Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সাধারণ মানুষ নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত। নেতারা রাজনীতিকে সম্বল করে ক্ষমতা দখল করছে। এই দেশে বাস করে কেউ দেশটার কথা চিন্তা করে না। একটা যুবক নিজেকে ভারতবাসী বলে ভাবে না বা তা নিয়ে গর্ব করে না। তাহলে কী জন্যে তুমি রাজনীতি করবে? কেন করবে? আমি ঠিক বুঝি না তোমাদের। কিন্তু মনে হয়, তোমরা নানান জিনিস দিয়ে প্রতিমা বানাও শুধু প্রতিমার জন্যে, ভক্তিটুকুই তোমাদের নেই...।
সরিৎশেখর যখন অনিমেষকে কথাগুলো বলছিলেন, তার প্রেক্ষাপট এখন থেকে প্রায় চার যুগ আগের। সমরেশ মজুমদারের ‘কালবেলা’ উপন্যাসের এই শব্দগুলো আজকের পরিস্থিতির সঙ্গেও বেশ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। আজও সেই রাজনীতির আবর্তে আবদ্ধ রাজনৈতিক নেতা, আখের গোছানোই যেখানে এক এবং একমাত্র লক্ষ্য... আর তার সঙ্গে রাজনৈতিক দিশাহীন ছাত্র রাজনীতি। শনিবার ধর্মতলার ধর্না-বিক্ষোভ থেকে যখন শোনা যাচ্ছে, ‘নরেন্দ্র মোদিকে যেতে গেলে আমাদের ছাত্রদের বুকের উপর দিয়ে যেতে হবে’, সেটাও বেশ অদ্ভুত একটা অনুভূতি। সত্যিই কি তাহলে এই একটা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ইস্যু ছাত্রসমাজকে একটা উদ্দেশ্য দিল? প্রতিমা গড়নের সঙ্গে সঙ্গে ভক্তিও?
আপাতদৃষ্টিতে উত্তরটা হ্যাঁ। আবার দূরদৃষ্টির কথা বললে... এখনও বলার সময় আসেনি। নামজাদা বেসরকারি কোম্পানির এক উচ্চপদস্থ কর্তা বলছিলেন, ‘এদের কজন আইনের ড্রাফ্ট পুরোটা ঠিকমতো পড়েছে জিজ্ঞেস করবেন। বাজি রাখছি, ১০০ জনে দু’জন পাবেন কি না সন্দেহ।’ কথাটা হয়তো ঠিক। সবাই শুনেছে, চায়ের দোকানে তর্ক করেছে, ভাসা ভাসা জেনেছে, আর তারপরই শুরু হয়ে গিয়েছে আন্দোলন। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লাগাতার বলে আসছেন, এটা নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। নাগরিকত্ব প্রদানের আইন। বিরোধীদের দাবি এবং সাধারণ শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের বিশ্লেষণ হল, এই আইন ধর্মীয় বিভাজক হয়ে দেখা দেবে। গত শুক্রবার রাতেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন দেশে কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব, পরিণতি বা নেপথ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা চলছে-চলবে। প্রশ্ন হল, ছাত্র রাজনীতি এবং আন্দোলন কি এই ইস্যুতে সত্যিই একটা মাত্রা পাবে?
অনিমেষ যখন ছাত্র রাজনীতিতে এসেছিল, সেটা রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসের অন্যতম টালমাটাল সময়। নকশালবাড়ি আন্দোলন বাংলার ছাত্রসমাজের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল। তাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল আকাশছোঁয়া, কিন্তু পদ্ধতি ছিল ভুল। সেই ‘সশস্ত্র বিপ্লবে’র আগুনে পুড়ে গিয়েছিল বহু ভবিষ্যৎ। তারপর তারা আবিষ্কার করেছিল, দাহ্যবস্তুর সত্যিই কোনও সৃষ্টিশীল ক্ষমতা নেই। স্বাধীনতার পর খুব কম ইস্যু ছাত্রসমাজকে, ছাত্র রাজনীতিকে সঠিক কোনও দিশা দেখাতে পেরেছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে ছাত্রসমাজ যে এগিয়ে এসেছিল, তার একটা নির্দিষ্ট চালিকাশক্তি ছিল। দেশ। স্বাধীনতা। ১৯৪৭ সালের পর যে উদ্দেশ্যটা শেষ হয়ে যায়। তখন নতুন এমন কোনও চালিকাশক্তি ছিল না, যা ছাত্রসমাজকে বা আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেল ছাত্র রাজনীতিকে একটা ইতিবাচক লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। রাজনৈতিক নেতারা ছিলেন নিজেদের কেরিয়ার নিয়ে ব্যস্ত। ছাত্ররাও