Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এনআরসি দেশ গড়ার পথ, নাকি ক্ষমতায় পৌঁছনোর ইস্যু
তন্ময় মল্লিক

পরিবর্তনই জীবনের বৈশিষ্ট্য। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় সবকিছুই। কিন্তু পরিবর্তনের এই ধারায় সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে যাচ্ছে রাজনীতির অভিমুখ ও উপাদান। একটা সময় রাজনীতিতে সাফল্য লাভের প্রধান উপাদান ছিল উন্নয়ন। এখন রাজনীতিতে সাফল্য লাভের উপাদান জবরদস্ত ইস্যু। ইস্যু তৈরি করতে পারলেই কেল্লা ফতে। আর ইস্যু তৈরিতে গেরুয়া শিবিরের জুড়ি মেলা ভার। এই মুহূর্তে বিজেপি নেতৃত্ব এনআরসির মতো জবরদস্ত ইস্যুকে সামনে এনে বিরোধী দলগুলির তো বটেই, কোটি কোটি ভারতবাসীর নজর একটা বিন্দুতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে রাস্তাঘাট, পাড়ার মোড় সর্বত্র একটাই আলোচনা, এনআরসি। অক্ষরজ্ঞানের আলো যাঁদের মধ্যে প্রবেশ করেনি, তাঁরাও বুঝে গিয়েছেন এনআরসির অর্থ। নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আইনে পরিণত হওয়ার পর সেই চর্চা আরও বেড়েছে।
হরি হালদার অত্যন্ত ছাপোষা মানুষ। শিলিগুড়ি শহরের রাস্তাঘাটে বাদাম বিক্রি করে সংসার চালান। থাকেন শিলিগুড়ির আশিনগরে। আগে থাকতেন উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ায়। এনআরসির কথা তুলতেই মুখ কাঁচুমাঁচু। বলেন, কাগজপত্র চোপড়ায় দাদাদের কাছে আছে বোধহয়। তবে, সবটাই ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিয়েছি। বেশি ভাবলেই কেমন যেন...। কথা শেষ না করেই ‘বাদাম চাই, বাদাম’ হাঁক দিয়ে সরে গেলেন।
উত্তর দিনাজপুরে মাটিকুন্ডা ১ পঞ্চায়েতের নতুন ডাঙাপাড়ার হালিমুদ্দিন শেখ বলেন, এদেশেই জন্মেছি... আর এখন প্রমাণ দিতে হবে, আমরা এদেশের নাগরিক! এটা ভাবা যায়? তবে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এরাজ্যে এনআরসি হবে না। আমরা ওঁর ভরসাতেই আছি।
রাজ্যের উপনির্বাচনে বিজেপি পর্যুদস্ত হওয়ায় কাঠগড়ায় এনআরসি। উপনির্বাচনে এনআরসি অবশ্যই একটা ফ্যাক্টর। কিন্তু, সেটাই প্রধান কারণ নয়। কালিয়াগঞ্জের ক্ষেত্রে কথাটা খাটলেও করিমপুর এবং খড়্গপুরে তৃণমূলের সাফ঩ল্যের জন্য শুধু এনআরসিকে নম্বর দিলে ভুল হবে। এনআরসি মূল ফ্যাক্টর হলে করিমপুরে বিজেপির ভোট কিছুতেই বাড়ত না। তাই কেবল এনআরসির দিকে আঙুল তুললে গেরুয়া শিবিরের রাজনৈতিক লাভ ষোলো আনা।
এই মুহূর্তে দেশের অর্থনীতির বেহাল দশা বোঝার জন্য অ্যাডাম স্মিথের ‘ওয়েল্থ অব নেশনস’ পড়ার দরকার নেই। মানুষ টের পাচ্ছে, সংসারের বোঝা দিন দিন হিমালয় হয়ে যাচ্ছে। উপলব্ধি করছে, ‘আচ্ছে দিন’ শুধুই স্লোগান। ১৫ টাকা কেজির পেঁয়াজ ১৫০ টাকা ছুঁয়েছে। ৫০০ টাকা কেজির পোস্ত ১৪০০ টাকা ছুঁয়ে সর্বকালীন রেকর্ড গড়েছে। বেকারি, রেলের মাশুল বৃদ্ধি, পেট্রল-ডিজেল, পেঁয়াজ, পোস্তর মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মানুষের জ্বলুনির অন্ত নেই। তবে, এসব কিছুর দহন ঢেকে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এনআরসিকে ময়দানে নামানো হয়েছে।
হ্যাঁ, এটাই কৌশল। ইস্যু তৈরির কৌশল। বিজেপির ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ অমিত শাহ বারবার বলছেন, এনআরসি হবেই। তাঁর যুক্তি, দেশকে মজবুত করতে গেলে এনআরসিই পথ। অমিত শাহ খুব ভালো করেই জানেন, বোতলবন্দি দৈত্যকে ছেড়ে দিলে তাকে সামলাতেই সকলে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। তাকে ঘিরেই আবর্তিত হবে রাজনীতি। এনআরসি কোনও ইস্যুকেই দানা বাঁধতে দেবে না।
