Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সাধারণ মানুষ নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত। নেতারা রাজনীতিকে সম্বল করে ক্ষমতা দখল করছে। এই দেশে বাস করে কেউ দেশটার কথা চিন্তা করে না। একটা যুবক নিজেকে ভারতবাসী বলে ভাবে না বা তা নিয়ে গর্ব করে না। তাহলে কী জন্যে তুমি রাজনীতি করবে? কেন করবে? আমি ঠিক বুঝি না তোমাদের। কিন্তু মনে হয়, তোমরা নানান জিনিস দিয়ে প্রতিমা বানাও শুধু প্রতিমার জন্যে, ভক্তিটুকুই তোমাদের নেই...।
সরিৎশেখর যখন অনিমেষকে কথাগুলো বলছিলেন, তার প্রেক্ষাপট এখন থেকে প্রায় চার যুগ আগের। সমরেশ মজুমদারের ‘কালবেলা’ উপন্যাসের এই শব্দগুলো আজকের পরিস্থিতির সঙ্গেও বেশ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। আজও সেই রাজনীতির আবর্তে আবদ্ধ রাজনৈতিক নেতা, আখের গোছানোই যেখানে এক এবং একমাত্র লক্ষ্য... আর তার সঙ্গে রাজনৈতিক দিশাহীন ছাত্র রাজনীতি। শনিবার ধর্মতলার ধর্না-বিক্ষোভ থেকে যখন শোনা যাচ্ছে, ‘নরেন্দ্র মোদিকে যেতে গেলে আমাদের ছাত্রদের বুকের উপর দিয়ে যেতে হবে’, সেটাও বেশ অদ্ভুত একটা অনুভূতি। সত্যিই কি তাহলে এই একটা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ইস্যু ছাত্রসমাজকে একটা উদ্দেশ্য দিল? প্রতিমা গড়নের সঙ্গে সঙ্গে ভক্তিও?
আপাতদৃষ্টিতে উত্তরটা হ্যাঁ। আবার দূরদৃষ্টির কথা বললে... এখনও বলার সময় আসেনি। নামজাদা বেসরকারি কোম্পানির এক উচ্চপদস্থ কর্তা বলছিলেন, ‘এদের কজন আইনের ড্রাফ্ট পুরোটা ঠিকমতো পড়েছে জিজ্ঞেস করবেন। বাজি রাখছি, ১০০ জনে দু’জন পাবেন কি না সন্দেহ।’ কথাটা হয়তো ঠিক। সবাই শুনেছে, চায়ের দোকানে তর্ক করেছে, ভাসা ভাসা জেনেছে, আর তারপরই শুরু হয়ে গিয়েছে আন্দোলন। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লাগাতার বলে আসছেন, এটা নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। নাগরিকত্ব প্রদানের আইন। বিরোধীদের দাবি এবং সাধারণ শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের বিশ্লেষণ হল, এই আইন ধর্মীয় বিভাজক হয়ে দেখা দেবে। গত শুক্রবার রাতেই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন দেশে কার্যকর হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব, পরিণতি বা নেপথ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা চলছে-চলবে। প্রশ্ন হল, ছাত্র রাজনীতি এবং আন্দোলন কি এই ইস্যুতে সত্যিই একটা মাত্রা পাবে?
অনিমেষ যখন ছাত্র রাজনীতিতে এসেছিল, সেটা রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসের অন্যতম টালমাটাল সময়। নকশালবাড়ি আন্দোলন বাংলার ছাত্রসমাজের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল। তাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল আকাশছোঁয়া, কিন্তু পদ্ধতি ছিল ভুল। সেই ‘সশস্ত্র বিপ্লবে’র আগুনে পুড়ে গিয়েছিল বহু ভবিষ্যৎ। তারপর তারা আবিষ্কার করেছিল, দাহ্যবস্তুর সত্যিই কোনও সৃষ্টিশীল ক্ষমতা নেই। স্বাধীনতার পর খুব কম ইস্যু ছাত্রসমাজকে, ছাত্র রাজনীতিকে সঠিক কোনও দিশা দেখাতে পেরেছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে ছাত্রসমাজ যে এগিয়ে এসেছিল, তার একটা নির্দিষ্ট চালিকাশক্তি ছিল। দেশ। স্বাধীনতা। ১৯৪৭ সালের পর যে উদ্দেশ্যটা শেষ হয়ে যায়। তখন নতুন এমন কোনও চালিকাশক্তি ছিল না, যা ছাত্রসমাজকে বা আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেল ছাত্র রাজনীতিকে একটা ইতিবাচক লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। রাজনৈতিক নেতারা ছিলেন নিজেদের কেরিয়ার নিয়ে ব্যস্ত। ছাত্ররাও তাই। জাতীয় রাজনীতিতে ছাত্রসমাজের ভূমিকা বলতে আর কিছুই ছিল না। সবটাই রাজ্যভিত্তিক। এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসনির্ভর। হস্টেলের ফি বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন রাস্তায় নেমে আসতে পারে, কিন্তু দেশের অর্থনীতি শুধরাতে সরকারের কী করা উচিত, সে ব্যাপারে নতুন প্রজন্মের কোনও নির্দিষ্ট পরামর্শ থাকবে না কেন? নকশালবাড়ি আন্দোলনের দিশা প্রশ্নাতীত নয়। কিন্তু জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলন? সেই স্রোত ইন্দিরা গান্ধী সরকারকে পর্যন্ত টালমাটাল করে দিয়েছিল। তবে প্রকাশ্যে না হলেও নেপথ্যে কোথাও না কোথাও রাজনৈতিক রং বা আদর্শ ছিলই। ওই যে কথাটা... নিজেকে ভারতীয় ভেবে গর্ব বোধ করে, ভারতের জন্য আন্দোলন... সেটা কি হয়েছিল? হয়তো হয়েছিল... হয়তো কোনও কোনও ছাত্র সত্যিই রাজনীতির ব্যানারের বাইরে থেকেও শুধু দেশের জন্যই আত্মত্যাগ করেছিলেন। ত্যাগ ছাড়া সমাজ বা দেশ, কোনওটাই সম্পূর্ণ হয় না। সবটাই দাঁড়িপাল্লার খেলা। কেউ কোথাও ত্যাগ করেছে বলেই উল্টোদিকের আর একজন গ্রহণ করতে পেরেছে। ব্যালান্স। এর উপরই দাঁড়িয়ে পৃথিবী, রাজনীতি, আন্দোলন।
