Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাজনৈতিক স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে
আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ হোক
হিমাংশু সিংহ

শনিবার যখন এই লেখা লিখছি তখনও চারদিক থেকে গণ্ডগোল, অবরোধ, আগুন লাগানোর খবর আসছে। নাগরিক বিল নিয়ে এককথায় রাজ্য উত্তাল। কিন্তু এই অশান্তি কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে তাই মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন মেনে হাঙ্গামায় প্ররোচনা দেওয়া বন্ধ হোক। বন্ধ হোক আগুন নিয়ে খেলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই দিয়েছেন, বাংলায় তিনি বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করতে দেবেন না। তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে আরও অনেক রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রীর কথাকে সম্মান জানিয়েই আপাতত সবার উচিত শান্ত থাকা।
সংযত থাকা। মনে রাখতে হবে, এখন রাজনীতির সময় নয়। তার জন্য অনেক সময় পড়ে আছে। রাজনৈতিক স্বার্থে গোলমাল পাকিয়ে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা ব্যর্থ করুন। প্রশাসন কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করুক। শান্ত বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা পরাজিত হোক।
বলা বাহুল্য, এ রাজ্যের পক্ষে সময়টা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাই সুযোগ সন্ধানীরা ইন্ধন দেবেই। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্ট ডাউন শুরু হল বলে। সব মিলিয়ে আর পনেরো ষোলো মাস বাকি। বাংলায় এবার মোকাবিলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি বিজেপির। সিপিএম, কংগ্রেস জোট হোক আর নাই হোক, আপাতত এরাজ্যে তারা নিতান্তই এলেবেলে শক্তি, তায় একে অপরের লেজুড়। আপাতত ওদের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। এই মুহূর্তে ধারে ভারে সার্বিক গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে তৃণমূল অনেকটা এগিয়ে থাকলেও এরাজ্যে লড়াইয়ের চূড়ান্ত ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে মরিয়া হয়ে নেমেছেন অমিত শাহরা। বিজেপি নেতৃত্ব জানেন, এই মুহূর্তে সারা দেশে বাংলার জননেত্রীর মতো সোজা মেরুদণ্ডের আপসহীন লড়াকু আর একজনও নেই। হার্ভার্ড ও অক্সফোর্ডে উচ্চশিক্ষিত কংগ্রেসের তাবড় নেতা নেত্রীরাও মমতার নাছোড় লড়াইয়ের সামনে তাই ম্লান। সম্প্রতি রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে গেরুয়া দলের ভরাডুবিই প্রমাণ করেছে, এখনও মমতাতেই আস্থা গোটা বাংলার। দু’হাজার একুশেও মমতাকেই বাংলার সিংহাসনে বসানোর জন্য রাজ্যবাসী প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি এবং অগ্নিকন্যা মমতা শক্ত ঠাঁই বুঝেই তাঁর সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার আগে সংবিধানটাকেই দুমড়ে মুচড়ে তার অন্তর্নিহিত আত্মাকে খতম করে দেওয়ার ভয়ঙ্কর খেলায় নেমেছে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন মোদি ও অমিত শাহের বিজেপি। দরকার হলে গোলপোস্টের অবস্থানটাকেই বদলে দিতেও তাঁরা যে দু’বার ভাববেন না, তাও পরিষ্কার। সেই কারণেই দেশভাগের ক্ষত বয়ে চলা বাংলায় এনআরসি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর করার কদর্য খেলায় নেমেছে গেরুয়া শিবির। যার আসল উদ্দেশ্য, হিন্দু ভোটব্যাঙ্ককে একজোট করা। তবে একটা কথা বিনা দ্বিধায় বলতে পারি, হার মানার পাত্রী অগ্নিকন্যা নন। শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত আবার ধর্মের ভিত্তিতে মানুষভাগের হীন চক্রান্ত তিনি রুখবেনই রুখবেন। এখনও বাংলার মানুষের সেই বিশ্বাস আছে।
নরেন্দ্র মোদির দল বিলক্ষণ জানে সোজাসাপ্টা লড়াইয়ে একুশে বাংলা দখল কোনওভাবেই সম্ভব নয়। এখানে বিগত তিন দশক ধরে মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা আন্দোলন প্রতিবাদ সংগঠিত হয়েছে মমতাকে কেন্দ্র করেই। তিনি বাংলার অবিসংবাদিত নেত্রী। উল্টে, এনআরসির ঠেলায় জেলায় জেলায় ভয় আর আতঙ্কে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে। যেটুকু সমর্থন বিজেপি পেয়েছিল লোকসভা ভোটে, তা দ্রুত কমছে। এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় সংবিধানের বিবেককে বিসর্জন দিয়ে সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে, মানুষে মানুষে বিভেদ ও বৈষম্য তৈরির আরও ভয়ঙ্কর খেলায় মেতেছে বিজেপির সরকার। চালু হচ্ছে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদান। তুমি হিন্দু হলে, শিখ হলে, বৌদ্ধ হলে, পার্সি হলে, খ্রিস্টান হলে, জৈন হলে শরণার্থী হয়েও নাগরিকত্ব পাবে। আর মুসলমান হলে, তোমার পরিচয় হবে ‘বেআইনি অনুপ্রবেশকারী’, বৈধ নাগরিকত্ব তুমি পাবে না। ভারতের সংবিধান যে-দর্শনের উপর দাঁড়িয়ে, তা মানুষে-মানুষে এই বিভেদ বৈষম্যের কথা কখনও বলে না। সব ধর্ম, সব সম্প্রদায়কে সমানভাবে দেখা ও প্রত্যেককে সুবিচার দেওয়ার জন্যই কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ এই সংবিধানের
মূল সুর। অথচ, আজ ৭০ বছর পর এর ঠিক
