Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। তেমনি বাংলাদেশের মানুষজনও কলকাতায় আসাটাকে বিদেশে আসা বলে ভাবেন না। ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট ম্যাচের সময় কলকাতার অনেক ক্রিকেট-প্রেমী বাঙালিকে দেখেছি বাংলাদেশ টিমের সমর্থক! অবাক হলেও সত্যি। তাঁদের যুক্তি, বাংলাদেশ টিম মানে এগারোজন বাঙালির দল। ভাবা যায়! আমি আগে বাঙালি, পরে ভারতীয়। বাঙালির আবেগ এখনও এতটাই উচ্চগ্রামের। সেখানে বর্ডার, কাঁটাতার অবচেতনে নস্যাৎ হয়ে যায়। অস্বীকার করার উপায় নেই। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলির বহু মানুষের কাছে তাঁদের রাজধানী শহর ঢাকার চেয়ে কলকাতা অনেক আপন। এই যে নৈকট্য তার বড় কারণ দূরত্ব। যেখানে মাত্র ৬০-৭০ কিমি এগোলেই কলকাতায় পৌঁছনো সম্ভব, সেখানে ঢাকায় যেতে পাড়ি দিতে হয় তিনশো কিমির বেশি পথ।
ওপার বাংলার বেশিরভাগ মানুষের বিশ্বাস, কলকাতার চিকিৎসা-পরিষেবা ঢাকার চেয়ে ভালো, আর সেটা ঐতিহাসিক কারণে। কলকাতার এই পরিষেবার উপর তাঁদেরও হক রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন। ইএম বাইপাস লাগোয়া কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে সারা বছরই রোগীর ভিড় থাকে। এই রোগীদের একটি বড় অংশই বাংলাদেশি। এখানকার পরিষেবায় তাঁরা এতটাই সন্তুষ্ট যে অনেকে প্রায়ই চিকিৎসা করাতে আসেন। সিএএ-এনআরসি নিয়ে কিছুদিন যাবৎ কলকাতাসহ গোটা পশ্চিমবঙ্গ এবং আরও একাধিক অঞ্চল উত্তাল। তারই মধ্যে একদিন আলাপ হয় মাঝবয়সি এক আইনজীবীর সঙ্গে। আব্দুল জলিল। বাংলাদেশের একটি জেলা কোর্টে প্র্যাকটিস করেন।
তাঁর কাছে প্রশ্ন ছিল, এই ব্যাপারে বাংলাদেশের মানুষের প্রতিক্রিয়া কী? তিনি হেসে জবাব দিলেন, বাংলাদেশে মৌলবাদের বাড়াবাড়ি নিয়ে এতদিন আপনারা (ভারতীয়রা) হেসেছেন, আর এখন আমরা হাসছি আপনাদের (ভারতীয়দের) দেখে!
জলিল সাহেব বলেন, আপনাদের কাছে বিস্ময়কর মনে হলেও নিখাদ সত্যিটা এই—বাংলাদেশের আজকের যুবসমাজ মনে-প্রাণে অনেক আধুনিক। তাদের বেশিরভাগের কাছে মৌলবাদের কোনও স্থান নেই। বয়স্কদেরও চোখ খুলে দিচ্ছেন বয়োকনিষ্ঠরা। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি থেকে ক্রমে দূরে সরে আসার প্রবণতাটি আজকের বাংলাদেশের বিরাট প্রাপ্তি। ধর্মের নামে জাতের নামে বজ্জাতি বেশি বেশি মানুষ মন থেকে পরিত্যাগ করছেন বলেই জামাত এবং বিএনপি শিবিরে ত্রাহি রব উঠেছে।
জলিল সাহেবের আন্তরিক আমন্ত্রণ, শুধু মুখের কথা নয়, আসুন—সামনে তো একুশের বইমেলা, তারপর বাংলা বর্ষবরণের অনুষ্ঠান। দেখে যান কেমন অসাম্প্রদায়িক আনন্দের পরিবেশ আমরা গড়ে তুলতে পেরেছি। এমনকী, দুর্গাপুজোতেও কী আনন্দ হয় নতুন এই বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র, আপনারা কল্পনাও করতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর উৎসব যাতে পূর্ণ নিরাপত্তার সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে পারে তার অভূতপূর্ব বন্দোবস্ত আমাদের সরকার করে থাকে। শিক্ষা এবং চাকরি ক্ষেত্রেও হিন্দুসহ সমস্ত সংখ্যালঘু শ্রেণী আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বেশিরভাগ সরকারি উচ্চপদেও হিন্দুরা আর ব্র্যাত্য নয়।