রাহুল সিন্হা বাদে বঙ্গ বিজেপির প্রায় সকল নেতা উপনির্বাচনে বিপর্যয়ের জন্য এনআরসির দিকে আঙুল তুলেছেন। বলছেন, এনআরসি নিয়ে তৃণমূল মানুষকে ভুল বুঝিয়েছে।
অনেকেই বলছেন, উপনির্বাচনে খারাপ ফলের জন্য এনআরসিকে বড় করে দেখানোটা বিজেপির একটা কৌশল। কারণ এনআরসিকে ‘ভিলেন’ বানাতে পারলেই এক ঢিলে দু’টি পাখি মরবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে বেশি চর্চা হবে না। আবার আলোচিত হবে না সংশোধন প্রক্রিয়ার ফলে তৃণমূলের ঘুরে দাঁড়ানোর কারণগুলি।
গেরুয়া শিবিরের এক তাত্ত্বিক নেতা এখনও ২০২১ সালে এরাজ্যে ভালো ফল করা নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। তাঁর কথায়, এখন যাঁরা এনআরসি নিয়ে লম্ফঝম্ফ করছেন, বিধানসভা নির্বাচনে তাঁরাই চোখে সর্ষে ফুল দেখবেন। কারণ আতঙ্ক দূর করার দাওয়াই আছে অমিতজির ঝুলিতেই।
বিজেপির ওই নেতার কথা শুনে বহু বছর আগের একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল। রাজ্যে তখন বামশাসনের স্বর্ণযুগ। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় সিপিএম আর তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াই লেগেই থাকত। সিপিএমের এক হার্মাদ নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানায় তৃণমূল বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। বিক্ষোভের পাশাপাশি শুরু হল রাস্তা অবরোধ। অবরোধ তুলতে গিয়ে অফিসার আচমকা লাঠিচার্জ করায় একটি ছেলের মাথা ফেটে গেল। উত্তেজনা চরমে। দাবি বদলে গেল, অভিযুক্ত পুলিস অফিসারের শাস্তি চাই। বিক্ষোভ জোরদার হল। শুরু হল ভাঙচুর। বারাকপুর থেকে এক অফিসার বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেই চারদিক দেখে নিলেন। চোখের ইশারায় পজিশন নিল পুলিস। তারপর লাঠি উঁচিয়ে রে রে করে তেড়ে গেল। সামনে যাকে পেল, তাকেই গাড়িতে তুলল। মুহূর্তে এলাকা ফাঁকা।
কিছুক্ষণ পর তৃণমূলের এক নেতা দু’-একজনকে নিয়ে থানায় গিয়ে ওই অফিসারকে বললেন, যাদের ধরেছেন, তারা নির্দোষ। দয়া করে ছেড়ে দিন। অফিসার বললেন, ‘কেস দিয়ে সবাইকে কোর্টে চালান করে দেব। ইয়ার্কি হচ্ছে! পুলিসের সঙ্গে মস্তানি।’ তখন সকলে হাতজোড় করে বলেন, স্যার, দয়া করে ছেড়ে দিন। আর এরকম হবে না। অফিসার বললেন,‘এলাকা যেন একদম ফাঁকা হয়ে যায়। ঘণ্টাখানেক পর মুচলেকা দিয়ে বাড়ি ফিরে যাবে।’ নেতা সহ সকলেই পুলিস অফিসারকে ‘থ্যাঙ্ক ইউ স্যার, থ্যাঙ্ক ইউ স্যার’ বলে গদগদ চিত্তে বিদায় নিলেন।
নেতা যেতেই অফিসার চায়ের অর্ডার দিয়ে মুচকি হেসে বললেন, দেখলেন, কী ভাবে সিচ্যুয়েশন কন্ট্রোল করলাম। ওরা যে দাবি নিয়ে আন্দোলন করছিল, সেটাই ভুলে গেল। এখন লোকজনকে ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে পারলে বাঁচে। ওরা মার খেল, মাথা ফাটল, রক্ত ঝরল। আবার ‘থ্যাঙ্ক ইউ স্যার’ বলে গেল। জেলের আতঙ্ক তৈরি করতে না পারলে থামানোই কঠিন হতো।