জেএনইউয়ের হস্টেল ফি বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন আজ জাতীয় রাজনীতির প্রধান চর্চা। আর তার জন্যও দায়ী রাজনীতি। জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে পুলিসের বিরুদ্ধে হামলা। শুরুটা এখান থেকেই। পুলিসের অভিযোগ ছিল, জামিয়ার পড়ুয়ারা দিল্লির রাস্তায় পুলিসের উপর চড়াও হয়েছে। তার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে কিছু তো করতে হতো! কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কিন্তু পুলিস ক্যাম্পাসে ঢুকতে পারে না! তারা সেটাই করেছিল। এমনকী সেদিন ভাঙচুর হয় লাইব্রেরি... যেখানে মিলেছিল কাঁদানে গ্যাসের শেলও। কোনও পড়ুয়ার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও ভেঙেছে হাত। এই ঘটনা গোটা দেশের ছাত্রসমাজকে খেপিয়ে দিয়েছে। যে বিক্ষোভ কয়েকটা জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হচ্ছিল, তা নেমে এসেছে রাস্তায়... দেশের নানা প্রান্তে। প্রায় সব বড় শহরে। ছাত্রসমাজের প্রতি কি এতটুকু সহিষ্ণুতা সরকার দেখাতে পারত না? এর নেপথ্যে তাহলে কী ছিল? শুধুই নিরাপত্তাহীনতা? ইন্দিরা গান্ধী না হয় ইমার্জেন্সি জারি করে হাত পুড়িয়েছিলেন। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির জমানায় পুলিস বা পুলিসকে চালানেওয়ালারা কেন এতটুকু সহিষ্ণু হবে না! আজকের যা পরিস্থিতি, তার নেপথ্য সম্ভাবনা অনেকগুলো হতে পারে... প্রথমত, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সত্যিই ধর্মীয় বিভাজন আনছে। সেটা যাতে জনমানসে আগুনের মতো ছড়িয়ে না পড়ে, সেই কারণেই আগেভাগে দমন করে দেওয়া ভালো। দ্বিতীয়ত, সবটাই ধন্দ। এমন কিছুই হবে না। বিরোধী প্রচারে প্রভাবিত হয়েই ভারতের আগামী প্রজন্ম আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছে। সে ক্ষেত্রে কি তাদের বোঝানোটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল না? যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। দেশের ছাত্রসমাজের স্লোগান আজ একটাই, সিএএ বাতিল করতে হবে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কেন্দ্র বিরোধী এই লড়াইয়ে তাদের প্রধান অস্ত্র। ক্যাম্পাসভিত্তিক, দলবিরোধী রাজনীতির প্রেক্ষাপট ছেড়ে বেরিয়ে এই আন্দোলন আজ হয়ে উঠেছে দেশের জন্য। যেখানে প্রতিমা আছে। আর ভক্তিও।
ঐশী ঘোষ কোন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করেন, তা বারবার প্রচারে আনছে বিজেপি। মানুষের কাছে কিন্তু তিনি জেএনইউয়ের এক পড়ুয়া। তাঁকে দিল্লি পুলিস অন্য মামলায় অভিযুক্ত করছে। অথচ যারা মাথা ফাটিয়ে ঐশীকে রক্তস্নাত করল, সেই মুখোশধারীদের হদিশ নেই। এই ছাত্রছাত্রীরা আজ গর্ববোধ করছেন নিজেদের ভারতীয় বলতে। শুধু কেরিয়ার নয়, মানুষের জন্য তাঁদের লড়াই। দেশের জন্য তাঁদের বিপ্লব। কোনও দলের জন্য নয়। নরেন্দ্র মোদি সরকারের যদি আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ থাকে, তাহলে তা ছাত্রসমাজ। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন মুলুকে প্রথম আওয়াজ তুলেছিলেন ছাত্ররা।
আমেরিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে সেই সময় ছাত্রসমাজের প্রশ্ন ছিল, ‘এত দূরের দেশে কেন আমেরিকা যুদ্ধ করবে? কেন ভিয়েতনামে গিয়ে আমাদের দেশের হাজার হাজার তরুণ প্রাণ দিয়ে আসবে?’ সেই আন্দোলনে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল মার্কিন সরকার। ভিয়েতনামে ধাক্কা তারা খেয়েইছিল, পাশাপাশি দেশেই ছাত্রসমাজের কাছে হার স্বীকার করতে হয়েছিল আমেরিকাকে। তেমন কিছু আজ হয়তো ভারতের সঙ্গে হতে চলেছে। সরকার যতই দাবি করুক, সব কিছু স্বাভাবিক রয়েছে... আদৌ কি তাই? বাড়তে থাকা অপরাধ প্রবণতা এই দাবির সবচেয়ে বড় অন্তরায়। নৃশংস ধর্ষণ, খুন, সমাজের আগ্রাসী হয়ে ওঠা কোনও রাষ্ট্রের জন্য ভালো বিজ্ঞাপন নয়! ধর্মীয় মেরুকরণ যে প্রবণতায় আরও বেশি অনুঘটকের কাজ করছে। একজন পড়ুয়াও চাইলে বিশ্বের স্বার্থান্বেষী ভাবনায় আঘাত হানতে পারে... গ্রেটা থুনবার্গ তার সবথেকে বড় প্রমাণ। দিনের পর দিন স্কুল কামাই করে পথে বসে থেকেছেন পরিবেশের জন্য। দূষণের ধারক-বাহক দেশগুলোকে চোখে আঙুল দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন, নতুন প্রজন্মের জন্য আপনারা ভাবতে বাধ্য। ছাত্র রাজনীতি থেকে যদি নেতা বা নেত্রী উঠে আসে, তাহলেই একটা দল বা আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে একটা দেশ এগিয়ে যায়। ভারতের ছাত্রসমাজও যদি আন্দোলনের প্রতি এই সততা বজায় রাখতে পারে, আজ না হয় কাল পরিস্থিতি বদলাবেই। এখান থেকেই ফের উঠে আসবে সত্যিকারের নেতা। যাদের দিকে তাকিয়ে এগিয়ে আসবে আরও অনেকে। রাজনীতির জন্য। আর অবশ্যই, দেশের স্বার্থে।
14th  January, 2020
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 চেন্নাইয়ে জন্মেছিলেন দুই বোন। নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের যোগ রাখতে কমলা এবং তাঁর বোন মায়ার ‘সংস্কৃত’ নাম রেখেছিলেন তাঁদের মা। ছোটবেলায় কমলার জীবনের অনেকটা অংশ ...

