Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বামী বিবেকানন্দের দৃষ্টিতে মানুষের কথা বলাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম
হিমাংশু সিংহ

আজ ১২ জানুয়ারি। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন। তারকাখচিত বাঙালি জাতির ইতিহাসে মহামানবের জন্মদিনের তালিকা কম দীর্ঘ নয়। তার মধ্যেও তিন শ্রেষ্ঠ ভারতসন্তানের জন্মদিনের মাহাত্ম্য শতবর্ষ পরেও প্রতিবছরই গোটা জাতিকে আবেগে শ্রদ্ধায় ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রথমজন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। দ্বিতীয়জন আধ্যাত্মিক ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের মানসপুত্র স্বামী বিবেকানন্দ। এবং তৃতীয়জন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ১৮৬১তে রবীন্দ্রনাথ। দু’বছর পর ১৮৬৩-তে স্বামী বিবেকানন্দ। ঠিক যেন হিসেব করে বাঙালির আধ্যাত্মিক চেতনার দুই অগ্রদূতকে পাঠিয়েছিলেন সর্বশক্তিমান। আর ১৮৯৭-তে নেতাজি সুভাষ। মাত্র ৩২ বছরের মধ্যে বাঙালির স্বর্ণখচিত ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল তিন ব্যক্তিত্বের জন্ম। তিনজনই দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য, বিশ্বজনীন মনুষ্যত্বের উন্মেষের জন্য কাজ করে গিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ একবার রোমাঁ রোলাঁকে বলেছিলেন, যদি ভারতবর্ষকে জানতে চাও তবে বিবেকানন্দকে জানো। আর তিনজনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ নেতাজি সুভাষচন্দ্র স্বামীজি সম্পর্কে বলেছেন, শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দের নিকট আমি যে কত ঋণী তা ভাষায় কী করে প্রকাশ করব? চরিত্র গঠনের জন্য ‘রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ সাহিত্য’ অপেক্ষা উৎকৃষ্ট সাহিত্য আমি কল্পনাও করতে পারি না।
প্রকৃতপক্ষে ঠাকুর ও স্বামীজির এই একে অন্যের পরিপূরক হয়ে ওঠা এবং বাঙালির আধ্যাত্মিক জীবনকে নতুনভাবে নতুনরূপে উদ্ভাসিত করে তোলার মধ্য দিয়েই বাঙালির গত একশো বছর ও তার বেশি সময়ের ধর্মজীবন আন্দোলিত। এর একটাই কারণ গুরু শিষ্য দু’জনেই সাধারণ মানুষ মুচি মেথরের মধ্যে ভগবানকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দীন দরিদ্রের মধ্যে ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘আশীর্বাদ করি, তোমাদের চৈতন্য হোক।’’ আর তাঁর মানসপুত্র স্বামী বিবেকানন্দ আরও একধাপ এগিয়ে চৈতন্যের উন্মেষের সঙ্গে প্রকৃত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। তিনি বুঝেছিলেন, জগতের সব ধনরাশিকে এক করলেও মানুষের শক্তি তার চেয়ে অনেক বেশি, অনেক মূল্যবান। তাই স্বামীজির কাছে বড় বড় ধর্মগ্রন্থ, আধ্যাত্মিক আলোচনা, বেদ-উপনিষদের ব্যাখ্যার চেয়েও অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রকৃত মানুষ তৈরি করা এবং সর্বোপরি মানুষের