Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নয়া স্থিতাবস্থা যুবসমাজকে রুষ্ট করছে
পি চিদম্বরম

এই ২০২০ সালের ভারতকে ১৯৬৮ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেখাচ্ছে। ১৯৬৮-তে ফ্রান্সের পরিস্থিতিও অনুরূপ ছিল।
আমার মনে আছে ১৯৬৮-তে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কাজকর্ম ভেঙে পড়েছিল। আর এই বিপর্যয় থেকে দেশকে উদ্ধারের দায়িত্ব বর্তেছিল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপর। ১৯৬৮-র এই যে বিরাট সঙ্কট তার মূল কারণ ছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ।
উত্তর ভিয়েতনাম ছিল কমিউনিস্টদের নিয়ন্ত্রণে। আর দক্ষিণ ভিয়েতনামে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, এই অজুহাতে যে সেইদিকে কমিউনিস্টদের অগ্রগমন ও আগ্রাসন তারা ঠেকাবে এবং গণতন্ত্রকে রক্ষা করবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী অধ্যায়ে ‘উদার গণতন্ত্র’ রক্ষা করার পক্ষের মতবাদটি জনপ্রিয় হয়েছিল। এই বিষয়ে সবচেয়ে স্পষ্ট বিভাজন ঘটে গিয়েছিল ইউরোপে। একপক্ষে ছিল কিছু তথাকথিত গণতান্ত্রিক দেশ আর অন্যপক্ষে ছিল কিছু তথাকথিত কমিউনিস্ট দেশ। এই বিভাজন রেখাটিকে উইনস্টন চার্চিল ‘লৌহ যবনিকা’ বলেছিলেন।
সেনা বাহিনীতে আবশ্যিকভাবে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। যুবরা ‘দেশসেবা’র প্রয়োজনে প্রতিরক্ষার বিভিন্ন বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের গোড়ার দিকে আমেরিকার বহু যুবক স্বেচ্ছায় কাজটি করেছিলেন। যুদ্ধটা যখন থেমেও থামছে না, মন্থর-একঘেয়ে-ক্লান্তিকরভাবে চলছে, এবং একের পর এক সরকারের মিথ্যাচার খোলসা হচ্ছে, তখন মার্কিনিদের সেই সমর্থনের জায়গা নিল সংশয়বাদ। সংশয় বদলে গেল সন্দেহে এবং সন্দেহ বদলে গেল বিরোধিতায়।
প্রতিবাদী কণ্ঠ প্রথম ধ্বনিত হল যুবসমাজের মধ্যে থেকে—বিশেষ করে ছাত্র এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীতে আহূত হয়েছিলেন যাঁরা তাঁদের মধ্যে থেকে। তাঁরা সরকারের কাছে প্রথম জানতে চেয়েছিলেন—বহু দূরে একটি দেশ ভিয়েতনাম, আমরা সেখানে যুদ্ধ লড়তে গিয়েছি কেন? শয়ে শয়ে আমেরিকান যুবককে সেখানে গিয়ে মরতে হচ্ছে কেন? তৎকালীন রাজনৈতিক ব্যবস্থা এর সদুত্তর দিতে পারেনি।
মার্কিন কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা হাওয়া বুঝতে দেরি করে ফেলেছিলেন। আর ব্যাপারটা যখন তাঁরা ধরে ফেললেন তখন মার্কিন প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা একরোখা হয়ে উঠলেন এবং গলার জোরে যুদ্ধের প্রয়োজনটাই ব্যাখ্যা করতে প্রয়াসী হলেন। কী কেনেডি, কী জনসন, কী নিক্সন—সকলের শ্রীমুখে এক ধুয়ো—ভিয়েতনাম যুদ্ধে আমেরিকার জয় কেবল সময়ের অপেক্ষা!
অবাক ব্যাপার, নিক্সনের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট শেষমেশ ওই যুদ্ধ থেকে পিছু হটার সিদ্ধান্ত নিলেন। কে এই রাষ্ট্রনায়ক? অন্যের উপর বলপ্রয়োগই যাঁর বিদেশনীতির সারকথা এবং কমিউনিস্টদের বিরোধিতায় যিনি অকৃত্রিম। তাহলে কেন তাঁর এই চৈতন্যোদয়? কারণ, দেরিতে হলেও তিনি সার বুঝে গিয়েছিলেন যে বিপুল অর্থ আর লোকক্ষয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে যা কোনোদিনই জেতার নয়।
কিছু ভীষণ রকমের ভুল