প্রশাসনই হোক, আর রাজনীতিই হোক, কৌশলটাই আসল। প্রয়াত অনিল বিশ্বাস দেখিয়ে গিয়েছেন, জনপ্রিয়তার তলানিতে পৌঁছেও স্রেফ কৌশলে কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়। ২০০১ সালে ভাঙনের মুখে অনিলবাবু দলের ‘বিদ্রোহী’ নেতাদের আলিমুদ্দিনে ডেকে বলেছিলেন, ক্ষমতাচ্যুত হলে তাঁদের তৃণমূল কী হাল করে ছাড়বে! দোদুল্যমান নেতাদের আতঙ্কিত করে তিনি এককাট্টা করেছিলেন। তা না হলে ২০০১ সালেই ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হতো।
আবার কৌশলী না হলে উন্নয়ন করে, চাকরি দিয়েও ক্ষমতা ধরে রাখতে না পারার উদাহরণ সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের সরকার। প্রচুর চাকরি দিয়ে, উন্নয়ন করেও পাঁচ বছরের বেশি টিকতে পারেনি। নিজের দ্বন্দ্ব, মারামারি রুখতে মূলত সিদ্ধার্থশঙ্করবাবুর পরামর্শে জরুরি অবস্থা জারি করেও নয়। উল্টে জরুরি অবস্থার জন্যই কংগ্রেসকে গোটা দেশ থেকে সমূলে উৎখাত হতে হয়েছিল। সুতরাং ক্ষমতায় টিকে থাকার শর্ত, হতে হবে কৌশলী।
২০২১ সালে এরাজ্যের নির্বাচনে এনআরসিই প্রধান ইস্যু হতে চলেছে। বিশেষ করে উপনির্বাচনের এই ফলাফলের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সিপিএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র, কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী সকলেই এনআরসিকে মূল হাতিয়ার করতে চাইবেন। কিন্তু, একটা কথা মনে রাখতে হবে, দৈত্য যত ভয়ঙ্করই হোক, সে মালিকের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। কারণ দৈত্য মালিকের কেনা গোলাম।
অনেকেই বলছেন, এনআরসি নিয়ে নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ জুটির রয়েছে নিখুঁত পরিকল্পনা। চেষ্টা করলে অনুপ্রবেশ ঠেকানো হয়তো সম্ভব। কিন্তু, লক্ষ লক্ষ মানুষকে ‘ডিটেনশন ক্যাম্পে’ রাখা বা তাদের নিজের দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়। এটা তাঁরা খুব ভালো করেই বোঝেন। তবুও এনআরসির কথাই বলছেন। কারণ তাঁরা বিরোধীদের এনআরসি ইস্যুতেই বেঁধে রাখতে চাইছেন। তাঁরা মনে করছেন, ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলই হবে তাঁদের তুরুপের তাস। ওই বিলে শুধু আতঙ্কের ক্ষতে মলমের ব্যবস্থাই নেই, আছে বিরোধীদের ঘায়েলের অস্ত্রও।
তাঁরা মনে করছেন, সংশোধনী বিলের যারা বিরোধিতা করবে, মুসলিম ছাড়া সকল সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে তাদের ‘ভিলেন’ বানানো সহজ হবে। এরাজ্যে তারা বলবে, তৃণমূল শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে চায় না বলেই বিলের বিরোধিতা করছে। এনআরসি আতঙ্কে ভোগা মানুষের একটা বড় অংশ বিজেপির প্রচার বিশ্বাসও করবে। কথায় আছে, চাচা আপন প্রাণ বাঁচা। আর তখনই অমিত শাহের এনআরসি ইস্যু বৃত্ত সম্পূর্ণ করবে।
যে কায়দায় পুলিস নিরীহদের হাজতে ভরে আতঙ্ক তৈরির পর মুক্তি দিয়ে ‘থ্যাঙ্ক ইউ স্যার’ পায়, একইভাবে এনআরসি আতঙ্ক থেকে মুক্তি দিয়ে মোদি-অমিত শাহ জুটি ‘স্যালুট’ কুড়াবেন। আর তখন বিরোধীরা সরকার বিরোধী ইস্যু তৈরি করতে নাকানি চোবানি খাবে। তাই এনআরসি স঩ত্যিই দেশ গড়ার পথ, নাকি ক্ষমতায় পৌঁছনোর ইস্যু, সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। মনে রাখতে হবে, ছলনা শুধু দুর্জনের অস্ত্র নয়, রাজনীতির কৌশলও। 
14th  December, 2019
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 সরাসরি স্কুল-কলেজে গিয়ে ক্লাস করা সম্ভব না হলেও অনলাইনে ক্লাসের উপর জোর দিয়েছে প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ...

