোচ্ছল স্রোত- ধারায় তাকে ফিরিয়ে এনেছিলেন তিনিই। তাঁর কাছে ধর্ম কখনওই আচারসর্বস্ব ছিল না। প্রচলিত গড়পড়তা ধর্মাচার্যদের সঙ্গে এখানেই তাঁর প্রভেদ। পরম ঔদার্যে তিনি ভেঙে দিয়েছিলেন ধর্মে ধর্মে বিভেদের খড়ির গণ্ডি। সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে তাই তিনিই বলতে পেরেছিলেন: যত মত তত পথ। রামকৃষ্ণ নিজের জীবনে বহু সাধনার পথ পেরিয়ে ওই উপলব্ধিতে পৌঁছন। এই অমোঘ বাণীর প্রেরণায় শ্রেষ্ঠ শিষ্য বিবেকানন্দ মনে করেছিলেন, সব ধর্মের মধ্যে মূলগত একটি ঐক্য আছে। সেটিকে স্বীকার করতে হবে।
বিবেকানন্দ সেই উপলব্ধিকে দেখেন বেদান্তের আলোয়। উপনিষদই তো বলে, ‘একম্ সদ্, বিপ্রো বহুধা বদন্তি।’  মানে,  সত্য একটিই,  ঋষিরা তাকে নানা ভাবে বলেন। ধর্মচেতনাতেও ধাপে ধাপে অভিব্যক্তির কথা বলেন তিনি। শুরুতে দ্বৈতবাদ। জীব আর ঈশ্বর আলাদা। আরও অগ্রসর হলে,  অদ্বৈতবাদ। তখন জীব আর ঈশ্বরে ফারাক নেই। এরপরই গুরু রামকৃষ্ণের সেই চেতনা ছড়িয়ে দিতে পরিব্রাজক সন্ন্যাসীর ভারতসন্ধান। দুঃখী ভারতকে আবিষ্কার। একইসঙ্গে দুর্জয় মনোবৃত্তি, “আমি যতক্ষণ খাঁটি আছি,  ততক্ষণ কেউ আমাকে প্রতিরোধ করতে সমর্থ হবে না।... যুবকদলকে সঙ্ঘবদ্ধ করতেই জন্মগ্রহণ করেছি। এরা দুর্দমনীয় তরঙ্গাকারে ভারতভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হবে। যারা সর্বাপেক্ষা দীন হীন পদদলিত তাদের দ্বারে দ্বারে এরা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, নীতি, ধর্ম ও শিক্ষা বহন করে নিয়ে যাবে। এটাই আমার আকাঙ্ক্ষা ও ব্রত। এটি আমি সাধন করব কিংবা মৃত্যুকে বরণ করব।’’
রামকৃষ্ণের প্রকৃত যে সংজ্ঞা তিনি দিয়েছেন তা আসমুদ্র ভারতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে অল্প সময়ের মধ্যে।  “যে রামকৃষ্ণের ছেলে,  সে আপন ভাল চায় না,  প্রাণ দিয়েও তারা পরের কল্যাণকাঙ্ক্ষী। যারা আপনার আয়েস চায়,  কুঁড়েমি চায়,  যারা আপনার জেদের সামনে সকলের মাথা বলি দিতে রাজি, তারা আমাদের কেউ না,  তারা তফাত হয়ে যাক,  এই বেলা ভালয় ভালয়।”  শত শত বুদ্ধের কারুণ্য-নিষিক্ত হৃদয়বান মানুষই ছিল তাঁর কাঙ্ক্ষিত। অজ্ঞ,  কাতর,  পীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজে, তাদের স্বমহিমায় উদ্ভাসিত করার লক্ষ্যে তিনি ছিলেন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাই তাঁর ধর্ম-দর্শন-অধ্যাত্মচিন্তার সবটাই জুড়ে আছে মানুষের কথা। তিনি যথার্থ মানুষ,  ভালো মানুষ, সচেতন-শুভ্র-সুন্দর-বুদ্ধ-শুদ্ধসত্ত্ব-প্রমুক্ত মানুষ চান। বলতেন, জন্মালেই আমরা সবাই মানুষ হয়ে উঠি না। মানুষ হয়ে উঠতে হয়। চৈতন্যের সম্প্রসারণে মানুষের পশুত্ব থেকে দেবত্বে উত্তরণ হয়।