জলিল সাহেবের সঙ্গে এই কথার মধ্যে যোগ দিলেন পাশে দাঁড়ানো এক বাংলাদেশি যুবক। অনির্বাণ ইসলাম। ঢাকায় সরকারি চাকুরে। অনির্বাণ বলেন, আজকের বাংলাদেশের স্বপ্ন—অচিরেই যথার্থ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বিকশিত হওয়া। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সাকার করে তোলাই আমাদের স্বপ্ন। তাঁকে হত্যার পরই ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফের বঙ্গবন্ধুর সংবিধান ফিরিয়ে আনাই মুক্তমনা বাংলাদেশিদের লক্ষ্য।
জলিল সাহেব বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সত্যিকার ধর্মনিরপেক্ষ নেতা। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি। কিন্তু এমন উন্নত চেতনার যুবসমাজকে পাশে না-পেলে তিনি এই অসাধ্যসাধন করতে পারতেন না। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন যে পিছিয়ে ছিল তার মূল কারণ জনসংখ্যার অর্ধেককে অকেজো করে রাখা হয়েছিল। আজ মেয়েরাও সামনের সারিতে উঠে আসছেন। বাংলাদেশে সফল হয়েছে জন্মনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি। শিক্ষার হার দ্রুত বাড়ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল খুব দুর্বল, আর ছিল তীব্র বিদ্যুৎসমস্যা। পূর্ববঙ্গ ব্রিটিশ ভারতে দুয়োরানির সন্তানের মতোই ব্যবহার পেয়েছে, শোষণ পাকিস্তান জমানায় আরও তীব্র হয়েছে। হাসিনার সরকার সেই অতল থেকে টেনে তুলেছে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে। আজকের বাংলাদেশ সামনে এগোনো ছাড়া আর কিছু নিয়ে ভাবছে না। প্রত্যেকে নিজ নিজ সৎ জীবিকাকেই পাখির চোখ করেছে। তাই ভারতে কী হচ্ছে, তা নিয়ে নষ্ট করার মতো সময় আমাদের নেই।
জলিল সাহেব যে-আক্ষেপসহ উপসংহার টানলেন তার ভিতরে একটি চেতাবনি লক্ষ করলাম—আমরা (বাংলাদেশিরা) একটা ‘আনসেটেলড’ (অমীমাংসিত) ইস্যুকে ‘সেটেলড’ (মীমাংসিত) করার জন্য আপ্রাণ লড়াই করছি আর ভারত সেই ‘সেটেলড’ ইস্যুটাকেই ‘আনসেটেলড’ করতে প্রয়াসী হয়েছে! তিনি অবশ্য এটাও মানলেন যে ভারতের গণতান্ত্রিক ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত। বললেন, তাই আমরা ধরেই নিচ্ছি, এই সমস্যা ভারতের মানুষ দ্রুত সামলে নেবে। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামো অক্ষুণ্ণই থাকবে।
এই দুই মুক্তমনা বাংলাদেশি নাগরিকের কথার সূত্র ধরে খোঁজ নিয়ে দেখছি—বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির ভিতরে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। সিডনির বিখ্যাত গবেষণা সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর ইকনোমিকস অ্যান্ড পিস-এর ২০১৯-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০১৮-র তুলনায় বাংলাদেশ ওই বছর ৬ ধাপ এগিয়েছে। ২০১৭-র তুলনায় ২০১৮-তে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদী হামলায় প্রাণহানি কমেছে ৭০ শতাংশ। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স অনুসারে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব এখন মাঝারি মাত্রার। পরিস্থিতি আগে অনেক খারাপ ছিল। এই সাফল্য অবশ্য হাওয়ায় আসেনি। ২০১৩-১৫ সালের ভিতর মুক্তমনা নাগরিকদের উপর একের পর এক মৌলবাদী আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজনের প্রাণও গিয়েছে তাতে। ২০১৩-তে উগ্র মৌলবাদীরা ধর্মনিরপেক্ষ মুক্তমনা নামী ব্যক্তিদের খতম করার হুমকিসহ একটি হিট লিস্ট প্রকাশ করে। তারপর একের পর এক ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছেন ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার, সাংবাদিক আরিফ মহিউদ্দিন, শাহবাগ আন্দোলনের শরিক সানিউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সফিউল