ওড়িশার সেই লাল গাঁজা এখান থেকে ম্যাটাডর, ছোট গাড়িতে লোড হয়ে চলে যাচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো ভিন রাজ্যে। ...

 পুজোর আগে কাজের চাপে স্নান-খাওয়ার সময় থাকত না জাঙ্গিপাড়া, রাজবলহাট সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের তাঁতশিল্পীদের। করোনার কোপে তাঁরা আজ কাজ হারিয়ে কেউ রাজমিস্ত্রির জোগাড়ে, কেউবা ফেরিওয়ালা। ...

 করোনায় আক্রান্ত রাজস্থান রয়্যালসের ফিল্ডিং কোচ দিশান্ত ইয়াগ্নিক। আপাতত তিনি উদয়পুরে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ে বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত ১, জখম ৪
মুম্বইয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বাড়ির একাংশ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

07:38:59 PM

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়া রেকর্ড মোদির
অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিন মসনদে থাকার রেকর্ড গড়লেন ...বিশদ

07:34:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৫ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫,৮৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:17 PM

মেডিক্যাল কলেজে ট্রলি থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ আছড়ে পড়ল রাস্তায়
হাসপাতালে ট্রলি করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় আছড়ে পড়ল ...বিশদ

05:57:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:28 PM

জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত এক ব্যবসায়ী 
আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত হলেন এক ব্যবসায়ী। জেলার মণ্ডলঘাট বাজারে ...বিশদ

03:18:52 PM