বিবেকানন্দ লিখেছিলেন: ‘অতীতে যত ধর্মসম্প্রদায় ছিল, আমি সবগুলিই সত্য বলিয়া মানি এবং তাহাদের সকলের সহিতই উপাসনায় যোগদান করি। প্রত্যেক সম্প্রদায় যেভাবে ঈশ্বরের আরাধনা করে,আমি তাহাদের প্রত্যেকের সহিত ঠিক সেই ভাবে তাঁহার আরাধনা করি। আমি মুসলমানদিগের মসজিদে যাইব, খ্রিস্টানদিগের গির্জায় প্রবেশ করিয়া ক্রুশবিদ্ধ ঈশার সম্মুখে নতজানু হইব, বৌদ্ধদিগের বিহারে প্রবেশ করিয়া বুদ্ধের ও তাঁহার ধর্মের শরণ লইব,  এবং অরণ্যে গমন করিয়া সেই–সব হিন্দুর পার্শ্বে ধ্যানে মগ্ন হইব,  যাঁহারা সকলের হৃদয়–কন্দর–উদ্ভাষণকারী জ্যোতির দর্শনে সচেষ্ট।’’ পৃথিবীতে যত বড় কাজ হয়েছে,  তার মূলে আত্মবোধ ও আত্মবিশ্বাসের জাগরণ। আর আত্মবিশ্বাস থেকেই আসে আস্তিকতা। স্বামীজির ভাষায়, ‘যে নিজেকে (মানুষ) বিশ্বাস করে না,  সে নাস্তিক—আর যারা হাজারটা দেবদেবীতে বিশ্বাস না করেই শুধু নিজের উপর বিশ্বাস রাখে,  আত্মবোধে ভর দিয়ে সচেতন হয় সে-ই আস্তিক।’  বিবেকানন্দ মন ও মুখের সত্যতায় স্পষ্টত জানান  ‘ধর্ম মানুষের বন্ধু।’  তা শর্তাধীন নয়। বিনিময়যোগ্য স্বার্থের আদানপ্রদানে সঙ্কুচিতও নয়। ধর্ম বিবর্তনের পথেই এগোয়। ধর্ম সমাজের দায় বহন করে। নিরন্ন মানুষের জন্য অন্ন,  অসুস্থ প্রপীড়িতের জন্য ত্রাণ-সেবা,  অনাথ-বিধবার অশ্রুমোচনের দায়িত্ব ধর্মকেই নিতে হয়।
আসলে অ-সুখের,  অ-সত্যের,  অ-ধর্মের, অ-বিচারের গভীরে পৌঁছে তিনি আবিষ্কার করেন জীবন অন্বেষায় উত্তরণের উজ্জ্বল পথ—আজকের সমাজে যা অপরিহার্য। শুধু স্বাধীনতা অর্জনই নয়, দেশগঠন,  শান্তিশৃঙ্খলা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ণ রাখার ক্ষেত্রে বিবেকানন্দ প্রখর সূর্যের উত্তাপ ছড়িয়ে বলেন, “বলো ভারতবাসী আমার ভাই, ভারতবাসী আমার প্রাণ।”  এই আহ্বান আধুনিক ভারতে উত্তরণের মহাঋক্।  ‘যৌবনের উপবন,  বার্ধক্যের বারাণসী’  তাঁর প্রিয় ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষের জাগরণে উত্থান ও উন্নতি,  পুনর্গঠন ছিল তাঁর বিশেষ কাম্য—“নূতন ভারত বেরুক,  বেরুক চাষার কুটির থেকে,  জেলে,  মালো,  মুচি,  মেথরের ঝুপড়ির মধ্য থেকে,  ভুনাওয়ালার উনুনের পাশ থেকে...”।
বিবেকানন্দ হিন্দুধর্মের বিশেষ এক কাঠামো নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। সেই কাঠামোর নানা সীমাবদ্ধতা, তবে ভারতের নানাত্বকে তা অনেকটাই স্বীকার করে। তা বর্জনপন্থী নয়,  গ্রহণপন্থী। আর সবচেয়ে বড় কথা,  বিবেকানন্দ স্বীকার করেছেন সব মানুষ এক রকম নন,  নানা মানুষের নানা কাজ নানা রুচি,  সুতরাং সবাইকে এক ভাবে চালনা করতে চাওয়া মূর্খতা। ঢাকা নগরীতে দাঁড়িয়ে বিবেকানন্দ বলেছিলেন, ‘আগামী পঞ্চাশ বছর আমাদের গরীয়সী ভারতমাতাই আমাদের আরাধ্য দেবতা হোন। অন্যান্য অকেজো দেবতাদের এই কয়েক বছর ভুললে কোন ক্ষতি নেই। তাঁরা এখন ঘুমোচ্ছেন।’