আজ ভারতজুড়ে বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যায় ক্যাম্পাসে যে আলোড়ন ক্ষোভ বিক্ষোভ আমরা দেখছি, তার সঙ্গে ১৯৬৮-র ঘটনার কিছু উল্লেখযোগ্য সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। আজকের ছাত্রসমাজ যুবসমাজ বুঝতে পারছে যে দেশ যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে তার ভিতরে কিছু ‘ভীষণ রকমের ভুল’ হয়ে যাচ্ছে। এই যে ক্ষোভের আগুন—তার সূত্র অনেক স্ফুলিঙ্গ। যেমন অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ব্যক্তিদের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে যাঁদের ‘ক্রিডেনশাল’ নিয়ে সংশয় রয়েছে, রাজ্যপাল/উপাচার্যদের অন্যায় হস্তক্ষেপ ঘটছে, তাঁরা অশোভনভাবে নিজেদের জাহির করছেন, অনেক শিক্ষকের নিয়োগও ত্রুটিপূর্ণ, পরীক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রেও অনেকসময় অব্যবস্থা লক্ষণীয়, ছাত্র-সংগঠনের স্বাভাবিক কাজকর্মও নিয়ন্ত্রিত করার প্রয়াস জারি রয়েছে, অন্যায়ভাবে ফি বৃদ্ধি করা হচ্ছে প্রভৃতি। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট মানসিকতা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এবং অন্যদের উপেক্ষা করে একটিমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শের ছাত্রদের ‘ফেভার’ করা হচ্ছে এবং সংঘর্ষে মদত দেওয়া হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে সবচেয়ে নিন্দনীয় ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে দিল্লিতে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ)। জেএনইউ প্রশাসন তো বিজেপির ছাত্র শাখা এবিভিপিকে খুল্লামখুল্লা মদত জুগিয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিবাদী কণ্ঠকে ‘টুকড়ে টুকড়ে গ্যাং’ বলে দেগে দেওয়া হয়েছে। ছাত্রনেতাদের রাষ্ট্রদ্রোহের কেসেও ফাঁসানো হয়েছে।
যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নয়া ‘স্থিতাবস্থা’ ভয়তাড়িত করে থাকে তো সাধারণভাবে দেশের ‘স্থিতাবস্থা’য় চলছে দমন-পীড়ন। প্রতিটি দিন নতুন নতুন করে উঠে আসছে ধর্ষণ আর গণপ্রহারে মৃত্যুর খবর, অপছন্দের লোকদের অপমান অমর্যাদার ঘটনা, এবং ইচ্ছেখুশি গ্রেপ্তারের ঘটনা। সরকার বৃদ্ধি, উন্নয়ন আর চকারির অলীক গল্প ফেঁদেই চলেছে। এতে ভয়ানক ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন যুবক-যুবতীরা—যাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠায় কাটছে, বিশেষত চাকরি-বাকরি হবে কি হবে না তা নিয়ে যাঁরা অশান্তিতে আছেন। ঠিকমতো পর্যবেক্ষণ করলে একজন ছাত্র বুঝতে পারছেন যে এই নয়া ‘স্থিতাবস্থা’ চালনা করছে যে-শক্তি, যে এটার বৈধতার পক্ষে সওয়াল করছে, সে আর কেউ নয়—শাসকের গরিষ্ঠতার ঔদ্ধত্য। এই শক্তি নানাভাবে নিজেকে প্রকট করে তুলছে: ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণুতার প্রকাশ, অন্যের বিশ্বাসের প্রতি ঘৃণাপ্রদর্শন, আইনশঙ্খলারক্ষার নামে অহেতুক কঠোর মনোভাব দেখানো, সেন্সরশিপ এবং অন্যসকল নিয়ন্ত্রণের বাড়াবাড়ি (যেমন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া), যুক্তিগ্রাহ্য ‘চার্জ’ আনতে না-পারা সত্ত্বেও অভিযুক্তদের দিনের পর দিন আটক করে রাখা, প্রতিবাদী বা অপছন্দের ছেলেমেয়েদের গায়ে প্রতিক্রিয়াশীল তকমা সেঁটে দেওয়া (অসবর্ণ কিংবা ভিন্নধর্মে বিবাহ অনুমোদন না-করা) প্রভৃতি।
অঙ্গীকারে প্রত্যাখ্যান