তাই। জাতীয় রাজনীতিতে ছাত্রসমাজের ভূমিকা বলতে আর কিছুই ছিল না। সবটাই রাজ্যভিত্তিক। এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসনির্ভর। হস্টেলের ফি বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন রাস্তায় নেমে আসতে পারে, কিন্তু দেশের অর্থনীতি শুধরাতে সরকারের কী করা উচিত, সে ব্যাপারে নতুন প্রজন্মের কোনও নির্দিষ্ট পরামর্শ থাকবে না কেন? নকশালবাড়ি আন্দোলনের দিশা প্রশ্নাতীত নয়। কিন্তু জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলন? সেই স্রোত ইন্দিরা গান্ধী সরকারকে পর্যন্ত টালমাটাল করে দিয়েছিল। তবে প্রকাশ্যে না হলেও নেপথ্যে কোথাও না কোথাও রাজনৈতিক রং বা আদর্শ ছিলই। ওই যে কথাটা... নিজেকে ভারতীয় ভেবে গর্ব বোধ করে, ভারতের জন্য আন্দোলন... সেটা কি হয়েছিল? হয়তো হয়েছিল... হয়তো কোনও কোনও ছাত্র সত্যিই রাজনীতির ব্যানারের বাইরে থেকেও শুধু দেশের জন্যই আত্মত্যাগ করেছিলেন। ত্যাগ ছাড়া সমাজ বা দেশ, কোনওটাই সম্পূর্ণ হয় না। সবটাই দাঁড়িপাল্লার খেলা। কেউ কোথাও ত্যাগ করেছে বলেই উল্টোদিকের আর একজন গ্রহণ করতে পেরেছে। ব্যালান্স। এর উপরই দাঁড়িয়ে পৃথিবী, রাজনীতি, আন্দোলন।
জেএনইউয়ের হস্টেল ফি বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন আজ জাতীয় রাজনীতির প্রধান চর্চা। আর তার জন্যও দায়ী রাজনীতি। জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে পুলিসের বিরুদ্ধে হামলা। শুরুটা এখান থেকেই। পুলিসের অভিযোগ ছিল, জামিয়ার পড়ুয়ারা দিল্লির রাস্তায় পুলিসের উপর চড়াও হয়েছে। তার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে কিছু তো করতে হতো! কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কিন্তু পুলিস ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারে না! তারা সেটাই করেছিল। এমনকী সেদিন ভাঙচুর হয় লাইব্রেরি... যেখানে মিলেছিল কাঁদানে গ্যাসের শেলও। কোনও পড়ুয়ার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও ভেঙেছে হাত। এই ঘটনা গোটা দেশের ছাত্রসমাজকে খেপিয়ে দিয়েছে। যে বিক্ষোভ কয়েকটা জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হচ্ছিল, তা নেমে এসেছে রাস্তায়... দেশের নানা প্রান্তে। প্রায় সব বড় শহরে। ছাত্রসমাজের প্রতি কি এতটুকু সহিষ্ণুতা সরকার দেখাতে পারত না? এর নেপথ্যে তাহলে কী ছিল? শুধুই নিরাপত্তাহীনতা? ইন্দিরা গান্ধী না হয় ইমার্জেন্সি জারি করে হাত পুড়িয়েছিলেন। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির জমানায় পুলিস বা পুলিসকে চালানেওয়ালারা কেন এতটুকু সহিষ্ণু হবে না! আজকের যা পরিস্থিতি, তার নেপথ্য সম্ভাবনা অনেকগুলো হতে পারে... প্রথমত, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সত্যিই ধর্মীয় বিভাজন আনছে। সেটা যাতে জনমানসে আগুনের মতো ছড়িয়ে না পড়ে, সেই কারণেই আগেভাগে দমন করে দেওয়া ভালো। দ্বিতীয়ত, সবটাই ধন্দ। এমন কিছুই হবে না। বিরোধী প্রচারে প্রভাবিত হয়েই ভারতের আগামী প্রজন্ম আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছে। সে ক্ষেত্রে কি তাদের বোঝানোটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল না? যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। দেশের ছাত্রসমাজের স্লোগান আজ একটাই, সিএএ বাতিল করতে হবে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কেন্দ্র বিরোধী এই লড়াইয়ে তাদের প্রধান অস্ত্র। ক্যাম্পাসভিত্তিক, দলবিরোধী রাজনীতির প্রেক্ষাপট ছেড়ে বেরিয়ে এই আন্দোলন আজ হয়ে উঠেছে দেশের জন্য। যেখানে প্রতিমা আছে। আর ভক্তিও।