বিবেকানন্দ বুঝেছিলেন যে,  দেবতা আকাশ থেকে নামেন না বা মাটি ফুঁড়েও ওঠেন না। বিবেকানন্দ চান জীবন্ত মানুষের পুজো। শিষ্যবর্গ এবং সতীর্থদের প্রতি তাঁর নির্দেশ, ‘মানুষের জন্য কাজ (যা পুজোরই শামিল) করে করে তোরা শেষ হয়ে যা,  এটাই আমার আশীর্বাদ।’  গুরুভাই তূরীয়ানন্দকে বলেছিলেন, ‘জীবে জীবে, বিশেষত মানুষের মধ্যে তাঁর অবস্থান’।  ‘তাঁর’  অর্থাৎ মানুষ যাঁকে বলে দেবতা। যোগীর ধারণায় পরমপুরুষ—ভগবান—ঈশ্বর! বৈদান্তিক অনুভবে তিনিই পরমব্রহ্ম। সেই নতুন চিন্তা থেকেই লেখেন, ‘তোমার পূর্বপুরুষ না-হয় দুটো বেদ,  উপনিষদ লিখেছে,  দুটো মন্দির তৈরি করেছে, কিন্তু তাতে কী আসে যায়?  জাতপাতে দীর্ণ,  অসহায়,  দরিদ্র মানুষরাই সভ্যতার স্রষ্টা।’  সেই গরিব মানুষদের খেতে দিতে হবে। অপুষ্টি,  রোগ থেকে তাদের শরীরটা বাঁচাতে হবে। কুসংস্কার থেকে বের করে এনে তাদের মনে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে। জাগাতে হবে তাদের আত্মবিশ্বাস। তারপর তোমাকে আর কিছু করতে হবে না। তারা নিজেরাই নিজেদের ব্যবস্থা করে নেবে। এটিই তাঁর সামগ্রিক চিন্তাধারার সারাৎসার।
বিবেকানন্দ শক্তিমান ভারত চেয়েছিলেন অবশ্যই, কিন্তু সেই শক্তি হিন্দু-মুসলমান সমন্বয়, ‘ঐসলামিক পেশি এবং হিন্দু মস্তিষ্ক’। ১৮৯৩ সালে শিকাগো ধর্ম-মহাসম্মেলনে বলেছিলেন,  ‘যদি কেহ এরূপ স্বপ্ন দেখেন যে, অন্যান্য ধর্ম লোপ পাইবে এবং তাঁহার ধর্মই টিকিয়া থাকিবে,  তবে তিনি বাস্তবিকই কৃপার পাত্র; তাঁহার জন্য আমি আন্তরিক দুঃখিত,  তাঁহাকে আমি স্পষ্টভাবে বলিয়া দিতেছি,  তাঁহার ন্যায় লোকেদের বাধাপ্রদান সত্ত্বেও শীঘ্রই প্রত্যেক ধর্মের পতাকার উপর লিখিত হইবে—‘বিবাদ নয়,  সহায়তা;  বিনাশ নয়,  পরস্পরের ভাবগ্রহণ;  মতবিরোধ নয়,  সমন্বয় ও শান্তি।’
স্বামী আত্মবোধানন্দ লিখেছিলেন, ‘মানবসেবাই তাঁর কাছে মানবিকতা। আজকে বহুবাদের মধ্যে মানবতাবাদের বিশেষ প্রয়োজন। তাঁর এই মানবতাবাদ যদি জগতে প্রতিষ্ঠিত হত,  তা হলে অনেক বাদ আরও পরিশুদ্ধ হতে পারত। সব বাদের মধ্যমণি হওয়া উচিত মানবতাবাদের। এবং সমস্ত বাদীর পরিচিত হওয়া উচিত মানবতাবাদী বিবেকানন্দের দর্শনের সঙ্গে।’ দেশের রাজনীতিবিদরা সেই দর্শনের পাঠ নিতে পারলেন কি? 
17th  January, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
ওয়াশিংটন, ২০ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): পরিবেশে কার্বন নিঃসরণের ক্ষেত্রে চীনের থেকেও এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল ভারত। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে এই মন্তব্য করেছেন নিউ ইয়র্কের প্রাক্তন মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ। প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দৌড়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ব্লুমবার্গ।  ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: তিনমাসের বেশি সময় ধরে একটি উট শীতলকুচি থানায় রয়েছে। শীতলকুচির বড়ো মরিচা থেকে উটটি পুলিস উদ্ধার করেছিল। তারপর থেকেই থনা চত্বরে উটটি বেঁধে ...