ইসলাম, ব্লগার অনন্ত বিজয় দাস, ব্লগার নিলয় চট্টোপাধ্যায় ওরফে নিলয় নীল, ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ইঞ্জিনিয়ার ও প্রতিভাবান ব্লগার অভিজিৎ রায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাজিমুদ্দিন সামাদ, নামী প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন ও আহমেদুর রশিদ চৌধুরী, লেখক রণদীপ বসু ও তারেক রহমান প্রমুখ। তার আগে ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় রক্তাক্ত হন প্রখ্যাত যুক্তিবাদী অধ্যাপক লেখক হুমায়ুন আজাদ। ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’, ‘নারী’ এবং ‘আমার অবিশ্বাস’ শিরোনামের বিতর্কিত ও সাড়া জাগানো বইগুলি তাঁরই কলম থেকে বেরিয়েছিল। ২০১৬ সালে ঢাকার গুলশান এলাকায় হোলি আর্টিজান বেকারিতে (জনপ্রিয় রেস্তরাঁ) ঘটে যায় এক ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনা। এরপরই হাসিনা সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে এগোয়। তাতে শুধু আইনশৃঙ্খলারই উন্নতি হয়নি, ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সে-দেশের অর্থনীতিতে। বাংলাদেশের এই সাফল্য ধরা পড়েছে বিশ্ব ক্ষুধা সূচকেও। ২০১৯-এর অক্টোবরের মাঝামাঝি প্রকাশিত হয়েছে গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স। তাতে দেখা যাচ্ছে ভারতের পজিশন সাত ধাপ নেমে গিয়েছে: ৯৫ থেকে ১০২ নম্বরে। অন্যদিকে, এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ (৮৮)। ছোট এই পড়শি দেশটি ২০১৮-তেও ভারতের চেয়ে এগিয়ে ছিল, যে-দেশ একসময় ভারতের উপর বিশেষভাবে নির্ভরশীল ছিল খাদ্যসহ নানা প্রয়োজনে।
তবে মৌলবাদ ও সন্ত্রাসবাদ বাংলাদেশ থেকে নির্মূল হয়ে গিয়েছে, এমন দাবি কেউ করেননি। রক্তবীজের ঝাড় যে সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে, তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে ২০১৮-র ৩ মার্চ। ওইদিন সিলেটে আততায়ীর হাতে আক্রান্ত হন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রখ্যাত অধ্যাপক, কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের নামী লেখক, বিশিষ্ট চিন্তাবিদ মহম্মদ জাফর ইকবাল। তাঁকে আক্রমণের ঘটনায় ধৃত এক মাদ্রাসা-ছাত্র পুলিসের জেরায় দাবি করেছিল, সে প্রফেসর জাফর ইকবালকে ‘ইসলামের শত্রু’ মনে করে।
সিএএ, এনআরসি প্রভৃতি ভারতের মানুষ গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনও হয়নি। তবে, এটুকু বলা যেতে পারে—এই ইস্যুতে ব্যাহত হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা দ্রুত পিছিয়ে পড়ছি। পাশাপাশি এই অধ্যায় বহির্ভারতে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আমাদের এমন কিছু করা উচিত হবে না যার দ্বারা অন্তত বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্বাহু নৃত্য করে পাকিস্তানের মৌলবাদী শক্তি। এই উপমহাদেশে শান্তি-সুস্থিতি প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হল—ধর্মনিরপেক্ষতা ও সহিষ্ণুতা। যথার্থ ধর্মনিরপেক্ষ সহিষ্ণু ভারত ছাড়া আর কে তার প্রেরণা হতে পারে? ভারতের উচিত, এই চাহিদায় নিজেকে প্রশ্নাতীত প্রমাণ করা, সহিষ্ণুতার ঐতিহ্য জলাঞ্জলি দেওয়া নয়। কে বলতে পারে সেই পবিত্র আলো-হাওয়ায় পাকিস্তানও কোনও একদিন যুক্তিবাদের গুলবাগিচা হয়ে উঠবে না!  
16th  January, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তির সাত দশক 
অ্যাডাম জে গ্রোৎস্কি