রাজনৈতিক স্তরে সংখ্যাগরিষ্ঠের ঔদ্ধত্য দেখা গেল যখন সরকার বিরোধীদের প্রতি তার অঙ্গীকার প্রত্যাখ্যান করে দিল এবং বিতর্কিত আইন সংসদে তড়িঘড়ি পাশ করালো। একটি দৃষ্টান্ত এই: ভারতের সংবিধানের ৫-১১ নম্বর অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের বিষয়গুলি আলোচিত হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ ক’টি গৃহীত হয়েছিল গণপরিষদে তিনমাসব্যাপী বিতর্ক-আলাপ-আলোচনার পর। আর এদিকে কী হল দেখুন! ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখ নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিল ২০১৯-কে মন্ত্রিসভা অনুমোদন করল, এরপর সংসদের উভয় কক্ষে তা পাশ করানো হল, এবং সেটাকে আইনে পরিণত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হল ১১ ডিসেম্বর—অর্থাৎ সবটাই সেরে নেওয়া হল মাত্র ৭২ ঘণ্টার ভিতরে!
ভারত রাষ্ট্র এবং সংবিধানের পক্ষে এই যে বাস্তব বিপদটি উপস্থিত হল, তার বিরুদ্ধে সবার আগে ঘুম ভেঙেছে ছাত্রদের এবং যুবদের। তাঁদের এই ভূমিকা রাজনৈতিক দলগুলিকেও ছাপিয়ে গিয়েছে—এমনকী যেসব দল ব্যাপক হালুম-হুলুম করেছে, ছাপিয়ে গিয়েছে তাদেরকেও। ছাত্র-যুবরা যথার্থ উপলব্ধি করেছেন যে সংখ্যাগরিষ্ঠের এই ঔদ্ধত্য এবং পদক্ষেপই শেষমেশ ‘অথরিটারিয়ানিজম’-এর দিকে গড়াবে। আমরা জানি, অথরিটারিয়ানিজম হল এমন একটা ভয়ানক ব্যবস্থা, যেখানে ব্যক্তিস্বাধীনতার জায়গায় গুরুত্ব পায় সরকারের প্রতি আনুগত্যের নীতি। ছাত্র-যুবরা আরও বুঝেছেন, সরকারের এই নীতি ভারতকে বিভক্ত করবে এবং ভারতবাসীকেই ভারতবাসীর বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেবে। অধিকার, বিশেষ মর্যাদা এবং সুযোগ-সুবিধার প্রশ্নে দেশের কিছু মানুষের গুরুত্ব খর্ব হবে। এই যে সর্বনাশা কাণ্ডটা হচ্ছে এর ফলে দেশ সত্তর বছর পিছনে ফিরে যাবে এবং স্বাধীনতার পর থেকে এই পর্যন্ত দেশের যাবতীয় প্রাপ্তি নস্যাৎ হয়ে যাবে।
আজকের প্রজন্মের ভিতরে নিরপেক্ষতা ও নিস্পৃহতার যে-ভাবটা ছিল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন সেটাকে নষ্ট করেছে। অন্যদিকে, এই আইন ভীষণ লজ্জিত করেছে বয়স্কদেরকে। হাজার হাজার কমবয়সি নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে এসে জাতীয় পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরে পদযাত্রা করেছেন, মোমবাতি হাতে মিছিল করেছেন, প্রতিবাদীদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন আর সংবিধানের প্রস্তাবনার গভীর তাৎপর্য দেশবাসীর উপলব্ধিতে এনে দিয়েছেন। প্রত্যাশামতোই পাওয়া গিয়েছে শাসক গোষ্ঠীর প্রতিক্রিয়া—তারা অন্ধ গতানুগতিক ভাবে ক্রোধে ফেটে পড়েছে। একইসঙ্গে লক্ষ করা গিয়েছে যে, শাসক আজ নার্ভাস, সোজা কথায়, বড্ড ভয় পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে দিয়েছেন যে, ‘‘আমরা সিএএ থেকে এক ইঞ্চিও সরছি না’’। মনে হচ্ছে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তি আর একটা অনড় বাধার সম্মুখীন। কাউকে অথবা কিছু একটা ছাড়তে হবে। ভারতের ভাগ্য ও ভবিষ্যৎ এটার উপরেই ঝুলে রয়েছে। বছরের একটা অশুভ সূচনা হল। 
13th  January, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপালের হামলার কোনও সতর্কবার্তা এখনও জারি করেনি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রক। কিন্তু, রাজ্য কৃষিদপ্তরের আধিকারিকরা বলছেন, উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলির তুলনায় অনেক ...