বিএনএ, বারাসত: বারাসতের নবপল্লি সাব পোস্ট অফিসে গত এক সপ্তাহ ধরে লিঙ্ক না থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এমনিতেই ডাকঘরে বিভিন্ন পরিষেবা মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার উপর লিঙ্ক না থাকার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ চরম আকার নিয়েছে।  ...

বিএনএ, পুড়শুড়া: পঞ্চায়েত অফিস থেকে পাঠানো বার্ধক্য ও বিধবা ভাতার তালিকা বদল হয়ে গিয়েছে বিডিও অফিস থেকে। এই অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরশুড়া ব্লক অফিসে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন চিলাডাঙি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার ভাতা না পাওয়া মানুষজন। বিক্ষোভের জেরে এদিন ব্লক অফিসে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,২২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,০৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৬৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) ত্রয়োদশী ২৮/২ অপঃ ৫/২২। উত্তরাষাঢ়া ৭/৪৯ দিবা ৯/১৩। সূ উ ৬/৮/৫১, অ ৫/৩২/৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৮/২৫ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে ৪/২৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৫৯ গতে গতে ১১/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪১ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
৮ ফাল্গুন ১৪২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ত্রয়োদশী ২৮/৪২/৫৬ সন্ধ্যা ৫/৪১/২০। উত্তরাষাঢ়া ৯/৩৭/৩২ দিবা ১০/৩/১১। সূ উ ৬/১২/১০, অ ৫/৩০/৫০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/১৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে ও ৪/৫ গতে ৫/৩১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৬/৪০ গতে ১১/৫১/৩০ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪১/১০ গতে ১০/১৬/২০ মধ্যে।
২৬ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অবসর নিলেন প্রজ্ঞান ওঝা
অবসর ঘোষণা করলেন ভারতীয় লেফট আর্ম স্পিনার প্রজ্ঞান ওঝা। ...বিশদ

11:38:31 AM

কুলটিতে কুয়োয় পড়ে মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী
কুয়োয় পড়ে অস্বাভাবিক মৃত্যু মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। ঘটনাটি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের ...বিশদ

11:27:00 AM

আজ মুক্তি 
শুভ মঙ্গল জাদা সাবধান- হিতেশ কেবল্য পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে ...বিশদ

11:14:53 AM

 ওয়েলিংটন টেস্ট: বৃষ্টিতে পণ্ড প্রথম দিনের খেলা

10:48:56 AM

খড়গপুরে বালিবোঝাই গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু বৃদ্ধ দম্পতির
একটি বালি বোঝাই গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধ দম্পতির মৃত্যু। ঘটনাটি পশ্চিম ...বিশদ

10:45:40 AM

ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় আলিপুরদুয়ারে মৃত ৫
ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তরতাজা ৫টি প্রাণ। ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

10:40:20 AM