ভালোর জন্য কাজ করা। তাই তিনি বলেছেন, এস মানুষ হও। মনে রেখো—মানুষ চাই, পশু নয়। স্বামীজির প্রয়াণের শতবর্ষ পরেও আজকের ভোগবাদী কম্পিউটার শিক্ষিত দুনিয়াতে যে-দুটি জিনিসের সবচেয়ে বড় অভাব, তা হচ্ছে ওই চৈতন্য এবং প্রকৃত মানুষ। সত্যিই আজকের দিনে প্রকৃত মানুষেরই বড় অভাব অনুভূত হয়। রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের কুৎসিত আচারআচরণ উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে। এত রাজনৈতিক ওঠাপড়ার মধ্যেও মনীষীদের জন্মের বিশেষ দিনগুলি আমাদের উজ্জ্বল অতীতের স্মৃতিগুলিকে জাগিয়ে তোলে। তাই এই বিশেষ দিনগুলি উদযাপনের গুরুত্ব অসীম।
স্বামীজির ধর্ম ও জীবন সাধনা ছিল সম্পূর্ণ মানুষকেন্দ্রিক। যে সন্ন্যাসধর্ম হৃদয় পাষাণ করতে উপদেশ দেয় আমি সেই সন্ন্যাস মানি না, গ্রাহ্য করি না। এই ছিল তাঁর ধর্ম ও জীবন চর্চার সারকথা। তিনি বার বার বলেছেন, সন্ন্যাসী মানুষকে সংস্কারে বেঁধে ভয় দেখাবে কেন? বরং, কুসংস্কারে আচ্ছন্ন না-থেকে নরনারীর মধ্যে আত্মবিশ্বাসের শক্তি সঞ্চার করার উপরেই স্বামীজি বেশি জোর দিয়েছিলেন। কারণ
তিনি জানতেন, আত্মবিশ্বাসই মানুষের প্রকৃত কল্যাণসাধন করতে পারে। জাগতিক বন্ধন থেকে মুক্তি দিতে পারে। জগতের যা-কিছু উন্নতি তা তো সম্ভব হয়েছে মানুষের শক্তিতেই। এই জন্যেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মিশনের আত্মা লুকিয়ে আছে—‘বহুজন হিতায়, বহুজন সুখায়’ মন্ত্রের ভিতরে। আত্মবিশ্বাস থাকলে আপনা থেকেই শক্তি আসবে। এই ছিল স্বামী বিবেকানন্দের অদম্য সাহস ও
সন্ন্যাসী জীবনের মূলমন্ত্র।
এই কারণেই স্বামী বিবেকানন্দের ধর্ম ও সাধনা শুধুমাত্র বেদ বেদান্ত আর আধ্যাত্মিক লেকচারে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি তাঁর জীবনচর্চায় এবং গুরুভাইদের উপদেশ দিতে গিয়ে বার বার বলেছেন, ধর্মের আগে মানুষের পেটের চিন্তা দূর করতে হবে। তিনি বলেছেন, এই বিশাল দেশে একটা কুকুরও যতক্ষণ অভুক্ত থাকবে ততক্ষণ আমার ধর্ম হবে তাকে খাওয়ানো। সেবা করা ব্যতীত আর সবই তাঁর কাছে ছিল অধর্ম। তাই মানুষের কল্যাণে তাঁর শ্রেষ্ঠ উপদেশ, জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। পাশাপাশি ক্ষমতাপ্রিয়তা, লোভ ও ঈর্ষা থেকে তিনি সবসময় সন্ন্যাসীদের দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন, সাহসীরাই শুধু বড় কাজ করতে পারে। ইহলোক পরলোক বলে কিছু হয় না, ওসব ছোটদের জন্য। সবই আছে এখানে। মানুষকে সেবা করার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরকে পাওয়ার কথা বলেই তিনি ক্ষান্ত হননি। বার বার বলেছেন, মানুষের দুর্বলতাকে প্রকট করে তোলা কোনও প্রতিকার নয়। বরং তার সবলতা ও সুপ্ত ক্ষমতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়াই প্রকৃত প্রতিকার। এতদ্দ্বারা মানুষ তার শক্তির খোঁজ পাবে, আত্মবিশ্বাসী হবে। আর এই দু’টি মিললেই জয় নিশ্চিত। সে ধর্মই হোক কিংবা সংসার।