উল্টোটাই মোদি অমিত শাহদের রাজনীতির ধ্রুবপদ। ফলে ভয়ঙ্কর সঙ্ঘাত ও তার থেকে রক্তক্ষরণ অবশ্যম্ভাবী। হচ্ছেও তাই।
নোটবন্দি এবং ত্রুটিপূর্ণ তড়িঘড়ি জিএসটি চাপিয়ে দেওয়া থেকে রক্ত ঝরছে ভারতের অর্থনীতির। ৩৭০ ধারার ধাক্কায় বিচ্ছিন্ন হয়েছে গোটা কাশ্মীর উপত্যকা। আজ সেই ঘটনার পাঁচ মাস পরেও ওই রাজ্যের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কার্যত নজরবন্দি। বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে কোনও যোগ নেই উপত্যকার বহু অংশের। আর গতকাল থেকে একই কায়দায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে অসমে। গুয়াহাটি, তেজপুর, ডিব্রুগড় জ্বলছে। মানুষ বিপন্ন। প্রাণও হারাচ্ছে। আর ভোটব্যাঙ্কে ফায়দার হিসেব কষছেন বিজেপি নেতারা। আসল সঙ্কটের দিকে তাকানোর সময়ই নেই অমিত শাহদের। দেশজুড়ে যুবসমাজ নানা সমস্যায় দীর্ণ। চাকরি নেই, ব্যবসা নেই, উৎপাদন নেই, শিক্ষার প্রসার নেই। আর এসব নিয়ে কোনও কথা নেই, আলোচনা নেই সংসদেও। মাঝে মাঝে মহামান্য অর্থমন্ত্রী কিছু ঘোষণা করছেন। কিন্তু, তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। অর্থনীতি জাগছে না। পুরো সরকারটা মজে আছে শুধু ধর্ম আর তার ভিত্তিতে অবিশ্বাস, ঘৃণা ও বিদ্বেষের মিথ্যে বাতাবরণ তৈরি করতে। মানুষের ধর্ম আর বিশ্বাসকে সম্বল করে ভোট বৈতরণী পার হওয়ার স্বপ্ন বিজেপির মজ্জাগত। আর, পশ্চিমবঙ্গে দেশভাগের আগুন, সব হারানো মানুষের আর্তনাদ আজ সাত দশক পরেও ঘোর বাস্তব। শিশু কোলে শরণার্থী এরাজ্যের মানুষের স্মৃতিতে টাটকা। তাই এনআরসি এবং নাগরিকত্ব বিলের আড়ালে হিন্দুদের মনে সেই দেশভাগের স্মৃতিকে উস্কে হিন্দু ভোটকে নিজেদের পদ্মফুল প্রতীকের দিকে টানার জঘন্য খেলা শুরু হয়েছে। লক্ষ্য, বিধানসভা ভোট। এই আগুন
নিয়ে খেলা বন্ধ করতে না-পারলে এরাজ্যও অন্ধকারে ডুবে যাবে। বিভেদ আর চূড়ান্ত ধর্মীয় মেরুকরণ আখেরে মূল সমস্যা থেকে মানুষের দৃষ্টিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ারই চেষ্টা। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নিয়ে রাজ্যকে দ্বিখণ্ডিত করার পর তাই বিজেপির পরবর্তী লক্ষ্য গোটা উত্তর-পূর্বের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গও। আর, বিজেপির এই সাম্প্রদায়িক দাপাদাপি থামাতে পারেন একমাত্র মা-মাটি-মানুষের নেত্রীই।
বাংলায় সিপিএমের দিন গিয়েছে অনেকদিন হল। জাতীয় রাজনীতিতেও বামেদের আর তাৎপর্য নেই। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যপাট হারানোর পর বামেদের সেই যে ভোটব্যাঙ্কের ক্ষয় শুরু হয়েছে তা অতি সম্প্রতি রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও জারি আছে আমরা দেখলাম। কংগ্রেসের অবস্থা আরও করুণ। কার্যত দু’দলই এরাজ্যে অস্তিত্বের তীব্র সঙ্কটে ভুগছে। জোট করেও একে অপরকে জাগাতে পারছে না। নেতৃত্বের সঙ্কটের কারণে জাতীয় স্তরেও কংগ্রেসের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে জোট করে এরাজ্যে সিপিএম-কংগ্রেস দু’তরফেরই ভরাডুবি হয়। ভুললে চলবে না, তখনও বিজেপি এত প্রবলভাবে রাজ্য-রাজনীতিতে মাথা তোলেনি। কিন্তু ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের ফল সংসদীয় রাজনীতিটাকেই চূড়ান্ত একপেশে করে দিয়েছে। বামেদের কার্যত সংসদে দূরবিন দিয়েও খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সংখ্যার বিচারে কংগ্রেস আর তেমন কোনও চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। এর বাইরে অধিকাংশ দলই চূড়ান্ত সংশয় ও দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছে। যার জেরে লোকসভা তো বটেই রাজ্যসভাতেও বিজেপিকে কোনও বিল পাশ করাতে আর বেগই পেতে হচ্ছে না। বিতর্কের মানও অত্যন্ত দুর্বল। আরও কত কী যে হতে পারে, আগামী পাঁচবছর তা একমাত্র মোদি-অমিত শাহই জানেন। গত মে মাসে ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক বিতর্কিত বিল আইনে পরিণত করে চলেছেন মোদি-শাহ জুটি। তাঁদের যেন বিরাম বিশ্রাম নেওয়ার অবকাশই নেই! লোকসভা তো বটেই রাজ্যসভাও এখন পুরোপুরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে। তাই সংসদে বিল পাশ করানো এখন আর কোনও চিন্তার বিষয়ই নয়। তবে, সরকারেরও মনে রাখা দরকার যে ঘৃণা ছড়িয়ে কিন্তু শেষরক্ষা সম্ভব নয়। পাকিস্তান ধর্মের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছিল বলেই তার অগ্রগতি ও সামগ্রিক বিকাশ ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের মতো হয়নি। ধর্ম, সম্প্রদায়কে অন্তরাত্মা করলে কোনও রাষ্ট্রই এগতে পারে না। এবার বিজেপি যদি ভারতকে একটি ‘হিন্দু-পাকিস্তান’-এ পরিণত করার কথা ভেবে থাকে তবে ভুলই করবে। এই উন্নত বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলার যে পরিসর আমরা অনেক কষ্টে তৈরি করেছি, পরিণামে, সেটুকুও হারাব। আত্মহত্যা কোনও সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের ‘চয়েস’ হতে পারে না।
15th  December, 2019
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
ওড়িশার সেই লাল গাঁজা এখান থেকে ম্যাটাডর, ছোট গাড়িতে লোড হয়ে চলে যাচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো ভিন রাজ্যে। ...