জে উইলিয়াম ফুলব্রাইট। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সিনেটর। বিখ্যাত ফুলব্রাইট বৃত্তিটা চালু হয় তাঁরই নামে। এটি একটি শিক্ষামূলক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম। সাত দশক আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ চালু করে। দ্য প্রাইস অফ এমপায়ার। জে ডব্লু ফুলব্রাইটের প্রবন্ধসংগ্রহের শিরোনাম।  
বিশদ

08th  February, 2020
একনজরে
হায়দরাবাদ, ১৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘ফিসকাল রেসপনসিবিলিটি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট’ (এফআরবিএম) মেনে বাজেট পেশ করা হয়েছে। তাই রাজস্ব ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে সেই আইন লঙ্ঘন করা হয়নি। যাবতীয় জল্পনা, বিতর্কে জল ঢেলে রবিবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দাবিদাওয়ার মধ্যে কয়েকটি মিটলেও, বেতন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু দাবি এখনও অনিশ্চিত। এমনই অভিযোগ অধ্যাপকদের। রবিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নমেন্ট কলেজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের ৪৮তম বার্ষিক সম্মেলনে তা নিয়েই সরব হলেন তাঁরা।  ...

নিউ ইয়র্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): কানেক্টিকাটের একটি নাইটক্লাবে গুলিচালনার ঘটনায় প্রাণ হারালেন একজন। আহতের সংখ্যা চার। রবিবার ভোরে ‘ম্যাজেস্টিক লাউঞ্জ’-এর ক্লাবে এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী এই হামলা চালায় বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে বালিবোঝাই লরিকে ধাক্কা মারল যাত্রীবোঝাই বাস। ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাসের হেল্পার। অল্পবিস্তর জখম হয়েছেন আরও ১৫ জন বাস ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মাঝেমধ্যে মানসিক উদ্বেগের জন্য শিক্ষায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে। গবেষণায় আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের নানা সুযোগ আসবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৯: কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম
১৯৬৩: আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ও অভিনেতা মাইকেল জর্ডনের জন্ম
১৯৮৭ - ভারতীয় কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদীর জন্ম।
২০০৯: সঙ্গীত শিল্পী মালবিকা কাননের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৩ টাকা ৯৪.৭১ টাকা
ইউরো ৭৫.৮৫ টাকা ৭৮.৮০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
15th  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৪৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,০৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
16th  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) নবমী ২১/১ দিবা ২/৩৬। জ্যেষ্ঠা ৫৭/৩৩ শেষরাত্রি ৫/১৪। সূ উ ৬/১১/৩৯, অ ৫/২৯/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪২ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৬ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৪/৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫১ মধ্যে।
৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, নবমী ৩১/৪০/৩৫ রাত্রি ৬/৫৪/৫৬। অনুরাধা ৮/১/৪০ দিবা ৯/২৭/২২। সূ উ ৬/১৪/৪২, অ ৫/২৮/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৮ গতে ১২/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২৩ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৮/৫৯ গতে ৯/৩/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/৭ গতে ১১/৫১/৫০ মধ্যে।
 ২২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চশিক্ষা বিবাহ-বিচ্ছেদের কারণ !
আরও এক নতুন তত্ত্ব পেল দেশবাসী। উচ্চশিক্ষার কারণেই সমাজে অহরহ ...বিশদ

02:05:45 PM

মুম্বইয়ে জিএসটি ভবনে আগুন 
আগুন লাগল মুম্বইয়ের মাজগাঁও এলাকার জিএসটি ভবনে। ঘটনাস্থলে গিয়েছে দমকল। ...বিশদ

01:17:00 PM

  মুখ্যমন্ত্রীকে বই উপহার রাজ্যপালের
রাজ্যপালের সাথে ঘণ্টা খানেকের একান্ত বৈঠক সেরে রাজভবন থেকে বেরিয়ে ...বিশদ

01:14:00 PM

বোমাতঙ্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে
বিষ্ণুপুরে সাত সকালেই বোমাতঙ্ক! রাস্তার ধারে পড়ে থাকা একটি তাজা ...বিশদ

01:08:11 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন উপাচার্যের
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবেদন জানালেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। ...বিশদ

01:02:27 PM

কলকাতার বহুতলে আবশ্যিক হচ্ছে ফায়ার কিয়স্ক
এবার কলকাতার ৪৫ মিটার বেশি উঁচু বহুতলগুলিতে ফায়ার কিয়স্ক রাখা ...বিশদ

12:55:20 PM