আজ যে কুসংস্কার এখনও আমাদের আচ্ছন্ন করে রেখেছে তার বিরুদ্ধে স্বামীজি প্রথম থেকেই ছিলেন খড়্গহস্ত। কিন্তু কুসংস্কারের চেয়েও ধর্মান্ধতা সভ্যতার আরও বড় শত্রু, তা তিনি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছিলেন। সেই কারণেই তিনি বলে গিয়েছেন, ধর্মোন্মত্ততা না-গেলে মানবসমাজের উন্নতি সম্ভব নয়। যে-ভগবান অন্ন দিতে পারেন না তিনি স্বর্গে আমার জন্য অনন্ত সুখ রাখবেন কীভাবে! আসলে, প্রচলিত ধর্মের নাগপাশ থেকে মুক্ত করে স্বামী বিবেকানন্দ ধর্মের ফলিত শিক্ষার উপরেই জোর দিয়েছিলেন। তিনি চাইতেন সবাই সবকিছু পরখ করে নিক। অলৌকিক কিছু বা ভোজবাজির খেল ধর্ম নয়। ধর্ম ও শিক্ষা স্বামীজির দৃষ্টিতে ছিল—মানুষের ভিতর যে পূর্ণতা প্রথম থেকেই বিদ্যমান তারই সম্যক প্রকাশ।
গুরু শ্রীরামকৃষ্ণকেও স্বামী বিবেকানন্দ শুধু পরখই করেননি রীতিমতো বাজিয়ে নিয়েছিলেন। একবার নয়, তিনবার। গুরু-শিষ্যের প্রথম দেখা ১৮৮১-র নভেম্বরে। প্রথম দর্শন ঠাকুরের অত্যন্ত কাছের ভক্ত সুরেন্দ্রনাথ মিত্রের বাড়িতে। তখন তিনি নরেন্দ্রনাথ, বয়স ১৮। সুগায়ক, সৌম্যদর্শন, ফর্সা চেহারা। ঠাকুরকে গান শোনালেন। মন চলো নিজ নিকেতনে। ঠাকুর পরে বলেছিলেন, পশ্চিমের দরজা দিয়ে নরেন ঢুকেছিল। যেন ঠিক দমকা হাওয়া। ঠাকুর প্রথম দর্শনেই চিনতে পেরেছিলেন তাঁর মানসপুত্রকে। আর তাতেই তিনি আহ্লাদে গদ গদ হয়ে বলেছিলেন, এতদিন পরে আসতে হয়! আমি কতটা প্রতীক্ষা করে আছি সেটা একবার ভাববে না? কিন্তু সেই দেখাতে ঠাকুর আহ্লাদিত হলেও নরেন্দ্র কিন্তু নিজেকে এত সহজে সঁপে দেননি গুরুর চরণে। এর পর দ্বিতীয় বার এবং তৃতীয় বার গুরু-শিষ্য মুখোমুখি হয়েছিলেন। দ্বিতীয় বার শ্রীরামকৃষ্ণ আলাদা করে নরেনকে ছুঁয়ে দিতেই সারা পৃথিবী যেন দুলতে শুরু করেছিল। কিন্তু এবারও নরেনের পুরোপুরি বিশ্বাস ঠাকুর জিততে পারেননি। একটা সংশয় ছিলই। গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক একেবারে প্রগাঢ় রূপ নিয়েছিল তৃতীয় বারের দেখাশোনায়। এবার শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর হাতটি ধরে ছুঁয়ে দিতেই নরেন সেদিন বাহ্যজ্ঞান হারিয়েছিলেন।
পরে নরেন প্রশ্ন করেছিলেন, আপনি ভগবানকে দেখেছেন? স্থির প্রশান্ত দৃষ্টিতে ঠাকুর উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ দেখেছি, ঠিক তোকে যেমন
দেখছি! এভাবেই শ্রীরামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দ ভারতের আধ্যাত্মিক চেতনা ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের এক আমূল বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছিলেন। ১৮৮৪ সালে স্বামীজির পিতৃবিয়োগ ঘটে। সংসার অনটনের মধ্যে পড়ে।