আবাসনের নীচেই পাওয়া গেল বৃদ্ধের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বুধবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাগান থানা এলাকার নারকেলডাঙা মেন রোডের একটি আবাসনে। মৃতের নাম রামকিশোর কেজরিওয়াল (৭৩)। তিনি ...

 পুজোর আগে কাজের চাপে স্নান-খাওয়ার সময় থাকত না জাঙ্গিপাড়া, রাজবলহাট সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের তাঁতশিল্পীদের। করোনার কোপে তাঁরা আজ কাজ হারিয়ে কেউ রাজমিস্ত্রির জোগাড়ে, কেউবা ফেরিওয়ালা। ...

 পেটে দানাপানি নেই। সঙ্গে দোসর টানা হাঁটার নিদারুণ ক্লান্তি। প্রবল গরমে ফলস্বরূপ রাস্তায় ঘটেছে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা। কিন্তু ঠিক কত পরিযায়ী শ্রমিক এভাবে শয়ে শয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ে বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত ১, জখম ৪
মুম্বইয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বাড়ির একাংশ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

07:38:59 PM

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়া রেকর্ড মোদির
অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিন মসনদে থাকার রেকর্ড গড়লেন ...বিশদ

07:34:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৫ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫,৮৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:17 PM

মেডিক্যাল কলেজে ট্রলি থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ আছড়ে পড়ল রাস্তায়
হাসপাতালে ট্রলি করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় আছড়ে পড়ল ...বিশদ

05:57:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:28 PM

জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত এক ব্যবসায়ী 
আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত হলেন এক ব্যবসায়ী। জেলার মণ্ডলঘাট বাজারে ...বিশদ

03:18:52 PM