নয়াদিল্লি, ২৭ মে: বিভিন্ন হোটেলের শ্রেণিবিন্যাস ও অনুমোদনের সময়সীমা ৩০ জুন পর্যন্ত বর্ধিত করল পর্যটন মন্ত্রক। এই অনুমোদনের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর। মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে আতিথেয়তা শিল্প একটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এগচ্ছে। ...

জয়পুর, ২৭ মে: দেশে করোনার সংক্রমণের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে পঙ্গপালের হানা। ইতিমধ্যে পশ্চিমের রাজ্যগুলিতে হানা দিতে শুরু করেছে পঙ্গপালের ঝাঁক। লকডাউনের মধ্যে নয়া ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিক, তীর্থ যাত্রী বা চিকিৎসার কাজে বাইরে যাওয়া মানুষজনকে নিয়ে একের পর এক ট্রেন আসছে হাওড়া স্টেশনে। প্রায় প্রতিদিনই কমপক্ষে একটি ট্রেন তো ঢুকছেই হাওড়ায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যাধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪২ - লন্ডনে প্রথম ইনডোর সুইমিংপুল চালু
১৮৮৩- স্বাধীনতা সংগ্রামী বিনায়ক দামোদর সাভারকারের জন্ম
১৯২৩- রাজনীতিক ও তেলুগু দেশম পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের জন্ম
২০১০- পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানশ্বেরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৪১জনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৬.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯৪.১২ টাকা
ইউরো ৮১.২৯ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী ৪৬/১৯ রাত্রি ১১/২৮। পুষ্যা নক্ষত্র ৬/১৬ দিবা ৭/২৭। সূর্যোদয় ৪/৫৬/১৭, সূর্যাস্ত ৬/১১/২০। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৩ গতে ৯/২ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ২/৫২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৩৪ গতে ১২/৫৪ মধ্যে।
১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার, ষষ্ঠী রাত্রি ৮/৫৩। পুষ্যানক্ষত্র প্রাতঃ ৫/৩৫ পরে অশ্লেষানক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৪৫। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৪০ গতে ৬/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ গতে ৯/১০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৪ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৩৫ গতে ১২/৫৫ মধ্যে।
৪ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজ কেরলে করোনায় আক্রান্ত ৮৪ জন 

05:56:38 PM

গড়ফায় মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ বাবা, মা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে 
গড়ফায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ...বিশদ

04:34:04 PM

করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে সম্বিত পাত্র 
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র। ...বিশদ

04:06:43 PM

পঃমেদিনীপুরে বজ্রপাতে পুড়ল বাড়ি
বজ্রপাতে পুড়ে গেল খড়ের ছাউনি বাড়ি। ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ...বিশদ

02:04:14 PM

লকডাউনের মেয়াদ নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবকে কী বললেন মুখ্যসচিব
এখনই কন্টেইনমেন্ট জোন থেকে লকডাউন তোলার পক্ষে নয় রাজ্য সরকার। ...বিশদ

01:52:00 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ৭৫ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২,৪৯৩ 

12:53:12 PM