আর ১৮৮৫ সালে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন কর্কট রোগে। সেই সময় নরেনের সাংসারিক অনটন ঠাকুরকে অত্যন্ত স্পর্শ করেছিল। নরেন তখন চাকরির খোঁজে সকাল বিকেল ঘুরে বেড়াচ্ছেন। একদিন এক ভক্তের বাড়িতে আবার গুরু-শিষ্যের সাক্ষাত। ঠাকুর নরেনকে পাঠালেন মায়ের কাছ থেকে কিছু চেয়ে নিতে যাতে তার সংসারের অভাব-অনটন দূর হয়। কিন্তু স্বামীজি তা চাইতে পারেননি, উল্টে চেয়েছিলেন— জ্ঞান, শিক্ষা, বৈরাগ্য। শেষে সব শুনে ঠাকুর বলেছিলেন, যা তোর মোটা চালের ভাত আর কাপড়ের অভাব হবে না। আর ঠিক ওইখান থেকে শ্রীরামকৃষ্ণ আর স্বামীজির অসামান্য যুগলবন্দি শুরু। ১৮৮৬-তে আগস্ট মাসে ঠাকুরের তিরোধানের পর সাময়িক সঙ্কটে পড়লেও বরানগরের মঠ থেকে শুরু করে স্বামী বিবেকানন্দের গুরুভাইদের জয়যাত্রার পথে আর কোনও কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। যা পরে বিস্তার লাভ করে গঙ্গার ওপারের বেলুড় মঠে। ১৮৯৭ এর ১ মে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের। অবশ্য তার অনেক আগেই ১৮৯৩ সালে স্বামী বিবেকানন্দের রামকৃষ্ণ ভাবান্দোলন এরপর আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় ঝড় তোলে। শিকাগো বিশ্ব ধর্মসম্মেলনের মঞ্চ থেকে তাঁর অসামান্য মানবিক বক্তৃতার মাহাত্ম্যে গোটা আমেরিকা উদ্বেল হয়ে ওঠে। স্বামীজির ওই একটি কথা—‘ব্রাদার্স অ্যান্ড সিস্টার্স অব আমেরিকা’ বিশ্ব মানচিত্রে ভারতের আধ্যাত্মিক প্রগতির অসামান্য প্রতীক।
এরপর ১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাস। ঠাকুর-স্বামীজির প্রথম সাক্ষাতের ঠিক ১৪ বছর পর এল আর এক অবিস্মরণীয় শুভক্ষণ। লন্ডনের ওই হিমশীতল সন্ধ্যায় হঠাৎই যেন ওয়েস্টএন্ডের এক সুন্দর পরিচ্ছন্ন বাড়ির দরজা হাট করে খুলে গেল
কোন এক দমকা হাওয়ায়। প্রাচ্যের পথিক স্বামীজির সঙ্গে দেখা হয়ে গেল পাশ্চাত্যের এক বিদেশিনীর।
নাম মার্গারেট নোবেল। যিনি পরবর্তীকালে হয়েছিলেন ভগিনী নিবেদিতা। বাইরে ধীরে ধীরে তখন
অন্ধকার নেমে আসছে। আর ভিতরে প্রাচ্যের
এক অসামান্য সাধুর শরীরের আলোক বিচ্ছুরণে জীবনের গতিপথটাই বদলে গেল এক বিদেশিনীর। তাঁকে ভেঙেচুরে এ-দেশের সাধারণ মানুষের
কল্যাণে নিয়োজিত করলেন স্বামীজি। যেন সেবার অসামান্য প্রতিমূর্তি। এ দৃষ্টান্ত ইতিহাসে আর ক’টা আছে! কলকাতার যখন মারণ প্লেগে মানুষ মরছে তখনও জীবন বাজি রেখে মানুষের জন্য ছুটছেন
তিনি। বোসপাড়ার সেই নোনাধরা বাড়ি থেকে যিনি স্বামীজির আদর্শকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।
যে-জন্য বীর নেতাজি পর্যন্ত বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, যদি স্বামী বিবেকানন্দকে জানতে চাও নিবেদিতাকে সম্যকভাবে জানো। আর স্বয়ং সেই মহামানব
স্বামীজি কী বলে গিয়েছেন? একশো বছর আগে
তিনি বলে গিয়েছেন, যে দেশ নারীদের সম্মান
দেয় না সে কখনও উন্নতি করতে পারে না, এগতে পারে না। আজ দেশে প্রতিদিন নারী নির্যাতন
যেভাবে বাড়ছে। এবং তা দেখে যখন আমাদের লজ্জায় মুখ লুকোতে হচ্ছে তখন মহামানবের
সেই বাণীর তাৎপর্য আরও বেশি করে আমরা
উপলব্ধি করছি।  
12th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