 সরাসরি স্কুল-কলেজে গিয়ে ক্লাস করা সম্ভব না হলেও অনলাইনে ক্লাসের উপর জোর দিয়েছে প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ...

ওড়িশার সেই লাল গাঁজা এখান থেকে ম্যাটাডর, ছোট গাড়িতে লোড হয়ে চলে যাচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো ভিন রাজ্যে। ...

 পুজোর আগে কাজের চাপে স্নান-খাওয়ার সময় থাকত না জাঙ্গিপাড়া, রাজবলহাট সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের তাঁতশিল্পীদের। করোনার কোপে তাঁরা আজ কাজ হারিয়ে কেউ রাজমিস্ত্রির জোগাড়ে, কেউবা ফেরিওয়ালা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ২,৯৩৬
গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২,৯৩৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাসের ...বিশদ

12-08-2020 - 08:58:00 PM

উত্তরপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৫৮৩ 
উত্তরপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৫৮৩ জন । ...বিশদ

12-08-2020 - 07:55:50 PM

৪৫ হাজারে দু মাসের সন্তানকেই বিক্রি করে দিল মা
৪৫ হাজারে নিজের দু’মাসের ছেলেকেই বিক্রি করে দিল মা। ঘটনাটি ...বিশদ

12-08-2020 - 07:32:03 PM

কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৭,৮৮৩ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭,৮৮৩ জন । ...বিশদ

12-08-2020 - 07:31:00 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯,৫৯৭ 
অন্ধ্রপ্রদেশে খুব দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। গত ...বিশদ

12-08-2020 - 07:02:02 PM

ফের মা হচ্ছেন করিনা কাপুর
ফের মা হচ্ছেন করিনা কাপুর খান। অর্থাৎ সইফ-করিনার পরিবারে আসতে ...বিশদ

12-08-2020 - 06:43:00 PM