ঐশী ঘোষ কোন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করেন, তা বারবার প্রচারে আনছে বিজেপি। মানুষের কাছে কিন্তু তিনি জেএনইউয়ের এক পড়ুয়া। তাঁকে দিল্লি পুলিস অন্য মামলায় অভিযুক্ত করছে। অথচ যারা মাথা ফাটিয়ে ঐশীকে রক্তস্নাত করল, সেই মুখোশধারীদের হদিশ নেই। এই ছাত্রছাত্রীরা আজ গর্ববোধ করছেন নিজেদের ভারতীয় বলতে। শুধু কেরিয়ার নয়, মানুষের জন্য তাঁদের লড়াই। দেশের জন্য তাঁদের বিপ্লব। কোনও দলের জন্য নয়। নরেন্দ্র মোদি সরকারের যদি আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ থাকে, তাহলে তা ছাত্রসমাজ। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন মুলুকে প্রথম আওয়াজ তুলেছিলেন ছাত্ররা।
আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে সেই সময় ছাত্রসমাজের প্রশ্ন ছিল, ‘এত দূরের দেশে কেন আমেরিকা যুদ্ধ করবে? কেন ভিয়েতনামে গিয়ে আমাদের দেশের হাজার হাজার তরুণ প্রাণ দিয়ে আসবে?’ সেই আন্দোলনে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল মার্কিন সরকার। ভিয়েতনামে ধাক্কা তারা খেয়েইছিল, পাশাপাশি দেশেই ছাত্রসমাজের কাছে হার স্বীকার করতে হয়েছিল আমেরিকাকে। তেমন কিছু আজ হয়তো ভারতের সঙ্গে হতে চলেছে। সরকার যতই দাবি করুক, সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে... আদৌ কি তাই? বাড়তে থাকা অপরাধ প্রবণতা এই দাবির সবচেয়ে বড় অন্তরায়। নৃশংস ধর্ষণ, খুন, সমাজের আগ্রাসী হয়ে ওঠা কোনও রাষ্ট্রের জন্য ভালো বিজ্ঞাপন নয়! ধর্মীয় মেরুকরণ যে প্রবণতায় আরও বেশি অনুঘটকের কাজ করছে। একজন পড়ুয়াও চাইলে বিশ্বের স্বার্থান্বেষী ভাবনায় আঘাত হানতে পারে... গ্রেটা থুনবার্গ তার সবথেকে বড় প্রমাণ। দিনের পর দিন স্কুল কামাই করে পথে বসে থেকেছেন পরিবেশের জন্য। দূষণের ধারক-বাহক দেশগুলোকে চোখে আঙুল দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের জন্য আপনারা ভাবতে বাধ্য। ছাত্র রাজনীতি থেকে যদি নেতা বা নেত্রী উঠে আসে, তাহলেই একটা দল বা আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে একটা দেশ এগিয়ে যায়। ভারতের ছাত্রসমাজও যদি আন্দোলনের প্রতি এই সততা বজায় রাখতে পারে, আজ না হয় কাল পরিস্থিতি বদলাবেই। এখান থেকেই ফের উঠে আসবে সত্যিকারের নেতা। যাদের দিকে তাকিয়ে এগিয়ে আসবে আরও অনেকে। রাজনীতির জন্য। আর অবশ্যই, দেশের স্বার্থে।
14th  January, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
একনজরে
বেজিং, ১৯ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): চীনে মহামারীর আকার নিয়েছে করোনা ভাইরাস। বুধবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দু’হাজার ছাড়িয়ে গেল। একইসঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৫। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: মঙ্গলবার সকালে জগাছা থানার মৌড়িগ্রাম শ্মশানধার এলাকা থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের দেহ উদ্ধার করেছিল পুলিস। বিভিন্ন সূত্র কাজে লাগিয়ে বুধবারই সেই মৃতদেহের পরিচয় জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনায় চারজনকে মঙ্গলবার রাতেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ৫০ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পাখা বাজারে নিয়ে এল ওরিয়েন্ট ইলেকট্রিক লিমিটেড। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই পাখায় ইসিএম নামে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে সাধারণ পাখার তুলনায় এর বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ অনেকাংশে কম। ...