17th  January, 2020
হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

17th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে।  
বিশদ

16th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে
হারাধন চৌধুরী

সিএএ, এনআরসি প্রভৃতি ভারতের মানুষ গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনও হয়নি। তবে, এটুকু বলা যেতে পারে—এই ইস্যুতে ব্যাহত হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা দ্রুত পিছিয়ে পড়ছি। পাশাপাশি এই অধ্যায় বহির্ভারতে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আমাদের এমন কিছু করা উচিত হবে না যার দ্বারা অন্তত বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্বাহু নৃত্য করে পাকিস্তানের মৌলবাদী শক্তি। 
বিশদ

16th  January, 2020
রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
বিশদ

14th  January, 2020
হবু-গবুর রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ভক্ততন্ত্র তালিকা
সন্দীপন বিশ্বাস

সকালবেলা মন্ত্রী গবু হন্তদন্ত হয়ে হবুরাজার ঘরে ঢুকে গিয়ে দেখেন রাজামশাই কম্পিউটারের সামনে বসে ‘কমান্ডো এনকাউন্টার শ্যুটিং গেম’ খেলছেন। মহারাজা পুরোপুরি বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে কম্পিউটারের ভিতর যেন ঢুকে পড়েছেন। গেমটা খুব মজার এবং কঠিন। বন্দুক নিয়ে একজন কমান্ডার ঢুকে পড়েছে শত্রুদের ঘাঁটিতে। 
বিশদ

13th  January, 2020
নয়া স্থিতাবস্থা যুবসমাজকে রুষ্ট করছে
পি চিদম্বরম

এই ২০২০ সালের ভারতকে ১৯৬৮ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেখাচ্ছে। ১৯৬৮-তে ফ্রান্সের পরিস্থিতিও অনুরূপ ছিল। আমার মনে আছে ১৯৬৮-তে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কাজকর্ম ভেঙে পড়েছিল। আর এই বিপর্যয় থেকে দেশকে উদ্ধারের দায়িত্ব বর্তেছিল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপর। ১৯৬৮-র এই যে বিরাট সঙ্কট তার মূল কারণ ছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ।  
বিশদ

13th  January, 2020
সরকারি প্রকল্প বনাম ভোট মেরুকরণ
তন্ময় মল্লিক

বিজেপির ভোট মেরুকরণের রাজনীতি মোকাবিলার একমাত্র হাতিয়ার সামাজিক প্রকল্পে বেনিফিসিয়ারির সংখ্যা বাড়ানো। সে কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে বেনিফিসিয়ারির সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়েছে। কারণ ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির ফিডব্যাক বলছে, বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা এবং বাংলা আবাস যোজনায় ঘরের চাহিদা প্রচুর।
বিশদ

11th  January, 2020
নতুন ভারত
সমৃদ্ধ দত্ত

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনধিকারীদের প্রবেশে কেউ আপত্তি করলে, বিরুদ্ধমতাবলম্বীদের বাছাই করে করে মারতে হবে। এবং মাথায় মারাই নিয়ম এক্ষেত্রে। কারণ দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তাশক্তি এবং ভাবনায় ফারাক করে দেয় একটাই জিনিস, মাথা অর্থাৎ মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কেই থাকে মেধা। সুতরাং মাথাকে সবরকম ভাবে টার্গেট করাই যুক্তিযুক্ত ভাবা হচ্ছে। এভাবে একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, হয় মগজ ধোলাইয়ের কোর্স চালু হোক অথবা মাথা ফাটানোর পারমিশন দেওয়া হোক। একান্তই যদি এগুলো সম্ভব না হয়, তা হলে যে সব মনীষী আধুনিক উন্নত চিন্তাশক্তির জনক, তাঁদের মূর্তি ভাঙতে হবে। যেমন কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে হয়েছে। ভাঙতে হলে বাঙালি মনীষীর মূর্তিই হয় টার্গেট। মাথায় মারতে হলেও বাঙালি ছাত্রী ও অধ্যাপিকাই টার্গেট হয়। বিশদ

10th  January, 2020
মিশন ২০২১: নাগরিকত্ব ইস্যু কি বঙ্গ বিজেপির পথের কাঁটা হয়ে উঠছে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

ক্ষমতায় আসার পর মমতা রাজ্যের যেখানে যা উন্নয়ন উন্নতি করেছেন তার ফল সরাসরি পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। বড় ও ভারী শিল্প হয়তো তিনি এখনও তেমন আনতে পারেননি, তবে ওই উন্নয়নের জোয়ারে এবং অব্যর্থতায় বাংলার গরিব সাধারণের জীবনযাত্রার মান ও গতিতে যে উন্নতি ঘটিয়েছেন— তা এই বঙ্গের ইতিহাসে অনন্য, মুখে না মানুন মনে মনে মানেন সকলেই। সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম আমলের সূচনায় ভূমি সংস্কার ছাড়া মমতার এই উন্নয়নের তুল্য উদ্যোগের নজির খুব কি আছে যাতে উপকৃত হয়েছেন গরিব প্রান্তিক মানুষ থেকে শহর বস্তির সাধারণজন?
বিশদ

09th  January, 2020
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এনআরসি এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে এখন সরগরম গোটা রাজ্য। ডান-বাম উভয়েই আন্দোলনে শামিল হয়েছে। আর এই আবহে কলেজে কলেজে ছাত্রভোটের সম্ভাবনা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেল। আগামী চার-পাঁচ মাসের মধ্যেও এই ভোট না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ...

 ওয়াশিংটন, ১৭ জানুয়ারি: কথায় বলে, চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী’। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এই প্রবাদ যে কতটা লাগসই, ফের তার প্রমাণ মিলল। মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র এবং তা বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি চোরাচালানে আরও একবার নাম জড়াল পাকিস্তানের। ...

 আমেদাবাদ, ১৭ জানুয়ারি (পিটিআই): সমস্ত বিদেশি কোম্পানিকে আইন মেনে ভারতে বিনিয়োগ করতে হবে। আমাজনের লগ্নি নিয়ে মন্তব্যের পর শুক্রবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। ...

 সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি, ১৭ জানুয়ারি: মেগা ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করছে কেন্দ্র। কৃষক থেকে শ্রমিক। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী থেকে ক্ষুদ্র ঋণগ্রাহকের সংখ্যা। মোদি সরকার বিভিন্ন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

উচ্চবিদ্যায় ভালো ফল হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে সুযোগ আসবে। কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: সঙ্গীতশিল্পী কে এল সায়গলের মৃত্যু
১৯৭২: ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলির জন্ম
১৯৯৬: রাজনীতিক ও অভিনেতা এন টি রামারাওয়ের মৃত্যু
২০০৩: কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু
২০১৮ – বিশিষ্ট বাঙালি সাংবাদিক ও কার্টুনিস্ট চন্ডী লাহিড়ীর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৭ টাকা ৭১.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.২২ টাকা ৯৪.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৬১ টাকা ৮০.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৪৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৩৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৮,৯৪৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৬, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, নবমী ৫৪/৫ দিবা ৪/১। স্বাতী ৪৪/৪১ রাত্রি ১২/১৬। সূ উ ৬/২৩/৪, অ ৫/১০/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫০ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৮ গতে ১০/২৭ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ১/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৫১ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/৭ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
৩ মাঘ ১৪২৬, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, অষ্টমী ৬/৩২/৩৮ দিবা ৯/২/৫৩। স্বাতী ৫২/৪১/৩১ রাত্রি ৩/৩০/২৬। সূ উ ৬/২৫/৫০, অ ৫/৯/৩২, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৫৭ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ২/০ মধ্যে ও ২/৫২ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/১৯ মধ্যে ও ৩/৪৯/৪ গতে ৫/৯/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৯/৪ মধ্যে ও ৪/৪৬/১৮ গতে ৬/২৫/৫৫ মধ্যে। 
২২ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 ফের বনদপ্তরের ফাঁদে চিতা
ফের বনদপ্তরের পাতা ফাঁদে ধরা পড়ল আরও একটি চিতা। চিতাটি ...বিশদ

11:08:03 AM

জামিনে মুক্ত হয়েই নির্যাতিতার মাকে পিটিয়ে খুন করল অভিযুক্তরা
ফের সংবাদ শিরোনামে যোগীর রাজ্য। এবার নাবালিকা মেয়ের শ্লীলতাহানির ঘটনায় ...বিশদ

11:03:25 AM

বর্ধমানে লরির ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু, উত্তেজনা
লরির ধাক্কায় মহিলার মৃত্যু বর্ধমানে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ সকালে বর্ধমানের ...বিশদ

10:41:32 AM

বীরভূমে লরি ঢুকল চায়ের দোকানে, মৃত ১
সাতসকালেই দুর্ঘটনা বীরভূমে। লরি ঢুকল চায়ের দোকানে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লরিটি ...বিশদ

10:35:00 AM

পর্ণশ্রীতে মাথায় আঘাত করে লুঠ ৩ লক্ষ টাকা
দক্ষিণ কলকাতার পর্ণশ্রী এলাকায় মাথায় আঘাত করে লুঠ করা হল ...বিশদ

10:11:43 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, শনিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:05:09 AM