বিএনএ, শ্রীরামপুর: রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বুধবার শ্রীরামপুরে একটি মেলা ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন করতে এসে কারও নাম না করে এমনটাই দাবি করলেন রাজ্যপাল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। লটারি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সামাজিক ন্যায় দিবস
১৯৪৭- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্লিমেন্ট অ্যাটলি ঘোষণা করলেন, ১৯৪৮-এর জুন মাসের মধ্যে ইংরেজরা ভারত ত্যাগ করে চলে যাবে
১৯৫০- স্বাধীনতা সংগ্রামী শরৎচন্দ্র বসুর মৃত্যু
১৯৭১- স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ফব নেতা হেমন্ত বসু শহরের রাজপথে প্রকাশ্যে খুন হলেন  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৭৮ টাকা ৭৩.৩১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৭ টাকা ৯৫.৭৭ টাকা
ইউরো ৭৫.৫০ টাকা ৭৯.৫৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,১১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৫৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ ফাল্গুন ১৪২৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) দ্বাদশী ২৪/৩৬ অপঃ ৪/০। পূর্বাষাঢ়া ৩/১৫ দিবা ৭/২৮। সূ উ ৬/৯/৩৬, অ ৫/৩১/৩৪, অমৃতযোগ রাত্রি ১/৬ গতে ৩/৩৮। বারবেলা ২/৪১ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৫০ গতে ১/২৫ মধ্যে। 
৭ ফাল্গুন ১৪২৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, দ্বাদশী ২৭/৩৪/৪৬ সন্ধ্যা ৫/১৪/৪৩। পূর্ব্বাষাঢ়া ৭/২৪/৪১ দিবা ৯/১০/৪১। সূ উ ৬/১২/৪৯, অ ৫/৩০/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১/০ গতে ৩/২৮ মধ্যে। কালবেলা ২/৪১/০ গতে ৪/৫/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫১/৩৬ গতে ১/২৬/৫৪ মধ্যে। 
২৫ জমাদিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজভবনে রাজ্যপাল ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের একান্ত বৈঠক চলছে
রাজভবনে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে একান্ত ...বিশদ

05:11:50 PM

শিয়ালদহ-নয়াদিল্লি দুরন্ত এক্সপ্রেস এবার থেকে বিকানির পর্যন্ত যাবে 
বাড়তে চলেছে শিয়ালদহ-নয়াদিল্লি দুরন্ত এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ। এবার থেকে ট্রেনটি রাজস্থানের ...বিশদ

04:11:10 PM

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়: ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে জয়ী ডিএসএফ 

03:53:14 PM

এনজেপি স্টেশনে প্রচুর সংখ্যক মার্কিন ডলার সহ ধৃত ১ 

03:36:00 PM

অসুস্থ রানাঘাটের বিজেপি এমপি 
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে রানাঘাটের বিজেপি এমপি জগন্নাথ সরকার। গতকাল ...বিশদ

03:35:00 PM

ইএম বাইপাস লাগোয়া গাড়ির শোরুমে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন 

03:18:16 PM